শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫৭, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস

ফাইজুস সালেহীন
অনলাইন ভার্সন
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস

বাংলাদেশের মানুষের জাগরণের মাস ফেব্রুয়ারি; এবার এসেছে খুব নীরবে। এত নীরবে আর কখনো আসেনি কোনো ফেব্রুয়ারি। রাজনীতিমুখর যারা, তারা বলবেন, নীরবে কোথায়! এবার তো মাসটি এসেছে ভোটের মাদল বাজিয়ে। শহর ও গ্রাম জেগে উঠেছে ভোটের উত্তাপে। বহুদিন ভোট সামনে রেখে মানুষকে এতটা মুখর হতে দেখা যায়নি। তবে এই মুখরতা কতটা প্রাণবন্ত, কতটা নির্মল ও সুন্দর তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। বলা হয়েছিল, এবার একটি সেরা নির্বাচন উপহার দেওয়া হবে। ইলেকশন হবে উৎসবমুখর। কিন্তু সেই উৎসবের আমেজটা ঠিক পাওয়া যাচ্ছে না। হিংসার রাজনীতি ভোটের বাতাস বিষাক্ত করে তুলেছে অনেক ক্ষেত্রে। ইলেকশন হচ্ছে বলে এবার ভাষার মাস বলে সমাদৃত ফেব্রুয়ারি গুরুত্ব হারিয়েছে, ব্যাপারটি কিন্তু মোটেও তেমন নয়।

অতীতে আরও বেশ কয়েকটি সাধারণ নির্বাচন ফেব্রুয়ারি মাসে হয়েছে। ১৯৭৯ সালে দেশের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৮ ফেব্রুয়ারি। নব্বইয়ের ঐতিহাসিক গণ অভ্যুত্থানের পর ১৯৯১ সালে পঞ্চম সংসদের নির্বাচন হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯১ সালে। ভোট চলাকালে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নেতারা সামগ্রিক পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। প্রার্থীরাও সন্তুষ্ট ছিলেন, যদিও ফলাফল প্রকাশের পর শেখ হাসিনা সূক্ষ্ম কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগ ধোপে টেকেনি।

১৯৯১ সালের নির্বাচনটি তাৎপর্যের বিচারেও ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বলা যায়, সেটা ছিল একটা টার্নিং পয়েন্ট। এরশাদের পদত্যাগের পর তিন জোটের রূপরেখা অনুযায়ী বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত হয় অস্থায়ী সরকার। সেটি কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল না। অন্তর্বর্তীও না।

জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য স্রেফ ফাইজুস সালেহীনএকটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছিল। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের কাছে অস্থায়ী প্রেসিডেন্টের পদ গ্রহণের প্রস্তাব নিয়ে গেলে তিনি শর্ত দেন যে এই পদ তিনি নিতে পারেন, তবে দায়িত্বপালন শেষে তাঁকে তাঁর প্রধান বিচারপতির পদ ফিরিয়ে দিতে হবে। তাতে সব দল ও জোট সম্মতি দিলে তিনি অস্থায়ী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিন জোটের রূপরেখায় সংবিধান সংশোধন করে পার্লামেন্টারি ডেমোক্র্যাসি চালুর কথাও বলা হয়েছিল। তিন জোটের রূপরেখা তৈরি হয়েছিল খুব কম সময়ের মধ্যে। এজন্য কোনো কমিশন গঠনের প্রয়োজন হয়নি। কোনোরূপ গণভোটও হয়নি। কোনো বিশেষজ্ঞের অমূল্য পরামর্শ ছাড়াই আমাদের তৎকালীন বিদগ্ধ রাজনৈতিক সমাজ রূপরেখা দিতে পেরেছিলেন। এবং সেই রূপরেখা বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতে পেরেছিল গভীর থেকে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ করা বাঞ্ছনীয় যে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিএনপি জয়লাভ করলেও সরকার গঠনের মতো মেজরিটি পায়নি। পেয়েছিল ১৪০টি আসন। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৫১টি আসন। আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৮৮টি। জামায়াতে ইসলামী পেয়েছিল ১৮টি আসন। স্মৃতি যদি প্রতারণা না করে থাকে, তাহলে এই ১৮টি আসনই জামায়াতে ইসলামীর ইলেকশন ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রাপ্তি। উল্লেখ্য তখন জামায়াতের আমির ছিলেন আব্বাস আলী খান। অনেকেই আব্বাস আলী খানকে তুলনামূলকভাবে অনেকটাই মডারেট মনে করে থাকেন। তিনি উগ্র কথাবার্তা কম বলতেন। তখন সরকারে জামায়াতে ইসলামী যোগ না দিয়ে বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছিল। ফলে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির পক্ষে সরকার গঠন সহজ হয়েছিল। ’৯১ সালের পার্লামেন্টই শাসনতন্ত্রে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধমে দেশে চালু করে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা। এ ছিল এক ঐতিহাসিক অর্জন, যার মূলে ছিল তিন জোটের রূপরেখা।

