শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩৮, শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাবে নির্বাচন চরিত্র হারায়

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাবে নির্বাচন চরিত্র হারায়

নির্বাচন কেবল ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া নয়, এটি জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার প্রকাশ। জনগণ ভোটের মাধ্যমে ঠিক করে দেয় কে তাদের শাসন করবে, কোন নীতিতে দেশ পরিচালিত হবে এবং কোন আদর্শ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। কিন্তু যখন এই প্রক্রিয়ায় অর্থ ও পেশিশক্তি প্রভাব বিস্তার করে, তখন নির্বাচন তার মৌলিক চরিত্র হারায়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নির্বাচন বরাবরই সংবেদনশীল বিষয়। ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এ দেশের মানুষকে দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হয়েছে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত প্রতিটি গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের কেন্দ্রে ছিল জনগণের ভোটের অধিকার। অথচ দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের আস্থা গভীর সংকটে পড়েছে। ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম, ভয়ভীতি, কালো টাকার অবাধ ব্যবহার এবং পেশিশক্তির দাপট নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বারবার। এতে মানুষের মধ্যে এই ধারণা জন্মেছে যে নির্বাচন আর তাদের জন্য নয়।

অর্থের প্রভাব নির্বাচনকে একটি অসম প্রতিযোগিতায় পরিণত করে। একজন সৎ, যোগ্য ও জনসম্পৃক্ত প্রার্থী যদি বিপুল অর্থশক্তির অধিকারী না হন, তবে তিনি নির্বাচনী মাঠেই টিকে থাকতে পারেন না। পোস্টার, ব্যানার, প্রচারণা, সভা-সমাবেশ, কর্মী ব্যবস্থাপনা—সবকিছুই আজ অর্থনির্ভর।

ফলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগেই অনেক যোগ্য মানুষ পিছিয়ে পড়েন। রাজনীতি ধীরে ধীরে একটি ব্যয়বহুল পেশায় পরিণত হয়, যেখানে আদর্শ নয়, অর্থই হয়ে ওঠে প্রধান শর্ত।

এই অর্থনির্ভর রাজনীতি রাষ্ট্র পরিচালনায়ও ভয়াবহ প্রভাব ফেলে। যাঁরা বিপুল অর্থ ব্যয় করে নির্বাচিত হন, তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই সেই অর্থ ফেরত পাওয়ার তাগিদ অনুভব করেন। দুর্নীতি তখন আর বিচ্যুতি থাকে না, বরং একটি কাঠামোগত বাস্তবতায় পরিণত হয়।

সরকারি প্রকল্প, নিয়োগ, টেন্ডার, নীতিনির্ধারণে জনস্বার্থের বদলে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ প্রাধান্য পায়। রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় বাড়ে, বৈষম্য গভীর হয় এবং সাধারণ মানুষ ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত হয়।

 

পেশিশক্তির ব্যবহার নির্বাচনী ব্যবস্থাকে আরো ভীতিকর করে তোলে। ভোটকেন্দ্র দখল, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মীদের ওপর হামলা, ভোটারদের ভয় দেখানো এবং নির্বাচনী সহিংসতা ভোটাধিকারকে অর্থহীন করে দেয়। অনেকে ভোট দিতে গেলেই আতঙ্কে থাকেন, কেউ কেউ ভোটকেন্দ্রে যেতেই চান না। এমনকি কোথাও কোথাও ভোটার উপস্থিতি থাকলেও প্রকৃত ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থাকে না। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন আর উৎসব থাকে না, পরিণত হয় আতঙ্কের দিনে।

পেশিশক্তির দাপট রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত সৃষ্টি করে। এতে সহনশীলতা, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার জায়গা সংকুচিত হয়ে যায়। বিরোধী মতকে দমন করাই রাজনৈতিক সাফল্যের প্রধান কৌশল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। তরুণসমাজ রাজনীতিকে একটি সহিংস ও অনৈতিক ক্ষেত্র হিসেবে দেখতে শুরু করে। এতে রাজনীতিতে নতুন ও সৎ নেতৃত্ব তৈরির পথ সংকুচিত হয় এবং অপরাধপ্রবণতার বিস্তার ঘটে।

অর্থ ও পেশিশক্তিমুক্ত নির্বাচন ছাড়া প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্র গড়ে ওঠে না। সংসদ বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান তখন প্রকৃত অর্থে জনগণের প্রতিনিধি হয়ে উঠতে পারে না। আইন প্রণয়ন ও নীতিনির্ধারণ সাধারণ মানুষের চাহিদা অনুযায়ী না হয়ে ক্ষমতাবান গোষ্ঠীর স্বার্থে পরিচালিত হয়। এর ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আরো পিছিয়ে পড়ে এবং সামাজিক ন্যায়বিচার দুর্বল হয়ে যায়।

একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনব্যবস্থা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করে। যখন মানুষ বিশ্বাস করে যে তাদের ভোটের মূল্য আছে, তখন তারা রাষ্ট্রের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত মনে করে। নাগরিক দায়িত্ববোধ বাড়ে, আইন মানার প্রবণতা বৃদ্ধি পায় এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা আসে। বিপরীতে, প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি করে, যা দীর্ঘ মেয়াদে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ায়।

অর্থ ও পেশিশক্তিমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনকে সাংবিধানিকভাবে স্বাধীন হওয়ার পাশাপাশি কার্যকর ও নিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচনী ব্যয়ের সীমা কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে এবং কালো টাকার ব্যবহার দমনে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে দলীয় প্রভাবমুক্ত থেকে ভোটার ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ছাড়া কোনো নির্বাচনই বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না।

রাজনৈতিক দলগুলোর দায়ও এখানে কম নয়। প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে অর্থ ও বাহুবলের বদলে যোগ্যতা, সততা ও জনগ্রহণযোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। দলীয় রাজনীতিতে গণতন্ত্রচর্চা না হলে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। দলের ভেতরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে না পারলে নির্বাচন কখনোই অর্থ ও পেশিশক্তিমুক্ত হবে না।

নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা এই প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনী অনিয়ম, সহিংসতা এবং অর্থের অপব্যবহার তুলে ধরতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ও সাহসী হতে হবে। নাগরিক সমাজকে ভোটারদের সচেতন করতে হবে, যাতে তাঁরা ভয় বা লোভের কাছে নিজেদের ভোট বিক্রি না করেন। সচেতন নাগরিক অংশগ্রহণ ছাড়া গণতন্ত্র টেকসই হতে পারে না।

অর্থ ও পেশিশক্তিমুক্ত নির্বাচন কেবল একটি নৈতিক দাবি নয়, এটি রাষ্ট্রের টিকে থাকার প্রশ্ন। উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তি হলো রাজনৈতিক বৈধতা। অবকাঠামো বা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যতই হোক, জনগণের সম্মতি না থাকলে সেই উন্নয়ন টেকসই হয় না। শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে ওঠে শক্তিশালী গণতন্ত্রের ওপর ভর করে।

বাংলাদেশের ইতিহাস প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষ ভোটাধিকার নিয়ে কখনোই আপস করেনি। গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম এই জাতির রাজনৈতিক চেতনার অংশ। সেই ঐতিহাসিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানাতে হলে নির্বাচনকে অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাব থেকে মুক্ত করতেই হবে। এটি কোনো দলীয় দাবি নয়, এটি রাষ্ট্র ও জাতির ভবিষ্যতের প্রশ্ন।

শেষ পর্যন্ত সত্যটি সহজ। নির্বাচন যদি জনগণের না হয়, তবে রাষ্ট্রও জনগণের থাকে না। তাই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং অর্থ ও পেশিশক্তিমুক্ত নির্বাচনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের সবচেয়ে জরুরি দাবি। এর মাধ্যমেই গণতন্ত্র নতুন করে প্রাণ পেতে পারে, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী হতে পারে এবং জনগণ আবার বিশ্বাস করতে পারে যে তাদের ভোটই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

লেখক :  প্রকাশক ও কলাম লেখক

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
সর্বশেষ খবর
২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের
২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষি সচিবের বারি পরিদর্শন
কৃষি সচিবের বারি পরিদর্শন

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীর অদৃশ্য শ্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে: ফারজানা শারমীন
নারীর অদৃশ্য শ্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে: ফারজানা শারমীন

৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই : ডা. শাহাদাত
নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই : ডা. শাহাদাত

৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানের নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান
ইরানের নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফুলগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ফুলগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭
দিনাজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এসএসসি-১৯৮১ ব্যাচের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
এসএসসি-১৯৮১ ব্যাচের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত
ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের
ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা, জরিমানা
চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা, জরিমানা

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস
রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক
বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক

১৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড
গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ
ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান
ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন
বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন

২৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

২৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার
গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট
কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০
নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল
নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক
চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের
সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার
যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার
নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান
যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর
ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’
‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ
‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই
ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের
কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?
ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ
ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত
ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা
ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি
বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়
সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?
ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা
বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?
বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প
দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প

নগর জীবন

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’

পরিবেশ ও জীবন

খননেও পানি নেই নদীতে
খননেও পানি নেই নদীতে

নগর জীবন

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে
বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে

নগর জীবন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি
পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি

শনিবারের সকাল

চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা
চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো
ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো

পেছনের পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স
ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স

নগর জীবন

তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি
তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি

শনিবারের সকাল

প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ
প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা