শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৪৭, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬

অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র

অভ্যুত্থান ঘটে, বিপ্লবের আওয়াজও কানে আসে। কিন্তু এসব উন্নতির অভ্যন্তরে যে অবনতিটা রয়ে গেছে, তার ধারাবাহিকতায় কোনো ছেদ পড়ে না। দুর্নীতি বাড়তেই থাকে, দুর্নীতির ভয়াবহ সব তথ্য উন্মোচিত হয়। সর্ষের ভিতর ভূত যে নিতান্ত অবাস্তব কল্পনা নয়, সেটা প্রমাণ করে দিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যাপারেও দুর্নীতির অভিযোগের কথা শোনা যাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করেছিল।

শিক্ষার ব্যাপারে কোনো কমিশনের কথা ভাবা হয়নি দেখে অনেকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়েছেন। যখনই কোনো অসাংবিধানিক সরকারের অভ্যুদয় ঘটে তখনই, সঙ্গে সঙ্গেই, দেখা যায় একটি শিক্ষা কমিশন গঠিত হচ্ছে; এবং সেই কমিশনের বাস্তবায়িত-অবাস্তবায়িত সুপারিশগুলো অপেক্ষা করতে থাকে পরবর্তী কমিশনের হস্তক্ষেপের জন্য। মাঝখান থেকে নাড়াচাড়ার দরুন গড়বড়ে শিক্ষাব্যবস্থার যে ক্ষতিটা ঘটবার সেটা ঘটে যায়। লক্ষণীয় যে ইংরেজি মাধ্যমের ও মাদ্রাসাপদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা কিন্তু সংস্কারের ধার ধারে না। তারা হস্তক্ষেপের বাইরে নিরাপদেই রয়ে যায়। বিপদ যা ঘটবার, তা মূলধারারই বিধিলিপি; কারণ সে-ধারা বড়লোকেরও নয়, গরিবেরও নয়, মধ্যবর্তীদের। সেদিক থেকে আমাদের সদ্য বিগত অন্তর্বর্তী সরকার সংযমেরই পরিচয় দিয়েছে বলতে হবে।

তাই বলে মূলধারায় যে বিপদ কেটেছে তা নয়। লেগেই আছে। যেমন এ বছর মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আসনসংখ্যা শুনছি শতকরা ৫ ভাগ কমবে। ওদিকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের বেশ বড় একটি অংশ শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে আসেনি। একটা কারণ অবশ্য মেয়ে শিক্ষার্থীদের বাল্যবিবাহ। অন্য কারণ অভিভাবকদের অর্থনৈতিক অপারগতা। আর যারা পরীক্ষা দিয়েছে তারাও কিন্তু ভালো ফল করতে পারেনি। পাস করেছে শতকরা ৫৯ জন। যে হার গত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। বলা হচ্ছে শিক্ষার প্রকৃত মান আসলে ওইটাই। সেটাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ঠেলে ধাক্কিয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে এক শর কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। বেলুনটা চুপসে গেছে। কিন্তু পরীক্ষা যারা দিয়েছে তাদের সবারই তো পাস করার কথা, প্রাপ্ত গ্রেডের হেরফের হতে পারে মাত্র। কারণ পরীক্ষা দেওয়ার জন্য নিজেদের প্রতিষ্ঠানের বিবেচনায় যোগ্য বিবেচিত হওয়ার পরেই না তারা পাবলিক পরীক্ষায় শামিল হয়েছে। এতে সরকারের কৃতিত্বের প্রশ্ন আসবে কেন? তবু এসেছিল; আনা হয়েছিল, কারণ ওই সরকার মনে করেছিল পরীক্ষায় বেশি বেশি পাস করলে প্রমাণ হবে যে তাদের ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার মানের শনৈ শনৈ উন্নতি ঘটছে। বন্ধনীর মধ্যে উল্লেখ করা যায় যে সাধারণ শিক্ষার্থীরা খারাপ করলেও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা তেমন একটা খারাপ করেনি। হতে পারে এর কারণ মাদ্রাসার শিক্ষকরা তুলনামূলকভাবে অধিক দায়িত্বশীল এবং দয়ালু। শিক্ষার্থীদের অধিক সযত্ন পাঠদান ও নম্বর দিতে ব্যাকুল থাকেন।

শিক্ষকদের প্রসঙ্গ যখন এসেই গেল, তখন এটা স্মরণ করা যাক যে শিক্ষার মান অনেকাংশেই নির্ভর করে শিক্ষকদের মানের ওপর; এবং শিক্ষকদের মান নির্ভর করে তাঁরা বেতন-ভাতা ও সামাজিক মর্যাদা কতটা পাচ্ছেন তার ওপর। মেধাবান মানুষরা শিক্ষক হিসেবে অবশ্যই আসবেন, যদি দেখা যায় যে পেশাগত বেতন-ভাতা এবং সামাজিক মানসম্মান আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এবং যদি এমন হয় যে শিক্ষক হওয়ার জন্য তদবির করা ও উৎকোচ প্রদানের বাধ্যবাধকতার বিলুপ্তি ঘটেছে। এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়বে যদি যথার্থ ও নিয়মিত সময়োপযোগী শিক্ষক-প্রশিক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা থাকে।

শিক্ষকদের হালটা অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে কেমন ছিল, সেটা তো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাসাভাড়া বৃদ্ধি ও উৎসব ভাতার দাবিতে আন্দোলনের সময় তাঁদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর আচরণে উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি দৃশ্যে দেখা গেছে, পুলিশের হাতে প্রহৃত হওয়ার শঙ্কায় আন্দোলনকারী একজন শিক্ষকের হাতজোড়-করা করুণ অনুনয়। অসহায় শিক্ষক তাঁকে প্রহারে উদ্যত এক পুলিশ কনস্টেবলকে কান্নাবিজড়িত কাতর কণ্ঠে বলছেন, ‘স্যার, আমাকে মারবেন না স্যার; আমি একজন শিক্ষক।’ কে কাকে স্যার বলে? আর ওই যে আর্তনাদ, সেটা তো কেবল একজন শিক্ষকের নয়, গোটা শিক্ষাব্যবস্থারই। আন্দোলনকারী শিক্ষকদের শাহবাগ মোড় থেকে বিতাড়িত করার পর রাস্তায় পড়েছিল একটি ভাঙা চশমা। সেটিকেও প্রতীক বিবেচনা করে আমরা অনেক কথাই বলতে পারি। কিন্তু কত আর বলা যায়? শিক্ষকদের অবস্থা অতীতেও সন্তোষজনক ছিল না। তবে এতটা নিচে নেমে গিয়েছিল কি না, তাঁরাই বলতে পারবেন যাঁরা সন্ধান রাখেন।

শিক্ষক যদি এভাবে নত হতে বাধ্য হন, প্রহৃত হন রাস্তায়, দিনের পর দিন রাজপথে ধর্মঘটে থাকাটা যদি হয় শিক্ষকদের বিধিলিপি, তাহলে শিক্ষকের প্রতি শিক্ষার্থীরা তাদের আস্থা ও শ্রদ্ধা বাঁচিয়ে রাখবে কী করে? শিক্ষককে শিক্ষার্থীরা কেবল যে জ্ঞানদাতা হিসেবে দেখতে চায় তা তো নয়, গণ্য করতে চায় ‘বীর’ হিসেবেও। শিক্ষকের সেই ভাবমূর্তি শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়ের কাছেই ক্ষুণ্ন হয়েছে কেবল যে ধর্মঘট করতে গিয়ে পদদলিত হওয়ার ঘটনায়- তা অবশ্যই নয়, ক্ষুণœ হয় তখনো, যখন ক্লাসের শিক্ষককে শিক্ষার্থীরা কোচিং সেন্টারের শিক্ষক হিসেবে দেখতে পায়। আবার এটাও তো সত্য যে স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে চিহ্নিত করে শারীরিকভাবে শিক্ষক-লাঞ্ছনার যেসব ঘটনা ঘটেছিল, তা যে শিক্ষকদের ভাবমূর্তিকেই শুধু মলিন করেছে, তা-ই নয়, গোটা শিক্ষাব্যবস্থার ওপরই আঘাত হেনেছে।

আর শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যেও তো এমন হীনচরিত্রের লোকেরা আছে, যাদের বিরুদ্ধে চরম যে অপরাধ, যৌন নির্যাতনের-তার অভিযোগ ওঠে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও ওই রকমের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন, যেটা আমরা যখন তুলনামূলকভাবে অনুন্নত ছিলাম তখন ছিল অকল্পনীয়। নিকট অতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন পুরুষ শিক্ষক কারাবন্দি হয়েছেন এক পুরুষ ছাত্রকে গৃহে ডেকে নিয়ে যৌন অত্যাচার করার প্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে। এমন উন্নতি কে চেয়েছিল? কবে? যদিও যৌন নিপীড়ন এখন জগৎব্যাপীই ব্যাপ্ত।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনকে তো অগ্রাহ্য করার উপায় নেই। তার নতুন প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বের পনেরো বা তার বেশি বয়সি প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নারী স্বামী বা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের হাতে যৌন অথবা শারীরিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন। প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে-এটা হচ্ছে প্রাচীনতম অন্যায়, এবং এ যে কেবল নীতিগত বিষয় তা নয়, মর্যাদা, সমতা ও মানবিকতার জন্য হানিকর বিষয়ও বটে। তা তো বুঝলাম, কিন্তু সভ্যতা অগ্রগতির এই গ্লানিকে মুছে না ফেলে অনবরত যে বৃদ্ধি ঘটিয়ে চলেছে, তার বিহিত কী? আর শিক্ষাঙ্গনেই যদি ওই অনাচার ঘটে তাহলে উন্নতির আর বাকিই বা থাকে কী?

ঘরের ভিতরে সহিংসতার, হত্যার এবং আত্মহত্যার খবর তো অবিরামই পাওয়া যায়। যেমন এই খবরটা, ‘লালবাগে স্ত্রী-শাশুড়ি মিলে ব্যাংক কর্মকর্তাকে গলা কেটে হত্যা।’ পাশাপাশি এটিও কম যায় না। বগুড়ায় স্বামী এক ঘরে ঘুমাচ্ছেন। পাশের ঘরে তাঁর স্ত্রী নিজের দুই শিশুসন্তানকে বঁটি দিয়ে কেটেছেন এবং তারপর নিজেকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছেন। কারণ নাকি দাম্পত্য কলহ। মহিলার স্বামী সেনাবাহিনীর সদস্য, বাড়িতে এসেছিলেন ছুটিতে। রক্তাপ্লুত ওই দৃশ্য অবলোকনে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আরেক খবর, পটুয়াখালীর। সেটা এই রকমের। ঘরে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ দৃশ্যমান হয়েছে। মৃত স্বামীর ডায়েরিতে লেখা রয়েছে : “মান-সম্মান সব গেছে। বাঁইচা থাইকা কী হবে? আমার পোলার দিকে খেয়াল রাইখেন সবাই। আমার পোলা মা-বাবা ছাড়া এতিম।” প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ‘ঝামেলা’ ছিল।

শিশুরা ঝগড়াঝাঁটি করবে এটা খুবই স্বাভাবিক। হাতাহাতিও ঘটে। কিন্তু নদীতে গোসল করতে নেমে হাতাহাতিটা যে গড়াবে একটি দুটি নয়, চার চারটি গ্রামের সংঘর্ষে; ভাঙচুর হবে বাড়িঘর, লুটপাট হবে জিনিসপত্র, এমন খবর অত্যাধুনিক বটে। তবে তা পাওয়া গেছে। আসলে কেবল প্রাকৃতিক পরিবেশই নয়, মানবিক পরিবেশও এখন ভীষণ উত্তপ্ত, সামান্য অগ্নিকণাই যথেষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের জন্য।

শিক্ষা এবং চিকিৎসা তো অবশ্যই, সব জিনিসই এখন পণ্যে পরিণত হয়েছে। বাজারে কিনতে পাওয়া যায়, ভাড়াতে আরও সস্তা। যেমন খুনি। ঢাকার মোহাম্মদপুরে বিএনপির একজন স্থানীয় নেতা প্রতিপক্ষের ভাড়াটে খুনির হাতে প্রাণ হারিয়েছেন। খুনির ভাড়া নাকি ছিল মাত্র ৩০ হাজার টাকা।

কৈশোরে ইমন এবং মামুনের ভিতর প্রবল বন্ধুত্ব ছিল। ঢাকার ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর এলাকায় তারা বড় হয়েছে; কিন্তু ওই যে যুগের হাওয়া- চাঁদাবাজি, জবরদখল, অন্যের কাজে ভাড়া খাটা, এসবের মধ্যে বীরত্বের স্বাক্ষর অঙ্কিত-করা-সেটা তাদের জাপটে, ধরেছিল। তারা মানুষ খুন করেছে অমানুষের মতো; খুনের মামলার আসামি হয়েছে অতিদ্রুত। ২৪ বছর একটানা জেল খাটার পর মামুন মুক্তি পেয়েছিল। ইমনও মুক্তি পায়। ইমন পালিয়ে বিদেশে চলে যায় এবং সেখান থেকে দক্ষ হাতে তার দলকে অপরাধের কাজে পরিচালিত করতে থাকে। ইমন আশা করেছিল অকৃত্রিম বন্ধু মামুন আজীবন তার সঙ্গেই থাকবে। কিন্তু মামুন অন্য দলে যোগ দিচ্ছে এমন খবর সে শুনতে পেয়েছে এবং শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে চরম শাস্তি দানের ব্যবস্থা করেছে। ভাড়াটে খুনি লাগিয়ে মামুনকে সে হত্যা করেছে।

খুনি পালাবার চেষ্টা করেছিল। ধরা পড়েছে। খবরে প্রকাশ কর্তব্যপালন শেষে খুনিদের মজুরি দেওয়া হয়েছিল মাত্র ২ লাখ টাকা। অন্য সব জিনিসের দাম বেড়েছে এবং মূল্যস্ফীতি ঘটলে যেটা অবধারিত সেটাই ঘটেছে; তবে মানুষের প্রাণের মূল্য পড়ে গেছে। ভাড়াটে খুনিদের এখন সরবরাহ ভালো, দামও তাই কমতির দিকে। সদ্য নির্বাচিত সরকারের শাসনামলে এসব অনাচারের পরিসমাপ্তি ঘটবে বলেই প্রত্যাশা করছি।

♦ লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
সুফলভোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে ‘গ্রাম সরকার’ পুনর্গঠন এখনই জরুরি
সুফলভোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে ‘গ্রাম সরকার’ পুনর্গঠন এখনই জরুরি
সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া হামের বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়
সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া হামের বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়
বৈষম্য কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে
বৈষম্য কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে শূন্য খরচে কর্মী নিতে মালয়েশিয়ার ‌‘এআই’ প্রযুক্তি চালু
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে শূন্য খরচে কর্মী নিতে মালয়েশিয়ার ‌‘এআই’ প্রযুক্তি চালু
জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে মানসম্মত শিক্ষার অপরিহার্যতা
জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে মানসম্মত শিক্ষার অপরিহার্যতা
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি
সৌর বিদ্যুৎ: সম্ভাবনা, বাস্তবতা এবং সুপারিশ
সৌর বিদ্যুৎ: সম্ভাবনা, বাস্তবতা এবং সুপারিশ
প্লুরাল পুলিশিং
প্লুরাল পুলিশিং
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সামনে কেমন হবে?
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সামনে কেমন হবে?
‘জ্বালানি সংকট, বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব’
‘জ্বালানি সংকট, বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব’
কেমন চলছে বাংলাদেশ
কেমন চলছে বাংলাদেশ
সর্বশেষ খবর
নাইজেরিয়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় ২১ জনের প্রাণহানি
নাইজেরিয়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় ২১ জনের প্রাণহানি

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কুলে পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগের নির্দেশ
স্কুলে পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগের নির্দেশ

২ মিনিট আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের আমলে শিক্ষায় কোনো ভিশন ছিল না : ববি হাজ্জাজ
আওয়ামী লীগের আমলে শিক্ষায় কোনো ভিশন ছিল না : ববি হাজ্জাজ

৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মুন্সীগঞ্জে সাংবাদিকদের আলটিমেটাম, ৭ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে কলম বিরতি
মুন্সীগঞ্জে সাংবাদিকদের আলটিমেটাম, ৭ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে কলম বিরতি

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীর যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ প্রস্তাবনা
রাজধানীর যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ প্রস্তাবনা

১৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

গোয়ালন্দের উজানচর ভূমি অফিস ভাঙচুর
গোয়ালন্দের উজানচর ভূমি অফিস ভাঙচুর

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংক রেজোল্যুশন বিল পাস, পুরোনো শেয়ারধারীদের ফেরার সুযোগ
ব্যাংক রেজোল্যুশন বিল পাস, পুরোনো শেয়ারধারীদের ফেরার সুযোগ

১৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২১
রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২১

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

দেশে ফিরলেন মুস্তাফিজ-রিশাদরা, শরিফুল-নাহিদের অপেক্ষা
দেশে ফিরলেন মুস্তাফিজ-রিশাদরা, শরিফুল-নাহিদের অপেক্ষা

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাতে নিখোঁজ, সকালে পদ্মা নদীতে মিলল রিকশাচালকের মরদেহ
রাতে নিখোঁজ, সকালে পদ্মা নদীতে মিলল রিকশাচালকের মরদেহ

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড প্রস্তুত
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড প্রস্তুত

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী
এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী

৩১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ডিএসইতে লেনদেন বেড়ে ৮০০ কোটি টাকা ছাড়াল
ডিএসইতে লেনদেন বেড়ে ৮০০ কোটি টাকা ছাড়াল

৩২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

স্পষ্ট করেই বলছি, লটারি মেধা নির্ধারণ করে না : শিক্ষামন্ত্রী
স্পষ্ট করেই বলছি, লটারি মেধা নির্ধারণ করে না : শিক্ষামন্ত্রী

৩৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত জাহানারা বেগমের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত জাহানারা বেগমের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

৩৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএনসিসির ৫৯৯ কেন্দ্রে দেওয়া হচ্ছে হাম-রুবেলার টিকা
ডিএনসিসির ৫৯৯ কেন্দ্রে দেওয়া হচ্ছে হাম-রুবেলার টিকা

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

একাত্তর-ইয়ুথ-অভ্যুত্থান আমাদের ব্র্যান্ড: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
একাত্তর-ইয়ুথ-অভ্যুত্থান আমাদের ব্র্যান্ড: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

৪৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

চরফ্যাশনে প্রজনন স্বাস্থ্যের বিষয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের কর্মশালা
চরফ্যাশনে প্রজনন স্বাস্থ্যের বিষয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের কর্মশালা

৪৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল শিগগিরই চালু হবে : প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম
দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল শিগগিরই চালু হবে : প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম

৪৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয়ে সংসদে কথা বলব: এসএম জিলানী
হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয়ে সংসদে কথা বলব: এসএম জিলানী

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধিদলের সফর, বিনিয়োগ নিয়ে আশাবাদ
সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধিদলের সফর, বিনিয়োগ নিয়ে আশাবাদ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাশিয়ানীতে ৩০ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার
কাশিয়ানীতে ৩০ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৩ শতাংশ
ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৩ শতাংশ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন
বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ‘ডাকাত মাইস্যা’ গ্রেফতার
কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ‘ডাকাত মাইস্যা’ গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বরগুনায় ৮ বিঘার তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, থানায় অভিযোগ
বরগুনায় ৮ বিঘার তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, থানায় অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন
হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা
কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'
ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান
সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন
ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ
যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে
চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে
ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে

মাঠে ময়দানে

তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম