শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৫৯, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও

জনগণকে দেশের মালিকানা ফেরত দিতে হলে দরকার নির্বাচনের। সেই প্রশ্নে আসন্ন নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয়, বন্দোবস্ত বদলেরও। এই নির্বাচনের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে, দেশে যেন আর ফ্যাসিবাদ-একত্ববাদ তথা স্বৈরাচার জন্ম না নেয়। কারো দ্বিমত করার কারণ নেই যে, বিতাড়িতদের আমলে টানা তিনটি নির্বাচনী তামাশা শুধু একজন আয়রন লেডি জন্ম দেয়নি, ভোটাধিকারও কবর দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন ব্যবস্থাকে ছারখার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের মতো প্রাচীন ও বিশাল দলটিকেও ফেরারি করে দিয়েছে। বিশ্বদরবারে দেশকে কলঙ্কিত তো করেছেই। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে চারটি ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনকে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন মনে করা হয়।

পরাজয়ের ভয় থেকে ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকার আদালতকে ব্যবহার করে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাটি বাতিল করে দেশবাসীকে ভোটাধিকারহীন করেছে। নিজেদেরও নিয়ে গেছে ঘৃণা ও পরিত্যক্তের খাতায়।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা মানলে জনগণই রাষ্ট্রের মালিক। সেটাও বলতে গেলে এক দিন।

পাঁচ বছরে মাত্র এক দিন, অর্থাৎ নির্বাচনের দিন তারা ক্ষমতায়িত হয়। তারা ভোট দিয়ে যোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় বসায়। তাদের মতকে পাঁচ বছর গুরুত্ব দেবে সরকারটি। সেটাই প্রকারান্তরে জনগণের ক্ষমতায়ন। এবারের নির্বাচনটি তাই শুধু উৎসবের নয়, গভীর চিন্তা-ভাবনার বিষয়ও।

ভোটাররা সচেতনভাবে যোগ্য প্রার্থীকে শুধু ভোট দেওয়াই নয়, ভোটের পর নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকলে তাদের পছন্দের দল বা সরকার এদিক-ওদিক করতে পারবে না। জনমতকে গুরুত্ব দিতে বাধ্য থাকবে। তাই নির্বাচনে ভোটারদের বিশাল দায়িত্ব রয়েছে। ব্যক্তির গুণাবলি, চরিত্র, বৈশিষ্ট্য দেখে ভোট দেওয়াও দায়িত্ব। নির্বাচনী ব্যবস্থা সুন্দর হলে ভোটারদের সমর্থন না পেলে একজন ব্যক্তির পক্ষে সংসদ সদস্য হওয়া অসম্ভব। তখন দুষ্ট লোকদের পক্ষে সম্ভব হবে না পবিত্র সংসদে যাওয়া। তাই নির্বাচনী ব্যবস্থার ত্রুটি দূর করা, ভোটারদের অসচেতনতা বা দুষ্ট লোকদের ‘না’ বলার বন্দাবস্ত রচনাই এবার উপযুক্ত সময়। ভোটারদের রুচি-বৈশিষ্ট্য নিয়ে সমালোচনা কাটানোরও একটা মোক্ষম সময়।

লক্ষ করার বিষয়, এবারের নির্বাচনের দিকে বিদেশিদেরও কড়া দৃষ্টিপাত। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো কোনো নির্বাচন সামনে রেখে এতগুলো দেশ একসঙ্গে এত বেশি সক্রিয় হয়নি। নির্বাচন ঘনিয়ে এলে বরাবর বিদেশি কূটনীতিকদের চোখ-চাহনি থাকলেও এবারের পরিপ্রেক্ষিত বেশ ভিন্ন। এবার সরকার আর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিদেশি কূটনীতিকদের যোগাযোগ, বৈঠক, নানা বিষয়ে তাগিদ ও পর্যবেক্ষণ শুধু রেওয়াজ নয়, বাড়তি আরো অনেক কিছু। ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন ও নির্বাচনের জন্য তাঁদের উতল অপেক্ষার কথা। জানিয়েছেন মানুষের ভোটে নির্বাচিত যেকোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতি ও অপেক্ষার কথাও।

আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের নির্বাচন আয়োজনের বড় শরিক নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতি জানতে সেদিন কমিশনে সশরীরে চলে যান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। উল্টেপাল্টে ব্যালট পেপারের আকার-আকৃতিও দেখেছেন। তাঁর আগ্রহদৃষ্টে সিইসি বিস্তারিত জানান কমিশনের প্রস্তুতির বিষয়াদি। এতে সন্তোষ প্রকাশ করেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এর বাইরে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বাড়তি আগ্রহ রয়েছে। নির্বাচনে স্বতন্ত্র পর্যবেক্ষকদল পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র। পর্যবেক্ষণে বের হবেন তাদের ঢাকাস্থ দূতাবাস কর্মকর্তারাও। এই তথ্যের সোর্স ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি এও পরিষ্কার করে জানান, ইসির তালিকাভুক্ত ‘প্রথাগত (ফরমাল) অবজারভার’ নয়, নিজস্ব উদ্যোগে ভোটের অবস্থা দেখবে মার্কিনরা।

বাংলাদেশে নির্বাচন সামনে রেখে খুব ক্রুশিয়াল সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় আসেন গত ১২ জানুয়ারি। বাংলাদেশ বিষয়ে অনেক হোমওয়ার্ক তাঁর। ভোটের কাউন্টডাউনের এই সময়ে তাঁর এমন বক্তব্য ও দূতাবাসের প্রস্তুতি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের একার নয়, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা প্রত্যাশী আরো অনেক দেশ ও সংস্থার বার্তা অভিন্ন। ঢাকাস্থ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনগুলোই আসন্ন নির্বাচন নিয়ে তৎপর। বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক চলছে। সরকারের নির্বাচনসংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে দেনদরবারও বেশ। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা কূটনীতিকদের তৎপরতার কিছু কিছু গণমাধ্যমে আসছে। প্রেসকে এড়িয়ে বা না জানিয়ে অনানুষ্ঠানিক ওঠাবসাও চলছে।

চীনসহ এশিয়া অঞ্চলের কূটনীতিকরা দলীয় প্রধানদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছেন। বৈঠকের বাইরে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা বড় দুই রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ রাখছেন। বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার হয়ে কূটনীতিকদের মূল চাওয়া সুষ্ঠু নির্বাচন ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে গণতান্ত্রিক উত্তরণ। নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে স্বস্তিতে কাজ করার আগ্রহের কথা তাঁরা বেশ পরিষ্কার করেই বলছেন। এ নিয়ে সরকার ও রাজনৈতিক কোনো পক্ষেরই অনাগ্রহ নেই। সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হলে এর জের ও পরিণতি সম্পর্কে কোনো কোনো দেশের কূটনীতিকরা সতর্কবার্তাও দিয়ে চলছেন। তাই সবারই প্রত্যাশার পারদে সুষ্ঠু নির্বাচন, নির্বাচিত-সাংবিধানিক সরকারের কাছে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর এবং স্থিতিশীল দেশ। এই তাগিদ ও আকাঙ্ক্ষায় আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর তিন দিন আগেই জেলাভিত্তিক পর্যবেক্ষকদল পাঠিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। ৫৬ জনের প্রতিনিধিদল দুজনের গ্রুপে ভাগ হয়ে দেশের সব জেলা পরিদর্শনে রয়েছে। বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয়েও চোখ-চশমা ফেলছে। নোট নিচ্ছে। সরকার ও কয়েকটি দলের কনসার্ন জায়গায় অবহিত করছে। কিছু নমুনায় অনেকটা স্পষ্ট, এবার দলগুলো বেশ গোছানো ইশতেহার দিয়েছে।

আর ইশতেহার শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, দায়ও। প্রার্থীদের অনেকের মধ্যেও এবার দল ঘোষিত ইশতেহারের বাইরে নিজ নিজ এলাকায় বিশেষ ওয়াদা দেওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয়। বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে নেওয়া যায়। কারণ গেল তিনটি নির্বাচনে তো পারতপক্ষে ওয়াদা দেওয়ার দরকার হয়নি। কেউ ভোট দিলে বা না দিলে কিছু যায়-আসে না—এই মনোভাবের কারণেই এমনটি হয়েছে। এবার ব্যতিক্রমের নেপথ্যে কাজ করছে জনগণ ছাড়া রাজনীতি টেকসই হবে না—কিছুটা হলেও এই বোধ জাগা। ভোটের আগে তাঁরা যেভাবে ভোটারদের শরণাপন্ন হচ্ছেন, জড়িয়ে ধরছেন, ভোটের পরও তা মনে রাখলে রাজনীতিতে কিছুটা হলেও নতুন বন্দোবস্তের সূচনা হবে। সেই মনোযোগ, শ্রবণযোগ্যতা অব্যাহত থাকলে রাজনীতির চরিত্র বদলাতে থাকবে বলে আশা করতে দোষ নেই। সমান্তরালে এ কথাও সত্য, ভোটাধিকার আর নির্বাচনই গণতন্ত্রের শেষ কথা নয়।

মানুষের জীবিকা, আয়-রোজগার, কর্মসংস্থান, সর্বোপরি দেশের অর্থনীতিও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। রাজনৈতিক আর অর্থনৈতিক অধিকারকে আলাদা করা যায় না। দেশের অর্থনীতিসহ কিছু বিষয়কে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতেই হবে। কে ব্যবসা করবে, কে ঋণ পাবে, কে চাকরি পাবে—এসব যেন রাজনৈতিক পরিচয়ে না হয়। যা চলেছে গেল সরকারটির আমলে। অর্থনীতিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রথম শর্ত হলো রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত আর্থিক ব্যবস্থা। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ না হলে তার বোঝা পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর—কর বাড়ে, এতে মূল্যস্ফীতি বাড়তে আর কিছু লাগে না। রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর হাতে বিপুল সম্পদ ও সুযোগ কেন্দ্রীভূত হয়েছে। ব্যাংক খাতের অনিয়ম, খেলাপি ঋণ, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয়—এসবের পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব মূল ভূমিকা রেখেছে। দেশে আয় ও সম্পদের বৈষম্য বিপুলভাবে বেড়েছে এ কারণেই। নতুন বন্দোবস্তে এর সুরাহায় সচেতন থাকতে হবে ভোটারদের। তাদের এই সচেতনতার পাশাপাশি ভোটের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ধরে রাখার দায়িত্ববোধ থাকতে হবে। ক্ষমতাচ্যুত দল ও তাদের সমর্থকরা নির্বাচন বানচাল করতে চাইবে, তা মাথায় রাখতে হবে।

সরকার ও মাঠে থাকা দলগুলোর সঙ্গে ভোটাররাও সচেতন থাকলে বিতাড়িতরা ভোট বানচালের অপচেষ্টা করলেও সুবিধা করতে পারবে না। নির্বাচন কেমন হবে, সেটা বহুলাংশে নির্ভর করে সরকার ও মাঠে থাকা দলগুলোর ওপর। বাংলাদেশের গণতন্ত্রে উত্তরণ বিষয়ে আগ্রহী পশ্চিমাদের সমর্থনও বড় বিষয়। ইতিবাচক দিক হলো, সেনাবাহিনী শুরু থেকেই গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে। এই কাজে সহায়তা করে দ্রুত ব্যারাকে ফেরার বিষয়ে আগ্রহের কথা তারা জানিয়েছে বারবার। ফ্যাসিবাদের পতনের পর থেকেই যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করার স্পষ্ট বার্তা ছিল সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের। দেশকে গণতন্ত্রায়ণে আনতে তাঁর ও বাহিনীর আন্তরিকতার কথা বলে আসছেন অবিরাম। শুধু কথায় নয়, কাজেও তার প্রমাণ দিয়ে চলছেন তিনি, যা অতীত-বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ইতিহাসেরও পাঠ-পঠন হয়ে থাকবে। চৌকস সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকারের চব্বিশের সময়োপযোগী ম্যাজিক দেশকে রক্তপাত থেকে বাঁচিয়ে সামনে এগোনোর একটি পথরেখা দিয়েছে।

বিশ্বায়নের এই যুগে রাজনীতি, অর্থনীতি, কূটনীতি, সমরনীতি, নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্বকে আলাদা করা যায় না। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সেনাবাহিনীর ভূমিকা সব সময়ই প্রাসঙ্গিক। কখনো কখনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতেও। ২০২৪ সালে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সেনাবাহিনী যেভাবে অংশীজন হয়েছে, তা সংগত কারণেই বাহিনীটির ওপর প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে। সামগ্রিক অনিবার্য পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেসি সক্ষমতা নিয়ে এখনো মাঠে আছে সেনাবাহিনী। আর আছে বলেই সম্ভাব্য অনেক বিপদ থেকে রক্ষা। একটি সুন্দর নির্বাচন তুলে এনে শুধু একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর নয়, গণতন্ত্রায়ণে নতুন বন্দোবস্তের বাংলাদেশ বিনির্মাণেও তা ভূমিকা রাখবে—এই অপেক্ষা সচেতন সবার।

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

এই বিভাগের আরও খবর
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
সর্বশেষ খবর
টেকনাফে গাঁজাসহ আটক ৯
টেকনাফে গাঁজাসহ আটক ৯

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ
শাবিপ্রবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ

৪০ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্পাস

উপসাগরে প্রবেশ করলে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ সাগরের নিচে যাবে, হুমকি ইরানের
উপসাগরে প্রবেশ করলে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ সাগরের নিচে যাবে, হুমকি ইরানের

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের
২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষি সচিবের বারি পরিদর্শন
কৃষি সচিবের বারি পরিদর্শন

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীর অদৃশ্য শ্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে: ফারজানা শারমীন
নারীর অদৃশ্য শ্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে: ফারজানা শারমীন

২০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই : ডা. শাহাদাত
নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই : ডা. শাহাদাত

২১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানের নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান
ইরানের নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফুলগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ফুলগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭
দিনাজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এতিম শিশুদের নিয়ে এসএসসি-১৯৮১ ব্যাচের ইফতার মাহফিল
এতিম শিশুদের নিয়ে এসএসসি-১৯৮১ ব্যাচের ইফতার মাহফিল

২৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত
ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের
ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা, জরিমানা
চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা, জরিমানা

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস
রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক
বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক

৩৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড
গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ
ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান
ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন
বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন

৪২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

৪২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার
গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট
কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০
নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল
নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক
চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান
যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর
ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’
‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ
‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই
ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের
কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?
ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ
ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত
ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি
বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা
ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়
সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?
ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা
বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?
বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প
দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প

নগর জীবন

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’

পরিবেশ ও জীবন

খননেও পানি নেই নদীতে
খননেও পানি নেই নদীতে

নগর জীবন

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে
বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে

নগর জীবন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি
পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি

শনিবারের সকাল

চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা
চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো
ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো

পেছনের পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স
ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স

নগর জীবন

তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি
তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি

শনিবারের সকাল

প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ
প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা