শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:২৫, শুক্রবার, ০৬ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?

আহসান হাবিব বরুন
অনলাইন ভার্সন
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি–রপ্তানি এই বন্দর ঘিরেই। ফলে এই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বকে ঘিরে যে কোনো অনুসন্ধান কেবল ব্যক্তিগত বা প্রশাসনিক বিষয় নয়; এটি সরাসরি জাতীয় অর্থনীতি, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক আস্থার প্রশ্নটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

সম্প্রতি বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)  অভিযোগ দাখিল করেছে। অভিযোগের দুইটি ভিত্তি সামনে এসেছে–প্রথমত, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি)-এর এমডি হিসেবে জাহাজ ক্রয়ে অনিয়ম; দ্বিতীয়ত, কর্ণফুলী নদীতে ড্রেজিং–সংক্রান্ত দুর্নীতি। কিন্তু তথ্য ও সময়রেখা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে দুদকের এই অভিযোগ গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

দুদকের বক্তব্য–বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন বা বিএসসি-তে জাহাজ ক্রয়ের সময় অনিয়ম হয়েছে তাঁর দায়িত্বকালে। অথচ বাস্তব তথ্য বলছে, সংশ্লিষ্ট ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল তিনি বিএসসি ত্যাগ করার পর। অর্থাৎ যে সময়ের সিদ্ধান্ত, সে সময় তিনি দায়িত্বে ছিলেন না। প্রশাসনিক নীতির একটি মৌলিক ভিত্তি হলো–দায়িত্ব যার, জবাবদিহি তার। এই নীতি উপেক্ষা করে কাউকে অভিযুক্ত করা হলে তা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

একইভাবে, কর্ণফুলী নদীতে ড্রেজিং–সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ ২০১৯ সালের ঘটনা। কিন্তু মনিরুজ্জামান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে যোগ দেন ২০২৪ সালের জুলাইয়ে। পাঁচ বছর আগের একটি ঘটনার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা প্রমাণের যুক্তিসংগত ভিত্তি কোথায়? সময় ও তথ্যের এই অসামঞ্জস্যতা অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্যতাকে দুর্বল করে দেয়।

এখানে উল্লেখ্য যে এস এম মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে সারা জীবন অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনে কখনো কোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি। নৌবাহিনীর মতো শৃঙ্খলাবদ্ধ ও কঠোর মূল্যায়নব্যবস্থার প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে দায়িত্ব পালন মানেই বহুমাত্রিক সততা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি। এমন একটি পরিষ্কার ও অভিযোগমুক্ত ক্যারিয়ারের পর হঠাৎ করে সময়-অসামঞ্জস্যপূর্ণ অভিযোগ সামনে আসা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে জাতীয় অস্থিরতার সময় যখন বন্দর কার্যক্রম ঝুঁকির মুখে পড়ে, তখন তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বন্দর কার্যক্রম স্থিতিশীল হয়। জাহাজের গড় অপেক্ষার সময় কমে আসে, সরবরাহচক্র সচল থাকে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বন্দর ৩২,৯৬,০৬৭ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করে নতুন রেকর্ড গড়ে। রাজস্ব আয় বেড়ে ৫,২২৭.৫৫ কোটি টাকা; উদ্বৃত্ত ২,৯১২.৬৯ কোটি টাকা। সদ্য সমাপ্ত বছরে লাভ ৩,১৪২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা–গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। সরকারের কোষাগারে ভ্যাট ও কর-বহির্ভূত আয় হিসেবে জমা হয়েছে ১৮০৪ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৫.৪১ শতাংশ বেশি।

এমন অগ্রগতির প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ সুনামের অধিকারী এবং বন্দর কর্তৃপক্ষ পরিচালনায় ঈর্ষণীয়ভাবে সফল একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করা অনেকের কাছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হওয়াই স্বাভাবিক।

