শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:০২, শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

ভরদুপুরে ছেলেখেলা

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
ভরদুপুরে ছেলেখেলা

ঠিক ওই রকমই মনে হচ্ছে ব্যাপারটা, যেন ভরদুপুরে ছেলেখেলা। যাতে আনন্দ নেই, স্বাস্থ্য নেই, বিড়ম্বনা রয়েছে, আশঙ্কা আছে গ্লানির। এই যে সংসদ নির্বাচনের জন্য সৎ ও যোগ্য প্রার্থী খুঁজে বের করার কাজে অত্যন্ত ব্যস্ত হয়ে পড়েন আমাদের সুশীল সমাজ, এ যেন অনেকটা ছেলেখেলাই। তদুপরি ভরদুপুরেই বটে। দুপুর না বলে উপায় কী? পরিস্থিতি তো খুবই তপ্ত এবং যথেষ্ট পরিমাণে পীড়াদায়ক। ছেলেখেলা অবশ্য ছেলেদেরই মানায়। সে খেলা দুপুরে ভালো, কি বিকালে-এই রকম সময় বিবেচনার দ্বারা তাড়িত না হতেও পারে। কিন্তু বয়স্ক ও সুশীল ব্যক্তিদের ছেলেখেলা, সে তো ভিন্ন ঘটনা। তার তো সময়-অসময় থাকবার কথা।

আমার নিজের জন্য ছেলেখেলার এই তুলনাটা মোটেই কষ্টকল্পনা নয়। একদা নিতান্ত কষ্টের মধ্য দিয়েই তুলনাটির যথার্থতার বিষয়ে অবহিত হতে হয়েছিল আমাকে। স্মরণ করলে হাসি পায়, দুঃখ তো লাগেই।

সময়টা ছিল আইউব খানের সামরিক শাসনের। তিনি একটি নতুন ধরনের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হয়েছিলেন। নাম দিয়েছিলেন বুনিয়াদি গণতন্ত্র। নির্বাচন হবে ধাপে ধাপে। প্রথমে নির্বাচিত হবেন বুনিয়াদি গণতন্ত্রীরা। তাঁরা নির্বাচন করবেন সংসদ সদস্য পদে। এবং পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের ৪০ হাজার করে ৮০ হাজার বুনিয়াদি গণতন্ত্রী নির্বাচিত করবেন প্রেসিডেন্ট।

আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও নিকটাত্মীয়কে এলাকার কয়েকজন বুনিয়াদি গণতন্ত্রী বলেছিলেন সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থী হতে। তাঁরা ভোট দেবেন, অন্যদের ভোটও এনে দেবেন। খরচের জন্য চিন্তা নেই। কয়েকজন তো মাত্র ভোটার, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে তেমন টাকাপয়সা লাগবে না। ওই যাতায়াত বাবদ যা কিছু খরচা। বন্ধুটি ছিলেন এলাকার নামকরা স্কুলের হেডমাস্টার। স্থানীয় অভিভাবক এবং বন্ধুর আত্মীয়স্বজন অনেকেই উৎসাহ দিলেন দাঁড়াতে। তাঁর মতো সৎ ও যোগ্য প্রার্থী কাকেই বা পাওয়া যাবে? তা ছাড়া তাঁর রয়েছে অনেক ছাত্র এবং বিপুল জনপ্রিয়তা।

আমি নিজেও যে উৎসাহ দিইনি তেমনও নয়। আজ থেকে অনেক বছর আগের ঘটনা ওটি। নির্বাচন কী জিনিস তখনো তেমন বুঝে উঠিনি। অল্প কিছু ভোটার, প্রার্থী হবেন বেশ কয়েকজন, ভোট ভাগাভাগি হবে, তার ভিতর দিয়ে যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার কারণে আমার বন্ধুটি বিজয়ী হবেন-এমন ভরসা আমাদের খুবই ছিল। বন্ধুর নিজেরও ছিল, নইলে দাঁড়াতে সম্মত হবেন কেন?

কিন্তু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরই দেখা গেল চিত্র ভিন্ন রকমের। প্রথমে মনে হয়েছিল পরিস্থিতি আমাদের অনুকূলে বটে, নইলে প্রার্থীদের একজন, বড় গোছের ব্যবসায়ী তিনি, কেন আগ বাড়িয়ে প্রস্তাব পাঠাবেন যে বন্ধুটি যদি তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন, তাহলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে বন্ধুটিকে তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য বিলেতে পাঠাবার ব্যাপারে অর্থ সাহায্যদানে প্রস্তুত আছেন। প্রস্তাব শুনে আমাদের মনোবল গেল বেড়ে। তবে সেটা বেশি দিন অক্ষুণœ রাখা সহজ হলো না।

ভোটারদের কাছে যাওয়া হলো। কয়েকবার আমিও গেলাম, তাঁর নিকট সঙ্গী হিসেবে, তাঁকে চাঙা রাখতে। দেখি বুনিয়াদি গণতন্ত্রীদের দুরকম আচরণ, দুদলে বিভক্তই বলা চলে।

একদল ভীষণ ভারিক্কি, সহজে মুখ খোলে না, যত খুলতে অসম্মত হয়, তত বৃদ্ধি পায় আমাদের রক্তচাপ। বুঝে উঠতে পারি না তাদের গভীর গহনে কোন মনোভাব লুক্কায়িত; পক্ষে নাকি বিপক্ষে। আরেক দলের আচরণ অত্যন্ত প্রগলভ। এত বেশি প্রশংসা করেন আমাদের প্রার্থীর যে আমরা ভরসা করতে সাহস পাই না। আপনি শিক্ষিত, যোগ্য, সৎ, আদর্শ শিক্ষক; আপনার মতো প্রার্থী আমাদের মতো লোকেরা পাবে কোথায়? আপনি অবশ্যই নির্বাচিত হবেন ইত্যাদি ইত্যাদি। শুনি, কিন্তু আস্থা আসে না।

চরম অভিজ্ঞতা হলো ভোটের দিন। অল্প কয়েকটি ভোটকেন্দ্র। প্রার্থীসহ আমি উপস্থিত ছিলাম একটিতে। দেখি নানা রকমের উত্তেজনা। এমনকি দাঙ্গা বাধাবার কানাঘুষা। বুঝলাম সুবিধা হবে না। ম্রিয়মাণ অবস্থায় অত্যন্ত খাপছাড়াভাবে আমাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে স্থানীয় স্কুলের একজন শিক্ষকের কৌতূহল হয়েছিল হয়তো। তিনি এগিয়ে এসে পরিচিত হলেন। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা দিয়ে জীবন শুরু করেছি জানতে পেরে যে মন্তব্যটি করলেন সেটি আমার জন্য স্মরণীয়, ‘তা এই খেলায় আপনি কেন এসেছেন?’

ভোট শেষে দুপুরের পরে নৌকায় করে যখন ফিরছি, তখন বন্ধুর চেহারা দেখেই বুঝেছি আশা করবার কোনো কারণ নেই। কিন্তু তাই বলে এতটা যে খারাপ হবে আমরা ভাবতে পারিনি। সর্বনিম্ন তো বটেই, তার বাক্সে সর্বসাকল্যে ভোট পড়েছে মাত্র দুইটি। আর জয়ী হয়েছেন সেই ব্যবসায়ী ভদ্রলোক, যিনি আমার হেডমাস্টার বন্ধুটিকে বিদেশে পাঠাতে চেয়েছিলেন। ব্যবসায়ীর জন্য ছেলেখেলা, কিন্তু আমাদের জন্য মৃত্যু। বিশেষ করে আমাদের প্রার্থীটির জন্য। লজ্জায় তিনি স্কুল ছেড়েছেন, গ্রাম ছেড়েছেন, শহরে এসে চাকরি নিয়েছেন আমলার। বলেছেন অবশ্য ভালোই হয়েছে। কিন্তু সেই বলাটা সেই সময়ে ছিল কান্নার নামান্তর।

সেই যে স্কুলের শিক্ষকটি বলেছিলেন এ খেলা অন্যরকম, এখানে সবাইকে মানায় না, তাঁর সেই পর্যবেক্ষণের সত্যতা এখন অনেক বেশি উজ্জ্বল। নির্বাচন এখনো খেলা ঠিকই, কিন্তু মোটেই ছেলেখেলা নয়। বলা যায় টাকার খেলাই আসলে। এবং সে খেলা কতটা যে ভয়ংকর হতে পারে তা প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে নানাভাবে নিজেকে জানান দিতে থাকে, নির্বাচনের আগে এবং পরে। কেবল ভোট কেনাবেচা নয়, মনোনয়নও কেনাবেচা চলে এবং ফল প্রকাশের পর নানা ধরনের হিংস্রতা দেখা দেয়; নির্বাচনের দিনেও হিংস্রতা অনিবার্য হয়ে উঠত যদি না সেনাবাহিনীর তৎপরতা থাকত।

এই খেলায় নিরীহ মানুষ নাক গলাবে কোন সাহসে? তাদের দৌড় তো ওই ভোট দেওয়া পর্যন্ত। কিন্তু আমাদের সুশীল সমাজ অর্থাৎ ভদ্রলোক গোষ্ঠী দেখছি দলবেঁধে সাহস করে এগিয়ে এসেছেন। দল বাঁধতে পেরেছেন বলেই যে সাহসী হয়েছেন সেটা বুঝি। তবে তাঁরা যদি আমাদের মতো দলছুট মানুষদের বলবার সাহস দেন, তাহলে ওই কথাটাই বলব, এই লেখার শুরুতে যা উল্লেখ করেছি, অর্থাৎ ভয়ংকর রকমের তপ্ত দ্বিপ্রহরে তাদের কাজটা মনে হচ্ছে নিতান্ত ছেলেমানুষি। ছেলেমানুষিই বলব, কেননা অন্য কথা ভাবাটা আরও অসম্মানজনক হবে। কোনো বিশেষ পরিকল্পনার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তাদের মতো বিজ্ঞ, বিচক্ষণ ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিবর্গ নির্বাচনের জন্য যোগ্য প্রার্থী খুঁজতে দুপুরবেলা লণ্ঠন হাতে রাস্তায় বের হয়েছেন-এমন চিন্তাকে মনের প্রান্ত দেশেও প্রবেশাধিকার দিতে চাই না। যেজন্য ধরে নিচ্ছি কাজটা নিছক ছেলেমানুষিই, গুরুতর কিছু নয়।

হ্যাঁ, তাঁরা যোগ্য প্রার্থী খুঁজে পাবেন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের মনোনীত প্রার্থীরা নির্বাচিত হবেন বলে যদি তাঁরা ভরসা করে থাকেন, তা হলে ওটাই হচ্ছে প্রথম জায়গা, যেখানে তাঁদের ছেলেমানুষি প্রকাশ পাবে। নির্বাচিত হতে হলে টাকা লাগবে। অন্য প্রার্থীরা প্রত্যেকে যদি পাঁচ কোটি করে ঢালেন, তাহলে আমাদের প্রার্থী তিন কোটিও খরচ করবেন না; এমন হলে তারা নির্বাচিত হতে পারবেন এমন ভরসা করা নিতান্তই বোকামি। আর যদি তিন কোটি খরচ করেন কোনো প্রার্থী, তাহলে অন্যরা কেন আমরাই তো ভ্রু কুঁচকাব। অত টাকা পেলেন কোথায়? যোগ্য নিশ্চয়ই তাই পেয়েছেন, কিন্তু সৎ পথে কি অত টাকার মালিক হওয়াটা সম্ভব? তা হলে?

আমাদের এই রাষ্ট্র জনগণের, সংবিধান তাই বলে; ইতিহাসও সেই রকমেরই রায় দেয়। বলে যে জনগণই যুদ্ধ করে এই রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা ঘটিয়েছে। কিন্তু ওই মালিকানাটা তো কাগজেপত্রে মাত্র। বাস্তব সত্যটা হলো এই যে রাষ্ট্র জনগণের স্বার্থ দেখে না, স্বার্থ দেখে শাসকশ্রেণির এবং শাসকশ্রেণিকে পুষ্ট করতে গিয়ে রাষ্ট্র নিষ্পেষণ চালায় জনগণের ওপর। সন্দেহ আছে কী যে কখনো কখনো রাষ্ট্রই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী প্রতিষ্ঠান। সংসদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য যাঁরা তৎপর হন, তাঁরা ভান করেন যে তারা মালিক হতে চাচ্ছেন না, হতে চাচ্ছেন রাষ্ট্রের ম্যানেজার। কিন্তু নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা মাত্র, হওয়ার পর পরই ছদ্মবেশটা ফেলে দিয়ে তারা রাষ্ট্রের মালিক হয়ে যান। এবং কে কতটা ভাগ নেবেন তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া-ফ্যাসাদ পাকিয়ে ফেলেন। রাষ্ট্রের চরিত্রে বদল এনে একে জনগণের হাতে তুলে দেবেন এ চিন্তা সংসদ সদস্যদের কল্পনার ধারেকাছেও থাকে না। তাঁরা চান, রাষ্ট্র যেমন আছে তেমনি থাকুক এবং তাঁদের সেবা করুক।

♦লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন
ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন
সরকারের সর্বনাশে মঈনরাই যথেষ্ট
সরকারের সর্বনাশে মঈনরাই যথেষ্ট
‘বাংলাদেশকে ভালোবাসব কর্মে, সততায়, শপথে এবং ত্যাগে’
‘বাংলাদেশকে ভালোবাসব কর্মে, সততায়, শপথে এবং ত্যাগে’
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
সুফলভোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে ‘গ্রাম সরকার’ পুনর্গঠন এখনই জরুরি
সুফলভোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে ‘গ্রাম সরকার’ পুনর্গঠন এখনই জরুরি
সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া হামের বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়
সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া হামের বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়
বৈষম্য কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে
বৈষম্য কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে শূন্য খরচে কর্মী নিতে মালয়েশিয়ার ‌‘এআই’ প্রযুক্তি চালু
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে শূন্য খরচে কর্মী নিতে মালয়েশিয়ার ‌‘এআই’ প্রযুক্তি চালু
জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে মানসম্মত শিক্ষার অপরিহার্যতা
জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে মানসম্মত শিক্ষার অপরিহার্যতা
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি
সৌর বিদ্যুৎ: সম্ভাবনা, বাস্তবতা এবং সুপারিশ
সৌর বিদ্যুৎ: সম্ভাবনা, বাস্তবতা এবং সুপারিশ
প্লুরাল পুলিশিং
প্লুরাল পুলিশিং
সর্বশেষ খবর
বাহুবলী-পুষ্পাকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে রণবীরের ‘ধুরন্ধর’
বাহুবলী-পুষ্পাকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে রণবীরের ‘ধুরন্ধর’

এই মাত্র | শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজে ওপেনিংয়ে তানজিদের সঙ্গী কি সাইফ?
নিউজিল্যান্ড সিরিজে ওপেনিংয়ে তানজিদের সঙ্গী কি সাইফ?

৫২ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

একটু এদিক-সেদিক হলেই এখানে থাকতাম না: স্টোকস
একটু এদিক-সেদিক হলেই এখানে থাকতাম না: স্টোকস

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ বন্ধ করায় চীন বেশ খুশি হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের
হরমুজ বন্ধ করায় চীন বেশ খুশি হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এপ্রিলে ভারত থেকে আসছে ২৫ হাজার টন ডিজেল
এপ্রিলে ভারত থেকে আসছে ২৫ হাজার টন ডিজেল

২১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন রুবেল
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন রুবেল

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বর্ণিল আয়োজনে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো বৈশাখী মেলা
বর্ণিল আয়োজনে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো বৈশাখী মেলা

২২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

শ্রীমঙ্গলে ছেলের ছুরিকাঘাতে পিতা নিহত
শ্রীমঙ্গলে ছেলের ছুরিকাঘাতে পিতা নিহত

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চীনের স্যাটেলাইট ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি নজরদারি করছে ইরান?
চীনের স্যাটেলাইট ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি নজরদারি করছে ইরান?

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ শেষ হলে গ্যাসের দাম 'ব্যাপকভাবে' কমে যাবে: ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ হলে গ্যাসের দাম 'ব্যাপকভাবে' কমে যাবে: ট্রাম্প

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুন্সীগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক
মুন্সীগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে অস্ত্র দেবে না চীন, হরমুজ খুলতে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে খুশি বেইজিং: ট্রাম্প
ইরানকে অস্ত্র দেবে না চীন, হরমুজ খুলতে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে খুশি বেইজিং: ট্রাম্প

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেনাপ্রধানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
সেনাপ্রধানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ শেষ ফরাসি স্ট্রাইকারের
বিশ্বকাপ শেষ ফরাসি স্ট্রাইকারের

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নাসিরনগরে ঐতিহ্যবাহী শুটকি মেলায় ক্রেতাদের ভিড়, কমেছে পণ্য বিনিময় প্রথা
নাসিরনগরে ঐতিহ্যবাহী শুটকি মেলায় ক্রেতাদের ভিড়, কমেছে পণ্য বিনিময় প্রথা

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম চালকবিহীন কার্গো উড্ডয়ন করল চীন
নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম চালকবিহীন কার্গো উড্ডয়ন করল চীন

৫৯ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল হবে বাস্তবভিত্তিক : অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা
সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল হবে বাস্তবভিত্তিক : অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

গাজায় ৫৩০ টন মানবিক সহায়তা পাঠাল আফগানিস্তান
গাজায় ৫৩০ টন মানবিক সহায়তা পাঠাল আফগানিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিনপিংকে চিঠি লিখেছেন ট্রাম্প
ইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিনপিংকে চিঠি লিখেছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে চীনা নাগরিককে কুপিয়ে গুরুতর জখম, মালামাল লুট
কেরানীগঞ্জে চীনা নাগরিককে কুপিয়ে গুরুতর জখম, মালামাল লুট

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায়ের পর রেফারিকে দুষলেন রাফিনহা
চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায়ের পর রেফারিকে দুষলেন রাফিনহা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় সাড়ে ৩ লাখেরও বেশি শিশু বাস্তুচ্যূত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় সাড়ে ৩ লাখেরও বেশি শিশু বাস্তুচ্যূত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এক্সে ভিডিওর লিংক কপি করার সুবিধা কি সত্যিই বাতিল?
এক্সে ভিডিওর লিংক কপি করার সুবিধা কি সত্যিই বাতিল?

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

অবৈধ মজুতকৃত ৫ লাখ ৪২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার
অবৈধ মজুতকৃত ৫ লাখ ৪২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পৃথিবীকে বিপদমুক্ত করতে জোট বাঁধছে রাশিয়া-চীন?
পৃথিবীকে বিপদমুক্ত করতে জোট বাঁধছে রাশিয়া-চীন?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মেলোনির সঙ্গে আগের সেই সম্পর্ক নেই’, ন্যাটোকেও কড়া বার্তা দিলেন ট্রাম্প
‘মেলোনির সঙ্গে আগের সেই সম্পর্ক নেই’, ন্যাটোকেও কড়া বার্তা দিলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের ফি নিচ্ছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের ফি নিচ্ছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল: শিক্ষামন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

আইপিএলে দুই ম্যাচের জন্য ছিটকে গেলেন রোহিত শর্মা
আইপিএলে দুই ম্যাচের জন্য ছিটকে গেলেন রোহিত শর্মা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাপের সবচেয়ে বড় শাস্তি কী
পাপের সবচেয়ে বড় শাস্তি কী

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ধানক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে বন্যহাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
ধানক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে বন্যহাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপিতে যোগ দিয়ে মেয়র নির্বাচন করার বিষয়ে যা বললেন মনজুর আলম
এনসিপিতে যোগ দিয়ে মেয়র নির্বাচন করার বিষয়ে যা বললেন মনজুর আলম

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সৌদিসহ পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের
সৌদিসহ পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘চীনা জাহাজের’ হরমুজ অতিক্রম নিয়ে কড়া সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের
‘চীনা জাহাজের’ হরমুজ অতিক্রম নিয়ে কড়া সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ, মানতে হবে যেসব নিয়ম
এসএসসি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ, মানতে হবে যেসব নিয়ম

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৮ মাস বন্ধ থাকবে বুর্জ আল আরব
১৮ মাস বন্ধ থাকবে বুর্জ আল আরব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি
আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ
আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগাম ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা
আগাম ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রেড গ্রাসের নামে ভারত থেকে ৮ কোটি টাকা মূল্যের জাফরান আমদানি
রেড গ্রাসের নামে ভারত থেকে ৮ কোটি টাকা মূল্যের জাফরান আমদানি

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম গ্রহণে রাশিয়ার নতুন প্রস্তাব
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম গ্রহণে রাশিয়ার নতুন প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনা জাহাজে বিষাক্ত সায়ানাইড পেল ফিলিপাইন, উত্তেজনা তুঙ্গে
চীনা জাহাজে বিষাক্ত সায়ানাইড পেল ফিলিপাইন, উত্তেজনা তুঙ্গে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা
বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকার কয়েক হাজার অমুক্তিযোদ্ধা বাদ
লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকার কয়েক হাজার অমুক্তিযোদ্ধা বাদ

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে যে খাবার না দিলে ‘মাথা গরম’ হয়ে যায় জয়া আহসানের
শুটিং সেটে যে খাবার না দিলে ‘মাথা গরম’ হয়ে যায় জয়া আহসানের

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?
পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মগবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থী আহত
মগবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থী আহত

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাঁচ ম্যাচে জয়হীন কলকাতা, শাস্তি পেলেন অধিনায়ক
পাঁচ ম্যাচে জয়হীন কলকাতা, শাস্তি পেলেন অধিনায়ক

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো
ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় আজ
নোয়াখালীতে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় আজ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫ লাখ নথিবিহীন অভিবাসীকে বড় সুখবর দিলো স্পেন
৫ লাখ নথিবিহীন অভিবাসীকে বড় সুখবর দিলো স্পেন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপেছে ইউক্রেন
যে কারণে ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপেছে ইউক্রেন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার ‘চুরি করা শস্য’বাহী জাহাজ ভিড়তে দিচ্ছে ইসরায়েল, ক্ষুব্ধ ইউক্রেন
রাশিয়ার ‘চুরি করা শস্য’বাহী জাহাজ ভিড়তে দিচ্ছে ইসরায়েল, ক্ষুব্ধ ইউক্রেন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পৃথিবীকে বিপদমুক্ত করতে জোট বাঁধছে রাশিয়া-চীন?
পৃথিবীকে বিপদমুক্ত করতে জোট বাঁধছে রাশিয়া-চীন?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ অতিক্রম করলো দুটি ইরানি জাহাজ
হরমুজ অতিক্রম করলো দুটি ইরানি জাহাজ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক