শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:৪৮, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

মববাজ দমনের অপেক্ষায় জনতা

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
মববাজ দমনের অপেক্ষায় জনতা

নির্বাচন সামনে রেখে এমনিতেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বাড়তি চাপ নিতে হয়। সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। এবারের পরিস্থিতির রূপ ও বাস্তবতা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে গুরুতর। তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও ফেলেছে বাড়তি যন্ত্রণায়। সরকারের কড়া নির্দেশনার আলোকে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো মব দমনের চেষ্টায় কোনো কমতি বা ঘাটতি করছে না। কিন্তু চেষ্টায় কুলাচ্ছে না। তারা এক জায়গায় পদক্ষেপ নিলে মববাজরা হামলে পড়ছে আরও কয়েক জায়গায়। মবের সমান্তরালে খুন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাইয়ের ঘটনাও বাড়ছে। নারী নির্যাতন, পুলিশ আক্রান্ত, মাদক ক্রয়বিক্রয়, চোরাচালান, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধও বাড়বাড়ন্ত। আন্দোলনে দলীয় ক্যাডার রক্ষাকারী বাহিনীর মতো নেতিবাচক ভূমিকার কারণে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, তা সত্য। পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, গেল সরকার ১৬ বছরে পুলিশকে রাজনৈতিক কাজে অতিব্যবহারে নৈতিকভাবে কাবু করে গেছে। কিন্তু মানুষ এ ধরনের অজুহাত আর শুনতে চায় না। পুলিশ রাতারাতি জনবান্ধব হয়ে যাবে, সেই আশাও করে না। তাদের প্রত্যাশা পুলিশ অন্তত পেশাদারত্ব নিয়ে তৎপর হোক। মবসহ চলমান দুষ্টকর্ম প্রতিহত করার কাজে পুলিশের চেষ্টা দৃশ্যমান হোক। তা মানুষকে অল্প হলেও আশা জাগাবে। মববাজ, চাঁদাবাজসহ অপরাধীদের ভয় জাগাবে। মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর একটি প্রতিবেদনে গত এক বছরে দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নাজুক চিত্র উঠে এসেছে। সেখানে মব ভায়োলেন্সের সবিশেষ বর্ণনা রয়েছে। এসেছে মবে ৮৯টি হত্যার কথা। সবচেয়ে বেশি মব ভায়োলেন্সে হত্যা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, ৪৫টি। বলার অপেক্ষা রাখছে না, নির্বাচনের আগে এ মব নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। নির্বাচনের আগে আইন হাতে তুলে নেওয়ার এ মবপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভোট পর্যন্ত পরিস্থিতি কোথায় গড়াবে, তা ভাবনায় ফেলেছে সচেতন মহলকে।

কেন দেশে মববেটিং বা গণপিটুনি এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে, এ নিয়ে সবিস্তারে ভাবার সময় এখন হাতে নেই। এর রহস্য সবারই জানা। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশে একের পর এক মব ভায়োলেন্স বা সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। পর্যালোচনায় দেখা যায়, আগেও মব সহিংসতা ছিল। তবে এখন এটা চরম আকার ধারণ করেছে। কয়েকটি কেস স্টাডিতে দেখা যায়, মবের আগে পরিকল্পিতভাবে ট্যাগ, গুজব, সন্দেহ, চুরির অভিযোগের মতো কিছু নাটকীয়তা সাজানো হয়। সামান্য তর্ক দিয়েও মব জমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দলবদ্ধ করে কারা মানুষকে কারও ওপর  কীভাবে হামলে দিচ্ছে, তা গোপন থাকছে না। মবের পেছনে থাকছে নানা হীনস্বার্থ। তাই এদিক-ওদিক না ভেবে তা দমাতে হবে শক্ত হাতে। পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এরকম কয়েকটি অ্যাকশন ঘটালে মব দমতে বাধ্য। নইলে মবের মতো ঘটনা ঘটতেই থাকবে। সরকারকে প্রমাণ দিতে হবে, তারা এ ব্যাপারে মুখে নয়, কাজেও শক্ত। মানুষের মধ্যে এ বিশ্বাস আনার দায়িত্ব সরকারের।

শহর-গ্রাম মিলিয়ে যতগুলো মব সৃষ্টি করা হয়েছে, ততবার বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এটাকে মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে আশকারা দেওয়ার সুযোগ নেই। এমন আশকারা প্রকারান্তরে মানুষ নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়ার উসকানি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একা এ উসকানি রুখতে পারবে না। সাধারণ মানুষকে এ ব্যাপারে সচেতন করে তুলতে হবে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের সচেতন হতে হবে। নির্বাচন সামনে রেখে তাঁদের কর্মকাণ্ড মানুষ একটু বেশি করে দেখছে। পর্যবেক্ষণ করছে।  বেশ কিছু গণমাধ্যম মব সহিংসতার বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও টানাপোড়েনের পর বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তরকাল অতিক্রম করছে। এই সময়টিকে অনেকেই নতুন সম্ভাবনার সূচনা হিসেবে দেখছেন। একই সঙ্গে সমাজে জমে থাকা নানা ক্ষোভ ও অসন্তোষের প্রকাশও রয়েছে। মহলবিশেষের কাছে এটি মব তথা জনতাকে অনিয়ন্ত্রিত করার সুযোগ। রাষ্ট্রযন্ত্র, সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ বাস্তবতাকে অ্যাড্রেস করেছে, এটি ইতিবাচক। কিন্তু অ্যাকশন সেই তুলনায় না হওয়াতেই এত কথা। বর্তমান পরিবর্তনশীল বাস্তবতায় তাদের সামনে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ এসেছে, যেখানে একদিকে জনমতের চাপ, অন্যদিকে আইনের শাসন বজায় রাখার দায়িত্ব-এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই প্রক্রিয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে আরও স্পষ্ট দিকনির্দেশনা, আইনি সুরক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেওয়ার বিষয় রয়েছে। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় যে বিচ্ছিন্ন সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো রাষ্ট্রের জন্য সতর্কবার্তা। এসব ঘটনা দেখিয়ে দেয় যে আইনের শাসন আরও সুসংহত করা এবং জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় করা কতটা জরুরি। কেবল দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, পরিস্থিতিটা সবার জন্যই নতুন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তা মোকাবিলার  পেশাদারি, সাহস ও ত্যাগের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। সময়ের প্রয়োজনে তাদের সক্ষমতা আরও বাড়ানো, আধুনিক প্রশিক্ষণ ও মানসিক সহায়তা জোরদার করা এখন অপরিহার্য। তাদের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত ও দৃশ্যমান হলে সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছাবে-রাষ্ট্র সবার জন্য সমানভাবে কাজ করছে। চব্বিশের চাওয়ার সঙ্গে পঁচিশের প্রাপ্তি না মেলায় ছাব্বিশ নিয়ে আশা দেখবে না, তা হয় না। মানুষ আশায় বাঁচে। আশা না থাকলে বেঁচে থাকা নিরর্থক হয়ে যায়। বিদায়ি বছরে নানা অপ্রাপ্তি ও দুর্দশার মাঝে ভর করেছে মব যন্ত্রণা। বছরটিতে তা গজবের মতো চেপে বসে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র এর একটি হিসাব দিয়েছে। তাদের হিসাবমতে, ২০২৫ সালে মব সন্ত্রাসে কমপক্ষে ১৯৭ জন নিহত হয়েছে। আগের বছর এ সংখ্যাটি ছিল ১২৮। তার মানে চব্বিশের চেয়ে পঁচিশে মবে মানুষ হত্যা বেড়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যা, হেফাজতে মৃত্যু, সংখ্যালঘু নির্যাতন, রাজনৈতিক সহিংসতায় হত্যা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় ব্যাঘাতসহ অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাও বেড়েছে। একদিকে মানুষের মধ্যে নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার আশা, আরেক দিকে এ ধরনের অপরাধের মাত্রা বৃদ্ধি। সাধারণত কোনো দেশে বড় ধরনের গণ আন্দোলনে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর নানা অনিয়ম দেখা দেয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। তবে চব্বিশের ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা একটি চরম ও ধারাবাহিক রূপ ধারণ করেছে। ক্ষমতায় অভিষেকের পর থেকে ভয়মুক্ত একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়ে আসছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসও। তিনি নোবেল জিতেছেন শান্তিতে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় দুনিয়ার অশান্ত দেশগুলোতে কাজ করছেন আমাদের সেনাসহ বিভিন্ন রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। দেখাচ্ছেন শান্তি প্রতিষ্ঠায় শক্তিসামর্থ্যরে দৃষ্টান্ত। মানব ইতিহাসে প্রতিটি সভ্যতার মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল শান্তি ও নিরাপত্তা। অস্থিরতা, সংঘাত এবং অনিশ্চয়তা যখন বিশ্বজুড়ে এক নিত্যনৈমিত্তিক বাস্তবতা, তখন শান্তির প্রকৃত ভিত্তি খুঁজে বের করা আমাদের জন্য সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

ইসলাম মানবজাতির জন্য এক পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান হিসেবে ব্যক্তিগত আত্মশুদ্ধি থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার এক সুদূরপ্রসারী পথনির্দেশনা প্রদান করে। এর পরও দেশটির মানুষ কেন থাকবে অশান্তিতে? কেন ভয়ে-অনিরাপদে থাকা? গোটা বিশ্বেই নানা ক্ষেত্রে একটা ভয়-অশান্তি চলছে সত্য। রাজনৈতিক-কূটনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি অর্থনীতি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বকে নতুন নতুন অভাবিত সংকটে ফেলেছে, তা-ও সত্য। সেই দৃষ্টে আমাদের কেবল অশান্তি আর ভয়েই থাকতে হবে? অভয়-শান্তির দৃষ্টান্ত দুনিয়া থেকে হারিয়ে যায়নি। সেই শরিকানায় আমরা নয় কেন? কেন ঘর থেকে বের হতেও ভয় থাকবে? নির্বাচন সামনে রেখে মানুষের ভয়ের রাজ্যে বসবাস কাম্য নয়। কেউ কোথাও মবে পড়বে, হামলার শিকার হবে, ট্যাগিংয়ের শিকার হবে-তা হতে পারে না। তেমন কিছু ঘটলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নতুন করে কলঙ্কিত হবে। নির্বাচনটিও হবে প্রশ্নবিদ্ধ। ঢাকা, রংপুরসহ কয়েক জায়গায় মব দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকটি অ্যাকশন শান্তিপ্রিয় মানুষকে আশাবাদী করেছে আরও আগেই।

অজানা কারণে পরবর্তী সময়ে সে ধরনের অ্যাকশন লক্ষ্য করা যায়নি। বিবেকবান মানুষের বিশ্বাস আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শক্ত হাতে পদক্ষেপে নামলে মব বা যেকোনো কুতৎপরতা দমতে বাধ্য। কারণ কুতৎপরতায় লিপ্তরা কোনোক্রমেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চেয়ে শক্তিমান নয়। তারা জনতার কাছেও ঘৃণিত।

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট

বিডি প্রতিদিন/নাজমুল 

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাবে নির্বাচন চরিত্র হারায়
অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাবে নির্বাচন চরিত্র হারায়
মুদ্রানীতি সহজ হওয়া প্রয়োজন
মুদ্রানীতি সহজ হওয়া প্রয়োজন
সর্বশেষ খবর
ইরানের জাতীয় শক্তি ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে দৃঢ়: খামেনি
ইরানের জাতীয় শক্তি ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে দৃঢ়: খামেনি

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফে ৫ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ
টেকনাফে ৫ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ

৪৯ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে ‘ফ্যাক্টর’ তরুণ ভোটাররা
চট্টগ্রামে ‘ফ্যাক্টর’ তরুণ ভোটাররা

৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ফেব্রুয়ারির ৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১০৩ কোটি ডলার
ফেব্রুয়ারির ৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১০৩ কোটি ডলার

১২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

এপস্টাইন-কাণ্ডে ‌‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’ প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট, রাজপরিবারে অস্বস্তি
এপস্টাইন-কাণ্ডে ‌‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’ প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট, রাজপরিবারে অস্বস্তি

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো দলের বিভ্রান্তিতে পড়ে ইমান নষ্ট করবেন না : মির্জা ফখরুল
কোনো দলের বিভ্রান্তিতে পড়ে ইমান নষ্ট করবেন না : মির্জা ফখরুল

১৩ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় নারীসহ গ্রেফতার ১৮
ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় নারীসহ গ্রেফতার ১৮

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি
ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় শেষ মুহূর্তে ভোটের মাঠে উত্তাপ ছড়াচ্ছে এমপি প্রার্থীরা
বগুড়ায় শেষ মুহূর্তে ভোটের মাঠে উত্তাপ ছড়াচ্ছে এমপি প্রার্থীরা

২০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ধানের শীষ বেগম খালেদা জিয়ার আমানত : টুকু
ধানের শীষ বেগম খালেদা জিয়ার আমানত : টুকু

২৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচিত হলে টেকসই উন্নয়ন করা হবে: মনজুরুল ইসলাম
নির্বাচিত হলে টেকসই উন্নয়ন করা হবে: মনজুরুল ইসলাম

২৯ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

জাপার দুর্গ এবার বিএনপি-জামায়াতের দখলে
জাপার দুর্গ এবার বিএনপি-জামায়াতের দখলে

৩০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে সরে গেছে জামায়াত : চরমোনাই পীর
শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে সরে গেছে জামায়াত : চরমোনাই পীর

৩১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

খাগড়াছড়িতে ১৬ কয়েদির পোস্টাল ভোট
খাগড়াছড়িতে ১৬ কয়েদির পোস্টাল ভোট

৩৩ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

রাবিতে শহিদ আলী রায়হান গেট মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
রাবিতে শহিদ আলী রায়হান গেট মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

৩৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বিমানবন্দর থেকে ফিরে যেতে হলো যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমা ইসলামকে
বিমানবন্দর থেকে ফিরে যেতে হলো যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমা ইসলামকে

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

জনসভা করল জামায়াত, মাঠ পরিষ্কার করলেন বিএনপি নেতাকর্মীরা
জনসভা করল জামায়াত, মাঠ পরিষ্কার করলেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

৩৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

নেত্রকোনায় নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যাচ্ছে ভোটের হিসাব
নেত্রকোনায় নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যাচ্ছে ভোটের হিসাব

৩৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবদল নেতার
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবদল নেতার

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুরুষ ধানি তুলিকা মেয়ে পাখির দৃষ্টি আকর্ষণে করে অভিনব কৌশল
পুরুষ ধানি তুলিকা মেয়ে পাখির দৃষ্টি আকর্ষণে করে অভিনব কৌশল

৩৯ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

নারায়ণগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীতে ইটবোঝাই বাল্কহেড ডুবি
নারায়ণগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীতে ইটবোঝাই বাল্কহেড ডুবি

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

৪৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ডুবে নিখোঁজ ৫৩
লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ডুবে নিখোঁজ ৫৩

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং, বললেন প্রেস সচিব
আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং, বললেন প্রেস সচিব

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নেই : ইসি সানাউল্লাহ
ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নেই : ইসি সানাউল্লাহ

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

‘ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনে পাহাড়ের মতো অটল থাকতে হবে’
‘ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনে পাহাড়ের মতো অটল থাকতে হবে’

৪৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

পাঁচ ঘণ্টা কাজের প্রচার নারীদের ঘরে ঢোকানোর পাঁয়তারা: জলি
পাঁচ ঘণ্টা কাজের প্রচার নারীদের ঘরে ঢোকানোর পাঁয়তারা: জলি

৪৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির
সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির

৪৯ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য মিডিয়া গাইড প্রকাশ করল পিআইডি
বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য মিডিয়া গাইড প্রকাশ করল পিআইডি

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার
ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দূরপাল্লার বাস চলাচলে নতুন সিদ্ধান্ত
দূরপাল্লার বাস চলাচলে নতুন সিদ্ধান্ত

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন নির্দেশনা
১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন নির্দেশনা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেতন কমিশন নিয়ে কমিটি গঠন করল সরকার
বেতন কমিশন নিয়ে কমিটি গঠন করল সরকার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভিকে বুলবুলের ধন্যবাদ, যেসব বিষয়ে হলো আলোচনা
পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভিকে বুলবুলের ধন্যবাদ, যেসব বিষয়ে হলো আলোচনা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোট উপলক্ষে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ কখন থেকে?
ভোট উপলক্ষে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ কখন থেকে?

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং
৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং

১৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঘরে বসে জেনে নিন ভোটার নম্বর ও কোন কেন্দ্রে ভোট দেবেন সেই তথ্য
ঘরে বসে জেনে নিন ভোটার নম্বর ও কোন কেন্দ্রে ভোট দেবেন সেই তথ্য

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ, তেহরানে একাই হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ, তেহরানে একাই হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণসহ তিন শর্ত মানলেই ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণসহ তিন শর্ত মানলেই ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’, জামায়াত প্রার্থীর ভিডিও ভাইরাল
‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’, জামায়াত প্রার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে নাহিদের পক্ষে ভোট চাওয়া নারীকে নিয়ে বিভ্রান্তি
ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে নাহিদের পক্ষে ভোট চাওয়া নারীকে নিয়ে বিভ্রান্তি

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিএনপি ক্ষমতায় এলে মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে: জুবাইদা রহমান
বিএনপি ক্ষমতায় এলে মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে: জুবাইদা রহমান

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ
পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বৈঠকের পরও কাটেনি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের অনিশ্চয়তা
বৈঠকের পরও কাটেনি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের অনিশ্চয়তা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যৌন হয়রানির প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট জাহানারা
যৌন হয়রানির প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট জাহানারা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুধুমাত্র মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে স্বাস্থ্য ক্যাডারে ৩০০ জন নিয়োগ দেবে সরকার
শুধুমাত্র মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে স্বাস্থ্য ক্যাডারে ৩০০ জন নিয়োগ দেবে সরকার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার
থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

৬১৫০ কোটি টাকার ক্ষতি ঠেকাতে বিসিবিকে বড় ছাড় দিতে চলেছে আইসিসি
৬১৫০ কোটি টাকার ক্ষতি ঠেকাতে বিসিবিকে বড় ছাড় দিতে চলেছে আইসিসি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ
হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা
নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ উপদেষ্টা ও সচিবদের বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ উপদেষ্টা ও সচিবদের বৈঠক

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটের দিন প্রার্থী ও নির্বাচনি এজেন্টের যানবাহন ব্যবহারে কমিশনের নির্দেশনা
ভোটের দিন প্রার্থী ও নির্বাচনি এজেন্টের যানবাহন ব্যবহারে কমিশনের নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দেড় বছর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে না ফেরার দেশে জুলাইযোদ্ধা আশরাফুল
দেড় বছর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে না ফেরার দেশে জুলাইযোদ্ধা আশরাফুল

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
বাউফলে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ নলছিটিতে যোগদান নিয়ে হাঙ্গামা
বাউফলে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ নলছিটিতে যোগদান নিয়ে হাঙ্গামা

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্বীকার করেননি বুবলী শাকিব নিশ্চুপ
অস্বীকার করেননি বুবলী শাকিব নিশ্চুপ

শোবিজ

মাঠে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্য
মাঠে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন
আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন

নগর জীবন

নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে
নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে

প্রথম পৃষ্ঠা

‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন
‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন

সম্পাদকীয়

জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে ১০ ফ্যাক্টর
জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে ১০ ফ্যাক্টর

খবর

সংসদ নির্বাচনে টানা তিন দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
সংসদ নির্বাচনে টানা তিন দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

খবর

নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫০ শতাংশ মানুষ
নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫০ শতাংশ মানুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন আহসান হাবীব
পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন আহসান হাবীব

নগর জীবন

সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু
সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

শেষ সময়ে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ
শেষ সময়ে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ

নগর জীবন

ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী
ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী

প্রথম পৃষ্ঠা

চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে
চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া
প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া

পেছনের পৃষ্ঠা

শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে প্রচার
শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা

সম্পাদকীয়

জানুয়ারিতে অর্থনীতির গতি কমেছে
জানুয়ারিতে অর্থনীতির গতি কমেছে

নগর জীবন

বিকাশ রকেট নগদে ১ হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না
বিকাশ রকেট নগদে ১ হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না

পেছনের পৃষ্ঠা

গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য
গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোটের মাঠে কালোটাকা
ভোটের মাঠে কালোটাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা পাঁচ দিনের ছুটি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা পাঁচ দিনের ছুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্মঘটে অচল বন্দর পিছু হটেছে সরকার
ধর্মঘটে অচল বন্দর পিছু হটেছে সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

উপদেষ্টা পরিষদ ও সচিবদের শেষ বৈঠক আজ
উপদেষ্টা পরিষদ ও সচিবদের শেষ বৈঠক আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক লুটেরাদের নিয়ে দুর্নীতি দমন হাস্যকর
ব্যাংক লুটেরাদের নিয়ে দুর্নীতি দমন হাস্যকর

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনি নাটক ‘ঢাকা ২৬’
নির্বাচনি নাটক ‘ঢাকা ২৬’

শোবিজ

সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরের লড়াই শেষে জুলাই যোদ্ধা আশরাফুলের মৃত্যু
দেড় বছরের লড়াই শেষে জুলাই যোদ্ধা আশরাফুলের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা