শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫২, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫৪, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট

ফাইজুস সালেহীন
অনলাইন ভার্সন
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট

খুব কাছে চলে এসেছে জাতীয় নির্বাচন। সঙ্গে গণভোট। দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কতটা সুষ্ঠু হবে, তার ওপর। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পূর্বাপর বলে আসছেন যে এই সরকার অত্যন্ত ভালো একটি নির্বাচন উপহার দেবে। এতটাই ভালো হবে যে এমন নির্বাচন অতীতে আর কখনো হয়নি। প্রধান নির্বাচন কমিশনারও একাধিকবার অবাধ ও নিরপেক্ষ ইলেকশন অনুষ্ঠানের সংকল্প ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু বাস্তবে কী ঘটবে তা নিয়ে রয়েছে সন্দেহ-সংশয়। আদৌ নির্বাচন হবে কি না, এখনো সে প্রশ্ন আছে অনেকের মনে। এসব সন্দেহ যে খুব অমূলক-তাও কিন্তু বলা যায় না। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের অব্যবহিত পরে দেশে ইলেকশনবিরোধী একটি ধারার প্রকাশ ঘটতে শুরু করেছিল। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে সরব ভূমিকা পালন করে জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সামনে চলে আসা ছাত্রনেতারা। শিগগিরই তাদের কণ্ঠে কণ্ঠ মেলায় জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা অনেক দল। দ্বিতীয় স্বাধীনতা, সেকেন্ড রিপাবলিক, পিআর, সংস্কার, জুলাই ঘোষণা ও জুলাই সনদ, নতুন বাংলাদেশ ইত্যাদি ইস্যু সামনে নিয়ে আসা হয়। তারা নানা শর্ত জুড়ে দিয়ে তড়িঘড়ি করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিরোধী অবস্থান গ্রহণ করেছিল। বিএনপি ও সমমনা দলগুলো নির্বাচন চাইছিল স্বল্প সময়ের মধ্যে।

এগুলো কিছুদিন আগের কথা। এখন যখন ইলেকশন দুয়ারে কড়া নাড়ছে, তখন পেছনের কাসুন্দি না ঘাঁটাই সমীচীন। কিন্তু ইলেকশন বানচালের জন্য পেছনে হাঁটা ভূতটি কাঁধ থেকে পুরোপুরি নেমেছে বলে মনে হয় না। মাঠে-ময়দানে বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্তভাবে নির্বাচনবিরোধী স্লোগান এখনো শোনা যাচ্ছে। জুলাই ঐক্য নামের একটি সংগঠন বলছে জাতীয় পার্টি ও চৌদ্দ দলের প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিল করতে হবে। এ বিষয়ে তারা নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপিও দিয়েছে। সংগঠনটি বডিওর্ন ক্যামেরার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছে। যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া কোনো বৈধ পার্টির প্রার্থীদের ক্যান্ডিডেচার বাতিলের দাবি কী উদ্দেশ্যে; সে প্রশ্ন উঠতেই পারে। অনেক সময় ছোট কাঁটা বড় সমস্যা তৈরি করে। বডিওর্ন ক্যামেরার কথা যেটা বলা হয়েছে, সেটা ভোট কেন্দ্রের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি ভালো সুপারিশ। নিরাপত্তাকৌশল হিসেবে বডিওর্ন ক্যামেরাসহ আর কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের বিষয়। তবে যতদূর জানি ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলোতে বডিওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত রয়েছে। কাজেই বিষয়টিকে ইস্যু বানানোর সুযোগ নেই। আমরা চাইব, প্রতিটি কেন্দ্রে শতভাগ নিরাপত্তা। এবং তা করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কী কী কৌশল গ্রহণ করবে, সেটা তাদেরই করতে দিতে হবে। এদিকে চব্বিশের অভ্যুত্থানের সময়ে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ইলেকশন স্থগিত চেয়ে রিট পিটিশন করা হয়েছে। লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়টি অনুপেক্ষণীয়। অবৈধ অস্ত্র সব সময়ই স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এদিকে সারা দেশ থেকে যেসব খবর পাওয়া যাচ্ছে, তা সুনিয়ন্ত্রিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সাক্ষ্য দেয় না। বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপ এরই মধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে পত্রিকায় একাধিক রিপোর্ট বেরিয়েছে। বিষয়টি উদ্বেগজনক হলেও এটাকে ইস্যু বানিয়ে জাতীয় নির্বাচন স্থগিত করার আইনসম্মত কোনো যুক্তি আছে কি না, তা দেখবেন আদালত। রিটের বিষয়ে আগেভাগে মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে পারিপার্শ্বিক এসব বিষয়-আশয় দেখে ও শুনে যে কারও মনে সন্দেহের দোলাচল সৃষ্টি হতেই পারে। আশার কথা এই যে প্রধান উপদেষ্টা অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট যথারীতি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিই অনুষ্ঠিত হবে। এক দিন আগেও না, এক দিন পরেও নয়। নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে তিনি তাঁর দৃঢ়সংকল্পের কথাও ব্যক্ত করেন। গত মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সাবেক সিনিয়র কূটনীতিক তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কতখানি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইলেকশন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে কোনো কোনো মহল প্রশ্ন তুলছে। ভোটার তালিকায় গড়বড় করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রবাসী ভোটারদের জন্য যে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে, সেখানে একটি বিশেষ দলের মার্কা সবার ওপরে রাখা হয়েছে। ধানের শীষ মার্কাটি এমন জায়গায় রাখা হয়েছে, যেখান থেকে খুঁজে বের করা কঠিন। বিএনপি এই কাজটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছে। বিষয়টি তারা ইসিকে জানিয়েছেও। ইলেকশন কমিশনের কাছ থেকে এক রকম ব্যখ্যাও পাওয়া গেছে। জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে জুলাই সনদ প্রশ্নে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। গণভোটে অনিয়ম হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তার প্রভাব পড়বে। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে উদ্বিগ্নবোধ করার কারণ রয়েছে। জুলাই সনদ খুব ঘটা করে স্বাক্ষরিত হলেও, রেফান্ডামের মাধ্যমে যে ভোটার সাধারণ এটি গ্রহণ বা বর্জন করবেন, তারা এ বিষয়ে কতখানি ওয়াকিবহাল? সত্য হচ্ছে প্রান্তিক ভোটারদের বৃহাদাংশ জুলাই সনদের ভিতরে কী আছে, না আছে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে জানেন না। ভোটারদের এক বিরাট অংশ পড়তেও জানে না। না পড়ে, না জেনে তারা হ্যাঁ বা না-যে পক্ষেই ভোট দিন না কেন, সেটা সহি হওয়ার কথা নয়। জুলাই সনদের টেক্সট জনগণকে জানানোর দায়িত্ব কার? এই দায়িত্ব যাদের ওপর বর্তায়, তারা কি সে দায়িত্ব পালন করেছেন? এ নিয়ে কথা ওঠা স্বাভাবিক। এখন গণভোটের প্রচারণার ধরন দেখে মনে হয় এটি প্রহসন হতে চলেছে। কোনো কোনো মহল থেকে এমন সব কথাও বলা হচ্ছে, যা ভয়ের উদ্রেক করে। একজন বড় ছাত্রনেতা বলেছেন, যারা না ভোটের ক্যাম্পেইন করবে বাংলদেশে তাদের ঠিকানা হবে না। আরেকজন নেতাকে বলতে শুনলাম, যারা না ভোট দেবেন তারা কেন্দ্রে যাইয়েন না! এগুলো কোন গণতন্ত্রের কথা? ভোটার যদি পছন্দমতো ভোটই দিতে না পারবেন, তাহলে জনগণের টাকা খরচ করে ভোট কেন করা হচ্ছে?

গণভোটে দুটো পক্ষ-একটা হ্যাঁ আরেকটা না। উভয় পক্ষের ক্যাম্পেইনের অধিকার রয়েছে। পক্ষ বেছে নেওয়ার অধিকার ও দায়িত্ব ভোটার সাধারণের। এ অধিকার মেনে নেওয়া হয়েছে বলেই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। মেনে নিয়ে আবার বিরুদ্ধাচরণ করা-এটা কোন রীতি! যারা গণভোটে হুমকিধমকি দিচ্ছেন, তারা সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের নীতি কতটা মানবেন-তা প্রশ্নাতীত নয়।

আসন্ন গণভোটে সরকার ও প্রশাসন কোনো পক্ষ নয়। সরকারের কোনো বিভাগ, অনুবিভাগ, প্রতিষ্ঠান কোনোভাবেই এই গণভোটে হ্যাঁ বা না ভোটের পক্ষভুক্ত নয়। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকারের কোনো মন্ত্রণালয়ের আধিকারিকগণ কোনো একটি পক্ষে প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারেন না। তবে ভোটে অংশগ্রহণ করতে তারা জনগণকে উৎসাহিত করতে পারেন। ভোট কেন্দ্রে আসা এবং পছন্দমতো ভোট দিতে উৎসাহিত করা, আর কোনো একটি ব্যালটে ভোট দিতে ক্যাম্পেইন করা-এক কথা নয়। অতীতে এ দেশে একাধিক রেফান্ডাম হয়েছে। কিন্তু হ্যাঁ ভোটের পক্ষে সরকারি অফিসারদের নামানো হয়নি। কিন্তু এবার মনে হয় এই নীতি মানা হচ্ছে না। গত মঙ্গলবার রাজশাহী মহিলা কলেজ অডিটোরিয়াম ও রাজশাহী কলেজ শিক্ষক মিলনায়তনে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, পরিবর্তনের চাবিকঠি এখন আপনাদের হতে। জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিতে হবে। পাশাপাশি আশপাশের লোকদের গণভোট সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। স্পষ্টতই এটা হ্যাঁ ভোটের প্রচারণা। একজন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তার সরাসরি একপক্ষীয় প্রচারণা বিধিসম্মত কি না, তা ভেবে দেখতে অনুরোধ করি। নির্বাচন কমিশনের এ বিষয়ে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা থাকা উচিত। অন্যদিকে স্কুল-কলেজগুলোর প্রধানদের দৃশ্যমান জায়গায় গণভোটের ড্রপডাউন ব্যানার ঝুলিয়ে দিতে বলা হয়েছে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ড্রপডাউন ব্যানারের টেক্সট ও ডিজাইনের নমুনাও পাঠানো হয়েছে। এগুলো প্রতিষ্ঠান প্রধানদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে স্থানীয় শিক্ষা অফিস থেকে। সঙ্গে যে আদেশপত্রটি দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারও রেফারেন্স নেই, স্বাক্ষরও নেই। বলা যায়, এক ধরনের উড়ো নির্দেশ। আমার হাতে এ ধরনের যে ডকুমেন্টটি এসেছে, তাতে দেখা যায়, ব্যানারটি চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার নামে করা। সেখানে এগারোটি পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে। নিচে লেখা রয়েছে, হ্যাঁ ভোট দিলে ওপরের সবকিছু পাবেন। না ভোট দিলে কিছুই পাবেন না। এ তো হ্যাঁ ভোটেরই ক্যাম্পেইন হলো। হ্যাঁ বা না-এর পক্ষে প্রোপাগান্ডায় অংশ নেওয়ার দায়িত্ব কী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর বর্তায় না-তা হওয়া উচিত?

আমরা কিন্তু এখানে হ্যাঁ বা না-এর পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো কথা বলছি না। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যে ম্যান্ডেট দেবে সেটাই চূড়ান্ত। সেটাই মাথা পেতে নিতে হবে। এটা গণতন্ত্রের কথা। বিষয়টি যখন ভোটে দেওয়া হয়েছে, তখন ইন্টেরিম সরকারের সব অঙ্গপ্রতঙ্গ নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে জনগণকে স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের সুযোগ দেবে-এটাই রীতিসিদ্ধ। যারা না ভোট দেবেন তাদেরও নিশ্চয়ই কিছু যুক্তি আছে। তাদের কথাও বলতে দিতে দিতে হবে-যদি আমরা গণতন্ত্র মানি। মানুষকে স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে না দিলে চিন্তার বন্ধ্যত্ব দেখা দেবে। চিন্তার পথ যেখানে রুদ্ধ, সেখানে গণতন্ত্র বাঁচে না। গণতন্ত্র ফ্যাসিবাদে রূপান্তরিত হয়।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক 

এই বিভাগের আরও খবর
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাবে নির্বাচন চরিত্র হারায়
অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাবে নির্বাচন চরিত্র হারায়
মুদ্রানীতি সহজ হওয়া প্রয়োজন
মুদ্রানীতি সহজ হওয়া প্রয়োজন
সর্বশেষ খবর
নরসিংদীতে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
নরসিংদীতে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার
ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার

২১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বিচার বিভাগ কি সত্যিই স্বাধীন হলো?
বিচার বিভাগ কি সত্যিই স্বাধীন হলো?

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ভোটের দিন চলবে মেট্রোরেল, বাড়বে ট্রেনের সংখ্যা
ভোটের দিন চলবে মেট্রোরেল, বাড়বে ট্রেনের সংখ্যা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেস থেকে জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মেস থেকে জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ভীত নয় ইরান
মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ভীত নয় ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘূর্ণি জাদুতে আইরিশদের ডুবিয়ে শ্রীলঙ্কার শুভসূচনা
ঘূর্ণি জাদুতে আইরিশদের ডুবিয়ে শ্রীলঙ্কার শুভসূচনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁদপুরে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থনে জেলা মহিলা দলের সমাবেশ
চাঁদপুরে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থনে জেলা মহিলা দলের সমাবেশ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ব্যতিক্রমী স্লোগানে বিএনপি প্রার্থী মাজেদ বাবুর প্রচারণা
ব্যতিক্রমী স্লোগানে বিএনপি প্রার্থী মাজেদ বাবুর প্রচারণা

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘সব ভোটকেন্দ্রে’ সেনা মোতায়েনের দাবি মুফতি ফয়জুল করিমের
‘সব ভোটকেন্দ্রে’ সেনা মোতায়েনের দাবি মুফতি ফয়জুল করিমের

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কুমিল্লা-৫ আসন : আগে ভোট, পরে কেন্দ্র পাহারার নির্দেশ
কুমিল্লা-৫ আসন : আগে ভোট, পরে কেন্দ্র পাহারার নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নোয়াখালীতে হাতপাখার জনসভায় মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকার
নোয়াখালীতে হাতপাখার জনসভায় মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকার

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লা-৭ আসনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের সমর্থনে গণমিছিল
কুমিল্লা-৭ আসনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের সমর্থনে গণমিছিল

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিএনপি প্রার্থী রনির আহ্বানে গাজীপুরে ক্রিকেটার তামিম
বিএনপি প্রার্থী রনির আহ্বানে গাজীপুরে ক্রিকেটার তামিম

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ধর্মঘটে ফের অচল চট্টগ্রাম বন্দর
ধর্মঘটে ফের অচল চট্টগ্রাম বন্দর

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ধর্ম ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান ধানের শীষ প্রার্থীর
ধর্ম ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান ধানের শীষ প্রার্থীর

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কর্মসংস্থানের মাধ্যমে গ্রামভিত্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করা হবে : প্রিন্স
কর্মসংস্থানের মাধ্যমে গ্রামভিত্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করা হবে : প্রিন্স

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যৌন হয়রানির প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট জাহানারা
যৌন হয়রানির প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট জাহানারা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধি দলের বৈঠক

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খুলনা–৩ এ চালু হলো ফ্রি ওয়াইফাই জোন
খুলনা–৩ এ চালু হলো ফ্রি ওয়াইফাই জোন

২ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

সুবর্ণচরের পানির সংকট ও সড়ক সমস্যার সমাধানকে অগ্রাধিকার দেবে বিএনপি
সুবর্ণচরের পানির সংকট ও সড়ক সমস্যার সমাধানকে অগ্রাধিকার দেবে বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মোহাম্মাদির ছয় বছরের কারাদণ্ড
ইরানে নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মোহাম্মাদির ছয় বছরের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমাদের কাছে সব প্রার্থী সমান, কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই: ডিসি সারওয়ার
আমাদের কাছে সব প্রার্থী সমান, কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই: ডিসি সারওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাত থেকে ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
রাত থেকে ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রোমান্টিক কমেডি সিনেমায় ব্ল্যাকপিংকের লিসা
রোমান্টিক কমেডি সিনেমায় ব্ল্যাকপিংকের লিসা

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউক্রেন আমাদের শত্রু: অরবান
ইউক্রেন আমাদের শত্রু: অরবান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোটের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, জানাল অধিদপ্তর
ভোটের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, জানাল অধিদপ্তর

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে নাহিদের পক্ষে ভোট চাওয়া নারীকে নিয়ে বিভ্রান্তি
ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে নাহিদের পক্ষে ভোট চাওয়া নারীকে নিয়ে বিভ্রান্তি

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং
৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
আশিক চৌধুরীর বিনিয়োগের ফাঁপা বেলুন!
আশিক চৌধুরীর বিনিয়োগের ফাঁপা বেলুন!

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাকিস্তানকে রাজি করাতে বাংলাদেশকে কেন ডাকলো আইসিসি?
পাকিস্তানকে রাজি করাতে বাংলাদেশকে কেন ডাকলো আইসিসি?

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা যেসব যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা যেসব যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকা থেকে ভাইয়ের জন্য ভোট চাইতে এলেন সিনেটর শেখ রহমান
আমেরিকা থেকে ভাইয়ের জন্য ভোট চাইতে এলেন সিনেটর শেখ রহমান

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ক্ষমতায় গেলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
ক্ষমতায় গেলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন নির্দেশনা
১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন নির্দেশনা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেতন কমিশন নিয়ে কমিটি গঠন করল সরকার
বেতন কমিশন নিয়ে কমিটি গঠন করল সরকার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বুলবুল কী করবেন লাহোরে আইসিসি-পিসিবি বৈঠকে?
বুলবুল কী করবেন লাহোরে আইসিসি-পিসিবি বৈঠকে?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে সিইসির কাছে নারী নেত্রীদের আবেদন
জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে সিইসির কাছে নারী নেত্রীদের আবেদন

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

এবার নতুন বিপদের মুখে আইসিসি
এবার নতুন বিপদের মুখে আইসিসি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডা. না হয়েও পদবি ব্যবহার করায় জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ
ডা. না হয়েও পদবি ব্যবহার করায় জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ঢাকার ৬ স্থানে আজ তারেক রহমানের জনসভা
ঢাকার ৬ স্থানে আজ তারেক রহমানের জনসভা

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিডিআর'র নাম পুনর্বহাল করা হবে: তারেক রহমান
রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিডিআর'র নাম পুনর্বহাল করা হবে: তারেক রহমান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রেকর্ড গড়ে আফগানিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু নিউজিল্যান্ডের
রেকর্ড গড়ে আফগানিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু নিউজিল্যান্ডের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সোমবার ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি
সোমবার ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং
৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ, তেহরানে একাই হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ, তেহরানে একাই হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭৩৪৫ কোটি টাকার ঝুঁকিতে আইসিসি
৭৩৪৫ কোটি টাকার ঝুঁকিতে আইসিসি

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদি প্রবাসীদের সুখবর দিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা
সৌদি প্রবাসীদের সুখবর দিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটগ্রহণ শেষে যেভাবে ফলাফল তৈরি হয়
ভোটগ্রহণ শেষে যেভাবে ফলাফল তৈরি হয়

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে আইসিসির কাছে যাওয়ার খবর প্রত্যাখ্যান পিসিবি’র
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে আইসিসির কাছে যাওয়ার খবর প্রত্যাখ্যান পিসিবি’র

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বেআইনিভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে: এইচআরডব্লিউ
ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বেআইনিভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে: এইচআরডব্লিউ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু : শিক্ষা মন্ত্রণালয়
১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এপস্টাইন কেলেঙ্কারিতে নাম থাকায় ফ্রান্সের সাবেক মন্ত্রী জ্যাক ল্যাংয়ের পদত্যাগ
এপস্টাইন কেলেঙ্কারিতে নাম থাকায় ফ্রান্সের সাবেক মন্ত্রী জ্যাক ল্যাংয়ের পদত্যাগ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলবার সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা : ইসি সচিব
মঙ্গলবার সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা : ইসি সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার সকালে
প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার সকালে

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসার ভাঙছে যীশুর, স্ত্রীর পোস্ট ঘিরে গুঞ্জন
সংসার ভাঙছে যীশুর, স্ত্রীর পোস্ট ঘিরে গুঞ্জন

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

২০৫০ সালের মধ্যে কয়েক মিলিয়ন বিড়াল নির্মূলের পরিকল্পনা নিউজিল্যান্ডের
২০৫০ সালের মধ্যে কয়েক মিলিয়ন বিড়াল নির্মূলের পরিকল্পনা নিউজিল্যান্ডের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে ১০ ফ্যাক্টর
জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে ১০ ফ্যাক্টর

প্রথম পৃষ্ঠা

নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে
নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫০ শতাংশ মানুষ
নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫০ শতাংশ মানুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

মাঠে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্য
মাঠে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্মঘটে অচল বন্দর পিছু হটেছে সরকার
ধর্মঘটে অচল বন্দর পিছু হটেছে সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে
চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে

প্রথম পৃষ্ঠা

শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে প্রচার
শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন আহসান হাবীব
পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন আহসান হাবীব

নগর জীবন

প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া
প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্বীকার করেননি বুবলী শাকিব নিশ্চুপ
অস্বীকার করেননি বুবলী শাকিব নিশ্চুপ

শোবিজ

গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য
গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

টিআইবির প্রতিবেদন বাস্তবতা বিবর্জিত
টিআইবির প্রতিবেদন বাস্তবতা বিবর্জিত

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু
সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

নাইজেরিয়ায় তিন দিনব্যাপী হামলায় ৫১ জন অপহৃত, নিহত ৩
নাইজেরিয়ায় তিন দিনব্যাপী হামলায় ৫১ জন অপহৃত, নিহত ৩

পূর্ব-পশ্চিম

দেড় বছরের লড়াই শেষে জুলাই যোদ্ধা আশরাফুলের মৃত্যু
দেড় বছরের লড়াই শেষে জুলাই যোদ্ধা আশরাফুলের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

তদন্তের জন্য জাতিসংঘের সহায়তা চাইল সরকার
তদন্তের জন্য জাতিসংঘের সহায়তা চাইল সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

২৬০০ বন্দির মধ্যে পোস্টাল ভোট দিলেন ২০৪ জন
২৬০০ বন্দির মধ্যে পোস্টাল ভোট দিলেন ২০৪ জন

নগর জীবন

দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান

সম্পাদকীয়

যুক্তরাজ্য থেকে জরিপ জাহাজ কিনছে নৌবাহিনী
যুক্তরাজ্য থেকে জরিপ জাহাজ কিনছে নৌবাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনতাই চালকের মৃত্যু
অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনতাই চালকের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের অনিয়ম জানাতে হেল্পলাইন চালু
ভোটের অনিয়ম জানাতে হেল্পলাইন চালু

পেছনের পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও আলোচনার আশা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও আলোচনার আশা ইরানের

পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী
ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা

সম্পাদকীয়

সংস্কার ও পরিবর্তনের জন্য সবাইকে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিতে হবে
সংস্কার ও পরিবর্তনের জন্য সবাইকে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিতে হবে

পেছনের পৃষ্ঠা

আলোচনায় জাস্টিন বিবার
আলোচনায় জাস্টিন বিবার

শোবিজ

বইপ্রেমী কিশোর
বইপ্রেমী কিশোর

প্রাণের ক্যাম্পাস