শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:২২, শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০১:২৯, শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা

প্রত্যেকের ভিতর সবাই থাকে, নাকি সবার ভিতর প্রত্যেকে? দুটো থাকাই সত্য এবং উভয়েই স্বাধীনতার সঙ্গে যুক্ত। মূল প্রশ্নটা আসলে ব্যক্তির সঙ্গে সমষ্টির সম্পর্কের। সবার ভিতর প্রত্যেকে থাকবে-এ ব্যবস্থা স্বাধীনতার ভিতরই কেবল সম্ভবপর। থাকাটা ঘটবে রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিকভাবে। সমষ্টি ব্যক্তিকে ধারণ করবে, লালনপালন করবে, মুক্তি দেবে-এটা শুধু তখনই সম্ভব, যখন রাষ্ট্র ও সমাজ উভয়েই হয় গণতান্ত্রিক। আর গণতান্ত্রিক হওয়াটাই হচ্ছে প্রকৃত স্বাধীনতা। অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ব্যক্তিকে গ্রাস করে ফেলে, তাকে আজ্ঞাবহ করে রাখে, তার ব্যক্তিসত্তাকে স্বীকৃতি দেয় না। সমষ্টি সেখানে ব্যক্তির শত্রু, নিপীড়ক ও শোষক।

অন্যদিকে প্রত্যেক ব্যক্তির ভিতরই কোনো না কোনোভাবে সবাই থাকে। সেটা প্রত্যক্ষ হোক কিংবা হোক অপ্রত্যক্ষ। সবার যে সমষ্টিগত রূপ, সেটাই তো রাষ্ট্র ও সমাজ। আর আমরা কে কবে রাষ্ট্রের বাইরে যেতে পেরেছি বা পারব, তা স্থানের দিক থেকে দেশের ভিতরেই থাকি, অথবা থাকি অতি দূরদেশে। সমাজের সংস্কৃতি, রাষ্ট্রের ধ্যানধারণাকে আমরা সঙ্গে নিয়েই চলি। তারা থাকে আমাদের অভ্যাসে, আচার-আচরণ ও চিন্তাধারায়। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও সমাজ যদি স্বাধীন না হয়, হয় যদি তারা স্বৈরাচারী, অগণতান্ত্রিক একনায়ক অথবা ধনিক শ্রেণির দ্বারা শাসিত, তাহলে আমরা, রাষ্ট্র ও সমাজের সদস্যরা, স্বাধীনতা ভোগ করছি, এমনটা বলার উপায় থাকে না। বিপরীতে রাষ্ট্র ও সমাজ যদি স্বাধীন হয়, তাহলে ওই যে আমাদের প্রত্যেকের জীবনে তার উপস্থিতি, সেটা আমাদের বন্দি করে না, উল্টো মুক্তি দেয়।

স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র তাই অত্যন্ত অন্তরঙ্গভাবেই পরস্পর নির্ভরশীল। প্রকৃত স্বাধীনতারই অন্য নাম হচ্ছে মুক্তি। গণতন্ত্র নেই অথচ স্বাধীনতা আছে, এমন কথা বলার উপায় নেই। আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছি, প্রথমে ব্রিটিশকে, পরে পাকিস্তানিদের তাড়িয়েছি, তাই বলে আমরা কি বলতে পারব যে আমরা যথার্থ অর্থে স্বাধীন হয়েছি? না, পারি না। না পারার কারণ, আমরা গণতন্ত্র পাইনি।

গণতন্ত্রের পরিবর্তে বৈধ-অবৈধ নানা কিসিমের ও নানা নামের স্বৈরশাসন পেয়েছি। আমাদের মুক্তির সংগ্রাম শেষ হয়ে গেছে-এ কথা বলাটা তাই মস্ত বড় আত্মপ্রবঞ্চনা, অথবা বিভ্রান্তি সৃষ্টির সচেতন অপপ্রয়াস।

এটা তো আমাদের অবশ্যই জানতে ও মানতে হবে যে সবার মুক্তি না ঘটলে প্রত্যেকের মুক্তি কিছুতেই আসবে না। এবং সবার সেই মুক্তির জন্য আমাদের প্রত্যেককেই সচেষ্ট হতে হবে। বিচ্ছিন্ন, বিক্ষিপ্তভাবে নয়, ঐক্যবদ্ধ হয়ে।

স্বাধীনতার যুদ্ধ একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে যায়। কিন্তু তাকে তখনই শেষ হতে দেওয়া উচিত হয়নি। দরকার ছিল তাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং দেশে তেমন একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে সবাই মুক্ত হয়ে প্রত্যেকের জন্য মুক্তি নিশ্চিত করবে। মুক্তিসংগ্রাম যে শেষ হয়নি সেটা বুঝে নেওয়া। তা করা হয়নি। যেজন্য গণতন্ত্র আসেনি। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে পাকিস্তানিরা তাদের স্বার্থে নিজেদের এবং সারা বিশ্বের কাছে চিহ্নিত করতে চেয়েছিল গৃহযুদ্ধ বলে। এত বড় মিথ্যা প্রচারণা তো আর হয় না। কিন্তু দেশ স্বাধীনতার এত বছর পরে এখন তো দেখছি তাও তো খুব আশাপ্রদ নয়। শ্রেণিতে শ্রেণিতে যুদ্ধ নয়, সেটা ঘটলে তা-ও তো একটি নিষ্পত্তিতে গিয়ে পৌঁছাবে বলে আশা করা যেত এবং আশাটা হতো জনগণের বিজয়ের ভিতর দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার। যুদ্ধটা এখন চলছে পথেঘাটে, দোকানে-বাজারে, অফিসে-আদালতে, রাজনীতিতে তো অবশ্যই, এমনকি ঘরের ভিতরেও। গৃহাভ্যন্তরে নারীর ওপর নৃশংসতায় তো জানা গেল বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সারা বিশ্বে উদ্বেগ ও অসম্মানজনক অবস্থান অধিকার করেছে। মেয়েরা রুখে দাঁড়ায় না বলেই হয়তো রক্তপাতের খবর তেমন পাওয়া যায় না। এ ক্ষেত্রে পর্দাপ্রথা খুবই কার্যকর বটে।

আমাদের কালে আদর্শলিপির বইতে এবং পাঠ্যপুস্তকেও নানাবিধ উপদেশাবলি পাওয়া যেত। এগুলোর একটি ছিল, ‘সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’ ব্যাপারটাকে তখন কেমন মনে হতো স্মরণে নেই, কিন্তু এই প্রবীণ বয়সে মনে হয়, উপদেশটা যতই উদ্দীপক হোক না কেন, মোটেই সঠিক ছিল না। একটা মোটা সত্য তো এই যে প্রত্যেক মানুষই আসলে নিজের তরে। আমার যে বন্ধুটি দীর্ঘকাল ধরে আমেরিকায় বাস করেন এবং মনেপ্রাণে খাঁটি ও বিশ্বাসযোগ্য বাঙালি, তিনি প্রায়ই আমাকে স্মরণ করিয়ে দেন যে অন্য সব প্রাণীর মতো মানুষও অত্যন্ত আত্মস্বার্থসচেতন। তা সে সত্যটা অস্বীকার করে কোন মূর্খে? এবং সেটা স্বীকার করে নিয়েই তো আমরা আজও প্রকৃত স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখি। কেবল স্বপ্ন দেখি না, রাষ্ট্র ও সমাজে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে সংগ্রাম করে থাকি। তাহলে? হ্যাঁ, মানুষ স্বার্থপর প্রাণী ঠিকই, কিন্তু মানুষ আবার মানুষও। তার ভিতরে এই বোধটুকুও কার্যকর রয়েছে যে অপরের সঙ্গে না মিললে অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা না পেলে তার পক্ষে উন্নতি করা তো দূরের কথা, বেঁচে থাকাটাও সম্ভব হবে না।

যথার্থ কথাটা যদি এমন হয় যে প্রত্যেকেই আমরা নিজের তরে, তাহলে উচ্চৈঃস্বরে সেটা বলাতেও আপত্তি দেখি না। কেননা নিজের তরে হওয়ার জন্যই তো পরের তরে হতে হবে। নিজে স্বাধীন হওয়ার প্রয়োজনেই সবাইকে স্বাধীন করা দরকার। নির্বুদ্ধিতা ও অন্ধত্ব পরিহার করে আমরা যদি নিজেকে মুক্ত করতে চাই, তাহলে সবার সঙ্গে মিলিত না হয়ে কোনো উপায় নেই। এবং সেই মিলন স্থবির বা স্থিতিশীল হবে না, তাকে যেতে হবে সামনে। সর্বদাই থাকবে সে চঞ্চল এক অভিযাত্রী।

আরেকটি প্রবাদবাক্যও স্মরণযোগ্য। সেটা কেবল আমাদের এখানে নয়, সারা বিশ্বেই প্রচলিত। সেটা হলো দশের লাঠি একের বোঝা। এটাও ব্যক্তির সঙ্গে সমষ্টির সম্পর্কবিষয়ক একটি প্রস্তাবনা বৈকি। কথাটা সত্য। দশজনে বহন করলে কোনো বোঝাই আর বোঝা থাকে না। অত্যন্ত সহজ হয় বহন করা। আর সবাই মিলে কাজ করলে বিরোধী থাকবে না, বৈরিতার অবসান ঘটবে, উৎপাদন ও বিতরণের ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আসবে। পরস্পরকে শ্রদ্ধা করতে শিখে, ভালোবেসে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে আমরা মর্যাদাবান হব। আমাদের দুর্দশা ঘুচবে, অবনতির দিক থেকে শীর্ষস্থান অধিকারের গ্লানিকর পরিস্থিতির অবসান ঘটবে।

লাঠি প্রসঙ্গে বঙ্কিমচন্দ্রের সেই অবিস্মরণীয় উক্তিটি স্মরণ না করে উপায় থাকে না। ‘দেবী চৌধুরাণী’ উপন্যাসে তিনি লিখেছেন, ‘হায় লাঠি! তোমার দিন গিয়াছে।’ কিন্তু সত্যি কি তাই? লাঠির কি দিন চলে গেছে, নাকি তার উন্নতি ঘটেছে, এবং উন্নত হয়ে অত্যন্ত পরাক্রান্ত, অনেক ক্ষেত্রে খুবই সূক্ষ্ম মারণাস্ত্রে পরিণত হয়েছে? সর্বত্রই তো লাঠি মারামারি অর্থাৎ অস্ত্রের খেলা চলছে। আমরাও খেলছি। কিন্তু প্রকৃত শত্রুকে চেনা হচ্ছে না। তাই আঘাত করছি পরস্পরকে এবং ক্ষতবিক্ষত হচ্ছি নিজেরাই।

আমার আমেরিকা প্রবাসী সজ্জন বন্ধুটি প্রতি বছরই একবার করে দেশে আসেন। এসে মন খারাপ করেন। দেশে যে তাঁর বিপুল পরিমাণ বিষয়সম্পত্তি রয়েছে, তা নয়। দেশে আসেন দেশের মানুষকে ভালোবাসেন বলে। এবং অবস্থা দেখে খুবই দুঃখ পান। আমি তাঁকে পুঁজিবাদের কর্মতৎপরতার কথা বলি। তিনি সেটা বুঝেও বুঝতে চান না। তিনি বলেন, আমেরিকায় বসবাসের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে সরাসরি জানেন যে পুঁজিবাদেরও অনেক ভালো দিক রয়েছে।

আমি সেটা অস্বীকার করি না। কিন্তু বোঝাবার চেষ্টা করি যে পুঁজিবাদের পক্ষে এখন আর ভালো কিছু দেওয়ার নেই। তিনি মানেন সেটা। কিন্তু পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রশ্নে সাড়া দেন না। হয়তো ভিতরে ভিতরে তিনি জাতীয়তাবাদীই রয়ে গেছেন। হয়তো ভাবেন, আর এগোলে এমন নৈরাজ্য দেখা দেবে, যেটা নিয়ন্ত্রণে আনা অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাহলে কী করতে হবে? জবাবে সংস্কারের কথা বলেন, যেসব কথা অনেক শুনেছি। সংস্কারে যদি কাজ হতো তাহলে তো যুদ্ধে যাওয়ার দরকার হতো না। তিনি নিজেও কিন্তু যুদ্ধে গিয়েছেন, একাত্তরে।

আরেকজনের সঙ্গেও কথা হয়। তিনি পুঁজিবাদে নন, সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী। একাত্তরে তিনিও যুদ্ধে ছিলেন। কিন্তু মতাদর্শিক প্রবণতায় ছিলেন মস্কোপন্থি।

তাঁর মূল জিজ্ঞাসাটা হলো, আন্দোলন তো করবেন, কিন্তু তহবিল আসবে কোত্থেকে? শুনে বড়ই বিচলিতবোধ করি। তহবিলের অভাবে সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন থেমে গেছে, এমন সংবাদ তো কোথাও পাইনি। তাঁর অভিযোগ যে সবাই জিজ্ঞাসা করে, লড়াই-সংগ্রাম তো অনেক করলাম, কিন্তু আমি কী পেলাম? এখানটায় তাঁর রোগ নির্ণয় সম্পূর্ণ নির্ভুল। আমি কী পেলাম, এ প্রশ্নটা অমীমাংসিত বটে। তাঁরা নিজেকে সবার সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে অপারগ। সবার মধ্যেই যে ব্যক্তির মুক্তি নিহিত রয়েছে, এই অতিসাধারণ সত্যটিকে তাঁরা ধরতে পারেন না। কিন্তু আমি তো এটাও বিশ্বাস না করার কারণ দেখি না যে ওই যে প্রবীণ সমাজতন্ত্রী তহবিলের দুশ্চিন্তায় কাতর থাকছেন, সেটাও তাঁর মধ্যে অনুপ্রবিষ্ট পুঁজিবাদী ব্যাধিরই লক্ষণ। কথাটা দাঁড়াচ্ছে এই যে সবার মুক্তির যে সংগ্রাম, সেটা শেষ হয়নি। সেটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রতিটি দেশপ্রেমিক মানুষের অপরিহার্য কর্তব্য।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতি
দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতি
ভালোবাসার ঢাকা: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতার ফারাক
ভালোবাসার ঢাকা: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতার ফারাক
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
সর্বশেষ খবর
ভোট কেনাবেচার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি
ভোট কেনাবেচার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি

১১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে সামরিক কনভয়ে বিস্ফোরণ
ইরানে সামরিক কনভয়ে বিস্ফোরণ

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ
ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ

৩৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাত
বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাত

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভোটকেন্দ্রে কি সেলফি তোলা যাবে?
ভোটকেন্দ্রে কি সেলফি তোলা যাবে?

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মির্জাগঞ্জে ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক, মুচলেকায় মুক্ত
মির্জাগঞ্জে ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক, মুচলেকায় মুক্ত

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাল সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাল সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ
গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পিএসএলে দল পেলেন নাহিদ-ইমন
পিএসএলে দল পেলেন নাহিদ-ইমন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাকা উদ্ধারের নামে অনেকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে : আসিফ মাহমুদ
টাকা উদ্ধারের নামে অনেকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে : আসিফ মাহমুদ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যাচাই শেষে আটক কৃষকদল নেতা মুক্ত
যাচাই শেষে আটক কৃষকদল নেতা মুক্ত

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশে চীনকে মোকাবিলায় নতুন কৌশল ওয়াশিংটনের
বাংলাদেশে চীনকে মোকাবিলায় নতুন কৌশল ওয়াশিংটনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১১
জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১১

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খোসাসহ পেয়ারা খাচ্ছেন? কী হয় জেনে নিন
খোসাসহ পেয়ারা খাচ্ছেন? কী হয় জেনে নিন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

মার্শের অণ্ডকোষে রক্তক্ষরণ : বিশ্বকাপ মিশন কী শেষ অজি অধিনায়কের?
মার্শের অণ্ডকোষে রক্তক্ষরণ : বিশ্বকাপ মিশন কী শেষ অজি অধিনায়কের?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তৎপরতা, স্যাটেলাইট চিত্র কি বলছে?
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তৎপরতা, স্যাটেলাইট চিত্র কি বলছে?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপেই টি-টোয়েন্টিতে ফিরতে পারেন স্মিথ
বিশ্বকাপেই টি-টোয়েন্টিতে ফিরতে পারেন স্মিথ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড
‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোট ঘিরে টাকা ছড়াচ্ছে জামায়াত: সিইসির কাছে অভিযোগ বিএনপির
ভোট ঘিরে টাকা ছড়াচ্ছে জামায়াত: সিইসির কাছে অভিযোগ বিএনপির

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান
রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ কাতারের আমিরের
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ কাতারের আমিরের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‌‘গণবিপ্লবী উদ্যোগ’র আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‌‘গণবিপ্লবী উদ্যোগ’র আত্মপ্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

লাকসামে আচরণবিধি লঙ্ঘন, দুই বিএনপি কর্মীকে জরিমানা
লাকসামে আচরণবিধি লঙ্ঘন, দুই বিএনপি কর্মীকে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন অভিষেক
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন অভিষেক

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিদ্ধিরগঞ্জে কেন্দ্রের ভেতরে জামায়াত নেতার অবস্থান নিয়ে উত্তেজনা
সিদ্ধিরগঞ্জে কেন্দ্রের ভেতরে জামায়াত নেতার অবস্থান নিয়ে উত্তেজনা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কুমিল্লায় ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার
কুমিল্লায় ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিএসএল নিলামে উপেক্ষিত হৃদয়-তাসকিন-তানজিমরা
পিএসএল নিলামে উপেক্ষিত হৃদয়-তাসকিন-তানজিমরা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমেরিকার কাছে ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছেন মোদি: রাহুল গান্ধী
আমেরিকার কাছে ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছেন মোদি: রাহুল গান্ধী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান
৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির ৭৪ লাখ টাকাসহ আটক
বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির ৭৪ লাখ টাকাসহ আটক

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: পিসিবি চেয়ারম্যান
বাংলাদেশের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: পিসিবি চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সব যান বন্ধ নয়: কারা চলাচলে ছাড় পাচ্ছে
সব যান বন্ধ নয়: কারা চলাচলে ছাড় পাচ্ছে

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রতিশোধ নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে পাকিস্তান, পেছনে পড়ল ভারত
প্রতিশোধ নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে পাকিস্তান, পেছনে পড়ল ভারত

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য এতটা কার্যকর কেন?
ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য এতটা কার্যকর কেন?

১৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন
ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে চার উপায়ে জানবেন ভোটার নম্বর
যে চার উপায়ে জানবেন ভোটার নম্বর

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটকেন্দ্রে যেসব কাজ করতে পারবে না পুলিশ
ভোটকেন্দ্রে যেসব কাজ করতে পারবে না পুলিশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশের সব দোকান-শপিং মল আজ বন্ধ, খোলা কবে?
দেশের সব দোকান-শপিং মল আজ বন্ধ, খোলা কবে?

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচন শেষে কখন রাস্তায় ফিরবে মোটরসাইকেল
নির্বাচন শেষে কখন রাস্তায় ফিরবে মোটরসাইকেল

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য যানবাহন ব্যবহার নিষিদ্ধ: ইসি
ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য যানবাহন ব্যবহার নিষিদ্ধ: ইসি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গৃহকর্মীকে নির্যাতন; আদালতে উঠে এলো বিমানের সাবেক এমডির বাসার লোমহর্ষক বর্ণনা
গৃহকর্মীকে নির্যাতন; আদালতে উঠে এলো বিমানের সাবেক এমডির বাসার লোমহর্ষক বর্ণনা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নিজেকে ভোট দিতে পারছেন না তাসনিম জারা ও ববি হাজ্জাজ
নিজেকে ভোট দিতে পারছেন না তাসনিম জারা ও ববি হাজ্জাজ

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পাকিস্তান পাশে না দাঁড়ালে কী হতো বাংলাদেশের সঙ্গে
পাকিস্তান পাশে না দাঁড়ালে কী হতো বাংলাদেশের সঙ্গে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড
‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সিরাজগঞ্জে ‘ভোট কিনতে’ গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালালো জামায়াত নেতা
সিরাজগঞ্জে ‘ভোট কিনতে’ গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালালো জামায়াত নেতা

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঠাকুরগাঁও আমিরকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে: জামায়াত
ঠাকুরগাঁও আমিরকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে: জামায়াত

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মহানাটকীয় টাই, ডাবল সুপার ওভারে আফগানদের বিশ্বকাপ স্বপ্নে ধাক্কা
মহানাটকীয় টাই, ডাবল সুপার ওভারে আফগানদের বিশ্বকাপ স্বপ্নে ধাক্কা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আয় কমে গেছে ৯৭ শতাংশ
ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আয় কমে গেছে ৯৭ শতাংশ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অ্যালেন-সাইফার্টের ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের বিশ্ব রেকর্ড
অ্যালেন-সাইফার্টের ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের বিশ্ব রেকর্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোট কেনার সময় সূত্রাপুর থানা জামায়াতের আমির আটক, কারাদণ্ড
ভোট কেনার সময় সূত্রাপুর থানা জামায়াতের আমির আটক, কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল শুক্রবার: ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল শুক্রবার: ইসি সানাউল্লাহ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোট বেশি পড়লে বিএনপি, কম পড়লে জামায়াত সুফল পাবে : বিআইডিডি
ভোট বেশি পড়লে বিএনপি, কম পড়লে জামায়াত সুফল পাবে : বিআইডিডি

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটক ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির রমেকের সিসিইউতে ভর্তি
আটক ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির রমেকের সিসিইউতে ভর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কুমিল্লায় ‘টাকা বিতরণের’ অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক
কুমিল্লায় ‘টাকা বিতরণের’ অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন বলে দেখার সুযোগ নেই: মাহদী আমিন
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন বলে দেখার সুযোগ নেই: মাহদী আমিন

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক