শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:৩২, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ সর্বজনীন ভোটাধিকার

ফাইজুস সালেহীন
অনলাইন ভার্সন
গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ সর্বজনীন ভোটাধিকার

এই লেখাটি যখন তৈরি করছি তখন বাংলাদেশে ভোট হচ্ছে। নানা জায়গায় যোগাযোগ করে যতদূর জানতে পেরেছি প্রায় সব কেন্দ্রে মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। সকালের দিকে ঢাকার বাইরে অনেক কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে। অন্যদিকে সামাজিক অপসংবাদের ছড়াছড়ি। বুধবার দিবাগত রাতে এমন সব ভিডিও আপলোড করা হয়েছে, যেগুলো দেখে অনেকে বিভ্রান্ত হয়েছেন। আসলে সেসবের বেশির ভাগই ছিল অসত্য। পাঠক যখন লেখাটি পড়ছেন, তখন সবকিছু পরিষ্কার হয়ে গেছে। দেশের একদল মানুষ এখন উদ্যাপন করছে বিজয় উৎসব। যারা প্রত্যাশিত ফল পাননি বোধগম্য কারণেই তারা বিমর্ষ। কেউ কেউ ক্ষুব্ধ-ক্রুদ্ধ। গণতন্ত্রের শেষ কথা হলো জনগণের রায়। গণতন্ত্র মানলে জনগণের অধিকাংশের দেওয়া মতামত মাথা পেতে নিতে হবে। কারণ গণতন্ত্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রতীকী ভিত্তি হলো ভোটাধিকার। ‘জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য’-এই আদর্শ কেবল তখনই সার্থক হয়, যখন রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক সমানভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার ভোগ করেন। আমাদের দেশে সাংবিধানিকভাবে সর্বজনীন ভোটাধিকার স্বীকৃত হলেও বাস্তবে ভিন্নরূপ দেখার তিক্ত অভিজ্ঞতাও আমাদের রয়েছে। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর স্বাধীন দেশে সর্বজনীন ভোটাধিকার স্বীকৃত হলেও গণতন্ত্রের পথ, বিশেষ করে পাকিস্তানে মসৃণ ছিল না। গণতন্ত্র বারবার হোঁচট খেয়েছে রাজনৈতিক হঠকারিতা ও সামরিক হস্তক্ষেপের কারণে।

সর্বজনীন ভোটাধিকার আধুনিক গণতন্ত্রের প্রাণভোমরা। নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ, ধনী-গরিবনির্বিশেষে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের সমান ভোটাধিকার এই নীতিই গণতন্ত্রকে নৈতিক বৈধতা দেয়। তবে উপমহাদেশে এই নীতির প্রতিষ্ঠা ও প্রয়োগ ছিল জটিল, সংগ্রামময় এবং কখনো কখনো সংকটসঙ্কুল। পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশ তিন রাষ্ট্রের ইতিহাসে আমরা গণতান্ত্রিক সাফল্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত যেমন পাই, তেমনি পাই গভীর সংকট ও পেছনে হাঁটার উদাহরণ।

ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতবর্ষে ভোটাধিকার ছিল সীমিত ও শর্তসাপেক্ষ। ১৯০৯ সালের মিন্টো-র্মলে সংস্কার এবং ১৯১৯ সালের মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার সীমিত পরিসরে নির্বাচনিব্যবস্থা চালু করলেও তা ছিল সম্পত্তি, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর প্রদানের শর্ত দ্বারা সীমায়িত। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন নির্বাচনের পরিধি বাড়লেও সর্বজনীন ভোটাধিকারের ধারণা তখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বস্তুত উপমহাদেশে প্রকৃত সর্বজনীন ভোটাধিকার আসে দেশভাগের মধ্য দিয়ে দুটো নতুন রাষ্ট্র গঠনের পর।

১৯৫০ সালের সংবিধানে ভারত প্রাপ্তবয়স্ক সব নাগরিককে (প্রথমে ২১ বছর, পরে ১৮ বছর) ভোটাধিকার প্রদান করে। ১৯৫১ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচন ছিল বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক আয়োজন। নিরক্ষরতা, দারিদ্র্য ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এই নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হয়। ভারতের সাফল্যের মূল শক্তি ছিল একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, সাংবিধানিক কাঠামোর স্থায়িত্ব এবং সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা। নিয়মিত নির্বাচন, ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তর এবং বিচার বিভাগের সক্রিয়তা ভারতীয় গণতন্ত্রকে দৃঢ় ভিত্তি দেয়। যদিও ভারতে গণতন্ত্র ও তার সৌন্দর্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তবে ভারতও সংকটমুক্ত ছিল না। ১৯৭৫-৭৭ সালের জরুরি অবস্থা গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর বড় আঘাত হানে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়, বিরোধী নেতারা গ্রেপ্তার হন। কিন্তু ১৯৭৭ সালের নির্বাচনে জনগণের রায় জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে জনরায় প্রমাণ করে, সর্বজনীন ভোটাধিকার কেবল একটি আইনি অধিকার নয়, বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধের শক্তিশালী হাতিয়ারও বটে।

পক্ষান্তরে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ইতিহাস পূর্বাপর অস্থির। ১৯৪৭ সালে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর সংবিধান প্রণয়ন বিলম্বিত হয়। ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র সর্বজনীন ভোটাধিকারের স্বীকৃতি দিলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রশাসনিক দুর্বলতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে।

১৯৫৮ সালে জেনারেল আইউব খানের সামরিক শাসন গণতান্ত্রিক ধারা রুখে দেয় বেসিক ডেমোক্র্যাসি চালুর মধ্য দিয়ে। মৌলিক গণতন্ত্রের নামে পরোক্ষ নির্বাচনি পদ্ধতি চালু হয়, যা প্রকৃত অর্থে সর্বজনীন ভোটাধিকারের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ছিল পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম প্রকৃত সর্বজনীন ও তুলনামূলকভাবে অবাধ নির্বাচন। তাতে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। কিন্তু ক্ষমতা হস্তান্তরে অনীহা ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ফলেই ঘটে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। বাংলাদেশেও গণতন্ত্রের পথ মসৃণ নয়। সামরিক শাসন এবং কর্তৃত্ববাদী শাসন আমাদের গণতন্ত্রের পথ কণ্টকিত করেছে বারবার। ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। যদিও নিয়ম করে নির্বাচন হয়েছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানে ২০০৮ সালের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করলেও সামরিক ও অসামরিক শক্তির টানাপোড়েনে গণতন্ত্র এখনো সে দেশে শক্তিহীন। আজ সর্বজনীন ভোটাধিকারের যে ধারণাকে আমরা সমুন্নত রাখতে চাই, তার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রাম, বিতর্ক, আন্দোলন ও রক্তাক্ত ইতিহাস। বিশ্বে সর্বজনীন ভোটাধিকার কোনো এক বছরে বা একক সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এটি ছিল ধাপে ধাপে অর্জিত এক রাজনৈতিক বিবর্তন। প্রথম দিকে ভোটাধিকার ছিল কেবল ধনী, জমিদার বা করদাতা পুরুষদের জন্য সীমাবদ্ধ। সমাজের বৃহৎ অংশ নারী, শ্রমজীবী মানুষ, বর্ণগত বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এই অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল।

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করে। ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ড প্রথম দেশ হিসেবে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে, যা বিশ্ব রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন। তবে তখনো সব দেশে নারী-পুরুষের সমান রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১৯০৬ সালে ফিনল্যান্ড নারী-পুরুষের সমান ভোটাধিকার নিশ্চিত করে এবং ১৯০৭ সালের সংসদ নির্বাচনে নারীরা কেবল ভোটই দেননি, প্রার্থী হিসেবেও অংশগ্রহণ করেন। অনেক ইতিহাসবিদের মতে, এটিই ছিল বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন।

ব্রিটেনে ১৯১৮ সালে নারীদের আংশিক ভোটাধিকার দেওয়া হয়, কিন্তু বয়স ও সম্পত্তির শর্ত ছিল। অবশেষে ১৯২৮ সালে নারী-পুরুষ সমান ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ১৯২০ সালে সংবিধানের ১৯তম সংশোধনীর মাধ্যমে নারীরা ভোটাধিকার পান। তবে বাস্তবে বর্ণবৈষম্য ও প্রাতিষ্ঠানিক বাধার কারণে আফ্রিকান-আমেরিকান নাগরিকদের পূর্ণ ভোটাধিকার কার্যকর হতে আরও কয়েক দশক সময় লেগেছে। অর্থাৎ আইনগত স্বীকৃতি ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে ব্যবধানও ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

এই দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস আমাদের একটি মৌলিক সত্য স্মরণ করিয়ে দেয় যে ভোটাধিকার কেবল একটি আইনি প্রক্রিয়া নয়; এটি রাজনৈতিক সমতা ও মানবিক মর্যাদার স্বীকৃতি। যখন একজন দরিদ্র কৃষক, একজন শ্রমিক, একজন নারী কিংবা কোনো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য একই ব্যালট বাক্সে সমান শক্তিতে ভোট প্রদান করেন, তখনই গণতন্ত্রের নৈতিক ভিত্তি দৃঢ় হয়।

তবে প্রশ্ন থেকে যায়, সর্বজনীন ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হলেই কি গণতন্ত্র পূর্ণতা পায়? ইতিহাস বলে, কেবল ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলেই গণতন্ত্র কার্যকর হয় না। প্রয়োজন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন; প্রয়োজন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা; প্রয়োজন রাষ্ট্রযন্ত্রের নিরপেক্ষতা। অনেক দেশেই সর্বজনীন ভোটাধিকার আইনগতভাবে স্বীকৃত, কিন্তু নির্বাচনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে দেখা যায়। ফলে গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি কেবল ভোটাধিকারের ওপর নয়, বরং তা নির্ভর সেই ভোটের সুষ্ঠু প্রয়োগের পরিবেশের ওপরও।

আজকের গণতান্ত্রিক বিশ্বে সর্বজনীন ভোটাধিকার সর্বত্র স্বীকৃত নীতি। তবু কোনো কোনো দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামরিক শাসন, কিংবা একদলীয় কর্তৃত্ববাদ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। আবার কোথাও কোথাও ভোটার দমন, ভুয়া তথ্যের বিস্তার, কিংবা প্রশাসনিক অপব্যবহার নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এসব বাস্তবতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সর্বজনীন ভোটাধিকার অর্জন এক ঐতিহাসিক বিজয় হলেও, তা রক্ষা করা আরও বড় দায়িত্ব।

বাংলাদেশসহ বহু উন্নয়নশীল দেশের জন্য সর্বজনীন ভোটাধিকারের ইতিহাস বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ত্যাগের ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত। তাই সর্বজনীন ভোটাধিকারের ধারণাকে কেবল একটি সাংবিধানিক রীতি হিসেবে নয়, বরং একটি নৈতিক অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচনা করা জরুরি। ভোট যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতা না হয়ে ওঠে; বরং নাগরিকের আস্থা ও অংশগ্রহণের বাস্তব মাধ্যম হয়ে উঠুক-এমনটাই প্রত্যাশিত। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পরবর্তী ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য অনেক রাজনৈতিক শক্তি কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠে। নিজেরা আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্রের পথ রচনা করে নিজেরাই আবার সে পথে কাঁটা বিছিয়ে দেয়। এই মানসিকতা পরিত্যাজ্য।

বিশ্ব ইতিহাসের আলোকে বলা যায়, সর্বজনীন ভোটাধিকার মানবসভ্যতার এক অনন্য অর্জন। এটি আমাদের শিখিয়েছে-রাজনৈতিক সমতা হঠাৎ করে পাওয়া যায় না; তা আদায় করে নিতে হয়। আজকের প্রজন্মের দায়িত্ব হলো সেই অর্জনকে সংরক্ষণ করা, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে একটি কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হস্তান্তর করা।

গণতন্ত্রের প্রাণশক্তি নিহিত থাকে জনগণের হাতে। আর সেই শক্তির প্রতীকই হলো ব্যালট, যা নীরব অথচ প্রভাবশালী। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, এই নীরব শক্তিই শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের গতিপথ নির্ধারণ করে।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
সর্বশেষ খবর
‘সিনা টান করে বলবেন বাড়ি টুঙ্গিপাড়া, আমরাও ধানের শীষে ভোট দিয়েছি’
‘সিনা টান করে বলবেন বাড়ি টুঙ্গিপাড়া, আমরাও ধানের শীষে ভোট দিয়েছি’

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

কোনো দল-মত কার্ড পাওয়ার পথে বাধা হবে না: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
কোনো দল-মত কার্ড পাওয়ার পথে বাধা হবে না: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

পিএসএলের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ
পিএসএলের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফ‍্যামিলি কার্ড নিয়ে এই মানুষগুলোর উচ্ছ্বাস আমরা বুঝতে পারব না: ফারুকী
ফ‍্যামিলি কার্ড নিয়ে এই মানুষগুলোর উচ্ছ্বাস আমরা বুঝতে পারব না: ফারুকী

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

জয়পুরহাটে ফিলিং স্টেশনসহ ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
জয়পুরহাটে ফিলিং স্টেশনসহ ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শুধু জুলাই জাতীয় সনদ নয়, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
শুধু জুলাই জাতীয় সনদ নয়, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৪০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মন্ত্রীদের ২ মাসের বেতন দেবে না পাকিস্তান, সরকারি অফিস খোলা ৪ দিন
মন্ত্রীদের ২ মাসের বেতন দেবে না পাকিস্তান, সরকারি অফিস খোলা ৪ দিন

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রায়গঞ্জে ছয় ইটভাটায় ১৯ লাখ টাকা জরিমানা, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুটি
রায়গঞ্জে ছয় ইটভাটায় ১৯ লাখ টাকা জরিমানা, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুটি

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানে 'সবচেয়ে তীব্রতম' দিন হবে আজ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইরানে 'সবচেয়ে তীব্রতম' দিন হবে আজ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিশাদকে সামলানোর পরিকল্পনায় পাকিস্তান
রিশাদকে সামলানোর পরিকল্পনায় পাকিস্তান

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে বৈধ প্রার্থী আটজন, আপিল করেননি কেউ
শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে বৈধ প্রার্থী আটজন, আপিল করেননি কেউ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে ডেপুটি স্পিকার পদ নেবে না বিরোধী দল: শিশির মনির
সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে ডেপুটি স্পিকার পদ নেবে না বিরোধী দল: শিশির মনির

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন বছর পর বাগদানের সেই হীরার আংটি ফিরে পেলেন হলিউড অভিনেত্রী
তিন বছর পর বাগদানের সেই হীরার আংটি ফিরে পেলেন হলিউড অভিনেত্রী

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের ছাড় দেওয়া হবে না : এমপি মান্নান
মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের ছাড় দেওয়া হবে না : এমপি মান্নান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আরও বিধ্বংসী ড্রোন এনে ইরানের চমক, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
আরও বিধ্বংসী ড্রোন এনে ইরানের চমক, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেশে ডলারের দাম বেড়েছে
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেশে ডলারের দাম বেড়েছে

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপি ক্যামেরার আওতায় আসছে সিলেট মহানগরী
আইপি ক্যামেরার আওতায় আসছে সিলেট মহানগরী

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

দুর্যোগের দুর্ভোগ প্রশমনে সবসময় প্রস্তুত থাকা চাই : দুর্যোগ মন্ত্রী
দুর্যোগের দুর্ভোগ প্রশমনে সবসময় প্রস্তুত থাকা চাই : দুর্যোগ মন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

জেন্ডারভিত্তিক অনলাইন সহিংসতা মোকাবিলায় বরিশালে কর্মশালা
জেন্ডারভিত্তিক অনলাইন সহিংসতা মোকাবিলায় বরিশালে কর্মশালা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালে ‘বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ’র র‌্যালি
চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালে ‘বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ’র র‌্যালি

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভণ্ডামি ছাড়ুন, যথেষ্ট হয়েছে: ইউরোপীয় কমিশনকে ইরান
ভণ্ডামি ছাড়ুন, যথেষ্ট হয়েছে: ইউরোপীয় কমিশনকে ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মগবাজারে হোটেল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
মগবাজারে হোটেল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নিশ্চিহ্ন না হতে চাইলে নিজের দিকে খেয়াল রাখুন, ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি
নিশ্চিহ্ন না হতে চাইলে নিজের দিকে খেয়াল রাখুন, ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশে পড়লো ইরানি ড্রোন
মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশে পড়লো ইরানি ড্রোন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি
চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নোয়াখালীর মাইজদীতে ইলেকট্রনিক দোকানে চুরি
নোয়াখালীর মাইজদীতে ইলেকট্রনিক দোকানে চুরি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমিরাতে ইরানি হামলায় নিহত ৬, আহত ১২২
আমিরাতে ইরানি হামলায় নিহত ৬, আহত ১২২

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুন্দরবন থেকে অস্ত্র-গুলিসহ ডাকাত আটক
সুন্দরবন থেকে অস্ত্র-গুলিসহ ডাকাত আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৪ হাজার এসআই পদ সৃষ্টির প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
৪ হাজার এসআই পদ সৃষ্টির প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর
ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে সতর্ক করলেন এরদোয়ান
ইরানকে সতর্ক করলেন এরদোয়ান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন
ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান হামলায় ৪৮ ঘণ্টাতেই শেষ ৫.৬ বিলিয়ন ডলারের গোলাবারুদ, মার্কিন অস্ত্রাগার ফাঁকা?
ইরান হামলায় ৪৮ ঘণ্টাতেই শেষ ৫.৬ বিলিয়ন ডলারের গোলাবারুদ, মার্কিন অস্ত্রাগার ফাঁকা?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের
আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেলের দাম দেখেই ট্রাম্পকে যুদ্ধ থেকে সটকে পড়তে বললেন উপদেষ্টারা
তেলের দাম দেখেই ট্রাম্পকে যুদ্ধ থেকে সটকে পড়তে বললেন উপদেষ্টারা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’
‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক
প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০
পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১৯১
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১৯১

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও বিধ্বংসী ড্রোন এনে ইরানের চমক, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
আরও বিধ্বংসী ড্রোন এনে ইরানের চমক, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক গভর্নরের পিএস কামরুলসহ দুজনের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
সাবেক গভর্নরের পিএস কামরুলসহ দুজনের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম