শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫৮, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০১:০৭, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

ভোট দিয়ে কী পায় জনগণ? স্বাধীনতার ৫৫ বছরে জনগণ তো কম ভোট দেয়নি। কী পেয়েছে তারা? কিছুই না। কখনো পায় না। কবে কখন কী পাবে, তা-ও তারা জানে না। তবু তারা ভোট দেয়। তাদের বোঝানো হয়েছে, ভোট মানেই গণতন্ত্র এবং ‘গণতন্ত্র’ শব্দটিকে তারা ভালোবাসে। ধর্মানুসারী হিসেবে মুসলমানরা যেমন কালিমা-‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ’ জানে, হিন্দুরা গায়ত্রী মন্ত্র- ‘ওম ভোর ভাওয়া সোয়াহা, তাতসাভিতুর ভারেনিয়াম-’ জানে; তেমনি স্বাধীন সার্বভৌম ‘জনগণতান্ত্রিক বাংলাদেশ’-এর নাগরিক হিসেবে জনগণ জানে গণতন্ত্র।

অতএব তারা ভোট দেয়। সৃষ্টিকর্তাকে সন্তুষ্ট করে ‘বেহেশত’ বা ‘বৈকুণ্ঠ’ লাভের জন্য ‘কালিমা’ ও ‘গায়ত্রী মন্ত্র’ আবশ্যক। দেশের প্রভু বা প্রভুসমষ্টিকে সন্তুষ্ট করে জনগণের সামষ্টিক চাওয়াপাওয়ার জন্য যে চর্চার প্রয়োজন তা ‘গণতন্ত্র’ অর্থাৎ ‘ভোট’। অতএব আরেকটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একেবারেই দোরগোড়ায় এসে পড়েছে। দুই বছর এক মাস পাঁচ দিন পর দ্বিতীয়বারের মতো জনগণ ভোট দেবে।

‘ভোট দেওয়া’ আসলে যথার্থ গণতান্ত্রিক শব্দ নয়, বরং বলা উচিত, জনগণ ‘স্বাধীনভাবে’ তাদের ‘ভোটাধিকার’ প্রয়োগ করবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই ভোট জনগণের দেওয়ার কথা ছিল ২০২৯ সালে। কিন্তু সবকিছু ঠিকঠাক থাকে না। গত নির্বাচনের পর বিতাড়িত অথবা পলাতক এবং বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে কোনো কিছু ঠিকঠাক ছিল না।

ঠিক থাকার কথাও নয়। ছলেবলে কৌশলে বারবার ক্ষমতা দখল করে রক্তে মাংসে গড়া দেহ এবং হিংসাদ্বেষে ভরা হৃদয় নিয়ে, তদুপরি পিতৃ-মাতৃ-ভ্রাতা হত্যাকারীদের ওপর প্রতিশোধ চরিতার্থ করার ক্রোধ নিয়ে কেউ যদি টানা চারবার একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হন, তাহলে তাঁর প্রতিহিংসাপরায়ণতা ও দম্ভ যে কত ভয়াবহ হতে পারে দেশবাসী তা প্রত্যক্ষ করেছে।

শেখ হাসিনা তাঁর পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের মতোই দম্ভোক্তিপূর্ণ ‘আমি’ ও ‘আমার’ শব্দ দুটির দাসে পরিণত হয়েছিলেন। দেশের স্বাধীনতা থেকে শুরু করে সবকিছুর মধ্যে তিনি তাঁর পিতার সংগ্রাম ও স্বপ্ন খুঁজে পেতেন। তিনি তসবিহ জপার মতো বলতেন, ‘আমি মোবাইল দিয়েছি, আমি টেলিভিশন চ্যানেল দিয়েছি, আমি ইন্টারনেট দিয়েছি; এবং ‘এই দেশ আমার বাবার দেশ,’ ‘আমার বাবা ছাড়া এই দেশ স্বাধীন হতো না,’ ‘দেশের জন্য আমার বাবা জীবনের অর্ধেক সময় জেলে কাটিয়েছেন।’ সেনাবাহিনীর অফিসারদের বলতেন, ‘আমার বাবা দেশ স্বাধীন করেছিল বলে আজ মেজর থেকে মেজর জেনারেল, তা না হলে পাঞ্জাবিদের লাথি খেতে হতো,’ ইত্যাদি।

তাঁর দাবিগুলো অর্ধসত্য। যেসব দেশে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন না, ওই সব দেশ স্বল্প রক্তপাতে অথবা রক্তপাত ছাড়াই স্বাধীন হয়েছে। এ কথা সত্য, শেখ মুজিব অনেক মেয়াদে প্রায় ১৩ বছর কারাগারে ছিলেন। ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশের বিরুদ্ধে স্বাধীনতাসংগ্রামী ‘সীমান্ত গান্ধী’ নামে খ্যাত খান আবদুল গাফফার খান কারাগারে কাটিয়েছেন প্রায় ৩৭ বছর, মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতের কারাগারে কাটিয়েছেন সাড়ে পাঁচ বছর। তাঁদের দুজন ক্ষমতা থেকে দূরে থাকাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। কাশ্মীরের শেখ আবদুল্লাহ ও নেহরুর কারাজীবন ছিল যথাক্রমে ২০ ও ৯ বছর। উভয়েই ক্ষমতাপ্রত্যাশী ছিলেন। অতএব ত্যাগ স্বীকারের পেছনে উদ্দেশ্য কী, তা বিচার্য বিষয় হওয়া উচিত-দেশ ও জনগণের স্বার্থ অথবা ক্ষমতার মসনদে অধিষ্ঠিত হওয়া! বিশ্বের আরও বহু দেশের অনেক নেতা আরও দীর্ঘকাল কারাগারে কাটিয়েছেন।

শেখ মুজিবুর রহমান তবু ‘কষ্ট করে কেষ্ট লাভ’ করেছিলেন। কিন্তু শেখ হাসিনাকে সেই কষ্ট করতে হয়নি। পিতার কষ্টে অর্জিত ‘কেষ্ট’ অনায়াসে তাঁর কোলে এসে পড়েছিল। তাঁকে কারাবাস করতে হয়নি। ১৯৭৫-৮১ সালে তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লিতে স্বেচ্ছা-নির্বাসনে ছিলেন

শেখ মুজিবুর রহমান তবু ‘কষ্ট করে কেষ্ট লাভ’ করেছিলেন। কিন্তু শেখ হাসিনাকে সেই কষ্ট করতে হয়নি। পিতার কষ্টে অর্জিত ‘কেষ্ট’ অনায়াসে তাঁর কোলে এসে পড়েছিল। তাঁকে কারাবাস করতে হয়নি। ১৯৭৫-৮১ সালে তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লিতে স্বেচ্ছা-নির্বাসনে ছিলেন। ২০০৭-০৮ সালে বছর খানেক তাঁকে আটক রাখা হয়েছিল জাতীয় সংসদ কমপ্লেক্সে ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনে।

অন্যদিকে শেখ হাসিনার চার মেয়াদের প্রধানমন্ত্রিত্বের পুরো ১৬ বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তুচ্ছ মামলার প্রতিহিংসামূলক বিচারে দীর্ঘদিন কারাগারে কাটাতে হয়েছে। এর আগে এক-এগারোর সরকার খালেদা জিয়াকে শেখ হাসিনার মতো জাতীয় কমপ্লেক্সের আরেকটি ভবনে ৩৭২ দিন আটক রেখেছিল। সেই অর্থে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় কারাবরণকারী রাজনীতিবিদ এবং শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে কারাগারেই বেগম জিয়ার মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী ছিল। শেখ হাসিনা পুনরায় স্বেচ্ছ-নির্বাসনে আছে এবং নির্বাসনস্থল অভিন্ন- ভারতের রাজধানী দিল্লি।

ভোট প্রসঙ্গে ফিরে আসি। শেষবার অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২২৪ আসনে বিজয়ী হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে গঠিত সরকারকে যদি ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের স্বাধীন ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে গঠিত ‘জনগণের দ্বারা জনগণের জন্য জনগণের সরকার’ বলে দাবি করেন, তাহলে ওই তত্ত্বের জনক আমেরিকান প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন সরকার সম্পর্কে তাঁর সংজ্ঞার ফ্যাসিবাদী ব্যবহার দেখে কবরে পাশ ফিরে শোবেন। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে ভোটের প্রয়োজন পড়েনি। কষ্ট করে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে হয়নি। প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং বিনা ভোটে বিজয়ী ঘোষিত হয়েছেন।

২০১৪ ও ২০১৮ সালে যেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাবিহীন ভোটারশূন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, ২০২৪-এর জানুয়ারির নির্বাচনেও এর কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের দিন সাংবাদিকদের কাছে ভোটার উপস্থিতির ওপর সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রথমে জানান যে ভোটার উপস্থিতি ছিল ভোটসংখ্যার ২৮ শতাংশ, অর্থাৎ এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি। সহজ হিসাবে ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার ২৮৯ জন ভোটারের মধ্যে মাত্র ৩ কোটি ৩৫ লাখ ১৩ হাজার ভোটার ভোট দিয়েছেন।

এর আগের নির্বাচন ২০১৮ সালে যেখানে ভোটার উপস্থিতি দেখানো হয়েছিল ৮০ শতাংশ, সে ক্ষেত্রে ২০২৪ সালে মাত্র ২৮ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি জনগণকে হজম করানো কঠিন হতে পারত, যদি না প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোটার উপস্থিতি ২৮ থেকে ৪০ শতাংশে উন্নীত করার ঘোষণা দিতেন। দ্বিতীয় দফায় ঘোষিত প্রদত্ত ভোটের ৭৫ শতাংশই পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। ভোটারসংখ্যা কীভাবে বাড়ে, কীভাবে কমে তা সবাই জানে। সংখ্যার হ্রাসবৃদ্ধির খেলায় আওয়ামী লীগের চেয়ে পাকা রাজনৈতিক খেলোয়াড় বাংলাদেশে বিরল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকে নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ভুল একবারই করেছিল, ২০০১ সালে। ২০০৮-এর নির্বাচনের পর তারা আর সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি করেনি। ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের বিপ্লব না ঘটলে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতার শতবার্ষিকী উদ্‌যাপন পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার ছক কাটতে শুরু করেছিল। ১৯৪১ সাল পর্যন্ত তো রূপকল্প বা ভিশন ১৯৪১ তাদের প্রস্তুতই ছিল।

২০২৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট বলেছিল, নির্বাাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হয়নি। যুক্তরাজ্যের ফরেন অফিস বলেছিল, এ নির্বাচনে গণতন্ত্রের পূর্ব-শর্তাবলি পূরণে যথেষ্ট ঘাটতি ছিল। আওয়ামী লীগের জয়জয়কার এবং এর আগের তিন মেয়াদে একমাত্র আওয়ামী লীগের সরকার গঠনের ঘটনায় যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ ম্যাগাজিন এক নিবন্ধে উল্লেখ করেছিল, ‘বাংলাদেশ কার্যকরভাবে ‘একদলীয় রাষ্ট্রে’ পরিণত হয়েছে।’ ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ অতিরঞ্জিত কিছু বলেনি।

বাংলাদেশের মতো ভোটপাগলের দেশে ২৮ বা ৪০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি গ্রহণযোগ্য কোনো সংখ্যা নয়। পাশ্চাত্যের দেশগুলোর জাতীয়, স্থানীয় সব নির্বাচনেই ভোটার উপস্থিতি কম থাকে। ৫০ শতাংশের বেশি হাজির হলে তারা রেকর্ড ঘেঁটে বের করে যে এর ক’ দশক আগে কোনো নির্বাচনে এত অধিকসংখ্যক ভোটার ভোট দিয়েছিল। নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণের কাছে উৎসবের মৌসুম। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভোটের দিনকে ঈদের মতো উৎসবে পরিণত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বাস্তবে জনগণের কাছে নির্বাচন বরাবরই উৎসব, বরং ঈদের আনন্দের চেয়েও বেশি।

নির্বাচনের মৌসুমে সমাজের চরম দুর্দশাগ্রস্ত ভিক্ষুক, দিনমজুর, কৃষক, শ্রমিকদের মর্যাদা ও কদর বেড়ে যায়। সুবেশী ভোটভিখারীরা পালা করে তাদের বাড়িঘরে, ফসলের খেতে, হাঁটবাজারে গিয়ে খোঁজখবর নেয়। তাদের ময়লা হাতে হাত মেলায়, আলিঙ্গন করে। নির্বাচন বিধিমালায় নিষেধাজ্ঞা যতই থাকুক এ মৌসুমে ভোটার ভাইবোনদের হাতে নগদ কিছু গুঁজেও দেয়। লুঙ্গি, শাড়ি, কম্বল বিতরণ করে। খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করে।

অতএব নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রেও তারা যায় উৎসবে অংশ নেওয়ার ফুরফুরে মনে। এর আগের তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের কোনো কদর ছিল না। তারা ভোট উৎসব থেকে বঞ্চিত ছিল। কারণ তাদের অধিকাংশকেই ভোট দিতে হয়নি। আওয়ামী লীগ তাদের ভোটকে অপ্রয়োজনীয় করে ফেলেছিল। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেই, কিন্তু যারাই আছে, তাদের কাছে ভোটাররা তাদের মর্যাদা ও মূল্য পাচ্ছে। দেশে এখনই উৎসবের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন প্রার্থী তালিকা চূড়ান্তকরণ এবং প্রতীক বরাদ্দের পর ভোট উৎসব আরও গতি লাভ করবে।

আওয়ামী লীগপ্রধান শেখ হাসিনা দিল্লি থেকে তাঁর নিয়মিত অডিও বার্তার শেষটিতে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উদ্দেশে নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তাঁর মতে, আওয়ামী লীগ সব সময় নির্বাচনমুখী দল। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার আগ্রহ ব্যক্ত করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে একতরফা নির্বাচন, যা আন্তর্জাতিক মহল গ্রহণ করবে না।

গত অক্টোবর মাসে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ও একই ধরনের কথা বলেছেন, ‘ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে প্রহসনের নির্বাচন। আওয়ামী লীগকে ছাড়া কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না এবং নির্বাচনের ফলাফল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।

আওয়ামী লীগ সব সময় দাবি করে যে মোট ভোটারের ৪০ শতাংশ তাদের বাঁধাধরা ভোট। ২০০৮ সালে তা ৪৮ শতাংশে উঠে গিয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ পরবর্তী তিনটি নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করার জন্য নির্বাচনকে সব রাজনৈতিক দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করেনি। নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও পক্ষপাতহীন করার পরিবর্তে প্রহসনমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার এক মেয়াদ থেকে আরেক মেয়াদে গেছে। আন্তর্জাতিক মহল প্রতিটি নির্বাচনের ফলাফলকে অগ্রহণযোগ্য বলে নিন্দা করেছে। আওয়ামী লীগ সরকার সেদিকে ভ্রুক্ষেপও করেনি। এখন সেই আওয়ামী লীগের মুখে ‘আন্তর্জাতিক মহলের’ দোহাই বরং তাদের প্রহসনের ভিন্ন মঞ্চায়নের চেষ্টা।

১৯৭০-এর নির্বাচনকাল থেকে আওয়ামী লীগ জাতিকে পদে পদে বিভ্রান্ত করেছে। দেশকে লুণ্ঠন করে জনগণের দুর্দশা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। তারা পঁচাত্তর থেকে শেখেনি, চব্বিশ থেকেও শিখবে, তা আশা করা যায় না। আল্লাহ বলেছেন : ‘ওরা মূর্খ, বধির ও অন্ধ। ওরা সত্যের পথে আসবে না’ (সুরা বাকারা ১৮)। আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে কোরআনের এই বাণী প্রযোজ্য। আর মাত্র তিন সপ্তাহ পর অনুষ্ঠেয় ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে অশুভ শক্তির ছড়ানো বিভ্রান্তি থেকে জনগণকে সজাগ রাখার দায়িত্ব কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর নয়, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দলগুলোরও।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
আশাহত জাতির চোখে নতুন আশার বাতি
আশাহত জাতির চোখে নতুন আশার বাতি
বিপন্ন অর্থনীতি রক্ষায় তারেক রহমানে আস্থা
বিপন্ন অর্থনীতি রক্ষায় তারেক রহমানে আস্থা
নতুন সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হোক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার
নতুন সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হোক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার
নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে : প্রয়োজন যুক্তিবুদ্ধির সংযোগ
নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে : প্রয়োজন যুক্তিবুদ্ধির সংযোগ
গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ সর্বজনীন ভোটাধিকার
গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ সর্বজনীন ভোটাধিকার
দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতি
দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতি
ভালোবাসার ঢাকা: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতার ফারাক
ভালোবাসার ঢাকা: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতার ফারাক
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
সর্বশেষ খবর
বরিশালে তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার
বরিশালে তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার

১ সেকেন্ড আগে | রাজনীতি

বিএনপিকে অভিনন্দন জার্মানির, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার
বিএনপিকে অভিনন্দন জার্মানির, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

শেষ কার্ডটাই ব্যবহার করছে ইরান?
শেষ কার্ডটাই ব্যবহার করছে ইরান?

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলো মস্কো
ইরানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলো মস্কো

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যান্টনের ব্যাটে ইংল্যান্ডের স্বস্তির জয়
ব্যান্টনের ব্যাটে ইংল্যান্ডের স্বস্তির জয়

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নেত্রকোনায় সাহিত্য উৎসব
নেত্রকোনায় সাহিত্য উৎসব

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোংরা পানি আর দুর্গন্ধে অতিষ্ট পৌরসভার বাসিন্দারা
নোংরা পানি আর দুর্গন্ধে অতিষ্ট পৌরসভার বাসিন্দারা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা সৈকত
বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা সৈকত

৩৫ মিনিট আগে | পর্যটন

নিজের ব্যানার খুলতে রাস্তায় নেমে পড়লেন হাবিবুর রশিদ
নিজের ব্যানার খুলতে রাস্তায় নেমে পড়লেন হাবিবুর রশিদ

৩৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বিএনপিকে অভিনন্দন জানাল হেফাজতে ইসলাম
বিএনপিকে অভিনন্দন জানাল হেফাজতে ইসলাম

৩৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঢাকা-৫ আসনের ফল স্থগিত ও ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপি প্রার্থীর
ঢাকা-৫ আসনের ফল স্থগিত ও ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপি প্রার্থীর

৪২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বৃহস্পতির আকার নিয়ে নতুন তথ্য দিল নাসার মহাকাশযান
বৃহস্পতির আকার নিয়ে নতুন তথ্য দিল নাসার মহাকাশযান

৪২ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

দলকে ব্যবহার করে অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা : ইশরাক
দলকে ব্যবহার করে অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা : ইশরাক

৪৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

বোনকে উত্যক্তের প্রতিবাদে যুবককে হত্যা
বোনকে উত্যক্তের প্রতিবাদে যুবককে হত্যা

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘সুন্দরবনের ক্ষতিসাধনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে’
‘সুন্দরবনের ক্ষতিসাধনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে’

৫১ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

ইয়েমেনিদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা বাতিল ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
ইয়েমেনিদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা বাতিল ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাউজানে পাইপগান ও কার্তুজ উদ্ধার
রাউজানে পাইপগান ও কার্তুজ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রুশ হামলায় সব বিদুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: জেলেনস্কি
রুশ হামলায় সব বিদুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: জেলেনস্কি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃমি নির্মূল করে যে পাতার রস
কৃমি নির্মূল করে যে পাতার রস

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

আনোয়ারায় তালা ভেঙে তিনটি গরু চুরি
আনোয়ারায় তালা ভেঙে তিনটি গরু চুরি

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

হাসনাতের আসনে ভোট বাতিল ও পুনঃভোট চাইলেন ট্রাক প্রতীকের জসিম
হাসনাতের আসনে ভোট বাতিল ও পুনঃভোট চাইলেন ট্রাক প্রতীকের জসিম

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনে শত ষড়যন্ত্রেও জনগণ সুস্থ ধারার প্রতিফলন ঘটিয়েছে : ওয়ার্কার্স পার্টি
নির্বাচনে শত ষড়যন্ত্রেও জনগণ সুস্থ ধারার প্রতিফলন ঘটিয়েছে : ওয়ার্কার্স পার্টি

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাকিস্তানে মসজিদে হামলায় জাতিসংঘের নিন্দা
পাকিস্তানে মসজিদে হামলায় জাতিসংঘের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুন্সীগঞ্জে ভবন থেকে পড়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের
মুন্সীগঞ্জে ভবন থেকে পড়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বলিউডে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বিষ্ণোই আতঙ্ক
বলিউডে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বিষ্ণোই আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মুন্সীগঞ্জে এসএসসি ১৯৮৩ ব্যাচের পুনর্মিলনী
মুন্সীগঞ্জে এসএসসি ১৯৮৩ ব্যাচের পুনর্মিলনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিখ নেতাকে হত্যায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগের চেষ্টা, ভারতীয় দোষী সাব্যস্ত
শিখ নেতাকে হত্যায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগের চেষ্টা, ভারতীয় দোষী সাব্যস্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ডন থ্রি’তে অভিনয়ের গুঞ্জন, যা বললেন হৃতিক
‘ডন থ্রি’তে অভিনয়ের গুঞ্জন, যা বললেন হৃতিক

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভারত-পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা কি এবার হাত মেলাবেন? যা বললেন সালমান আগা
ভারত-পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা কি এবার হাত মেলাবেন? যা বললেন সালমান আগা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণকে কনভিন্স করাটাই আমাদের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’: তারেক রহমান
জনগণকে কনভিন্স করাটাই আমাদের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’: তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
জামায়াত গাদ্দারি না করলে ফলাফল অন্যরকম হতো: সারোয়ার তুষার
জামায়াত গাদ্দারি না করলে ফলাফল অন্যরকম হতো: সারোয়ার তুষার

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'বিএনপি যদি ফেরাতে চায়, তবে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে'
'বিএনপি যদি ফেরাতে চায়, তবে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে'

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দুই কুল হারালেন অলি
দুই কুল হারালেন অলি

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যে পদ্ধতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবে নতুন সরকার
যে পদ্ধতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবে নতুন সরকার

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা
জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যাঁরা
মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যাঁরা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমবার সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
প্রথমবার সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'নির্বাচনে যারা আমার সঙ্গে ছিলেন না তারাও নিরাপদে থাকবেন'
'নির্বাচনে যারা আমার সঙ্গে ছিলেন না তারাও নিরাপদে থাকবেন'

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ
২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা
ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর
কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন
ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

২৪ ঘণ্টায় ৬ ইসরায়েলিকে গুলি করে হত্যা, জরুরি অবস্থা জারি
২৪ ঘণ্টায় ৬ ইসরায়েলিকে গুলি করে হত্যা, জরুরি অবস্থা জারি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ
তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত
ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফুল মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহ
ফুল মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহ

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ
আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা
নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অসচ্ছল হিন্দুদের পাশে নবনির্বাচিত এমপি কায়কোবাদ
অসচ্ছল হিন্দুদের পাশে নবনির্বাচিত এমপি কায়কোবাদ

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

চট্টগ্রামে কোন আসনে কে জয়ী
চট্টগ্রামে কোন আসনে কে জয়ী

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসদে যাচ্ছেন পিন্টু-টুকু দুই ভাই
সংসদে যাচ্ছেন পিন্টু-টুকু দুই ভাই

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দুই দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার হারাল ভারত
দুই দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার হারাল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে এত ভোট পেয়েছেন পাটওয়ারী : মির্জা আব্বাস
নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে এত ভোট পেয়েছেন পাটওয়ারী : মির্জা আব্বাস

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ২৭ জনই নতুন বিজয়ী
রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ২৭ জনই নতুন বিজয়ী

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ময়মনসিংহে ধানের শীষের দাপট, তবে স্বতন্ত্র ও জামায়াতের চমক
ময়মনসিংহে ধানের শীষের দাপট, তবে স্বতন্ত্র ও জামায়াতের চমক

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রংপুরে ‘লাঙলের জানাজা’র ছবি ভাইরাল
রংপুরে ‘লাঙলের জানাজা’র ছবি ভাইরাল

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মনোনয়ন না পেলেও সংসদে পৌঁছালেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী
মনোনয়ন না পেলেও সংসদে পৌঁছালেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
হারলেন যেসব হেভিওয়েট
হারলেন যেসব হেভিওয়েট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির সাত বিদ্রোহী জয়ী
বিএনপির সাত বিদ্রোহী জয়ী

পেছনের পৃষ্ঠা

জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না
জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ, বয়োজ্যেষ্ঠ খন্দকার মোশাররফ
সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ, বয়োজ্যেষ্ঠ খন্দকার মোশাররফ

পেছনের পৃষ্ঠা

চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন
চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রথমবার সংসদে তাঁরা
প্রথমবার সংসদে তাঁরা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ
যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে বিএনপির জয়ের নেপথ্যে
চট্টগ্রামে বিএনপির জয়ের নেপথ্যে

নগর জীবন

রংপুরে জাপার অহংকার চূর্ণ
রংপুরে জাপার অহংকার চূর্ণ

নগর জীবন

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা

পেছনের পৃষ্ঠা

একটি আসনও পায়নি জাতীয় পার্টি
একটি আসনও পায়নি জাতীয় পার্টি

পেছনের পৃষ্ঠা

শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি
শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ
হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ

প্রথম পৃষ্ঠা

দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়
দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত
রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয় বিএনপির আলমের
সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয় বিএনপির আলমের

পেছনের পৃষ্ঠা

বাসন্তী ভালোবাসার দিন আজ
বাসন্তী ভালোবাসার দিন আজ

পেছনের পৃষ্ঠা

অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস
অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকার ২০ আসনের ১৩টিতে বিএনপি ৭ জামায়াত জোট
ঢাকার ২০ আসনের ১৩টিতে বিএনপি ৭ জামায়াত জোট

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন
১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের বড় অংশে বিএনপির একচ্ছত্র আধিপত্য
দেশের বড় অংশে বিএনপির একচ্ছত্র আধিপত্য

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটে জিতলেও ভাগ্য নির্ধারণ আদালতে
ভোটে জিতলেও ভাগ্য নির্ধারণ আদালতে

পেছনের পৃষ্ঠা

জয়ী হলেন সাত নারী
জয়ী হলেন সাত নারী

পেছনের পৃষ্ঠা

এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে
এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফল স্থগিত ও পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের
ফল স্থগিত ও পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের

পেছনের পৃষ্ঠা

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

চার জেলায় সব আসন জামায়াতের
চার জেলায় সব আসন জামায়াতের

দেশগ্রাম

ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করি
ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করি

নগর জীবন

রেকর্ড গড়ে দেশের নেতৃত্বে তারেক রহমান
রেকর্ড গড়ে দেশের নেতৃত্বে তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের সঙ্গী আনচেলত্তি
২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের সঙ্গী আনচেলত্তি

মাঠে ময়দানে