দায়িত্ব নেওয়ার পর এসএম মনিরুজ্জামান ই-বিলিং, অনলাইন পেমেন্ট ও ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু করেন। এতে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমে এবং দীর্ঘদিনের অনিয়মে আঘাত লাগে। যে সব গোষ্ঠী অনিয়ম থেকে সুবিধা পেত, তাদের স্বার্থে আঘাত লাগা অস্বাভাবিক নয়। ফলে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপসারণের পরিবেশ তৈরিতে সক্রিয়–এমন সন্দেহ উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

দুদকের সাংবিধানিক দায়িত্ব হলো আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। কিন্তু বাস্তবতা হলো–এই সংস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে অতীতে বহু প্রশ্ন উঠেছে। অনেক সময় অভিযোগ এসেছে, এটি রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে থাকতে পারেনি।

এর একটি আলোচিত উদাহরণ হলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা। এটি ছিল একটি হাস্যকর ভিত্তিহীন মামলা। যেখানে বেগম খালেদা জিয়া এক টাকাও খরচ করেননি। তিনি কেবল এক একাউন্টের টাকা অন্য আরেকটি একাউন্টে স্থানান্তর করেছিলেন।

সমালোচকদের মতে, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং তিনি কারাভোগও করেছেন। পরবর্তীকালে আইনি প্রক্রিয়ায় তিনি খালাস পান। এই ঘটনা দুদকের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে গভীর সংশয় সৃষ্টি করে।

শুধু এই ঘটনাই নয়–দুদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠেছে যে তারা গণহারে অনুসন্ধানপত্র পাঠায়, অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবশালীদের প্রতি নমনীয় থাকে, আবার প্রভাবহীনদের ক্ষেত্রে কঠোর হয়। এমনকি সংস্থার কিছু কর্মকর্তা ঘুষ গ্রহণ করতে গিয়ে ধরা পড়ার ঘটনাও সংবাদমাধ্যমে এসেছে। এসব ঘটনা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

দুর্নীতি নির্মূল করতে হলে প্রথমেই দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ করতে হবে। কর্মজীবনে যাদের বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের অভিযোগ নেই–এমন সৎ ও নীতিবান ব্যক্তিদের দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করা জরুরি। তদন্ত প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, সময়রেখা যাচাই এবং প্রমাণভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দুদক নিজেই প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যাবে এবং প্রকৃত দুর্নীতিবাজরা আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাবে।

এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সময়সীমা ও দায়িত্বকাল পরস্পর সাংঘর্ষিক। তাঁর দীর্ঘ সুনামের সামরিক ক্যারিয়ার, সংকটকালে কার্যকর নেতৃত্ব এবং বন্দরের দৃশ্যমান অগ্রগতি–সব মিলিয়ে দুদকের অভিযোগ মারাত্মকভাবে বিভ্রান্তিকর। 

দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু সেই লড়াই হতে হবে তথ্যনির্ভর, নিরপেক্ষ এবং ন্যায়সঙ্গত। অন্যথায় এটি রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত হাতিয়ারে পরিণত হবে–যা রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর।

চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ভিত্তি। সেই ভিত্তিকে দুর্বল করার মতো কোনো পদক্ষেপ গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট সংস্থার উচিত হবে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করা এবং আইনের শাসনের প্রকৃত চর্চা নিশ্চিত করা। দুর্নীতির মূল উৎপাটন করতে হলে প্রথমেই দুর্নীতি দমন কমিশনকে সত্যিকার অর্থে দুর্নীতিমুক্ত ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

লেখক, সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ঢাকা।
ই-মেইল: [email protected] 

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত

এই বিভাগের আরও খবর
চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রয়োজন
চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রয়োজন
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
জ্বালানি ও সার সংকটে খাদ্য নিরাপত্তায় শঙ্কা
জ্বালানি ও সার সংকটে খাদ্য নিরাপত্তায় শঙ্কা
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
আস্থা থাকা না-থাকা
আস্থা থাকা না-থাকা
দেশের হয়ে লড়বে কিংস একাডেমি অনূর্ধ্ব-১৬ দল
দেশের হয়ে লড়বে কিংস একাডেমি অনূর্ধ্ব-১৬ দল
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা
কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা
ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন
ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন
সরকারের সর্বনাশে মঈনরাই যথেষ্ট
সরকারের সর্বনাশে মঈনরাই যথেষ্ট
‘বাংলাদেশকে ভালোবাসব কর্মে, সততায়, শপথে এবং ত্যাগে’
‘বাংলাদেশকে ভালোবাসব কর্মে, সততায়, শপথে এবং ত্যাগে’
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
সর্বশেষ খবর
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হুমকিতে পোলট্রি-মৎস্য খাত
হুমকিতে পোলট্রি-মৎস্য খাত

৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে ১৮%
বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে ১৮%

২২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রয়োজন
চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রয়োজন

২৬ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

সাড়ে ১৭শ কোটির মাইলফলকে ‘ধুরন্ধর ২’
সাড়ে ১৭শ কোটির মাইলফলকে ‘ধুরন্ধর ২’

৫১ মিনিট আগে | শোবিজ

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের নতুন হামলা
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের নতুন হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাইব্রেকারে আতলেতিকোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন সোসিয়েদাদ
টাইব্রেকারে আতলেতিকোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন সোসিয়েদাদ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধকালে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে নিহত ৩,৪৬৮
যুদ্ধকালে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে নিহত ৩,৪৬৮

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনিফিলে হামলার নিন্দা জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব
ইউনিফিলে হামলার নিন্দা জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি
মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হজযাত্রী ছাড়া কেউ মক্কায় ঢুকলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা
হজযাত্রী ছাড়া কেউ মক্কায় ঢুকলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘরের মাঠে বেঙ্গালুরুর নতুন ইতিহাস
ঘরের মাঠে বেঙ্গালুরুর নতুন ইতিহাস

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লিবিয়া উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার
লিবিয়া উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

হরমুজ দিয়েই বিশ্বের শ্বাসরোধ করছে ইরান?
হরমুজ দিয়েই বিশ্বের শ্বাসরোধ করছে ইরান?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ
তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা
পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বার্সেলোনায় নিখুঁতভাবে মানিয়ে যাবে আলভারেস: আগুয়েরো
বার্সেলোনায় নিখুঁতভাবে মানিয়ে যাবে আলভারেস: আগুয়েরো

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিজের রেকর্ড ভেঙে অভিষেকের ১৫ বলে ফিফটি
নিজের রেকর্ড ভেঙে অভিষেকের ১৫ বলে ফিফটি

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের
ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে ফরাসি সেনা নিহত, যা জানা গেল
লেবাননে ফরাসি সেনা নিহত, যা জানা গেল

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাজ চলাকালে শ্রমিকদের ওপর উঠে গেল ট্রাক, নিহত ২
কাজ চলাকালে শ্রমিকদের ওপর উঠে গেল ট্রাক, নিহত ২

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরও কঠোর ইরান
আরও কঠোর ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশ্লীল বক্তব্য, ইউট্যাবের প্রতিবাদ
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশ্লীল বক্তব্য, ইউট্যাবের প্রতিবাদ

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আবার শুরুর জায়গায় ফিরে গেল যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনা!
আবার শুরুর জায়গায় ফিরে গেল যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনা!

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাজধানীর বাইকারদের জন্য সুখবর
রাজধানীর বাইকারদের জন্য সুখবর

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বুধবারের মধ্যে চুক্তি না করলে ইরানে আবার হামলা শুরু: ট্রাম্প
বুধবারের মধ্যে চুক্তি না করলে ইরানে আবার হামলা শুরু: ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির
হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ প্রণালি খোলার ঘোষণায় সোনার দামে বড় লাফ, বাড়ার শঙ্কা দেশে
হরমুজ প্রণালি খোলার ঘোষণায় সোনার দামে বড় লাফ, বাড়ার শঙ্কা দেশে

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন’, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী
‘মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন’, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার দাবি, ৭৫ এমপির সমর্থন
যুক্তরাজ্যে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার দাবি, ৭৫ এমপির সমর্থন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান
মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান
ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা
বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের দাবি নাকচ করলো ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের দাবি নাকচ করলো ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির মনোনয়ন পাচ্ছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু
সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির মনোনয়ন পাচ্ছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান
ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’
‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প
ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি
বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবারও মধ্যপ্রাচ্যে ফিরলো বিশ্বের বৃহত্তম রণতরি ‘জেরাল্ড ফোর্ড
আবারও মধ্যপ্রাচ্যে ফিরলো বিশ্বের বৃহত্তম রণতরি ‘জেরাল্ড ফোর্ড

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি
হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সোমবার ফের বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
সোমবার ফের বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইরানের বাইরে কোথাও যাবে না: তেহরান
সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইরানের বাইরে কোথাও যাবে না: তেহরান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৩৭ বছর পর দেশে ফিরল জিম্বাবুয়ের সেই ঐতিহাসিক ‘পাখি’
১৩৭ বছর পর দেশে ফিরল জিম্বাবুয়ের সেই ঐতিহাসিক ‘পাখি’

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের ইউটার্ন, বাড়ালো রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর ছাড়ের মেয়াদ
যুক্তরাষ্ট্রের ইউটার্ন, বাড়ালো রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর ছাড়ের মেয়াদ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধের ৫০ দিনে বিশ্ব হারালো ৫০ বিলিয়ন ডলারের তেল
ইরান যুদ্ধের ৫০ দিনে বিশ্ব হারালো ৫০ বিলিয়ন ডলারের তেল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-যুক্তরাজ্যের সাথে যুক্ত গুপ্তচর চক্র ভেঙে দেয়া হয়েছে : আইআরজিসি
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-যুক্তরাজ্যের সাথে যুক্ত গুপ্তচর চক্র ভেঙে দেয়া হয়েছে : আইআরজিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব পৌঁছেছে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরব পৌঁছেছে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

১৯ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইরান থেকে ধীরে ধীরে ইউরেনিয়াম উদ্ধার করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
ইরান থেকে ধীরে ধীরে ইউরেনিয়াম উদ্ধার করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি খোলা না বন্ধ: ইরানের সিদ্ধান্তে লুকানো বড় রহস্য
হরমুজ প্রণালি খোলা না বন্ধ: ইরানের সিদ্ধান্তে লুকানো বড় রহস্য

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

প্রথম পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তেলেসমাতি
তেল নিয়ে তেলেসমাতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে
পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে

মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব
স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব

পেছনের পৃষ্ঠা

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

সম্পাদকীয়

যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট
যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট

নগর জীবন

রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের
রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের

নগর জীবন

এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে
এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর
বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর

মাঠে ময়দানে

নাপাইচণ্ডী মেলা
নাপাইচণ্ডী মেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে
লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে
বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে

নগর জীবন

ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ
ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ

প্রথম পৃষ্ঠা

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি
ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান

পেছনের পৃষ্ঠা

এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা
এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে

পেছনের পৃষ্ঠা

খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

জর্ডানে বৈধ নিয়োগে খরচ লাগে না
জর্ডানে বৈধ নিয়োগে খরচ লাগে না

পেছনের পৃষ্ঠা

পাঁচ জেলায় বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু
পাঁচ জেলায় বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

তিন দেশ থেকে একসঙ্গে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর লাশ
তিন দেশ থেকে একসঙ্গে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

আমেরিকার নির্বাচন ও শাসনকাঠামো
আমেরিকার নির্বাচন ও শাসনকাঠামো

সম্পাদকীয়

বিএনপি স্লোগানে নয় কাজে বিশ্বাসী
বিএনপি স্লোগানে নয় কাজে বিশ্বাসী

নগর জীবন

শেষ দিনে সাক্ষাৎকার বিএনপির ৪০০ মনোনয়নপ্রত্যাশীর
শেষ দিনে সাক্ষাৎকার বিএনপির ৪০০ মনোনয়নপ্রত্যাশীর

পেছনের পৃষ্ঠা