শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫৫, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ

সরকারের নানামুখী চেষ্টা, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স দিয়ে অর্থনীতি হৃষ্টপুষ্ট রাখা যাচ্ছে না। উচ্চ  মূল্যস্ফীতি, ব্যাংকিং খাতের ভঙ্গুরতা এবং বিনিয়োগ মন্দা মিলে এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি কোনো ম্যাজিকে পাল্টে যাবে, এমনটি আশা করার কারণ নেই। সামগ্রিক অর্থনীতির সামনে আরো চ্যালেঞ্জ। অর্থনীতি না বোঝা মানুষের কাছেও লুকানোর জো নেই।

স্বয়ং পরিকল্পনা উপদেষ্টাও এক অনুষ্ঠানে তা স্বীকার করেছেন। মূল্যস্ফীতি দ্রুত কমানো যাচ্ছে না, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন। এসেছে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার কথাও। ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারীদের দুরবস্থা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

তথ্য স্বীকার করা হলেও অর্থনীতির দুর্গতি আজকের এ পর্যায়ে আসার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হয়নি।
ব্যবসা-বিনিয়োগসহ অর্থনীতিতে ধস নামা, ব্যবসায়ীদের চাপে-তাপে চ্যাপ্টা হওয়ার প্রবণতা ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী সরকারের সময় থেকেই। গণ-আন্দোলনে আওয়ামী সরকারের পতন ও অন্তর্বর্তী সরকারের অভিষেকে অর্থনীতিসহ নানা সেক্টরে জন-আকাঙ্ক্ষার পারদ চড়তে থাকলেও বাস্তবটা বড় নিষ্ঠুর। এ মাস যেমন-তেমন সামনের মাসে কী হবে, এমন দিনাতিপাত এখন শুধু ব্যবসায়ী বা অর্থনীতির ঘানি টানায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নন, সরকারেরও।


প্রকারান্তরে গোটা দেশেরও। বিনিয়োগ মন্দা, বড় রাজস্ব ঘাটতি, বেকারত্ব, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, উচ্চ সুদের হার, অদক্ষ এডিপি বাস্তবায়ন ও হতাশাজনক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার সরকারকে কাবু করে দিয়েছে। আর সরকার ‘মুমূর্ষু’ করেছে জনগণসহ গোটা দেশকে। অর্থনীতির স্লথগতির প্রভাব পড়েছে শ্রমবাজারে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কর্মসংস্থান কমেছে প্রায় ২০ লাখ।

বর্তমানে বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পেয়ে ৪.৭ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশের ঘরে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী ছয় মাসে আরো ১২ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়তে পারে। শুরু থেকেই সরকার অর্থনীতির বাঁক ঘোরানোর চেষ্টা করেছে। নিয়েছে নানা উদ্যোগ। কাজটি করেছে ব্যবসা-বিনিয়োগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অংশীজন না করে। কেবল অগ্রাহ্য নয়, তাঁদের কখনো কখনো একতরফা খলনায়কও করে ফেলা হয়েছে। মানি লন্ডারিং, রাজস্ব ফাঁকি, ভূমি দখল, ঋণ জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ, অবৈধ সম্পদ অর্জন ইত্যাদি ঢালাও অভিযোগে বিচারের আগেই বিচার। সাজাও দিয়ে ফেলা। পারলে স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে নাতিপুতিদেরও চরিত্র হননের কাজটি করে দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ থাকলে কেবল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নয়, আরো অনেক কিছুই জব্দ করা যেত। কিন্তু সেই পথ না মাড়িয়ে মব সন্ত্রাসের মতো একতরফা ট্রায়ালে একদিকে বিনিয়োগকে মাঠে মারা হয়েছে, অন্যদিকে সামাজিকভাবে সম্মানহানি করা হয়েছে। এর অনিবার্য জেরে প্রায়ই ছোট-বড় কোনো না কোনো মিল-কারখানা, প্রতিষ্ঠান বন্ধ হতে হতে এখন এক চরম সন্ধিক্ষণ। তাতে ফল হয়েছে বেকারত্ব। শুধু ঢাকার পার্শ্ববর্তী গাজীপুর ও সাভার শিল্পাঞ্চলে ৩২৭টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। এখানে বেকার হয়েছে প্রায় দেড় লাখ মানুষ। বেকারত্বের এ হটস্পটে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও আর নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। নানা মহলের দাবি-দাওয়াও রোখা যায়নি। যে যেখান দিয়ে পেরেছে রাস্তায় নেমে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। ঘেরাও, বন্ধ, ভাঙচুর চালিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার উঠানেও চলে গেছে বিক্ষোভ। প্রফেসর ড. ইউনূস কম-বেশি সবার কথাই শুনেছেন। অনেক দাবি-দাওয়া পূরণও করেছেন। কিন্তু ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারীরা কেবল যন্ত্রণা সয়ে চলেছেন। রাস্তায় নামেননি, কর্মবিরতির সুযোগও তাঁদের নেই। অনবরত লোকসানে হয়রান হয়েছেন। সরকারের দিক থেকে কখনো ব্যবসায়ীদের কাছে ডাকা হয়নি। পরামর্শ নেওয়া দূরে থাক, তাঁদের কষ্টের কথা শোনার গরজও বোধ করা হয়নি। তা সমাজে তাঁদের মানসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার মতো। ব্যবসায়ীদের কাছে বিষয়টি অর্থনৈতিকভাবে হয়রানিমূলক, সামাজিকভাবে চরম নিপীড়নমূলক। হিংসাত্মকও। লাজশরমে ব্যবসা-বাণিজ্য গুটিয়ে কোনো কোনো ব্যবসায়ী না পারতে প্রকাশ্যে বেরও হন না। নতুন বিনিয়োগ দূরে থাক, এত দিনে করা বিনিয়োগ রক্ষা নিয়েও পেরেশানিতে অনেকে। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর একদিকে যেমন বেশ কিছু শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়েছে, আবার সম্ভাবনাময় অনেক শিল্প-কারখানাও অর্থাভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
অর্থায়ন সংকট, ঋণ সহায়তা, সুদহার বৃদ্ধিও ব্যবসায়ীদের অনেকের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। বিশ্বের কোনো বিনিয়োগকারীই এমন অনিশ্চয়তায় থাকতে চান না। তার ওপর অসম্মানিত হতে থাকা দুর্ভাবনার। যে পরিবেশ-পরিস্থিতিতে একটা দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার হয়, বিনিয়োগ বাড়ে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় সেটা নেই—এ কথা স্পষ্ট করে বলার অবস্থা  অনেক ব্যবসায়ীরই নেই। ব্যাপক বিনিয়োগ, গতিময় ব্যবসা, চাঙ্গা পুঁজিবাজার, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধিসহ সম্ভাবনার  দরজা-জানালা খোলা রাখা সরকারকে মোটাদাগে অনেক সহায়তাও দিতে পারত। প্রায় একই স্কেলে নেপাল-শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশে দুঃশাসকের পতনসহ রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটেছে। ঘটনাপ্রবাহও কাছাকাছি। কিন্তু শাসনতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় নেপাল-শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ব্যাপক তফাত বাংলাদেশের। বাংলাদেশের মতো সংস্কার, ঐকমত্য, মব-গুজব, আন্দোলনকারী ফ্রন্টফিগারদের নানা ক্রিয়াকর্মের ক্যারিকেচার না থাকায় শঙ্কিত হতে হয়নি সেখানকার ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারীদের। তা দেশ দুটির অর্থনীতির ধমনি জোরালোভাবে চালু রেখেছে। সরকারও সাফল্য দেখাতে পেরেছে। ব্যবসায়ীদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় অভ্যন্তরীণ বাজারে স্থিতিশীলতা এনেছে শ্রীলঙ্কা-নেপাল। ভিয়েতনাম কর সুবিধা, রপ্তানি সহজীকরণ ও বিনিয়োগ সহায়তা নির্বাচন করে বিনিয়োগকে স্থিতিশীল করেছে। বাংলাদেশ ও দেশটির অন্তর্বর্তী সরকার এ ক্ষেত্রে একেবারেই বিপরীতে।

এখানে অর্থনীতিসহ সব দিকে গতিশীলতা আনতে বেসরকারি খাতের ব্যবসা-বাণিজ্যে অগ্রাধিকারের বদলে আরো দূরে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। যার জেরে সরকার, দেশ, জনগণ মিলিয়ে আজকের এ অবস্থা। টেনে আনতে ছিঁড়ে যাওয়ার অবস্থায় পড়ছে সরকার। কোনো চেষ্টাই শেষতক কাজে আসছে না। অনিবার্যভাবে চেপে বসেছে বিনিয়োগহীন মূল্যস্ফীতি। বিনিয়োগে খরার টান পড়লে যা হওয়ার তা-ই হচ্ছে। অনেক চেষ্টা হলেও বিদেশি বিনিয়োগও আনা যায়নি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সরকারি হিসাবও বলছে, বিদেশি বিনিয়োগ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৮ শতাংশ কমেছে। বেসরকারি খাতে এমন অবস্থা চলছে, অথচ সরকারি খাত ঠিকই ব্যাংকের টাকা নিয়ে খরচ মেটাচ্ছে। বেসরকারি খাত বা জনগণের সেই সুযোগ নেই। বরং ক্রমেই বাড়ছে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা। বিদ্যুৎ-জ্বালানির সংকট, ঋণের উচ্চ সুদের হার, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিকে হজম করে  কোনো রকমে দম-নিঃশ্বাস ফেলে বেঁচে থাকাকে নিয়তির মতো মেনে নিতে হচ্ছে। নীতি সহায়তার বদলে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এখনো চলছে মিডিয়া ট্রায়াল। নানা ধরনের হয়রানি ও মিথ্যা মামলার বিড়ম্বনায় যেন প্রতিবাদ জানাতেও মানা। তাঁদের ‘ব্যবসা করাই অপরাধ’-এর জায়গায় এনে দাঁড় করানো হয়েছে। তাঁদের সমস্যা দূর করা পরের কথা, সমস্যা কী বা সমস্যার গতি-প্রকৃতি নিয়ে কথা বলার উদ্যোগও আজ পর্যন্ত নেওয়া হয়নি, যা দেশকে  একটি দীর্ঘস্থায়ী অস্বস্তিকর অবস্থায় এনে ঠেকিয়েছে।

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

এই বিভাগের আরও খবর
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
সর্বশেষ খবর
বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের
সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার
যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার

৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার
নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্র্যাব সদস্য সন্তানদের কোরআন তিলাওয়াত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ক্র্যাব সদস্য সন্তানদের কোরআন তিলাওয়াত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

গ্যাসের দাম বৃদ্ধি; হাতা-কড়াই-খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মমতার
গ্যাসের দাম বৃদ্ধি; হাতা-কড়াই-খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মমতার

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক সচিব রুহুল আমিনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি
সাবেক সচিব রুহুল আমিনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

নাটোরে মাটির নিচে পানির ট্যাংকে ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত
নাটোরে মাটির নিচে পানির ট্যাংকে ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন থাড রাডার ধ্বংস করল ইরান
৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন থাড রাডার ধ্বংস করল ইরান

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য

২১ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই : কৃষিমন্ত্রী
বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই : কৃষিমন্ত্রী

২৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল
মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুকসুদপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরিফ বিতরণ
মুকসুদপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরিফ বিতরণ

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি সেনা ঘাঁটিতে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
ইসরায়েলি সেনা ঘাঁটিতে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ; বগুড়ায় বেড়েছে নির্মাণসামগ্রীর দাম
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ; বগুড়ায় বেড়েছে নির্মাণসামগ্রীর দাম

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাংবাদিকদের ওপর হামলা: জকসু থেকে শিবিরের দুই নেতার অব্যাহতি চেয়ে বিবৃতি
সাংবাদিকদের ওপর হামলা: জকসু থেকে শিবিরের দুই নেতার অব্যাহতি চেয়ে বিবৃতি

৪৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

লালমনিরহাটে ১৪ লাখ টাকার চোরাই ভারতীয় কাপড় ও জিরা জব্দ
লালমনিরহাটে ১৪ লাখ টাকার চোরাই ভারতীয় কাপড় ও জিরা জব্দ

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনাল বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে চ্যাম্পিয়ন কে হবে?
ফাইনাল বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে চ্যাম্পিয়ন কে হবে?

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজারহাটে আলুর বস্তা থেকে ৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার
রাজারহাটে আলুর বস্তা থেকে ৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: জোনায়েদ সাকি
সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: জোনায়েদ সাকি

৪৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সাভারে ভেজাল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা সিলগালা, জরিমানা
সাভারে ভেজাল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা সিলগালা, জরিমানা

৪৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভারতকে ১১ গোলে হারাল জাপান
ভারতকে ১১ গোলে হারাল জাপান

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পল্লী চিকিৎসকের ইনজেকশনে যুবকের মৃত্যু
পল্লী চিকিৎসকের ইনজেকশনে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আলেম-ওলামা ও এতিমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার
আলেম-ওলামা ও এতিমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজীপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর, মিলল নানা অনিয়ম
গাজীপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর, মিলল নানা অনিয়ম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইবিতে শিক্ষক হত্যার প্রতিবাদে মাভাবিপ্রবিতে মানবন্ধন
ইবিতে শিক্ষক হত্যার প্রতিবাদে মাভাবিপ্রবিতে মানবন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
যাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতিয়ায় ২৮৫ বস্তা চোরাই চিনি জব্দ
হাতিয়ায় ২৮৫ বস্তা চোরাই চিনি জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে হামলা করে অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, চিন্তায় মিত্ররা
ইরানে হামলা করে অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, চিন্তায় মিত্ররা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান
যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর
ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’
‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ
‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই
ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের
কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?
ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ
ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত
ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা
ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়
সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি
বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?
ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা
বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?
বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প
দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প

নগর জীবন

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’

পরিবেশ ও জীবন

খননেও পানি নেই নদীতে
খননেও পানি নেই নদীতে

নগর জীবন

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে
বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে

নগর জীবন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি
পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি

শনিবারের সকাল

চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা
চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো
ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো

পেছনের পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি
তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি

শনিবারের সকাল

ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স
ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স

নগর জীবন

প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ
প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা