শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:১৭, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০৯:২২, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নতুন সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হোক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
নতুন সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হোক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার

সব ধরনের শঙ্কা কাটিয়ে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করবে। অভিনন্দন বিজয়ী দল বিএনপিকে।

বিএনপির একটি বড় সুবিধা হচ্ছে যে তারা বাংলাদেশের বৃহত্তম একটি রাজনৈতিক দল, যাদের রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। এই দলে যেমন আছেন অনেক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, তেমনি আছেন অনেক মুক্তিযোদ্ধা, থিংকট্যাংক, পেশাদার এবং আধুনিক মনা মানুষ। ফলে এই দলের পক্ষে অনেক কিছুই করা সম্ভব, যদি সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে পারে। যা হোক, এসবই রাজনীতির বিষয়, যা আমার লেখার বিষয় নয়। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভবিষ্যতে এসব নিয়ে আলোচনা করবেন এবং সঠিক পরামর্শ দেবেন, যা বিজয়ী দলের জন্য ভালো কাজে আসবে। আমার আগ্রহের জায়গা হচ্ছে দেশের ব্যাংকিং খাত এবং অর্থনীতি, যা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিগত দেড় বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে। আর এ কারণেই দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য হবে নতুন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। বিগত দেড় বছরে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি এবং বিনিয়োগ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার দেশের অর্থনীতির দিকে একেবারেই দৃষ্টি দেয়নি।

দুজন অর্থনীতিবিদের ওপর অর্থ মন্ত্রণালয় নতুন সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হোক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারএবং বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব দেওয়া হলেও তাঁরা সে রকম কোনো ভূমিকাই রাখতে পারেননি। দেশের বিনিয়োগ চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। নতুন বিনিয়োগ সেভাবে আসেনি। উল্টো চলমান বিনিয়োগও অনেক ক্ষেত্রে স্তিমিত হয়ে গেছে। অসংখ্য উৎপাদনকেন্দ্র বা ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে গেছে।

আমদানি-রপ্তানি দুটিই হ্রাস পেয়েছে। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি, উল্টো অসংখ্য মানুষ চাকরি হারিয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি হ্রাসের নামে বাংলাদেশ ব্যাংক সুদহার বাড়িয়ে রেখেছে ঠিকই, কিন্তু মুদ্রাস্ফীতি কমেনি, উল্টো বিনিয়োগ ব্যাহত হয়েছে উচ্চ সুদের কারণে। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থায় থাকা দেশের ব্যাংকিং খাত আকস্মিক কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্যোগ নেওয়ায় সেখানে এক লেজে-গোবরে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর সার্বিক প্রভাব পড়েছে দেশের মোট উৎপাদন বা জিডিপির ওপর, যা একসময়ের ৬ শতাংশের ওপর থেকে ৩ শতাংশের কাছে চলে এসেছে।

দেশের অর্থনীতিতে যে ধস নেমেছে, তা ঠিক করে সেখানে গতি সঞ্চার করার কাজটি মোটেই সহজ নয়। অর্থনীতি একটি জটিল এবং বিস্তৃত বিষয়। তা ছাড়া দেশের অর্থনীতি এখন আর ছোট নেই। অর্ধট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে অনেক আগেই, যা খুব সহজেই আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে, যদি সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হয়। এ রকম একটি অর্থনীতিতে যে ক্ষতি বিগত দেড় বছরে হয়েছে, তা ঠিক করতে কোথা থেকে শুরু করে কিভাবে এগিয়ে নেওয়া যেতে পারে, সেটিই এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, যা নতুন সরকারকে মোকাবেলা করতে হবে। কাজটি কঠিন, তবে মোটেও অসম্ভব নয়। কিন্তু ভেবেচিন্তে এবং পরিকল্পনা করে এগোতে হবে।

কিছু বিষয় সরাসরি সামনে চলে আসবে, যার গুরুত্ব একেবারে কম নয়। প্রথমত, বিগত সরকারের আমলে গৃহীত মেগাপ্রকল্পগুলোর কী অবস্থা হবে। এসব প্রকল্প কি চালিয়ে নেওয়া হবে, নাকি বাতিল ঘোষণা করা হবে, সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা প্রয়োজন। তবে যে সরকারই উদ্যোগ গ্রহণ করুক না কেন, সেটি মূলত জনগণের অর্থে নির্মাণ করা হয়। তাই দেশ ও জাতির জন্য যদি ভালো হয়, তাহলে সেই প্রকল্প বাতিল না করে চালিয়ে নিতে পারলে খারাপ হবে না, যদিও প্রয়োজনীয় সমন্বয় অবশ্যই করা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, নতুনভাবে মেগাপ্রকল্প বা দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো নির্মাণের জন্য নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে কি না। নতুন অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে দুটি বিপরীতধর্মী বিষয় জড়িত। যেমন—পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহের সুযোগ থাকতে হবে, আবার অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ না করলে অর্থনীতিতে খুব সহজে গতি আসবে না। এই দুইয়ের মধ্যে যথাযথ সমন্বয় করার মাধ্যমে কাজটি করা যেতে পারে।

দেশে কার্যকর বন্ড মার্কেট স্থাপনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি বন্ড ছেড়ে অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় সর্বনিম্ন পর্যায় রাখার চেষ্টা করতে হবে। তৃতীয়ত, ডলার সংকট কতটা কেটেছে এবং কী অবস্থায় আছে, তা আমরা সঠিকভাবে জানি না। দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা এবং সরকারের কড়াকড়ির কারণে আমদানি হ্রাস পাওয়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু অর্থনীতির স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হলে এই রিজার্ভের পরিমাণ পর্যাপ্ত কি না, সেটি ভালোভাবে নিরূপণ করে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন আছে। কোনো অবস্থায়ই আমদানি নিয়ন্ত্রণ করে রাখার সুযোগ আর অব্যাহত রাখা ঠিক হবে না। প্রয়োজনে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বাড়াতে হবে এবং সে ক্ষেত্রে বিশেষায়িত প্রবাসী বন্ড হতে পারে একটি ভালো উৎস।

দেশের মুদ্রাবাজার, ব্যাংকিং খাত এবং পুঁজিবাজার নিয়েও খুব দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন আছে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করে বসে আছে। ঋণের ওপর সুদহার অনেক বেশি, যা ক্ষেত্রবিশেষ ১৫ শতাংশ বা তার বেশি। এত উচ্চহারে সুদ দিয়ে কোনো ব্যবসায়ীর পক্ষে স্বাভাবিক নিয়মে ব্যবসা করে ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব নয়। এ রকম একটি কঠিন আর্থিক সমস্যার মধ্যে আছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। তাই নতুন সরকারের প্রথম কাজ হবে ঋণের ওপর সুদহার হ্রাস করা। এ কথা ঠিক যে সুদহারের সঙ্গে অর্থনীতি ও মুদ্রানীতির অনেক বিষয় জড়িত আছে, যা বিবেচনায় নিয়েই সুদহার হ্রাসের কাজে হাত দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতের ওপর কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করার কারণে ব্যাংকগুলো নতুন ঋণ মঞ্জুর প্রায় বন্ধই করে রেখেছে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে অনুমোদন করা ঋণ বিতরণ করতে ব্যাংক অপারগতা প্রকাশ করেছে। ফলে বেশির ভাগ ব্যবসায়ী বিনিয়োগ এবং পরিচালনা মূলধন সংগ্রহ করতে গিয়ে মারাত্মক সমস্যায় পড়েছেন, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের ব্যাবসা-বাণিজ্যের ওপর। তাই নতুন সরকারের অন্যতম প্রধান কাজ হবে অতি দ্রুত ব্যবসায়ীদের ব্যাংক থেকে ঋণ প্রদানের সুযোগ সহজ করা। এ কথা ঠিক আমাদের দেশে ব্যাংকিং খাতে অনেক সমস্যা আছে, যার সমাধান করতে হবে। কিন্তু দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা রাতারাতি সমাধানের কোনো সুযোগ নেই। এসব সমস্যার সমাধান অবশ্যই করতে হবে, কিন্তু সেটি হতে হবে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রেখে। এর পাশাপাশি দেশের পুঁজিবাজারে গতি সঞ্চার করার উদ্যোগও গ্রহণ করতে হবে। কেননা দেশের পুঁজিবাজার সক্রিয় না থাকলে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে গতি আসবে না।

নতুন সরকারকে অর্থনীতির অনেক বিষয়ে একসঙ্গে সমান গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে, যা বিস্তারিতভাবে এক লেখায় তুলে ধরা সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে বিভিন্ন বিষয় পৃথকভাবে বিস্তারিত তুলে ধরার ইচ্ছা আছে। এতসব বিষয় নিয়ে কাজ করার উদ্দেশ্যে নতুন সরকার চাইলে উচ্চ পর্যায়ের কয়েকটি কমিটি গঠন করতে পারে; যেমন—অর্থনৈতিক কমিটি, মুদ্রানীতি কমিটি, এবং ব্যাংকিং ও পুঁজিবাজার সংক্রান্ত কমিটি, যেখানে থাকবে দেশের প্রথিতযশা ও অভিজ্ঞ পেশাদার অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার ও আর্থিক খাতের বিশ্লেষক। এসব কমিটির সব পরামর্শ যে সরকারকে বিবেচনায় নিতে হবে তেমন নয়। সরকার সেসব পরামর্শ বিবেচনা করে এতটুকু অন্তত নিশ্চিত হতে পারবে যে তাদের গৃহীত পদক্ষেপ সঠিক পথে আছে। মোটকথা, নতুন সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত দেশের অর্থনীতি, যেখানে খুব দ্রুত তাৎক্ষণিক, স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করার প্রয়োজন আছে। নতুন সরকার এ ব্যাপারে যত শিগগির কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, তত দ্রুত দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করবে।

লেখক : সার্টিফায়েড অ্যান্টি মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
ভরদুপুরে ছেলেখেলা
ভরদুপুরে ছেলেখেলা
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার জন্য ইরান ‘কখনোই অনুরোধ করেনি’: আরাগচি
যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার জন্য ইরান ‘কখনোই অনুরোধ করেনি’: আরাগচি

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ
র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ

১০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

ইরান সমঝোতা করতে মরিয়া হয়ে আছে: ট্রাম্প
ইরান সমঝোতা করতে মরিয়া হয়ে আছে: ট্রাম্প

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৬ মার্চ)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৬ মার্চ)

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

সরকারি বাঙলা কলেজসহ ১৪টি কেন্দ্র বাতিল করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
সরকারি বাঙলা কলেজসহ ১৪টি কেন্দ্র বাতিল করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

১৫ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস
১৫ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ মার্চ ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ মার্চ ২০২৬

৫১ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

ইরান যুদ্ধ জ্বালানি, রপ্তানি রেমিট্যান্সের জন্য বড় ধাক্কা
ইরান যুদ্ধ জ্বালানি, রপ্তানি রেমিট্যান্সের জন্য বড় ধাক্কা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরান যুদ্ধ: সর্বশেষ পরিস্থিতি এক নজরে
ইরান যুদ্ধ: সর্বশেষ পরিস্থিতি এক নজরে

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তরায় রিকশা চালককে পিটিয়ে হত্যার গুজব ছড়িয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ
উত্তরায় রিকশা চালককে পিটিয়ে হত্যার গুজব ছড়িয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছেড়ে বাড়ির পথে ইরানের আরও ১ নারী ফুটবলার
অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছেড়ে বাড়ির পথে ইরানের আরও ১ নারী ফুটবলার

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে ৫০০ গুপ্তচর গ্রেফতার
ইরানে ৫০০ গুপ্তচর গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার
মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাই ও দোহার কিছু জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বলল ইরান
দুবাই ও দোহার কিছু জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বলল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ওয়াশিংটন আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হতে পারে’
‘ওয়াশিংটন আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হতে পারে’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নৌবাহিনী ধ্বংস করলে পারস্য সাগরে জাহাজ আনুন, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের
নৌবাহিনী ধ্বংস করলে পারস্য সাগরে জাহাজ আনুন, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নদীতে বৈদ্যুতিক শকে মাছ শিকার, ট্রলারসহ সরঞ্জাম জব্দ করল নৌপুলিশ
নদীতে বৈদ্যুতিক শকে মাছ শিকার, ট্রলারসহ সরঞ্জাম জব্দ করল নৌপুলিশ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাইলাতুল কদর উম্মতে মুহাম্মাদির মর্যাদার প্রতীক
লাইলাতুল কদর উম্মতে মুহাম্মাদির মর্যাদার প্রতীক

৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

লাইলাতুল কদর আজ
লাইলাতুল কদর আজ

৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ম্যাচসেরা তামিম, সিরিজ সেরায় ভাগ বসালেন নাহিদ রানা
ম্যাচসেরা তামিম, সিরিজ সেরায় ভাগ বসালেন নাহিদ রানা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাকিস্তানকে হারিয়ে র‍্যাঙ্কিংয়ে উইন্ডিজকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে হারিয়ে র‍্যাঙ্কিংয়ে উইন্ডিজকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে দুই যাত্রীর থেকে ৪২৯ কার্টন সিগারেট জব্দ
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে দুই যাত্রীর থেকে ৪২৯ কার্টন সিগারেট জব্দ

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরব উপসাগরীয় দেশের সঙ্গে সম্পর্কের পর্যালোচনা চায় ইরান
আরব উপসাগরীয় দেশের সঙ্গে সম্পর্কের পর্যালোচনা চায় ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা
রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অ্যাস্টন ভিলাকে উড়িয়ে দিল ইউনাইটেড
অ্যাস্টন ভিলাকে উড়িয়ে দিল ইউনাইটেড

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তেল আবিবে ইরানের ক্লাস্টার বোমা হামলা, আহত কয়েকজন
তেল আবিবে ইরানের ক্লাস্টার বোমা হামলা, আহত কয়েকজন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পিএসএলে দল পেলেন শরিফুল
পিএসএলে দল পেলেন শরিফুল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাঞ্ছারামপুরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ উদ্ধার
বাঞ্ছারামপুরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে সিরিজ হারিয়ে যা বললেন অধিনায়ক মিরাজ
পাকিস্তানকে সিরিজ হারিয়ে যা বললেন অধিনায়ক মিরাজ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার
মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সৌদি ছাড়ার নির্দেশ
মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সৌদি ছাড়ার নির্দেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মত সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে ইরান
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মত সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের আগুনেই কি পুড়ে ছাই হবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার?
ইরানের আগুনেই কি পুড়ে ছাই হবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সাত মিনিটের মধ্যেই ইসরায়েলে হামলা চালাতে সক্ষম!
যে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সাত মিনিটের মধ্যেই ইসরায়েলে হামলা চালাতে সক্ষম!

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার সরাসরি ইসরাইলের পুলিশ সদর দপ্তরে ড্রোন হামলা করল ইরান
এবার সরাসরি ইসরাইলের পুলিশ সদর দপ্তরে ড্রোন হামলা করল ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল দক্ষিণ কোরিয়া
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল দক্ষিণ কোরিয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে
ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠল ইসরাইল
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠল ইসরাইল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, হতে পারে হিতে বিপরীত
হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, হতে পারে হিতে বিপরীত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে ইরান যুদ্ধের শেষ চাইছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব
যে কারণে ইরান যুদ্ধের শেষ চাইছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ওয়াশিংটন আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হতে পারে’
‘ওয়াশিংটন আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হতে পারে’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি-আমিরাতেও হামলা চালিয়েছে ইরান
সৌদি-আমিরাতেও হামলা চালিয়েছে ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০
ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শহীদ মিনারে গুলিবিদ্ধ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবের মৃত্যু
শহীদ মিনারে গুলিবিদ্ধ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নৌবাহিনী ধ্বংস করলে পারস্য সাগরে জাহাজ আনুন, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের
নৌবাহিনী ধ্বংস করলে পারস্য সাগরে জাহাজ আনুন, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী
প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের হামলায় ইসরাইলে কী ঘটছে, একদিনেই শতাধিক আহত
ইরানের হামলায় ইসরাইলে কী ঘটছে, একদিনেই শতাধিক আহত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫
ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০
ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা
দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ
ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
রফিকুল হয়ে গেলেন রব স্টিভেন
রফিকুল হয়ে গেলেন রব স্টিভেন

পেছনের পৃষ্ঠা

নতুন বাণিজ্য জোটে বাংলাদেশ
নতুন বাণিজ্য জোটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদের সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে লুটপাটের অভিযোগ
সংসদের সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে লুটপাটের অভিযোগ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ধেয়ে আসছে মহাসংকট
ধেয়ে আসছে মহাসংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা
৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা

প্রথম পৃষ্ঠা

তবু মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি তেল
তবু মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি তেল

পেছনের পৃষ্ঠা

বিরোধের কেন্দ্রে সংস্কার পরিষদ
বিরোধের কেন্দ্রে সংস্কার পরিষদ

প্রথম পৃষ্ঠা

কাবরেরার কি শেষ দল ঘোষণা
কাবরেরার কি শেষ দল ঘোষণা

মাঠে ময়দানে

প্রকল্পের বিষফোড়া সমন্বয়হীনতা
প্রকল্পের বিষফোড়া সমন্বয়হীনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রথম সেঞ্চুরিতেই তানজিদের বাজিমাত
প্রথম সেঞ্চুরিতেই তানজিদের বাজিমাত

মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এক মাস
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এক মাস

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্মসমর্পণের আবেদন জমা দিয়ে লাপাত্তা আসামি
আত্মসমর্পণের আবেদন জমা দিয়ে লাপাত্তা আসামি

খবর

সৌদিতে দফায় দফায় হামলা
সৌদিতে দফায় দফায় হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

সাভার-কুমিল্লা সফরে সেনাবাহিনী প্রধান
সাভার-কুমিল্লা সফরে সেনাবাহিনী প্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কলেজ ছাত্রকে গুলি করে হত্যা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কলেজ ছাত্রকে গুলি করে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

রিয়ালের সহজ জয়
রিয়ালের সহজ জয়

মাঠে ময়দানে

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল সেভিয়া
রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল সেভিয়া

মাঠে ময়দানে

পর্দা নামল অমর একুশে বইমেলার
পর্দা নামল অমর একুশে বইমেলার

পেছনের পৃষ্ঠা

অ্যানেসথেসিয়া দিতেই দুই নারীর মৃত্যু
অ্যানেসথেসিয়া দিতেই দুই নারীর মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

লাইলাতুল কদর আজ
লাইলাতুল কদর আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কার্ডের সুদ ২৫ শতাংশই থাকল
ক্রেডিট কার্ডের সুদ ২৫ শতাংশই থাকল

পেছনের পৃষ্ঠা

শুনানির তারিখ চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
শুনানির তারিখ চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

পেছনের পৃষ্ঠা

শাহজালালে ৫০০ ফ্লাইট বাতিল
শাহজালালে ৫০০ ফ্লাইট বাতিল

পেছনের পৃষ্ঠা

হানাদারের নিষ্ঠুরতাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ঠেলে দেয়
হানাদারের নিষ্ঠুরতাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ঠেলে দেয়

পেছনের পৃষ্ঠা

নানা সমস্যা শুঁটকি বন্দরে
নানা সমস্যা শুঁটকি বন্দরে

দেশগ্রাম

খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

খবর

ইত্যাদিতে ঈদ মিউজিক্যাল ড্রামা
ইত্যাদিতে ঈদ মিউজিক্যাল ড্রামা

শোবিজ

ভিজিএফের চালে অনিয়মের অভিযোগে সড়ক অবরোধ
ভিজিএফের চালে অনিয়মের অভিযোগে সড়ক অবরোধ

দেশগ্রাম

সোনামসজিদ স্থলবন্দর ১০ দিন বন্ধ
সোনামসজিদ স্থলবন্দর ১০ দিন বন্ধ

দেশগ্রাম