শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫৫, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে মানসম্মত শিক্ষার অপরিহার্যতা

ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান
অনলাইন ভার্সন
জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে মানসম্মত শিক্ষার অপরিহার্যতা

বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বিশ্বায়ন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান-অর্থনীতির যুগে বাংলাদেশকে টিকে থাকতে হলে একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন অপরিহার্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কিছুদিন আগে বাংলা একাডেমির একুশে বইমেলা উদ্বোধনকালে জ্ঞানভিত্তিক আলোকিত সমাজ গঠনের জন্য আহবান জানিয়েছেন। এর আগে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর ৭ আগস্ট প্রদত্ত এক ভাষণে বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‘তরুণেরা যে স্বপ্ন নিয়ে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছে, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে মেধা, যোগ্যতা ও জ্ঞানভিত্তিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।’ বিএনপির বিভিন্ন নীতিগত ঘোষণায় শিক্ষার মানোন্নয়ন ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়েছে।

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র বলতে এমন একটি সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে জ্ঞান, তথ্য, গবেষণা ও উদ্ভাবনই উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। এ ধরনের সমাজে মানুষের চিন্তা-সৃজনশীলতা, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং উদ্ভাবনী ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, যা অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্রের অগ্রগতি নির্ভর করে তার মানবসম্পদের গুণগত মানের ওপর, আর সেই মানবসম্পদ গড়ে ওঠে মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমে।

তাই একটি আলোকিত জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিঃসন্দেহে অপরিহার্য পূর্বশর্ত।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সর্বজনীন শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ভর্তির হার বৃদ্ধি, নারীশিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার অগ্রগতি নির্দেশ করে। তবে এই অগ্রগতির পাশাপাশি মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত হয়েছে কি না এ বিষয়ে প্রশ্ন করার অবকাশ রয়েছে।

বলা যায়, শিক্ষার পরিমাণগত সম্প্রসারণে সফলতা অর্জিত হলেও গুণগত মান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে। আমরা জানি যে শিক্ষা কেবল তথ্য আহরণ বা পরীক্ষায় ভালো ফল করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি একটি সমন্বিত রূপান্তর প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে মানুষ বৌদ্ধিক, নৈতিক ও সামাজিকভাবে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। আর এরূপ মানুষই একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। ফলে একটি জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য শিক্ষার মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ—
প্রথমত, মানসম্মত শিক্ষা মানুষের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের অন্যতম প্রধান উপায়।

এটি মানুষকে শুধু পুথিগত জ্ঞানে সীমাবদ্ধ রাখে না, বরং তার মধ্যে বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং নতুন কিছু উদ্ভাবনের সামর্থ্য গড়ে তোলে। বর্তমান সময়ে তথ্য-প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে তথ্যের প্রাচুর্য ঘটেছে, কিন্তু আমাদের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের সেই তথ্যকে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ ও প্রয়োগ করার দক্ষতা তৈরি করে না। একটি উন্নত মানসম্পন্ন ও কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের সমালোচনামূলক চিন্তা-ভাবনা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করে, যার ফলে তারা কেবল জ্ঞান গ্রহণকারী হিসেবে নয়, বরং নতুন জ্ঞান সৃষ্টিকারী হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে পারে। এ ধরনের দক্ষ ও সৃজনশীল মানবসম্পদই একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূলভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
দ্বিতীয়ত, মানসম্মত শিক্ষা সমাজে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কেবল প্রযুক্তিগত দক্ষতা দিয়ে একটি জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়, যদি সেখানে সততা, সহনশীলতা, ন্যায়বোধ ও

সামাজিক দায়বদ্ধতা না থাকে। একটি কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করে। এর মাধ্যমে তারা কেবল ব্যক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং সমাজের কল্যাণে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ হয়। সত্যিকার অর্থে একটি উন্নত ও আলোকিত সমাজ গঠনের জন্য এসব নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ অপরিহার্য।

তৃতীয়ত, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মানসম্মত শিক্ষার মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও পারস্পরিক নির্ভরশীল। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব দেশের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত ও কার্যকর, সেসব দেশের উৎপাদনশীলতা, উদ্ভাবনশীলতা ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। বর্তমান বিশ্বে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির গুরুত্ব ক্রমাগত বাড়ছে। আর জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে শারীরিক শ্রমের চেয়ে জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার মূল্য অনেক বেশি। ফলে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ তৈরি করতে না পারলে একটি দেশ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বিষয়টি আরো তাৎপর্যপূর্ণ। টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং দীর্ঘ মেয়াদে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে মানসম্মত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিকস, বিগ ডেটার মতো তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। শিক্ষাব্যবস্থাকে এসব নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারবে না। সুতরাং জাতীয় উন্নয়নের জন্য দেশের সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী পাঠ্যক্রম, শিক্ষণপদ্ধতি এবং মূল্যায়নব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে।

চতুর্থত, মানসম্মত শিক্ষা সামাজিক বৈষম্য হ্রাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সংগত ও সমতাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য ক্রমান্বয়ে কমে আসে। বিশেষ করে যখন সমাজের প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত জনগোষ্ঠী মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ লাভ করে, তখন তারা নিজেদের জীবনমান উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এভাবে শিক্ষা একটি শক্তিশালী সামাজিক সমতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যা ধীরে ধীরে সমাজে ন্যায়বিচার ও সমানাধিকার নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। ফল হিসেবে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে ওঠে।

এ ছাড়া মানসম্মত শিক্ষা একটি দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সচেতন ও শিক্ষিত নাগরিকরা নিজেদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত থাকে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে। তারা অন্যায়, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় এবং একটি জবাবদিহিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। ফলে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তুলতে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই।

তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এখনো বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে বাংলাদেশে শিক্ষার পরিমাণগত উন্নতি হলেও শিক্ষার মানের মানোন্নয়ন হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষা এখনো মুখস্থনির্ভর ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক, যা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। পাঠ্যক্রমের আধুনিকায়নের অভাব, দক্ষ শিক্ষকের স্বল্পতা, গবেষণার সীমিত সুযোগ এবং প্রযুক্তির অপর্যাপ্ত ব্যবহার—এসব কারণে কাঙ্ক্ষিত মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় শিক্ষা নিয়ে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা হলেও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনো আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি চালু হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীরা বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনে পিছিয়ে পড়ছে। এর পাশাপাশি শহর ও গ্রামের শিক্ষার মানের বৈষম্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো শিক্ষিত বেকারত্ব। অনেক শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করলেও চাকরির বাজারে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারে না। ফলে একদিকে যেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত, অন্যদিকে দক্ষ জনবল সংকটও বিদ্যমান। এই সমস্যার সমাধানে শিক্ষাকে আরো দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী করে গড়ে তোলা জরুরি।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য একটি সমন্বিত, সুপরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। প্রথমত, শিক্ষাক্রমকে যুগোপযোগী, বাস্তবমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক করা, যাতে তা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখে। দ্বিতীয়ত, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, পেশাগত উন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষণপদ্ধতির সঙ্গে তাঁদের অভিযোজন নিশ্চিত করতে বিনিয়োগ বাড়ানো। কারণ একজন দক্ষ ও প্রগতিশীল শিক্ষকই মানসম্মত শিক্ষার মূল চালিকাশক্তি। তৃতীয়ত, শিক্ষাব্যবস্থায় গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জ্ঞান সৃষ্টির উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা, যাতে শিক্ষার্থীরা কেবল জ্ঞান গ্রহণেই সীমাবদ্ধ না থেকে নতুন ধারণা সৃষ্টি ও তার বাস্তব প্রয়োগে উৎসাহিত হয়। চতুর্থত, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার বিস্তৃত করে শিক্ষাকে আরো সহজলভ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর করা।

এ ছাড়া কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা, যাতে শিক্ষার্থীরা কর্মমুখী ও ব্যাবহারিক দক্ষতা অর্জন করতে পারে এবং দ্রুত কর্মসংস্থানে যুক্ত হতে সক্ষম হয়। একই সঙ্গে উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন, যাতে তরুণ প্রজন্ম কেবল চাকরিপ্রার্থী না হয়ে নিজেই কর্মসংস্থান সৃষ্টির সক্ষমতা অর্জন করে। সর্বোপরি শিক্ষাক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলো জানার পাশাপাশি জ্ঞাত সমস্যাগুলো সমাধানের উদ্দেশ্যে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠন করা সময়ের দাবি।

আশার কথা এই যে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপি তাদের বিভিন্ন নীতিগত ঘোষণায় শিক্ষার মানোন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে। বিএনপির ভাবনায় বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা হবে জ্ঞানভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর, কর্মমুখী ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন, যা একটি দক্ষ, সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং শিক্ষার সুযোগ সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও তাদের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং একটি মানসম্মত, কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে উপর্যুক্ত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের পাশাপাশি পূর্বোক্ত নীতিগত প্রতিশ্রুতির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে আমাদের প্রত্যাশা। কারণ জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন কেবল একটি রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং এটি বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নেরও পূর্বশর্ত।

সব শেষে বলা যায়, মানসম্মত শিক্ষা একটি জাতির আলোকিত ভবিষ্যতের চাবিকাঠি। এটি কেবল ব্যক্তিগত উন্নয়নই নয়, বরং সামগ্রিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথ প্রশস্ত করে। বিএনপি সরকার একটি জ্ঞানভিত্তিক আলোকিত সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি সত্যিকার অর্থে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের জন্য শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানসম্মত করে তোলাই হবে সরকারের প্রধান দায়িত্ব। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে—এই উপলব্ধি থেকে সরকারকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। একটি আলোকিত, সমৃদ্ধ ও জ্ঞাননির্ভর জাতি গঠনের উদ্যোগকে সফল করতে নাগরিকদেরও আন্তরিক হতে হবে এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

লেখক : উপাচার্য, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি

এই বিভাগের আরও খবর
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
সর্বশেষ খবর
রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু
রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু

এই মাত্র | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬

১৮ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ
যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ

৩০ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা
ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক
অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক

৫১ মিনিট আগে | শোবিজ

ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া
ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান
ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়
ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী
বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার
ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক
পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’
জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার
হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি
হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?
ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার
১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের
ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার
অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা

৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রতিবাদ করায় ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হওয়ার আশঙ্কা মার্ক রাফালোর
প্রতিবাদ করায় ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হওয়ার আশঙ্কা মার্ক রাফালোর

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের
ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও
প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তৃতীয় সন্তান হলেই অন্ধ্রপ্রদেশে মিলবে ২৫ হাজার রুপি-পুষ্টি ভাতা
তৃতীয় সন্তান হলেই অন্ধ্রপ্রদেশে মিলবে ২৫ হাজার রুপি-পুষ্টি ভাতা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেইনের হ্যাটট্রিকে শেষ ম্যাচে বায়ার্নের বড় জয়
কেইনের হ্যাটট্রিকে শেষ ম্যাচে বায়ার্নের বড় জয়

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা পাইরেসি কাণ্ডে আরও তিনজন গ্রেফতার
থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা পাইরেসি কাণ্ডে আরও তিনজন গ্রেফতার

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিদ্ধিরগঞ্জে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
সিদ্ধিরগঞ্জে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’
স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই
সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা
যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল
বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা
এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’
‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?
সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে
পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী
চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ
‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?
দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত
জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?
বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান
আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর
আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?
বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন
বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত
হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট
বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প
স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!
নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের

পেছনের পৃষ্ঠা

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ
উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত
জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত

পেছনের পৃষ্ঠা

চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক
এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক

মাঠে ময়দানে

মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট

প্রথম পৃষ্ঠা

ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার
ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

পায়েলের যত অভিযোগ
পায়েলের যত অভিযোগ

শোবিজ

ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা
ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা

শোবিজ

এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের
এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের

মাঠে ময়দানে

প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’
প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’

মাঠে ময়দানে

শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি
শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

মাঠে ময়দানে

মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

মাঠে ময়দানে

প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে
প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের বিশেষ বার্তা
শাকিবের বিশেষ বার্তা

শোবিজ

সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি
সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি

নগর জীবন

তাদের ‘না বলা গল্প’
তাদের ‘না বলা গল্প’

শোবিজ

টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল
টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল

মাঠে ময়দানে

তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা
তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা

শোবিজ

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন
বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন

নগর জীবন

পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার
হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা