শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:০৯, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে শূন্য খরচে কর্মী নিতে মালয়েশিয়ার ‌‘এআই’ প্রযুক্তি চালু

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে শূন্য খরচে কর্মী নিতে মালয়েশিয়ার ‌‘এআই’ প্রযুক্তি চালু

নানা কারণ ও জটিলতায় দীর্ঘদিন অনিশ্চিত হয়ে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির দুয়ার আবার খুলতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে। ন্যূনতম খরচ এবং স্বচ্ছতার মাধ্যমে সিন্ডিকেট ভেঙে জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ তৈরিতে রাজি হয়েছে দু’দেশ। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এ নিয়ে দফায়-দফায় চেষ্টা চলেছে। আসি আসি করেও সাফল্য ধরা দেয়নি। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে শূন্য খরচে কর্মী নিতে মালয়েশিয়ার ‘এআই’ প্রযুক্তি চালুর উদ্যোগ, স্বচ্ছতার মাধ্যমে সিন্ডিকেট মুক্ত শ্রমবাজার দ্রুত চালুর খবরটি এ সময়ের সেরা সংবাদ।

এ নিয়ে দু’দেশের মধ্যে শ্রম অভিবাসন বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত পুনরায় চালুর বিষয়ে উভয় দেশ সম্মতির পাশাপাশি কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় শূন্যে নামিয়ে আনতে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ন্ত্রিত নতুন প্রযুক্তিনির্ভর নিয়োগ ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া।

বিভিন্ন সূত্রের তথ্যে জানা গেছে, ৯ এপ্রিল মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে। মালয়েশিয়ার পক্ষে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতো শ্রী রামানান রামাকৃষ্ণান। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। বন্ধ থাকা শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা করতে গত বুধবার মালয়েশিয়ায় যান তারা। বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা করতে এটি প্রথম সফর। এ সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের কার্যালয়ে তার সঙ্গে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকের শুরুতে আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান এবং সুবিধাজনক সময়ে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানান।

শ্রমশক্তি বিষয়ে বৈঠক শেষে দেওয়া হয় যৌথ বিবৃতি। জানানো হয়, মালয়েশিয়ার বিভিন্ন খাতের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার দ্রুত পুনরায় খুলবে। কাজটি হবে একটি সুষ্ঠু, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব ও অভিবাসন ব্যয় কমানো হবে। আটকে পড়া কর্মীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে কাঠামোগত সমস্যাগুলোর সমাধানের বিষয়েও বৈঠকে জোর দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ায় কাজে লাগানো হবে নির্ভরযোগ্য ও যোগ্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে। বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল কর্মী নিয়োগে মালয়েশিয়ার নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার। মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়, কর্মী পাঠানো সকল দেশের জন্যই তারা একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও এআইভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলওর নির্দেশিকা অনুযায়ী ‘এমপ্লয়ার পেজ প্রিন্সিপল’ (নিয়োগকর্তা কর্তৃক সম্পূর্ণ ব্যয় বহনের নীতি) মেনে চলবে এ ব্যবস্থাটি।

এর সুবাদে অভিবাসন ব্যয় কমবে। কর্মীদের জন্য নিশ্চিত হবে জিরো কস্ট। বাংলাদেশ এই বৈশ্বিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বাস্তবায়নে মালয়েশিয়ার সাথে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। একযোগে কাজ করার আগ্রহও দেখিয়েছে। দু’দেশের প্রতিনিধিদের আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে আরও অনেক বিষয়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে মানব পাচার সংক্রান্ত চলমান আইনি মামলাগুলো। মালয়েশিয়া তাগিদ দিয়েছে তাদের আন্তর্জাতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে পারে এমন যেকোনো ভিত্তিহীন বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মকাণ্ড মোকাবিলার। বাংলাদেশ এতে কেবল সায় দেয়নি, আইনের শাসন, জবাবদিহি ও দ্রুত বিচার নিশ্চিতে নিজস্ব অবস্থান ও প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছে। অনিয়মিত কর্মীদের বিদ্যমান সমস্যা সমাধান এবং শ্রমবাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও সনদায়ন বাড়ানোর বিষয়েও কথা হয়েছে দু’পক্ষে। নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে উভয় দেশের কর্মকর্তারা তাদের দীর্ঘস্থায়ী এবং পারস্পরিক সুবিধাজনক অংশীদারিত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমে এই গঠনমূলক সম্পৃক্ততা বজায় রাখার সিদ্ধান্তে উভয়পক্ষ বৈঠকে সন্তোষ জানিয়েছে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট ভেঙে তা সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য উন্মুক্ত করার দাবিতে অনেক দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন এ খাত সংশ্লিষ্টরা। ছিল সিন্ডিকেট চক্রের মূল হোতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মালয়েশিয়া শ্রমবাজারে এক নজিরবিহীন অরাজকতা ও দুর্নীতির রাজত্ব কায়েম হয়। একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্র বাজারটি নিয়ন্ত্রণ করে একদিকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আরেকদিকে সাধারণ কর্মীদের করেছে নিঃস্ব। হাল খবরে তারা সন্তুষ্ট। সিন্ডিকেটের হোতা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার হওয়ায় তাদের সন্তুষ্টিতে ভিন্ন মাত্রা। সঙ্গে আবার এও বলা হচ্ছে, কেবল একজনকে গ্রেপ্তার করলেই হবে না, সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত নিজাম হাজারী, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমদ, সাবেক অর্থমন্ত্রী লোটাস কামাল, কালা ফিরোজ, মনসুর কালাম, কাজী মফিজসহ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা জরুরি। মালয়েশিয়া শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট নিয়ে জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটি এজেন্সি-বায়রায়ও পক্ষ-বিপক্ষ রয়েছে। তারাও প্রকারান্তরে কোনো না কোনো সিন্ডিকেটভুক্ত। সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করতে এসে দু’পক্ষে গালাগালি-মারামারিও হয়েছে। অবস্থা বেগতিক দেখে তারা আবার কোলাকুলি-গলাগলিও করেছে। এদের উভয়ের ভেতরেই অন্ধকার। কম-বেশি উভয়পক্ষই চক্রভুক্ত।

এক পক্ষ দাবি করেছে তারা মালয়েশিয়া শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভাঙতে চায়। আরেক পক্ষ বলেছে, যারা এখন সিন্ডিকেট ভাঙার কথা বলছে, আগে তারাও সিন্ডিকেটর অংশ হয়ে প্রচুর অর্থ হাতিয়েছে। মালয়েশিয়ায় শ্রমশক্তি রফতানির সিন্ডিকেটটি বরাবরই কোনো না কোনোভাবে শক্তিমান। দেশটিতে শ্রমবাজার গোলমালের মূল কারণ এরাই। এরপরও নানা চেষ্টা তদ্বিরে ২০২১ সালে একটি সমঝোতা চুক্তির আওতায় ১০২টি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু হয়। ২০২৪ সাল থেকে মালয়েশিয়ার জনশক্তির বাজার আবারও বন্ধ হয়ে যায়। ৫ আগস্টের পর অন্তর্বর্তী সরকার এ বন্ধ দুয়ার খোলার ব্যাপক চেষ্টা করে। পুত্রাজায়ায় দেশটির তিনজন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনূসের আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীও এ নিয়ে অনেক তৎপরতা চালিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে ওই চেষ্টায় কিছুটা সাফল্যের লক্ষণ দেখা দেওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা আসে, আগামী কয়েক মাসে মালয়েশিয়া এক থেকে দেড় লাখ বিদেশি জনশক্তি নেওয়ার যে পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আশ্বাস মিলেছে। দুষ্টচক্রের কাণ্ডকীর্তিতে তা ভণ্ডুল হয়ে যায়। মাঠে মারা যায় তাদের ওইসব চেষ্টা-প্রচেষ্টা। এখন নির্বাচিত সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে আবার আশাবাদ। এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা আবশ্যক যেন সিন্ডিকেট চক্র বা চক্রের কোনো সদস্য এ প্রক্রিয়ার ধারেকাছে ঘেঁষতে না পারে। কারণ এরা বড় ভয়ংকর। ফ্যাসিস্ট জমানার মন্ত্রী-এমপিসহ অনেক হোমড়া-চোমড়ার সঙ্গে এদের বেশ সংশ্রব। সরকারের যে কোনো জনবান্ধব উদ্যোগ বরবাদ করে দেওয়ার হিম্মত তারা এখনো রাখে। এর আগে, টানা অনেক বছর ধরে মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজারের যতো সর্বনাশ করা যায় এর সবই তারা করেছে। তাই সবিশেষভাবে তাদের ব্যাপারে সতর্কতা আবশ্যক। নূন্যতম ফাঁকফোঁকর পেলেই তারা সুঁচের মতো ঢুকে পড়বে দেশের জন্য কল্যাণকর ও চমৎকার এ পাইপলাইনে। একবার ঢুকতে পারলে আর রোখা যাবে না। তখন নির্ঘাত আবারও করবে সর্বনাশ।

লেখক: সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন 

এই বিভাগের আরও খবর
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
সর্বশেষ খবর
গোপালগঞ্জে ট্রাকচাপায় যুবক নিহত
গোপালগঞ্জে ট্রাকচাপায় যুবক নিহত

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফরিদপুরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল বৃদ্ধার মরদেহ
ফরিদপুরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল বৃদ্ধার মরদেহ

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পেছনে হাত বেঁধে শিক্ষার্থীকে মারধর, প্রিন্সিপাল বরখাস্ত
পেছনে হাত বেঁধে শিক্ষার্থীকে মারধর, প্রিন্সিপাল বরখাস্ত

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুই পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
দুই পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অটোরিকশায় যুবকের কাছে মিলল দেড় লাখ ডলার
অটোরিকশায় যুবকের কাছে মিলল দেড় লাখ ডলার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারসাম্যহীন মায়ের নবজাতকের নাম রাখা হলো ‘আয়েশা আক্তার মুসকান’
ভারসাম্যহীন মায়ের নবজাতকের নাম রাখা হলো ‘আয়েশা আক্তার মুসকান’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আড়াইহাজারে ভুল সিলেবাসে পরীক্ষা; ৫৪ পরীক্ষার্থীর ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা
আড়াইহাজারে ভুল সিলেবাসে পরীক্ষা; ৫৪ পরীক্ষার্থীর ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কৃষির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত
কৃষির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’
‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মসজিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার উপায়
মসজিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার উপায়

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

নোয়াখালীতে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটায় দুইজনের কারাদণ্ড
নোয়াখালীতে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটায় দুইজনের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে কৃষিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে কৃষিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি
বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা
বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন
জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা
মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিলহজের প্রথম দশকের আমল
জিলহজের প্রথম দশকের আমল

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন
বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা
অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু
ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর
মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার
দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ
মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল
নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

১৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার
আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য
গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর
ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র
তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর
‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন
৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প
আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা
আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন
ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ
দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’
ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি
টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের
চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি
মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু
রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স
‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর
দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন
ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি
প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার
এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লিতে আবারও বাসের ভেতরে গণধর্ষণ
দিল্লিতে আবারও বাসের ভেতরে গণধর্ষণ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

প্রথম পৃষ্ঠা

চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক
চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শর্টকাটে বড়লোক!
শর্টকাটে বড়লোক!

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা

পেছনের পৃষ্ঠা

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা

পেছনের পৃষ্ঠা

রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা
রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’
আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’

মাঠে ময়দানে

ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা
ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা

নগর জীবন

রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব

সম্পাদকীয়

আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

পেছনের পৃষ্ঠা

আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের

পেছনের পৃষ্ঠা

২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু
২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু

দেশগ্রাম

গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!
গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!

দেশগ্রাম

দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা
দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা

নগর জীবন

ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১
ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১

দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল
‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল

শোবিজ

কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান
কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

নগর জীবন

পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন
পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন

দেশগ্রাম

দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’
দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’

শোবিজ

শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার
শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে
রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে

দেশগ্রাম

শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা
শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা

দেশগ্রাম

ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়
ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়

শোবিজ

মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি
মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি

দেশগ্রাম

ভালোবাসি মাগো
ভালোবাসি মাগো

ডাংগুলি