শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৪৬, রবিবার, ০৮ মার্চ, ২০২৬

যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ যে শুধু ইরানে সীমাবদ্ধ থাকবে না, তা যেমন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সময়সীমার মধ্যে তাঁর ‘এপিক ফিউরি’ অভিযান শেষ করার পরিকল্পনা করেছিলেন, সেই মেয়াদের মধ্যে যুদ্ধ শেষ না হওয়ার লক্ষণও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

ইরানের ওপর হামলা এখন আর ট্রাম্পের প্রাথমিক লক্ষ্য দেশটিতে ‘রেজিম চেঞ্জ’-এর বোলচাল এবং বর্তমান ইসলামি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের রাজপথে নেমে এসে জনগণের পছন্দনীয় সরকারকে ক্ষমতায় বসানোর আহ্বানের মধ্যে আটকে নেই। কারণ তাদের সরকার পাল্টানোর পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে।

হামলার প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করামাত্রই ধর্মীয় যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যারা আন্দোলন করে আসছিল নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ সূত্রের মতো ক্ষমতার আপেল তাদের কোলে পড়বে বলে নেতানিয়াহু ও ডোনাল্ড ট্রাম্প যে আশা করেছিলেন, তাদের সে আশা পূরণ হয়নি। এমনকি যুদ্ধের নবম দিনেও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ শহর ও স্থাপনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি এবং অন্য অবস্থানগুলোতে ইরানের পাল্টা আঘাত হানা বন্ধ করা সম্ভব হয়নি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনীর পক্ষে। বোমা ও মিসাইল হামলায় ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্র ধ্বংস করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো সময় ইরানে স্থল অভিযান শুরু করবে।

ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনায় তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরানের পক্ষ থেকে ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো টার্গেটে হামলার আভাস ছিল না। এমনকি গত বছরের জুন মাসে ইরানের ওপর ইসরায়েলের বিমান হামলার পূর্বপর্যন্ত ইরান ইসরায়েলের দিকে কোনো মিসাইল নিক্ষেপ করেনি এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় আক্রমণ চালিয়ে তাদের স্থাপনাগুলোর কার্যক্ষমতা ধ্বংসের দাবি করার পূর্বপর্যন্ত ইরান কাতারের রাজধানী দোহার শহরতলিতে অবস্থিত আমেরিকান সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে কয়েকটি মিসাইল নিক্ষেপের অতিরিক্ত আর কিছু করেনি।

কিন্তু এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ওমানের মধ্যস্থতায় ভিয়েনায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা চলাকালেই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের ওপর বিমান হামলা চালিয়ে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বকে বিনাশ করার পর ট্রাম্প অজুহাত দেন যে তারা আক্রমণ না করলে ইরান তাদের ওপর আক্রমণ চালাত। বহিঃশক্তির হামলা মোকাবিলায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া আমেরিকান প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার না রাখলেও ইরানের ওপর হামলা চালানোর ক্ষেত্রে তিনি কংগ্রেসের অনুমোদন গ্রহণের তোয়াক্কা করেননি।

ইরানের ওপর অপ্রয়োজনীয় ও অসময়োচিত যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে তিনি কেবল ইরান বা মধ্যপ্রাচ্য নয়, সমগ্র বিশ্বকে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়ে কার্যত ‘ভৌগোলিক আত্মহত্যা’র কারণ ঘটিয়েছেন। যুদ্ধের ফলাফল যা-ই হোক না কেন যুদ্ধ শেষে দেখা যাবে যে বিশ্ব আর যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় নেই। নতুন এক বিশ্বব্যবস্থার উদ্ভব হচ্ছে। সেই বিশ্বব্যবস্থা হবে সম্ভবত পারস্পরিক সংশয় ও অনিশ্চয়তার।

‘টাইম’ ম্যাগাজিনের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি কোনো যুদ্ধ শুরু করবেন না, বরং যেসব অঞ্চলে যুদ্ধ চলছে, তিনি সেসব যুদ্ধের অবসান ঘটাবেন। কিন্তু তিনি তার প্রতিশ্রুতি ভুলে গিয়ে ক্রমবর্ধমান ভারসাম্যহীন উপায়ে বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক বাহিনীকে মোতায়েন করেছেন। আমেরিকার আর কোনো প্রেসিডেন্ট এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বেশিসংখ্যক দেশের ওপর সরাসরি হামলা পরিচালনার নির্দেশ দেননি।

ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর আটটি দেশের ওপর হামলার অনুমতি দিয়েছেন, যার মধ্যে তিনটি দেশকে আমেরিকান বাহিনী আগে কখনো সরাসরি টার্গেট করেনি। ২০২৫ সালে তিনি যে পরিমাণ বিমান হামলার অনুমতি দেন, তাঁর পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চার বছর মেয়াদেও এতগুলো হামলার অনুমতি দেননি। তিনি ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিমান হামলার নির্দেশ দিয়েছেন, ভেনিজুয়েলায় কিছু নৌযান মাদক পাচার করছে সন্দেহে সেগুলোর ওপর আমেরিকান নৌবাহিনীকে হামলা এবং একপর্যায়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার জন্য সেনাবাহিনীকে অনুমতি দিয়েছেন।

ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর কদিন পরই আমেরিকান সৈন্যরা ইকুয়েডরে কথিত সন্ত্রাসী সংগঠনের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযানে অংশ নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে কিউবার ওপর এবং ট্রাম্প তাঁর উপদেষ্টাদের নির্দেশ দিয়েছে কিউবায় বিগত ছয় দশকের কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ঘটানোর পরিকল্পনা তৈরি করতে। এসব তৎপরতা থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মুখে শান্তির কথা বললেও তিনি কাজ করছেন উল্টো। এখন তিনি ইরানে এমন এক সংঘাতে জড়িয়েছেন, যা স্বয়ং তিনি দীর্ঘদিন ধরে বলেছেন এড়িয়ে চলতে। তাঁর মিত্ররাও তাঁকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ না জড়াতে।

সৌদি আরবের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান প্রিন্স তুর্কি আল-ফয়সল এক সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজকে বলেছেন, ইরানে হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছেন। তাঁর মতে, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর অন্য নেতারা আমেরিকাকে সতর্ক করেছিলেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে না জড়াতে। কারণ ইরানে যুদ্ধ শুরু হলে তা কেবল ইরানে সীমিত থাকবে না। ইরান যে উপসাগরীয় দেশগুলোর আমেরিকান অবস্থানের ওপর হামলা চালিয়েছে, তাতে সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ আদৌ অবাক হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ‘এ যুদ্ধ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর যুদ্ধ। যেখানে কুকুরের লেজ নাড়ানোর কথা, সেখানে লেজই কুকুরকে নাড়াচ্ছে। নেতানিয়াহু সাত দফা আমেরিকা সফর করে কোনোভাবে তাঁর পক্ষে আমেরিকার সমর্থন আদায় করেছেন। ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র বেশ আগে ইরানের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছিল, কিন্তু কূটনীতি কাজ করেনি। যুদ্ধ শুরু হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কিছুই হাসিল করেনি। যুদ্ধের ওপর ট্রাম্প তাঁর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছেন। তিনি ভবিষ্যতের কোনো হিসাব করেননি। ইরান যুদ্ধবিরতির কথা বলছে না। তারা তেলকে অস্ত্রে পরিণত করবে। দেশে দেশে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে, স্টক মার্কেটে ধস নামবে। বিশ্ব অর্থনীতিতে নজিরবিহীন মন্দার সৃষ্টি হবে। প্রস্তুতিবিহীন যুদ্ধ এখন আমেরিকার জন্য অতীতের যেকোনো সময়ের জন্য ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়াবে। সেদিক থেকে এটি সম্পূর্ণ লক্ষ্যহীন এক যুদ্ধে পরিণত হবে। ইসরায়েলের জন্য আমেরিকা তার জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে, আমেরিকান জনগণের তা কাম্য নয়।’

জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ওয়ালি নসর ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইসরায়েল ইরানে  লক্ষ্য পূরণে সক্ষম হলে তার পর সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় প্রথমে শিয়া দেশ ও গোষ্ঠীগুলোকে কাবু করবে। তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ হবে ইসরায়েলবিরোধী সুন্নিদের দমন। তখন তারা দৃষ্টি ফেরাবে সৌদি আরব, কাতার, তুরস্ক ও পাকিস্তানের দিকে। এই দেশগুলো কী করবে তা ডিকটেট করবে ইসরায়েল এবং এজন্য বর্তমান সময়ের মতো তারা নিজেদের স্বার্থে আমেরিকাকে ব্যবহার করবে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যদি এখনো সতর্ক না হয়, তাহলে তাদের জন্য যে অন্ধকার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই বলে মনে করেন ওয়ালি নসর।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চেয়েছিলেন সাতচল্লিশ বছর যাবৎ ইরানের যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীকে সমূলে উৎখাত করে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠায় তিনি মুখ্য ভূমিকা পালন করবেন এবং ৯ কোটি জনসংখ্যা-অধ্যুষিত ইরানকে আঞ্চলিক ক্ষমতার কেন্দ্রে পরিণত করতে পরবর্তী সরকারকে সর্বতোভাবে সহায়তা করবেন। তাঁর মতে, ‘নতুন সরকারের নতুন নেতা কে হবেন তা ইরানের জনগণই নির্বাচন করবেন, কিন্তু আমাদের নিশ্চিত হতে হবে যে এই নেতা হবেন এমন একজন, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য ও সন্তোষজনক।’

আট মাস আগে ইরানের ওপর হামলা চালানো ট্রাম্পের জন্য অনিবার্য হয়ে উঠল কেন, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিশ্লেষকরা অধিকাংশই একমত যে এবারের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের জড়িত হওয়ার ঘটনা সম্পূর্ণভাবেই ইসরায়েলের উসকানিতে। গত আট দিনের অভিযানে ইরানের দুই হাজারের বেশি স্থানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বোমা ও মিসাইল হামলায় দেশটির সামরিক ও বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক। তা সত্ত্বেও তারা যুক্তরাষ্ট্রের মতো পরাশক্তির কাছে হার না মেনে অবস্থান ধরে রেখেছে, যুদ্ধের ইতিহাসে এর দৃষ্টান্ত পাওয়া যাবে না।

১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে আমেরিকান অর্থনৈতিক অবরোধের ফলে প্রায় বিধ্বস্ত একটি দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র যেচে নিজ দেশে অর্থনৈতিক মন্দাকে আমন্ত্রণ করছে। তা ছাড়া ট্রাম্পের ইরান অভিযান তার প্রেসিডেন্সির জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিভিন্ন জরিপে ইরানে হামলার বিরুদ্ধে আমেরিকান জনমত থেকে আভাস পাওয়া যায় যে আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠেয় মধ্যমেয়াদি নির্বাচনে কংগ্রেসে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

এদিকে সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে স্থলযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সুবিধা করতে পারবে না। ইরাক সমতলভূমি হওয়া সত্ত্বেও ২০০৩ সালে প্রেসিডেন্ট ডব্লিউ বুশ সেখানে স্থল অভিযান চালাতে গিয়ে আমেরিকান বাহিনীকে চরম সংকটের মধ্যে ফেলেছিলেন। সেই অভিযানে শুধু আমেরিকান সৈন্য নিহত ও বিপুল অর্থ ব্যয় হয়নি, আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল এবং ইরাকিদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল আমেরিকানদের বিরুদ্ধে। আফগানিস্তানে আমেরিকান ও কোয়ালিশন বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়তে নিয়মিত কোনো বাহিনী ছিল না। তা সত্ত্বেও দুর্গম পার্বত্য এলাকায় ঘাপটি মেরে থাকা তালেবানদের সঙ্গে পেরে ওঠেনি আমেরিকান বাহিনী। বহু সেনা হতাহত ও বিপুল সম্পদ ক্ষয় করে আমেরিকাকে আফগানিস্তান থেকে বিদায় নিতে হয়েছে অসম্মানজনকভাবে।

ইরানের মোট আয়তনের প্রায় ৫৫ শতাংশ পার্বত্য এলাকা। অতএব স্থল অভিযানে আমেরিকান বাহিনী খুব সুবিধা করতে পারবে বলে মনে করেন না বিশেষজ্ঞরা। ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ও সামরিক নেতারা মনে করেন যে তাঁদের হারানোর কিছু নেই। তাঁরা কোনো দেশের ওপর হামলা চালাননি; বরং হামলাকারীদের হাত থেকে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য লড়ছেন। ইরানিরা সচরাচর একটি প্রবাদ উচ্চারণ করে : ‘জেন্দেহ-ইম কে বেমিরিম,’ অর্থাৎ ‘আমরা তো মৃত্যুবরণ করার জন্যই বেঁচে আছি।’

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
দায়ী না হয়েও হাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের জোরালো উদ্যোগ
দায়ী না হয়েও হাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের জোরালো উদ্যোগ
চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রয়োজন
চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রয়োজন
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
জ্বালানি ও সার সংকটে খাদ্য নিরাপত্তায় শঙ্কা
জ্বালানি ও সার সংকটে খাদ্য নিরাপত্তায় শঙ্কা
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
আস্থা থাকা না-থাকা
আস্থা থাকা না-থাকা
দেশের হয়ে লড়বে কিংস একাডেমি অনূর্ধ্ব-১৬ দল
দেশের হয়ে লড়বে কিংস একাডেমি অনূর্ধ্ব-১৬ দল
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা
কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা
ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন
ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন
সরকারের সর্বনাশে মঈনরাই যথেষ্ট
সরকারের সর্বনাশে মঈনরাই যথেষ্ট
‘বাংলাদেশকে ভালোবাসব কর্মে, সততায়, শপথে এবং ত্যাগে’
‘বাংলাদেশকে ভালোবাসব কর্মে, সততায়, শপথে এবং ত্যাগে’
সর্বশেষ খবর
১৫ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
১৫ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নতুন শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
নতুন শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সোনারগাঁয়ে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন
সোনারগাঁয়ে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কক্সবাজারে খাল থেকে তরুণের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজারে খাল থেকে তরুণের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাউবির এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনে মতবিনিময় সভা
বাউবির এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনে মতবিনিময় সভা

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বক্সিং কোচ মহীর মৃত্যু
বক্সিং কোচ মহীর মৃত্যু

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আযহা পর্যন্ত স্বাভাবিক সময় দোকান খোলা চান রংপুরের ব্যবসায়ীরা
ঈদুল আযহা পর্যন্ত স্বাভাবিক সময় দোকান খোলা চান রংপুরের ব্যবসায়ীরা

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলের মধ্যেই দল ছাড়লেন দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার
আইপিএলের মধ্যেই দল ছাড়লেন দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের স্বার্থে মার্কিন প্রস্তাব মেনে নিতে ইরানকে জার্মানির অনুরোধ
জনগণের স্বার্থে মার্কিন প্রস্তাব মেনে নিতে ইরানকে জার্মানির অনুরোধ

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিলের এবারের বিশ্বকাপ জেতার সেরা সময়: কাফু
ব্রাজিলের এবারের বিশ্বকাপ জেতার সেরা সময়: কাফু

১৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি কোনো প্রতিনিধি দল এখনো ইসলামাবাদে পৌঁছেনি
ইরানি কোনো প্রতিনিধি দল এখনো ইসলামাবাদে পৌঁছেনি

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইনশৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদারে কোর কমিটি পুনর্গঠন
আইনশৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদারে কোর কমিটি পুনর্গঠন

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

অ্যাপলের সিইও’র পদে বসতে যাওয়া কে এই টার্নাস?
অ্যাপলের সিইও’র পদে বসতে যাওয়া কে এই টার্নাস?

১৯ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে পাবে না, সমঝোতার মূল শর্ত ট্রাম্পের
ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে পাবে না, সমঝোতার মূল শর্ত ট্রাম্পের

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুন্সীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ভাঙারির দোকান
মুন্সীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ভাঙারির দোকান

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ১৫২৯৩ জন হজযাত্রী
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ১৫২৯৩ জন হজযাত্রী

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

নওগাঁয় একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় আটক ১
নওগাঁয় একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় আটক ১

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারী প্রার্থীরা গণতন্ত্র উত্তরণে কাজ করবে : সেলিমা রহমান
নারী প্রার্থীরা গণতন্ত্র উত্তরণে কাজ করবে : সেলিমা রহমান

২৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

আরবেলোয়া পরবর্তী যেমন কোচ খুঁজছে রিয়াল
আরবেলোয়া পরবর্তী যেমন কোচ খুঁজছে রিয়াল

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি হামলায় কতো মার্কিন সেনা আহত, জানাল পেন্টাগন
ইরানি হামলায় কতো মার্কিন সেনা আহত, জানাল পেন্টাগন

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকার উল্টে চালক আহত
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকার উল্টে চালক আহত

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০.৬৬ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী
বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০.৬৬ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী

৩৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বুমরাহদের বিশ্রামের কথা ভাবছে ভারত
আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বুমরাহদের বিশ্রামের কথা ভাবছে ভারত

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে গণপরিবহনের ভাড়া সমন্বয়সহ তিন দাবিতে স্মারকলিপি
রংপুরে গণপরিবহনের ভাড়া সমন্বয়সহ তিন দাবিতে স্মারকলিপি

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

যুদ্ধে নতুন ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত ইরান, বাঘের গালিবাফের হুঁশিয়ারি
যুদ্ধে নতুন ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত ইরান, বাঘের গালিবাফের হুঁশিয়ারি

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শান্তি আলোচনার লক্ষ্যে পাকিস্তানের পথে মার্কিন প্রতিনিধিদল, নেতৃত্বে ভ্যান্স
শান্তি আলোচনার লক্ষ্যে পাকিস্তানের পথে মার্কিন প্রতিনিধিদল, নেতৃত্বে ভ্যান্স

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভুয়া নিয়োগপত্রে প্রতারণার চেষ্টা, সতর্ক করল ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ভুয়া নিয়োগপত্রে প্রতারণার চেষ্টা, সতর্ক করল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু, রংপুরে প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৫৭১
নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু, রংপুরে প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৫৭১

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ‘হুমকি’ উপেক্ষা করেই বন্দরে পৌঁছেছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার : ইরান
মার্কিন ‘হুমকি’ উপেক্ষা করেই বন্দরে পৌঁছেছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার : ইরান

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
সৌদির কারণে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে পাকিস্তানের
সৌদির কারণে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে পাকিস্তানের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কঠোর ভাষা ব্যবহারে সতর্ক করল পাকিস্তান
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কঠোর ভাষা ব্যবহারে সতর্ক করল পাকিস্তান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাত থেকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার দাবি
আমিরাত থেকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার দাবি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসিম মুনিরের অনুরোধে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প
অসিম মুনিরের অনুরোধে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু হাঙ্গেরিতে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে : নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী
নেতানিয়াহু হাঙ্গেরিতে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে : নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প
শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা
নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের খবরে কয়েক ঘণ্টা চিৎকার-চেচামেচি করেন ট্রাম্প!
ইরানে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের খবরে কয়েক ঘণ্টা চিৎকার-চেচামেচি করেন ট্রাম্প!

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে গোলাপি লবণের বাজার
যে কারণে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে গোলাপি লবণের বাজার

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত
দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাইরে কঠোরতা দেখালেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কেউই যুদ্ধে ফিরতে চায় না
বাইরে কঠোরতা দেখালেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কেউই যুদ্ধে ফিরতে চায় না

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর’—সংরক্ষিত আসন নিয়ে জয়
‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর’—সংরক্ষিত আসন নিয়ে জয়

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরান যুদ্ধে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা প্রকাশ করল পেন্টাগন
ইরান যুদ্ধে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা প্রকাশ করল পেন্টাগন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধকালীন আর্থিক সহায়তা চায় আমিরাত
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধকালীন আর্থিক সহায়তা চায় আমিরাত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ফেলুন, নেতানিয়াহু: রসিকতা করে গ্রেফতার মার্কিন শিক্ষার্থী
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ফেলুন, নেতানিয়াহু: রসিকতা করে গ্রেফতার মার্কিন শিক্ষার্থী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা
সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই লুটিয়ে পড়ে আরেক বন্ধুর মৃত্যু
বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই লুটিয়ে পড়ে আরেক বন্ধুর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানে ৪৮ ঘণ্টায় ছয়টি মার্কিন বিমানের অবতরণ
পাকিস্তানে ৪৮ ঘণ্টায় ছয়টি মার্কিন বিমানের অবতরণ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হবে: ট্রাম্প
পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হবে: ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে শব্দের ধূম্রজালে ইরানকে ভিলেন বানায় পশ্চিমা গণমাধ্যম
যেভাবে শব্দের ধূম্রজালে ইরানকে ভিলেন বানায় পশ্চিমা গণমাধ্যম

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে দুর্বল অবস্থান থেকে নয়: বিশ্লেষণ
ইরান আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে দুর্বল অবস্থান থেকে নয়: বিশ্লেষণ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ
জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এশিয়া, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-চীন
আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এশিয়া, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-চীন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য ‘নতুন কার্ড’ প্রস্তুত করার কথা বলছে ইরান
যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য ‘নতুন কার্ড’ প্রস্তুত করার কথা বলছে ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হুমকির মুখে আলোচনা করবে না ইরান, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত গালিবাফের
হুমকির মুখে আলোচনা করবে না ইরান, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত গালিবাফের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের, পরে প্রত্যাহার
পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের, পরে প্রত্যাহার

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ হবে ‘দীর্ঘ ও কঠিন’ প্রক্রিয়া : ট্রাম্প
ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ হবে ‘দীর্ঘ ও কঠিন’ প্রক্রিয়া : ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গৃহবধূ ধর্ষণ; শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ভেঙে পড়ে থানা ফটক
গৃহবধূ ধর্ষণ; শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ভেঙে পড়ে থানা ফটক

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
শিরীন শারমিনের বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি
শিরীন শারমিনের বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

এক এজেন্টেই মিলবে সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবা
এক এজেন্টেই মিলবে সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবা

শিল্প বাণিজ্য

পদ হারাচ্ছেন কিরণ
পদ হারাচ্ছেন কিরণ

মাঠে ময়দানে

তেল নিয়ে নৈরাজ্য সবকিছুতে
তেল নিয়ে নৈরাজ্য সবকিছুতে

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় লেনের অপেক্ষা আর কত
ছয় লেনের অপেক্ষা আর কত

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ
ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার জিহাদের শরীরে পচন
লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার জিহাদের শরীরে পচন

পেছনের পৃষ্ঠা

ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি সতর্ক থাকুন
ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি সতর্ক থাকুন

প্রথম পৃষ্ঠা

পুণ্যস্নানে ভক্তের ঢল
পুণ্যস্নানে ভক্তের ঢল

পেছনের পৃষ্ঠা

জ্বালানি নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ
জ্বালানি নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপিতে ২৭ নতুন মুখ পুরোনো নয়জন
বিএনপিতে ২৭ নতুন মুখ পুরোনো নয়জন

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বিবিএস
ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বিবিএস

শিল্প বাণিজ্য

জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী স্বৈরাচার সরকার
জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী স্বৈরাচার সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া, জিম্মি যাত্রীরা
গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া, জিম্মি যাত্রীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

সৎ উপাচার্যের আশায় বেরোবি
সৎ উপাচার্যের আশায় বেরোবি

নগর জীবন

নাহিদের নৈপুণ্যে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ
নাহিদের নৈপুণ্যে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারই লক্ষ্য
দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারই লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

অসম্পন্ন কাজেই কোটি কোটি টাকার বিল
অসম্পন্ন কাজেই কোটি কোটি টাকার বিল

প্রথম পৃষ্ঠা

‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে ইরানকে অনুরোধ
‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে ইরানকে অনুরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১০ শতাংশ
শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১০ শতাংশ

নগর জীবন

যুদ্ধবিরতি আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান
যুদ্ধবিরতি আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ
অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জেল-জরিমানায়ও থামছে না নকল দুধের কারবার
জেল-জরিমানায়ও থামছে না নকল দুধের কারবার

দেশগ্রাম

মাইক্রোবাস নিয়ে ডাকাতি, আটক ১০
মাইক্রোবাস নিয়ে ডাকাতি, আটক ১০

দেশগ্রাম

বিসিবির নির্বাচন জুনে
বিসিবির নির্বাচন জুনে

মাঠে ময়দানে

রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ, কাজ বন্ধ
রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ, কাজ বন্ধ

দেশগ্রাম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বহাল চেয়ে করা রিটের শুনানি মুলতবি
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বহাল চেয়ে করা রিটের শুনানি মুলতবি

নগর জীবন

পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি শিক্ষার্থীরা
পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি শিক্ষার্থীরা

দেশগ্রাম