শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:৩৩, শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

একের উত্থান অপরের পতন

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
একের উত্থান অপরের পতন

 

পুঁজিবাদ যে মৌলবাদকে পুষ্ট করে সে ব্যাপারটা অস্পষ্ট নয়, যদিও তাকে অস্পষ্ট রাখার চেষ্টা চলে। পুঁজিবাদ দারিদ্র্য-বৈষম্য এবং অজ্ঞতা সৃষ্টি ও বৃদ্ধি করে থাকে। দারিদ্র্য ও অজ্ঞতা মৌলবাদের প্রধান আশ্রয়। পুঁজিবাদী বৈষম্য দারিদ্র্য উৎপাদনের কারণ এবং ওই বৈষম্য গরিব মানুষকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে। পুঁজিবাদী রাষ্ট্র সামাজিক বৈষম্যের প্রতিপালক; ওই রাষ্ট্রব্যবস্থা অধিকাংশ মানুষকে বঞ্চিত ও বিচ্ছিন্ন করে রাখে। বিশেষ করে প্রান্তিক পুঁজিবাদী রাষ্ট্রগুলোতে দেখা যায় শ্রমজীবী মানুষের জন্য রাষ্ট্র হয়ে দাঁড়াচ্ছে নিপীড়নের অতি নিষ্ঠুর যন্ত্র। পীড়িত মানুষ বিচার পায় না, আশ্রয় পায় না, প্রতিশ্রুতিও পায় না। সেই সঙ্গে তারা দেখে অল্প কিছু মানুষ যারা বলে তারা ইহজাগতিক, আচ্ছাদন নেই উদারনীতির, সেই মানুষগুলো পরম বিলাস ও অপচয়ের জীবনযাপন করছে; দেখে ক্ষিপ্ত হয় এবং তাদের ক্রোধ ও ক্ষোভ প্রকাশের কোনো গণতান্ত্রিক পথ যেহেতু খোলা পায় না তাই চলে যায় ধর্মের দিকে। ধর্ম ব্যবসায়ী মৌলবাদীরা এই ব্যবস্থার চমৎকার সুযোগ গ্রহণ করে থাকে; তারা সমর্থক পায়, অনুসারী পেয়ে যায়, তাদের হিংস্রতা আরও উগ্র হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশে মৌলবাদ আবারও মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। একদিক দিয়ে এটা অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত। কেননা বাংলাদেশের অভ্যুদয় ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদকে প্রত্যাখ্যান ও পরাভূত করে। কিন্তু পরাভূত শক্তি আবার ফিরে এসেছে, অধিক শক্তিমত্তায়। তার পরাজয়টা কেবল যে সশস্ত্র যুদ্ধক্ষেত্রে ঘটেছিল তা নয়, ঘটেছিল আদর্শিকভাবেও।। তাহলে কেন তার পুনরুত্থান? কেমন করে?

বোঝা যায় যে, মৌলবাদীরা তাদের আদর্শিক পরাজয়টি মেনে নেয়নি। দৈহিকভাবে হেরে গিয়ে এবং ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে ছিল মাত্র। পরে পরিস্থিতি আগের মতো প্রতিকূল নেই দেখে ফিরে এসেছে। এই যে পরিস্থিতি পাল্টে যাওয়া এর প্রধান উপাদান কী? সেটা হলো পুঁজিবাদের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। ওই যে ব্যক্তি বড় হয়ে উঠছে সমষ্টির তুলনায়- এই নীতিটি আগের রাষ্ট্রগুলোতে কার্যকর ছিল। মনে হয়েছিল বাংলাদেশে তা থাকবে না, কেননা বাংলাদেশ হবে প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক, সেখানে রাষ্ট্র হবে সবার সাধারণ সম্পত্তি, যার দরুন রাষ্ট্র তার শোষণকারী ভূমিকা ছেড়ে রক্ষাকারীর ভূমিকা নেবে এবং সমাজে অধিকার ও সুযোগের সাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে। সেটাই ছিল স্বপ্ন। স্বপ্ন ভেঙে গেছে। যার ফলে অধিকাংশ মানুষের জীবনে দুঃস্বপ্ন নেমে এসেছে, এমন দুঃস্বপ্ন যা ছিল কল্পনার বাইরে, কারণ মুক্তিযুদ্ধে বিজয় তাদের আশা দিয়েছিল, ভাববার সাহস জুগিয়েছিল যে স্বপ্ন দূরে নয়, নিকটবর্তী বটে।

চোখ কচলে মানুষ দেখেছে যে যুদ্ধ করল সবাই, কিন্তু সুফল চলে গেছে ধনীদের গৃহে। উনিশশ সাতচল্লিশের স্বাধীনতাতে যারা উপকৃত হয়েছিল, একাত্তরের স্বাধীনতাতে তারাই উপকার পেয়েছে, দ্বিতীয়বার। আতঙ্কের বিষয় চব্বিশের অভ্যুত্থান-পরবর্তীতে ব্যাপকতা লাভ করেছে একাত্তরের পরাজিত মৌলবাদী চক্র। কে মুক্তিযোদ্ধা আর কে রাজাকার সেটা কোনো বিবেচনার বিষয় রইল না, সত্য হয়ে উঠল পরাজিতদের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। অন্য কিছু নয়। দেশে নির্বাচন হবে-হচ্ছে কিন্তু পরিস্থিতি এখনো শতভাগ আশা ও আস্থা জাগাতে পারছে না। নির্বাচন নিয়ে দোদুল্যমান পরিস্থিতি আঁচ করা যাচ্ছে। অথচ দেশে একটি নির্বাচন হওয়া অতি জরুরি। অসাংবিধানিক সরকারের দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা দেশের জন্য শুভকর নয়। শুভকর নয় সরকারের জন্যও। তাই একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প এ মুহূর্তে আর কিছু নয়।

''তাহলে পথ কী? পথ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। যে চেতনার মূল বিষয় ব্যক্তির নয়, সমষ্টির স্বার্থকে বিকশিত করা। সম্পদ উৎপাদন তো বটেই, সম্পদের সুষম বণ্টনও প্রয়োজন হবে। শত্রু চলে গেছে মনে করেছি, কিন্তু শত্রু মোটেই যায়নি...''

রাষ্ট্র আবার সেই পুরোনো পুঁজিবাদী পথ ধরে এগোনোর অপেক্ষায়। গণতন্ত্রের পরিবর্তে কখনো বৈধ কখনো অবৈধ স্বৈরশাসন দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতা আঁকড়ে থেকে গণতন্ত্রকে আরও বিপদগ্রস্ত করল। দারিদ্র্য, বৈষম্য ও অজ্ঞতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেল। অধিকাংশের স্বার্থ না দেখে কতিপয়ের স্বার্থ রক্ষা করার দায়িত্ব গ্রহণ করে রাষ্ট্র হয়ে দাঁড়াল পীড়নকারী প্রতিষ্ঠান, যার কাছে আশ্রয় নেই, ভরসা নেই ন্যায়বিচারের।

কথা ছিল শিক্ষা হবে অভিন্ন ও সর্বজনীন। তা হয়নি। পাকিস্তানি রাষ্ট্রে এবং তারও আগে যে তিন ধরনের শিক্ষা ধারা প্রচলিত ছিল, তারা প্রবল বেগে ফিরে এসেছে।

এটাও দেখা গেছে যে, ধনীরা মনে করেছে, তারা ধনী হয়েছে ভাগ্যগুণে। তারা আরও ধনী হতে চায়। আবার ভিতরে ভিতরে অপরাধবোধও কাজ করেছে। কেননা জানে তাদের ধনার্জনের পথটা যে সৎ ছিল তা নয়, ছিল অপরাধাচ্ছন্ন। সৌভাগ্যের অত্যাশ্চর্য তৎপরতার জন্য কৃতজ্ঞতা এবং অপরাধবোধের বোঝা এই দুয়ের তাড়নায় ধনীরা ধর্মকার্য ধরেছে। তারা মোটেই ধার্মিক নয়, ধর্মের আনুষ্ঠানিকতাটাই করে, আধ্যাত্মিকতার বালাই নেই। কিন্তু তাদের দৃষ্টান্ত কম বিত্তবানদের অস্থির করে ধর্মের পথ ধরতে।

সমাজের প্রায় সবাই এখন পুঁজিবাদী। ব্যক্তিগত মুনাফা চায়। অন্যের ভালোমন্দ সম্পর্কে আগ্রহ কমছে, ক্রমাগত সংকীর্ণ, স্বার্থবুদ্ধিসর্বস্ব ও হতাশ হয়ে পড়ছে। হতাশা একটি ভয়ংকর ব্যাধি। ধর্মসহ নানাবিধ মাদকাসক্তি ওই ভূমিতে লালিত-পালিত হয়।

প্রতিশ্রুতি ছিল যে, রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষতাকে প্রতিষ্ঠিত করবে। রাষ্ট্র তা করেনি। বস্তুত রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষতাকে কেবল যে সংবিধান থেকে বাদ দিয়েছে তা নয়, সেখানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে যুক্ত করেছে। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের তৎপরতা তো রয়েছেই, মৌলবাদীদের পাশাপাশি বুর্জোয়া রাজনৈতিক দলও প্রায় প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতিতেই ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে এসেছে।

এসব মিলিয়েই বাস্তবতা। এই বাস্তবতা রাজনৈতিক ধর্মনিরপেক্ষতা ও দার্শনিক ইহজাগতিকতাকে উৎসাহিত করছে না, বরঞ্চ মানুষকে প্ররোচিত করছে উল্টো দিকে যেতে। ধর্মনিরপেক্ষতার ধারকরা দুই ভাগে বিভক্ত। উদারনীতিক ও বামপন্থি। উদারনীতিতে বিশ্বাসী যাঁরা, তাঁরা জনগণের ওপর প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছেন। সেটা অস্বাভাবিক কোনো ব্যাপার নয়। কেননা তাঁরা ভদ্রলোক এবং জনবিচ্ছিন্ন। তদুপরি তাঁরা হচ্ছেন বিদ্যমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থার সমর্থক, যে ব্যবস্থাকে শ্রমজীবী মানুষ মনেপ্রাণে ঘৃণা করে, যদিও প্রকাশ করার পথ পায় না। উদারনীতিকরা ব্যক্তির বিকাশকে সমর্থন করেন, সমষ্টির বিপরীতে। তাঁরা রাষ্ট্রের অনুগ্রহপুষ্ট, নানাভাবে। তাঁদের দৃষ্টান্ত বা আদর্শ কোনোটাই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষতা ও ইহজাগতিকতার প্রকৃত সমর্থক হচ্ছেন বামপন্থিরা। কিন্তু কিছুটা নিজেদের দার্শনিক দুর্বলতা, কিছুটা পরদেশনির্ভরতা এবং অনেকটা রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থার বৈরিতার কারণে তাঁরা প্রবল হতে পারেনি। স্মরণীয় যে, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর রাষ্ট্রীয় নীতি ছিল রাজাকারদের ক্ষমা করা এবং বামপন্থিদের প্রয়োজনে হত্যা করা। জনগণ বিক্ষুব্ধ, তাদের সেই বিক্ষোভ বাম দিকে যাবে-এমন পথ এখনো তৈরি হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষ ডান দিকেই যাচ্ছে এবং ডানপন্থিদেরও ডানে যাদের অবস্থান, সেই মৌলবাদীরা সুবিধা করে নিচ্ছে।

তাহলে পথ কী? পথ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। যে চেতনার মূল বিষয় ব্যক্তির নয়, সমষ্টির স্বার্থকে বিকশিত করা। সম্পদ উৎপাদন তো বটেই, সম্পদের সুষম বণ্টনও প্রয়োজন হবে। শত্রু চলে গেছে মনে করেছি, কিন্তু শত্রু মোটেই যায়নি। শত্রু হচ্ছে ব্যক্তির স্বার্থকে বড় করে তোলা এবং সেই গুরুত্বদানের পেছনে কাজ করছে পুঁজিবাদী অর্থনীতি ও আদর্শ-শত্রু তারাও। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ আসলেই শেষ হয়নি। সেই যুদ্ধে হেরে গেলে কেবলই পেছন দিকে হটতে থাকব, এখন যেমন হটছি ক্রমাগত।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

 

এই বিভাগের আরও খবর
নতুন সংসদের যাত্রা হোক পরিবর্তনের অঙ্গীকার দিয়ে
নতুন সংসদের যাত্রা হোক পরিবর্তনের অঙ্গীকার দিয়ে
বিনিয়োগে আস্থা ফেরাতে চাই সাহসী পদক্ষেপ
বিনিয়োগে আস্থা ফেরাতে চাই সাহসী পদক্ষেপ
সুদিন ও সুশাসনের অপেক্ষা
সুদিন ও সুশাসনের অপেক্ষা
আশাহত জাতির চোখে নতুন আশার বাতি
আশাহত জাতির চোখে নতুন আশার বাতি
বিপন্ন অর্থনীতি রক্ষায় তারেক রহমানে আস্থা
বিপন্ন অর্থনীতি রক্ষায় তারেক রহমানে আস্থা
নতুন সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হোক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার
নতুন সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হোক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার
নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে : প্রয়োজন যুক্তিবুদ্ধির সংযোগ
নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে : প্রয়োজন যুক্তিবুদ্ধির সংযোগ
গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ সর্বজনীন ভোটাধিকার
গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ সর্বজনীন ভোটাধিকার
দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতি
দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতি
ভালোবাসার ঢাকা: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতার ফারাক
ভালোবাসার ঢাকা: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতার ফারাক
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
সর্বশেষ খবর
টেকনাফে ধরা পড়ল ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’
টেকনাফে ধরা পড়ল ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জানুয়ারির ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো
জানুয়ারির ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো

১১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়

১৪ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

টম ক্রুজের সঙ্গে ব্র্যাড পিটের লড়াই!
টম ক্রুজের সঙ্গে ব্র্যাড পিটের লড়াই!

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিসিএলের স্কোয়াড-সূচি ঘোষণা
বিসিএলের স্কোয়াড-সূচি ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা পুনর্নির্মাণে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার ঘোষণা
গাজা পুনর্নির্মাণে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি বুয়েট অধ্যাপক আবদুল হাছিব
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি বুয়েট অধ্যাপক আবদুল হাছিব

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গাজা পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার দিতে চেয়েছে বিভিন্ন দেশ
গাজা পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার দিতে চেয়েছে বিভিন্ন দেশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিম তীরের জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে অনুমোদন দিল ইসরায়েল
পশ্চিম তীরের জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে অনুমোদন দিল ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফের শুরু হচ্ছে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা
ফের শুরু হচ্ছে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিরোজপুরে ২ বিএনপি নেতা কুপিয়ে জখম
পিরোজপুরে ২ বিএনপি নেতা কুপিয়ে জখম

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে বস্তাবন্দি যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সোনারগাঁয়ে বস্তাবন্দি যুবকের মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামের দৃষ্টিতে দেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ
ইসলামের দৃষ্টিতে দেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ৩০টি তাজা ককটেল উদ্ধার
মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ৩০টি তাজা ককটেল উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফোকলা অর্থনীতি সচল করার পরীক্ষা
ফোকলা অর্থনীতি সচল করার পরীক্ষা

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যাত্রাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত
যাত্রাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্মাণাধীন বাড়ির ট্যাংকে মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
নির্মাণাধীন বাড়ির ট্যাংকে মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেই চোখ পরীক্ষা, মানতে নারাজ ইমরান খানের দল
জেলেই চোখ পরীক্ষা, মানতে নারাজ ইমরান খানের দল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমারখালীতে ইমামের ওপর হামলার অভিযোগ
কুমারখালীতে ইমামের ওপর হামলার অভিযোগ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নতুন সংসদের যাত্রা হোক পরিবর্তনের অঙ্গীকার দিয়ে
নতুন সংসদের যাত্রা হোক পরিবর্তনের অঙ্গীকার দিয়ে

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

এ ধরনের ‘নতুন সংস্কৃতি’ রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনে: তাহের
এ ধরনের ‘নতুন সংস্কৃতি’ রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনে: তাহের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকারের ব্যাংক ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা
সরকারের ব্যাংক ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাকিস্তানকে সহজেই হারিয়ে সুপার এইটে ভারত
পাকিস্তানকে সহজেই হারিয়ে সুপার এইটে ভারত

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মন্ত্রিপরিষদে আলোচনায় সিলেটের এম নাসের রহমান
মন্ত্রিপরিষদে আলোচনায় সিলেটের এম নাসের রহমান

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নতুন চার মহাকাশচারী পৌঁছালেন মহাকাশ স্টেশনে
নতুন চার মহাকাশচারী পৌঁছালেন মহাকাশ স্টেশনে

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা
পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়ের গুজব নিয়ে ম্রুণাল বললেন ‌‘টাকা দিয়েও এত পাবলিসিটি পেতাম না’
বিয়ের গুজব নিয়ে ম্রুণাল বললেন ‌‘টাকা দিয়েও এত পাবলিসিটি পেতাম না’

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিসিএলের চার দলের স্কোয়াড ঘোষণা, থাকছেন না তাসকিন
বিসিএলের চার দলের স্কোয়াড ঘোষণা, থাকছেন না তাসকিন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্চ-এপ্রিলে তাপপ্রবাহ ও কালবৈশাখীর আশঙ্কা
মার্চ-এপ্রিলে তাপপ্রবাহ ও কালবৈশাখীর আশঙ্কা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জুলাইয়ে মাঠে গড়াচ্ছে গ্লোবাল সুপার লিগের নতুন আসর
জুলাইয়ে মাঠে গড়াচ্ছে গ্লোবাল সুপার লিগের নতুন আসর

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
রমজান মাসে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ
রমজান মাসে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত
যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির
নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আজিজ খান, এস আলমের ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
আজিজ খান, এস আলমের ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

'একটা লোকও ভোট দিল না'
'একটা লোকও ভোট দিল না'

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিভিন্ন আসনে ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত জানাল ইসি
বিভিন্ন আসনে ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত জানাল ইসি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?
‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পালনের সময়সীমা জানালেন রিজওয়ানা হাসান
উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পালনের সময়সীমা জানালেন রিজওয়ানা হাসান

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি
নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান
শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'
'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমান
নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কাল রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল
কাল রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পরবর্তী মন্ত্রিসভায় আমার থাকার প্রশ্নই ওঠে না: আসিফ নজরুল
পরবর্তী মন্ত্রিসভায় আমার থাকার প্রশ্নই ওঠে না: আসিফ নজরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান
জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৩২ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য
৩২ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রমজানে স্কুল বন্ধের বিষয়ে যা বলছে অধিদফতর
রমজানে স্কুল বন্ধের বিষয়ে যা বলছে অধিদফতর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভিসা ছাড়াই চীন ভ্রমণ কার্যকর হচ্ছে মঙ্গলবার
ভিসা ছাড়াই চীন ভ্রমণ কার্যকর হচ্ছে মঙ্গলবার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ৪৯.৯৭% ও জামায়াত ৩১.৭৬% ভোট পেয়েছে: ইসি
বিএনপি ৪৯.৯৭% ও জামায়াত ৩১.৭৬% ভোট পেয়েছে: ইসি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দিল্লির প্রেস মিনিস্টারের চুক্তি বাতিল
দিল্লির প্রেস মিনিস্টারের চুক্তি বাতিল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প
খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সন্ধ্যায় শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
সন্ধ্যায় শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে আইজিপি বললেন ‘সংবাদ সত্য নয়’
পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে আইজিপি বললেন ‘সংবাদ সত্য নয়’

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ দলীয় জোট যৌথভাবেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে: আযাদ
১১ দলীয় জোট যৌথভাবেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে: আযাদ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এমপিদের শপথ পড়ানোর চিঠি আজই পেতে পারে কমিশন: ইসি আনোয়ারুল
এমপিদের শপথ পড়ানোর চিঠি আজই পেতে পারে কমিশন: ইসি আনোয়ারুল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন
বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

এক লাখের বেশি ভোটে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলে কত
এক লাখের বেশি ভোটে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলে কত

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার পর কেউ ওঠেননি সেই লাল বাড়িটিতে
খালেদা জিয়ার পর কেউ ওঠেননি সেই লাল বাড়িটিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

কী ঘটেছিল হাতিয়ায়
কী ঘটেছিল হাতিয়ায়

প্রথম পৃষ্ঠা

জুলাই জাদুঘরে ঢুকতে হবে পাঁচ গুণ বেশি টাকা দিয়ে!
জুলাই জাদুঘরে ঢুকতে হবে পাঁচ গুণ বেশি টাকা দিয়ে!

প্রথম পৃষ্ঠা

ধানের শীষে ৫০, দাঁড়িপাল্লায় পড়েছে ৩২ শতাংশ ভোট
ধানের শীষে ৫০, দাঁড়িপাল্লায় পড়েছে ৩২ শতাংশ ভোট

প্রথম পৃষ্ঠা

মিষ্টি আর ফুল পাঠালেন মমতা
মিষ্টি আর ফুল পাঠালেন মমতা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইয়াবার আরও ভয়াবহ বিস্তার অপ্রচলিত মাদকে নতুন ভয়
ইয়াবার আরও ভয়াবহ বিস্তার অপ্রচলিত মাদকে নতুন ভয়

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী দল নিয়ে কেন লুকোচুরি!
নারী দল নিয়ে কেন লুকোচুরি!

মাঠে ময়দানে

নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী
নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস সরকারকে কীভাবে মনে রাখবে বাংলাদেশ
ইউনূস সরকারকে কীভাবে মনে রাখবে বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্প্রীতির নতুন রাজনীতি
সম্প্রীতির নতুন রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন

প্রথম পৃষ্ঠা

কাল বিদায় অন্তর্বর্তী সরকারের
কাল বিদায় অন্তর্বর্তী সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন : ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবন
নির্বাচন : ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবন

সম্পাদকীয়

যথাসময়েই গেজেট হয়েছে, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যান
যথাসময়েই গেজেট হয়েছে, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যান

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশকে নিয়ে মুগ্ধ সুস্মিতা
বাংলাদেশকে নিয়ে মুগ্ধ সুস্মিতা

শোবিজ

আমি পদত্যাগ করিনি
আমি পদত্যাগ করিনি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন নিয়ে যা বললেন রাশিয়ার সিইসি
নির্বাচন নিয়ে যা বললেন রাশিয়ার সিইসি

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ
রমজানে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগাপ্লুত মেহজাবীন
আবেগাপ্লুত মেহজাবীন

শোবিজ

কাল খোলা আকাশে ব্যতিক্রমী শপথ
কাল খোলা আকাশে ব্যতিক্রমী শপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিজিটর ভিসায় গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাক্রমে ভর্তি নিষিদ্ধ
ভিজিটর ভিসায় গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাক্রমে ভর্তি নিষিদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের
৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের

প্রথম পৃষ্ঠা

জোনায়েদ সাকির বিজয়ে শোকরানা ও মিলাদ মাহফিল
জোনায়েদ সাকির বিজয়ে শোকরানা ও মিলাদ মাহফিল

দেশগ্রাম

তৎসম শব্দের গাম্ভীর্য কাটিয়ে ভাষা সাধারণের বোধগম্য হয়েছে
তৎসম শব্দের গাম্ভীর্য কাটিয়ে ভাষা সাধারণের বোধগম্য হয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াত একে-অপরের ওপর হামলা
বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াত একে-অপরের ওপর হামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের পর বড় উত্থান
ভোটের পর বড় উত্থান

পেছনের পৃষ্ঠা

টর্চের আলোয় বাঁচল প্রাণ
টর্চের আলোয় বাঁচল প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ
রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ

পেছনের পৃষ্ঠা