শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:২৭, বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:৪৮, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২৬

সৌর বিদ্যুৎ: সম্ভাবনা, বাস্তবতা এবং সুপারিশ

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
সৌর বিদ্যুৎ: সম্ভাবনা, বাস্তবতা এবং সুপারিশ

অভাবে-অনটনে না পড়া পর্যন্ত উৎরানোর চিন্তা অনেক সময়ই জাগ্রত হয় না। আসে না বিকল্প ভাবনা। সামনে বিদ্যুৎ খাতে বড় রকমের ঝুঁকি আঁচ করে সব মহলেই এখন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা আর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের টানাপোড়েন এক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ ঘাটতি, ব্যয় বৃদ্ধি এবং নগরজীবনের চাপ যখন ক্রমেই তীব্র হচ্ছে তখন সময় ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি সাশ্রয় এবং নবায়নযোগ্য শক্তির কথা সামনে আসছে। 

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, বিশ্ববাজারে এলএনজি ও তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জটিলতা জনজীবনে লোডশেডিংসহ নানা যন্ত্রণা অনেকটাই নিশ্চিত। শোনা যাচ্ছে দেশে গ্যাস সরবরাহ প্রতিশ্রুতির চেয়ে কম হওয়ায় দৈনিক লোডশেডিং ৫০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে। বেসরকারি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বিল বকেয়া পড়ে আছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবির ভরসা কয়লাভিত্তিক বড় কেন্দ্রগুলোর দিকে। যেগুলোর বর্তমান উৎপাদন সক্ষমতা ৭ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটের বেশি। কয়লা ও গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে অন্তত ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত সম্ভব হলে সম্ভাব্য এ  লোডশেডিং কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে, কিন্তু উৎপাদন সেই তুলনায় যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি বড় সমস্যা। দেশে বর্তমানে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৭ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটের বেশি। মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় এক-চতুর্থাংশই আসছে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে। বিদ্যুতের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে এসব কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও এর বড় অংশই আমদানি করা কয়লার ওপর নির্ভরশীল। 

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে এক হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার পটুয়াখালীর পায়রা, বাগেরহাটের রামপাল, চট্টগ্রামের বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার, কক্সবাজারের মাতারবাড়ী। এ ছাড়া রয়েছে বরগুনায় স্থাপিত ৩০৭ মেগাওয়াটর বরিশাল পাওয়ার আর ৫২৫ মেগাওয়াটের দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র। পটুয়াখালীর নোরিনকোর ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের একটি কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। ভারতের আদানির কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে পাওয়া যায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এগুলো একেবারেই সম্ভাব্য হিসাব। বাস্তবটা আরো কঠিন হতে পারে। এ কঠিনকে অতিক্রম করতে বিকল্প ভাবনা নেয়া হয়েছে বেশ ক’বার। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রাকৃতিক গ্যাস ও কয়লার ওপর নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎকে মূল কৌশল হিসেবে নেয়া হয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালার আওতায় সৌর বিদ্যুৎকে উৎসাহিত করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রণোদনাও দেয়া হয়েছে। সাড়া জাগলেও ফলাফল কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে আসেনি। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এবং পরিবেশগত টেকসই উন্নয়নের জন্য সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার অপরিহার্য। তবে, এর জন্য প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং জমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।  

এসব ভাবনায় রেখেই ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ২০% নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত ছিল । ২০৪১ সালের মধ্যে ২০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের রোডম্যাপও করা হয়েছিল। বাংলাদেশে দৈনিক গড়ে ৬-৮ ঘণ্টা সূর্যালোক থাকে এবং প্রতি বর্গমিটারে ৪.৫-৫.৫ কিলোওয়াট ঘণ্টা শক্তি পাওয়া যায়, যা সৌরবিদ্যুতের জন্য আদর্শ । তা পরিবেশের জন্য সুরক্ষামূলক।  ১ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ বছরে ১,৫০০ টন কার্বন নিঃসরণ রোধ করতে সক্ষম। এখানে কর্মসংস্থানও প্রাসঙ্গিক। প্রতি ১ মেগাওয়াট সৌর প্রকল্পে গড়ে ৫৫ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির কথাও জানানো হয়েছিল। এর বিপরীতে কিছু চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। জমির স্বল্পতা, উচ্চ প্রারম্ভিক খরচ এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এর দ্রুত প্রসারে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য বিশাল জমির প্রয়োজন, যা ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে একটি বড় বাধা। এখানে ছাদ ও অব্যবহৃত জমি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। 

এখানে সারা বছর প্রচুর পরিমাণে সূর্যালোক পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে বছরে ৩০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে যথেষ্ট রোদ থাকে, যা সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত অনুকূল। ইউরোপ ও আমেরিকার অনেক দেশেও এত বেশি রোদ থাকে না। কিছু কিছু দেশ তাদের বাস্তবতার আলোকে সাধ্য মতো এর সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ-পরবর্তী বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে পাকিস্তান দ্রুত সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকে আমদানি ব্যয় কমাতে সক্ষম হলেও বাংলাদেশ একই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে তীব্র জ্বালানি সংকটে পড়ে পাকিস্তান। গ্যাস ঘাটতি ও তাপপ্রবাহে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের মুখে দেশটি বিকল্প হিসেবে সৌরবিদ্যুতের ওপর জোর দেয়। বৈশ্বিক বাজারে সৌর প্যানেলের দাম কমে যাওয়া এবং সরকারি প্রণোদনার ফলে দ্রুত ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের বিস্তার ঘটে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান তাদের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সমপরিমাণ সৌর সক্ষমতা গড়ে তোলে। এতে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমে এবং গ্যাস ও এলএনজির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি আমদানি এড়াতে সক্ষম হয়েছে দেশটি। বর্তমানে পাকিস্তানে এলএনজির ব্যবহার মোট বিদ্যুতের প্রায় ২০ শতাংশে নেমে এসেছে এবং তা মূলত রাতের সময় সীমাবদ্ধ। 

অন্যদিকে বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে নবায়নযোগ্য জ্বালানির কথা বলা হলেও বাস্তব অগ্রগতি সীমিত। বর্তমানে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসে, যার মধ্যে সৌরবিদ্যুতের অংশ ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। বিদ্যুৎ উৎপাদনে এখনো গ্যাস, কয়লা ও তেলের ওপরই প্রধান নির্ভরতা রয়ে গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করায় বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও ঝুঁকিতে পড়ায় সৌর বিদ্যুৎ তাই আবারো আলোচনায়। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান সৌর শক্তির জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক। দেশটি ২০ থেকে ২৫° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থান করছে, যার মানে হলো দেশে বছরে প্রায় ৫ ঘন্টা দৈনিক গড় সূর্যালোক পাওয়া যায়। দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে এ সময় আরো বেশি। এই অব্যাহত সূর্যালোক দেশকে বড় মাপের সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রাকৃতিক সুবিধা দেয়। তথ্য বলছে, বাংলাদেশ প্রতি বছর ১২ বিলিয়ন ডলারের বেশি জ্বালানি আমদানি করে। এর বড় অংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে দৈনিক প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদার বিপরীতে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদন মাত্র ৮০০ মেগাওয়াটের কিছু বেশি। সময়মতো পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে দিনের বড় অংশের বিদ্যুৎ চাহিদা সৌরশক্তি থেকে পূরণ করা সম্ভব ছিল। ২০২১ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও তা অর্জন সম্ভব হয়নি। 

যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে অনেক দেশ নবায়নযোগ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ালেও বাংলাদেশে সে ধরনের উদ্যোগ দেখা যায়নি। শিল্প খাতে এরইমধ্যে ৫০০ মেগাওয়াটের বেশি ছাদভিত্তিক সৌর প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে এবং আরও ৪০০-৬০০ মেগাওয়াট প্রকল্প পাইপলাইনে রয়েছে।  এসব সম্ভাবনা সামনে রেখে উদ্যোগ নেয়া হলেও তা সাফল্য পায়নি। বড় বড় সৌর প্রকল্প যেমন মিরসরাই, পায়রা বা রাজশাহী অঞ্চলে কিছুই সম্পূর্ণ কার্যকর হয়নি। শুল্ক ও নীতিগত সহায়তা বাড়ানো গেলে এ খাতে দ্রুত অগ্রগতি আসবে। শিল্পকারখানার ছাদ ও জলাশয়ে সৌর অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারলে ১০ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। 

সৌর সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক-ভ্যাট কমানো, স্থিতিশীল নীতি ও কার্যকর মনিটরিং নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশও দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে অগ্রগতি অর্জন করতে পারবে। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা ও খরচের প্রেক্ষাপটে সৌর বিদ্যুৎ বা সোলার এনার্জি দেশের জন্য একটি “গেম চেঞ্জার” হতে পারে। অর্থনৈতিক দিক থেকেও সৌর বিদ্যুৎ বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময়। প্রযুক্তির দাম কমানো এবং ব্যাটারি স্টোরেজের উন্নতির ফলে বড় স্কেলের সৌর ফার্ম স্থাপনের খরচ এখন আগের তুলনায় অনেক কম। এছাড়া, সৌর খাতের বিনিয়োগ নতুন চাকরি সৃষ্টি করতে পারে- ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনস্টলেশন, রক্ষণাবেক্ষণ ও উৎপাদন সংক্রান্ত ক্ষেত্রগুলোতে। এতো সম্ভাবনার সমান্তরালে বাধাগুলো দূর করা জরুরি। সেইক্ষেত্রে সৌর শক্তিকে শুধু  “ফ্যাশনেবল” বিকল্প হিসেবে না দেখে ভাবতে হবে টেকসই ভিত্তি হিসেবে। 

লেখক: সাংবাইদক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন   

এই বিভাগের আরও খবর
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
সর্বশেষ খবর
আমিরাতের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা
আমিরাতের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাইকি-অ্যাডিডাসকে টেক্কা দিচ্ছে চীনা ব্র্যান্ড ‘অ্যানটা’
নাইকি-অ্যাডিডাসকে টেক্কা দিচ্ছে চীনা ব্র্যান্ড ‘অ্যানটা’

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীতি ১২ হাজার ইয়াবাসহ দম্পতি গ্রেফতার
রাজধানীতি ১২ হাজার ইয়াবাসহ দম্পতি গ্রেফতার

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

যুদ্ধে যা পায়নি, আলোচনায় তা চাইছে যুক্তরাষ্ট্র
যুদ্ধে যা পায়নি, আলোচনায় তা চাইছে যুক্তরাষ্ট্র

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষিজমি থেকে অবৈধ মাটি কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
কৃষিজমি থেকে অবৈধ মাটি কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রিয়ালে ফেরার গুঞ্জনে মুখ খুললেন মোরিনহো
রিয়ালে ফেরার গুঞ্জনে মুখ খুললেন মোরিনহো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেফারিকে মারধর, যৌথ চ্যাম্পিয়ন চবি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
রেফারিকে মারধর, যৌথ চ্যাম্পিয়ন চবি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কুবি রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পেলেন নুরুল করিম
কুবি রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পেলেন নুরুল করিম

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে
‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিবচরে চোরাই পিকআপসহ আটক ১
শিবচরে চোরাই পিকআপসহ আটক ১

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডুয়েটের ৮ম ভিসি হিসেবে যোগ দিলেন ড. মোহাম্মদ ইকবাল
ডুয়েটের ৮ম ভিসি হিসেবে যোগ দিলেন ড. মোহাম্মদ ইকবাল

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মন্দ কাজ হয়ে গেলে দ্রুত ভালো কাজ করা
মন্দ কাজ হয়ে গেলে দ্রুত ভালো কাজ করা

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

জাবিতে নারী শিক্ষার্থীকে উত্যক্তের অভিযোগ, আটক ৩
জাবিতে নারী শিক্ষার্থীকে উত্যক্তের অভিযোগ, আটক ৩

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক
সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মানিকগঞ্জে আর কেউ নদী ভাঙনের শিকার হবে না : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মানিকগঞ্জে আর কেউ নদী ভাঙনের শিকার হবে না : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মুন্সীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের হাতে গল্প, বিজ্ঞানের বই তুলে দিলেন ইউএনও
মুন্সীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের হাতে গল্প, বিজ্ঞানের বই তুলে দিলেন ইউএনও

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের নদীতে মিলল বাংলাদেশী যুবকের মরদেহ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের নদীতে মিলল বাংলাদেশী যুবকের মরদেহ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী পলাতক
সাতক্ষীরায় ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী পলাতক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে দুদকের মামলায় সাবেক সমবায় কর্মকর্তার কারাদণ্ড
রাজশাহীতে দুদকের মামলায় সাবেক সমবায় কর্মকর্তার কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নারায়ণগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে আটক ৩, মাদকের আস্তানায় আগুন
নারায়ণগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে আটক ৩, মাদকের আস্তানায় আগুন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাইডস্ট বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে আদালত, শিক্ষার্থীরা আসামি-আইনজীবী
বাইডস্ট বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে আদালত, শিক্ষার্থীরা আসামি-আইনজীবী

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

লাইসেন্সবিহীন ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা
লাইসেন্সবিহীন ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সৌদি লিগের বর্ষসেরার দৌড়ে রোনালদো
সৌদি লিগের বর্ষসেরার দৌড়ে রোনালদো

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনাকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি ও শ্রমিক সংকটে বিপাকে বুড়িচংয়ের কৃষক
অনাকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি ও শ্রমিক সংকটে বিপাকে বুড়িচংয়ের কৃষক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে ২৫ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
যাত্রাবাড়ীতে ২৫ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চিকিৎসকের ওপর হামলার প্রতিবাদে শরীয়তপুরে মানববন্ধন
চিকিৎসকের ওপর হামলার প্রতিবাদে শরীয়তপুরে মানববন্ধন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদাবাজি মামলায় কথিত যুবদল নেতা ফাহিম কারাগারে
চাঁদাবাজি মামলায় কথিত যুবদল নেতা ফাহিম কারাগারে

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুন্সীগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
মুন্সীগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪,৫০০ বছরের প্রাচীন বৃক্ষ যেন ইরানি সভ্যতার শক্তি : পেজেশকিয়ান
৪,৫০০ বছরের প্রাচীন বৃক্ষ যেন ইরানি সভ্যতার শক্তি : পেজেশকিয়ান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!
২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা
আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট
ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়
বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’
ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী
বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, জেনারেটরে আগুন
আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, জেনারেটরে আগুন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?
ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের প্লে-অফ: কোন দলের কী সমীকরণ?
আইপিএলের প্লে-অফ: কোন দলের কী সমীকরণ?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী
শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজের তলদেশে ‘নতুন শক্তির উৎসের’ দিকে নজর ইরানের!
হরমুজের তলদেশে ‘নতুন শক্তির উৎসের’ দিকে নজর ইরানের!

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ডুয়েটে সংঘর্ষ, শহীদ মিনার এলাকা রণক্ষেত্র
ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ডুয়েটে সংঘর্ষ, শহীদ মিনার এলাকা রণক্ষেত্র

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর
ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি
বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার
শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ না পড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা
ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ না পড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোটরসাইকেলে করের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার আহ্বান জামায়াত আমিরের
মোটরসাইকেলে করের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার আহ্বান জামায়াত আমিরের

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলে রেকর্ড গড়লেন বিরাট কোহলি
আইপিএলে রেকর্ড গড়লেন বিরাট কোহলি

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা ডেকেছে সোমবার
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা ডেকেছে সোমবার

১৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া
ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির
ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ফি নির্ধারণ কর‌ল মিসর
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ফি নির্ধারণ কর‌ল মিসর

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আদা চায়ের উপকারিতা জেনে নিন
আদা চায়ের উপকারিতা জেনে নিন

১৭ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এনবিআরের সামনে বাইকারদের মানববন্ধন
এনবিআরের সামনে বাইকারদের মানববন্ধন

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার
১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন করছেন না মাহাবুব-ইশতিয়াক
নির্বাচন করছেন না মাহাবুব-ইশতিয়াক

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ফ্রান্সই বিশ্বকাপের ভয়ংকরতম দল!
ফ্রান্সই বিশ্বকাপের ভয়ংকরতম দল!

মাঠে ময়দানে

‘বর্ডার ক্রস’ গরুতে শঙ্কায় খামারিরা
‘বর্ডার ক্রস’ গরুতে শঙ্কায় খামারিরা

নগর জীবন

ভিসির যোগদান নিয়ে ডুয়েট রণক্ষেত্র
ভিসির যোগদান নিয়ে ডুয়েট রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

১৬ মাসে ঢুকেছে দেড় লাখ রোহিঙ্গা
১৬ মাসে ঢুকেছে দেড় লাখ রোহিঙ্গা

পেছনের পৃষ্ঠা

দালাল দেয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস
দালাল দেয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুততম মানব ইমরানুর মানবী শিরিন
দ্রুততম মানব ইমরানুর মানবী শিরিন

মাঠে ময়দানে

ম্যানসিটিতে গার্ডিওলার ২০ ট্রফি
ম্যানসিটিতে গার্ডিওলার ২০ ট্রফি

মাঠে ময়দানে

নতুন লুকে তাসনিয়া ফারিণ
নতুন লুকে তাসনিয়া ফারিণ

শোবিজ

কনার ‘আমপাতা জোড়া জোড়া’
কনার ‘আমপাতা জোড়া জোড়া’

শোবিজ

রোনালদোকে কাঁদাল জাপানিরা
রোনালদোকে কাঁদাল জাপানিরা

মাঠে ময়দানে

রোমে সভিতোলিনার হ্যাটট্রিক শিরোপা
রোমে সভিতোলিনার হ্যাটট্রিক শিরোপা

মাঠে ময়দানে

নাহিদ রানার বাবর বধ
নাহিদ রানার বাবর বধ

মাঠে ময়দানে

ঈদে বিপ্লবের ‘তারপর’
ঈদে বিপ্লবের ‘তারপর’

শোবিজ

জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে
জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সাইবার সুরক্ষা আইনে অরক্ষিত জনগণ
সাইবার সুরক্ষা আইনে অরক্ষিত জনগণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আমের রাজ্যে লিচুর সম্ভাবনা
আমের রাজ্যে লিচুর সম্ভাবনা

পেছনের পৃষ্ঠা

রেকর্ড ঘাটতির ব্যয় বিলাসী বাজেট
রেকর্ড ঘাটতির ব্যয় বিলাসী বাজেট

পেছনের পৃষ্ঠা

সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তমা
সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তমা

শোবিজ

কিয়ারার ভাবনা
কিয়ারার ভাবনা

শোবিজ

চোরাইপথে ঢুকছে মসলা
চোরাইপথে ঢুকছে মসলা

নগর জীবন

নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়
নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়

সম্পাদকীয়

আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল ও পরিবর্তনের দাবি
আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল ও পরিবর্তনের দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতের দামে চাপে পড়বে নিম্ন মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দামে চাপে পড়বে নিম্ন মধ্যবিত্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্তিত্ব সংকটে বরিশাল নগরীর খাল
অস্তিত্ব সংকটে বরিশাল নগরীর খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

সি-ট্রাক থাকছে কুতুবদিয়ায়
সি-ট্রাক থাকছে কুতুবদিয়ায়

দেশগ্রাম