শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৩৫, সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র

জিল্লুর রহমান
অনলাইন ভার্সন
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র

১. ইতিহাস যখন পণ্যে পরিণত হয়

বাংলাদেশে ইতিহাসের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বরাবরই জটিল। মুক্তিযুদ্ধ ছিল একসময় জাতির নৈতিক ভিত্তি, আত্মপরিচয়ের মূল স্তম্ভ। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই ইতিহাস রাজনীতির বাজারে ঢুকে পড়েছিল। মুক্তিযুদ্ধ হয়ে উঠেছিল ক্ষমতার বৈধতার সনদ, বিরোধীদের চুপ করানোর অস্ত্র, শাসনের অলংকার। পনেরো-ষোলো বছর ধরে আমরা দেখেছি কীভাবে একটি মহাকাব্যিক সংগ্রামকে রাজনৈতিক পণ্যে পরিণত করা হয়েছিল।

আজ একই আশঙ্কা ঘিরে ধরছে জুলাইয়ের গণ অভ্যুত্থানকে। জুলাই ছিল মানুষের ক্ষোভের বিস্ফোরণ। বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো তরুণদের সাহসিকতা। রাজপথে নামা সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা-আর কোনো দমনপীড়ন নয়, আর কোনো অন্যায় নয়। সেই আন্দোলনের দুটি স্পষ্ট দাবি ছিল : বৈষম্যের অবসান এবং সরকারের পতন। কিন্তু বিপ্লবের পর আমরা যে নতুন বয়ান শুনতে শুরু করলাম-সংস্কার কমিশন, ঐকমত্য কমিশন, নতুন নতুন রাজনৈতিক ভাষ্য-এসব অনেকটাই আন্দোলনের মাঠের আলোচনার অংশ ছিল না।

আজ জুলাইয়ের গল্পও মঞ্চে উঠে যাচ্ছে, পোস্টারে ছাপা হচ্ছে, বক্তৃতায় বিক্রি হচ্ছে। বিপ্লবের স্মৃতি, শহীদের রক্ত, ছাত্রদের সাহস-সবকিছু যেন নতুন এক ব্র্যান্ড। ইতিহাস আবারও বাজারে ঢুকে পড়ছে।

বিশ্ব রাজনীতিতে ইতিহাসকে পণ্যে পরিণত করার এই প্রবণতা নতুন নয়। লাতিন আমেরিকায় বিপ্লবী আন্দোলনের নাম ব্যবহার করে বহু সরকার ক্ষমতায় এসেছে, আফ্রিকায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ব্যবহার করে বহু শাসক নিজের কর্তৃত্বকে বৈধতা দিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে আরব বসন্তের বয়ানও অনেক দেশে ক্ষমতার অলংকারে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন সেই একই পথে হাঁটছে কি না, এই প্রশ্নটাই আজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সমস্যা ইতিহাসে নয়, সমস্যাটা হলো ইতিহাসের সঙ্গে মানুষের জীবনের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেলে। যে বয়ান মানুষের দুঃখকষ্ট, নিরাপত্তা, সম্মান আর ন্যায়ের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে না, তা একসময় ক্লান্ত করে তোলে। তখন বিপ্লবও স্মৃতির জাদুঘরে বন্দি হয়ে যায়। এখান থেকেই শুরু হয় রাষ্ট্রের বড় সংকট। কারণ ইতিহাস যখন পণ্যে পরিণত হয়, তখন রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তিও দুর্বল হয়ে পড়ে।

২. ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র

ইতিহাসের পণ্যে রূপান্তরের পরের ধাপটা প্রায় স্বাভাবিক নিয়মেই আসে-ক্ষমতার চেয়ার। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি নিষ্ঠুর সত্য আছে : যে লঙ্কায় যায়, সে-ই রাবণ হয়ে ফেরে। বিরোধী দলে থাকলে মহাকাব্যিক সংগ্রামসবাই গণতন্ত্রের কথা বলে, ক্ষমতায় গেলে সবাই শাসকের ভাষায় কথা বলে। মুখ বদলায় না, অবস্থান বদলায়। ফলে রাষ্ট্রের চরিত্র বদলায় না, শুধু শাসকের নাম বদলায়।

এই বাস্তবতা শুধু বাংলাদেশের নয়। আফ্রিকায় বহু মুক্তিযুদ্ধের নেতা ক্ষমতায় গিয়ে স্বৈরশাসকে পরিণত হয়েছেন, লাতিন আমেরিকায় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নায়করা ক্ষমতায় গিয়ে একনায়ক হয়েছেন, এমনকি ইউরোপেও আমরা দেখেছি কীভাবে জনপ্রিয়তাবাদী নেতারা ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল করেছেন। বাংলাদেশেও একই চিত্র। রাজনৈতিক নেতা হোক কিংবা নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি-ক্ষমতার কাছাকাছি গেলে মুখ বদলায় না, অবস্থান বদলায়। ফলে রাষ্ট্রের চরিত্র বদলায় না, শুধু শাসকের নাম বদলায়।

এই নৈতিক সংকটের নগ্ন রূপ আমরা দেখেছি সাম্প্রতিক সময়ের কয়েকটি ঘটনায়। দেশের দুইটি প্রথিতযশা সংবাদপত্রের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ছিল কেবল একটি অপরাধ নয়, এটি ছিল মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। প্রশ্ন হলো, তখন রাষ্ট্র কোথায় ছিল? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোথায় ছিল? ঘটনার পর সবাই দুঃখ প্রকাশ করল, বিবৃতি দিল, ফোন করল। কিন্তু যা হওয়ার, তা তো হয়ে গেছে। রাষ্ট্র যখন নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, তখন ক্ষমতার দুঃখ প্রকাশ আর নাগরিকের ক্ষত শুকাতে পারে না।

আরও ভয়ংকর হলো মব কালচারকে নানাভাবে বৈধতা দেওয়ার প্রবণতা। একটি তথাকথিত স্থিতিশীল দেশে, ছয় মাস পর ধানমন্ডি ৩২-এর ঐতিহাসিক স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো-সবার সামনে, প্রকাশ্যে। কেউ থামাল না। কেউ দাঁড়াল না। রাষ্ট্র যদি নিজেই ভিড়ের হাতে আইন তুলে দেয়, তাহলে নাগরিক কোথায় যাবে?
এখানেই ইতিহাসের পণ্যে পরিণত হওয়া আর ক্ষমতার চেয়ার এক হয়ে যায়। ইতিহাসকে যারা বিক্রি করে, তারাই একসময় রাষ্ট্রকে নিজের সম্পত্তি ভাবতে শুরু করে।

৩. রাজপথ, ক্যাম্পাস আর পরিচয়ের রাজনীতি

রাষ্ট্র যখন দুর্বল হয়, তখন রাজপথে নতুন শক্তির উত্থান ঘটে। বাংলাদেশেও সেটাই হচ্ছে। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি আবার সংগঠিত হচ্ছে। যারা একসময় প্রান্তিক ছিল, তারা আবার জায়গা করে নিচ্ছে জনসমাবেশে, মিছিলে, বক্তৃতায়। ধর্মীয় আবেগ রাজনীতির প্রধান ভাষা হয়ে উঠছে।

বিশ্ব রাজনীতিতেও আমরা এই প্রবণতা দেখছি। ইউরোপে অভিবাসনবিরোধী ডানপন্থি দলগুলোর উত্থান, আমেরিকায় ধর্মীয় রক্ষণশীলতার পুনরুত্থান, মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামপন্থি রাজনীতির পুনর্গঠন-সবখানেই পরিচয়ের রাজনীতি নতুন করে শক্তিশালী হচ্ছে।

বাংলাদেশেও তার ব্যতিক্রম নেই। এই প্রবণতার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে ক্যাম্পাস রাজনীতিতেও। সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, বিশেষ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন, দেখিয়েছে-নতুন প্রজন্ম পুরোনো দলীয় রাজনীতির বাইরে বিকল্প খুঁজছে। তারা আবাসনসংকট, নিরাপত্তা, পরিবহন, শিক্ষার মান-এই বাস্তব সমস্যাগুলোর সমাধান চায়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে এটি ঐতিহ্যগতভাবে জাতীয় রাজনীতির প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। এখানে শিক্ষার্থীরা যেভাবে সংগঠিত হচ্ছে, যেসব ইস্যুকে সামনে আনছে-তা দেখায়, রাজনীতিকে তারা আর কেবল স্লোগানের জায়গা হিসেবে দেখতে চায় না।

কিন্তু একই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে পরিচয়ের রাজনীতিও শক্তিশালী হচ্ছে। আদর্শের বদলে পরিচয় যখন রাজনীতির মূল ভাষা হয়ে ওঠে, তখন নাগরিক হয়ে ওঠার বদলে মানুষ হয়ে ওঠে অনুসারী। তখন ইতিহাস, রাষ্ট্র আর সমাজ-সবকিছুই বিভক্ত হয়ে পড়ে।

এই জায়গায় জুলাইয়ের বয়ান, ক্ষমতার চেয়ার আর রাজপথের রাজনীতি এক হয়ে যায়। ইতিহাসকে পণ্যে বানানো হয়, ক্ষমতা সেই পণ্যের মালিক হয়, আর রাজপথে জন্ম নেয় নতুন বিভাজন।

৪. এক ভাইয়ের শোক ও সম্পর্কের মানে

এই রাষ্ট্র, রাজনীতি, বিপ্লব আর ক্ষমতার ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে জীবন কখনো কখনো হঠাৎ খুব ব্যক্তিগত হয়ে ওঠে। ১০ জানুয়ারি ছিল আমার ছোট বোন কামরুন নাহারের (শিল্পী) একাদশ মৃত্যুবার্ষিকী। ঢাকা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ছিল ও। শিক্ষকতা ছিল ওর জীবন, ছাত্রছাত্রীরা ছিল ওর পরিবার। কিন্তু আমার কাছে ও শুধু একজন শিক্ষাবিদ ছিল না-ও ছিল আমার ছোট বোন, মাত্র দুই বছরের ছোট হলেও আমার সন্তানের মতো, আমার জীবনের নীরব শক্তি।

ভাইবোনের সম্পর্ক পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত সম্পর্কগুলোর একটি। এখানে বন্ধুত্ব আছে, অভিভাবকত্ব আছে, শাসন আছে, ভালোবাসা আছে, আবার অদ্ভুত এক নির্ভরশীলতাও আছে। ভাই বড় হলে সে শুধু ভাই থাকে না, সে হয়ে ওঠে আশ্রয়। আর বোন ছোট হলে সে শুধু বোন থাকে না, সে হয়ে ওঠে সংসারের প্রাণ।

শিল্পী ছিল সেই রকমই। সংসারের সবচেয়ে প্রাণচঞ্চল মানুষ। পড়াশোনা, শিক্ষকতা, সংসার-সবকিছু সামলে ও যেন সবার ভিতরে আলো জ্বালিয়ে রাখত। আজও অনেক সময় মনে হয়, কোনো খবর শোনাতে গেলে প্রথমেই ওর কথা মনে পড়ে। কোনো আনন্দে ফোন করতে ইচ্ছা করে। কোনো দুঃখে পাশে বসতে ইচ্ছা করে।

মৃত্যু মানুষকে নিয়ে যায় না, স্মৃতিকে রেখে যায়। স্মৃতি কখনো কাঁদায়, কখনো শক্ত করে। এগারো বছর হয়ে গেল, কিন্তু ভাইবোনের সম্পর্কের জায়গাটা আজও শূন্যই রয়ে গেছে। এই শূন্যতা আমাকে বারবার মনে করিয়ে দেয়-রাষ্ট্রের সঙ্গে যেমন সম্পর্ক দরকার, ইতিহাসের সঙ্গে যেমন সম্পর্ক দরকার, তেমনি মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কই শেষ পর্যন্ত আমাদের মানুষ করে তোলে।

রাষ্ট্র যখন নাগরিকের সঙ্গে সম্পর্ক হারায়, রাজনীতি যখন মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক হারায়, ইতিহাস যখন মানুষের জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে-তখন সমাজ ভিতর থেকে ভেঙে যায়। ঠিক যেমন একটি পরিবার ভেঙে যায় যখন ভাইবোনের কণ্ঠ হঠাৎ থেমে যায়।

শেষ কথা

বাংলাদেশ আজ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে ইতিহাস আবার নতুন করে লেখা হচ্ছে। প্রশ্ন হলো-এই ইতিহাস কে লিখবে? ক্ষমতা, না মানুষ?

জুলাইয়ের বিপ্লব যদি মানুষের জীবনে ন্যায়ের নিশ্চয়তা না আনে, তাহলে সেটি কেবল স্মৃতির অ্যালবামে বন্দি হয়ে যাবে। যদি রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদল না হয়, তাহলে ক্ষমতার চেয়ার আগের মতোই মানুষকে গ্রাস করবে। যদি রাজনীতির মাঠ পরিচয়ের দখলে চলে যায়, তাহলে গণতন্ত্র দুর্বল হবে। আর যদি আমরা সম্পর্কের মূল্য ভুলে যাই, তাহলে রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবার-সব জায়গাতেই শূন্যতা তৈরি হবে।

ইতিহাসকে পণ্যে পরিণত করা যায়। ক্ষমতাকে দখল করা যায়। কিন্তু মানুষের হৃদয়ের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক গড়া যায় না জোর করে। সেই সম্পর্ক গড়ে ওঠে ন্যায়ে, বিশ্বাসে আর দায়বদ্ধতায়।

ভাইবোনের সম্পর্ক যেমন কোনো চুক্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে না, রাষ্ট্রের সঙ্গে নাগরিকের সম্পর্কও তেমনই। তা জন্ম নেয় ভালোবাসা আর দায়িত্ববোধ থেকে। আমরা কি আবারও ইতিহাসকে বিক্রি করব? নাকি ইতিহাসকে মানুষের মুক্তির ভাষা বানাব?

এই প্রশ্নের উত্তরই ঠিক করে দেবে-বাংলাদেশ আগামী দিনে একটি ন্যায্য রাষ্ট্র হবে, নাকি একটি ক্ষমতাকেন্দ্রিক ব্যবস্থা। এই হলো চতুর্মাত্রা। চারটি দিক কিন্তু ভবিষ্যৎ একটাই।

লেখক : প্রেসিডেন্ট, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাবে নির্বাচন চরিত্র হারায়
অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাবে নির্বাচন চরিত্র হারায়
মুদ্রানীতি সহজ হওয়া প্রয়োজন
মুদ্রানীতি সহজ হওয়া প্রয়োজন
সর্বশেষ খবর
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান

১৩ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

এবারের ভোট হবে কারা মানুষের পাশে থাকে, সেটি দেখার ভোট: তারেক রহমান
এবারের ভোট হবে কারা মানুষের পাশে থাকে, সেটি দেখার ভোট: তারেক রহমান

১৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

এশিয়ার এই ফুল বিজ্ঞানীদের ভাবনায় ফেলেছে
এশিয়ার এই ফুল বিজ্ঞানীদের ভাবনায় ফেলেছে

২১ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

নরসিংদীতে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
নরসিংদীতে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার
ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার

৫৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বিচার বিভাগ কি সত্যিই স্বাধীন হলো?
বিচার বিভাগ কি সত্যিই স্বাধীন হলো?

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ভোটের দিন চলবে মেট্রোরেল, বাড়বে ট্রেনের সংখ্যা
ভোটের দিন চলবে মেট্রোরেল, বাড়বে ট্রেনের সংখ্যা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেস থেকে জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মেস থেকে জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ভীত নয় ইরান
মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ভীত নয় ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘূর্ণি জাদুতে আইরিশদের ডুবিয়ে শ্রীলঙ্কার শুভসূচনা
ঘূর্ণি জাদুতে আইরিশদের ডুবিয়ে শ্রীলঙ্কার শুভসূচনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁদপুরে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থনে জেলা মহিলা দলের সমাবেশ
চাঁদপুরে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থনে জেলা মহিলা দলের সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ব্যতিক্রমী স্লোগানে বিএনপি প্রার্থী মাজেদ বাবুর প্রচারণা
ব্যতিক্রমী স্লোগানে বিএনপি প্রার্থী মাজেদ বাবুর প্রচারণা

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘সব ভোটকেন্দ্রে’ সেনা মোতায়েনের দাবি মুফতি ফয়জুল করিমের
‘সব ভোটকেন্দ্রে’ সেনা মোতায়েনের দাবি মুফতি ফয়জুল করিমের

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কুমিল্লা-৫ আসন : আগে ভোট, পরে কেন্দ্র পাহারার নির্দেশ
কুমিল্লা-৫ আসন : আগে ভোট, পরে কেন্দ্র পাহারার নির্দেশ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নোয়াখালীতে হাতপাখার জনসভায় মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকার
নোয়াখালীতে হাতপাখার জনসভায় মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকার

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লা-৭ আসনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের সমর্থনে গণমিছিল
কুমিল্লা-৭ আসনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের সমর্থনে গণমিছিল

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিএনপি প্রার্থী রনির আহ্বানে গাজীপুরে ক্রিকেটার তামিম
বিএনপি প্রার্থী রনির আহ্বানে গাজীপুরে ক্রিকেটার তামিম

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ধর্মঘটে ফের অচল চট্টগ্রাম বন্দর
ধর্মঘটে ফের অচল চট্টগ্রাম বন্দর

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ধর্ম ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান ধানের শীষ প্রার্থীর
ধর্ম ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান ধানের শীষ প্রার্থীর

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কর্মসংস্থানের মাধ্যমে গ্রামভিত্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করা হবে : প্রিন্স
কর্মসংস্থানের মাধ্যমে গ্রামভিত্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করা হবে : প্রিন্স

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যৌন হয়রানির প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট জাহানারা
যৌন হয়রানির প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট জাহানারা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধি দলের বৈঠক

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খুলনা–৩ এ চালু হলো ফ্রি ওয়াইফাই জোন
খুলনা–৩ এ চালু হলো ফ্রি ওয়াইফাই জোন

৩ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

সুবর্ণচরের পানির সংকট ও সড়ক সমস্যার সমাধানকে অগ্রাধিকার দেবে বিএনপি
সুবর্ণচরের পানির সংকট ও সড়ক সমস্যার সমাধানকে অগ্রাধিকার দেবে বিএনপি

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মোহাম্মাদির ছয় বছরের কারাদণ্ড
ইরানে নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মোহাম্মাদির ছয় বছরের কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমাদের কাছে সব প্রার্থী সমান, কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই: ডিসি সারওয়ার
আমাদের কাছে সব প্রার্থী সমান, কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই: ডিসি সারওয়ার

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাত থেকে ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
রাত থেকে ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রোমান্টিক কমেডি সিনেমায় ব্ল্যাকপিংকের লিসা
রোমান্টিক কমেডি সিনেমায় ব্ল্যাকপিংকের লিসা

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউক্রেন আমাদের শত্রু: অরবান
ইউক্রেন আমাদের শত্রু: অরবান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
আশিক চৌধুরীর বিনিয়োগের ফাঁপা বেলুন!
আশিক চৌধুরীর বিনিয়োগের ফাঁপা বেলুন!

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাকিস্তানকে রাজি করাতে বাংলাদেশকে কেন ডাকলো আইসিসি?
পাকিস্তানকে রাজি করাতে বাংলাদেশকে কেন ডাকলো আইসিসি?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা যেসব যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা যেসব যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকা থেকে ভাইয়ের জন্য ভোট চাইতে এলেন সিনেটর শেখ রহমান
আমেরিকা থেকে ভাইয়ের জন্য ভোট চাইতে এলেন সিনেটর শেখ রহমান

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ক্ষমতায় গেলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
ক্ষমতায় গেলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন নির্দেশনা
১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন নির্দেশনা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেতন কমিশন নিয়ে কমিটি গঠন করল সরকার
বেতন কমিশন নিয়ে কমিটি গঠন করল সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বুলবুল কী করবেন লাহোরে আইসিসি-পিসিবি বৈঠকে?
বুলবুল কী করবেন লাহোরে আইসিসি-পিসিবি বৈঠকে?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে সিইসির কাছে নারী নেত্রীদের আবেদন
জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে সিইসির কাছে নারী নেত্রীদের আবেদন

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

এবার নতুন বিপদের মুখে আইসিসি
এবার নতুন বিপদের মুখে আইসিসি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডা. না হয়েও পদবি ব্যবহার করায় জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ
ডা. না হয়েও পদবি ব্যবহার করায় জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি

১৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ঢাকার ৬ স্থানে আজ তারেক রহমানের জনসভা
ঢাকার ৬ স্থানে আজ তারেক রহমানের জনসভা

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রেকর্ড গড়ে আফগানিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু নিউজিল্যান্ডের
রেকর্ড গড়ে আফগানিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু নিউজিল্যান্ডের

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সোমবার ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি
সোমবার ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং
৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ, তেহরানে একাই হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ, তেহরানে একাই হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭৩৪৫ কোটি টাকার ঝুঁকিতে আইসিসি
৭৩৪৫ কোটি টাকার ঝুঁকিতে আইসিসি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদি প্রবাসীদের সুখবর দিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা
সৌদি প্রবাসীদের সুখবর দিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটগ্রহণ শেষে যেভাবে ফলাফল তৈরি হয়
ভোটগ্রহণ শেষে যেভাবে ফলাফল তৈরি হয়

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে আইসিসির কাছে যাওয়ার খবর প্রত্যাখ্যান পিসিবি’র
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে আইসিসির কাছে যাওয়ার খবর প্রত্যাখ্যান পিসিবি’র

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বেআইনিভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে: এইচআরডব্লিউ
ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বেআইনিভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে: এইচআরডব্লিউ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু : শিক্ষা মন্ত্রণালয়
১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এপস্টাইন কেলেঙ্কারিতে নাম থাকায় ফ্রান্সের সাবেক মন্ত্রী জ্যাক ল্যাংয়ের পদত্যাগ
এপস্টাইন কেলেঙ্কারিতে নাম থাকায় ফ্রান্সের সাবেক মন্ত্রী জ্যাক ল্যাংয়ের পদত্যাগ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলবার সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা : ইসি সচিব
মঙ্গলবার সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা : ইসি সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার সকালে
প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার সকালে

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসার ভাঙছে যীশুর, স্ত্রীর পোস্ট ঘিরে গুঞ্জন
সংসার ভাঙছে যীশুর, স্ত্রীর পোস্ট ঘিরে গুঞ্জন

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

২০৫০ সালের মধ্যে কয়েক মিলিয়ন বিড়াল নির্মূলের পরিকল্পনা নিউজিল্যান্ডের
২০৫০ সালের মধ্যে কয়েক মিলিয়ন বিড়াল নির্মূলের পরিকল্পনা নিউজিল্যান্ডের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের
‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে ১০ ফ্যাক্টর
জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে ১০ ফ্যাক্টর

প্রথম পৃষ্ঠা

বাউফলে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ নলছিটিতে যোগদান নিয়ে হাঙ্গামা
বাউফলে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ নলছিটিতে যোগদান নিয়ে হাঙ্গামা

পেছনের পৃষ্ঠা

মাঠে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্য
মাঠে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্য

প্রথম পৃষ্ঠা

নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে
নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫০ শতাংশ মানুষ
নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫০ শতাংশ মানুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু
সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে
চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্মঘটে অচল বন্দর পিছু হটেছে সরকার
ধর্মঘটে অচল বন্দর পিছু হটেছে সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে প্রচার
শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা

সম্পাদকীয়

পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন আহসান হাবীব
পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন আহসান হাবীব

নগর জীবন

প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া
প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্বীকার করেননি বুবলী শাকিব নিশ্চুপ
অস্বীকার করেননি বুবলী শাকিব নিশ্চুপ

শোবিজ

সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য
গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

টিআইবির প্রতিবেদন বাস্তবতাবিবর্জিত
টিআইবির প্রতিবেদন বাস্তবতাবিবর্জিত

প্রথম পৃষ্ঠা

দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান

সম্পাদকীয়

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরের লড়াই শেষে জুলাই যোদ্ধা আশরাফুলের মৃত্যু
দেড় বছরের লড়াই শেষে জুলাই যোদ্ধা আশরাফুলের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

তদন্তের জন্য জাতিসংঘের সহায়তা চাইল সরকার
তদন্তের জন্য জাতিসংঘের সহায়তা চাইল সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী
ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী

প্রথম পৃষ্ঠা

নাইজেরিয়ায় তিন দিনব্যাপী হামলায় ৫১ জন অপহৃত, নিহত ৩
নাইজেরিয়ায় তিন দিনব্যাপী হামলায় ৫১ জন অপহৃত, নিহত ৩

পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও আলোচনার আশা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও আলোচনার আশা ইরানের

পূর্ব-পশ্চিম

বইপ্রেমী কিশোর
বইপ্রেমী কিশোর

প্রাণের ক্যাম্পাস

নির্বাচনি নাটক ‘ঢাকা ২৬’
নির্বাচনি নাটক ‘ঢাকা ২৬’

শোবিজ

২৬০০ বন্দির মধ্যে পোস্টাল ভোট দিলেন ২০৪ জন
২৬০০ বন্দির মধ্যে পোস্টাল ভোট দিলেন ২০৪ জন

নগর জীবন

যুক্তরাজ্য থেকে জরিপ জাহাজ কিনছে নৌবাহিনী
যুক্তরাজ্য থেকে জরিপ জাহাজ কিনছে নৌবাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের অনিয়ম জানাতে হেল্পলাইন চালু
ভোটের অনিয়ম জানাতে হেল্পলাইন চালু

পেছনের পৃষ্ঠা

অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনতাই চালকের মৃত্যু
অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনতাই চালকের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা