শিরোনাম
প্রকাশ: ২৩:৫৩, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ

ড. তৌফিক জোয়ার্দার
অনলাইন ভার্সন
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ

বাংলাদেশ গত পাঁচ দশকে স্বাস্থ্য খাতে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি এবং টিকাদান কর্মসূচির মতো উদ্যোগে আমাদের অর্জন আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। কিন্তু এই সাফল্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে নানা সংকট, যা আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে প্রতিনিয়ত দুর্বল করে দিচ্ছে এবং নাগরিকদের মানসম্মত সেবা প্রাপ্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংকটগুলো মোকাবিলা করে একটি শক্তিশালী ও গণমুখী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জরুরি ভিত্তিতে কিছু নীতি-পদক্ষেপ গ্রহণ করা অপরিহার্য।

মূল চ্যালেঞ্জসমূহ

আমাদের স্বাস্থ্য খাতের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো অপর্যাপ্ত বাজেট এবং রোগীর উপর চিকিৎসার অত্যধিক আর্থিক বোঝা। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বরাদ্দ বিশ্বের সর্বনিম্ন দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম, মাত্র ০.৭ শতাংশের কাছাকাছি। এর ফলে চিকিৎসার জন্য মোট খরচের প্রায় ৭৪ শতাংশই রোগীকে নিজের পকেট থেকে বহন করতে হয়। এই বিপুল খরচ মেটাতে গিয়ে প্রতি বছর প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাচ্ছে।

দ্বিতীয় বড় চ্যালেঞ্জ হলো দক্ষ জনবলের সংকট এবং শহর ও গ্রামের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার চরম বৈষম্য। প্রতি ১০,০০০ মানুষের জন্য মাত্র ৭ জন ডাক্তার রয়েছেন, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশকৃত সংখ্যার চেয়ে অনেক কম। এছাড়া, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের পদ খালি থাকা এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে প্রশিক্ষিত কর্মীর অভাব একটি সাধারণ চিত্র। এর ফলে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, যেখানে একজন ডাক্তার রোগীকে গড়ে ৪৮ সেকেন্ডের বেশি সময় দিতে পারছেন না।

তৃতীয়ত, বেসরকারি খাতের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব পুরো ব্যবস্থাকে আরও জটিল করে তুলেছে। ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং অনুমোদনহীন ফার্মেসিগুলো প্রায়শই ভুল চিকিৎসা ও ভেজাল ওষুধ বিতরণের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যকে হুমকির মুখে ফেলছে। দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা এবং শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অনুপস্থিতি এই সমস্যাকে আরও গভীর করেছে।

নীতিগত সমাধান ও উত্তরণের পথ

এই বহুমাত্রিক সংকট থেকে উত্তরণের জন্য একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা আবশ্যক।

১. বাজেট বৃদ্ধি ও আর্থিক সুরক্ষা : স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির বরাদ্দ বর্তমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে অবিলম্বে কমপক্ষে ২ শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন। ক্রমান্বয়ে তা ৫ শতাংশে উন্নীত করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি, সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা (Universal Health Coverage) অর্জনের লক্ষ্যে একটি কার্যকর স্বাস্থ্য-অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু করা জরুরি। এর মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য নিজের পকেট থেকে ব্যয়ের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। "স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি (এসএসকে)"-এর মতো উদ্যোগগুলোকে আরও পরিশীলিত করে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য একটি হেলথ কার্ডের ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যা আর্থিক ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে, একই সাথে এর মাধ্যমে তাদের স্বাস্থ্য রেকর্ড খুঁজে পাওয়া সহজ হবে।

২. জনবল সংকট নিরসন ও বিকেন্দ্রীকরণ : চিকিৎসক ও নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের সংখ্যা বাড়াতে হবে এবং তাদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে কাজ করার জন্য বিশেষ প্রণোদনা, আবাসন সুবিধা এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে শক্তিশালী করে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় জনবল, যন্ত্রপাতি ও ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। এর মাধ্যমে টারশিয়ারি হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমবে।

৩. নিয়ন্ত্রক কাঠামো শক্তিশালীকরণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার : বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর জন্য একটি কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন এবং তার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো যেতে পারে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য হেলথ কার্ডের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড (EHR) ব্যবস্থা চালু করলে চিকিৎসার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা এবং ডেটা-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হবে।

৪. প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার : রোগ প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে আরও শক্তিশালী করে এবং শহরাঞ্চলেও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার নেটওয়ার্ক তৈরি করে আরও অধিক মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনতে হবে।

পরিশেষে, স্বাস্থ্য কোনো বিলাসিতা নয়, এটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। একটি সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে শক্তিশালী স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সঠিক পরিকল্পনা এবং সরকার, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কেবল এই খাতের সংকটগুলো মোকাবিলা করে সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। আশার কথা হলো আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রধান দলগুলো স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতির দিতে মনোযোগ দিয়েছে। আমরা বিএনপির স্বাস্থ্যখাত বিষয়ক বিশদ পরিকল্পনা সম্পর্কে ইতোমধ্যেই জানতে পেরেছি। দলটি স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি নিরসন, স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, গ্রামের পাশাপাশি শহরেও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, রোগ প্রতিরোধ, মা ও শিশুস্বাস্থ্য, কৌশলগত ক্রয়ের মাধ্যমে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের প্রয়োগ, ঔষধ ও টিকা সরবরাহের নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক তৈরি-ইত্যাদি বিষয়ে তাদের বিশদ পরিকল্পনা তুলে ধরেছে। এসব পরিকল্পনা যেন সস্তা রাজনৈতিক বুলিতে আটকে না থাকে সেটাই প্রত্যাশা।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যনীতি, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
সর্বশেষ খবর
ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে উন্নয়ন দ্রুত এগিয়ে যাবে: এমপি খোকন তালুকদার
ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে উন্নয়ন দ্রুত এগিয়ে যাবে: এমপি খোকন তালুকদার

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

কূটনীতিকদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার
কূটনীতিকদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার

৫৩ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

ঝিনাইদহে বিএনপির কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের আগুন
ঝিনাইদহে বিএনপির কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের আগুন

৫৯ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

‘স্বাগতিক ভারতকে ভয় পায় না নিউজিল্যান্ড’
‘স্বাগতিক ভারতকে ভয় পায় না নিউজিল্যান্ড’

২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টেকনাফে গাঁজাসহ আটক ৯
টেকনাফে গাঁজাসহ আটক ৯

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ
শাবিপ্রবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ

৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

উপসাগরে প্রবেশ করলে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ সাগরের নিচে যাবে, হুমকি ইরানের
উপসাগরে প্রবেশ করলে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ সাগরের নিচে যাবে, হুমকি ইরানের

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের
২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষি সচিবের বারি পরিদর্শন
কৃষি সচিবের বারি পরিদর্শন

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীর অদৃশ্য শ্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে: ফারজানা শারমীন
নারীর অদৃশ্য শ্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে: ফারজানা শারমীন

২৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই : ডা. শাহাদাত
নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই : ডা. শাহাদাত

২৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানের নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান
ইরানের নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফুলগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ফুলগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭
দিনাজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এতিম শিশুদের নিয়ে এসএসসি-১৯৮১ ব্যাচের ইফতার মাহফিল
এতিম শিশুদের নিয়ে এসএসসি-১৯৮১ ব্যাচের ইফতার মাহফিল

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত
ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের
ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা, জরিমানা
চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা, জরিমানা

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস
রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক
বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক

৪০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড
গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ
ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান
ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন
বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন

৪৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

৪৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার
গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার

৫২ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট
কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট

৫২ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০
নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান
যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর
ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’
‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ
‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই
ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের
কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?
ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ
ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত
ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি
বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা
ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়
সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?
ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা
বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?
বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প
দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প

নগর জীবন

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’

পরিবেশ ও জীবন

খননেও পানি নেই নদীতে
খননেও পানি নেই নদীতে

নগর জীবন

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে
বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে

নগর জীবন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি
পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি

শনিবারের সকাল

চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা
চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো
ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো

পেছনের পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স
ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স

নগর জীবন

তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি
তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি

শনিবারের সকাল

প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ
প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা