শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫২, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০১:০৭, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?

বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংঘাত, হত্যাকাণ্ড, অগ্নিসংযোগ, নির্বাচনের পর পরাজিত প্রধান প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের ওপর নিপীড়ন, তাদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ছাড়া অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রতিটি নির্বাচন ছিল রক্তক্ষয়ী ও প্রাণঘাতী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও যে সংঘাতবিহীন হবে না, তা দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলের আচরণে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

ইতোমধ্যে শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতি উপজেলা সদরের মতো নিভৃত, শান্ত একটি স্থানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের সংঘাতে একজন স্থানীয় জামায়াত নেতা নিহত হয়েছেন এবং দুই পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। দেশের অন্যান্য এলাকায়ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর লক্ষণীয় নিষ্ক্রিয়তায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে-পরে এ ধরনের সংঘাত-সংঘর্ষ আরও বৃদ্ধি পাবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘ঈদের মতো জাতীয় উৎসবে পরিণত করা’র যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন, তা দুরাশায় পলিত হবে।

পাকিস্তানের হাত থেকে মুক্ত হওয়ার পর ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার যে প্রতিশ্রুতি দেশের স্বাধীনতা অর্জনের একচ্ছত্র দাবিদার আওয়ামী লীগ দিয়েছিল, তারা সে প্রতিশ্রুতি রাখেনি, নিজেদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার অভিলাষের কারণে।

১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদ্য প্রতিষ্ঠিত দুর্বল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠাকে সুদৃষ্টিতে দেখেনি আওয়ামী লীগ। সেজন্য জাসদের যেসব প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভাবনা ছিল, সেসব প্রার্থীর পরাজয় নিশ্চিত করার জন্য তাদের নির্বাচনি এলাকার ভোট কেন্দ্রগুলোতে আওয়ামী লীগ পেশিশক্তি প্রয়োগ, ভোটারদের হুমকি প্রদান, ব্যালট ছিনিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে ব্যালট বাক্স ভর্তি করেছিল। কোনো কোনো এলাকা থেকে ভোটের বাক্স ছিনতাই করে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় আনার ঘটনাও ঘটেছিল, নির্বাচন কমিশনে ভোট গণনা করার অজুহাত দিয়ে। সেসব বাক্সের ভোট কখনো গণনা করা হয়নি। সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসনে আওয়ামী লীগের বিজয় ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছিল নির্বাচনে ‘সূক্ষ্ম’ নয়, বড় ধরনের কারচুপি ঘটেছিল, অথবা ভোটারদের স্বাধীন ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটতে দেওয়া হয়নি।

এর ধারাবাহিকতা আর কখনো বন্ধ হয়নি। এমনকি আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত তিনটি নির্বাচনে প্রধান কোনো বিরোধী দল এবং ব্যাপকভাবে ভোটারদের অংশগ্রহণ না করলেও এই নির্বাচনগুলো সংঘাতবিহীন ছিল না। প্রতিটি নির্বাচনে দেশজুড়ে ব্যাপক সংঘর্ষ ও অসংখ্য হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ১৫৩ প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা সত্ত্বেও নির্বাচনের দিন নিহত হয়েছিল ২১ জন, হতাহত হয়েছিল সহস্রাধিক। ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিহত হয়েছিল ১৯ জন এবং ২০২৪ সালে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার পর ১৬ জন লোক নিহত এবং বহুসংখ্যক আহত হয়েছিল।

একসময়ের রাজনৈতিক মিত্র এই দুটি দল, যারা সরকারে থাকতে একসঙ্গে ভালোমন্দ কাজের হরিহর আত্মা ছিল, নির্বাচনে এককভাবে ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনায় তারা তাদের সাবেক মিত্রের আলখেল্লা ছুড়ে ফেলে, একে অন্যের বিরুদ্ধে বিষোদগার ও এক পক্ষ আরেক পক্ষের চরিত্রের অন্ধকার দিকগুলো তুলে ধরছে

২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত টানা ১১ বছর বাংলাদেশের জনগণ ভোট দিতে পারেনি। তারা ভোট দেওয়ার নিয়ম-পদ্ধতিও ভুলে গেছে। এক দশকের বেশি সময়ে যারা নতুন ভোটার হয়েছে, তারা ভোট দেওয়ার নিয়ম শেখেনি। যে আওয়ামী লীগ পাকিস্তান আমলে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ‘এক ব্যক্তি এক ভোট’ দাবিতে রাজপথ দাপিয়ে বেড়াত, সেই একই নেতার অধীনে বাংলাদেশের জনগণ প্রথমবার তাদের ভোটের মর্যাদা হারিয়েছিল প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।

অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন কী গাছে ধরে? ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির সব পদ্ধতি প্রয়োগ করা হলে কোন ভোটারের ঘাড়ে কয়টি মাথা যে তারা তাদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে? বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের হিসাবে, ১৯৭৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনের আগে-পরে পাঁচ মাসে আওয়ামী লীগের দোর্দণ্ড প্রতাপের কালে গুপ্ত হত্যার শিকার হয়েছিল ২ হাজার ৩৫ জন। তথাকথিত দুষ্কৃতকারীদের হাতে নিহত হয়েছিল আরও ৪ হাজার ৯২৫ জন। ৩৩৭টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছিল, যাদের অধিকাংশই আর কখনো ফিরে আসেনি। ধর্ষিত হয়েছিলেন ১৯০ জন নারী।

এর পরের নির্বাচনি ইতিহাসও সমান কালিমালিপ্ত। বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা সংবাদপত্রের রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে নির্বাচনকালে সহিংস ঘটনার যে চিত্র তুলে ধরেছে, তা খুব ইতিবাচক নয়। তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল সামরিক আইনের অধীনে। খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ ছিল। সে কারণে বাংলাদেশের সংবাদপত্রগুলোতে নির্বাচনকেন্দ্রিক হতাহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রকাশিত হয়নি। তবে গবেষণায় দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক সহিংসতা, কারচুপির ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।

১৯৮৬ সালের নির্বাচনে ২৯ জন নিহত এবং ৫০০-এর বেশি আহত; ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে ১২ জন নিহত এবং বহুসংখ্যক আহত; ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে-পরে নিহত হয়েছে ৩৯ জন এবং আহত হয়েছে ১ হাজার ৯০ জন। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের আগে ৪ জন পুলিশ সদস্যসহ ২০ জন নিহত এবং অজ্ঞাতসংখ্যক আহত হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনের দিনে নিহত হয়েছে আরও ২০ জন। ১৯৯৬ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১৪ জন নিহত ও ৭ শতাধিক আহত হয়েছে, এর মধ্যে ৬ জন নিহত হয়েছে নির্বাচনের দিনে। ২০০১ সালে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার পর ৩৫ দিনে ১২৪ জন নিহত ও ৬ হাজারের বেশি লোক নিহত হয়েছে, এর মধ্যে নির্বাচনের দিন নিহত হয়েছে ৫ জন এবং আহত পাঁচ শতাধিক।

নির্বাচনি ইতিহাসে সবচেয়ে কমসংখ্যক অর্থাৎ মাত্র একজন নিহত হয়েছে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে। এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেনা-সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনে দুই প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে বহুসংখ্যক লোক আহত হয়েছে।

বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে কয়েকটি সংসদ নির্বাচন ছাড়া মোট ভোটারসংখ্যার তুলনায় প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা কম। অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারেন, ‘ভোটাররা ভোট দেয় না কেন?’ অথবা ‘ভোট দেওয়ার ব্যাপারে ভোটাররা এত উদাসীন কেন?’ প্রকৃত ভোটাররা যখন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আবিষ্কার করেন যে তাদের ভোট দেওয়া হয়ে গেছে, এমনকি মৃতের ভোট পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে, পাল্টা প্রশ্নও করা হতে পারে এবং প্রশ্নটি সংগত কারণেই ওঠে, ‘ভোটাররা ভোট দেবে কেন’ অথবা ‘কীভাবে দেবে?’ এমন কোনো নির্বাচন নেই, যে নির্বাচনের পর পরাজিত রাজনৈতিক দল বিজয়ী দলের বিরুদ্ধে সংঘাত, ভোটচুরি বা সূক্ষ্ম কারচুপির অভিযোগ উত্থাপন করেনি।

সব বিবেচনায় তাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটাররা স্বাধীনভাবে প্রার্থী নির্বাচনের দাবিতে প্রাণ দিয়েছে। কিন্তু তারা কখনো সঠিকভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। তারা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে সংসদে পাঠাতে পারেনি। তারা কখনো ভোট দিয়ে তাদের অবাঞ্ছিত সরকারকে ক্ষমতা থেকে হটাতে পারেনি।

১৯৭৫ ও ১৯৮২ সালে সামরিক শাসন জারির মধ্য দিয়ে আত্মকলহে লিপ্ত, দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত অথবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ বেসামরিক সরকাকে উৎখাত করা হয়েছে। ১৯৯০ গণ অভ্যুত্থানে এবং ২০২৪ সালে বিপ্লবের সাফল্যে সরকারের পতন ঘটেছে। ২০০৭ সালে সামরিক বাহিনীর সমর্থনপুষ্ট তথাকথিত এক-এগারোর বেসামরিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুই বছরের জন্য ক্ষমতা আঁকড়ে রেখেছে। এত তিক্ত অভিজ্ঞতার পর এবার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জনগণের ইচ্ছানুযায়ী ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। এই সুযোগ তারা যাতে কাজে লাগাতে পারে সেদিকে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মনোযোগী হওয়ার প্রয়োজনীয়তা ছিল সবচেয়ে বেশি।

কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে না যে তারা ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেবে। একসময়ের রাজনৈতিক মিত্র এই দুটি দল, যারা সরকারে থাকতে একসঙ্গে ভালোমন্দ কাজের হরিহর আত্মা ছিল, নির্বাচনে এককভাবে ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনায় তারা তাদের সাবেক মৈত্রীর আলখেল্লা ছুড়ে ফেলে, একে অন্যের বিরুদ্ধে বিষোদগার ও এক পক্ষ আরেক পক্ষের চরিত্রের অন্ধকার দিকগুলো তুলে ধরছে। অথবা জনগণ যেহেতু আক্রমণাত্মক ভাষা শুনে মজা পায়, কেবল সে কারণে বিরুদ্ধাচরণের স্বার্থেই তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে হুমকিধমকির ভাষা প্রয়োগ করছে। সামাজিক যোগাযোগ দুই প্রধান দলের প্রচারণার ধরন বহুলাংশে উসকানিমূলক, বিদ্বেষপ্রসূত নোংরামিতে পূর্ণ। নির্বাচনকালীন প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীন থাকা সত্ত্বেও প্রতিদ্বন্দ্বী দল ও প্রার্থীরা নির্বাচনি বিধিমালা লঙ্ঘন করা সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে কমিশন তাদের দুর্বলতা ও ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। নির্বাচনের অবশিষ্ট যে কদিন আছে, তাতে এখনই পরিস্থিতি কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব হবে না। নির্বাচন বঞ্চিত আওয়ামী লীগ সমর্থকরা যেকোনো ছুতায় নির্বাচনকে বিঘ্নিত করার জন্য ওত পেতে আছে।

জুলাই বিপ্লবে আত্মদানকারী দেড় সহস্রাধিক শহীদ, অগণিত মানুষের অন্ধত্ব ও অন্যান্য শারীরিক প্রতিবন্ধিত্ব বরণের মধ্য দিয়ে অর্জিত নির্বাচন এবং জুলাই সনদের প্রতি যদি প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো শ্রদ্ধাশীল না হয় এবং দায়িত্বশীল আচরণ করতে না পারে, তাহলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও নির্বাচনি ফলাফল বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এ ধরনের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে যারাই সরকার গঠন করবে, সেই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হতে সময় লাগবে না। দেশবাসী বারবার এ ধরনের পরীক্ষার সম্মুখীন হতে চায় না। নির্বাচন কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান নয় এবং ভোট প্রদান করা কোনো সামাজিক রীতি নয়। ভোট দেওয়ার সঙ্গে দেশ ও জাতির প্রতি দায়িত্ববোধ জড়িত। এটি একটি ব্যবস্থা, যার মধ্য দিয়ে ভোটাররা তাদের ক্ষমতাহীন অবস্থাকে সক্ষম করে তুলতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোরও মনে রাখা প্রয়োজন যে নির্বাচন তাদের পারস্পরিক প্রতিশোধমূলক স্পৃহা চরিতার্থ করার জন্য নয় যে তার ভোটারদের সামষ্টিক ও জাতীয় মূল্যবোধকে জলাঞ্জলি দিয়ে যেকোনো উপায়ে ভোট বাগিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত একটি ব্যবস্থাকে সংস্কারের পরিবর্তে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য কাজে লাগাবে।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক
 

এই বিভাগের আরও খবর
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
সর্বশেষ খবর
গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার
গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার

এই মাত্র | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট
কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট

৫ সেকেন্ড আগে | নগর জীবন

নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০
নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল
নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক
চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের
সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার
যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার

২৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার
নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্র্যাব সদস্য সন্তানদের কোরআন তিলাওয়াত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ক্র্যাব সদস্য সন্তানদের কোরআন তিলাওয়াত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

৩৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

গ্যাসের দাম বৃদ্ধি; হাতা-কড়াই-খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মমতার
গ্যাসের দাম বৃদ্ধি; হাতা-কড়াই-খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মমতার

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক সচিব রুহুল আমিনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি
সাবেক সচিব রুহুল আমিনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি

৪২ মিনিট আগে | জাতীয়

নাটোরে মাটির নিচে পানির ট্যাংকে ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত
নাটোরে মাটির নিচে পানির ট্যাংকে ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন থাড রাডার ধ্বংস করল ইরান
৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন থাড রাডার ধ্বংস করল ইরান

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য

৪৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই : কৃষিমন্ত্রী
বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই : কৃষিমন্ত্রী

৪৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল
মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুকসুদপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরিফ বিতরণ
মুকসুদপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরিফ বিতরণ

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি সেনা ঘাঁটিতে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
ইসরায়েলি সেনা ঘাঁটিতে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ; বগুড়ায় বেড়েছে নির্মাণসামগ্রীর দাম
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ; বগুড়ায় বেড়েছে নির্মাণসামগ্রীর দাম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাংবাদিকদের ওপর হামলা: জকসু থেকে শিবিরের দুই নেতার অব্যাহতি চেয়ে বিবৃতি
সাংবাদিকদের ওপর হামলা: জকসু থেকে শিবিরের দুই নেতার অব্যাহতি চেয়ে বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

লালমনিরহাটে ১৪ লাখ টাকার চোরাই ভারতীয় কাপড় ও জিরা জব্দ
লালমনিরহাটে ১৪ লাখ টাকার চোরাই ভারতীয় কাপড় ও জিরা জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফাইনাল বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে চ্যাম্পিয়ন কে হবে?
ফাইনাল বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে চ্যাম্পিয়ন কে হবে?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজারহাটে আলুর বস্তা থেকে ৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার
রাজারহাটে আলুর বস্তা থেকে ৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: জোনায়েদ সাকি
সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: জোনায়েদ সাকি

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সাভারে ভেজাল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা সিলগালা, জরিমানা
সাভারে ভেজাল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা সিলগালা, জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারতকে ১১ গোলে হারাল জাপান
ভারতকে ১১ গোলে হারাল জাপান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পল্লী চিকিৎসকের ইনজেকশনে যুবকের মৃত্যু
পল্লী চিকিৎসকের ইনজেকশনে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান
যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর
ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’
‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ
‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই
ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের
কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?
ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ
ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত
ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা
ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি
বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়
সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?
ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা
বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?
বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প
দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প

নগর জীবন

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’

পরিবেশ ও জীবন

খননেও পানি নেই নদীতে
খননেও পানি নেই নদীতে

নগর জীবন

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে
বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে

নগর জীবন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি
পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি

শনিবারের সকাল

চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা
চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো
ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো

পেছনের পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি
তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি

শনিবারের সকাল

ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স
ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স

নগর জীবন

প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ
প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা