শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫৯, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০১:১০, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?

নির্বাচন নিয়ে উৎকণ্ঠার দিনগুলো যে এখনো শেষ হয়নি, গত শুক্রবার শাহবাগ ও আশপাশের এলাকাজুড়ে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে প্রচণ্ড সংঘর্ষের ঘটনা তার প্রমাণ। তিন দিন পর ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে পরিস্থিতিকে হঠাৎ এভাবে অস্থিতিশীল করে তোলা নিয়ে অনেকের মাঝে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। দাবিদাওয়া নিয়ে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার মতো বিক্ষোভে অবতীর্ণ হওয়ার পেছনে কোনো পক্ষ কলকাঠি নাড়ছে কি না, এমন প্রশ্নও দেখা দিয়েছে। দাবি আদায়ের জন্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির এটাই মোক্ষম সময় ভেবে যদি কোনো পক্ষ মাঠে নামে, তাহলে যে কেউ এ ধরনের উদ্যোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই বিবেচনা করবে। কদিন পরই দেশ ও জাতির ভাগ্য নির্ধারণকারী গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন ও গণভোটের মতো তাৎপর্যপূর্ণ ও স্পর্শকাতর ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে এবং কদিন পরই যে সরকার বিদায় নিতে যাচ্ছে, ঠিক তখন সেই সরকার যেকোনো পক্ষের দাবিদাওয়া নিয়ে মাথা ঘামানোর মতো অবস্থায় থাকে না, বিক্ষোভকারীদের তা ভাবা উচিত ছিল। সরকারের সব কর্মকাণ্ড ও ব্যস্ততা এখন নির্বাচনমুখী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মতো জরুরি বিষয় ছাড়া সমগ্র প্রশাসন এখন ব্যাপক অর্থে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। যারাই বিক্ষোভের পরিকল্পনা করাসহ পেছন থেকে কলকাঠি নেড়েছে তারা সুবিবেচনাপ্রসূত কাজ করেনি। সবাই আশা করছে নির্বাচন নির্বিঘ্ন হোক।

নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ছাড়াও ফেব্রুয়ারি বাঙালি ও বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাস। অন্যান্য বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম দিবস থেকে বাংলা একাডেমির আয়োজনে ঢাকায় ‘অমর একুশের বইমেলা’ শুরু হয়। নির্বাচনের কারণে বইমেলা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার বইমেলা শুরু হবে ২০ ফেব্রুয়ারি। প্রচলিত ঐতিহ্য হিসেবে প্রতি বছর বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরকারপ্রধান। নির্বাচনের পর গঠিত সরকারের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে বইমেলা উদ্বোধন করানোর সুযোগ পাবে আয়োজক প্রতিষ্ঠান। নবনির্বাচিত সরকারপ্রধানের জন্যও উপলক্ষটি তাঁর পাঁচ বছর মেয়াদি রাষ্ট্র পরিচালনায় শুভারম্ভ হবে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে দেশে কিছু হত্যাকাণ্ড, কিছু সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকার বাইরে বিক্ষিপ্ত ঘটনা এখনো ঘটে চলেছে। চাঁদাবাজি ও বিশৃঙ্খলা এখনো চলছে। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সত্ত্বেও সবাই চায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর লঙ্ঘনের অপপ্রয়াসগুলো নিয়ন্ত্রণে রেখে ভালোমন্দ মিলিয়ে হলেও নির্বাচন হয়ে যাক এবং নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এসে গত দেড় বছর দেশে যে অনিশ্চিত অবস্থা চলছে, সে অবস্থার দ্রুত অবসান ঘটানোর দায়িত্ব গ্রহণ করুক।

জনগণ এ আশাটুকু ছাড়া কী আর করতে পারে? রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার চেষ্টা, সরকারে গিয়ে প্রতিটি দলের দুর্নীতিবাজদের জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠনের লাগামহীন প্রতিযোগিতা এবং জনগণকে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত সব উপায় অবলম্বন করায় তারা বারবার মুখ থুবড়ে পড়েছে। কিন্তু যখনই নির্বাচন এসেছে, রাজনৈতিক দল ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি, মনভোলানো কথায় তারা বারবার নতুন আশায় বুক বেঁধেছে। তাদের আশা হয়তো ছিটেফোঁটা পূরণ হয়েছে, অপূর্ণ রয়ে গেছে বেশি। তবু তারা আশাহীন হয়নি। বাংলাদেশ যেমন সার্বক্ষণিক ক্রান্তিকাল ও সন্ধিক্ষণে থাকে, জনগণের ক্রান্তিকালেরও কখনো অবসান ঘটে না। এসবের মাঝেই আশা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক দৈবদুর্বিপাক যত বেশি আসে, আশার মাত্রাও তত বেশি থাকে।

সেদিক থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের সাড়ে পাঁচ দশকের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি যুগসন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেড় বছর আগে ওই সময়ের শাসকের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি এখনো মানুষের মনে নিদারুণ ক্ষত, যা কাটিয়ে ওঠা সহজ নয়। স্বাধীন একটি দেশে সাজানো নির্বাচনে ক্ষমতায় চেপে বসা তথাকথিত ‘গণতান্ত্রিক সরকার’ জনগণের ওপর ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে যে বর্বরতম হত্যা ও ধ্বংসলীলা চাপিয়ে দিয়েছিল, উপমহাদেশের এ ভূখণ্ড পাকিস্তান ও বাংলাদেশ আমল মিলিয়ে যে কবার সামরিক শাসনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, কখনো জনগণ এমন ভয়াবহ নরকযন্ত্রণার মুখোমুখি হয়নি। জনগণই সর্বংসহা, তারা ফিনিক্স পাখির মতো ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত হয়ে ওঠে নতুন করে সবকিছু সাজানোগোছানো দেখার আশায়।

এবারও তারা আশায় বুক বেঁধেছে। নতুন কিছু দেখার আশায়, নতুন কিছু পাওয়ার আশায় ১২ ফেব্রুয়ারি তারা ভোট দেবে। কিন্তু তারা কী মনস্থির করতে পেরেছে, কাকে ভোট দেবে? প্রতিশ্রুতির বন্যায় তারা ভাসছে। চব্বিশের পরিবর্তনে তারা নতুন কিছু দেখতে চেয়েছে। কিন্তু সেই পুরোনো মুখে নতুন নতুন প্রতিশ্রুতিতে তারা বিভ্রান্ত। প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর মধ্যে রয়েছে অতীতে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করা একটি পুরোনো রাজনৈতিক দল। ভালোমন্দ মিলেই  তাদের অতীত। ক্ষমতার অপব্যবহার তারাও করেছে। ব্যক্তিকেন্দ্রিক নেতৃত্বের চক্র থেকে দলকে বের করে আনতে পারেনি। সামষ্টিক ও যৌথ নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতে যা ঘটার তা-ই ঘটেছে। জুলাই বিপ্লবের শহীদদের কবরের মাটি শুকানোর আগেই এবং চিরতরে পঙ্গুত্ববরণকারী ও আহতদের কান্নার রেশ কাটতে না-কাটতেই দলটির আশীর্বাদপুষ্টরা তাদের ১৭ বছরের বঞ্চনার তাড়না ও লোভের ক্ষুধা মেটাতে চাঁদাবাজি ও দখলের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে নিজেদেরই এক পক্ষ আরেক পক্ষের ওপর হামলা করেছে। দেশজুড়ে এ তাণ্ডবে তাদেরই কমপক্ষে দেড় শ কর্মী-সমর্থক নিহত হয়েছে। চাঁদাবাজি ও জবরদখলের অভিযোগ ধামাচাপা দিতে অথবা মুখ রক্ষা করার স্বার্থে দলটি তাদের কিছু লোককে নামকাওয়াস্তে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, কারও কারও বিরুদ্ধে কারণ দর্শাও নোটিস জারি করা হয়েছে। তাতে তাদের চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি। 

বর্তমান মুহূর্তে বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যিনি একজন সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পুত্র হওয়ার সৌভাগ্যধন্য, তিনি দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে প্রত্যাবর্তন করলে তাঁকে বীরোচিত অভ্যর্থনা জানানো হয়। তিনি জনগণের সামনে তাঁর প্রতিশ্রুতি ও পরিকল্পনার কথা জানান। মানুষের মনে আশার সঞ্চার হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনি মাঠে অবতীর্ণ হওয়ার পর তাঁর ভূমিকা ও কথাবার্তা এবং তাঁর দলের অনেক নেতার দাম্ভিকতাপূর্ণ আচরণে বিএনপিকে ঘিরে জনগণের আশাভরসার প্রাচীরে ফাটল ধরেছে। তবু জনগণ আশা করেছিল, ২০০৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় দুই দশক ধরে স্বৈরাচারী শাসকের সীমাহীন নিপীড়ন এবং চড়াইউতরাইয়ের শোধনাগারে পরিশোধিত হয়ে বিএনপির আমল-আখলাকে পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। নিপীড়িত হওয়ার বেদনাদায়ক ও তিক্ত অভিজ্ঞতাই অন্যের ওপর নিপীড়ন চালানোয় বাধা হয়ে দাঁড়াবে। নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় গেলে দেশ পরিচালনায় কোনো ভুল পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না। পরিস্থিতিদৃষ্টে এমন কিছু মনে হচ্ছে না।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান শুক্রবার ঘোষিত তাঁর দলের নির্বাচনি ইশতেহারে ‘জবাবদিহিমূলক’ রাষ্ট্র বিনির্মাণের অঙ্গীকার করেছেন। এটা নতুন কোনো অঙ্গীকার নয়। রাষ্ট্রের সংবিধানেই জবাবদিহি নিশ্চিত করা আছে যে সরকার জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ এবং তাদের জবাবদিহিও সংসদের কাছে। কিন্তু জাতির জন্য চরম দুর্ভাগ্য ও দুঃখজনক হলো, এ জবাবদিহি নিশ্চিত করার কোনো উদ্যোগ কখনোই কোনো ক্ষমতাসীন মহলের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়নি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অতীতের প্রতিটি সরকার ও দল ছিল ব্যক্তিপ্রধান। এখনো এর কোনো দৃশ্যমান ব্যত্যয় ঘটেনি। কোনো দলের মধ্যে গণতন্ত্র চর্চা নেই, বছরের পর বছর দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় না। দলের নেতা নির্বাচনে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় না এবং দলে জবাবদিহির সংস্কৃতি চালু নেই। সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রে জবাবদিহি আসমান থেকে নাজিল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জবাবদিহি না থাকলে পরিণতি কী ঘটতে পারে তার সেরা দৃষ্টান্ত অসীম ক্ষমতার অধিকারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর তাঁবেদার মন্ত্রিপরিষদ ও বশংবদ সংসদ সদস্যরা। তাঁর সরকার যদি শক্তিশালী জবাবদিহির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারত, তাহলে তিনি তাঁর করুণ পরিণতি থেকে রক্ষা পেতেও পারতেন।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যাঁরাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করবেন, তাঁরা যদি সত্যিই দেশকে ভালোবাসেন এবং জনগণের প্রতি মমত্ব অনুভব করেন, তাহলে তাঁরা বিজিত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি নির্বাচনপূর্ব এবং নির্বাচনকালীন ঈর্ষা-বিদ্বেষ, এতে পরস্পরকে দোষারূপ করার সংস্কৃতি ভুলে প্রকৃত অর্থেই দেশে প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী হবেন বলে আশা পোষণ করি। একটি কাজ নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করলেই জনগণ তাদের সদিচ্ছা সম্পর্কে ধারণা লাভ করবে এবং সরকারকে টিকিয়ে রাখতে তাদের  সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

বিডি প্রতিদিন/কেএইচটি

এই বিভাগের আরও খবর
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
সর্বশেষ খবর
ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে উন্নয়ন দ্রুত এগিয়ে যাবে: এমপি খোকন তালুকদার
ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে উন্নয়ন দ্রুত এগিয়ে যাবে: এমপি খোকন তালুকদার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কূটনীতিকদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার
কূটনীতিকদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঝিনাইদহে বিএনপির কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের আগুন
ঝিনাইদহে বিএনপির কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের আগুন

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘স্বাগতিক ভারতকে ভয় পায় না নিউজিল্যান্ড’
‘স্বাগতিক ভারতকে ভয় পায় না নিউজিল্যান্ড’

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টেকনাফে গাঁজাসহ আটক ৯
টেকনাফে গাঁজাসহ আটক ৯

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ
শাবিপ্রবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ

১৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

উপসাগরে প্রবেশ করলে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ সাগরের নিচে যাবে, হুমকি ইরানের
উপসাগরে প্রবেশ করলে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ সাগরের নিচে যাবে, হুমকি ইরানের

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের
২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষি সচিবের বারি পরিদর্শন
কৃষি সচিবের বারি পরিদর্শন

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীর অদৃশ্য শ্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে: ফারজানা শারমীন
নারীর অদৃশ্য শ্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে: ফারজানা শারমীন

৩৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই : ডা. শাহাদাত
নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই : ডা. শাহাদাত

৩৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানের নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান
ইরানের নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান

৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফুলগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ফুলগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭
দিনাজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এতিম শিশুদের নিয়ে এসএসসি-১৯৮১ ব্যাচের ইফতার মাহফিল
এতিম শিশুদের নিয়ে এসএসসি-১৯৮১ ব্যাচের ইফতার মাহফিল

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত
ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের
ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা, জরিমানা
চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা, জরিমানা

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস
রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস

৪৭ মিনিট আগে | জাতীয়

বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক
বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক

৪৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড
গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ
ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান
ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন
বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন

৫৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

৫৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার
গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট
কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০
নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান
যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর
ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’
‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ
‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই
ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের
কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?
ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ
ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত
ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি
বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা
ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়
সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?
ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা
বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?
বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প
দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প

নগর জীবন

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’

পরিবেশ ও জীবন

খননেও পানি নেই নদীতে
খননেও পানি নেই নদীতে

নগর জীবন

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে
বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে

নগর জীবন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি
পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি

শনিবারের সকাল

চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা
চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো
ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো

পেছনের পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স
ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স

নগর জীবন

তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি
তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি

শনিবারের সকাল

প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ
প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা