শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩৩, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আশাহত জাতির চোখে নতুন আশার বাতি

তৌহিদুর রহমান
অনলাইন ভার্সন
আশাহত জাতির চোখে নতুন আশার বাতি

বিরল প্রতিভার লেখক-নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদকে মনে পড়ছে। তিনি বেঁচে থাকতে বহুবার ভেবেছি কথাটা। একবার তাঁর কাছে যাব; তাঁর গল্পের উল্টাপাল্টা চরিত্রগুলোর মতো আরেকটা চরিত্র সৃষ্টি করার বায়না ধরব। চরিত্রটা হবে এ রকম : একজন খুব ক্ষমতাধর পিতার এক তরুণ সন্তান।


ছেলেটা ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে, আদরে-আহ্লাদে। তার বাবা একদিন হঠাৎ করে দেশের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হয়ে উঠলেন। সঙ্গে মা-ভাই-বোনের সঙ্গে তরুণ ছেলেটাও। এমন পরিস্থিতিতে কী দেখি আমরা? দেখি যে ছেলেটা ক্ষমতাপুষ্ট হয়ে, খুব দ্রুত হয়ে উঠছে বেপরোয়া।
একে ধরছে, ওকে মারছে, তাকে শাসাচ্ছে—আমাকে চিনিস? এবার দেখবি মাইর কাকে বলে, যা খুশি তাই করব আমি! এরপর কী ঘটে? ওই বাবা-ক্ষমতান্ধ ছেলের অত্যাচারে চোখে অন্ধকার দেখে আশপাশের মানুষ।
এই বাস্তবতা আমাদের চিরচেনা। তো, হুমায়ূন আহমেদের আদলে আমার বানানো কল্পনার চরিত্রটি ছিল তার উল্টো। হঠাৎ ক্ষমতাধর এক পিতার তরুণ ছেলেটা গর্জে উঠে বলে—এবার আয়! ঠেকা আমাকে! আমি স্কুল বানাব।


গরিব বাচ্চাদের বিনাপয়সায় লেখাপড়া করাব। হাসপাতাল বানাব। বিনাপয়সায় চিকিৎসা করাব। কৃষকদের করে তুলব সবচেয়ে
সম্মানিত নাগরিক। শ্রমিকদের জন্য করব সমৃদ্ধ জীবনের ব্যবস্থা।


ইত্যাদি ইত্যাদি...। পারলে ঠেকা আমাকে, দেখি! একদম টেংরি ভেঙে হাতে ধরায়ে দেব...।
এ রকম একটা চরিত্রের আইডিয়া নিয়ে ওই রকম অসম্ভব মেধাবী-সৃজনশীল একজন লেখকের কাছে গেলে কী করতেন তিনি? আমি নিশ্চিত, তিনি বলে উঠতেন—গর্দভ! আমাকে ফাটাকেষ্টর লেখক পাইছিস? দূর হ সামনে থেকে!

কী করব বলেন? আমরা মেধাবী, প্রভিভাধর কেউ না। আমজনতা। অতশত বুঝি না। মোটা পেটে মোটা খাই। মোটা মাথায় মোটা চিন্তা করি। আমরা হলাম সাধারণ জনগণ। আমাদের চাওয়া-পাওয়া বেশি না। একটু সুখে-শান্তিতে থাকা—এই তো! কিন্তু সেই ব্যবস্থাটা করার জন্য যতবার যাদেরই আমরা ভোট-ভ্যাট, টাকা-ট্যাক্সসহ দায়িত্ব দিয়ে ‘লঙ্কায়’ পাঠাই, সে-ই হয় ‘রাবণ’। এ কারণে আমাদের মোটা মাথায় ফাটাকেষ্টর মতো চরিত্ররাই ঘোরাফেরা করে। তারাই আমাদের স্বপ্নের নায়ক। আমাদের বাস্তবের নায়করা কী রকম, সেটা গত ৫৬ বছর ধরে টের পাচ্ছি হাড়ে-মজ্জায়। এবার একটু কেমন কেমন যেন লাগছে! আজ পহেলা ফাল্গুনে যেন পশম-জাগানিয়া বসন্তের হাওয়ার পরশ লাগছে মনে। কেন? আসুন, একটু খতিয়ে দেখি।

এক দিন আগেই এই শীত-বসন্তের দেশে যেন খুলে গেল বহুদিনের বন্ধ দুয়ার—যার নাম ভোটাধিকার। যদিও এই দুয়ারে বড় একটা কপাট বন্ধ করে রাখা ছিল, তার পরও দেশের মানুষ হেসে-খেলে, হৈচৈ করে সারি বেঁধেছে; ভোট দিয়েছে মন ভরে। রেজাল্ট আমরা সবাই দেখলাম। আবারও বুঝিয়ে দিলাম, আমরা এই সেই জাতি, যারা ভোট দিতে না পারার কষ্ট মুখ বুজে সয়ে সয়ে একদিন ফেটে পড়ি আগুনে-বোমায়। তখন পালিয়ে বাঁচে রাবণ। তারপর রাম-লক্ষ্মণের রূপ ধরে আসে মুখোশধারীরা। সেই মুখোশ খুলতে দেরি লাগে না প্রকৃতির নিয়মেই। বেরিয়ে যায় আসল রূপ। দেখে নিভে যায় আগুনে-জাতি। রাগে-দুঃখে শুধু অভিশাপ জাগে মনে। টের পেয়ে পাততাড়ি গুটায় ওরা। দ্রুত আয়োজন করে ভোট দেওয়ার সুযোগের। আর এই সুযোগ নিয়ে আমজনতা দেখিয়ে দেয় তার সাংবিধানিক ক্ষমতা। বয়কট করে মুখোশধারী বিপ্লবীদের। প্রত্যাখ্যান করে স্বাধীনতার শত্রু, ধর্মকারবারি-নারীবিদ্বেষীদের। দেশের দায়িত্ব তুলে দেয় পুরনো একটি দলকেই; তবে সেই দলের নেতৃত্ব এখন এমন একজনের কাছে, যাঁর সামনে আশার বাতিটা জ্বালানোই যায়। তাঁর নাম তারেক রহমান।

তারেক রহমান এখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান। ‘আপসহীন নেত্রী’ নামে খ্যাত, দেশের তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, সদ্যঃপ্রয়াত খালেদা জিয়া এবং বীর-উত্তম মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান দম্পতির সন্তান তিনি। নিঃসন্দেহে তাঁর শরীরে বইছে রাজনীতির নীল রক্ত। বাবা শহীদ হওয়ার পর দলের দায়িত্ব পড়ে মা খালেদা জিয়ার ওপর। তারেক রহমান তখন ১৪ বছরের কিশোর। বিস্মিত চোখে দেখেছেন ‘অসহায় গৃহবধূ’ মায়ের বিপুল জনপ্রিয়তা; ১০ বছরের মাথায় দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী; একসময় আপসহীন নেত্রী হয়ে ওঠার একেকটা গর্বিত অধ্যায়। ২০০১ সালে মায়ের দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর্বে তারেক রহমানের হাতেখড়ি হয় রাজনীতির পাঠে। তখন তারেক ৩৪ বছরের পরিপূর্ণ যুবক। পরের বছরেই তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মনোনীত হন। শুরু হয় তাঁর রাজনীতির মাঠে অবাধ বিচরণ। কিন্তু ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আটক করে তাঁকে। বছর দেড়েক কারান্তরীণ থেকে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পান; কিন্তু চাপের মুখে ওই বছরই দেশ ছেড়ে সপরিবারে চলে যান লন্ডনে। সেখানে থেকেই পরের বছর ৮ ডিসেম্বর দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তারেক রহমান। দেশের ভেতরে মা আর নির্বাসনে ছেলেসহ গোটা দলের ওপর নেমে আসে দমন-পীড়ন। অসুস্থ হয়ে পড়েন খালেদা জিয়া। এক পর্যায়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করে দল চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয় তারেককে। নির্বাসনে থেকেই সাধ্যমতো নেতৃত্ব দিয়ে যান দলকে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রবল গণ-অভ্যুত্থানের মুখে কর্তৃত্ববাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে অনুকূলে আসে পরিস্থিতি। এরপর দেশে ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে এবং মা খালেদা জিয়া অনেকটা মৃত্যুশয্যায় চলে গেলে তারেক রহমান টানা ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে গত ২৫ ডিসেম্বর ফিরে আসেন দেশের মাটিতে।

দেশে ফিরেই বিমানবন্দরের আঙিনায় প্রথমে একমুঠো ‘দেশের মাটি’ তুলে নিয়ে তারপর উপস্থিত লাখো জনতার ভিড়ে দাঁড়িয়ে যখন উদাত্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেন—‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান.../উই হ্যাভ আ প্ল্যান...’; তখনই কোটি মানুষের মতো আমাদেরও মনে জ্বলে ওঠে নতুন আশার বাতি। চোখে ভাসতে থাকে ঘটনাপরম্পরা। ধীরে ধীরে গাঁথা হতে থাকে আশা-নিরাশা আর যুক্তি-আবেগের দীর্ঘ মালা।

মালাটা এ রকম : ৪১ বছর বয়স থেকে তারেক রহমান বসবাস করেছেন ব্রিটিশ রাজধানীতে, যেই ব্রিটিশ নেতারা আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানে বলিয়ান হয়ে গোটা পৃথিবীতে রাজত্ব কায়েম করেছে; অন্যদের ওপর শোষণ-নিপীড়ন-লুণ্ঠন চালিয়ে নিজেদের দেশ ও জনগণকে সমৃদ্ধ করেছে; জাতিকে এগিয়ে নিয়েছে বহুদূর। সেটা আরেক গল্প। তবে সেই দেশে বসে আরেকটা দেশের প্রতিভূ হয়ে তারেক রহমান নিশ্চয়ই নিবিড়ভাবে দেখেছেন—কিভাবে একটা দেশ ও জাতিকে গণতন্ত্র ও সুশাসনের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করা যায়; কিভাবে নিজের দেশের জনগণকে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় উন্নত জীবনের স্বাদ দেওয়া যায়।

তারেক রহমান নিশ্চয় দেখেছেন, ওই দেশের মানুষের সুখ-শান্তি, নিরাপত্তা-সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র কতটা বদ্ধপরিকর; সরকার কতটা মরিয়া। কেননা জনগণের সন্তুষ্টির ওপরই তো নির্ভর করে ওদের সরকারের টিকে থাকা, না থাকা। নিশ্চয় তিনি দেখেছেন, জনগণের কষ্টার্জিত টাকায় জীবিকা নির্বাহ করে জনগণের সেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন; দেশের উন্নয়ন কাজে সেই টাকা খরচ করায় কতটা সতর্ক ওরা; কতটা জবাবদিহি করতে হয় ওদের। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে; জনগণের সেবায় নিয়োজিত রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটা অঙ্গকে জনকল্যাণমুখী করে রাখা আর সর্বোপরি গণমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ করে দেওয়া কতটা অতি জরুরি—এসব খুব কাছে থেকে দেখেছেন, নিশ্চয় বুঝেছেন তিনি।

দূর থেকে নিজের দেশের দিকে তাকিয়েও তারেক রহমান নিশ্চয় এটাও দেখেছেন, রাজনৈতিক দমন-পীড়নে আপাত সাফল্য কিভাবে নিজেদের দানব করে তোলে; তখন নিজের জনগণ, নিজের ভোটারকেও শোষণ-শাসন-নিপীড়ন করতে একটুও বাধে না এবং তার অনিবার্য পরিণতি হিসেবে একসময় নির্মম পতন ঘটে, সেই দানবের—এর সবকিছুই এক রকম তাঁর চোখের সামনেই ঘটেছে, যেহেতু প্রযুক্তির কল্যাণে এখন আর দূর বলে কিছু নেই।

আবার নিজের কিছু সদিচ্ছা থাকলেও ক্ষমতা ধরে রাখার মোহে অযোগ্য-অথর্ব, স্বার্থান্বেষী দুষ্টচক্রকে প্রশ্রয় দিলে, একসময় ওদের তোষামোদিতে ‘অন্ধ’ হয়ে যেতে হয় এবং খাদের মধ্যে পড়তে হয় নিশ্চিতভাবে, সেটাও দূর থেকে দেখার কথা তাঁর।

এত কিছু দেখে দেখে, ১৭টি বছর পরে নিশ্চয় তারেক রহমান যথেষ্ট প্রজ্ঞাবান হয়েই দেশে ফিরেছেন কোমর বেঁধে। তাঁর মুখে ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ শুনে সেই আশা জেগে ওঠা কি দোষের?

মিরাক্যাল কিছু না ঘটলে তারেক রহমানই যে দেশের হাল ধরছেন, তা প্রায় নিশ্চিত। দেশের মানুষ হতাশ হতে হতে যখন নিভে যাওয়ার উপক্রম, ঠিক তখন একটা সুযোগ এলো আশীর্বাদ হয়ে। আমাদের সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে—‘প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ।’ গত পরশুদিনই বাংলাদেশের জনগণ দেখিয়ে দিয়েছে, তাদের ক্ষমতা কাকে বলে! মনের সুখে ভোট মেরে উড়িয়ে দিয়েছে সব ‘অপশক্তি’।

সংবিধানে দেওয়া এই শক্তির জোরে আর গণতন্ত্রের সংজ্ঞা তুলে নিশ্চয় আজ বলতে পারি, ‘আমরা জনগণ আপনাদের ভোট দিয়ে সরকার গঠনের রায় দিয়েছি। আমাদের সবার জীবনের সুখ-শান্তি, নিরাপত্তা-সমৃদ্ধি আর উন্নয়নের সব আয়োজন সুসম্পন্ন করবেন; রাষ্ট্রযন্ত্রের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুষ্ঠুভাবে কার্যকর রাখার ব্যবস্থা নেবেন। এসবের জন্য যা রসদ লাগে, ভ্যাট-ট্যাক্সের মাধ্যমে আমরা তার জোগান দিয়ে যাব।

জানি, কাজগুলো সহজ নয়। যত সহজে বলা সম্ভব, তত সহজে করা প্রায় অসম্ভব। ভেতরে-বাইরে শত্রু-অপশক্তির অন্ত নাই। তাই শুভকাজেও এখন দরকার সুকৌশল, যা কিছু দরকার, সবই করার দায়িত্ব তো সরকারেরই।

এটাও সত্য—সরকার সফল হবে তখনই, যখন দেশের প্রতিটি মানুষ হবে সুনাগরিক। আবার সুনাগরিক গড়ে তোলার দায়িত্বও থাকবে সরকারের। কাজটা বড়ই জটিল, বড়ই কঠিন।

‘কঠিনেরে ভালোবাসিলাম’ বলেই তো মহান বিশ্বনেতারা দৃঢ়প্রত্যয়ে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন নিজের দেশের জনগণের। তাঁদেরই একজন মার্টিন লুথার কিংয়ের প্রত্যয়দীপ্ত অমর বাণী ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’ অন্তরে ধারণ করে আমাদের একজন নির্যাতিত-নির্বাসিত নেতা যখন দেশে ফিরে বজ্রকণ্ঠে বলে ওঠেন—‘আই হ্যাভ আ প্লান’; তখন আর সেটা নিছক কোনো উচ্চারণ থাকে না। আশার বাতি হয়ে জ্বলে ওঠে কোটি মানুষের প্রাণে।

এবার সেই প্ল্যান বাস্তবায়ন করে, অন্ধকারে পথহারা জাতিকে আলোকিত করা হোক—এই রায়ই তো পাওয়া গেল বৃহস্পতির নির্বাচনে; তাই নয় কি? 

 

লেখক : ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক, প্রশিক্ষক ও মেন্টর

এই বিভাগের আরও খবর
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
সর্বশেষ খবর
নষ্ট মরিচ মিশিয়ে মশলা তৈরি, দুই লাখ টাকা জরিমানা
নষ্ট মরিচ মিশিয়ে মশলা তৈরি, দুই লাখ টাকা জরিমানা

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে ভারত ও বাংলাদেশের শক্তিশালী সংযোগ আছে: প্রণয় ভার্মা
বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে ভারত ও বাংলাদেশের শক্তিশালী সংযোগ আছে: প্রণয় ভার্মা

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-এপস্টাইনের টাইটানিক পোজ, তোলপাড়
ট্রাম্প-এপস্টাইনের টাইটানিক পোজ, তোলপাড়

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে অভিষেক-ইশানের দাপট
আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে অভিষেক-ইশানের দাপট

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পরিশুদ্ধ জীবন গঠনে কিয়ামুল লাইল মাইলফলক: আল্লামা জুবাইর
পরিশুদ্ধ জীবন গঠনে কিয়ামুল লাইল মাইলফলক: আল্লামা জুবাইর

১৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে ইরানকে স্বাগত জানাবেন ট্রাম্প: ফিফা সভাপতি
বিশ্বকাপে ইরানকে স্বাগত জানাবেন ট্রাম্প: ফিফা সভাপতি

৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে ৭ দিন শেয়ারবাজার বন্ধ থাকবে
ঈদে ৭ দিন শেয়ারবাজার বন্ধ থাকবে

৪৬ মিনিট আগে | অর্থনীতি

গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সোনারগাঁয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা
গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সোনারগাঁয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা

৪৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

টুঙ্গিপাড়ায় নববধূর মৃত্যু, ৬ লাখ টাকায় মীমাংসার চেষ্টার অভিযোগ
টুঙ্গিপাড়ায় নববধূর মৃত্যু, ৬ লাখ টাকায় মীমাংসার চেষ্টার অভিযোগ

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মাদকের টাকা না পেয়ে চেয়ারম্যান কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ
ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মাদকের টাকা না পেয়ে চেয়ারম্যান কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাউবি ও বিপসটের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
বাউবি ও বিপসটের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

৫০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সিলেটে সেই ছিনতাইয়ের ঘটনার মূলহোতা গ্রেপ্তার
সিলেটে সেই ছিনতাইয়ের ঘটনার মূলহোতা গ্রেপ্তার

৫৭ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা
গোপালগঞ্জে তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফে যুবককে অপহরণের চেষ্টা, পালাতে গিয়ে গুলবিদ্ধ
টেকনাফে যুবককে অপহরণের চেষ্টা, পালাতে গিয়ে গুলবিদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অ্যাশেজে গোলাপি বলে খেলার পরিকল্পনায় অস্ট্রেলিয়া
অ্যাশেজে গোলাপি বলে খেলার পরিকল্পনায় অস্ট্রেলিয়া

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ছাড়া আধুনিক নগর সম্ভব নয় : আইজিপি
স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ছাড়া আধুনিক নগর সম্ভব নয় : আইজিপি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অপহরণ মামলায় ছেলে গ্রেপ্তার, দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণ মামলায় ছেলে গ্রেপ্তার, দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ন্যাটোর রাডারের পরীক্ষা নিচ্ছে ইরান?
ন্যাটোর রাডারের পরীক্ষা নিচ্ছে ইরান?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি
বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক রবিউল করিম হেলাল আর নেই
সাংবাদিক রবিউল করিম হেলাল আর নেই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঘরের ভেতর মিলল গৃহবধূর রক্তাক্ত লাশ
ঘরের ভেতর মিলল গৃহবধূর রক্তাক্ত লাশ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১০ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৫১.৭ শতাংশ বৃদ্ধি
১০ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৫১.৭ শতাংশ বৃদ্ধি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বেগমগঞ্জে অটোরিকশা চালক হত্যার তিন দিনেও রহস্য উদঘাটন হয়নি
বেগমগঞ্জে অটোরিকশা চালক হত্যার তিন দিনেও রহস্য উদঘাটন হয়নি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদে থাকছেন গ্রিজম্যান
অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদে থাকছেন গ্রিজম্যান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নীলফামারীর রাজস্ব প্রশাসনে লটারির মাধ্যমে ২৫ জনের পদায়ন
নীলফামারীর রাজস্ব প্রশাসনে লটারির মাধ্যমে ২৫ জনের পদায়ন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানকে ১১৪ রানে অলআউট করল টাইগাররা
পাকিস্তানকে ১১৪ রানে অলআউট করল টাইগাররা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ইরানকে সতর্ক করলেন এরদোয়ান
ইরানকে সতর্ক করলেন এরদোয়ান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও বিধ্বংসী ড্রোন এনে ইরানের চমক, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
আরও বিধ্বংসী ড্রোন এনে ইরানের চমক, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের তেল ও গ্যাস স্থাপনায় ইরানের হামলা
ইসরায়েলের তেল ও গ্যাস স্থাপনায় ইরানের হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে 'সবচেয়ে তীব্রতম' দিন হবে আজ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইরানে 'সবচেয়ে তীব্রতম' দিন হবে আজ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না স্নাতক পাস
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না স্নাতক পাস

২৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ভণ্ডামি ছাড়ুন, যথেষ্ট হয়েছে: ইউরোপীয় কমিশনকে ইরান
ভণ্ডামি ছাড়ুন, যথেষ্ট হয়েছে: ইউরোপীয় কমিশনকে ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার
ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা নির্ধারণ করবে কে?  ইরান নাকি যুক্তরাষ্ট্র
যুদ্ধের সময়সীমা নির্ধারণ করবে কে?  ইরান নাকি যুক্তরাষ্ট্র

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান
ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিশ্চিহ্ন না হতে চাইলে নিজের দিকে খেয়াল রাখুন, ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি
নিশ্চিহ্ন না হতে চাইলে নিজের দিকে খেয়াল রাখুন, ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ‍্যামিলি কার্ড নিয়ে এই মানুষগুলোর উচ্ছ্বাস আমরা বুঝতে পারব না: ফারুকী
ফ‍্যামিলি কার্ড নিয়ে এই মানুষগুলোর উচ্ছ্বাস আমরা বুঝতে পারব না: ফারুকী

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশে পড়লো ইরানি ড্রোন
মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশে পড়লো ইরানি ড্রোন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে চুরমার করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে চুরমার করছে ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুঁশিয়ারি কিমের বোনের
যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুঁশিয়ারি কিমের বোনের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালালো হিজবুল্লাহ
ইসরায়েলি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালালো হিজবুল্লাহ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি
কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি

১০ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে: ট্রাম্প
কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে: ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার রাজপথে পথচারীকে পেটালেন মডেল মনিকা, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক
ঢাকার রাজপথে পথচারীকে পেটালেন মডেল মনিকা, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের
বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পিছিয়ে যাচ্ছে পে-স্কেল বাস্তবায়ন
পিছিয়ে যাচ্ছে পে-স্কেল বাস্তবায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

অধরা জঙ্গল সলিমপুরের ডনেরা
অধরা জঙ্গল সলিমপুরের ডনেরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রথম ওয়ানডে আজ
বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রথম ওয়ানডে আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই শপথ ইস্যুতে উত্তপ্ত হবে সংসদ
দুই শপথ ইস্যুতে উত্তপ্ত হবে সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাতালরেল প্রকল্প অনিশ্চয়তায়
পাতালরেল প্রকল্প অনিশ্চয়তায়

পেছনের পৃষ্ঠা

সেই উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দিলেন জামায়াত আমির
সেই উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দিলেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

লঞ্চের কেবিনে কলেজছাত্রী ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২
লঞ্চের কেবিনে কলেজছাত্রী ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

পেছনের পৃষ্ঠা

একজনের দখলে অর্ধশত পুকুর
একজনের দখলে অর্ধশত পুকুর

নগর জীবন

নারীর সম্পত্তি নিয়ে বিকল্প আইনি পথের আহ্বান
নারীর সম্পত্তি নিয়ে বিকল্প আইনি পথের আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

২ লিটার জ্বালানি নিতে ৮ ঘণ্টা
২ লিটার জ্বালানি নিতে ৮ ঘণ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত ট্রাম্পের
যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

প্রথম পৃষ্ঠা

কী হবে বিস্ফোরণে দগ্ধ তিন শিশুর?
কী হবে বিস্ফোরণে দগ্ধ তিন শিশুর?

পেছনের পৃষ্ঠা

বেতন-বোনাস দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ যানজট
বেতন-বোনাস দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ যানজট

পেছনের পৃষ্ঠা

পাইপলাইনে ভারত থেকে আসছে ডিজেল
পাইপলাইনে ভারত থেকে আসছে ডিজেল

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্যামিলি কার্ডের যুগে দেশ
ফ্যামিলি কার্ডের যুগে দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পেনে বৈধ হওয়ার সুযোগ হারাচ্ছেন বহু বাংলাদেশি
স্পেনে বৈধ হওয়ার সুযোগ হারাচ্ছেন বহু বাংলাদেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

ঘুষ দাবির অভিযোগ ফাঁসে বিচারকাজ শতভাগ প্রশ্নবিদ্ধ
ঘুষ দাবির অভিযোগ ফাঁসে বিচারকাজ শতভাগ প্রশ্নবিদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতারণা আর ভেজালের ফাঁদে সিলেটের ক্রেতারা
প্রতারণা আর ভেজালের ফাঁদে সিলেটের ক্রেতারা

নগর জীবন

হাদি হত্যায় দেশিবিদেশি ষড়যন্ত্র
হাদি হত্যায় দেশিবিদেশি ষড়যন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না স্নাতক পাস
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না স্নাতক পাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রাণহীন বইমেলা
প্রাণহীন বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ১৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব হারাবে দেশ
যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ১৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব হারাবে দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলি বাহিনীতে ‘মুসলিম’ নারী কমান্ডার
ইসরায়েলি বাহিনীতে ‘মুসলিম’ নারী কমান্ডার

সম্পাদকীয়

উত্থানে ফিরেছে শেয়ারবাজার
উত্থানে ফিরেছে শেয়ারবাজার

পেছনের পৃষ্ঠা

সংবিধান সংস্কারের সিদ্ধান্ত সংসদে
সংবিধান সংস্কারের সিদ্ধান্ত সংসদে

প্রথম পৃষ্ঠা

উইকেট হবে ফাস্ট বোলিং সহায়ক
উইকেট হবে ফাস্ট বোলিং সহায়ক

মাঠে ময়দানে

সরকারি ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের বৈঠক
সরকারি ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের বৈঠক

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ঘোষণার পর জ্বালানি তেলে দরপতন
ট্রাম্পের ঘোষণার পর জ্বালানি তেলে দরপতন

প্রথম পৃষ্ঠা

জনগণের কাছে দেওয়া কথা রাখছি
জনগণের কাছে দেওয়া কথা রাখছি

নগর জীবন