শিরোনাম
প্রকাশ: ২২:৪৩, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ২২:৪৯, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি

আহসান হাবিব বরুন
অনলাইন ভার্সন
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি

চট্টগ্রাম বন্দর কোনো ট্রেড ইউনিয়নের খেলার মাঠ নয়, কোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠীর দরকষাকষির টেবিলও নয়। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান ধমনী। এই ধমনী চেপে ধরে যারা রাষ্ট্রকে ব্ল্যাকমেইল করতে চায়, তারা শ্রমিকের মুখোশ পরলেও বাস্তবে তারা অর্থনৈতিক নাশকতাকারী—এ কথা এখন আর ঘুরিয়ে বলার সুযোগ নেই।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা চুক্তিকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বন্দরে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা কাকতালীয় নয়। এটি পরিকল্পিত।

আদালতের রায়, সরকারের সিদ্ধান্ত এবং ব্যবসায়ী সমাজের আকুতি—সবকিছুকে উপেক্ষা করে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে: ‌‘আমাদের সুবিধা অক্ষুণ্ন না থাকলে দেশ চলবে না।’ এই বার্তা কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ভাষা নয়। এটি স্রেফ মাফিয়াতন্ত্রের ভাষা। আদালতের রায়ের পরও ‘আন্দোলন’—কার বিরুদ্ধে?

এনসিটি ইজারা চুক্তিকে সর্বোচ্চ আদালত বৈধ ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ আইন, সংবিধান ও রাষ্ট্র—তিনটিই এক কাতারে দাঁড়িয়ে। তবুও যারা আন্দোলনের নামে বন্দর অচল করছে, তারা আসলে কিসের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে? সরকারের বিরুদ্ধে? না। ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিরুদ্ধে? সেটাও নয়। তারা দাঁড়িয়েছে আইনের শাসনের বিরুদ্ধে। এই জায়গাটায় আর কোনো ধোঁয়াশা রাখার সুযোগ নেই।

চট্টগ্রাম বন্দর বন্ধ মানে শুধু জাহাজ থেমে যাওয়া নয়—এর অর্থ হচ্ছে গার্মেন্টস কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, রপ্তানি আদেশ বাতিল হওয়া, ডলার আয়ে ধাক্কা, বাজারে পণ্যের ঘাটতি এবং শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের পকেটে আগুন।

ব্যবসায়ীরা হিসাব দিয়ে বলছেন—প্রতিদিন কনটেইনারপ্রতি ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ। প্রশ্ন হলো, এই টাকা কে দিচ্ছে? শ্রমিক? না। দিচ্ছে ব্যবসায়ী, আর শেষ পর্যন্ত দিচ্ছে ভোক্তা—সাধারণ মানুষ। তাহলে আন্দোলনের খেসারত দিচ্ছে কে, আর লাভবান হচ্ছে কারা?

সম্প্রতি নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন যে বাস্তবতা প্রকাশ করেছেন, সেটি এতদিন সবাই জানত, কিন্তু বলার সাহস করত না। তার ভাষায়, চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা অবৈধভাবে চাঁদাবাজি হয়। ট্রাক ঢুকলেও চাঁদা, বেরোলেও চাঁদা, লাইনে দাঁড়ালেও চাঁদা। বন্দর যেন একটি “সোনার ডিম পাড়া মুরগি”—যার ওপর বহুদিন ধরে নির্দিষ্ট কিছু সিন্ডিকেট নির্ভরশীল।

এই বন্দরের চারপাশে বছরের পর বছর ধরে গড়ে উঠেছে একটি অদৃশ্য কিন্তু শক্তিশালী অর্থনৈতিক মাফিয়া। এখন যখন সেই মাফিয়ার শিকড় কাটার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তখনই ‘শ্রমিক স্বার্থ’ আবিষ্কার হয়েছে। এতদিন এই স্বার্থ কোথায় ছিল?

ডিপি ওয়ার্ল্ড বিশ্বের প্রায় ৫০টি দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে। ভারত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, হংকং, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোতে তারা কাজ করছে। এই দেশগুলো কি তাদের সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে? না। বরং তারা পেয়েছে দ্রুত জাহাজ চলাচল, কম খরচ, স্বচ্ছতা এবং বাড়তি রাজস্ব।

কিন্তু বাংলাদেশে এলেই নাকি সব সর্বনাশ!এই যুক্তি অজ্ঞতা নয়—এটি ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি।আসল ভয় কোথায়?আসল ভয় ডিপি ওয়ার্ল্ডে নয়। আসল ভয় হলো—চাঁদাবাজি বন্ধ হবে। অঘোষিত সিন্ডিকেট ভাঙবে। অস্বচ্ছ লেনদেনের দরজা বন্ধ হবে। এই ভয় থেকেই এই প্রতিরোধ।

এনসিটি ইজারা চুক্তির বিরোধিতার নামে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান, রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে বাধা এবং বন্দর অচল রাখা—এসব আসলে সুশাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান। যারা সত্যিই শ্রমিকের কল্যাণ চায়, তারা কখনোই পুরো দেশের অর্থনীতি জিম্মি করে দাবি আদায় করতে পারে না।

সংস্কার মানেই কারও না কারও সুবিধা হারানো। চাঁদাবাজি বন্ধ মানেই কিছু পকেট হালকা হওয়া। তাই এই প্রতিরোধকে শুধু “শ্রমিক আন্দোলন” বলে সরলীকরণ করলে বাস্তবতাকে অস্বীকার করা হয়।

এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের সামনে বিকল্প নেই। আইন মানতে হবে, আদালতের রায় কার্যকর করতে হবে এবং বন্দর সচল রাখতে প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। আলোচনার দরজা খোলা থাকবে, কিন্তু ব্ল্যাকমেইলের কাছে কিছুতেই নতি স্বীকার করা যাবে না।

এনসিটি ইস্যু এখন আর কেবল একটি টার্মিনালের প্রশ্ন নয় বরং এটি একটি দৃষ্টান্তের প্রশ্ন। এই দৃষ্টান্ত যদি হয়—‘চাপ দিলে রাষ্ট্র নরম হয়’,তাহলে আগামী দিনে এই চাপ আরও বাড়বে। আর যদি দৃষ্টান্ত হয়—‘আইন মানতেই হবে’, তাহলে শুধু বন্দর নয়, পুরো রাষ্ট্র ব্যবস্থাই শক্ত হবে। সুতরাং সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখনই সময়। জাতীয় ও জনস্বার্থ মাথায় রেখে বন্দরের অচলাবস্থা নিরসনে এক মুহূর্ত দেরি না করে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে হবে।

লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ঢাকা।
[email protected]  

এই বিভাগের আরও খবর
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
ভরদুপুরে ছেলেখেলা
ভরদুপুরে ছেলেখেলা
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
সর্বশেষ খবর
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ৫০০ ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ৫০০ ফ্লাইট

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

শেরপুরের তেরাবাজারে জমজমাট ঈদ বাজার, স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড়
শেরপুরের তেরাবাজারে জমজমাট ঈদ বাজার, স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড়

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া: জেলেনস্কি
ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া: জেলেনস্কি

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১০৮
হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১০৮

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা
হরিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা

১২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

৫৩ কেজি গাঁজা ও ৭৬ বোতল এস্কাফ রেখে পালাল কারবারিরা
৫৩ কেজি গাঁজা ও ৭৬ বোতল এস্কাফ রেখে পালাল কারবারিরা

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে সাথী হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
মাদারীপুরে সাথী হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটচাঁদপুরে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত
কোটচাঁদপুরে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের একাদশে তিন পরিবর্তন
টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের একাদশে তিন পরিবর্তন

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত
রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল
রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল

৪২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

লোকালয়ে মদের ভাটি, অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা
লোকালয়ে মদের ভাটি, অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা
দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

৪৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী
প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

৪৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত
সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত

৫৫ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বিশ্বকাপের প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো যাচ্ছে ইরাক
বিশ্বকাপের প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো যাচ্ছে ইরাক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫
ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০
ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বনাথে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
বিশ্বনাথে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে
ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় প্রথম জিরা চাষ, ফলনে খুশি কৃষক
ভাঙ্গায় প্রথম জিরা চাষ, ফলনে খুশি কৃষক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০
ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছাড়ছেন আরও তিন ইরানি নারী ফুটবলার
অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছাড়ছেন আরও তিন ইরানি নারী ফুটবলার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবসে নৌকায় আলোচনা সভা
আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবসে নৌকায় আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কাপড়ের বাজারে হুমড়ি খাওয়া ভিড়
নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কাপড়ের বাজারে হুমড়ি খাওয়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ
ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’
‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি
আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির
জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক
মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি
ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি
যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান
ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি
আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?
হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা
ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা
বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?
১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়াই ইরানকে ড্রোন সরবরাহ করেছে, দাবি জেলেনস্কির
রাশিয়াই ইরানকে ড্রোন সরবরাহ করেছে, দাবি জেলেনস্কির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা
তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে
সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু
চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু

মাঠে ময়দানে

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু

প্রথম পৃষ্ঠা

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক
আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে
শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে

দেশগ্রাম

‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’

পেছনের পৃষ্ঠা

রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু

সম্পাদকীয়

হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

সম্পাদকীয়

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি

প্রথম পৃষ্ঠা