শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৩৭, সোমবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ১৪:০৮, সোমবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সামনে কেমন হবে?

অদিতি করিম
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সামনে কেমন হবে?

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারত সফরে যাচ্ছেন। বিএনপি সরকার গঠিত হবার পর, এটিই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর। নানা কারণে এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য এটি হতে পারে নব যাত্রার সূচনা। যেকোনো দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য প্রতিবেশীর সাথে সুসম্পর্ক অত্যন্ত জরুরি। আমরা সবকিছু পাল্টাতে পারি, কিন্তু প্রতিবেশী পাল্টাতে পারি না। প্রতিবেশীর সাথে বিরোধ করে লাভের চেয়ে নিজেদের ক্ষতিই হয় বেশি।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাংলাদেশের মত ছোট এবং উন্নয়নের জন্য সংগ্রামরত দেশগুলোর জন্য সকলের সাথেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন। এখন এই বিশ্বায়নের যুগে কোন রাষ্ট্রই একলা চলতে পারে না। বাংলাদেশের জন্য তা আরও কঠিন। একারণেই আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল কথা হলো ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা না’। কিন্তু ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশ বিশ্বে একলা হয়ে যায়। ড. ইউনূস দায়িত্ব নিয়ে বলেছিলেন, বিশ্ব আমাদের কাছে আসবে। কিন্তু বাস্তবে বিশ্ব আমাদের কাছে আসেনি। বিশ্বে বাংলাদেশ একটি অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ক্ষমতা নেওয়ার শুরুতে মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হলেও, বাস্তবে তার করা কোনো গোল আমরা উদ্‌যাপন করতে পারিনি। পাকিস্তান ছাড়া আর কোনো দেশের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক সাফল্য নেই।  ড. ইউনূস বলেছিলেন, রোহিঙ্গারা রোজার ঈদ করবেন মিয়ানমারে, কার্যত সেটা হয়নি। উল্টো এর মধ্যে অন্তত লাখ দুয়েক রোহিঙ্গা নতুন করে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। ৭০ হাজার সৌদি প্রবাসী রোহিঙ্গা বাংলাদেশের পাসপোর্ট পাচ্ছে। আরাকান আর্মির গুলিতে আমাদের এক মেয়ের মাথার খুলি উড়ে গেছে।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকলেও আমদানি নির্ভরতা কমাতে পারেননি, বরং কথার কারণে সম্পর্কটাকে বিষিয়ে তুলেছেন। এই দেড় বছরে একটা দেশেরও ভিসা সেন্টার দিল্লি থেকে ঢাকায় সরিয়ে আনতে পারেননি, ফলে বিদেশে পড়তে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বেড়েছে। যেসব দেশে ভিসা ছাড়া বাংলাদেশের নাগরিকরা প্রবেশ করতে পারত, সেই সব দেশের অধিকাংশই ভিসা ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে, বাকি অধিকাংশ দেশ ভিসা দেওয়ার হার কমিয়েছে। আমেরিকা তো রীতিমতো ভিসার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বাংলাদেশের পাসপোর্টের মান কমে ইয়েমেন, আফগানিস্তান বা ফিলিস্তিন লেভেলে নেমে গেছে। দেড় বছরে ১৪ বার এবং প্রথম ১২ মাসে ১১ বার বিদেশসফর করলেও ‘ইউনূস ম্যাজিক’ কার্যত ফেইল করেছে।

ইউনূস শাসনামলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক ছিল, প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি। বাংলাদেশে দুই প্রতিবেশী ভারত এবং মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের তিক্ততা বাড়তেই থাকে। পাঁচ আগস্টের পর ইউনূস এবং তার পরিষদরা সস্তা জনপ্রিয়তার আশায় নানারকম ভারত বিরোধী কথাবার্তা বলে দুই দেশের সম্পর্কের তিক্ততার সৃষ্টি করেন। তৎকালীন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, ২৬ লাখ ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে অবৈধভাবে কাজ করছে। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায়, তার বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এটা শেষ পর্যন্ত কৌতুকে পরিণত হয়।

পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছিলেন, ভারতের সঙ্গে সব ধরনের অসম চুক্তি বাতিল করা হবে। কিন্তু দেড় বছরে ভারতের সাথে একটি চুক্তিও বাতিল করা হয়নি। জ্বালানি উপদেষ্টা আদানির চুক্তি বাতিলের কথা বললেও পরে এনিয়ে টু শব্দটি করেননি। গতবছরের ২৬ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত চারদিনের চীন সফর করেন অধ্যাপক ইউনূস। ২৮ মার্চ বেইজিংয়ের ‘দ্য প্রেসিডেন্সিয়াল’-এ চীনা ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে এক সংলাপে ড. ইউনূস বলেন, ‘নেপাল ও ভুটান স্থলবেষ্টিত দেশ, যাদের কোনো সমুদ্র নেই। ভারতের সাতটি উত্তরপূর্ব রাজ্যও স্থলবেষ্টিত। আমরাই এই অঞ্চলের জন্য সমুদ্রের একমাত্র অভিভাবক।’ সেভেন সিস্টার্স (উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্য) নিয়ে করা তার মন্তব্যে ভারতের বিভিন্ন মহলে তোলপাড় শুরু হয়। তাদের কেউ ওই মন্তব্যকে বলেছেন ‘আক্রমণাত্মক’, কেউ বলেছেন ‘বিপজ্জনক’, কেউ কেউ ‘বিস্ময়’ ও ‘হতাশা’ প্রকাশ করেছেন। একটি দেশের সরকারপ্রধানের এধরনের মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা হয়। এসব দায়িত্বহীন কথাবার্তার ফলে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটে দ্রুত।

এরফলে বাংলাদেশের পণ‍্যের জন্য বন্দর ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত। এতে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হন। ৫ আগস্টের পর থেকেই ভারতের ভিসা কার্যত বন্ধ। মেডিক্যাল ভিসা চালু থাকলেও তা সহজলভ্য নয়। এই সময়ে সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ড. ইউনূস ও তার ঘনিষ্ঠরা দেড় বছরে থেমে থেমে ভারত বিরোধী বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

বাংলাদেশের ভেতরে ভারত বিরোধী প্রচারণা ছিল ইউনূস সরকারের পুরো শাসনামলে। গত বছরের ডিসেম্বরে এই সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। দুবার করে পরস্পরের কূটনীতিককে তলব করে বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানায়। গত ২৩ ডিসেম্বর একই দিনে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে এবং দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই দিনে দুই দেশের দূতকে পাল্টাপাল্টি তলবের ঘটনা বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম। ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড ঘিরে এই সম্পর্কের অবনতির পেছনে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র ছিল বলে অনেকে মনে করেন। হাদির হত্যার ঘটনায় সম্প্রতি চিফ হুইপ এবং এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ডিপ স্টেটের ভূমিকা ছিল বলে দাবি করেছেন।

ভারতের সাথে সম্পর্কের তিক্ততা এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, ভারতের অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করেনি। এরফলে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বাংলাদেশের ক্রিকেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অর্থাৎ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অবনতিতে বাংলাদেশের কোন লাভ হয়নি বরং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বিশ্ব দরবারে।ভারত সুস্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেয়, তারা বাংলাদেশে একটি নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায়।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর প্রথম সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর বাংলাদেশে ঝটিকা সফরে এসে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বেগম জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমানকে সমবেদনা জানান। এরপর ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিরালা তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া মাত্র কয়েকদিনে বিভিন্ন উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে একাধিক শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান। শুধু তাই নয়, তিনি তারেক রহমানকে তার সুবিধামতো সময়ে ভারত সফরেরও আহ্বান জানান।

গত ২০ মার্চ ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শংকর এবং শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পিজুস গয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। উল্লেখ করা যেতে পারে, গত বছরের এপ্রিলের পর বাংলাদেশি হাইকমিশনারের কোনো উচ্চপর্যায়ের ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এটিই প্রথম সাক্ষাৎ। এ বৈঠক সম্পর্কে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শংকর তার এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) বলেন, ‘আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ওপরেই আমাদের আলোচনার মূল ফোকাস ছিল।’ 

পক্ষান্তরে রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, উভয় দেশের পারস্পরিক কল্যাণের জন্য বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। তিনি এবং পিজুস গয়াল দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা গভীরতর করা, বাংলাদেশ-ভারত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়া এবং অন্যান্য বাণিজ্য-সম্পর্কিত বিষয়ে কথা বলেন। গত ১ থেকে ৩ মার্চ বাংলাদেশের সেনা গোয়েন্দা সংস্থার (ডিজিএফআই) প্রধান মেজর জেনারেল কায়সার রশীদ ভারত সফর করেন। 

এরকম একটি সম্পর্ক পুনঃগঠন প্রক্রিয়ার মধ্যেই পররাষ্ট্র মন্ত্রীর ভারত সফর।খলিলুর রহমান বুধবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও দেখা হবে অজিত দোভাল, পীযূষ গোয়েল ও হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের দিল্লি সফরটি হতে যাচ্ছে টেকসই রাজনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্র তৈরির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই সফরের মধ্য দিয়ে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে দিল্লির অবস্থান বুঝতে চাইবে ঢাকা। তেমনি দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্কের বিষয়ে বাংলাদেশের ভাবনা সম্পর্কে ভারতকে বার্তা দেওয়া হবে।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্র অনুযায়ী, ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিল্লি সফরে ভারতের অবস্থান বাংলাদেশ জানতে ও বুঝতে চাইবে। পাশাপাশি শুধু বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই নয়, দীর্ঘ মেয়াদে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে সম্পর্কটা এগিয়ে নিতে দুই দেশ যেন সচেষ্ট থাকে, সেই বার্তাও দেবে বাংলাদেশ।

ইরান যুদ্ধের পর বাংলাদেশের জন্য ভারতের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে মৈত্রী পাইপলাইন দিয়ে ভারত থেকে জ্বালানি তেল আমদানি শুরু হয়েছে। সামনে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ভারত, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সমঝোতা জরুরি। আমরা অবশ্যই ভারতের অনুগত রাষ্ট্র হতে চাই না। আমরা চাই সমমর্যাদার ভিত্তিতে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তিক্ততা সৃষ্টি করে এখন বিশ্বে কোন সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সমস্যা নিরসনে দরকার বন্ধুত্ব, আলাপ আলোচনা। আশার কথা, নবনির্বাচিত বিএনপি সরকার সেই পথেই এগোচ্ছে।

অদিতি করিম : লেখক ও নাট্যকার
ই-মেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
সর্বশেষ খবর
বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়
বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’
ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!
২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আদা চায়ের উপকারিতা জেনে নিন
আদা চায়ের উপকারিতা জেনে নিন

২০ মিনিট আগে | জীবন ধারা

৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৭ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৭ মে)

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা
আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু
বাঞ্ছারামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হঠাৎ কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি, আবহাওয়া অফিসের জরুরি বার্তা
হঠাৎ কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি, আবহাওয়া অফিসের জরুরি বার্তা

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ
ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু
রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ
যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা
ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক
অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া
ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান
ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়
ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী
বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার
ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক
পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’
জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার
হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি
হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?
ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার
১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের
ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’
স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই
সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা
যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল
বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা
এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’
‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে
পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?
সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী
চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন
বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ
‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?
দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত
জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?
বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান
আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর
আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত
হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?
বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট
বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

অনুমতির আশায় ইরানের দুয়ারে ইউরোপীয় দেশগুলো?
অনুমতির আশায় ইরানের দুয়ারে ইউরোপীয় দেশগুলো?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস
জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প
স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের

পেছনের পৃষ্ঠা

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ
উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত
জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত

পেছনের পৃষ্ঠা

মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট

প্রথম পৃষ্ঠা

চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক
এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক

মাঠে ময়দানে

ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার
ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে
প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা
ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা

শোবিজ

পায়েলের যত অভিযোগ
পায়েলের যত অভিযোগ

শোবিজ

প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’
প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’

মাঠে ময়দানে

এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের
এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের

মাঠে ময়দানে

শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি
শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

মাঠে ময়দানে

মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

মাঠে ময়দানে

কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি

নগর জীবন

শাকিবের বিশেষ বার্তা
শাকিবের বিশেষ বার্তা

শোবিজ

সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি
সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

তাদের ‘না বলা গল্প’
তাদের ‘না বলা গল্প’

শোবিজ

টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল
টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল

মাঠে ময়দানে

তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা
তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা

শোবিজ

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রথম পৃষ্ঠা

হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার
হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন
বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন

নগর জীবন

গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা