শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৫৬, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬

বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন

নিরঞ্জন রায়
অনলাইন ভার্সন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন

সম্প্রতি কালের কণ্ঠে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে দেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতে প্রদত্ত বন্ডেড সুবিধার অপব্যবহার এবং সরকারের বিশাল অঙ্কের রাজস্ব ক্ষতির বিষয় নিয়ে। প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায় যে প্রতিবছর দেশের বাজারে প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ডলারের কাপড় ঢুকছে এই বন্ডেড সুবিধার অপব্যবহার করে। এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) এ ব্যাপারে ব্যাপক তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি নিঃসন্দেহে উদ্বেগের।


কেননা বন্ডেড সুবিধার অপব্যবহারের কারণে একদিকে সরকারের বিশাল অঙ্কের রাজস্ব ক্ষতি হয়; অন্যদিকে দেশীয় শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

দেশের তৈরি পোশাক খাতে প্রদত্ত বন্ডেড সুবিধার অপব্যবহারের অভিযোগ অনেক পুরনো। ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি আমি একটি ব্যাংকে দায়িত্ব পালনের সময় মাঝেমধ্যেই কিছু গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শন করেছি কেবল বন্ডেড সুবিধার আওতায় আমদানি করা কাপড়ের স্টক রিপোর্ট তৈরি করার জন্য, যা ছিল আমার কর্মজীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজ। এ রকম একটি ফ্যাক্টরি পরিদর্শনের সময় এক দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) কর্মকর্তা আমার সঙ্গে গিয়েছিলেন।


তিনি এই অব্যবস্থা দেখে চরম হতাশ হন এবং ভীষণ রেগে যান। সেই গার্মেন্টস কারখানার গুদামে আমদানি করা সব কাঁচামাল এমনভাবে সংরক্ষণ করা ছিল, তাতে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি যে কোন কাঁচামাল বন্ডেড সুবিধার আওতায় আমদানি করা, আর কোন কাঁচামাল স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ বা সাধারণ ব্যবস্থায় আমদানি করা হয়েছে।

বন্ডেড সুবিধার অপব্যবহারের জন্য দেশের ব্যবসায়ীদের ঢালাওভাবে দোষারোপ করা হয় ঠিকই, কিন্তু এই পদ্ধতিটি যথেষ্ট ত্রুটিপূর্ণ এবং অনেক ফাঁকফোকরপূর্ণ। ১৯৮০-এর দশকে এই পদ্ধতি চালুর সময় পৃথক বন্ডেড গুদাম বা ওয়্যারহাউসের ব্যবস্থা ছিল, যেখানে পণ্য আমদানি করে সংরক্ষণ করা হতো এবং প্রমাণ সাপেক্ষে কারখানায় নিয়ে পোশাক তৈরি করা হয়েছে।


পরবর্তী সময়ে রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পৃথক বন্ডেড গুদামের ব্যবস্থা বাতিল করে পুরো দায়িত্ব দেওয়া হয় রপ্তানিকারকদের, যাঁরা বন্ডেড সুবিধার আওতায় আমদানি করে নিজ দায়িত্বে আমদানি করা কাঁচামাল নিয়ন্ত্রণ এবং শতভাগ রপ্তানি নিশ্চিত করবেন। এই স্বনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার মধ্যেই আছে নানা ফাঁকফোকর, যার অপব্যবহার করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এবং গার্মেন্টস কম্পানির কিছু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বন্ডেড সুবিধার আওতায় আমদানি করা কাপড় স্থানীয় বাজারে বিক্রির মতো অনিয়ম করেন। অথচ দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই অন্যায়ের পুরো দায়ভার নিতে হয় দেশের সমগ্র ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে।
প্রাথমিকভাবে এই বন্ডেড সুবিধার প্রয়োজন থাকলেও বর্তমান বিশ্বের আধুনিক সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থা এবং অগ্রসরমাণ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্যবস্থাটি মোটেই সহায়ক নয়। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, বিশাল অঙ্কের রপ্তানির ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা মোটেই কার্যকর নয়।


যে দেশে বছরে তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ৪০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায় এবং অদূর ভবিষ্যতে ৭০ থেকে ৮০ বিলিয়ন ডলার বাৎসরিক রপ্তানির চিন্তা করা হয়, সেখানে বন্ডেড সুবিধার মতো সেকেলে ব্যবস্থা দিয়ে সহায়তা করা মোটেই সম্ভব নয়। আধুনিক আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে হলে এই বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন। দেশে রপ্তানির পরিমাণ যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে বিশেষ কোনো সুবিধার প্রয়োজন থাকার কথা নয়।
বিশ্বের অন্য দেশের রপ্তানিকারকদের যে পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়, আমাদের দেশের রপ্তানিকারকরাও তা-ই করবেন, এটাই স্বাভাবিক। অর্থাৎ রপ্তানিকারকরা যেসব কাঁচামাল রপ্তানিপণ্য তৈরির জন্য আমদানি করবেন, তার ওপর সাধারণ নিয়মে ডিউটি প্রদান করবেন। রপ্তানিপ্রক্রিয়া শেষে যখন রপ্তানিমূল্য দেশে চলে আসবে, তখন রপ্তানিকারকরা প্রদত্ত শুল্ক সরকারের কাছ থেকে ফেরত পাবেন। কিন্তু অনেক কারণে আমাদের দেশের বাস্তবতায় এই মানসম্পন্ন ব্যবস্থা প্রয়োগ করা সম্ভব নয়। প্রথমত, আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের কাছে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ থাকে না যে আমদানির শুরুতেই সরকারকে ডিউটি প্রদান করে টাকাটা আটকে রাখবেন। দ্বিতীয়ত, আমাদের দেশে সরকারি অফিস থেকে অর্থ ফেরত পাওয়ার অভিজ্ঞতা মোটেই সুখকর নয়।

এতৎসত্ত্বেও এই বন্ডেড সুবিধার পরিবর্তন করা প্রয়োজন এবং এ ক্ষেত্রে এমন আধুনিক ব্যবস্থা চালু করা উচিত, যার মাধ্যমে দেশের রপ্তানিকারকরাও সুবিধা পাবেন এবং সেই সঙ্গে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির সুযোগ থাকবে না। এ রকম একটি ব্যবস্থা হতে পারে বন্ডেড সুবিধার পরিবর্তে স্ট্যান্ডবাই এলসি বা ব্যাংক গ্যারান্টি চালু করা। এই ব্যবস্থার অধীনে প্রত্যেক তৈরি পোশাক রপ্তানিকারককে এনবিআরের পক্ষে ব্যাংক থেকে একটি স্ট্যান্ডবাই এলসি প্রদান করা হবে। যদি কোনো রপ্তানিকারক আমদানি করা কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করতে ব্যর্থ হন, কেবল তখনই এনবিআর প্রদত্ত স্ট্যান্ডবাই এলসির মাধ্যমে প্রযোজ্য শুল্ক সেই ব্যাংক থেকে আদায় করে নেবেন। বিষয়টি অনেকের কাছে জটিল মনে হতে পারে। তাই একটি কাল্পনিক উদাহরণের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে।

ধরা যাক, একজন তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক বছরে ১০০ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করেন, যার জন্য তাঁকে বছরে ৭০ কোটি টাকার কাঁচামাল আমদানি করতে হয়। এসব আমদানি পণ্যের ওপর যদি গড় শুল্কের হার হয় ২০ শতাংশ, তাহলে তাঁকে বছরে ১৪ কোটি টাকার শুল্ক প্রদানের কথা। এ ক্ষেত্রে সেই রপ্তানিকারক তাঁর ব্যাংক থেকে এনবিআরের পক্ষে ১৪ কোটি টাকার একটি স্ট্যান্ডবাই এলসি প্রদান করবে, যার অধীনে এনবিআর তখনই অর্থ আদায় করবে, যখন সেই রপ্তানিকারকের বছরে রপ্তানির পরিমাণ ৭০ কোটি টাকার কম হবে। অর্থাৎ আলোচ্য ক্ষেত্রে যদি বছরে রপ্তানির পরিমাণ ৭০ কোটি টাকা বা তার বেশি হয়, তাহলে এনবিআরের কিছু করার প্রয়োজন হবে না। যদি কোনো রকম রপ্তানি না হয়, তখন এনবিআর স্ট্যান্ডবাই এলসির পুরো ১৪ কোটি টাকাই ব্যাংক থেকে আদায় করে নেবে। আর যদি বছরে রপ্তানির পরিমাণ ৭০ কোটি টাকার কম, ধরা যাক ৫০ কোটি টাকা হয়, তখন এই রপ্তানি ঘাটতির ওপর প্রযোজ্য হারে যে শুল্ক হয়, সেই পরিমাণ অর্থ এনবিআরকে আদায় করতে হবে। বলে রাখা ভালো যে প্রকৃত শুল্কের পরিমাণ নির্ধারিত হবে ঘাটতি রপ্তানি ২০ কোটি টাকার ৭০ শতাংশ অর্থাৎ ১৪ কোটি টাকার আমদানির ওপর। এই হিসাব অনুযায়ী আলোচ্য ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ হারে শুল্ক ধার্য করলে আদায়যোগ্য শুল্কের পরিমাণ হবে দুই কোটি ৮০ লাখ টাকা। এনবিআর প্রথমে রপ্তানিকারককে এই শুল্কের টাকা পরিশোধ করতে বলবে। আমদানিকারক যদি সেই অর্থ প্রদান করেন, তাহলে এনবিআরের কিছুই করার প্রয়োজন হবে না এবং বছর শেষের হিসাব ও রিকনসিলিয়েশন সম্পন্ন করে ফেলবে। আর যদি রপ্তানিকারক এই শুল্কের অর্থ প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানান, তখনই এনবিআর স্ট্যান্ডবাই এলসির অধীনে ব্যাংক থেকে শুল্কের দুই কোটি ৮০ লাখ টাকা আদায় করে নিতে পারবে।

এই ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে হবে, যাতে ন্যূনতম মানুষের শ্রমের প্রয়োজন হয় এবং ইচ্ছাকৃত নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানোর সুযোগ না থাকে। এই পদ্ধতির সঙ্গে অবশ্য কিছু বিষয় জড়িত আছে; যেমন—স্ট্যান্ডবাই এলসির ফি, মেয়াদোত্তীর্ণ ঝুঁকি, যা স্ট্যান্ডবাই এলসিতেই সমাধানের ব্যবস্থা আছে। বিষয়টি ভিন্ন প্রসঙ্গ বিধায় বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন, যার সুযোগ এখানে নেই। এই পদ্ধতিটি খুবই সহজ এবং উভয় পক্ষের স্বার্থ রক্ষায় উপযোগী হওয়ায় ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে লাতিন আমেরিকার অনেক দেশের শুল্কমুক্ত অঞ্চলে, যেখানে পণ্য আমদানি করে প্রক্রিয়াজাত করার পর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। যেহেতু এই বন্ডেড সুবিধা সেকেলে, জটিল, ত্রুটিপূর্ণ এবং যথেষ্ট ফাঁকফোকরে ভর্তি, তাই এই ব্যবস্থা সহজ করা প্রয়োজন এবং সে ক্ষেত্রে বন্ডেড সুবিধা বাতিল করে স্ট্যান্ডবাই এলসির প্রবর্তন হতে পারে সবচেয়ে ভালো একটি বিকল্প। অর্থ মন্ত্রণালয়, এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিরা বিষয়টি বিবেচনা করে দেখতে পারেন।

লেখক : সার্টিফায়েড অ্যান্টি মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা

এই বিভাগের আরও খবর
দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতি
দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতি
ভালোবাসার ঢাকা: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতার ফারাক
ভালোবাসার ঢাকা: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতার ফারাক
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
সর্বশেষ খবর
টাকা ফেরতসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
টাকা ফেরতসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

নাগরিকত্ব আইন কঠোর করছে সুইডেন
নাগরিকত্ব আইন কঠোর করছে সুইডেন

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশের দায়ে জামায়াত নেতা আটক
বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশের দায়ে জামায়াত নেতা আটক

৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরান
ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরান

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তলসহ রোহিঙ্গা গ্রেফতার
চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তলসহ রোহিঙ্গা গ্রেফতার

১৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কক্সবাজারে সাত বিএনপি কর্মী আটক
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কক্সবাজারে সাত বিএনপি কর্মী আটক

২৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ভোট কেনাবেচার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি
ভোট কেনাবেচার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে সামরিক কনভয়ে বিস্ফোরণ
ইরানে সামরিক কনভয়ে বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ
ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাত
বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভোটকেন্দ্রে কি সেলফি তোলা যাবে?
ভোটকেন্দ্রে কি সেলফি তোলা যাবে?

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মির্জাগঞ্জে ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক, মুচলেকায় মুক্ত
মির্জাগঞ্জে ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক, মুচলেকায় মুক্ত

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাল সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাল সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ
গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পিএসএলে দল পেলেন নাহিদ-ইমন
পিএসএলে দল পেলেন নাহিদ-ইমন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাকা উদ্ধারের নামে অনেকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে : আসিফ মাহমুদ
টাকা উদ্ধারের নামে অনেকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে : আসিফ মাহমুদ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যাচাই শেষে আটক কৃষকদল নেতা মুক্ত
যাচাই শেষে আটক কৃষকদল নেতা মুক্ত

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশে চীনকে মোকাবিলায় নতুন কৌশল ওয়াশিংটনের
বাংলাদেশে চীনকে মোকাবিলায় নতুন কৌশল ওয়াশিংটনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১১
জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১১

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খোসাসহ পেয়ারা খাচ্ছেন? কী হয় জেনে নিন
খোসাসহ পেয়ারা খাচ্ছেন? কী হয় জেনে নিন

৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

মার্শের অণ্ডকোষে রক্তক্ষরণ : বিশ্বকাপ মিশন কী শেষ অজি অধিনায়কের?
মার্শের অণ্ডকোষে রক্তক্ষরণ : বিশ্বকাপ মিশন কী শেষ অজি অধিনায়কের?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তৎপরতা, স্যাটেলাইট চিত্র কি বলছে?
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তৎপরতা, স্যাটেলাইট চিত্র কি বলছে?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপেই টি-টোয়েন্টিতে ফিরতে পারেন স্মিথ
বিশ্বকাপেই টি-টোয়েন্টিতে ফিরতে পারেন স্মিথ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড
‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোট ঘিরে টাকা ছড়াচ্ছে জামায়াত: সিইসির কাছে অভিযোগ বিএনপির
ভোট ঘিরে টাকা ছড়াচ্ছে জামায়াত: সিইসির কাছে অভিযোগ বিএনপির

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান
রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ কাতারের আমিরের
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ কাতারের আমিরের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‌‘গণবিপ্লবী উদ্যোগ’র আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‌‘গণবিপ্লবী উদ্যোগ’র আত্মপ্রকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান
৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির ৭৪ লাখ টাকাসহ আটক
বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির ৭৪ লাখ টাকাসহ আটক

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: পিসিবি চেয়ারম্যান
বাংলাদেশের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: পিসিবি চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সব যান বন্ধ নয়: কারা চলাচলে ছাড় পাচ্ছে
সব যান বন্ধ নয়: কারা চলাচলে ছাড় পাচ্ছে

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন
ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য এতটা কার্যকর কেন?
ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য এতটা কার্যকর কেন?

১৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

যে চার উপায়ে জানবেন ভোটার নম্বর
যে চার উপায়ে জানবেন ভোটার নম্বর

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটকেন্দ্রে যেসব কাজ করতে পারবে না পুলিশ
ভোটকেন্দ্রে যেসব কাজ করতে পারবে না পুলিশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশের সব দোকান-শপিং মল আজ বন্ধ, খোলা কবে?
দেশের সব দোকান-শপিং মল আজ বন্ধ, খোলা কবে?

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড
‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য যানবাহন ব্যবহার নিষিদ্ধ: ইসি
ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য যানবাহন ব্যবহার নিষিদ্ধ: ইসি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন শেষে কখন রাস্তায় ফিরবে মোটরসাইকেল
নির্বাচন শেষে কখন রাস্তায় ফিরবে মোটরসাইকেল

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নিজেকে ভোট দিতে পারছেন না তাসনিম জারা ও ববি হাজ্জাজ
নিজেকে ভোট দিতে পারছেন না তাসনিম জারা ও ববি হাজ্জাজ

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গৃহকর্মীকে নির্যাতন; আদালতে উঠে এলো বিমানের সাবেক এমডির বাসার লোমহর্ষক বর্ণনা
গৃহকর্মীকে নির্যাতন; আদালতে উঠে এলো বিমানের সাবেক এমডির বাসার লোমহর্ষক বর্ণনা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পাকিস্তান পাশে না দাঁড়ালে কী হতো বাংলাদেশের সঙ্গে
পাকিস্তান পাশে না দাঁড়ালে কী হতো বাংলাদেশের সঙ্গে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিরাজগঞ্জে ‘ভোট কিনতে’ গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালালো জামায়াত নেতা
সিরাজগঞ্জে ‘ভোট কিনতে’ গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালালো জামায়াত নেতা

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঠাকুরগাঁও আমিরকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে: জামায়াত
ঠাকুরগাঁও আমিরকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে: জামায়াত

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মহানাটকীয় টাই, ডাবল সুপার ওভারে আফগানদের বিশ্বকাপ স্বপ্নে ধাক্কা
মহানাটকীয় টাই, ডাবল সুপার ওভারে আফগানদের বিশ্বকাপ স্বপ্নে ধাক্কা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ
ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আয় কমে গেছে ৯৭ শতাংশ
ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আয় কমে গেছে ৯৭ শতাংশ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল শুক্রবার: ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল শুক্রবার: ইসি সানাউল্লাহ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোট কেনার সময় সূত্রাপুর থানা জামায়াতের আমির আটক, কারাদণ্ড
ভোট কেনার সময় সূত্রাপুর থানা জামায়াতের আমির আটক, কারাদণ্ড

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান
রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভোট বেশি পড়লে বিএনপি, কম পড়লে জামায়াত সুফল পাবে : বিআইডিডি
ভোট বেশি পড়লে বিএনপি, কম পড়লে জামায়াত সুফল পাবে : বিআইডিডি

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটক ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির রমেকের সিসিইউতে ভর্তি
আটক ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির রমেকের সিসিইউতে ভর্তি

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় ‘টাকা বিতরণের’ অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক
কুমিল্লায় ‘টাকা বিতরণের’ অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইতিহাসে প্রথম দুই ব্যালটে ভোট
ইতিহাসে প্রথম দুই ব্যালটে ভোট

ভোটের মাঠে

শেষ মুহূর্তের জরিপে এগিয়ে বিএনপি
শেষ মুহূর্তের জরিপে এগিয়ে বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশায় দেশবাসী
নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশায় দেশবাসী

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে গণভোটের ইতিহাস
বাংলাদেশে গণভোটের ইতিহাস

ভোটের মাঠে

যেভাবে জানবেন ভোট কেন্দ্র
যেভাবে জানবেন ভোট কেন্দ্র

ভোটের মাঠে

ভোটের আগে টাকার খেলা
ভোটের আগে টাকার খেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

আধিপত্যের সংঘর্ষ টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ৯
আধিপত্যের সংঘর্ষ টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ৯

দেশগ্রাম

যারা নির্বাচিত হবে তাদের সঙ্গেই কাজ
যারা নির্বাচিত হবে তাদের সঙ্গেই কাজ

প্রথম পৃষ্ঠা

মুন্সিগঞ্জে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ
মুন্সিগঞ্জে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ

প্রথম পৃষ্ঠা

ফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত শঙ্কামুক্ত নই
ফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত শঙ্কামুক্ত নই

প্রথম পৃষ্ঠা

পল্লবীতে পোলিং অফিসারসহ দুই জনের কারাদণ্ড
পল্লবীতে পোলিং অফিসারসহ দুই জনের কারাদণ্ড

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের উৎসবে মেতেছে দেশ
ভোটের উৎসবে মেতেছে দেশ

সম্পাদকীয়

শিক্ষায় নেই কোনো দৃশ্যমান অর্জন
শিক্ষায় নেই কোনো দৃশ্যমান অর্জন

পেছনের পৃষ্ঠা

জেন-জির প্রথম নির্বাচন
জেন-জির প্রথম নির্বাচন

সম্পাদকীয়

গুলশানে ভোট দেবেন তারেক রহমান
গুলশানে ভোট দেবেন তারেক রহমান

পেছনের পৃষ্ঠা

কঠোর ব্যবস্থা নিতে ইতস্তত করব না
কঠোর ব্যবস্থা নিতে ইতস্তত করব না

পেছনের পৃষ্ঠা

নতুন সরকারকে আগাম অভিনন্দন
নতুন সরকারকে আগাম অভিনন্দন

সম্পাদকীয়

দুর্নীতি সূচকে অবনতি
দুর্নীতি সূচকে অবনতি

সম্পাদকীয়

নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিন ফল মেনে নিন
নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিন ফল মেনে নিন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে কড়াকড়ি
বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে কড়াকড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

সালাতের গুরুত্ব
সালাতের গুরুত্ব

সম্পাদকীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে কেন্দ্রে জামায়াতের সিল মারার গুজব
সিদ্ধিরগঞ্জে কেন্দ্রে জামায়াতের সিল মারার গুজব

পেছনের পৃষ্ঠা

টাকাসহ আটক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়
টাকাসহ আটক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই সরকারে এলে দেশ চলবে কীভাবে
সবাই সরকারে এলে দেশ চলবে কীভাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শুল্ক ছাড়ের আড়ালে চাপ কাঠামোগত সংস্কারের
শুল্ক ছাড়ের আড়ালে চাপ কাঠামোগত সংস্কারের

পেছনের পৃষ্ঠা

চা বাগান থেকে গলা কাটা লাশ উদ্ধার
চা বাগান থেকে গলা কাটা লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

ভাষা তার নিজস্ব গতিতে বিবর্তনের দিকে এগিয়ে গেছে
ভাষা তার নিজস্ব গতিতে বিবর্তনের দিকে এগিয়ে গেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একটি গোষ্ঠী বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে
জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একটি গোষ্ঠী বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদ নির্বাচন
সংসদ নির্বাচন

সম্পাদকীয়

সুশাসনের রাষ্ট্র চাই
সুশাসনের রাষ্ট্র চাই

সম্পাদকীয়