শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:০৬, রবিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৬

‘জ্বালানি সংকট, বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব’

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
‘জ্বালানি সংকট, বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব’

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ আজ আর কেবল একটি আঞ্চলিক সংঘাত নয়; এটি পরিণত হয়েছে বৈশ্বিক শক্তির রাজনীতির এক নির্মম খেলায়, যার বলি হচ্ছে বিশ্বের স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো। জ্বালানি তেলের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করবার মাধ্যমে বিশ্ব রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের যে পুরোনো কৌশল, সেটিই নতুন করে সামনে এসেছে। আর এই স্বেচ্ছাচারিতার চড়া মূল্য দিচ্ছে সেইসব দেশ– যাদের অর্থনীতি জ্বালানি আমদানিনির্ভর, যাদের শিল্পায়ন, পরিবহন এবং জনগণের দৈনন্দিন জীবন আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর বহুলাংশে নির্ভরশীল।

আজ যখন মধ্যপ্রাচ্যের তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে, তখন শুধু জ্বালানি তেলের দামই বাড়ছে না– একটি পুরো জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, শিল্প কারখানার চাকায় গতিতে ভাটা পড়ছে এবং খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়ে চলছে। অর্থাৎ একটি যুদ্ধ হাজার মাইল দূরে হলেও তার ধাক্কা এসে লাগছে সাধারণ মানুষের হেঁশেলে, কর্মস্থলে এবং জীবনের প্রতিটি স্তরে। অবধারিতভাবে এই বাস্তবতা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

এটি কোনো স্বাভাবিক সংকট নয়; এটি একটি কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক অস্থিরতা। ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে জ্বালানি তেলকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, আর সেই অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে উন্নয়নশীল বিশ্ব। যারা তেল উৎপাদন করে, যারা যুদ্ধ করে, যারা নিষেধাজ্ঞা দেয়– তারা হয়তো নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করছে; কিন্তু তার বোঝা বইতে হচ্ছে আমাদের মতো দেশগুলোকে।

এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সবার কাছে– আমরা কী করব? আমরা কি শুধু বসে বসে এই বৈশ্বিক শক্তির খেলায় পিষ্ট হবো, নাকি নিজেদের অবস্থান থেকে সংকট মোকাবিলায় স্বল্প মেয়াদি ও দীর্ঘ মেয়াদি উত্তরণের উপায় খুঁজে বের করব? 

বাংলাদেশের জন্য এই সংকট নিঃসন্দেহে একটি কঠিন বাস্তবতা। আমাদের জ্বালানি তেল আমদানির ওপর নির্ভরতা, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি– সবকিছু মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল থেকে জটিলতর হয়ে উঠছে। 

কিন্তু এই জটিলতার মধ্যেই অমিত সম্ভাবনার বীজ লুকিয়ে আছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে– জ্বালানি সাশ্রয়ী নীতি, বিকল্প উৎসের সন্ধান, আমদানির বহুমুখীকরণ। কিন্তু বাস্তবতা হলো– শুধু সরকারি পদক্ষেপ দিয়ে এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়। রাষ্ট্র যখন সংকটে পড়ে, তখন সেটি আর শুধু সরকারের সমস্যা থাকে না; এটি হয়ে যায় একটি জাতীয় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব থেকে কেউই অব্যাহতি পেতে পারে না।

প্রথমত, সরকারের দায়িত্ব হলো কঠোর ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। জনপ্রিয়তার রাজনীতি দিয়ে এই সংকট মোকাবিলা করা যাবে না। জ্বালানি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ, অপচয় রোধ, ভর্তুকির সঠিক ব্যবহার এবং বিকল্প শক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ– এসব বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে। কূটনৈতিকভাবে নতুন জ্বালানি উৎস নিশ্চিত করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের স্বার্থকে জোরালোভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, বেসরকারি খাত ও শিল্পখাতকে বুঝতে হবে– এই সংকট শুধুমাত্র সরকারের নয়, তাদের নিজেদের অস্তিত্বের সঙ্গেও জড়িত। উৎপাদনে জ্বালানি দক্ষতা বাড়াতে হবে, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে এবং বিকল্প শক্তির দিকে ঝুঁকতে হবে। যারা আজও অপচয়ের সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত, তাদের বুঝতে হবে– এই সংকটে অপচয় মানেই আত্মঘাতী প্রবণতা।

তৃতীয়ত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ছাত্রসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাস সাক্ষী, সংকটের সময়ে দেশের ছাত্রসমাজই জাতির দিকনির্দেশনা দিয়েছে। আজও তাদের সেই ভূমিকা পালন করতে হবে– সচেতনতা তৈরি করতে হবে, দায়িত্বশীল আচরণের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে এবং জাতীয় স্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দিতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সাধারণ জনগণের ভূমিকা। এই সংকটের মোকাবিলা শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে জনগণের আচরণের ওপর। অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার বন্ধ করা, ব্যক্তিগত যানবাহনের পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার করা, অপচয় কমানো– এসব ছোট ছোট পদক্ষেপই বড় পরিবর্তন আনতে পারে। কিন্তু আমাদের সমাজে এখনো একটি প্রবণতা রয়েছে– রাষ্ট্রের সমস্যাকে নিজের সমস্যা হিসেবে অনুধাবন না করা। এই মানসিকতা পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি।

বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো ইতোমধ্যে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। ইউরোপে জ্বালানি কোম্পানিগুলোর অতিরিক্ত মুনাফার ওপর কর আরোপ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত তেল মজুত ব্যবহার করছে, এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জ্বালানি রেশনিং চালু হয়েছে, কর্মঘণ্টা কমানো হয়েছে। অর্থাৎ সবাই বুঝে গেছে– এই সংকট মোকাবিলায় ত্যাগ স্বীকার করতেই হবে।

আমাদেরকেও সেই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে। আরাম-আয়েশের রাজনীতি, অযৌক্তিক প্রত্যাশা এবং দায়িত্বহীন আচরণ দিয়ে এই সংকট পার হওয়া যাবে না। আজ সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো জাতীয় ঐক্য। রাজনৈতিক বিভাজন, দলীয় স্বার্থ, ব্যক্তিগত লোভ ও মুনাফা– এসবের ঊর্ধ্বে উঠে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে আমাদের চিন্তা করতে হবে। এই সংকট যদি আমাদের কিছু শিখিয়ে থাকে, তবে সেটি হলো– একটি জাতির শক্তি তার ঐক্যে, তার সম্মিলিত চেষ্টায়।

ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী– সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। এটি কোনো একক গোষ্ঠীর লড়াই নয়; এটি পুরো জাতির লড়াই।

আমাদের মনে রাখতে হবে, এই সংকট চিরস্থায়ী নয়। কিন্তু আমরা এই সংকটকে কীভাবে মোকাবিলা করি, সেটিই নির্ধারণ করবে আমাদের ভবিষ্যৎ। আমরা যদি দায়িত্বশীল হই, সংযমী হই, এবং ঐক্যবদ্ধ হই– তবে এই সংকটই আমাদের জন্য একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।

অন্যথায়, আমরা যদি বিভক্ত থাকি, দায়িত্ব এড়িয়ে চলি এবং বাস্তবতা অস্বীকার করি– তবে এই সংকট আমাদের জন্য এক দীর্ঘস্থায়ী বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে।

এখন সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব আমাদের– আমরা কি বৈশ্বিক শক্তিসমূহের খেলায় পুতুল হয়ে থাকব, নাকি নিজেদের ভবিষ্যৎ আমরা নিজেরাই নির্ধারণ করব।

▪️লেখক : প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা 

এই বিভাগের আরও খবর
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
সর্বশেষ খবর
ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ
ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু
রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু

১৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬

৩৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ
যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ

৪৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা
ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক
অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া
ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান
ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়
ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী
বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার
ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক
পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’
জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার
হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি
হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?
ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার
১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের
ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার
অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা

৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রতিবাদ করায় ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হওয়ার আশঙ্কা মার্ক রাফালোর
প্রতিবাদ করায় ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হওয়ার আশঙ্কা মার্ক রাফালোর

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের
ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও
প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তৃতীয় সন্তান হলেই অন্ধ্রপ্রদেশে মিলবে ২৫ হাজার রুপি-পুষ্টি ভাতা
তৃতীয় সন্তান হলেই অন্ধ্রপ্রদেশে মিলবে ২৫ হাজার রুপি-পুষ্টি ভাতা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেইনের হ্যাটট্রিকে শেষ ম্যাচে বায়ার্নের বড় জয়
কেইনের হ্যাটট্রিকে শেষ ম্যাচে বায়ার্নের বড় জয়

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিদ্ধিরগঞ্জে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
সিদ্ধিরগঞ্জে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’
স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই
সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা
যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল
বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা
এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’
‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?
সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে
পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী
চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ
‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?
দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত
জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?
বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান
আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর
আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন
বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?
বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত
হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট
বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প
স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!
নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের

পেছনের পৃষ্ঠা

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ
উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত
জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত

পেছনের পৃষ্ঠা

চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক
এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক

মাঠে ময়দানে

মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট

প্রথম পৃষ্ঠা

ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার
ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

পায়েলের যত অভিযোগ
পায়েলের যত অভিযোগ

শোবিজ

ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা
ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা

শোবিজ

এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের
এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের

মাঠে ময়দানে

প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’
প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’

মাঠে ময়দানে

শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি
শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

মাঠে ময়দানে

মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

মাঠে ময়দানে

প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে
প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের বিশেষ বার্তা
শাকিবের বিশেষ বার্তা

শোবিজ

সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি
সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি

নগর জীবন

তাদের ‘না বলা গল্প’
তাদের ‘না বলা গল্প’

শোবিজ

টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল
টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল

মাঠে ময়দানে

তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা
তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা

শোবিজ

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন
বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন

নগর জীবন

হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার
হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা