শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৪৮, শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

বৈষম্য কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
বৈষম্য কমেনি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশে বৈষম্য জাতির অভ্যন্তরে স্থায়ী হয়ে রয়ে গেছে। চব্বিশের অভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী আওয়াজ উঠেছিল ঠিকই, কিন্তু বৈষম্য তো দূর হয়ইনি, বরং আরও প্রবলভাবে জাতির স্কন্দে চেপে বসেছে। বৈষম্য কেবল যে বাইরের ব্যাপার তা নয়, ভিতরের ব্যাপারও বৈকি; এবং সেটিই হচ্ছে অভ্যন্তরীণ মূল দুর্বলতা। পীড়িতরাও পীড়ন করে। কম করে না, তারা শোধ নেয়। ফলে পীড়ন ও পীড়া দুটিই সত্য হয়ে থাকে। দুর্বল জাতি মার খায় বড় জাতির হাতে। মার খেয়ে শোধ নেয় নিজের ঘরে। শোষণ ও অত্যাচার করে তুলনায় দুর্বল শ্রেণির ওপর।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এটা খুবই সত্য। ধনী এখানে পীড়ন করে গরিবকে। শোষণ করে। ফলে ঐক্য গড়ে ওঠে না। শ্রেণিবৈষম্যটাই মূল বৈষম্য। শ্রেণির ক্ষেত্রে সাম্যের প্রতি যে অভাব সেটা হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কের পেছনেও কাজ করেছে। দূর অতীতে শ্রেণিগতভাবে মুসলমানরা ছিল দুর্বল ও পিছিয়ে পড়া। তদুপরি তাদের অধিকাংশই এসেছে সমাজের নিম্নস্তর থেকে, ধর্মান্তরিত হয়ে। ধর্মান্তরের আগে একাংশ অবশ্যই ছিল আদিবাসী। হিন্দু মধ্যবিত্তের ব্রাহ্মণ্যবাদী উন্নাসিকতা শ্রেণিগত উচ্চমন্যতার দ্বারা পুষ্ট হয়েছে। মূল অসাম্য নিশ্চয়ই অর্থনৈতিক। সেই অসাম্য থেকেই হিন্দু জাতীয়তাবাদ ও মুসলমান জাতীয়তাবাদ বের হয়ে এসেছে।

বৈষম্য ছিল পুরুষ ও নারীর সম্পর্কের এলাকাতেও। এখানেও শ্রেণি ছিল, উচ্চ শ্রেণিতে নারীর যে অবস্থান, নিম্ন শ্রেণিতে তা নয়। কিন্তু শ্রেণিনির্বিশেষে নারীর অবস্থা পুরুষের তুলনায় যে খারাপ ছিল, সে ব্যাপারে সংশয়ের কোনো প্রশ্নই নেই। বাঙালির সংস্কৃতিতে মাতৃত্বকে উচ্চমূল্য দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে অর্থনীতির যে যোগ নেই, তা নয়। অর্থনীতি কৃষিনির্ভর, কৃষিতে উর্বরতা অত্যাবশ্যক, ফলনশীলতাই প্রধান গুণ। সেই মূর্তিতেই নারীর মাতৃত্ব সম্পর্কে উচ্চ ধারণা গড়ে উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রেই মাতার প্রতি ভালোবাসা নিজের প্রতি ভালোবাসারই প্রতিরূপ। মা আমার ব্যক্তিগত সম্পত্তি, তাই তিনি মূল্যবান, মনোভাবটি এরকমই। মাতৃভূমির জয়গান কম করা হয়নি, হচ্ছেও না। কিন্তু তাতে ব্যক্তি মাতার তেমন কোনো লাভ হয়নি, মাতৃভূমিরও যে উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে, তা নয়। মাতার নামে ঐক্যের ডাকে জাতীয় ঐক্য না এসে বরঞ্চ বিভেদ এসেছে।

বিভেদের ক্ষেত্রে আঞ্চলিকতাও ইন্ধন সরবরাহ করেছে। পূর্ববঙ্গ কম অনুন্নত পশ্চিম ও উত্তরবঙ্গের তুলনায়। জলাভূমি দিয়েই পূর্ববঙ্গ মূলত গঠিত। ইংরেজ আমলে বাংলার রাজধানী ছিল কলকাতা। উন্নয়নের স্রোত ওই শহরমুখীই ছুটেছে, সবেগে। অনুন্নত পূর্ববঙ্গ আরও অনুন্নত হয়েছে। এখানকার অধিবাসীরা বাঙালি নয়, বাঙ্গাল বলে চিহ্নিত হয়ে এসেছে। অনুন্নত পূর্ববঙ্গে মুসলমানের সংখ্যাধিক্য; আঞ্চলিক বৈষম্য বৃদ্ধির ব্যাপারে এই সত্যটাও একটা উপাদান হিসেবে কার্যকর ছিল।

রাষ্ট্রের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের উত্থান ও পতন ঘটেছে। কিন্তু তাতে বৈষম্য দূর হয়নি। বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল দুর্বলতা ও প্রধান শত্রু দুটোই হচ্ছে বৈষম্য। রাষ্ট্রের উত্থানপতন সেই শত্রুকে স্পষ্টরূপে চিহ্নিত হতে দেয়নি; বরং তাকে অস্পষ্ট করে দিয়েছে। বিশেষ করে শ্রেণিবৈষম্যকে। ইংরেজ শাসনে ভারতবর্ষে একটি রাষ্ট্রীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেটা ভিতর থেকে গড়ে ওঠেনি, ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভারতবর্ষে জাতি একটি ছিল না, দুটিও নয়, ছিল অনেক কটি। সেই জাতিসত্তাগুলো স্বীকৃতি পায়নি। ভারতবর্ষ একটি দেশ নয়, উপমহাদেশ। রাশিয়াকে বাদ দিলে ইউরোপের যা আয়তন, ভারতবর্ষের আয়তন তার সমান। সেই বৃহৎ দেশে বিভিন্ন ভাষাভাষী জাতির বাস। এদের মধ্যে অর্থনৈতিক বিকাশের সমতা আসেনি। ওই অসাম্যের দরুন ভারত-পাকিস্তান ভাগাভাগি হয়েছে এবং পাকিস্তানও এক থাকতে পারেনি। এখন ভারতেও জাতিগত সমস্যার টানাপোড়েন ও সংঘর্ষ প্রত্যক্ষ হয়ে উঠেছে। টিকে থাকতে পারবে কি না, সন্দেহ। খণ্ডিত পাকিস্তান সম্পর্কেও সেটা সত্য। ব্যাপার অন্যরকম হতো, যদি অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রে বিভিন্ন জাতিসত্তার ভিতর সমতা থাকত এবং অবিভক্ত ভারতে একটি সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো। যেখানে জাতিসত্তাগুলো যোগ দিত স্বেচ্ছায় এবং প্রত্যেকেরই স্বাধীনতা থাকত ইচ্ছা করলে বিচ্ছিন্ন হওয়ার। সেটা ঘটতে দেওয়া হয়নি বলেই এত সব বিপর্যয় ও এমন অব্যাহত দুর্যোগ। ব্রিটিশের রাষ্ট্র বৈষম্য দূর করেনি, বাড়িয়েছে। পরবর্তী রাষ্ট্র দুটিরও ওই একই কাজ। বাংলাদেশে বাংলা রাষ্ট্রভাষা হয়েছে। কিন্তু আবার হয়ওনি। মধ্যবিত্ত প্রায়-উন্মত্ত ইংরেজি শিখতে। কোম্পানির শাসনামলে যা দেখা যেত, আজও তাই দেখা যাচ্ছে।

সর্বত্র ইংরেজি শিখবার উন্মাদনা। পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিক স্তর থেকেই ইংরেজি শিক্ষার অধিকারের দাবিতে প্রবল আন্দোলন হয়েছে। সেখানে যুক্তি হচ্ছে ইংরেজি কম জানার দরুন পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার্থীরা সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না, পিছিয়ে পড়ছে। তদুপরি হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ প্রতিহত করার অজুহাতটাও রয়েছে। বাংলাদেশে অবশ্য শুরুর স্তর থেকেই ইংরেজি পড়ানো হয়। ইংরেজি শিক্ষার ব্যাপারে এখানেও সেই একই আগ্রহ। এখানকার প্রতিযোগিতাটা অভ্যন্তরীণ। পার্থক্য ওইটুকুই, নইলে ঘটনা একই। কৌতুককর ব্যাপার এই যে ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজি ভাষার যে আধিপত্য ছিল, সেটা আবার ফেরত আসছে। জাতীয় স্বাধীনতা এসেছে কি আসেনি এই ঘটনা তার একটি দ্যোতক বটে। যেমন ভারতে, তেমনি বাংলাদেশে।

আমাদের সমষ্টিগত মানুষের মুক্তি আসেনি কেন? মুক্তি আসেনি এই কারণে যে ওই যে পুঁজিবাদী ধারা-যেটা ব্রিটিশ আমলে ছিল, পাকিস্তান আমলে ছিল, আজও আছে, সেই পুঁজিবাদী উন্নয়নের ধারাই অক্ষুণ্ন রয়েছে। আমরা ব্রিটিশ আমলে তিন ধারার শিক্ষা দেখেছিলাম। পাকিস্তান আমলে সেটা আরও বড় হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশে তিন ধারার শিক্ষা থাকবে না, সব শিক্ষা মাতৃভাষার মাধ্যমে হবে, মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষা গভীর হবে, স্থায়ীভাবে এবং প্রকৃত শিক্ষা হবে-এইটা ছিল আমাদের স্বপ্ন, এটা ছিল আমাদের চ্যালেঞ্জ। কিন্তু কোথায় সেই স্বপ্ন, কোথায় সেই চ্যালেঞ্জ? এখন তো তিন ধারার শিক্ষা কেবল যে আছে তা নয়, এই শিক্ষা আরও বিস্তৃত, আরও গভীর হয়েছে। তার কারণ শ্রেণিবিভাজন আরও বড় হয়েছে। শ্রেণিবিভাজন আরও গভীরে চলে যাচ্ছে। কাজেই তিন ধারাকে এক ধারায় আনা, সেটা একেবারেই অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই যে আমাদের বাংলাদেশ, এর এত যে সম্পদ; এই সম্পদের জন্যই যুগে যুগে, শতাব্দীতে বিদেশিরা এখানে এসেছে। বাংলাদেশের নগর-বন্দর তারা ব্যবহার করেছে, আমাদের পণ্য আমরা রপ্তানি করেছি। এই বাংলাদেশ এত দরিদ্র হলো কেন? দরিদ্র হলো এই কারণে যে এখানে উপনিবেশ স্থাপিত হয়েছিল। এখানকার সম্পদ একসময় দিল্লিতে যেত, পরে এই সম্পদ লন্ডনে চলে যাওয়া শুরু করল। পাকিস্তান আমলে দেখলাম সম্পদ করাচিতে চলে যাচ্ছে। এসবই ছিল একটি ঔপনিবেশিক শোষণ প্রক্রিয়া, যেখানে বাংলাদেশ হচ্ছে একটা উপনিবেশ। পাকিস্তানিরা যে অভ্যন্তরীণ একটা উপনিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছিল, ওই ঔপনিবেশিকতা থেকে মুক্ত হয়নি আজকের বাংলাদেশও।

তাকালেই দেখা যাবে এই বাংলাদেশ এখন ধনীদের, বিত্তবানদের উপনিবেশে পরিণত হয়েছে। ঔপনিবেশিকরা যেমন এখান থেকে লুণ্ঠন করত, শোষণ করত এবং সেই সম্পদ পাচার করত, আজকের বাংলাদেশের সেই একই ঘটনা ঘটছে। ধনীরা এখানকার সম্পদ লুণ্ঠন করছে এবং শ্রমিকের ঘামের বিনিময়ে যে অর্জিত সম্পদ, তা বিদেশে চলে যাচ্ছে। অর্থাৎ ওই ঔপনিবেশিকতা আছে, ওই পুঁজিবাদী উন্নয়ন আছে; সেখান থেকে আমরা মুক্তি পাইনি। আমাদের একাত্তরে স্বপ্ন ছিল এই যে আমরা মুক্ত হব, আমরা তার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছি। কিন্তু মুক্তি এলো না। আগের ব্যবস্থাই রয়ে গেল। আগের রাষ্ট্রই রয়ে গেল, আগের আইন, আগের কানুন, আগের বাহিনী, আগের শিক্ষাব্যবস্থা, সবকিছু রয়ে গেল। কেন রয়ে গেল? রয়ে গেল এই কারণে যে শাসনক্ষমতা পুঁজিবাদীদের হাতে চলে গেল। ব্রিটিশের পুঁজিবাদী শোষণ-শাসন আগেই ছিল, পাকিস্তানি পুঁজিবাদ সেখানে এলো। স্বাধীন বাংলাদেশে তার জায়গায় এলো বাঙালি পুঁজিবাদ, বাঙালি বুর্জোয়া। সেজন্য যে জিনিসটা আমাদের জানতে হবে, সেটা হলো ব্যক্তিগত উন্নয়নে চলবে না। কেবল শুধু গাড়িঘোড়ার স্বপ্ন দেখা, চড়ার স্বপ্ন দেখে শিক্ষা গ্রহণ করা না। আমাদের এই সমাজকে বদলাতে হবে।

এই সমস্যা কেবল আমাদের নয়, আজ সারা পৃথিবীর সমস্যা হচ্ছে সম্পত্তির ব্যক্তিমালিকানার সমস্যা এবং ব্যক্তিমালিকানার বিপরীত যে ধারা, সেটা হচ্ছে সামাজিক মালিকানা। হ্যাঁ, সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছিল। বিপ্লব হয়েছিল ১৯১৭ সালে রাশিয়াতে, বিপ্লব হয়েছে চীনে, বিপ্লব হয়েছে অন্য দেশে, পূর্ব ইউরোপে, কিউবায়। কিন্তু ওই যে সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠা, সেটা সেখানে টিকল না। টিকল না কেন? টিকল না ভিতরে ও বাইরের পুঁজিবাদী মতাদর্শীদের চাপে পড়ে।

আজকের দিনে পৃথিবী থাকবে কি থাকবে না, তা মনুষ্য উপযোগী হবে কি হবে না, সেটা নির্ভর করছে মালিকানা কাদের কাছে থাকবে তার ওপরই।

♦ লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শিশু কিশোরদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া
শিশু কিশোরদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া
জামায়াত ও বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল
জামায়াত ও বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল
সর্বশেষ খবর
ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?
ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি
ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

৩৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’
তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’

৩৬ মিনিট আগে | শোবিজ

ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী
তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী

৫৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি
ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী
প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর
যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু
বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ
৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং
১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ
জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু
মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?
বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ
বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা
কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবির সাবেক ভিসির পিএসসহ দু’জনকে শাস্তি
শাবির সাবেক ভিসির পিএসসহ দু’জনকে শাস্তি

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শেরপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতির ছেলেসহ গ্রেফতার ৩
শেরপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতির ছেলেসহ গ্রেফতার ৩

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিয়ালের মাংস বিক্রি, দুই কৃষককে জরিমানা
শিয়ালের মাংস বিক্রি, দুই কৃষককে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকার জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে : অর্থমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকার জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে : অর্থমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘রাজনৈতিক মেরুকরণ ও মিথ্যা তথ্য শান্তির পথে বড় বাধা’
‘রাজনৈতিক মেরুকরণ ও মিথ্যা তথ্য শান্তির পথে বড় বাধা’

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কর্ণফুলী নদীতে তেলবাহী জাহাজ থেকে ডিজেল পাচার, গ্রেফতার ৯
কর্ণফুলী নদীতে তেলবাহী জাহাজ থেকে ডিজেল পাচার, গ্রেফতার ৯

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কেন ভারতীয়দের বিদেশ ভ্রমণ ও স্বর্ণ ক্রয় না করতে বলছেন মোদি?
কেন ভারতীয়দের বিদেশ ভ্রমণ ও স্বর্ণ ক্রয় না করতে বলছেন মোদি?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের
চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?
‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী
উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের
ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান
মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত
বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং
নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য
ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন
কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার
ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?
শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল
মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ
ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা
বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!
ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ
শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদাবাজি-ছিনতাই-মাদক ঠেকাতে যাদের ফোন দিই তারাই গডফাদার : এডিসি জুয়েল
চাঁদাবাজি-ছিনতাই-মাদক ঠেকাতে যাদের ফোন দিই তারাই গডফাদার : এডিসি জুয়েল

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত চায় নবযাত্রা
ভারত চায় নবযাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ

সম্পাদকীয়

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা
ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা

প্রথম পৃষ্ঠা

১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ
১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি

নগর জীবন

কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান
কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান

নগর জীবন

সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!
সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!

প্রথম পৃষ্ঠা

জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়
জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন
ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ
কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ

মাঠে ময়দানে

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশগ্রাম

বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ
বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি

শোবিজ

আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা

শোবিজ

পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা
পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা

প্রথম পৃষ্ঠা

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত
অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না
বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না

প্রথম পৃষ্ঠা

এসডিএফের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন
এসডিএফের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন

নগর জীবন

রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন

শোবিজ

মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ

শোবিজ

এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ
এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ

মাঠে ময়দানে

অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি

শোবিজ

১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির

প্রথম পৃষ্ঠা

ভরসা এখন স্পিনাররাই
ভরসা এখন স্পিনাররাই

মাঠে ময়দানে

এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী
এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু
তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু

দেশগ্রাম