শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫৮, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি

ফাইজুস সালেহীন
অনলাইন ভার্সন
শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ আসলে কোনটি

২০২৩ সালের জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিএনপি রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের বৃহত্তম এই দলটি যে ইশতেহার প্রকাশ করে, তাতেও ৩১ দফার প্রতিফলন ছিল। সারা দেশে বিএনপির ৩১ দফা ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। দলীয় প্রধানসহ নেতারা সভা-সমাবেশে ৩১ দফার ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছিলেন। বিঘোষিত ৩১ দফায়; পর্যবেক্ষক মহল মনে করে, বাংলাদেশের সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিতরে জমে থাকা অচলায়তন সঠিকভাবেই শনাক্ত করা হয়েছিল। অচিরে বিএনপি ন্যায় ও গণতন্ত্রের পথে একটি উদার ও আপসহীন দল হিসেবে তার অবস্থান স্পষ্ট করতে সক্ষম হয়েছিল। সেই ৩১ দফার প্রথমেই বলা হয়, ‘প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে সব মত ও পথের সমন্বয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। এজন্য অব্যাহত আলোচনা, মতবিনিময় ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে ভবিষ্যৎমুখী এক নতুন ধারার সামাজিক চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে।’

ফ্ল্যাট-প্লট নিবন্ধন অন্যান্য দফায় সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কার, রিকনসিলিয়েশন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ন্যায়বিচার ইত্যাদি প্রশ্নে সুচিন্তিত দিগদর্শন তুলে ধরা হয়েছিল। সামগ্রিক বিচারে সেই দলিলে বাংলাদেশে বহুমত ও নানান ধর্মের সহাবস্থানের নিশ্চয়তা বিধানের মাধ্যমে একটি রেইন বো সোসাইটি গড়ে তোলার নিশানা দেওয়া হয়েছিল। আজকে বিএনপি যখন নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায়, তখন তারা বিঘোষিত নীতিতে কতটা অবিচল রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হবে এবং হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকার উল্টো পথে হাঁটতে চাইছে কি না, কারও কারও মনে সে সন্দেহেরও উদয় হতে শুরু করেছে। মনে রাখা দরকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাইরেও বিবিধ মতাদর্শের মানুষ বাংলাদেশে আছেন। পার্লামেন্টে তাদের কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই, হয়তো সংগত কারণেই। কিন্তু নীতিগতভাবে সরকার নিজে প্রতিনিধিত্বহীন সেই জনগোষ্ঠীরও প্রতিনিধিত্ব করে। কাজেই রেইন বো সোসাইটি চাইলে সেই জনগোষ্ঠীর কথাও ভাবতে হবে, মাথায় রাখতে হবে। এ বিষয়ে আজ এ পর্যন্তই। বারান্তরে আলোচনার ইচ্ছা থাকল।

দুই. সব দিক থেকে একটি আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গড়তে হলে দক্ষ, যোগ্য ও জ্ঞানমুখী সত্যিকারের শিক্ষিত জনসমাজ প্রয়োজন। এই প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, শিক্ষাকে বর্তমান সরকার শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ বিবেচনা করে। এই কথাটি বলেন তিনি গত বুধবার পার্লামেন্টে এক প্রশ্নের জবাবে। তিনি জানান, সরকার শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করবে। বর্তমানে এই বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশেরও কম। যদিও ১৯৭৩ সালের বাজেটের তুলনায় ভলিউম বেড়েছে কয়েক শ গুণ। এটা যখন ৫ শতাংশে উন্নীত হবে, তখন তা বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলে আশা করা যায়। প্রধানমন্ত্রী সংসদকে জানান, প্রাইমারি স্কুলের দুই লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে। এখনই দেশজুড়ে এই কার্যক্রম চালু করা সম্ভব না হলেও পর্যায়ক্রমে সব উপজেলাকে প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। আরও কিছু কর্মপরিকল্পনার কথা তিনি বলেন, যা শিক্ষা উন্নয়নে সরকারের সদিচ্ছার বার্তা বহন করে। বিনিয়োগ ও সদিচ্ছা তখনই সুফল বয়ে আনে যখন বাস্তবায়ন পর্যায়ে সবগুলো উপাদান ঠিকভাবে কাজ করে। সরকারি প্রাইমারি স্কুলে ছেলেমেয়েদের বিনা পয়সায় ইউনিফর্ম দেওয়া হলে স্কুলগুলোতে শিক্ষার একটা আনন্দময় পরিবেশ হয়তো তৈরি হবে। সীমিত আয়ের অভিভাবক; যাদের সন্তানের ইউনিফর্ম কিনে দেওয়ার সামর্থ্য নেই, অল্প হলেও তাদের খরচ বাঁচবে। কিন্তু এতে সরকারি প্রাইমরি স্কুলের শিক্ষার মানোন্নয়ন কতখানি হবে, সে প্রশ্নটি থেকেই যাচ্ছে।

প্রাইমারি শিক্ষার্থীরা কতখানি তৈরি হলো তার ওপর বহুলাংশে নির্ভর করে ভবিষ্যতে তার মেধাবিকাশের মাত্রা। বাংলাদেশে ছেলেমেয়েরা প্রাইমারি লেভেলে সাধারণত ছয় বছর লেখাপড়া করে থাকে। এই ছয় বছরে কোনো বালক বা বালিকা বিদ্যাধর হয়ে না উঠলেও তার মধ্যে একটি অদম্য লার্নিং ট্যান্ডেসি তৈরি হওয়ার কথা। সে নতুন কিছু শিখতে চায়, জানতে চায়। শিশুমনে এই কৌতূহল সৃষ্টি করাই হওয়া উচিত প্রাইমারি শিক্ষার লক্ষ্য। তার আগ্রহই বলে দেবে ছেলে বা মেয়েটি কোন লাইনে ভালো করবে। প্রাথমিক স্তরে যদি এই লক্ষ্যটি অর্জিত না হয়, তাহলে বুঝতে হবে স্কুলে সে ঠিক শিক্ষাটি পায়নি। তার ঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য যে যত্নশীলতা দরকার ছিল, সেটাও সে পায়নি। বাড়ন্ত শিক্ষার্থীদের স্কুলে এই যত্নটা কে নেবে? সে রকম যত্নপরযোগ্য শিক্ষক তো চাই!

শহরাঞ্চলে সরকারি প্রাইমারি স্কুলগুলোতে ছাত্র নেই। পক্ষান্তরে ব্যয়বহুল বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন ধরনের স্কুলগুলো জায়গা দিতে পারে না। উপজেলা সদর, এমন কি কোনো কোনো বর্ধিষ্ণু গ্রামেও কমবেশি একই চিত্র। কেন? অনুসন্ধান প্রয়োজন।

স্বাধীনতার পরের সাড়ে পাঁচ দশকে বাংলাদেশে শিক্ষা খাতের অনেক প্রসার ঘটেছে। নজরকাড়া উন্নতি হয়েছে অবকাঠামোগত। টিনের নড়বড়ে স্কুলঘরগুলোর জায়গায় তিনতলা ভবন হয়েছে। যে গ্রাম-জনপদ সন্ধ্যা নামার সঙ্গে নিস্তব্ধতা গ্রাস করে নিত, সেখানেও এখন স্কুল হয়েছে। প্রাইমারি ও হাইস্কুল দুই-ই হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে কলেজও হয়েছে। অজপাড়াগাঁয়ের বহু কলেজে অনার্স কোর্সও চালু হয়েছে। গ্রামে থেকে গ্রামের কলেজে পড়ে অনার্স-মাস্টার্স করা একালে কোনো কঠিন কাজ নয়। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে গ্র্যাজুয়েটের হার ছিল ১ শতাংশেরও কম। এখন সেটা বেড়ে ১০-১২ শতাংশ হয়েছে। কমপক্ষে ১০ গুণ বেড়েছে।

অতীতে শিক্ষার মূল সমস্যা ছিল বিদ্যালয়ে প্রবেশের সুযোগের অভাব। তখন মানুষকে শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে পরিস্থিতি উল্টো। এখন অধিকাংশ মানুষ শিক্ষার আওতায় এসেছে, কিন্তু গুণগতমান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শিক্ষাব্যবস্থায় এখন পুরোপুরি মুখস্থনির্ভর। গাইড বই আর কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষার্থীদের নিজস্বতার জায়গা দখল করে নিয়েছে। সৃজনশীলতা ও দক্ষতা উন্নয়নে ঘাটতি প্রকট এবং কর্মবাজারের শিক্ষার সংযোগ দুর্বল। শিক্ষা অনেক ক্ষেত্রে অবিদ্যার বাহন হয়ে উঠেছে। জানাশোনার বিচারে নয় কেবল, শিক্ষিত লোকদের মধ্যেই অনাচারের প্রবণতা বেশি। সামাজিক ও বৈষয়িক অনাচারে অভ্যস্ত লোকদের বেশির ভাগই তথাকথিত শিক্ষিত শ্রেণিভুক্ত। উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বও একটি বড় সমস্যা। এটি প্রমাণ করে যে শিক্ষা শুধু বিস্তৃত হলেই যথেষ্ট হয় তা নয়; তা হতে হবে চাহিদাভিত্তিক, দক্ষতানির্ভর এবং যুগোপযোগী।

প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে বাংলাদেশে শিক্ষার গুণগত অবনমনের কারণগুলো কী? এক দুটি বাক্যে এ প্রশ্নের জবাব খুঁজে নেওয়া কঠিন। মনে রাখতে হবে শিক্ষা চ্যারিটি নয়, বেসাতিও নয়। শিক্ষা মানবজীবনের মৌলিক প্রয়োজন। একদল মানুষ এটাকে চ্যারিটি হিসেবে দেখে। আরেক দলের কাছে এটা বেসাতি। যারা চ্যারিটি ভাবেন, তারা বলেন বাজেট বাড়াও। যারা বাণিজ্য বিবেচনা করেন তাদের চাই গাইডবইয়ের ব্যবসা, কোচিং সেন্টারের পসার। তাদের দরকার যেমন করে হোক স্কুল-কলেজের পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত হওয়া। নানান নামে তারা প্রাইভেট শিক্ষালয় খুলে চুটিয়ে ব্যবসা করেন। পরিণতিতে শিক্ষক খাঁটি শিক্ষক হয়ে উঠেছেন না। শিক্ষার্থী ছাত্রনং অধ্যয়নং তপঃ নীতি পরিহার করে সার্টিফিকেট শিকারি হয়ে যাচ্ছে।

সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রায় উদোম গায়ের পণ্ডিতের কথা মনে পড়ে। সেই পণ্ডিতের মনে অনেক খেদ ছিল, দুঃখ ছিল। তিনি অঙ্ক কষে দেখিয়ে ছিলেন স্কুল ইন্সপেক্টর ইংরেজ সাহেবের তিন পায়া কুকুরের এক ঠ্যাঙের সমান একজন পণ্ডিত। তিন পায়া সারমেয়র জন্য ইংরেজ সাহেবের মাসে খরচ ৭৫ টাকা। আর ওই পণ্ডিত মাসোহারা পেতেন ২৫ টাকা। কাজেই পণ্ডিতের অঙ্কে কোনো ভুল ছিল না। ঔপনিবেশিক আমলে আসলেই এরকম শোচনীয়ই ছিল শিক্ষকদের অবস্থা। কিন্তু সেই সময়ের শিক্ষকরা চাকরি নেওয়ার পরে থেকে ভালো শিক্ষক হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা শুরু করে দিতেন। ছাত্ররা যত না পড়ত তার চেয়ে বেশি বৈ কম পড়তেন না শিক্ষকরা। এখন টিচারদের পড়াশোনার সেই বালাই নেই। স্কুল-কলেজে লাইব্রেরিয়ান আছে, লাইব্রেরি নেই। থাকলেও নোট-গাইডবইয়ের কপিতে ঠাসা অথবা ধূলিধূসরিত। ছাত্ররা বই পড়ে না। গাইড পড়ে মাল্টিপল চয়েসের শুদ্ধ জবাবটি মুখস্থ করে। তারা শেখে পদ্মা নদীর মাঝির লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ওটা কবিতা না উপন্যাস; তা জানে না। তারা টিকটক শিখছে, ফেসবুক শিখছে, বই পড়ে না। পত্রিকাও নয়। শিক্ষকরা দলাদলি করেন। ছাত্ররাও। শিক্ষক পেটাতে তাদের বাধে না। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর খুব নগ্নভাবে বোঝা গেছে যে ছাত্ররা কতটা অছাত্র হয়ে উঠেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু হয়েছিল মব সন্ত্রাস।

এসবের পেছনে সক্রিয় শিক্ষকদের দলাদলি। বাইরের রাজনীতি। প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পরিষদের অক্ষমতা ইত্যাদি। কোচিং সেন্টার ও গাইডবইগুলো শিক্ষা ও জ্ঞানবৃক্ষের মূলচ্ছেদন করে চলেছে। সমাজে প্রকৃত শিক্ষানুরাগীর সংকট তৈরি হয়েছে। যারা আছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাদের জায়গা হয় না। কমিটির সভাপতি বানান এমপি মহোদয়। তিনি সভাপতির যোগ্যতা ও শিক্ষানুরাগ দেখেন না। তিনি দল দেখেন। সেই সভাপতি স্কুল-কলেজে যান টাকার ভাগ বসাতে। প্রতিষ্ঠান কেমন চলছে, পড়াশোনার মান এসব নিয়ে তার চিন্তা নেই। শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য এই জায়গাগুলো মেরামত করতে হবে সবার আগে।

                লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
সর্বশেষ খবর
আদা চায়ের উপকারিতা জেনে নিন
আদা চায়ের উপকারিতা জেনে নিন

৪ মিনিট আগে | জীবন ধারা

৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৭ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৭ মে)

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা
আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু
বাঞ্ছারামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হঠাৎ কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি, আবহাওয়া অফিসের জরুরি বার্তা
হঠাৎ কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি, আবহাওয়া অফিসের জরুরি বার্তা

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ
ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু
রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ
যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা
ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক
অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া
ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান
ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়
ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী
বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার
ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক
পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’
জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার
হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি
হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?
ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার
১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের
ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার
অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা

৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রতিবাদ করায় ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হওয়ার আশঙ্কা মার্ক রাফালোর
প্রতিবাদ করায় ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হওয়ার আশঙ্কা মার্ক রাফালোর

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিদ্ধিরগঞ্জে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
সিদ্ধিরগঞ্জে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’
স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই
সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা
যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল
বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা
এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’
‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে
পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?
সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী
চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন
বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ
‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?
দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত
জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?
বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান
আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর
আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?
বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত
হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট
বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প
স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের

পেছনের পৃষ্ঠা

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ
উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত
জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত

পেছনের পৃষ্ঠা

মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট

প্রথম পৃষ্ঠা

চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক
এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক

মাঠে ময়দানে

ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার
ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা
ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা

শোবিজ

পায়েলের যত অভিযোগ
পায়েলের যত অভিযোগ

শোবিজ

প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’
প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’

মাঠে ময়দানে

এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের
এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের

মাঠে ময়দানে

প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে
প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি
শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

মাঠে ময়দানে

মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

মাঠে ময়দানে

কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি

নগর জীবন

শাকিবের বিশেষ বার্তা
শাকিবের বিশেষ বার্তা

শোবিজ

সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি
সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

তাদের ‘না বলা গল্প’
তাদের ‘না বলা গল্প’

শোবিজ

টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল
টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল

মাঠে ময়দানে

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা
তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা

শোবিজ

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রথম পৃষ্ঠা

হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার
হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন
বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন

নগর জীবন

গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা