শিরোনাম
প্রকাশ: ০৩:০১, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বিশেষ লেখা

কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় পাঁচ লাখের মতো প্রবাসী এরই মধ্যে পোস্টালে তাঁদের ভোট দিয়ে ফেলেছেন। এখন দেশে ভোটারদের অপেক্ষা ভোট দেওয়া আর নির্বাচিত সরকারের। ভোট নিয়ে সরকারের আয়োজনও ব্যাপক। উপদেষ্টারা সরকারি বাসা ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।

জমা দিতে শুরু করেছেন তাঁদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট। নির্বাচিত নতুন সংসদ সদস্যদের সাবেক স্পিকার, ডেপুটি স্পিকারের পরিবর্তে কে শপথ পড়াবেন সেই সিদ্ধান্তও পাকা। ভোটের এই তোড়জোড়ের মধ্যে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা মানুষকে উদ্বিগ্ন করছে। একটা সামলাতে না সামলাতে হঠাৎ আরেকটির উদ্ভব।

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে চলল কদিন আন্দোলন। যমুনার দিকে যাওয়ার পথে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে থামিয়েছে আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারীদের। নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে পে কমিশনের দিকে যেতে হলো কেন? নির্বাচনের উত্তাপের মধ্যে গত ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পেশ করা হয়। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। এর জের সামলাতে হবে আসন্ন নির্বাচিত সরকারকে।

ভোট সামনে রেখে নবম পে স্কেলের উত্তেজনার মধ্যে আবার মাঠে ইনকিলাব মঞ্চ। ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ। দেশকে জাহান্নাম বানিয়ে ফেলার হুমকি। হাদি হত্যা মামলার তদন্ত জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে করার দাবি মেনে নিয়েছে সরকার।

প্রায় মাসখানেক আগে তোলা হয়েছিল এ দাবি। ইনকিলাব মঞ্চ রাস্তায় নামার পর এখন সরকার জানিয়েছে জাতিসংঘে চিঠি দেবে। ইনকিলাব মঞ্চের দাবি অনুযায়ী হাদি হত্যার ঘটনা তদন্তে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট শাখায় চিঠি পাঠাবে বলে জানিয়েছে সরকার। সেই চিঠিতে কী লেখা হবে, তা দেখতে চাওয়ার দাবি তুলেছে সংগঠনটি। চট্টগ্রাম বন্দরেও চলছে অচলাবস্থা। পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের জেরে অনেকের ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাপক ক্ষতির মুখে। বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি বেসরকারি খাত। কর্মসংস্থানের মাধ্যমও বেসরকারি খাত। কর্মসংস্থানের ৯৩-৯৪ শতাংশের ব্যবস্থা হয় বেসরকারি খাত থেকে। এই সরকারের আমলে দেশের বেসরকারি খাতের অবস্থা সবচেয়ে বেশি সংকটাপন্ন। 
চব্বিশের ৫ আগস্টের পর শত শত বেসরকারি শিল্প-কারখানা হামলা-আগুনের শিকার হয়েছে। মবের ঘটনায় বহু শিল্প-কারখানা বন্ধ। কোনো মতে টিকে থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো এখন আবার নতুন করে বন্দরের অচলাবস্থার শিকার। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষার চলমান আন্দোলনকে সমর্থনকারী অনেকেই আছেন। কিন্তু নির্বাচনের আগে চুক্তি বা একে ইস্যু করে বন্দরে অচলাবস্থা সমর্থনযোগ্য নয়। এ সময় এসে বন্দরসহ নানা চুক্তি ও রাষ্ট্রীয় কেনাকাটায় সরকারের অতি আগ্রহ মানুষের সন্দেহ বাড়াচ্ছে। নির্বাচনের পথে তা কিছুটা সমস্যাও পাকাচ্ছে। কিছু চুক্তিতে নিয়মনীতির খেলাপও হয়েছে। ভোটের পূর্ববর্তী সময়ে এসে কেন তাড়াহুড়ায় যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, চীনের সঙ্গে এত হাই প্রোফাইলের চুক্তিনামা? প্রশ্নটি সাধারণ মানুষকেও ভাবাচ্ছে। নির্বাচনের তোড়জোড়ের মধ্যে ভোটের গা ঘেঁষা সময়ে সরকারের তড়িঘড়ি রাষ্ট্রীয় কিছু নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে চুক্তি ও কেনাকাটা যেনতেন বিষয় নয়। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নেওয়া বিতর্কিত চুক্তি ও প্রকল্পগুলো বহাল তো আছেই, পাশাপাশি নতুন করে আরো দীর্ঘমেয়াদি এবং প্রশ্নবিদ্ধ চুক্তি করা হচ্ছে।

চুক্তিগুলোর কোনো কোনোটির মেয়াদ ৩০, ৪০ এমনকি ৫০ বছরের বেশি। যেগুলোর আর্থিক প্রভাব, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি ও সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর প্রভাব অত্যন্ত গভীর। এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে স্পষ্ট ও উদ্বেগজনক উদাহরণ চট্টগ্রাম বন্দরসংক্রান্ত চুক্তিগুলো। লালদিয়া ও পানগাঁও টার্মিনাল নিয়ে ব্যাপক আপত্তি ও প্রতিবাদের পরও সরকার থেমে নেই। এখন ব্যস্ততা নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে। নির্বাচনী ব্যাপক ব্যস্ততাসহ নানা কারণে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ নিয়ে ভাবনার গরজ কম। অবস্থানও অস্পষ্ট। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা গত টানা দেড় বছর ‘অপেক্ষা করো’ নীতিতে নির্বাচন ও নতুন সরকারের জন্য অধীর প্রতীক্ষায়। একেকটি দিন তাঁদের কাছে একেকটি বছরের মতো। এমন একটা সময় নানা বাগড়া ও বায়না পাকানোর সূক্ষ্ম চালে ভারাক্রান্ত হয়ে কেউ কেউ এখনো নির্বাচন দেখছেন না। আবার বলছেন, ভোট হলেও সরকার বেশি দিন টিকবে না। পরক্ষণেই কে প্রধানমন্ত্রী হবেন? কে সরকারে, কে বিরোধী দলে যাবে—সেই বিশ্লেষণ করছেন। নির্বাচন না হলে প্রধানমন্ত্রী হবেন কিভাবে? পজিশন-অপজিশনই বা ঠিক হবে কিভাবে?

এমনিতেই টালমাটাল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ বিশেষত ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, রপ্তানি, পণ্য সরবরাহ, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার, জনজীবন এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে বহুমুখী সমস্যায়।  নাজুক বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের বেসরকারি খাত মুখোমুখি আরো নানা চ্যালেঞ্জে। ভবিষ্যৎ সরকারও এ পরিস্থিতি থেকে নিস্তার পাবে না। অথচ অন্তর্বর্তী সরকারের কথা ছিল, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের একটি রূপরেখা রেখে যাওয়ার। সাধারণত জুনের প্রথম সপ্তাহে পরবর্তী অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন হয়। এ দায়িত্ব বর্তাবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের ওপর। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাজেট তৈরিতে সময় পাবে সাড়ে তিন মাসের মতো। এ সময় একটি সরকার কতটা গোছাতে পারবে, তা কঠিন ভাবনার বিষয়। নতুন সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও পোহাতে হবে বাড়তি তাপ। শিল্প খাতে উৎপাদনের প্রধান উপকরণ গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে তারা বিধ্বস্ত। মূল্যস্ফীতির কারণে স্থানীয় চাহিদা সংকুচিত। মাস কয়েক আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে কর্মচারীদের আন্দোলনেও সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এনবিআরের সংস্কারকে কেন্দ্র করে কমপ্লিট শাটডাউনে দৈনিক আড়াই হাজার কোটি টাকার ক্ষতি গুনতে হয়েছে তাঁদের। সেই সঙ্গে বহুমুখী চাপ সয়ে কোনো মতে টিকে থাকা ব্যবসায়ীদের নিশ্বাস ফেলতে এখন প্রধান চাওয়া একটি স্থিতিশীল পরিবেশ।

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

বিডি প্রতিদিন/কেএইচটি

এই বিভাগের আরও খবর
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
অর্থনীতির রিয়াল হিরোদের সঙ্গে সরকারের দ্রুত সংলাপ প্রয়োজন
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
রাষ্ট্র পরিচালকের করণীয় ও বর্জনীয়
সর্বশেষ খবর
নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল
নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

এই মাত্র | দেশগ্রাম

চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক
চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক

১ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের
সাইপ্রাসে এফ-১৬ বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত তুরস্কের

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার
যুদ্ধের অবসানে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের আহ্বান বিকল্পধারার

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার
নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানা গ্রেফতার

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্র্যাব সদস্য সন্তানদের কোরআন তিলাওয়াত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ক্র্যাব সদস্য সন্তানদের কোরআন তিলাওয়াত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

২২ মিনিট আগে | নগর জীবন

গ্যাসের দাম বৃদ্ধি; হাতা-কড়াই-খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মমতার
গ্যাসের দাম বৃদ্ধি; হাতা-কড়াই-খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মমতার

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক সচিব রুহুল আমিনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি
সাবেক সচিব রুহুল আমিনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নাটোরে মাটির নিচে পানির ট্যাংকে ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত
নাটোরে মাটির নিচে পানির ট্যাংকে ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন থাড রাডার ধ্বংস করল ইরান
৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন থাড রাডার ধ্বংস করল ইরান

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য

২৮ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই : কৃষিমন্ত্রী
বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই : কৃষিমন্ত্রী

৩০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল
মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুকসুদপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরিফ বিতরণ
মুকসুদপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরিফ বিতরণ

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি সেনা ঘাঁটিতে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
ইসরায়েলি সেনা ঘাঁটিতে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ; বগুড়ায় বেড়েছে নির্মাণসামগ্রীর দাম
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ; বগুড়ায় বেড়েছে নির্মাণসামগ্রীর দাম

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাংবাদিকদের ওপর হামলা: জকসু থেকে শিবিরের দুই নেতার অব্যাহতি চেয়ে বিবৃতি
সাংবাদিকদের ওপর হামলা: জকসু থেকে শিবিরের দুই নেতার অব্যাহতি চেয়ে বিবৃতি

৫১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

লালমনিরহাটে ১৪ লাখ টাকার চোরাই ভারতীয় কাপড় ও জিরা জব্দ
লালমনিরহাটে ১৪ লাখ টাকার চোরাই ভারতীয় কাপড় ও জিরা জব্দ

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনাল বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে চ্যাম্পিয়ন কে হবে?
ফাইনাল বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে চ্যাম্পিয়ন কে হবে?

৫৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজারহাটে আলুর বস্তা থেকে ৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার
রাজারহাটে আলুর বস্তা থেকে ৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: জোনায়েদ সাকি
সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: জোনায়েদ সাকি

৫৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সাভারে ভেজাল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা সিলগালা, জরিমানা
সাভারে ভেজাল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা সিলগালা, জরিমানা

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভারতকে ১১ গোলে হারাল জাপান
ভারতকে ১১ গোলে হারাল জাপান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পল্লী চিকিৎসকের ইনজেকশনে যুবকের মৃত্যু
পল্লী চিকিৎসকের ইনজেকশনে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আলেম-ওলামা ও এতিমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার
আলেম-ওলামা ও এতিমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজীপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর, মিলল নানা অনিয়ম
গাজীপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর, মিলল নানা অনিয়ম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইবিতে শিক্ষক হত্যার প্রতিবাদে মাভাবিপ্রবিতে মানবন্ধন
ইবিতে শিক্ষক হত্যার প্রতিবাদে মাভাবিপ্রবিতে মানবন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান
যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর
ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’
‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ
‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই
ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের
কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?
ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ
ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত
ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা
ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি
বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়
সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?
ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা
বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?
বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প
দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প

নগর জীবন

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’

পরিবেশ ও জীবন

খননেও পানি নেই নদীতে
খননেও পানি নেই নদীতে

নগর জীবন

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে
বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে

নগর জীবন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি
পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি

শনিবারের সকাল

চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা
চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো
ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো

পেছনের পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি
তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি

শনিবারের সকাল

ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স
ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স

নগর জীবন

প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ
প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা