শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:২৯, রবিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৬

কেমন চলছে বাংলাদেশ

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
কেমন চলছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কি খুব ভালোভাবে চলছে? যাঁরা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তাঁরা দায়িত্ব নিয়েছেন দেশের এক দুঃসময়ে। আওয়ামী লীগের সাড়ে ১৫ বছর এবং অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে রেখে যাওয়া জঞ্জাল সাফ করার কাজ অত্যন্ত জটিল এবং এই জটিল কাজ সম্পন্ন করার দায়িত্ব ন্যস্ত হয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের ওপর। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৪৭ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এখনই বলা সম্ভব নয় যে সরকার ভালোভাবে অথবা মন্দভাবে চলছে। 

বিএনপি ৪৮ বছরের পুরোনো একটি রাজনৈতিক দল এবং সরকার পরিচালনায় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। মাঝেমধ্যে বিরতিসহ বিএনপি অতীতে পাঁচ দফা বাংলাদেশে সরকার পরিচালনা করেছে। তবে এবার তারা ক্ষমতায় এসেছে ১৭ বছরের এক বিরাট ব্যবধানের পর। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা বড় দলকে প্রায়ই ভেঙে যেতে দেখা যায়। কিন্তু বিএনপির ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। এ কথা সত্য যে বিএনপির অতীতের অভিজ্ঞ নেতাদের অধিকাংশই এখন আর বেঁচে নেই। নবীন ও প্রবীণ নেতাদের সমন্বয় ঘটেছে এবারের বিএনপি সরকারে। 

আওয়ামী লীগের দীর্ঘ টানা জবরদস্তিমূলক শাসনে বিএনপির সব পর্যায়ের নেতা-কর্মী নিপীড়িত হয়েছেন। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তাদের মাঝে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ গ্রহণের তাগিদ কাজ করবে এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের লুটপাটের ক্ষেত্রগুলো হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। সফলভাবে সরকার পরিচালনা করতে হলে বিএনপিকে হিসাব করে পা ফেলতে হবে, যাতে তাদের নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগের পদাঙ্ক অনুসরণ না করেন। সবকিছুর ওপর স্থান দিতে হবে জাতীয় স্বার্থকে।

বহু বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের আটাশতম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন (১৯১৩-১৯২১) বলেছিলেন, কোনো রাজনৈতিক দল যদি জাতীয় স্বার্থে কোনো কাজই না করে, তাহলে সেটি ভালো রাজনৈতিক দল হয় কীভাবে? আমাদের দেশের সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষেত্রে উড্রো উইলসনের কথাটি সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য। সরকার ও দলগুলো জাতিকে সেবা করার সুযোগ পায়, কিন্তু বিগত ৫৫ বছরের ইতিহাসে বাংলাদেশের খুব কমসংখ্যক সরকার ও রাজনৈতিক দল জাতির প্রতি তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে। অধিকাংশ রাজনৈতিক দল দেশের কল্যাণে যে প্রতিশ্রুতি উচ্চারণ করেছে, তারা তাদের প্রতিশ্রুতির প্রতি কখনো শ্রদ্ধাশীল ছিল না বলে পঞ্চান্ন বছর বয়সি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এখনো ধুঁকে ধুঁকে চলছে। 

রাজনীতিবিদরা ক্ষমতায় গিয়ে জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রতিশ্রুতি, সংবিধান রক্ষা ও সমুন্নত রাখার প্রতিশ্রুতি বিস্মৃত হয়েছেন। ক্ষমতার মোহ ও দম্ভে তাঁরা এত দিশাহারা হয়ে গেছেন যে দেশকে তাঁরা কোন পথে নিয়ে যাবেন তা স্থির করতে পারেননি। আমেরিকান কবি রবার্ট ফ্রস্ট তাঁর এক কবিতায় বলেছেন, ‘বনের মধ্যে দুটি পথ দুদিকে চলে গেছে, আমি একটি পথ বেছে নিয়েছি, যে পথে খুব কমসংখ্যক লোক চলাচল করেছে, এবং এই সিদ্ধান্তই এনে দিয়েছে পার্থক্য।’ কেউ যদি তাঁর সিদ্ধান্তের প্রতি অটল থাকেন, তাহলে তিনি যে পথেই যান না কেন, সে পথেই তাঁর দৃঢ় পদচারণের ছাপ রাখতে পারেন। বাংলাদেশে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এসেছেন, যাঁরা তাঁদের রাজনৈতিক জীবনে সাফল্য ও ব্যর্থতার পাশাপাশি অনেক অবদানও রেখেছেন। 

কিন্তু জাতির দুর্ভাগ্য হলো, দেশের প্রতি ভালোবাসা পোষণের পরিবর্তে কেবল রাষ্ট্রক্ষমতার অধিকারী হওয়ার প্রতিযোগিতার কারণে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় নেতাদের কখনো মহানায়ক, আবার কখনো খলনায়কে পরিণত করে। এটা নির্ভর কখন কোন দল ক্ষমতায় আছে তার ওপর। তারা সমগ্র জাতিকে এমনভাবে বিভাজিত করেছে যে কোনো জাতীয় নেতাই সামগ্রিকভাবে সবার সম্মানের পাত্র নন। তাঁরা কখনো পরম শ্রদ্ধেয়, কখনো চরম নিন্দনীয় ও ঘৃণার্হ্য। যাঁর যখন সুযোগ আসে তাঁরা তাঁদের বেহেশতবাসী নেতার পূজা করেন, সুযোগ শেষ হলে আরেক দল প্রতিদ্বন্দ্বী দলের পূজিত নেতার অবদানকে এত খাটোভাবে চিত্রিত করেন যে তাঁর ভালো কাজগুলোকেও জাতীয় স্বার্থবিরোধী অপকর্মের দলিল হিসেবে উপস্থাপন করতে কেউ কার্পণ্য করে না। 

বিগত ৫৫ বছর ধরে এই টানাহ্যাঁচড়াই চলে আসছে। এই দীর্ঘ সাড়ে ৫ দশক কি প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট নয় যে আমরা এমনকি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতেও অনাদিকাল পর্যন্ত ঐকমত্যে না পৌঁছার গোঁ-ধরে বসে আছি! এমন একটি মানসিক বিভাজনের মধ্যে দেশ ও জাতির উন্নয়ন কি আকাশ ফেঁড়ে পড়বে?

ব্যক্তিনির্ভর কোনো দল যখন রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়, দলের সব পর্যায় থেকে সেই ব্যক্তির প্রশংসার প্লাবন বইতে শুরু করে তখন তিনি তাঁর সীমাবদ্ধতা উপলব্ধি করতে পারেন না। শেখ মুজিবও পারেননি, তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাও পারেননি। এর পরিণতি কী হতে পারে, তা জাতির সামনে এখনো দৃশ্যমান। সবাই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার জ্ঞান দান করতে পটু, কিন্তু কেউ ইতিহাসের শিক্ষা গ্রহণ করেন না। অতএব পতনের সিঁড়ি তাঁরা নিজেরাই তৈরি করেন। যে শ্রম-সাধনায়, কৌশল ও অপকৌশলে তাঁরা ক্ষমতার শীর্ষে আরোহণ করেন, দম্ভ ও প্রতিপক্ষকে নিষ্ঠুরভাবে দমন করতে গিয়ে একটি পর্যায়ে পতনের সেই সিঁড়ি দিয়ে দ্রুত পিছলে পড়েন। এ পরিণতি যে অবশ্যম্ভাবী, তাঁরা তা জানেন। তবু শেষ পর্যন্ত সব শক্তি প্রয়োগ করে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকতে চেষ্টা করেন। 

কিন্তু কে তাঁর অনিবার্য পরিণতি ঠেকাতে পেরেছেন? পাকিস্তান আমলে সামরিক ‘লৌহমানব’ খ্যাত আইউব খান পারেননি। বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা খ্যাত শেখ মুজিবুর রহমান, সামরিক শাসক এরশাদ এবং ‘আয়রন লেডি’ খ্যাত শেখ হাসিনাও পারেননি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাঁরা ক্ষমতার আভিজাত্যের স্বাদ নিতে গিয়ে দেশকে উন্নয়নের পথ থেকে বহু দূরে ঠেলে দিয়েছেন।

আমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিই না কেন? কারণ আমাদের রাজনীতিবিদরা জনগণকে আর ক্ষমতার উৎস বলে বিশ্বাস করেন না। জনগণকে নানা প্রলোভনে প্রলুব্ধ করে তাদের সম্মিলিত শক্তিতে ক্ষমতাসীন হওয়ার অধিকাংশ রাজনীতিবিদ নিজেদেরকেই ক্ষমতার উৎস বলে বিবেচনা করেন। তাঁরা তাঁদের চেতনায়, রাজনৈতিক বিশ্বাসে, তাঁদের অন্তর্দৃষ্টিতে নিজেদের কৃতিত্ব ছাড়া আর কিছু দেখতে পান না। তাঁরা জনগণের ঐক্যবদ্ধ জাতীয় শক্তির গভীরতম উৎসকে সম্মান দিতে পারেন না। এই শক্তি যে অনেক রূপ নিতে পারে, ক্ষমতার মদমত্ততায় তাঁরা তা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হওয়ায় ক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলেন। তাঁরা বুঝে উঠতে পারেন না যে তাঁরা ক্ষমতা ব্যবহার করেন, নাকি ক্ষমতা তাঁদের ব্যবহার করে। তাঁদের এই বুঝে না ওঠার কারণে এমন একটি সময় আসে যখন জনগণ রাজনীতিবিদদের, বিশেষ করে যাঁরা ক্ষমতায় থাকেন, তাঁদের প্রতারক, বিশ্বাসঘাতক, দুর্নীতিগ্রস্ত বিবেচনা করে তাঁদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। 

কালজয়ী উপন্যাস ‘অ্যানিম্যাল ফার্ম’ ও ‘১৯৮৪’-এর রচয়িতা ইংলিশ ঔপন্যাসিক ও কবি জর্জ অরওয়েল বলেছেন, ‘প্রতারণা যখন সর্বজনীন হয়ে ওঠে, তখন সত্য কথা বলাই এক ধরনের বিপ্লব।’ বারবার প্রতারণার চাদরে ঢাকা একটি রাজনৈতিক কাঠামোর সত্যকে তুলে ধরার জন্য এবং প্রতারক রাজনীতিবিদদের ক্ষমতার আসন থেকে টেনে নামানোর উদ্দেশ্যে প্রতারিত জনগণ রাজপথে নেমে আসে। ক্ষমতার দাপটে ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে গড়ে তোলা প্রতিটি প্রতীক ধ্বংস করার মাঝে তারা শাসকের ওপর প্রতিশোধস্পৃহা চরিতার্থ করার আনন্দ লাভ করে। বাংলাদেশে বারবার এর পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। অগণন মানুষের মৃত্যু ঘটেছে, জাতীয় সম্পদ ধ্বংস হয়েছে এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতি বিনষ্ট হয়েছে।

জাতীয় ঐক্য, চেতনা ও সংহতির কথা সবাই বলেন। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো এসব শব্দ ব্যবহার করে যার যার অবস্থান ও প্রেক্ষাপট থেকে। প্রতিটি দলের কাছে শব্দগুলোর অর্থ ও প্রয়োগ ভিন্ন ভিন্ন। ফলে কোনো দল যখন ক্ষমতায় যায় তখন এসব শব্দই তাদের ঔদ্ধত্যের দিকে নিয়ে যায়।  বাংলাদেশে বিরাজমান চির-সাংঘর্ষিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশের সার্বিক কল্যাণ কামনা করা সত্ত্বেও বিদ্বজনদের অধিকাংশই সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন না।

তাঁদের অনেকে কাউকে বুঝতেও দেন না যে তাঁরা কোন দলকে সমর্থন করেন। এমনকি তাঁরা নির্বাচনে ভোটও দেন না। তাঁরা ‘রাজনীতি বদমাশদের শেষ আশ্রয়’ মর্মে পুরোনো প্রবাদ বিশ্বাস করেন।  তাঁরা শুধু আশা পোষণ করেন, যে দলই সরকার গঠন করুক, তারা যাতে দেশের জন্য কাজ করে এবং লুটপাট করে দেশকে সাবেক আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের ভাষায় বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ অভিহিত না করে।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ
ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু
রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু

২৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬

৪৪ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ
যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা
ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক
অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া
ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান
ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়
ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী
বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার
ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক
পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’
জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার
হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি
হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?
ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার
১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের
ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার
অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা

৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রতিবাদ করায় ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হওয়ার আশঙ্কা মার্ক রাফালোর
প্রতিবাদ করায় ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হওয়ার আশঙ্কা মার্ক রাফালোর

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের
ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও
প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তৃতীয় সন্তান হলেই অন্ধ্রপ্রদেশে মিলবে ২৫ হাজার রুপি-পুষ্টি ভাতা
তৃতীয় সন্তান হলেই অন্ধ্রপ্রদেশে মিলবে ২৫ হাজার রুপি-পুষ্টি ভাতা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিদ্ধিরগঞ্জে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
সিদ্ধিরগঞ্জে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’
স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই
সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা
যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল
বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা
এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’
‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?
সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে
পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী
চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ
‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?
দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত
জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?
বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান
আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন
বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর
আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?
বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত
হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট
বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প
স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!
নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের

পেছনের পৃষ্ঠা

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ
উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত
জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত

পেছনের পৃষ্ঠা

চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক
এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক

মাঠে ময়দানে

মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট

প্রথম পৃষ্ঠা

ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার
ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

পায়েলের যত অভিযোগ
পায়েলের যত অভিযোগ

শোবিজ

ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা
ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা

শোবিজ

এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের
এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের

মাঠে ময়দানে

প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’
প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’

মাঠে ময়দানে

শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি
শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

মাঠে ময়দানে

প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে
প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

মাঠে ময়দানে

শাকিবের বিশেষ বার্তা
শাকিবের বিশেষ বার্তা

শোবিজ

সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি
সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি

নগর জীবন

তাদের ‘না বলা গল্প’
তাদের ‘না বলা গল্প’

শোবিজ

টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল
টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল

মাঠে ময়দানে

তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা
তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা

শোবিজ

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন
বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন

নগর জীবন

হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার
হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা