শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৩৩, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০৮:৪৬, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬

বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ

রাজস্বসহ সরকারের সব আয়ই কমতির দিকে। এর মধ্যেই যথাসময়ে বাজেট প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে সদ্য ক্ষমতায় অভিষেক করা সরকারকে। বিদায় নেওয়া ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী ও শেখ হাসিনা সরকার—এই দুটি সরকারের দায়ই টানতে হচ্ছে সদ্য ক্ষমতায় আসা সরকারকে। অনিবার্য দায়দেনাসহ বাস্তবতাটা বড় নিষ্ঠুর।

ঝুঁকিও অনেক। একদিকে বৈশ্বিক তাড়না, আরেকদিকে নতুন সরকারের প্রতিশ্রুতি। তার ওপর রয়েছে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল খননসহ নানা ঘোষণা। এগুলো বাস্তবায়নে আগের তুলনায় টাকা লাগবে অনেক বেশি।

এসব কাজ সম্পন্ন করতে সরকারের ব্যয় কমিয়ে আনার কোনো সুযোগ নেই। রাতারাতি রাজস্ব আয় বাড়ানোও সম্ভব না। এনবিআরের তথ্য বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) রাজস্ব ঘাটতি ছাড়িয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। এই সময় রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছিল দুই লাখ ৮৩ হাজার ৭৫১ কোটি টাকা।

এ সময় রাজস্ব আয়ের তিনটি খাতে রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ১১৩ কোটি টাকা।
অর্থের এই টানাটানির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানির বাড়তি দাম, গেল সরকারের বিদায়ের আগে ঘোষিত সরকারি কর্মচারীদের বাড়তি বেতনও অগ্রাহ্যের সুযোগ নেই। নতুন পে স্কেল কার্যকরের লক্ষ্যে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে বরাদ্দ প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ছয় হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা করা হয়েছে। পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় দাতাগোষ্ঠীর প্রকল্প অনুদান এবং বৈদেশিক সাহায্যের কী অবস্থা দাঁড়াবে, তা নিয়েও রয়েছে নানা শঙ্কা। এ ক্ষেত্রে মোটাদাগে ভরসার জায়গায় রয়েছেন ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারীরা।


অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সচল রাখতে ব্যবসায়ীদের অগ্রাহ্য করা ঠিক নয়, তা সময় থাকতে বোঝেনি অন্তর্বর্তী সরকার। এর পরিণতিতে দেশকে ভুগিয়েছে, নিজেরা ভুগেছে, গালমন্দ শুনেছে। এখন অবসরে এসে ব্যক্তিগত আলাপনে বলছে, রোমন্থন করছে ভুলের কথা। একেকজন অর্থনীতির বিশাল বিশারদ হয়েও সময়দৃষ্টে বাস্তবতা বোঝেননি, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংযোগ গড়েননি। উপরন্তু ব্যবসায়ীদের খলনায়ক বানিয়েছেন। নানাভাবে হেনস্তা করেছেন।
ব্যবসা-বাণিজ্যের সময়োচিত নীতি প্রণয়নে ব্যবসায়ীদের এভাবে উপেক্ষা না করলে শিল্প খাতে অস্থিরতা ভর করত না। বিনিয়োগ তলানিতে নামত না। স্থিতিশীল ব্যবসা-বিনিয়োগের পরিবেশ ও দ্রুত সংকট সমাধানে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ-সংলাপ করলে, তাঁদের পরামর্শ নিলে দেশের এবং নিজেদেরও এ পরিণতি হয় না। বিনিয়োগের খরা সামান্য কাটাতে পারলেও কিছু কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হতো। চাইলেই দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ব্যবসায়ীদের খলনায়ক না বানিয়ে, তাঁদের পরামর্শ নিয়ে একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরির সুযোগ ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের। তা করতে পারলে উপদেষ্টাদের এখন বদদোয়া পেতে হতো না, বরং প্রশংসা পেতেন। ব্যবসায়ীদের অংশীজন না করে সিদ্ধান্ত নিলে তা বাস্তবায়নযোগ্য হয় না, গেল সরকার তার টাটকা উদাহরণ রেখে গেছে। অনিবার্যভাবে সেই ক্ষত মোছার দায় বর্তেছে নির্বাচিত সরকারের ওপর। ওই ক্ষতের ওপর দাঁড়িয়েই যথাসময়ে নতুন সরকারকে বাজেট দিতে হচ্ছে। একদিকে শত চেষ্টা করেও রিজার্ভ, রেমিট্যান্স দিয়ে অর্থনীতি হৃষ্টপুষ্ট রাখা যাচ্ছে না। উচ্চ  মূল্যস্ফীতি, ব্যাংকিং খাতের ভঙ্গুরতা এবং বিনিয়োগ মন্দা মিলে এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি উত্রানোর দাওয়াই মিলছে না। আবার বাজেটও দিতে হচ্ছে। রাজস্ব আহরণ, বাজেট প্রণয়নসহ নীতিমালা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সরকারকে। পরিস্থিতি বুঝে এখন সরকার আসন্ন অর্থবছরের রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমকে অধিকতর অর্থবহ, বিশ্লেষণধর্মী ও প্রতিনিধিত্বশীল করতে ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারীদের অংশীজন করতে চায়। তাহলে বাজেটটি যদ্দুর সম্ভব অংশীদারিমূলক, গণমুখী, শিল্প, ব্যবসা ও করদাতাবান্ধব হবে বলে ভাবছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

এই ভাবনা সঠিক। কিন্তু ‘সময় গেলে সাধন হবে না’ বলে একটা কথা আছে। নির্বাচিত সরকার এলে অর্থনীতিতে স্থিতি আসবে বলে অপেক্ষমাণ ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরকারের মেলবন্ধন-বোঝাপড়া এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছেনি। তাঁদের সঙ্গে সরকারের সুনির্দিষ্ট আলাপন-রসায়ন হয়নি। গণতান্ত্রিক দুনিয়ার কোনো দেশের ব্যবসায়ীরাই সরকারের পোষ্য, অধীন নন। অর্থনীতির প্রশ্নে তাঁরা সরকারের সহায়ক। সরকার বা সরকারের কোনো সংস্থা ব্যবসায়ীদের হুকুম জারি করলে তারা তা তামিল করে ফেলেন না। আবার যোগ-জিজ্ঞাসা, বোঝাপড়া থাকলে কেবল সহায়ক নন, ব্যবসায়ীরা সরকারের সহযোগীও হয়ে ওঠেন। আলাপ-আলোচনা, বোঝাপড়া ছাড়া বাহক বা ভায়া হয়ে জারি করা হুকুম বা আহবানকে ব্যবসায়ী কেন, কেউই সম্মানের সঙ্গে নেন না। কদিন আগে দেশের সব ব্যবসায়ী সংগঠনকে ১৫ মার্চের মধ্যে বাজেট প্রস্তাব দিতে বলেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর। তা-ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাজেট প্রস্তুতে সহায়তার লক্ষ্যে বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনকে তাদের স্ব স্ব বাজেট প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের কাছে লিখিতভাবে পাঠাতে হবে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের সংগঠনগুলোর প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়া এখনো অস্পষ্ট। তারা কোন ধরনের প্রস্তাব-পরামর্শ দেয়, সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হয়।

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরাতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা স্পষ্ট। এর সাফল্যের ওপর নির্ভর করছে অনেক কিছু। এরপর ব্যবসা সহজীকরণ, সরবরাহ চেইন উন্নয়ন, জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা এবং ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের আবশ্যকতা রয়েছে। মৌলিক এ ক্ষেত্রগুলোতে স্বচ্ছতা থাকলে উদ্যোক্তারা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন। সহযোগিতা প্রশ্নে সরকারের সারথিও হবেন। তখন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পরামর্শ করে অর্থনীতির সমস্যা নিরসনের নিশানাও পাবে সরকার। শিল্প ও বাণিজ্য খাতের ক্ষয়, বিনিয়োগে তলানি, বেসরকারি ঋণপ্রবাহে স্থবিরতায় ব্যবসায়ীরা নাকানিচুবানিতে। ব্যবসায়ীরা আয় না করতে পারলে রাজস্ব জোগান দেওয়া অসম্ভব। তাই বিনিয়োগ ও বাণিজ্যসংক্রান্ত নীতি চূড়ান্ত করার আগে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা-বোঝাপড়ার বিষয় রয়েছে।

অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে বাজেট বাস্তবায়ন, মুদ্রানীতি, রপ্তানি-আমদানির ভারসাম্য, বিনিয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে সরকারকেই। শিল্প-বিনিয়োগের প্রণোদনা, রপ্তানি খাতের উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা এবং অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ অর্থনীতির প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যবসায়ীরা সেখানে হতে পারেন সহযোগী। আর সহযোগিতা কখনোই একতরফা হয় না। আবার এর সমান্তরালে অর্থনীতি কেবল সরকারের নীতি বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে নির্ভর করে না। সেখানে কোরামিন বা টনিকের ভূমিকা রাখতে পারেন উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীরা। তাঁরা আস্থায় থাকলে নতুন শিল্প ও ব্যবসা তৈরি হয়, কর্মসংস্থান বাড়ে। উৎপাদন, রপ্তানি এবং আমদানিতে ভারসাম্য আসে। অর্থনীতি গতি পায়, যা বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে দাওয়াই হিসেবে কাজ করে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা অগ্রাহ্য বা তাচ্ছিল্যের খাতায় থাকলে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা কাটার আশা থাকে না। রাজস্ব আয়ের শ্লথগতিও কাটে না। আর বাজেট পেশ সম্ভব হলেও বাস্তবায়ন থেকে যায় দুরাশায়। আধুনিক বিশ্বে কোনো দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতার মূল চাবি শুধু সরকার বা কোনো একক মহলের হাতে নেই। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক, সরকার এবং বিনিয়োগকারীর সমন্বিত দায়িত্বের ফল-ফসল।

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

এই বিভাগের আরও খবর
দায়ী না হয়েও হাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের জোরালো উদ্যোগ
দায়ী না হয়েও হাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের জোরালো উদ্যোগ
চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রয়োজন
চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রয়োজন
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
জ্বালানি ও সার সংকটে খাদ্য নিরাপত্তায় শঙ্কা
জ্বালানি ও সার সংকটে খাদ্য নিরাপত্তায় শঙ্কা
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
আস্থা থাকা না-থাকা
আস্থা থাকা না-থাকা
দেশের হয়ে লড়বে কিংস একাডেমি অনূর্ধ্ব-১৬ দল
দেশের হয়ে লড়বে কিংস একাডেমি অনূর্ধ্ব-১৬ দল
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা
কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা
ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন
ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন
সরকারের সর্বনাশে মঈনরাই যথেষ্ট
সরকারের সর্বনাশে মঈনরাই যথেষ্ট
‘বাংলাদেশকে ভালোবাসব কর্মে, সততায়, শপথে এবং ত্যাগে’
‘বাংলাদেশকে ভালোবাসব কর্মে, সততায়, শপথে এবং ত্যাগে’
সর্বশেষ খবর
উৎপাদনসক্ষমতা হারিয়েছে রংপুরের ৭ বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঘন ঘন লোডশেডিং
উৎপাদনসক্ষমতা হারিয়েছে রংপুরের ৭ বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঘন ঘন লোডশেডিং

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সূচকের সঙ্গে বেড়েছে ডিএসইর লেনদেন
সূচকের সঙ্গে বেড়েছে ডিএসইর লেনদেন

২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন চলতি সপ্তাহে
এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন চলতি সপ্তাহে

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

এসএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৫ হাজার ৪০৮
এসএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৫ হাজার ৪০৮

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নিয়ম ভেঙে পরীক্ষাকেন্দ্রে এমপি, ফেসবুকে লাইভ সম্প্রচার
নিয়ম ভেঙে পরীক্ষাকেন্দ্রে এমপি, ফেসবুকে লাইভ সম্প্রচার

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে ৫৩ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে ৫৩ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের পরীক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে নৌকা সেবা
গাইবান্ধার চরাঞ্চলের পরীক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে নৌকা সেবা

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রিয়ালে ফেরার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন টনি ক্রুস
রিয়ালে ফেরার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন টনি ক্রুস

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জেট ফুয়েল ফুরিয়ে যাচ্ছে, বিপাকে এয়ারলাইন্সগুলো
জেট ফুয়েল ফুরিয়ে যাচ্ছে, বিপাকে এয়ারলাইন্সগুলো

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় ৭ জনের ফাঁসি
ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় ৭ জনের ফাঁসি

২৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২৫ জন হাসপাতালে ভর্তি
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২৫ জন হাসপাতালে ভর্তি

২৫ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব সদস্যদের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব সদস্যদের বৈঠক

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

২৬ মিনিট আগে | পরবাস

ইরান অসংখ্যবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে : ট্রাম্প
ইরান অসংখ্যবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে : ট্রাম্প

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

র‌্যাংকিং অপরিবর্তিত, হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশনে নামছে বাংলাদেশ
র‌্যাংকিং অপরিবর্তিত, হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশনে নামছে বাংলাদেশ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে বহির্নোঙরে পৌঁছেছে এক লাখ টন ডিজেল-অকটেনবাহী ৩ ট্যাংকার
চট্টগ্রামে বহির্নোঙরে পৌঁছেছে এক লাখ টন ডিজেল-অকটেনবাহী ৩ ট্যাংকার

৩৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সীগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন
মুন্সীগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুদকের মামলা : সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের বিরুদ্ধে আরও ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ
দুদকের মামলা : সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের বিরুদ্ধে আরও ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

লাকসামে ৫৫২৪ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ, ব্যবসায়ী আটক
লাকসামে ৫৫২৪ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ, ব্যবসায়ী আটক

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহে কলেজ শিক্ষার্থী ইকবাল হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ
ময়মনসিংহে কলেজ শিক্ষার্থী ইকবাল হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

আরও দেড় লাখ টন ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত
আরও দেড় লাখ টন ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত

৪১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

যেখানে গ্রীষ্ম মানেই আম-অতিথি’র সাথে রাজশাহীর গল্প
যেখানে গ্রীষ্ম মানেই আম-অতিথি’র সাথে রাজশাহীর গল্প

৪৩ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে বরিশাল বোর্ডে অনুপস্থিত ৯১১ জন
এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে বরিশাল বোর্ডে অনুপস্থিত ৯১১ জন

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাকসামে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
লাকসামে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

৪৭ মিনিট আগে | অর্থনীতি

১৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
১৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ ১০ জন গুলিবিদ্ধ
কুষ্টিয়ায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ ১০ জন গুলিবিদ্ধ

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বক্তব্য ও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট আলোচনার পথে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে
ট্রাম্পের বক্তব্য ও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট আলোচনার পথে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাইবান্ধায় বেশি দামে তেল বিক্রির অভিযোগে জরিমানা
গাইবান্ধায় বেশি দামে তেল বিক্রির অভিযোগে জরিমানা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মায়ের জন্মশতবার্ষিকীতে ব্রিটিশ রাজা চার্লসের শ্রদ্ধা নিবেদন
মায়ের জন্মশতবার্ষিকীতে ব্রিটিশ রাজা চার্লসের শ্রদ্ধা নিবেদন

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
সৌদির কারণে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে পাকিস্তানের
সৌদির কারণে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে পাকিস্তানের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কঠোর ভাষা ব্যবহারে সতর্ক করল পাকিস্তান
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কঠোর ভাষা ব্যবহারে সতর্ক করল পাকিস্তান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাত থেকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার দাবি
আমিরাত থেকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার দাবি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসিম মুনিরের অনুরোধে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প
অসিম মুনিরের অনুরোধে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু হাঙ্গেরিতে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে : নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী
নেতানিয়াহু হাঙ্গেরিতে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে : নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প
শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা
নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে গোলাপি লবণের বাজার
যে কারণে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে গোলাপি লবণের বাজার

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত
দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর’—সংরক্ষিত আসন নিয়ে জয়
‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর’—সংরক্ষিত আসন নিয়ে জয়

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরান যুদ্ধে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা প্রকাশ করল পেন্টাগন
ইরান যুদ্ধে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা প্রকাশ করল পেন্টাগন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাইরে কঠোরতা দেখালেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কেউই যুদ্ধে ফিরতে চায় না
বাইরে কঠোরতা দেখালেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কেউই যুদ্ধে ফিরতে চায় না

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি সচল রাখা নিয়ে সৌদি যুবরাজকে যা বললেন চীনের প্রেসিডেন্ট
হরমুজ প্রণালি সচল রাখা নিয়ে সৌদি যুবরাজকে যা বললেন চীনের প্রেসিডেন্ট

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ফেলুন, নেতানিয়াহু: রসিকতা করে গ্রেফতার মার্কিন শিক্ষার্থী
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ফেলুন, নেতানিয়াহু: রসিকতা করে গ্রেফতার মার্কিন শিক্ষার্থী

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই লুটিয়ে পড়ে আরেক বন্ধুর মৃত্যু
বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই লুটিয়ে পড়ে আরেক বন্ধুর মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা
সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে ৪৮ ঘণ্টায় ছয়টি মার্কিন বিমানের অবতরণ
পাকিস্তানে ৪৮ ঘণ্টায় ছয়টি মার্কিন বিমানের অবতরণ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হবে: ট্রাম্প
পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হবে: ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে শব্দের ধূম্রজালে ইরানকে ভিলেন বানায় পশ্চিমা গণমাধ্যম
যেভাবে শব্দের ধূম্রজালে ইরানকে ভিলেন বানায় পশ্চিমা গণমাধ্যম

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ
জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে দুর্বল অবস্থান থেকে নয়: বিশ্লেষণ
ইরান আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে দুর্বল অবস্থান থেকে নয়: বিশ্লেষণ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য ‘নতুন কার্ড’ প্রস্তুত করার কথা বলছে ইরান
যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য ‘নতুন কার্ড’ প্রস্তুত করার কথা বলছে ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হুমকির মুখে আলোচনা করবে না ইরান, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত গালিবাফের
হুমকির মুখে আলোচনা করবে না ইরান, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত গালিবাফের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের, পরে প্রত্যাহার
পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের, পরে প্রত্যাহার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ হবে ‘দীর্ঘ ও কঠিন’ প্রক্রিয়া : ট্রাম্প
ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ হবে ‘দীর্ঘ ও কঠিন’ প্রক্রিয়া : ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গৃহবধূ ধর্ষণ; শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ভেঙে পড়ে থানা ফটক
গৃহবধূ ধর্ষণ; শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ভেঙে পড়ে থানা ফটক

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তীব্র হচ্ছে গরম, তাপমাত্রা নিয়ে সতর্কবার্তা
তীব্র হচ্ছে গরম, তাপমাত্রা নিয়ে সতর্কবার্তা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধেও হরমুজে চলছে ইরানি জাহাজ, খুলছে তেহরানের আকাশপথ
যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধেও হরমুজে চলছে ইরানি জাহাজ, খুলছে তেহরানের আকাশপথ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
শিরীন শারমিনের বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি
শিরীন শারমিনের বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

এক এজেন্টেই মিলবে সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবা
এক এজেন্টেই মিলবে সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবা

শিল্প বাণিজ্য

পদ হারাচ্ছেন কিরণ
পদ হারাচ্ছেন কিরণ

মাঠে ময়দানে

তেল নিয়ে নৈরাজ্য সবকিছুতে
তেল নিয়ে নৈরাজ্য সবকিছুতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ছয় লেনের অপেক্ষা আর কত
ছয় লেনের অপেক্ষা আর কত

পেছনের পৃষ্ঠা

ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ
ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার জিহাদের শরীরে পচন
লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার জিহাদের শরীরে পচন

পেছনের পৃষ্ঠা

ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি সতর্ক থাকুন
ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি সতর্ক থাকুন

প্রথম পৃষ্ঠা

পুণ্যস্নানে ভক্তের ঢল
পুণ্যস্নানে ভক্তের ঢল

পেছনের পৃষ্ঠা

জ্বালানি নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ
জ্বালানি নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বিবিএস
ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বিবিএস

শিল্প বাণিজ্য

বিএনপিতে ২৭ নতুন মুখ পুরোনো নয়জন
বিএনপিতে ২৭ নতুন মুখ পুরোনো নয়জন

প্রথম পৃষ্ঠা

জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী স্বৈরাচার সরকার
জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী স্বৈরাচার সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া, জিম্মি যাত্রীরা
গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া, জিম্মি যাত্রীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

সৎ উপাচার্যের আশায় বেরোবি
সৎ উপাচার্যের আশায় বেরোবি

নগর জীবন

নাহিদের নৈপুণ্যে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ
নাহিদের নৈপুণ্যে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

অসম্পন্ন কাজেই কোটি কোটি টাকার বিল
অসম্পন্ন কাজেই কোটি কোটি টাকার বিল

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারই লক্ষ্য
দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারই লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে ইরানকে অনুরোধ
‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে ইরানকে অনুরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১০ শতাংশ
শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১০ শতাংশ

নগর জীবন

যুদ্ধবিরতি আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান
যুদ্ধবিরতি আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ
অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেল-জরিমানায়ও থামছে না নকল দুধের কারবার
জেল-জরিমানায়ও থামছে না নকল দুধের কারবার

দেশগ্রাম

মাইক্রোবাস নিয়ে ডাকাতি, আটক ১০
মাইক্রোবাস নিয়ে ডাকাতি, আটক ১০

দেশগ্রাম

বিসিবির নির্বাচন জুনে
বিসিবির নির্বাচন জুনে

মাঠে ময়দানে

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বহাল চেয়ে করা রিটের শুনানি মুলতবি
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বহাল চেয়ে করা রিটের শুনানি মুলতবি

নগর জীবন

রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ, কাজ বন্ধ
রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ, কাজ বন্ধ

দেশগ্রাম

পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি শিক্ষার্থীরা
পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি শিক্ষার্থীরা

দেশগ্রাম