শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:২১, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬

৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি

মো. সহিদুল ইসলাম সুমন
অনলাইন ভার্সন
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু তারিখ আছে যে তারিখগুলো কেবল ক্যালেন্ডারের সংখ্যা নয়। বরং রাষ্ট্রের স্নায়ুতন্ত্রে স্থায়ীভাবে লেখা একেকটা অধ্যায়। ৭ মার্চ ঠিক তেমনই একটি দিন। ইতিহাসের অদ্ভুত কাকতাল-এই একই তারিখে একদিকে জাতির মুক্তির ভাষণ স্মরণ করা হয়, অন্যদিকে ২০০৭ সালের সেই গভীর রাতে ধানমন্ডি বা পুরান ঢাকার কোনো গলিতে নয়, বরং ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল জনাব তারেক রহমানকে।

সামরিক-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়, যৌথবাহিনীর একটি দল সেই রাতে তাকে তুলে নিয়ে যায়। তারপর শুরু হয় দীর্ঘ ১৮ মাসের বা ৫৫৪ দিনের কারাবাস, রিমান্ড, মামলা আর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার এক অধ্যায়।

আমি কখনোই রাজনীতিকে সরল গল্প বলে মনে করি না। রাজনীতি আসলে ক্ষমতার ভূগোল। সেখানে জেলখানা, আদালত, নির্বাসন-সবই একেকটি কৌশলগত যন্ত্র। ২০০৭ সালের ঘটনাটিও সেভাবেই দেখতে হয়। তখনকার বাংলাদেশ ছিল একটি অদ্ভুত পরীক্ষাগার। ওয়াশিংটন, দিল্লি, বেইজিং-সবাই দূর থেকে তাকিয়ে ছিল।

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ রাষ্ট্রে রাজনৈতিক অস্থিরতা মানে কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়; সেটি ভারত মহাসাগরীয় বাণিজ্যপথ, গার্মেন্টস সাপ্লাই চেইন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপরও প্রভাব ফেলে। তাই ২০০৭ সালে যখন জরুরি অবস্থা জারি হলো, তখন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে ছিল এক ধরনের পরীক্ষার দৃষ্টিতে।

ওই সময়ের অর্থনীতির দিকে তাকালেই বোঝা যায়, রাজনৈতিক অস্থিরতার ভিত কত গভীর ছিল। ২০০৬-৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ৬.৪ শতাংশ, কিন্তু একই সময় বিনিয়োগের প্রবাহ হঠাৎ করে কমে যায়। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী ২০০৭ সালে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রায় ২০ শতাংশ কমে যায়।

তৈরি পোশাক রপ্তানি যদিও চলছিল, তবু দেশের ভেতরে একটি অদ্ভুত অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রশ্ন করছিল-বাংলাদেশ কি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে পারবে? এই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের গ্রেপ্তারকে কেবল একটি আইনি ঘটনা হিসেবে দেখা ভুল হবে। সেটি ছিল ক্ষমতার বৃহৎ খেলার একটি চাল। ২০০৭ সালের সেই রাতের পরে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের হয়-সংখ্যাটা ছিল অন্তত ১৩টি। ধীরে ধীরে আদালতে জামিন মিললেও প্রায় দেড় বছর কারাগারে থাকতে হয় তাকে। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি সব মামলায় জামিন পান এবং ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার জন্য লন্ডনে চলে যান। তারপর শুরু হয় দীর্ঘ নির্বাসন। 

একটি রাষ্ট্রের রাজনীতিতে নির্বাসন খুব অদ্ভুত ঘটনা। ইতিহাসে দেখলে দেখা যায়, চার্লস দ্য গল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় লন্ডন থেকেই ফ্রান্সের রাজনীতি পরিচালনা করেছিলেন। আয়াতুল্লাহ খোমেনি প্যারিসে বসেই ইরানের বিপ্লবের পরিকল্পনা করেছিলেন। দক্ষিণ এশিয়াতেও এমন নজির আছে। তারেক রহমানের ক্ষেত্রেও প্রায় একই দৃশ্য তৈরি হয়। লন্ডনের একটি বাড়ি থেকে তিনি প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে বিএনপির রাজনীতি পরিচালনা করেছেন।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই সময়টা ছিল উত্তাল। ২০০৯ সালের পরে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ সরকার এবং পরবর্তী ১৫ বছর ধরে দেশের রাজনীতি এক ধরনের একদলীয় আধিপত্যের মধ্যে আটকে পড়ে। এই সময়ের অর্থনৈতিক সূচকগুলো আবার এক ভিন্ন গল্প বলে। 

আন্তর্জাতিক মহল তখন বাংলাদেশকে “উদীয়মান অর্থনীতি” বলে আখ্যা দিতে শুরু করে। কিন্তু সংখ্যার এই উজ্জ্বলতার নিচে অন্য একটি বাস্তবতাও ছিল। ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ ২০১৮ সালে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছে যায়। বৈদেশিক ঋণের বোঝা বাড়তে থাকে। ২০২২ সালের পরে বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি ও ডলারের সংকট বাংলাদেশকেও আঘাত করে। তখন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার থেকে নেমে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি চলে আসে।

এই সময়েই রাজনৈতিক অস্থিরতা আবার তীব্র হয়। ২০২৪ সালে ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার বড় পরিবর্তন ঘটে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো তখন লিখেছিল-বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে প্রবেশ করছে। সেই সময়ের একটি বড় ঘটনা ছিল তারেক রহমানের দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসনের পর দেশে ফেরা। 

এই প্রত্যাবর্তনের ভেতরে কেবল ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ভাগ্যের গল্প নেই। এর ভেতরে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি কাজ করেছে। ভারত দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতাকে নিজের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িয়ে দেখে। চীন আবার বাংলাদেশকে তার বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের চোখে বাংলাদেশ হলো ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এই ত্রিমুখী শক্তির ভারসাম্যের মধ্যে একজন রাজনীতিকের উত্থান বা পতন কখনোই নিছক অভ্যন্তরীণ বিষয় থাকে না। ৭ মার্চের সেই কারাবাসকে তাই অনেকেই একটি রাজনৈতিক নাটকের সূচনা দৃশ্য হিসেবে দেখেন।

কারাগারের গল্পগুলো সব সময় খুব অমানবিক। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রথম দিকে তাকে সাধারণ বন্দির মতো মেঝেতে ঘুমাতে হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদা দেওয়া হয়-বিছানা, টেবিল, চেয়ারসহ কিছু সুবিধা দেওয়া হয়।

এই ঘটনাগুলো শুনলে অনেকেই ভাবেন-এগুলো কি শুধুই আইনের প্রয়োগ? নাকি রাজনৈতিক শক্তির সংঘর্ষ? আমার অভিজ্ঞতা বলছে, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এই দুইয়ের সীমানা প্রায়ই অস্পষ্ট হয়ে যায়।

আজ যখন ৭ মার্চের কারাবন্দি দিবস স্মরণ করা হয়, তখন সেটি কেবল অতীতের একটি স্মৃতি নয়। এটি বাংলাদেশের রাজনীতির একটি প্রতীক। কারাগার, নির্বাসন, প্রত্যাবর্তন-এই তিনটি ধাপ প্রায় সব বড় রাজনৈতিক নেতার জীবনেই কোনো না কোনোভাবে দেখা যায়।

তারেক রহমানের ক্ষেত্রেও সেই গল্পটিই দেখা যাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা অনেক মামলায় আদালত পরে খালাস দিয়েছে বা স্থগিত করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েকটি মামলায় আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বলে রায় দিয়েছে। রাজনীতিতে এই ধরনের আইনি লড়াই আসলে বৃহত্তর ক্ষমতার লড়াইয়ের অংশ। কখনো আদালত সিদ্ধান্ত দেয়, কখনো ইতিহাস।

৭ মার্চ তাই কেবল একটি দিন নয়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে ক্ষমতা কখনো স্থায়ী নয়। আজ যে মানুষ কারাগারে, কাল সে রাষ্ট্রের ক্ষমতার কেন্দ্রেও থাকতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির ইতিহাসে এমন উদাহরণ অসংখ্য।

শেষ পর্যন্ত ইতিহাস বড় নির্মম বিচারক। কারাগারের দেয়াল ভেঙে বেরিয়ে আসা নেতাদের কেউ কেউ রাষ্ট্র নির্মাণ করেন, কেউ আবার ইতিহাসের প্রান্তে হারিয়ে যান। বাংলাদেশের রাজনীতির পরবর্তী অধ্যায়ে কোন গল্পটি লেখা হবে তা সময়ই বলে দেবে। তবে একটি কথা নিশ্চিত: ২০০৭ সালের ৭ মার্চের সেই রাত এবং তারেক রহমানের কারাবাস বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার বিষয় হয়ে থাকবে।

লেখক : অর্থনীতি বিশ্লেষক, কলামিস্ট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
দায়ী না হয়েও হাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের জোরালো উদ্যোগ
দায়ী না হয়েও হাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের জোরালো উদ্যোগ
চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রয়োজন
চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রয়োজন
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
জ্বালানি ও সার সংকটে খাদ্য নিরাপত্তায় শঙ্কা
জ্বালানি ও সার সংকটে খাদ্য নিরাপত্তায় শঙ্কা
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
আস্থা থাকা না-থাকা
আস্থা থাকা না-থাকা
দেশের হয়ে লড়বে কিংস একাডেমি অনূর্ধ্ব-১৬ দল
দেশের হয়ে লড়বে কিংস একাডেমি অনূর্ধ্ব-১৬ দল
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা
কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা
ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন
ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন
সরকারের সর্বনাশে মঈনরাই যথেষ্ট
সরকারের সর্বনাশে মঈনরাই যথেষ্ট
‘বাংলাদেশকে ভালোবাসব কর্মে, সততায়, শপথে এবং ত্যাগে’
‘বাংলাদেশকে ভালোবাসব কর্মে, সততায়, শপথে এবং ত্যাগে’
সর্বশেষ খবর
নারী প্রার্থীরা গণতন্ত্র উত্তরণে কাজ করবে : সেলিমা রহমান
নারী প্রার্থীরা গণতন্ত্র উত্তরণে কাজ করবে : সেলিমা রহমান

এই মাত্র | রাজনীতি

আরবেলোয়া পরবর্তী যেমন কোচ খুঁজছে রিয়াল
আরবেলোয়া পরবর্তী যেমন কোচ খুঁজছে রিয়াল

১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি হামলায় কতো মার্কিন সেনা আহত, জানাল পেন্টাগন
ইরানি হামলায় কতো মার্কিন সেনা আহত, জানাল পেন্টাগন

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকার উল্টে চালক আহত
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকার উল্টে চালক আহত

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০.৬৬ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী
বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০.৬৬ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী

৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বুমরাহদের বিশ্রামের কথা ভাবছে ভারত
আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বুমরাহদের বিশ্রামের কথা ভাবছে ভারত

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে গণপরিবহনের ভাড়া সমন্বয়সহ তিন দাবিতে স্মারকলিপি
রংপুরে গণপরিবহনের ভাড়া সমন্বয়সহ তিন দাবিতে স্মারকলিপি

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

যুদ্ধে নতুন ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত ইরান, বাঘের গালিবাফের হুঁশিয়ারি
যুদ্ধে নতুন ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত ইরান, বাঘের গালিবাফের হুঁশিয়ারি

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শান্তি আলোচনার লক্ষ্যে পাকিস্তানের পথে মার্কিন প্রতিনিধিদল, নেতৃত্বে ভ্যান্স
শান্তি আলোচনার লক্ষ্যে পাকিস্তানের পথে মার্কিন প্রতিনিধিদল, নেতৃত্বে ভ্যান্স

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভুয়া নিয়োগপত্রে প্রতারণার চেষ্টা, সতর্ক করল ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ভুয়া নিয়োগপত্রে প্রতারণার চেষ্টা, সতর্ক করল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু, রংপুরে প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৫৭১
নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু, রংপুরে প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৫৭১

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ‘হুমকি’ উপেক্ষা করেই বন্দরে পৌঁছেছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার : ইরান
মার্কিন ‘হুমকি’ উপেক্ষা করেই বন্দরে পৌঁছেছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার : ইরান

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ পুলিশ সুপারের বদলি
৫ পুলিশ সুপারের বদলি

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

সিরাজগঞ্জে ১৭৪৪ লিটার ডিজেল জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদন্ড
সিরাজগঞ্জে ১৭৪৪ লিটার ডিজেল জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদন্ড

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু

১৭ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

ইরানের ‘উপকার’ করে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের ‘উপকার’ করে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিরাজগঞ্জে বৃদ্ধকে হত্যা করে অটোভ্যান ছিনতাই
সিরাজগঞ্জে বৃদ্ধকে হত্যা করে অটোভ্যান ছিনতাই

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান-আমেরিকার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার খবরে বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম
ইরান-আমেরিকার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার খবরে বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ‘পৃথিবীর নিকৃষ্টতম’: জাতিসংঘের বিশেষ দূত
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ‘পৃথিবীর নিকৃষ্টতম’: জাতিসংঘের বিশেষ দূত

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৩৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে গবেষণা হচ্ছে : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে গবেষণা হচ্ছে : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সৌদি আরবে আধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম বানাবে পাকিস্তান
সৌদি আরবে আধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম বানাবে পাকিস্তান

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৪দিন বন্ধ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর
সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৪দিন বন্ধ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল শেষ আয়ুষ মাত্রের
আইপিএল শেষ আয়ুষ মাত্রের

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন জমা দিল ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন জমা দিল ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য

৪৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

হরমুজ প্রণালি সচল রাখা নিয়ে সৌদি যুবরাজকে যা বললেন চীনের প্রেসিডেন্ট
হরমুজ প্রণালি সচল রাখা নিয়ে সৌদি যুবরাজকে যা বললেন চীনের প্রেসিডেন্ট

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বুধ ও বৃহস্পতিবার ভার্চুয়ালি চলবে সুপ্রিম কোর্ট
বুধ ও বৃহস্পতিবার ভার্চুয়ালি চলবে সুপ্রিম কোর্ট

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

জয়পুরহাটে এসএসসি পরীক্ষার্থী-অভিভাবককে পানি ও স্যালাইন দিল যুবদল
জয়পুরহাটে এসএসসি পরীক্ষার্থী-অভিভাবককে পানি ও স্যালাইন দিল যুবদল

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রাম পর্বের টিকিট মূল্য প্রকাশ করল বিসিবি
চট্টগ্রাম পর্বের টিকিট মূল্য প্রকাশ করল বিসিবি

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
সৌদির কারণে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে পাকিস্তানের
সৌদির কারণে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে পাকিস্তানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কঠোর ভাষা ব্যবহারে সতর্ক করল পাকিস্তান
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কঠোর ভাষা ব্যবহারে সতর্ক করল পাকিস্তান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাত থেকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার দাবি
আমিরাত থেকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার দাবি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসিম মুনিরের অনুরোধে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প
অসিম মুনিরের অনুরোধে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু হাঙ্গেরিতে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে : নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী
নেতানিয়াহু হাঙ্গেরিতে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে : নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প
শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা
নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের খবরে কয়েক ঘণ্টা চিৎকার-চেচামেচি করেন ট্রাম্প!
ইরানে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের খবরে কয়েক ঘণ্টা চিৎকার-চেচামেচি করেন ট্রাম্প!

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে গোলাপি লবণের বাজার
যে কারণে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে গোলাপি লবণের বাজার

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত
দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাইরে কঠোরতা দেখালেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কেউই যুদ্ধে ফিরতে চায় না
বাইরে কঠোরতা দেখালেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কেউই যুদ্ধে ফিরতে চায় না

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা প্রকাশ করল পেন্টাগন
ইরান যুদ্ধে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা প্রকাশ করল পেন্টাগন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর’—সংরক্ষিত আসন নিয়ে জয়
‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর’—সংরক্ষিত আসন নিয়ে জয়

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধকালীন আর্থিক সহায়তা চায় আমিরাত
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধকালীন আর্থিক সহায়তা চায় আমিরাত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ফেলুন, নেতানিয়াহু: রসিকতা করে গ্রেফতার মার্কিন শিক্ষার্থী
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ফেলুন, নেতানিয়াহু: রসিকতা করে গ্রেফতার মার্কিন শিক্ষার্থী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা
সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই লুটিয়ে পড়ে আরেক বন্ধুর মৃত্যু
বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই লুটিয়ে পড়ে আরেক বন্ধুর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানে ৪৮ ঘণ্টায় ছয়টি মার্কিন বিমানের অবতরণ
পাকিস্তানে ৪৮ ঘণ্টায় ছয়টি মার্কিন বিমানের অবতরণ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হবে: ট্রাম্প
পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হবে: ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে শব্দের ধূম্রজালে ইরানকে ভিলেন বানায় পশ্চিমা গণমাধ্যম
যেভাবে শব্দের ধূম্রজালে ইরানকে ভিলেন বানায় পশ্চিমা গণমাধ্যম

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে দুর্বল অবস্থান থেকে নয়: বিশ্লেষণ
ইরান আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে দুর্বল অবস্থান থেকে নয়: বিশ্লেষণ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এশিয়া, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-চীন
আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এশিয়া, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-চীন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ
জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হুমকির মুখে আলোচনা করবে না ইরান, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত গালিবাফের
হুমকির মুখে আলোচনা করবে না ইরান, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত গালিবাফের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য ‘নতুন কার্ড’ প্রস্তুত করার কথা বলছে ইরান
যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য ‘নতুন কার্ড’ প্রস্তুত করার কথা বলছে ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের, পরে প্রত্যাহার
পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের, পরে প্রত্যাহার

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ হবে ‘দীর্ঘ ও কঠিন’ প্রক্রিয়া : ট্রাম্প
ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ হবে ‘দীর্ঘ ও কঠিন’ প্রক্রিয়া : ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান জাপানি প্রধানমন্ত্রীর
বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান জাপানি প্রধানমন্ত্রীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
শিরীন শারমিনের বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি
শিরীন শারমিনের বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

এক এজেন্টেই মিলবে সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবা
এক এজেন্টেই মিলবে সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবা

শিল্প বাণিজ্য

পদ হারাচ্ছেন কিরণ
পদ হারাচ্ছেন কিরণ

মাঠে ময়দানে

তেল নিয়ে নৈরাজ্য সবকিছুতে
তেল নিয়ে নৈরাজ্য সবকিছুতে

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় লেনের অপেক্ষা আর কত
ছয় লেনের অপেক্ষা আর কত

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ
ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার জিহাদের শরীরে পচন
লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার জিহাদের শরীরে পচন

পেছনের পৃষ্ঠা

ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি সতর্ক থাকুন
ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি সতর্ক থাকুন

প্রথম পৃষ্ঠা

পুণ্যস্নানে ভক্তের ঢল
পুণ্যস্নানে ভক্তের ঢল

পেছনের পৃষ্ঠা

জ্বালানি নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ
জ্বালানি নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপিতে ২৭ নতুন মুখ পুরোনো নয়জন
বিএনপিতে ২৭ নতুন মুখ পুরোনো নয়জন

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বিবিএস
ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বিবিএস

শিল্প বাণিজ্য

জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী স্বৈরাচার সরকার
জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী স্বৈরাচার সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া, জিম্মি যাত্রীরা
গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া, জিম্মি যাত্রীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

সৎ উপাচার্যের আশায় বেরোবি
সৎ উপাচার্যের আশায় বেরোবি

নগর জীবন

নাহিদের নৈপুণ্যে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ
নাহিদের নৈপুণ্যে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারই লক্ষ্য
দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারই লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

অসম্পন্ন কাজেই কোটি কোটি টাকার বিল
অসম্পন্ন কাজেই কোটি কোটি টাকার বিল

প্রথম পৃষ্ঠা

‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে ইরানকে অনুরোধ
‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে ইরানকে অনুরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১০ শতাংশ
শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১০ শতাংশ

নগর জীবন

যুদ্ধবিরতি আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান
যুদ্ধবিরতি আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ
অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জেল-জরিমানায়ও থামছে না নকল দুধের কারবার
জেল-জরিমানায়ও থামছে না নকল দুধের কারবার

দেশগ্রাম

মাইক্রোবাস নিয়ে ডাকাতি, আটক ১০
মাইক্রোবাস নিয়ে ডাকাতি, আটক ১০

দেশগ্রাম

বিসিবির নির্বাচন জুনে
বিসিবির নির্বাচন জুনে

মাঠে ময়দানে

রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ, কাজ বন্ধ
রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ, কাজ বন্ধ

দেশগ্রাম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বহাল চেয়ে করা রিটের শুনানি মুলতবি
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বহাল চেয়ে করা রিটের শুনানি মুলতবি

নগর জীবন

পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি শিক্ষার্থীরা
পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি শিক্ষার্থীরা

দেশগ্রাম