ইতিহাসটুকু বলার উদ্দেশ্য এই যে ফেব্রুয়ারি মাসে ইলেকশন হলেও একুশের উদ্দীপনা তাতে একটুও ম্লান হয়নি। নব্বইয়ের গণ অভ্যুত্থানও একুশকে ছাপিয়ে যায়নি। এর আগেও ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত কোনো নির্বাচন একুশের আমেজ ম্লান করেনি। কিন্তু ’২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ও এবারের নির্বাচন একুশের ওপর যেন কালো পর্দা টেনে দিয়েছে। এ বছর কোথাও একুশের কোনো গানও বাজতে শোনা যায় না। আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, কিংবা মোদের গরব মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা, ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়-এই অজেয় গানগুলোও যেন বা হারিয়ে গেছে। অথচ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং তার মধ্য দিয়ে অঙ্কুরিত বাঙালির স্বাধীনতার আকাক্সক্ষাই স্বাধিকার ও স্বাধীনতার চেতনায় সঞ্চারিত করেছিল সুতীব্র প্রাণাবেগ। একুশে হয়ে উঠেছিল বাঙালির নবজাগরণের মূলমন্ত্র। ভাষা, শিল্প, সাহিত্য, গানে ও কবিতায় যে বিপুল প্রাণ সঞ্চারিত করেছিল তা অব্যাহত ছিল ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পূর্বপর্যন্ত। এরশাদের একনায়কতান্ত্রিক শাসন কিংবা শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসন একুশের চেতনা খর্ব করেনি। বরং এরশাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সময়ে একুশের প্রাণাবেগ দেশের রাজনীতিকে দারুণভাবে প্রভাবিত করেছিল। ডাকসুর নেতৃত্বে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ১৪ তারিখে।

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৭ সাল থেকে ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ জাতীয় কবিতা উৎসবের আয়োজনের সূত্রপাত হয়। সেটা অব্যাহত ছিল এই সেদিন পর্যন্ত। সে সময়ে রাজধানী ঢাকায় এবং দেশের প্রায় সব জেলা শহরে গড়ে উঠেছিল সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রবল আন্দোলন। গড়ে উঠেছিল শত শত সাংস্কৃতিক সংগঠন। ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, যশোর, খুলনা, বগুড়া, সিলেট ও ফরিদপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে হতো সাহিত্য-সংস্কৃতির বিবিধ আয়োজন। এসবের বেশির ভাগই হতো ফেব্রুয়ারি মাসে। এসব আয়োজনের অন্তরমূলে ছিল একুশে ফেব্রুয়ারির প্রেরণা। লিটল ম্যাগ ও প্রথাবিরোধী সাহিত্যের ধারাটিও তখন বেগবান হয়ে উঠেছিল। থিয়েটার আন্দোলনের জন্যও সেই সময়টা ছিল গতিষ্মান। ঢাকার বেইলি রোডকে তখন অনেকে বলতেন নাটক সরণি। মোটকথা একুশের প্রেরণা বাঙালির মনের জগৎকে এতটাই আন্দোলিত করেছিল, সে হয়ে উঠেছিল সতত বিকাশোন্মুখ। তখনই বিকাশ ঘটতে শুরু করেছিল একটি সৃজন ও মননশীল প্রজন্মের। বিকাশ ঘটতে শুরু করেছিল নানা মত ও পথের। সেই প্রজন্মের মধ্যে চিন্তার বৈপরীত্য ছিল, বিভিন্নতা ছিল। কিন্তু প্রত্যেকেই ছিলেন অশুভর বিরুদ্ধে। তারা সোচ্চার ছিলেন অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে। বোম্বের নগ্নতা, হিন্দি গান ও সিনেমার প্রাবল্য, খেমটা নাচ, খিস্তিখেউড়ের যে সংস্কৃতি-সেই সংস্কৃতির বিপক্ষে ছিল বিকাশমান প্রজন্মের অবস্থান। অপরাজনীতির পক্ষেও ছিলেন না তারা কখনোই। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তারা অংশগ্রহণ করেন সৃজনশীলতার শক্তিসহযোগে। জাতীয় কবিতা উৎসবের মঞ্চে বসে আঁকা হয়েছিল বিশ্ব বেহায়া নামের সেই বিখ্যাত কার্টুনচিত্রটি।

দেশ ও বিশ্বের ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসে অনেক বড় বড় ঘটনা ঘটেছে। এবং ভবিষ্যতেও ঘটবে। কিন্তু বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারি মাসটি বিশেষভাবে চিহ্নিত ’৫২-এর একুশ তারিখের জন্য। বাঙালির হৃদয়ে এই মাসের নামটি যেন চিরকালের জন্য লেখা হয়ে গেছে রফিক, সালাম, জব্বারের রক্তের অক্ষরে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ সারা দেশে ছোটবড় হাজার মিনার, বাংলা একাডেমি, অমর একুশে গ্রন্থমেলা, শতসহস্র বই, বইয়ের হাজার পাঠক, অগণিত শিল্পী, কবি, সাহিত্যিক, বাঙালির গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রাম সাক্ষ্য দেয় ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি উদ্দীপন ও উজ্জীবনের নাম। জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই দেখে এসেছি বছর ঘুরে ফেব্রুয়ারি এলেই দৈনিক পত্রিকাগুলোর প্রথম পৃষ্ঠার প্রথম কলামটি ছেড়ে দেওয়া হয় একুশের জন্য। একুশ ফেব্রুয়ারির জন্য নিবেদিত বিশেষ কলাম ছাপা হতো প্রতিদিন। ভাষা সাহিত্য নিয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা প্রকাশিত হতো পত্রিকায়। এবার জাতীয় নির্বাচনের অজুহাতে অমর একুশে বইমেলাটাও হলো না। অথচ ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইলেকশন হলেও বইমেলা বাধাগ্রস্ত হয়নি। এবার হয়েছে। জাতীয় কবিতা উৎসবও হয়নি। কবিরা শুনেছি বিভক্ত। তাদের বিভাজন কবিতার উৎসবকে অনুৎসবে পরিণত করেছে। অতীতে রোজার মাসেও বইমেলা হয়েছে। রোজা বইয়ের প্রকাশ, বিপণন ও পাঠ আটকায়নি। এবার আটকে দিয়েছে। অতীতে বাংলা একাডেমি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজের মতো কাজ করতে পেরেছে। এবার পারেনি। অবশ্য গত বছর বইমেলা যথাসময়ে হয়েছিল। কিন্তু সেই মেলার বাতাস ছিল কৃত্রিমতায় ভরা। একটি ডাস্টবিনের জন্য মেলাটি বেশ আলোচিত হয়েছিল। গতবারের মেলায় বহু পাঠক যায়নি।

নানান ছলছুতায় অথবা বেখেয়ালে আমরা যে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিকে অনেকটাই অপাঙ্ক্তেয় করে দিলাম-এর ফল খুব ভালো কি হবে আমাদের? যারা নিজেদের স্বাধীনতার পক্ষশক্তি বলে দাবি করেন এবং আমরা যাদের বিশ্বাসও করি তাদের কি এ বিষয়ে কিছু বলবার নেই? তারা কি ভুলে গেছেন জিয়াউর রহমানের (শহীদ প্রেসিডেন্ট) লেখা একটি জাতির জন্ম নামের বিখ্যাত প্রবন্ধের মর্মকথা? সেই প্রবন্ধের শুরুতেই কি বলা হয়নি, পাকিস্তান সৃষ্টির পরপরই ঐতিহাসিক ঢাকা নগরীতে মি. জিন্নাহ যেদিন ঘোষণা করলেন, উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা, সেদিনই বাঙালি জাতির অঙ্কুরোদগম ঘটেছিল!

জাতীয় নির্বাচন অত্যাসন্ন। এই সময়ে বেয়াড়া প্রশ্নগুলো না হয় চেপেই গেলাম। তবে আশা করি, একটি ভালো নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা একটি ভালো সরকার পাব। যারা আমাদের ভাষা-সংস্কৃতির হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে দেবেন। খিস্তিখেউড়ের যে একটি রাজনৈতিক ভাষার ধারা তৈরি হয়েছে, সুশাসন দিয়ে, জ্ঞান ও সৃজনশীলতার শুভবোধ দিয়ে তারা এই ভাষা মুছে দেবেন।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
সর্বশেষ খবর
২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের
২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষি সচিবের বারি পরিদর্শন
কৃষি সচিবের বারি পরিদর্শন

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীর অদৃশ্য শ্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে: ফারজানা শারমীন
নারীর অদৃশ্য শ্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে: ফারজানা শারমীন

৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই : ডা. শাহাদাত
নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই : ডা. শাহাদাত

৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানের নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান
ইরানের নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফুলগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ফুলগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭
দিনাজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এসএসসি-১৯৮১ ব্যাচের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
এসএসসি-১৯৮১ ব্যাচের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত
ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের
ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা, জরিমানা
চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা, জরিমানা

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস
রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক
বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক

১৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড
গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ
ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান
ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন
বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন

২৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

২৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার
গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট
কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০
নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল
নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক
চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের
সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার
যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার
নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান
যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর
ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’
‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ
‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই
ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের
কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?
ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ
ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত
ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা
ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি
বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়
সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?
ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা
বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?
বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প
দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প

নগর জীবন

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’

পরিবেশ ও জীবন

খননেও পানি নেই নদীতে
খননেও পানি নেই নদীতে

নগর জীবন

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে
বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে

নগর জীবন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি
পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি

শনিবারের সকাল

চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা
চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো
ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো

পেছনের পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স
ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স

নগর জীবন

তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি
তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি

শনিবারের সকাল

প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ
প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা