শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৪২, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতি

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতি

কোথা থেকে শুরু করব ভেবে পাচ্ছি না। মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর নাকি আওরঙ্গজেব! অথবা বাংলার ইলিয়াস শাহি বংশের প্রতিষ্ঠাতা সামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ নাকি দিল্লির সুলতান ফিরোজ শাহ তুগলক। মোগলদের ন্যায়বিচার ও সুশাসন সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। তবে দিল্লির সুলতানি আমলের ভারতবর্ষ এবং সুবে বাংলার ইতিহাস জানতে হলে মিনহাজ উস সিরাজের ‘তাবাকাত ই নাসিরি’ এবং জিয়াউদ্দিন বারনীর ‘তারিখ-ই ফিরোজ শাহি’ অধ্যয়ন ছাড়া উপায় নেই।

চলমান সময়ের তাল চাল—অস্থিরতা-বিচারহীনতা, কুশাসন, ক্ষমতাধরদের দাম্ভিকতা, মোনাফেকি এবং অসহায় মানুষের আহাজারি যত বাড়ছে ততই মানুষ অতীতমুখী হচ্ছে। সভ্যতার চাকা উল্টোপথে ঘুরে আমাদের ফ্যাসিবাদের জামানা, ব্রিটিশ আমল, মধ্যযুগ থেকে প্রাচীন যুগে নিয়ে যাচ্ছে। যাঁরা ইতিহাস জানেন তাঁরা আফসোস করেন—আর যাঁরা ইতিহাস দেখেছেন তাঁরা বলেন, আগেই ভালো ছিল। কেউ কেউ অবশ্য যেই লাউ সেই কদুও বলার চেষ্টা করেন।

দেশ-কাল—রাজত্ব বা রাজ্য-রাজার ইতিহাস কম করে হলেও দশ হাজার বছরের পুরনো। ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে যাঁরা বিখ্যাত হয়েছেন তাঁদের প্রথম এবং প্রধান পরিচয় ছিল ন্যায়বিচারক ও সুশাসক হিসেবে। বহিঃশত্রুর হাত থেকে দেশ রক্ষা এবং রাজ্যের অভ্যন্তরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে যাঁরা যত সফল হয়েছেন তাঁরাই মহাকালের ইতিহাসে মানুষের দোয়া ও ভালোবাসায় অমরত্ব লাভ করেছেন। ঘুষ-দুর্নীতি-অনিয়ম এবং অন্যের হক বিনষ্টকারী রাজা, বাদশাহ, আমির, ওমরাহ কেউই শান্তিতে মরতে পারেননি।
অপমান-লাঞ্ছনা-গঞ্জনা, রোগ, শোক, বালা-মুসিবত এবং মানুষের ঘৃণার বোঝা মাথায় নিয়ে সবাইকেই ধরাধাম ত্যাগ করতে হয়েছে।

দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতিআপনি যদি প্রশ্ন করেন যে আজ থেকে ৪৩৫৬ বছর আগে কিভাবে সম্রাট সারগন মেসোপটেমিয়া সাম্রাজ্যে আধুনিক কালের চেয়েও উত্তম ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন? অথবা চীনের প্রথম সম্রাট শি হুয়ান টি, পারস্যের সাইরাস দ্য গ্রেট অথবা দারায়ুস দ্য গ্রেটের জামানার শাসন প্রণালী কেন আজও কিংবদন্তি হয়ে আছে। পাক ভারতে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য, অশোক, শেরশাহের জামানাকে কেন বিশ্বরাজনীতির বিশ্ববিদ্যালয় মনে করা হয়? তা যদি জানতে চান, তবে সবার আগে রাজনীতি সম্পর্কে ওয়াকিফহাল হতে হবে।

রাজার ইচ্ছায়ই রাজনীতি হয়ে থাকে। রাজা যদি বদমাশ-চরিত্রহীন, অবাধ্য, উড়নচণ্ডী, মদ্যপ, নারী লোভী, জুয়ায় আসক্ত, অপব্যয়কারী হন, তবে কোনো অবস্থায়ই তাঁর দ্বারা রাজ্য শাসন, ন্যায়বিচার সম্ভব নয়।

রাজনীতির চিরায়ত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রাচীন যুগে রাজা হওয়ার প্রথম শর্ত ছিল ভালো মানুষ হওয়া। জ্ঞান-বুদ্ধি, বিদ্যা, শক্তি, সাহস, দৃঢ়তা, আনুগত্য, কৃতজ্ঞতা, পরিশ্রম, মিতব্যয়িতার মতো মানবিক গুণাবলি ছাড়া কেউই রাজনীতিতে ইতিহাস সৃষ্টি করতে পারে না। এ জন্য ইতিহাসে আমজনতা যখন সুযোগ পেয়েছে রাজা নির্বাচনের এবং যখন জনগণ বাংলার পাল বংশের গোপাল, জেরুজালেমের হজরত তালুত, রোমের জুলিয়াস সিজার, ফ্রান্সের নেপোলিয়ন বোনাপার্টের মতো মানুষকে নেতা নির্বাচন করতে পেরেছে, ঠিক তখনই রচিত হয়েছে রাজনীতির নতুন ইতিহাস।

অন্যদিকে রাজতন্ত্রের অধীনে পরিচালিত রাষ্ট্রসমূহে রাজপরিবারগুলো যখন রাজরক্তের পবিত্রতা রক্ষা করেছে—রাজরক্তের আভিজাত্যের ঐতিহাসিক কানুন মেনে চলেছে এবং নবজাতকের ভূমিষ্ঠ হওয়া থেকে সিংহাসনে আরোহণ পর্যন্ত সম্ভাব্য সব পার্থিব ও পারলৌকিক শিক্ষা, আচার-আচরণ রপ্ত করানোর পাশাপাশি জীবনযুদ্ধের কঠিন প্রশিক্ষণ দিতে পেরেছে, ঠিক তখনই একেকটা ঐতিহ্যবাহী রাজবংশের সৃষ্টি হয়েছে, যাঁরা শত শত বছর ধরে পৃথিবী শাসন করেছেন।

আমজনতা যখন ভালো মানুষ নির্বাচন করতে পারে অথবা রাজরক্ত যখন যোগ্য উত্তরাধিকারী তৈরি করতে পারে ঠিক তখনই ইতিহাসে সম্রাট সারগন অথবা সম্রাট অশোকের অভ্যুদয় হয়। প্রকৃতির লীলাখেলা—গ্রহ-নক্ষত্রের আকর্ষণ, মানুষের চিন্তা-চেতনা ও কর্মের সমন্বয়ে এক জটিল আবহাওয়ার মধ্যে একটি দেশ ও জাতির ভাগ্য নির্ধারিত হয়। সুশাসক পাওয়া যেকোনো জাতির জন্য প্রকৃতির পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ উপহার। অন্যদিকে সুশাসক হওয়া এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা যেকোনো শাসকের জন্য মানবজীবনের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি ও সাফল্যের প্রামাণ্য দলিল। শাসকরা কেন সুশাসক হন এবং সিংহাসনে আসীন হয়ে কেন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবনপণ করেন, তা নিয়ে মহাকালে বিস্তর গবেষণা হয়েছে। আমি যতটুকু জানি তার কিয়দংশ আপনাদের কাছে পেশ করছি—

প্রথমত, জন্মে ত্রুটি থাকলে কেউ ন্যায়বিচারক ও সুশাসক হতে পারবে না। হারাম খাবার এবং নিষিদ্ধ পরিবেশে বেড়ে ওঠা মানুষ কোনো দিন ভালো চিন্তা করতে পারে না। অধিকন্তু এই শ্রেণির মানুষগুলো কোনো দুর্ঘটনাবশত কোনো জাতির ঘাড়ে নেতা হিসেবে চেপে বসলে তাদের মধ্যে লুকায়িত মন্দ কর্মের ইচ্ছাশক্তিসমূহ (নফসে আমমারা) প্রবল থেকে প্রবলতর হয় এবং তারা যাবতীয় মন্দ কর্মের চৌম্বকশক্তিতে পরিণত হয়। এ অবস্থায় রাজ্যের সব পাপী-দুর্বৃত্ত এবং শয়তান প্রকৃতির প্রাণীদের মধ্যে উল্লাসনৃত্য শুরু হয় এবং তারা মিছিল করে দলে দলে রাজার মন্দ কর্মের চৌম্বকশক্তির শরিক হওয়ার জন্য পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা শুরু করে।

উল্লিখিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা যদি অতীত রাজা-বাদশাহদের ন্যায়বিচার ও সুশাসনের কাহিনিগুলো লিপিবদ্ধ করি, তবে একেকটি কাহিনি আরব্য রজনীর গল্পকেও হার মানাবে। আপনারা যদি সম্রাট জাহাঙ্গীরের ‘বিচারের ঘণ্টার’ ইতিহাস পড়েন, তবে দেখবেন যে পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম সাম্রাজ্যের মালিক প্রজাদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য কিভাবে বিনিদ্র রজনী কাটাতেন। আজকের ভারতের প্রায় দেড় গুণ ভূখণ্ডের অর্থাৎ প্রায় ৫০ লাখ বর্গকিলোমিটার এলাকার অধীশ্বর, তামাম দুনিয়ার ২৫ ভাগ জিপিপির অর্থভাণ্ডারের মালিক এবং ১৫ লাখ সৈন্যের শাহেনশাহ সম্রাট নুর উদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর তাঁর শোবারঘরে একটি ঘণ্টার ব্যবস্থা করেছিলেন। ঘণ্টার অপর প্রান্ত প্রাসাদের মূল ফটকের বাইরে ছিল। যেকোনো বিচারপ্রার্থী দিনরাতের যেকোনো সময়ে সেই রাজ ঘণ্টা বাজিয়ে সম্রাটের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করতে পারতেন।

ইতিহাস সাক্ষী—কোনো বিচারপ্রার্থী নাখোশ হয়ে প্রাসাদের সিংহদ্বার থেকে ফিরে যাননি। অথবা কোনো বিচারপ্রার্থীকে ঘণ্টা বাজানোর জন্য কোনোকালে ভর্ত্সনা করা হয়নি। আজকের দিনের কোনো বিচারক-রাজা অথবা জনপ্রতিনিধির কি এমন মনমানসিকতা, চিন্তা-চেতনা, সৎসাহস এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য সম্রাট জাহাঙ্গীরের মতো আকুতি দেখাতে পারবেন।

রাষ্ট্রক্ষমতায় বসে কতটা বিনয়ী এবং কতটা কৃতজ্ঞ থাকা যায় তার উত্কৃষ্ট নজির স্থাপন করে গেছেন সম্রাট শাহজাহান এবং সম্রাট আওরঙ্গজেব। দুনিয়ার সর্বকালের সেরা এবং দামি ময়ূর সিংহাসনে বসে এবং লালকেল্লার মতো রাজপ্রাসাদের অধিবাসী হয়েও তাঁরা ফকির-মিসকিনের মতো সাধারণভাবে মসজিদে উপস্থিত হয়ে নীরবে-নিভৃতে আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করতেন, যেখানে ফকির-মিসকিন-ভিক্ষুকরা গিয়েও সম্রাটদের সঙ্গে কথা বলতে পারতেন।

আমরা আজকের আলোচনার একদম শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। ইরান-তুরান-দিল্লি-পিণ্ডি বাদ দিয়ে এবার সুবে বাংলা নিয়ে কিছু আলোচনা রাখব। ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারনীর বর্ণনা মতে, বিশৃঙ্খল বাংলাকে ঐক্যবদ্ধ করেন সুলতান সামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। তাঁর শাসনামলেই গাঙ্গেয় বদ্বীপ বাংলা বা সুবে বাংলা নামে পরিচিত হয় এবং তিনি শাহে বঙ্গালারূপে প্রথম দিল্লির অধীনতা অমান্য করে বাংলাকে স্বাধীন করেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইলিয়াস শাহি বংশ প্রায় এক শ বছর বাংলা শাসন করে সুশাসন ও ন্যায়বিচারের যে নজির স্থাপন করেছেন তা গত সাড়ে ছয় শ বছরে অন্য কেউ পারেননি।

ইতিহাস সাক্ষী—সুলতান সামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের হাত ধরে ১৩৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় যে স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছিল—যেখানে রাজা রাতের আঁধারে ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াতেন প্রজাদের ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা ও সুশাসন উপহার দেওয়ার জন্য। রাজ্যের সব ধর্মমতের লোকজন মধ্যযুগে যেভাবে রাষ্ট্রকে বিশ্বাস করত এবং রাজাকে ভালোবাসত, তা ২০২৬ সালের বাংলায় কেন দেখা যাচ্ছে না? সেই কাহিনি বলার স্পর্ধা আপনার, আমার কজনের আছে বলতে পারব না—তবে মধ্যযুগের আমজনতার যে ছিল তা হলফ করে বলতে পারব।

লেখক : রাজনীতিবিদ ও কলাম লেখক।

এই বিভাগের আরও খবর
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
সর্বশেষ খবর
মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

এই মাত্র | জাতীয়

বেগম খালেদা জিয়াসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব
বেগম খালেদা জিয়াসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব

২ মিনিট আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জে বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ
নারায়ণগঞ্জে বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ

১৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভেড়ামারায় ছাত্রদল নেতাসহ গুলিবিদ্ধ তিন
ভেড়ামারায় ছাত্রদল নেতাসহ গুলিবিদ্ধ তিন

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভরাট ও দখল–দূষণে মৃতপ্রায় হাওরের খাল, সেচ সংকটে কৃষকেরা
ভরাট ও দখল–দূষণে মৃতপ্রায় হাওরের খাল, সেচ সংকটে কৃষকেরা

২৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

কুয়েতে হামলা চালিয়ে শতাধিক মার্কিন সেনাকে আহত করার দাবি ইরানের
কুয়েতে হামলা চালিয়ে শতাধিক মার্কিন সেনাকে আহত করার দাবি ইরানের

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এইচএসসি পরীক্ষার আসন বিন্যাস প্রকাশ
এইচএসসি পরীক্ষার আসন বিন্যাস প্রকাশ

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় সাংবাদিক রউফ জালালের ইন্তেকাল
বগুড়ায় সাংবাদিক রউফ জালালের ইন্তেকাল

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ড্রোন হামলা
ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ড্রোন হামলা

৩৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধে ছয় দিনে আমেরিকার খরচ ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি: ট্রাম্প প্রশাসন
ইরান যুদ্ধে ছয় দিনে আমেরিকার খরচ ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি: ট্রাম্প প্রশাসন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় প্রতিরক্ষা শিল্প কৌশল এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ
কানাডায় প্রতিরক্ষা শিল্প কৌশল এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান
মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখল ইসরায়েল
হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখল ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রূপগঞ্জে শীর্ষ মাদক করবারি হানিফসহ আটক দুই
রূপগঞ্জে শীর্ষ মাদক করবারি হানিফসহ আটক দুই

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী: প্রাথমিক তদন্ত
ইরানের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী: প্রাথমিক তদন্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন তেল শোধনাগার চালুর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
নতুন তেল শোধনাগার চালুর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাহিদের আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন বিএনপির কাইয়ুম
নাহিদের আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন বিএনপির কাইয়ুম

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা
ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যশোরে অপহরণের ৯ দিন পর ওষুধ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার
যশোরে অপহরণের ৯ দিন পর ওষুধ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালে মির্জা আব্বাস
হাসপাতালে মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ
ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সভাপতি হিসেবে মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাবকে বিরোধী দলের সমর্থন
সভাপতি হিসেবে মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাবকে বিরোধী দলের সমর্থন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছুটির দিনে জ্বালানি তেল নিয়ে সরকারের জরুরি নির্দেশনা
ছুটির দিনে জ্বালানি তেল নিয়ে সরকারের জরুরি নির্দেশনা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী
আজ থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় দিবসের তালিকা থেকে বাদ ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট, আছে ৫ আগস্ট
জাতীয় দিবসের তালিকা থেকে বাদ ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট, আছে ৫ আগস্ট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের হামলায় ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে উপসাগরীয় দেশগুলো
ইরানের হামলায় ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে উপসাগরীয় দেশগুলো

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু ১৩ মার্চ
ঈদ ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু ১৩ মার্চ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ
প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?
অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান
যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা
যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা
ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?
ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা
যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান
মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসপাতালে মির্জা আব্বাস
হাসপাতালে মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি
ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত
বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত

নগর জীবন

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের
পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট
নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট

নগর জীবন

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা
বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা

পেছনের পৃষ্ঠা

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন