শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:২৩, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বিপন্ন অর্থনীতি রক্ষায় তারেক রহমানে আস্থা

ফারুক মেহেদী
অনলাইন ভার্সন
বিপন্ন অর্থনীতি রক্ষায় তারেক রহমানে আস্থা

অর্থনীতির কঠিন একসময়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর দেশ পুনর্গঠনের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিচ্ছেন গত ১৭ বছরে নানা চড়াই-উত্রাইয়ে নিজেকে ‘শাণিত’ করা পরিণত এই রাজনীতিবিদ।

তথ্য-উপাত্ত বলছে, তিনি এমন একসময় বাংলাদেশকে সাজানোর ক্ষমতা পেয়েছেন, যখন ব্যাংক খাত লুটপাটে পথহারা। দেশ চলছে ধারদেনায়। কোষাগারে কাঙ্ক্ষিত তহবিল নেই। বড় রাজস্ব ঘাটতি। একের পর এক কারখানা বন্ধের নোটিশ। উচ্চ সুদের ছোবলে বিনিয়োগ মন্দা। স্থবির কর্মসংস্থান। তিনি যখন প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেবেন, তখন লাখো বেকার পাস করে চাকরির জন্য তীর্থের কাকের মতো ‘হাঁ’ করে বসে রয়েছেন। আর সাধারণ মানুষ উচ্চ মূল্যস্ফীতির তাপে পুড়ছে। ছোট-বড় ব্যবসায়ীরা অবহেলিত, বঞ্চিত।

গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে নিগৃহের শিকার হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। যার ফলে তাঁরা ব্যবসা-বিনিয়োগে আস্থা না পেয়ে হাত গুটিয়ে বসেছিলেন। ফলে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ঘুরছে না অর্থনীতির চাকা। তাঁরা অপেক্ষায় ছিলেন, কবে রাজনৈতিক সরকার আসবে আর তাঁরা আস্থা পেয়ে ‘ব্যবসা-উদ্যোগে’ মনোযোগ দেবেন। মাত্র এক দিন আগেই এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।

বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। দলের চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানই প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। তাই মন্দার কবল থেকে ব্যবসা-অর্থনীতির চাকা সচল করতে সবার চোখ এখন তারেক রহমানের দিকে। সবার ধারণা, তিনি দায়িত্ব নিয়েই আগে অর্থনীতির ‘ইঞ্জিন’ চালু করতে ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের আস্থায় নেবেন। তাঁদের সঙ্গে বসবেন, পরামর্শ করবেন। সব কষ্ট ভুলে দেশ পুনর্গঠনে হাত লাগাতে বলবেন। এমনই আশা ব্যবসায়ী-অর্থনীতি বিশ্লেষকদের। তাঁরা মনে করেন, তারেক রহমানকেই এখন শক্ত হাতে বিপন্ন-বিপর্যস্ত অর্থনীতির হাল ধরতে হবে।

অর্থনীতি বিশ্লেষক ও ফিন্যানশিয়াল এক্সিলেন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মামুন রশীদ বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনে যখন একটি নতুন সরকার গঠন হবে, তখন আমাদের প্রথম এবং প্রধান কাজ হতে হবে ভেঙে পড়া অর্থনৈতিক কাঠামোকে মেরামত করা। দীর্ঘদিনের লুণ্ঠনমূলক অর্থনীতি আর সুশাসনের অভাব বিনিয়োগকারীদের মনে যে গভীর আস্থাহীনতা তৈরি করেছে, তা দূর করাই হবে প্রধান চ্যালেঞ্জ। ব্যবসায়ীদের মনে এই বিশ্বাস জন্মানো জরুরি যে বিনিয়োগ সুরক্ষিত থাকবে এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে তাঁরা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন।’

সাম্প্রতিক সময়ে অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা বলেন, অর্থনীতি বর্তমানে যে গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে ফেরানোই নবনির্বাচিত বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিগত দেড় দশকের পুঞ্জীভূত অনিয়ম, ব্যাংক খাতের পদ্ধতিগত লুটপাট এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির ফলে অর্থনীতির যে রক্তক্ষরণ হয়েছে, তা বন্ধ করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারকে এক যুগান্তকারী ও বহুমাত্রিক কৌশল গ্রহণ করতে হবে।

তাঁরা আরো বলেন, অর্থনীতির এই কঠিন সন্ধিক্ষণে কেবল গত্বাঁধা সংস্কার যথেষ্ট নয়, বরং রাষ্ট্র কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের আস্থা ফিরিয়ে আনাই হবে প্রথম ও প্রধান পদক্ষেপ। আস্থা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় প্রথম বড় পদক্ষেপ হওয়া উচিত ব্যাংক খাতের পুনর্গঠন। তারেক রহমান যদি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে পেশাদার ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদদের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে প্রকৃত স্বায়ত্তশাসন দিতে পারেন, তবেই ঋণ বিতরণে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি বন্ধ হবে। তারল্য সংকট কাটাতে এবং উচ্চ সুদের হারের চাপ কমাতে ব্যাংকগুলোর মূলধন পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে সাধারণ আমানতকারী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা পুনরায় ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর ভরসা করতে পারেন।

ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঘুষ-অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে চরম হতাশা। তাঁরা মনে করেন, বিনিয়োগহীনতার বৃত্ত ভাঙতে নতুন সরকারকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং অদৃশ্য চাঁদাবাজি ও হয়রানি কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। তারেক রহমান যদি ডিজিটাইজেশনের পরবর্তী ধাপ হিসেবে ‘পেপারলেস ইকোনমি’ এবং পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন নিশ্চিত করতে পারেন, তবে ব্যবসা শুরুর খরচ এক ধাক্কায় অনেক কমে আসবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে আইনি সুরক্ষার নিশ্চয়তা এবং কর অবকাশ সুবিধার যৌক্তিক বিন্যাসও অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে শিল্পায়নের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানে জোর দেওয়া হলে দীর্ঘ মেয়াদে উৎপাদন খরচ কমে আসবে, যা সরাসরি বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে।

সর্বমহলে এমন আলোচনা যে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের উচিত হবে বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার যদি একটি প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারে, যেখানে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরাও বড়দের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যবসা করতে পারবেন, তবেই পণ্যের সরবরাহ বাড়বে এবং দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে। টিসিবির কার্যক্রম আরো স্বচ্ছ করা এবং সাপ্লাই চেইন থেকে মধ্যস্বত্বভোগীদের দাপট কমাতে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো যেতে পারে।

বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপিতে করের অনুপাত দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন। রাজস্ব আয় বাড়াতে হলে করের হার না বাড়িয়ে বরং করের জাল বা ‘ট্যাক্স নেট’ বাড়ানোর পরামর্শও আছে ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা মহলে। তারেক রহমান যদি ঘোষণা দিতে পারেন, স্বচ্ছতার সঙ্গে কর প্রদান করলে ব্যবসায়ীরা ভিআইপি মর্যাদা ও বিশেষ সুযোগ পাবেন, তবে কর দেওয়ার আগ্রহ বাড়বে। একই সঙ্গে মেগাপ্রজেক্টের নামে যে অর্থ অপচয় ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তা কঠোর তদারকির আওতায় এনে ব্যয় সংকোচননীতি গ্রহণ করলে বাজেট ঘাটতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, তারেক রহমানের সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে তাঁর তারুণ্যনির্ভর নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা। তিনি যদি একটি ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক মডেল’ প্রবর্তন করতে পারেন, যেখানে রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য না হয়ে মেধা ও দক্ষতা প্রাধান্য পাবে, তবে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে আরো উৎসাহিত হবেন। একটি জবাবদিহিমূলক সরকার যদি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপে বসে এবং তাঁদের বাস্তবিক সমস্যার দ্রুত সমাধান দেয়, তবে খুব দ্রুতই আস্থাহীনতার মেঘ কেটে যাবে এবং বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ অর্থনীতির পথে যাত্রা শুরু করবে।

অর্থনীতি বিশ্লেষক মামুন রশীদ আরো বলেন, ‘অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ হাতে নিতে হবে। সবার আগে ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করে একটি শক্তিশালী ও গতিশীল মুদ্রানীতি প্রণয়ন করতে হবে, যা কেবল কাগজ-কলমে নয়, বাস্তবে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফেরাবে। হুন্ডি বন্ধ করে বৈধ পথে রেমিট্যান্স আনা এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে বিশেষ প্রণোদনা দিতে হবে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সবচেয়ে বেশি জোর দিতে হবে বেকারত্ব,  কর্মসংস্থান,  মূল্যস্ফীতি,  জ্বালানি সংকট, বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য আর ব্যবসায়ের পরিবেশ তৈরিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

নিট পোশাক রপ্তানি খাতের উদ্যোক্তা ও বিকেএমইএর সাবেক প্রেসিডেন্ট ফজলুল হক বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ীরা নির্বাচনের আগে তারেক রহমানকে আমাদের সমস্যার কথা জানিয়েছিলাম। বিশেষ করে আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি করা, জনজীবন-ব্যবসায় মব কালচার নিয়ন্ত্রণ করা, ব্যাংক খাত পুনর্গঠন, সুদের হার কমানো, জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানো, সুশাসন নিশ্চিত করা ইত্যাদি বিষয়ে তিনি খুবই আন্তরিক। বিএনপি এখন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। তিনি এখন দেশ পরিচালনা করবেন। আমি মনে করি, তিনি এখন আমাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারবেন। অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের দূরে সরিয়ে রেখেছিল। কখনো আমাদের কথা শোনেনি। রপ্তানিতে আমাদের অনেক সমস্যা রয়েছে। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পিছিয়ে দেওয়া যায় কি না। আমরাও ভারত-ইইউ চুক্তির বিপরীতে কাউন্টার চুক্তি করতে পারি কি না, আমাদের সক্ষমতা কিভাবে বাড়ানো যায় ইত্যাদি নিয়ে তিনি কাজ করতে পারেন। আমাদের কথা শুনতে পারেন। আমরা বলছি না আমাদের কথাই বাস্তবায়ন করবেন। আমরা অন্তত বলতে চাই, সিদ্ধান্ত সরকারই নিক।’

অন্তর্বর্তী সরকার শেষ সময়ে অনেক সংবেদনশীল বিষয়ে চুক্তি করেছে। এসব চুক্তি রাজনৈতিক সরকার এসে করার কথা। চুক্তিগুলো কতটা দেশের স্বার্থে ইতিবাচক, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি কি না কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য অনুকূল হবে কি না—এখন এই প্রশ্ন উঠেছে। ব্যবসায়ীরা বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করা যায় কি না—সেটিও দেখার পরামর্শ দেন।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তারেক রহমানকে যেসব বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে ব্যবসায়ী-বিশ্লেষকরা মনে করেন, এর মধ্যে রয়েছে—ডলার সাশ্রয়ে আমদানিকৃত কয়লা বা এলএনজির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া। পুঁজিবাজারে সিন্ডিকেট এবং কারসাজির সংস্কৃতি বন্ধ করা, বাজারে সুশাসন নিশ্চিত করা। কর আদায় প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল বা অটোমেশন করা এবং একটি ‘ব্যবসাবান্ধব কর ব্যবস্থা’ গড়ে তোলা। রপ্তানি খাতে এলডিসি থেকে উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পণ্যের বহুমুখীকরণ করা। তিনি যদি আইটি ও সফটওয়্যার, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল এবং কৃষি প্রক্রিয়াকরণ খাতকে বিশেষ রপ্তানি সুবিধা ও প্রণোদনা প্রদান করেন, তবে রপ্তানির ঝুড়ি বড় হবে। বিশ্লেষকরা বলেন, বিএনপি সরকারকে প্রথম ১০০ দিনের জন্য ‘জরুরি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার রোডম্যাপ’ বাস্তবায়ন করতে হবে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
সর্বশেষ খবর
ইরান যুদ্ধে ছয় দিনে আমেরিকার খরচ ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি: ট্রাম্প প্রশাসন
ইরান যুদ্ধে ছয় দিনে আমেরিকার খরচ ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি: ট্রাম্প প্রশাসন

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় প্রতিরক্ষা শিল্প কৌশল এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ
কানাডায় প্রতিরক্ষা শিল্প কৌশল এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ

৬ মিনিট আগে | পরবাস

মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান
মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখল ইসরায়েল
হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখল ইসরায়েল

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রূপগঞ্জে শীর্ষ মাদক করবারি হানিফসহ আটক দুই
রূপগঞ্জে শীর্ষ মাদক করবারি হানিফসহ আটক দুই

২৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইরানের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী: প্রাথমিক তদন্ত
ইরানের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী: প্রাথমিক তদন্ত

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন তেল শোধনাগার চালুর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
নতুন তেল শোধনাগার চালুর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাহিদের আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন বিএনপির কাইয়ুম
নাহিদের আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন বিএনপির কাইয়ুম

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি

৪৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা
ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যশোরে অপহরণের ৯ দিন পর ওষুধ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার
যশোরে অপহরণের ৯ দিন পর ওষুধ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালে মির্জা আব্বাস
হাসপাতালে মির্জা আব্বাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ
ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সভাপতি হিসেবে মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাবকে বিরোধী দলের সমর্থন
সভাপতি হিসেবে মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাবকে বিরোধী দলের সমর্থন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছুটির দিনে জ্বালানি তেল নিয়ে সরকারের জরুরি নির্দেশনা
ছুটির দিনে জ্বালানি তেল নিয়ে সরকারের জরুরি নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী
আজ থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় দিবসের তালিকা থেকে বাদ ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট, আছে ৫ আগস্ট
জাতীয় দিবসের তালিকা থেকে বাদ ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট, আছে ৫ আগস্ট

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের হামলায় ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে উপসাগরীয় দেশগুলো
ইরানের হামলায় ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে উপসাগরীয় দেশগুলো

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু ১৩ মার্চ
ঈদ ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু ১৩ মার্চ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ
প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাইকোর্টের রায় বহাল, কন্টেইনার টার্মিনাল নিয়ে লিভ টু আপিল খারিজ
হাইকোর্টের রায় বহাল, কন্টেইনার টার্মিনাল নিয়ে লিভ টু আপিল খারিজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা
যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা
যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশন শুরু
সংসদ অধিবেশন শুরু

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ : সালাহউদ্দিন আহমদ
আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ : সালাহউদ্দিন আহমদ

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হাজার মাসের চেয়েও উত্তম যে রাত
হাজার মাসের চেয়েও উত্তম যে রাত

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?
ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?
অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?
অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান
যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা
যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?
ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা
যুদ্ধে ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বাড়ল উত্তেজনা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি
ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত
বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত

নগর জীবন

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট
নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট

নগর জীবন

পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের
পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা
বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা

পেছনের পৃষ্ঠা

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন