শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫৩, রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

স্বাধীনতা লাভের অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় কেটে গেলেও বাংলাদেশ কেন একটি ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হয়ে উঠতে পারছে না। কারণ যেসব রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গেছে তারা ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করতে যতটা ব্যতিব্যস্ত ছিল, দেশকে ‘আদর্শ রাষ্ট্রে’ পরিণত করতে তাদের ততটাই অনীহা ছিল। রাষ্ট্রক্ষমতা তাদের অধিকাংশের মুনাফা লোটার ও ভাগ্য গড়ার মাধ্যম ছিল মাত্র। যুদ্ধে অনেক রক্ত ঝরিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে।

আয়তনের দিক থেকে যত ক্ষুদ্র ভূখণ্ডই হোক না কেন, বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন ও সীমানা চিহ্নিত দেশ। এ দেশের পৃথক একটি পতাকা আছে, সরকার আছে এবং সার্বভৌমত্বও আছে। বিশ্বের প্রায় সব দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশের ৬০টি দূতাবাস ও হাইকমিশনসহ মোট ৮৩টি মিশন দেশে দেশে ছড়িয়ে আছে।

পৃথিবীর সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর অন্যতম অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের সামরিক ও বেসামরিক বাহিনীগুলো প্রায় চার দশক ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে অবকাঠামো উন্নয়নসহ বাংলাদেশের বিকাশও চোখে পড়ার মতো। এমনকি ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন সূচকের উন্নয়ন স্ফীত উল্লম্ফন দেখিয়ে দাবি করতে শুরু করেছিল যে বাংলাদেশ অচিরেই ‘স্বল্পোন্নত দেশ’ (এলডিসি) থেকে ‘মাঝারি আয়ের দেশে’ পরিণত হতে যাচ্ছে।

আওয়ামী ঘরানার বাইরের অর্থনীতিবিদরা সন্দিহান ছিলেন বাস্তব কারণেই। কারণ বাংলাদেশে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা কখনোই ছিল না এবং রপ্তানি পণ্য ছিল হাতেগোনা। পাকিস্তান আমলে দেশটির পূর্বাঞ্চলের একমাত্র রপ্তানি পণ্য ছিল পাট ও পাটজাত পণ্য। সত্তরের দশকের শুরুতে কৃত্রিম আঁশ পণ্যের বহুল ব্যবহারে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা প্রায় ফুরিয়েই গিয়েছিল। কাঁচা পাটের মূল্যও বিশ্ববাজারে কমে গিয়েছিল।

এক দশক পর রপ্তানি আয়ের ঘাটতি হ্রাস পায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনশক্তি রপ্তানি এবং আরও এক দশক পর এর সঙ্গে যুক্ত হয় ইউরোপ ও আমেরিকায় তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায়। বর্তমানে এ দুটি খাতই বাংলাদেশের রেমিট্যান্স আয়ে প্রধান ভূমিকা রাখছে। এ দুটি খাত সামান্য চাপের মুখে পড়লেই বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তলানির দিকে চলে যায়।

বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বভুক্ত দরিদ্র দেশ থেকে জাতিসংঘের ‘এলডিসি’ দেশের তালিকায় উঠে এসেছিল ১৯৭৫ সালে এবং ২০২৬ সালে ‘মাঝারি আয়ের দেশ’ এবং ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মাঝারি আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছিল। আওয়ামী লীগ সরকার দাবি করত, তৈরি পোশাকশিল্পের রপ্তানি আয়ের স্ফীতিতে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ ‘নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশে’ পরিণত হয়েছে এবং দেশে ১৯৯১ সালে দারিদ্র্যের হার ৪১.৯ শতাংশ থেকে ২০১৬ সালে ১৩.৫ শতাংশে নামিয়ে তারা সফল হয়েছে। কিন্তু জাতিসংঘের নিজস্ব মূল্যায়ন ছিল এর বিপরীত এবং কিছুটা ভিন্ন ধরনের।

জাতিসংঘের মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ‘মাঝারি আয়ের দেশে’ উন্নীত হওয়ার উপযোগী নয় মুখ্যত তাদের প্রাতিষ্ঠানিক সামর্থ্যরে দুর্বলতা, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং সম্ভাব্য বাজার ধরায় প্রাধান্য না দেওয়ার কারণে। আওয়ামী লীগ উন্নয়নের অনেক ঢাকঢোল পেটালেও তাদের টানা চতুর্থ মেয়াদের প্রথম বছরে মুদ্রাস্ফীতি ছিল ১০.৩ শতাংশ এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ে অর্থাৎ শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ঠিক আগের মাসে খাদ্যমূল্য স্ফীতি ছিল রেকর্ড পরিমাণ ১৪.১ শতাংশ। অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বিধাদ্বন্দ্বের কারণে বর্তমান সরকার-পূর্ব দেড় বছরে এ বিষয়ে কোনো মনোযোগ দেওয়া হয়নি।

গত ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় আসীন বিএনপি সরকার এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, তার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের মাঝারি আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার ভবিষ্যৎ। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ মেয়াদে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশে কোনো সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) আসেনি। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটেনি এবং একটি অনিশ্চিত পরিস্থিতি বজায় থাকায় গত তিন বছরে উৎপাদনশীলতায় মন্থর অবস্থা বিরাজ করছে। নতুন সরকারের পক্ষে সবকিছু সামলে উঠতে যে সময়ের প্রয়োজন হবে, তত দিনে সরকার তাদের মেয়াদের মধ্যবর্তী সময়ে চলে আসবে।

বাংলাদেশের অস্তিত্বের গত সাড়ে পাঁচ দশকের অভিজ্ঞতা হচ্ছে, একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গিয়ে যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করে, পরবর্তী সময়ে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো দল যদি সরকার গঠন করে তাহলে পূর্ববর্তী সরকারের সবকিছুতে তারা ভুল, দুর্নীতি অথবা বহু প্রকল্প সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় ও ব্যক্তিস্বার্থে গৃহীত হিসেবে দেখতে পায় এবং হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়ে যাওয়া প্রকল্পগুলো বাতিল করে। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে খুব কমসংখ্যক প্রকল্প চালু রাখা হয়। বাংলাদেশের উন্নয়ন মুখ থুবড়ে পড়ে থাকার পেছনে এটাও বড় একটি কারণ।

৫৫ বছরে খুব কম সরকার এসেছে, যারা জনগণকে রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড বা চালিকাশক্তি হিসেবে এবং রাষ্ট্রের আইন ও শাসন যে জনগণের জন্যই সে হিসেবে বিবেচনা করেছে। জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে তারা নিজেদের জমিদার বা সামন্ত প্রভু ভেবেছে এবং জনগণকে তাদের প্রজা বা হুকুমের দাস হিসেবে দেখেছে।

বাংলাদেশের প্রতিটি সরকার যেহেতু রাজনৈতিক দলপ্রধান বা ব্যক্তিনির্ভর ছিল এবং এখনো আছে, অতএব ফেলে আসা সময়ের কোনো পর্যায়েই তারা উপলব্ধি করেনি যে সরকার রাষ্ট্রের একটি সাংগঠনিক কাঠামো, যার মাধ্যমে রাষ্ট্র আইন প্রয়োগ করে, জনসেবা নিশ্চিত করে এবং বৈদেশিক সম্পর্ক পরিচালনা করে।

বাংলাদেশে এটি প্রায় প্রতিষ্ঠিতই হয়ে গেছে যে সরকারপ্রধান, তাঁর মর্জি অনুযায়ী সবকিছু করবেন এবং মেয়াদের নির্ধারিত পাঁচটি বছর অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই পরের মেয়াদে কীভাবে সরকারে ফিরে আসা যায়, সেই ফন্দিফিকির ও কৌশল রচনা করবেন। প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলো তক্কে তক্কে থাকে যে সরকার কখন তাদের বড় ভুলগুলো করে। তারা সরকারের সঙ্গে জরুরি জাতীয় ইস্যুতেও কখনো একাত্ম অনুভব করে না, বা সরকারও তাদের তোয়াক্কা করে না।

২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে ১০ ট্রাক অস্ত্র এবং শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলার অভিযোগের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছিল বিচারপতি কে এম হাসানকে কেয়ারটেকার সরকারপ্রধান নিয়োগ করার জন্য উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭ বছরে উন্নীত করে সংবিধান সংশোধন করা। আওয়ামী লীগ সরকারের তো ভুল ও অপরাধের সীমাপরিসীমা ছিল না। বরং বলা যায়, তারা এই বিশ্বাস থেকে অপরাধ করত যে রাষ্ট্রই তাদের অপরাধ সংঘটনের অধিকার প্রদান করেছে। কিন্তু কারও দিন সমান যায় না এবং তাদের অপকর্মই তাদের জন্য কাল ও সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আওয়ামী লীগের লজ্জাজনক পতন ভবিষ্যতের যেকোনো সরকারের জন্য আগাম সতর্কবার্তা ও শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করতে পারে।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় সংহতি ও ঐক্যের ঘাটতির অভাব দেশে স্থায়ীভাবে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে রেখেছে এবং এজন্য যদি একক কোনো দলকে দায়ী করা হয়, সেটি অনিবার্যভাবেই আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশে তারা তাদের প্রতিপক্ষ ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে হয় ছলেবলে নিজেদের পক্ষে নিয়েছে এবং যারা আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিস্ট দল হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেগুলোকে ধ্বংস করতে এবং দলগুলোর নেতাদের উদ্দেশে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও তাদের নামে কুৎসা রটনা করতে, হত্যা, গুম করতে, মিথ্যা মামলায় ফাঁসাতে দ্বিধা করেনি। তা সত্ত্বেও তারা দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দূর করতে সক্ষম হয়নি। কারণ তারা তাদের দলের সূচনাকাল থেকে সব সময় অস্থিতিশীলতাকে পুঁজি করেই রাজনীতিতে তাণ্ডব সৃষ্টি করে রেখেছে।

আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে, তখন বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশন, জাতীয় সংসদসহ প্রতিটি সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানকে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগপ্রধানের মর্জির অধীন করতে চেষ্টা করেছে। ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত এসব কাজে তাদের পথে কেউ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতাকে তারা একচেটিয়া করে নিয়েছিল। ফলে সার্বিক অর্থে জাতি-গঠন প্রক্রিয়া কখনো শুরুই হতে পারেনি। অতএব রাষ্ট্রের সব বৈধ উপাদান-স্থায়ী জনগোষ্ঠী, সুনির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার এবং অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ একটি ‘আদর্শ রাষ্ট্রে’ পরিণত হতে পারেনি বলে অনেকে বিশ্বাস করেন।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে গণভোট, জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারের ওপর বিতর্ক চলছে, রাজপথে আন্দোলন চলছে। গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটে প্রায় নিশ্চিতই ছিল যে সংবিধানের আমূল সংস্কার সাধিত হবে। কিন্তু এখন আর তা মনে হচ্ছে না। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল স্পষ্ট করেছে যে তারা যেভাবে চাইবে, সেভাবে সংবিধান সংশোধন করবে। কোনো সংস্কার নয়। সংবিধানের কী সংশোধন আনা হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে প্রণীত সংসদীয় পদ্ধতির সংবিধানের খোলনলচে পাল্টে সেটিকে একদলীয় প্রেসিডেন্টশাসিত সংবিধানে রূপ দিয়েছিলেন। ১৯৭৩-এর নির্বাচনে জাতি শেখ মুজিবকে এই ম্যান্ডেট দেয়নি। আব্রাহামিক ধর্মগুলোকে আদিকাল থেকে অপরিবর্তনীয় বিবেচনা করা হয়। তা সত্ত্বেও অনেকে খ্রিস্টধর্ম ও চার্চকে পুরোপুরি সংস্কার করার পরামর্শ দিয়েছেন। ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ার ধর্ম ও রাষ্ট্র দুটিকেই সংস্কার করতে বলেছিলেন ‘অবশ্যই চার্চকে সংশোধন করতে হবে। আমাদের রাষ্ট্র সংস্কার করতে হবে!’ অতীতে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছে, সংস্কারের মাধ্যমে সেগুলোকে কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে না পারলে বাংলাদেশের পক্ষে নিকট-ভবিষ্যতে ‘আদর্শ রাষ্ট্রে’ পরিণত করা সম্ভব হবে না এবং জাতি গঠন প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে উঠবে। কিন্তু কে কার কথা শোনে? নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠনের পর অতীতের সব সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে-এখনো একই ভুলের ধারাবাহিকতা চলছে।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
সর্বশেষ খবর
গোপালগঞ্জে ট্রাকচাপায় যুবক নিহত
গোপালগঞ্জে ট্রাকচাপায় যুবক নিহত

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফরিদপুরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল বৃদ্ধার মরদেহ
ফরিদপুরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল বৃদ্ধার মরদেহ

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পেছনে হাত বেঁধে শিক্ষার্থীকে মারধর, প্রিন্সিপাল বরখাস্ত
পেছনে হাত বেঁধে শিক্ষার্থীকে মারধর, প্রিন্সিপাল বরখাস্ত

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুই পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
দুই পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অটোরিকশায় যুবকের কাছে মিলল দেড় লাখ ডলার
অটোরিকশায় যুবকের কাছে মিলল দেড় লাখ ডলার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারসাম্যহীন মায়ের নবজাতকের নাম রাখা হলো ‘আয়েশা আক্তার মুসকান’
ভারসাম্যহীন মায়ের নবজাতকের নাম রাখা হলো ‘আয়েশা আক্তার মুসকান’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আড়াইহাজারে ভুল সিলেবাসে পরীক্ষা; ৫৪ পরীক্ষার্থীর ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা
আড়াইহাজারে ভুল সিলেবাসে পরীক্ষা; ৫৪ পরীক্ষার্থীর ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কৃষির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত
কৃষির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’
‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মসজিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার উপায়
মসজিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার উপায়

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

নোয়াখালীতে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটায় দুইজনের কারাদণ্ড
নোয়াখালীতে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটায় দুইজনের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে কৃষিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে কৃষিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি
বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা
বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন
জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা
মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিলহজের প্রথম দশকের আমল
জিলহজের প্রথম দশকের আমল

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন
বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা
অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু
ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর
মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার
দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ
মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল
নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

১৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার
আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য
গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর
ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র
তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর
‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন
৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প
আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা
আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন
ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ
দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’
ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি
টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের
চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি
মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু
রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স
‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর
দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন
ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি
প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার
এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লিতে আবারও বাসের ভেতরে গণধর্ষণ
দিল্লিতে আবারও বাসের ভেতরে গণধর্ষণ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

প্রথম পৃষ্ঠা

চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক
চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শর্টকাটে বড়লোক!
শর্টকাটে বড়লোক!

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা

পেছনের পৃষ্ঠা

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা

পেছনের পৃষ্ঠা

রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা
রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’
আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’

মাঠে ময়দানে

ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা
ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা

নগর জীবন

রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব

সম্পাদকীয়

আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

পেছনের পৃষ্ঠা

আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের

পেছনের পৃষ্ঠা

২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু
২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু

দেশগ্রাম

গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!
গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!

দেশগ্রাম

দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা
দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা

নগর জীবন

ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১
ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১

দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল
‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল

শোবিজ

কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান
কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

নগর জীবন

পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন
পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন

দেশগ্রাম

দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’
দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’

শোবিজ

শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার
শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে
রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে

দেশগ্রাম

শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা
শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা

দেশগ্রাম

মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি
মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি

দেশগ্রাম

ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়
ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়

শোবিজ

ভালোবাসি মাগো
ভালোবাসি মাগো

ডাংগুলি