শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:০৩, বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২৬

বর্তমান বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে সম্ভাব্য কার্যকর মডেল

প্লুরাল পুলিশিং

বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন ভাবনার ইঙ্গিত
ড. এম. এ. সোবহান পিপিএম।
অনলাইন ভার্সন
প্লুরাল পুলিশিং

প্লুরাল পুলিশিং মডেল হলো প্রচলিত রাষ্ট্রীয় পুলিশিং ব্যবস্থা থেকে ভিন্নতর এক পুলিশিং ব্যবস্থা। যেখানে অনেক বৈচিত্র্যময়তা থাকে অর্থাৎ সকল অংশীজনকে সংগে নিয়ে পুলিশিং করা হয়ে থাকে। অন্যকথায় প্লুরাল পুলিশিং বলতে ঐ সমস্ত সরকারী বা বেসকারী প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, এজেন্সি, কমিউনিটি, ছাত্র, ব্যক্তি ও ব্যক্তিবর্গ যারা আইন শৃংখলা, নিরাপত্তা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত এবং উপরুন্তু যারা পুলিশিং এর সংগে যুক্ত হতে চাই ও পুলিশকে সহায়তা করতে চাই; রাষ্ট্রীয় পুলিশ এক্ষেত্রে সকল অংশীজনের সংগে যোগাযোগ, মিথস্ত্রিয়া ও সমন্বয় সাধন করে থাকে। এরুপ সকল অংশীজনকে সংগে নিয়ে একত্রে পুলিশিং করাকে প্লুরাল পুলিশিং বলে। 

প্লুরাল পুলিশিং এর পরিধি বৃদ্ধি ও এর কার্যাবলী-

বাংলাদেশে যেহেতু পুলিশ ও জনগণের অনুপাত অনেক কম এবং দেশের মানুষ কিছুটা আন্দোলনময়ী। সেজন্য রাষ্ট্রের অন্যান্য সরকারী, বেসরকারী সংস্থা ব্যক্তি ও গোষ্ঠীকে পুলিশের কাজে অর্ন্তভুক্ত করা প্রয়োজন। নিম্নে প্লুরাল পুলিশিং এর ব্যাপ্তির বৃদ্ধি ও কার্যাবলী বর্ণিত হলো।

আন্ত:সংস্থা সহযোগিতা ও রাষ্ট্রীয় পুলিশিং এর পরিধি বৃদ্ধি-

১) ট্রান্স পোর্ট পুলিশ- যেমন রেলওয়ে পুলিশ, মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং নৌ পুলিশের এর বিশেষায়িত বিশেষ কর্মকর্তা। ২) পরিবেশগত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা: যারা কোন স্থানের বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ জনিত অপরাধ ও বিশৃংখলা মোকাবেলা করে থাকেন। ৩) সহযোগিতামূলক মাল্টি-এজেন্সি হাব: যেখানে পুলিশ, সামাজিক সেবা, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্য একে অপরের সংগে শেয়ার করে থাকে। ৪) কমিউনিটি পুলিশিং: কমিউনিটি পুলিশিং এর সদস্য অর্থাৎ কমিউনিটি সদস্যদের সমস্যা সমাধান, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও অপরাধ নিবারণে সক্রিয় অংশগ্রহণ করাতে হবে। ৫) ভিলেজ ডিফেন্স পার্টি : অপরাধ প্রবণ এলাকায় ভিলেজ ডিফেন্স পার্টি গঠন করা যেতে পারে। 

বাণিজ্যিক প্রাইভেট সিকিউরিটি-

১) করপোরেট অফিস, শপিং মল, মার্কেট, ব্যবসা-বাণিজ্যের স্থান সমূহ, আবাসিক কমপ্লেক্স প্রভূতি স্থানের নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসাবে প্রাইভেট সিকিউরিটি নিয়োগ দেয়া হয়। ২) শিল্পের ভিতরের ও বাহিরের এলাকা সমূহের নিরাপত্তা রক্ষার্থে প্রাইভেট সিকিউরিটির সদস্যবৃন্দ মোবাইল টহল দিয়ে থাকেন। ৩) প্রাইভেট সিকিউরিটির সদস্যরা কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ চুরি, প্রতারণা এবং ইনটেলুকচুয়াল প্রোপার্টি চুরি তদন্ত করে থাকে। ৪) সিসিটিভি পরিচালনা, বায়োমেট্রিক এ্যাকসেস পরিচালনা এবং সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় প্রাইভেট সিকিউরিটির সদস্যরা নিয়োজিত থাকেন। ৫) প্রাইভেট সিকিউরিটির সদস্যরা ক্রীড়ার ইভেন্ট, উৎসবের জনতা ব্যবস্থাপনা প্রভূতি কার্য সম্পাদন করে থাকেন।

ও কমিউনিটি বেইজড পুলিশিং-

১) কমিউনিটিতে সংগঠিত অপরাধ প্রতিরোধ এবং নজরদারীর কাজ। ২) নাগরিকেরা কখনও কখনও সংগঠিত আবার কখনও অসংগঠিত গ্রæপ বা দল হিসাবে কমিউনিটি ও তার চারি পাশে টহল দিয়ে থাকে। ৩) ব্যবসায়িদের অর্থায়নে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে বা স্থানে সম্পূরক নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করা হয়ে থাকে। ৪) পুলিশের মধ্যস্থতায় নিকটআত্মীয় এবং বন্ধুবান্ধবদের উপস্থিতিতে অপরাধী ও ভিকটিমের মধ্যে বিরোধ, বিবাদ বা সমস্যা সমূহ নিস্পত্তি হয়ে থাকে। যেমন- ফ্যামিলি কনফারিন্সিং।

বিশেষায়িত পুলিশ ও হাইব্রিড পুলিশিং-

১) শপিংমল, বিশ্ববিদ্যালয়, বন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর এর মতো স্থানগুলোতে পুলিশ ও জনতা যৌথ উদ্যোগে কাজ করে থাকে। ২) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন- বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নিযুক্ত পুলিশ বা নিরাপত্তা কর্মকর্তা। ৩) প্রাকৃতিক স্থানে নিয়মকানুন প্রয়োগ এবং নিরাপত্তা প্রদান কল্পে পার্ক রেঞ্জার্স এবং গ্রামাঞ্চলে ওয়ার্ডেন নিয়োগ করা।

অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সংস্থা দ্বারা পুলিশিং-

১) ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট হিসাবে সীমান্ত টহল ও অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা।
২) কর ও শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জালিয়াতি, চোরাচালান এবং আর্থিক অপরাধ তদন্ত।

বাংলাদেশে প্লুরাল পুলিশিং এর গুরুত্ব-

বাংলাদেশ ঘন বসতিপূর্ণ এক দেশ এবং এখানে প্রাকৃতিক সম্পদের অপ্রতুলতা রয়েছে। বর্তমানে দিন দিন মানুষ অনেকটা অসহিষ্ণু হয়ে যাচ্ছে এবং এখানে অনেক জটিল নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। সেজন্য রাষ্ট্রীয় পুলিশের একার পক্ষে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আবেগপ্রবণ জনতা ব্যবস্থাপনা, আইন শৃংখলা রক্ষা ও জন মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কষ্ঠকর। 

প্লুরাল পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো নিম্নে বর্ণনা করা হলো-

ক) রাষ্ট্রীয় পুলিশের সংখ্যার ঘাটতি ও তা পূরণ করা

১) বাংলাদেশে সারা পৃথিবীর মধ্যে সর্বনিন্ম পুলিশ নাগরিক অনুপাত রয়েছে। অর্থাৎ পুলিশ নাগরিক অনুপাত প্রায় ১:১১০০। এরুপ নিন্ম পুলিশ জনগণ অনুপাত নিয়ে রাষ্ট্রীয় পুলিশের পক্ষে একা কার্যকরভাবে সর্বত্র আইন শৃংখলা রক্ষা করা কিছুটা কষ্ঠকর। 
২) গ্রাম পুলিশ: গ্রাম পুলিশ বিশেষ করে চৌকিদার ও দফাদারদেরকে সক্রিয় করা যায়। তাদের কাছ থেকে অনেক মূল্যবান ও সঠিক তথ্য পাওয়া যায়।
৩) ভিলেজ ডিফেন্স পার্টি গঠন করে ১৮ থেকে ৫০ পর্যন্ত ব্যক্তিদের হাতে বাঁশি ও লাঠি দিয়ে অপরাধ প্রবণ এলাকা বা হটস স্পট পাহারা দেওয়া যায় (আলী, ২০১৭)।

খ) অন্যান্য সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ

১) আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে।
২) সাংবদিকেরা অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করতে পারে। তাদেরকেও কাজে খাটানো যেতে পারে।
৩) উন্নয়নকর্মী বা ঘএঙ কর্মীদের অনেক প্রোগ্রাম তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত। তাই তারা তৃণমূল থেকে অনেক তথ্য পেতে পারে ও পুলিশকে দিতে পারে। যা আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা আনয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে। 

গ) নগরায়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নিরাপত্তা প্রদান

১) বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম সহ অন্যান্য বড় বড় নগরীতে দ্রুত নগরায়ণ হয়েছে। ফলশ্রæতিতে কর্পোরেট অফিস, শপিংমল, আবাসিক কমপ্লেক্স, গার্মের্টস ফ্যাক্টরী ও কারখানাগুলিতে প্রাইভেট সিকিউরিটির ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে (রহমান, ২০১৮)। তাদের সংগে যোগাযোগ রক্ষা করে ও সমন্বয় করে তাদের নিয়োজিত এলাকার আইন-শৃংখলার টেকসই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

২) প্রাইভেট সিকিউরিটি কোম্পানীগুলি আবাসিক কমপ্লেক্স, রেডিমেট গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী, শপিংমল, কর্পোরেট অফিস ও কারখানাগুলিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সিকিউরিটি সদস্য নিয়োগ করে। যারা গেটে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ, ২৪ ঘন্টা টহল এবং সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের সম্পদের প্ররক্ষা দিয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সহায়তা করে থাকে (রহমান, ২০১৮)। সুতরাং রাষ্ট্রীয় পুলিশ প্রাইভেট সিকিউরিটি সদস্যদেরকে সঠিকভাবে কাজে খাঁটাতে পারে। 

ঘ) কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং তাদের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা

১) গ্রাম-গঞ্জে বয়স্করা সালিশ করেন এবং প্রায়ই ছোটখাট বিরোধ, পারিবারিক দ্বন্দ, গোষ্ঠীদ্বন্দ এবং ছোট ছোট জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয়গুলি সমাধান করেন। যেগুলি পুলিশ ও কোর্টের অতিরিক্ত বোঝা কমাইয়া দেয়। পুলিশ এ জাতীয় বিকল্প সমস্যা সমাধানের প্রয়াসকে উৎসাহিত করতে পারে।
২) স্কুলগুলিতে পুলিশ কিশোর ক্লাব গঠন করে পুলিশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অপরাধ নিবারণে সহযোগিতা করতে পারে (সিদ্দিক, ২০১৭)। 

ঙ) বিশেষায়িত পুলিশ এবং নিদৃষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের জন্য পুলিশিং

১) বাংলাদেশে শিল্প পুলিশ: এ বিশেষায়িত পুলিশ সাধারণত রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড), রেডিমেন্ট গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী ও শিল্প-কলকারখানায় নিয়োজিত থাকে। শিল্প পুলিশ আলোচনা, প্রেষণা ও শ্রমিক-মালিক দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্ততা ও সমঝোতা করে কাজ করে থাকে। তারা শ্রমিক অস্থিরতা নিবারণ, শিল্প প্রতিষ্ঠানে শৃংখলা বজায় রাখা এবং অর্থনৈতিক সম্পদ প্ররক্ষার নিমিত্তে কাজ করে থাকে (বার্ষিক রিপোর্ট; শিল্প পুলিশ, বাংলাদেশ)। শিল্প পুলিশকে আরও বেশি প্রশিক্ষণ দিয়ে ও আরও বেশি জনবল বাড়িয়ে গার্মেন্টস ও ফ্যাক্টরীতে কাজে লাগানো যায়। 

২) বিশ্ববিদ্যালয় সিকিউরিটি: বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়েরই নিজস্ব সিকিউরিটি ব্যবস্থা আছে। যারা শৃংখলা বজায় রাখা, টহল দেয়া এবং মানুষকে তল্লাশী করে থাকে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐ সকল সিকিউরিটি সদস্যরা সংকটের সময়ে পুলিশকে সহায়তা করে থাকে। তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে এবং যোগাযোগ ও সমন্বয় সাধন করে আরও ভালো পুলিশিং করা যায়।

চ) সন্ত্রাসবাদ দমন ও ইনটিলিজেন্স সংগ্রহ 

বাংলাদেশ পুলিশের এন্টিটেরিজম ইউনিট ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট তথ্যের জন্য কমিউনিটি সদস্য, বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইনটিলিজেন্স ইউনিট (ইঋওট) এবং টেলিকম রেগুলেটরের সহযোগিতার উপর নির্ভরশীল। পুলিশকে সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম ও হুমকী ট্র্যাক করার জন্য এ সকল নেটওয়ার্ক ও সংস্থার সহায়তা অপরিহার্য (ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ, ২০১৫)। 

প্লুরাল পুলিশিং-এ মূলত সমাজের সকল এজেন্সি এবং সকল স্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ও অংশগ্রহণে পুলিশিং করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বর্তমান অসহিষ্ণুতা, অপরাধ প্রবণতা, আইন না মানার সংস্কৃতি মানুষের নৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের প্রেক্ষিতে পুলিশকে সকল পক্ষ থেকে সহযোগিতা করতে হবে এবং বাংলাদেশ পুলিশকে সকলের সাথে মিথস্ক্রিয়া, যোগাযোগ, সমন্বয়, শেয়ারিং ও অংশগ্রহণ করে পুলিশিং করতে হবে। তাহলেই দেশের আইন শৃংখলার প্রত্যাশিত উন্নয়ন সাধিত হবে। 

লেখক : ডিআইজি, পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
সর্বশেষ খবর
আদা চায়ের উপকারিতা জেনে নিন
আদা চায়ের উপকারিতা জেনে নিন

২ মিনিট আগে | জীবন ধারা

৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৭ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৭ মে)

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা
আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু
বাঞ্ছারামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হঠাৎ কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি, আবহাওয়া অফিসের জরুরি বার্তা
হঠাৎ কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি, আবহাওয়া অফিসের জরুরি বার্তা

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ
ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু
রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ
যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা
ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক
অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া
ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান
ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়
ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী
বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার
ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক
পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’
জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার
হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি
হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?
ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার
১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের
ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার
অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা

৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রতিবাদ করায় ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হওয়ার আশঙ্কা মার্ক রাফালোর
প্রতিবাদ করায় ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হওয়ার আশঙ্কা মার্ক রাফালোর

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিদ্ধিরগঞ্জে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
সিদ্ধিরগঞ্জে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’
স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই
সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা
যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল
বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা
এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’
‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে
পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?
সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী
চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ
‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন
বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?
দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত
জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?
বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান
আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর
আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?
বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত
হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট
বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প
স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের

পেছনের পৃষ্ঠা

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ
উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত
জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত

পেছনের পৃষ্ঠা

মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট

প্রথম পৃষ্ঠা

চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক
এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক

মাঠে ময়দানে

ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার
ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা
ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা

শোবিজ

পায়েলের যত অভিযোগ
পায়েলের যত অভিযোগ

শোবিজ

এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের
এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের

মাঠে ময়দানে

প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’
প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’

মাঠে ময়দানে

প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে
প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি
শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

মাঠে ময়দানে

মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

মাঠে ময়দানে

সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি
সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

শাকিবের বিশেষ বার্তা
শাকিবের বিশেষ বার্তা

শোবিজ

কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি

নগর জীবন

তাদের ‘না বলা গল্প’
তাদের ‘না বলা গল্প’

শোবিজ

টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল
টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল

মাঠে ময়দানে

তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা
তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা

শোবিজ

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রথম পৃষ্ঠা

হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার
হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন
বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন

নগর জীবন

গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা