শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:২৩, শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০২:২৬, শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

মুদ্রানীতি সহজ হওয়া প্রয়োজন

নিরঞ্জন রায়
নিরঞ্জন রায়
অনলাইন ভার্সন
মুদ্রানীতি সহজ হওয়া প্রয়োজন

যেকোনো দেশের অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি বোঝার জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতির গুরুত্ব অপরিসীম। অর্থনীতিতে বিনিয়োগ কোন অবস্থায় আছে এবং কোন দিকে যাবে, তা বুঝতে হলে ঘোষিত মুদ্রানীতি জানা প্রয়োজন। অবশ্য মুদ্রানীতি ভালো কাজ করে সেই সব অর্থনীতিতে, যেখানে অর্থনৈতিক উপাদানগুলো বেশ মজবুত এবং আর্থিক ব্যবস্থা যথেষ্ট পরিপক্ব অর্থাৎ ম্যাচিউরড। যে দেশের অর্থনীতিতে সবকিছু নিয়ম মেনে চলে, প্রত্যেক অংশীজন নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং একটি মানসম্পন্ন আর্থিক ব্যবস্থা কার্যকর থাকে, সেখানেই মুদ্রানীতি ভালো কাজ করে।

আমাদের দেশের অর্থনীতিতে এসব ব্যবস্থা একেবারেই অনুপস্থিত, বরং বলা চলে এক ধরনের বিশৃঙ্খল আর্থিক খাত এবং একেবারেই এলোমেলো বাজারব্যবস্থা বিরাজ করছে। তাই এখানে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত মুদ্রানীতিকে খুব একটা কাজ করতে দেখা যায় না।

প্রতিবারই বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি ঘোষণার আগে অনেকের মধ্যে, বিশেষ করে অর্থনীতিবিদ, আর্থিক খাতের বিশ্লেষক, থিংকট্যাংক এবং ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মাঝে মুদ্রানীতি নিয়ে একটা আগ্রহ থাকে এবং এ ব্যাপারে যথেষ্ট আলোচনাও হয়। কিন্তু এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি ঘোষণার বিষয় নিয়ে সে রকম আগ্রহ কোনো মহলেই লক্ষ করা যায়নি।

অবশ্য এর অনেক কারণও আছে। প্রথমত, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনো এক অনিশ্চয়তা ও চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে চলছে, যা এ বছরও অব্যাহত থাকার আশঙ্কাই বেশি। দ্বিতীয়ত, জাতি এখন এক অবস্থান থেকে আরেক অবস্থানে উত্তরণের পথে বা ট্র্যানজিশন পর্যায়ে। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিও এক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে চলছে।

চতুর্থত, বর্তমান গভর্নরের আমলে গৃহীত আগের কয়েকটি মুদ্রানীতি সে রকম সুফল বয়ে আনতে পারেনি। 
অর্থনীতির দুটি মৌলিক বিষয় তথা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য থাকে এই মুদ্রানীতিতে। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য মুদ্রানীতিতে ব্যবহার করা হয় নীতি সুদ হার, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য অন্যতম এক হাতিয়ার। অর্থনীতিতে সুদহার ও বিনিয়োগের মধ্যে এক বিপরীত সম্পর্ক বিরাজ করে। যেমন—সুদহার বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগ হ্রাস পায় অথবা সুদহার হ্রাস পেলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়।

আবার বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের মধ্যে একটা সহায়ক সম্পর্ক আছে। যেমন—বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়, যা প্রকারান্তরে বেকারত্ব হ্রাস করে। পক্ষান্তরে সুদহার বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগ হ্রাস পায়, যার প্রভাবে কর্মসংস্থান কমে যায়, যা প্রকারান্তরে বেকারত্ব বাড়িয়ে দেয়। এককথায় অর্থনীতিতে সুদহার, মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান—এই চারটি উপাদান একটি অপরটির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত এবং এগুলোর মধ্যে একটা নিবিড় সম্পর্ক আছে।
মুদ্রানীতিতে নীতি সুদ হার বৃদ্ধি করা হয় মূল্যস্ফীতি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, সুদহার ব্যবহার করে মূল্যস্ফীতি হ্রাস করার দৃষ্টান্ত আমাদের দেশে খুব কম। বাংলাদেশ ব্যাংক গত দেড় বছরে পর পর তিনবার নীতি সুদ হার বৃদ্ধি করে ১০ শতাংশ পর্যন্ত নিয়ে গেছে, অথচ মূল্যস্ফীতি এখনো ৮ শতাংশের ওপরে সরকারি হিসাব অনুযায়ী। বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী বা বাস্তবে মূল্যস্ফীতি কোন মাত্রায় আছে, তা যাঁরা বাজারে যান, তাঁরাই ভালো জানেন। এর সুনির্দিষ্ট কারণও আছে। মূল্যস্ফীতি হচ্ছে মুদ্রানীতি সংক্রান্ত এবং মুদ্রানীতি বহির্ভূত উপাদানের প্রভাব। মুদ্রানীতি সংক্রান্ত উপাদানের মধ্যে আছে নীতি সুদ হার এবং অর্থনীতিতে মুদ্রা সরবরাহের মতো বিষয়। মুদ্রানীতি বহির্ভূত উপাদানের মধ্যে আছে অনেকগুলো বিষয়; যেমন—(১) উৎপাদনব্যবস্থা, (২) আমদানি ব্যয়, (৩) বাজারব্যবস্থা, (৪) গুদামজাতের সুবিধা, (৫) সাপ্লাই চেইন, (৬) সরবরাহব্যবস্থা, (৭) অপ্রকাশিত ব্যয়, যেমন—চাঁদাবাজি, (৮) মানসম্পন্ন মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি, (৯) ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা এবং (১০) জনগণের সচেতনতা। বলার অপেক্ষা রাখে না যে আমাদের দেশে মুদ্রানীতি বহির্ভূত কোনো উপাদানই মোটেই সহায়ক নয়, বরং একেবারেই প্রতিকূল। ফলে আমাদের দেশে মূল্যস্ফীতির পেছনে মুদ্রানীতি সংক্রান্ত উপাদান যত না ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, তার চেয়ে অনেক বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে মুদ্রানীতি বহির্ভূত উপাদান। এ কারণেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত মুদ্রানীতি, বিশেষ করে নীতি সুদ হার মোটেই কাজ করতে চায় না।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদ হার বাড়িয়ে রাখলেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি, কিন্তু দেশের বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। উচ্চ নীতি সুদ হারের কারণে দেশের ব্যাংকঋণের ওপর সুদহার দাঁড়িয়েছে ১৫ থেকে ১৭ শতাংশ। এত উচ্চ সুদের ব্যাংকঋণ নিয়ে বিনিয়োগ লাভজনক করা সম্ভব নয়। কেননা এত উচ্চ সুদে ব্যাংকঋণ নিলে, সেই ঋণ প্রতি পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হবে, যা কোনো ব্যবসায়ীর পক্ষে পরিশোধ করা সম্ভব নয়। ফলে গৃহীত ঋণ অনিচ্ছাকৃতভাবে খেলাপি হতে বাধ্য। বাংলাদেশে যে পাহাড়সম খেলাপি ঋণ, তার অনেক কারণের মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে ঋণের উচ্চ সুদ। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, উচ্চ নীতি সুদ হার অনেক সময় মূল্যস্ফীতি হ্রাস করার পরিবর্তে বাড়িয়েও দেয়। যেমন—উচ্চ সুদের কারণে ব্যবসায়ীদের যে বিশাল অঙ্কের আর্থিক খরচ হয়, তা উৎপাদিত পণ্যের মূল্যের সঙ্গে যোগ করে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক দেড় বছর ধরে নীতি সুদ হার বাড়িয়ে রেখেছে। অথচ বিশ্ব এখন নিম্নমুখী সুদহারের সময়ে প্রবেশ করেছে। বিগত এক বছরে উন্নত বিশ্বের সব কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং অনেক উন্নয়নশীল দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকও নীতি সুদ হার হ্রাস করেছে একাধিকবার। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সুদ হার যেখানে ১০ শতাংশ, সেখানে অনেক উন্নয়নশীল দেশের, এমনকি আমাদের প্রতিযোগী দেশ; যেমন—ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশেও নীতি সুদ হার ২.৭৫ থেকে ৫.২৫ শতাংশ। বিশ্ব যখন নিম্নমুখী সুদহারের সময়ে, বাংলাদেশ তখন উচ্চ সুদ হার অনুসরণ করছে, যা কোনোভাবেই সহায়ক হতে পারে না। দেশের অর্থনীতির স্বার্থে, বৈশ্বিক লেনদেনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এবং ব্যবসায়ীদের সহায়তা করে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার স্বার্থে নীতি সুদ হার হ্রাস করা এখন সময়ের দাবি।       

দেশের বর্তমান সরকার, রাজনীতি ও অর্থনীতি এমন এক ক্রান্তিকালে দাঁড়িয়ে আছে, যেখান থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতিতে খুব বেশি কিছু করারও নেই। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক যে কাজটি করতে পারে, তা হচ্ছে মুদ্রানীতির উল্লেখযোগ্য উপাদান; যেমন—নীতি সুদ হার এবং অর্থ সরবরাহের বিষয়টি সহজ করতে পারে। এটি করা সম্ভব হলে দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় ও বিনিয়োগকারীদের মাঝে একটি ইতিবাচক বার্তা যাবে, যা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। বিশেষ করে সুদহার হ্রাস করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কোনো বিকল্প এই মুহূর্তে নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক এরই মধ্যে তাদের মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। তাই এই মুহূর্তে মুদ্রানীতিতে বড় পরিবর্তন আনার সুযোগ হয়তো থাকবে না, কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক যদি তাদের মুদ্রানীতি সহজ করা, বিশেষ করে বেঞ্চমার্ক সুদহার হ্রাস করার সিদ্ধান্ত নীতিগতভাবে গ্রহণ করে, তাহলে সেটি তারা মুদ্রানীতি ঘোষণার পরও বিজ্ঞপ্তি দিয়ে করতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ রকম পদক্ষেপ ব্যবসায়ীদের জন্য হতে পারে একটি স্বস্তির খবর। আশা করি, বাংলাদেশ ব্যাংক বিরাজমান সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তাদের ঘোষিত মুদ্রানীতি সহজ করবে, যার অন্যতম একটি পদক্ষেপ হতে পারে নীতি সুদ হার হ্রাস করা।              

লেখক : সার্টিফায়েড অ্যান্টি মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা

এই বিভাগের আরও খবর
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
সর্বশেষ খবর
নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০
নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল
নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক
চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের
সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার
যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার

১৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার
নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্র্যাব সদস্য সন্তানদের কোরআন তিলাওয়াত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ক্র্যাব সদস্য সন্তানদের কোরআন তিলাওয়াত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

২৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

গ্যাসের দাম বৃদ্ধি; হাতা-কড়াই-খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মমতার
গ্যাসের দাম বৃদ্ধি; হাতা-কড়াই-খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মমতার

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক সচিব রুহুল আমিনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি
সাবেক সচিব রুহুল আমিনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

নাটোরে মাটির নিচে পানির ট্যাংকে ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত
নাটোরে মাটির নিচে পানির ট্যাংকে ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন থাড রাডার ধ্বংস করল ইরান
৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন থাড রাডার ধ্বংস করল ইরান

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য

৩৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই : কৃষিমন্ত্রী
বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই : কৃষিমন্ত্রী

৩৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল
মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুকসুদপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরিফ বিতরণ
মুকসুদপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরিফ বিতরণ

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি সেনা ঘাঁটিতে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
ইসরায়েলি সেনা ঘাঁটিতে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ; বগুড়ায় বেড়েছে নির্মাণসামগ্রীর দাম
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ; বগুড়ায় বেড়েছে নির্মাণসামগ্রীর দাম

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাংবাদিকদের ওপর হামলা: জকসু থেকে শিবিরের দুই নেতার অব্যাহতি চেয়ে বিবৃতি
সাংবাদিকদের ওপর হামলা: জকসু থেকে শিবিরের দুই নেতার অব্যাহতি চেয়ে বিবৃতি

৫৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

লালমনিরহাটে ১৪ লাখ টাকার চোরাই ভারতীয় কাপড় ও জিরা জব্দ
লালমনিরহাটে ১৪ লাখ টাকার চোরাই ভারতীয় কাপড় ও জিরা জব্দ

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনাল বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে চ্যাম্পিয়ন কে হবে?
ফাইনাল বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে চ্যাম্পিয়ন কে হবে?

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজারহাটে আলুর বস্তা থেকে ৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার
রাজারহাটে আলুর বস্তা থেকে ৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: জোনায়েদ সাকি
সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: জোনায়েদ সাকি

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সাভারে ভেজাল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা সিলগালা, জরিমানা
সাভারে ভেজাল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা সিলগালা, জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারতকে ১১ গোলে হারাল জাপান
ভারতকে ১১ গোলে হারাল জাপান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পল্লী চিকিৎসকের ইনজেকশনে যুবকের মৃত্যু
পল্লী চিকিৎসকের ইনজেকশনে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আলেম-ওলামা ও এতিমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার
আলেম-ওলামা ও এতিমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজীপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর, মিলল নানা অনিয়ম
গাজীপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর, মিলল নানা অনিয়ম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান
যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর
ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’
‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ
‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই
ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের
কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?
ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ
ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত
ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা
ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি
বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়
সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?
ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা
বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?
বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প
দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প

নগর জীবন

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’

পরিবেশ ও জীবন

খননেও পানি নেই নদীতে
খননেও পানি নেই নদীতে

নগর জীবন

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে
বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে

নগর জীবন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি
পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি

শনিবারের সকাল

চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা
চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো
ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো

পেছনের পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি
তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি

শনিবারের সকাল

ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স
ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স

নগর জীবন

প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ
প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা