শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৪২, সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন

ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন

এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর লিখিত প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ব্যাংকিং সেক্টরের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ করেছেন। অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানিয়েছেন, গত বছর ৩১ ডিসেম্বর দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল মোট পাঁচ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য এবং তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১টিই চট্টগ্রামের বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম শিল্পগোষ্ঠীর।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে এস আলম শিল্পগোষ্ঠী ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য ছিল মূর্তিমান আতঙ্ক। তারা সরকারি সহায়তায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক দখল করে নেয়। মোট ছয়টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছিল শিল্পগোষ্ঠীর অধীন। এসব ব্যাংক থেকে এস আলম শিল্পগোষ্ঠী মোট দুই লাখ কোটি টাকা তুলে নেয়। ঋণের নামে গৃহীত অর্থ উদ্দিষ্ট প্রকল্পে ব্যবহার না করে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে। এ ছাড়া বিরাট অঙ্কের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণের যে পরিমাণ প্রদর্শন করে, তা প্রকৃত চিত্র নয়। এর বাইরেও বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ আইনি মারপ্যাঁচে খেলাপির খাতা থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ ব্যাংকিং সেক্টরে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ছয় লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় এক লাখ কোটি টাকা কমেছে। বকেয়া কিস্তি আদায়ের মাধ্যমে খেলাপি ঋণের পরিমাণ হ্রাস পায়নি, বরং বিগত অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া এক বিশেষ সুবিধার কারণেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ এতটা হ্রাস পেয়েছে। সেই সময় ১ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট জমা দিয়ে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট ১০ বছরের জন্য খেলাপি ঋণ পুনঃ তফসিলিকরণের সুবিধা দেওয়া হয়। এই আইনি সুবিধা কাজে লাগিয়েছেন অনেক ঋণখেলাপি।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে আ হ ম মুস্তফা কামাল অর্থমন্ত্রী থাকাকালে একবার ২ শতাংশ নগদ ডাউন পেমেন্টে এক বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছরের জন্য খেলাপি ঋণ পুনঃ তফসিলিকরণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। খেলাপি ঋণ হিসাব ক্লিন দেখানোর একটি চমৎকার কৌশল হচ্ছে ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণ।
ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিনব্যাংকিং সেক্টরে ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণ নতুন কোনো ব্যবস্থা নয়। সব দেশেই ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণ হয়। বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরে ব্যাপকভাবে ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণ প্রত্যক্ষ করা যায় ১৯৯১ সালে। সেই সময় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপি সরকার গঠন করার পর ২০ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ১৭১ জন শীর্ষ ঋণখেলাপির তালিকা জাতীয় দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছিল। এতে ঋণখেলাপিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তাঁরা নানাভাবে চেষ্টা করে ব্যাংক থেকে তাঁদের খেলাপি ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলি করিয়ে নেন। দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, কোনো ঋণ হিসাব সর্বোচ্চ তিনবার পুনঃ তফসিলি করা যেত। প্রতিবারের পুনঃ তফসিলিকরণের মেয়াদ ছিল তিন বছর। প্রথমবার ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণের জন্য মোট খেলাপি ঋণের ১০ শতাংশ নগদে জমা দিতে হতো। দ্বিতীয়বার ২০ শতাংশ এবং তৃতীয়বার ৩০ শতাংশ ব্যাংকে নগদ জমা দিতে হতো। পরবর্তী সময়ে ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণ আইন বারবার সহজ করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকার আমলে দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে বিদ্যমান আন্তর্জাতিক মানের আইনগুলো পরিবর্তনের মাধ্যমে দুর্বল করে ফেলা হয়। আ হ ম মুস্তফা কামাল অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর বলেছিলেন, ‘আজ থেকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক টাকাও বাড়বে না।’ অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশান্বিত হয়েছিলেন। তাঁরা ভেবেছিলেন এবার নিশ্চয়ই খেলাপি ঋণ আদায়ের লক্ষ্যে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্তু সবাইকে বিস্মিত করে দিয়ে তিনি বিদ্যমান আইনগুলোকে এমনভাবে পরিবর্তন করেন, যাতে ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করেই নিজেদের খেলাপি ঋণ মুক্ত দেখানো যায়। একজন অর্থনীতিবিদ এই ব্যবস্থাকে ‘কার্পেটের নিচে ময়লা রেখে ঘর পরিষ্কার দেখানোর প্রচেষ্টা’ বলে আখ্যায়িত  করেছিলেন। ব্যাংকিং সেক্টরে বিদ্যমান ঋণ হিসাব অবলোপন নীতিমালা পরিবর্তন এবং সহজীকরণ হয়। আগে ঋণ হিসাব অবলোপনের জন্য যে নীতিমালা অনুসরণ করা হতো, তা ছিল আন্তর্জাতিক মানের। কোনো ঋণ হিসাব মন্দমানে শ্রেণীকৃত হওয়ার পর পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হলে উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়েরপূর্বক শতভাগ প্রভিশন সংরক্ষণ সাপেক্ষে ঋণ হিসাবটি অবলোপন করা যেত। ঋণ হিসাব অবলোপন অর্থ ঋণের দাবি ত্যাগ করা নয়। সংশ্লিষ্ট ঋণ হিসাবের কাছে পাওনা ঋণাঙ্ক ব্যাংকের মূল লেজার থেকে আলাদা করে অন্য একটি হিসাবে সংরক্ষণ করাকে ঋণ হিসাব অবলোপন বলা হয়। অবলোপনকৃত ঋণ হিসাব থেকে ব্যাংক কিস্তি আদায়ের তৎপরতা অব্যাহত রাখে। এ ধরনের ঋণ হিসাব থেকে কোনো কিস্তি আদায় হলে তা সরাসরি ব্যাংকের মুনাফায় অন্তর্ভুক্ত হয়। আওয়ামী লীগ আমলে প্রথমে মন্দমানে শ্রেণীকৃত হওয়ার পর তিন বছর অতিক্রান্ত হলে সেই ঋণ হিসাব অবলোপনের যোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়। পরবর্তী সময়ে এই মেয়াদ দুই বছরে নামিয়ে আনা হয়। শতভাগ প্রভিশন সংরক্ষণ করার বিধান বাতিল করা হয়। পাঁচ লাখ টাকার কম ঋণাঙ্কের ক্ষেত্রে উপযুক্ত আদালতে মামলার শর্ত বাতিল করা হয়। আওয়ামী লীগ যখন ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসে, তখন ব্যাংকিং সেক্টরে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ঋণখেলাপিদের যেভাবে সুযোগ দেওয়া হয়েছে, অতীতে আর কোনো সরকার আমলে তা দেওয়া হয়নি। একবার জাতীয় দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে এবং আরো অন্তত চারবার জাতীয় সংসদের মাধ্যমে ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু এতে ঋণখেলাপিদের কোনো অসুবিধা হয়নি। তাঁরা বরং সমাজে বহাল তবিয়তে বাস করেছেন। এক শ্রেণির দুর্বৃত্ত রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তা অন্য খাতে প্রবাহিত করছেন। এমনকি বিদেশে পাচার করছেন। কিন্তু যাঁরা প্রকৃত ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা তাঁরা ব্যাংক থেকে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ঋণ পাচ্ছেন না। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর এক জরিপ থেকে জানা যায়, দেশের বেশির ভাগ ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, তাঁদের ব্যবসার মূল সমস্যা হচ্ছে পুঁজির অভাব। তাঁরা ব্যাংক থেকে চাহিদামতো ঋণ পাচ্ছেন না। 

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও আমরা দেশে জাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ একটি বুর্জোয়া শ্রেণি গড়ে তুলতে পারিনি। সরকারি সহায়তায় এখানে লুটেরা বুর্জোয়া শ্রেণির বিকাশ ঘটেছে বিস্ময়করভাবে। এই দেশপ্রেমহীন বুর্জোয়া শ্রেণির কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। বিত্তবান-বিত্তহীনের মাঝে বিদ্যমান অর্থনৈতিক বৈষম্য প্রকট থেকে প্রকটতর হচ্ছে। যারা দেশে বিত্তবান ব্যবসায়ী শ্রেণি হিসেবে পরিচিত, তাদের বেশির ভাগই ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে তাদের বিত্তের পাহাড় ক্রমেই স্ফীত করে চলেছে। শুধু তা-ই নয়, ব্যাংক থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ঋণ গ্রহণ করে তা বিদেশে পাচার করে চলেছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যানশিয়াল ইন্টেগ্রিটি (জিএফআই) তাদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ১০টি অর্থ পাচারকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। ২০১৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। দেশের ছয়টি শীর্ষস্থানীয় অর্থ পাচারকারী উদ্যোক্তা/শিল্পগোষ্ঠীর পাচারকৃত অর্থ এবং বিদেশে থাকা সম্পত্তি খুঁজে বের করার জন্য ১০টি ব্যাংক ৩৬টি নন-ডিসক্লোজার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এসব উদ্যোক্তা গোষ্ঠী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তার বড় অংশই বিদেশে পাচার করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণ গ্রহণ ও অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত হচ্ছে এস আলম গ্রুপ। তাদের ঋণের পরিমাণ হচ্ছে দুই লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো গ্রুপ। তাদের ব্যাংকঋণ এবং পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ হচ্ছে ৫৩ হাজার ৪২ কোটি টাকা।

ব্যাংকের বিনিয়োগযোগ্য অর্থ সামান্য কিছু উদ্যোক্তা গোষ্ঠীর হাতে আটকে থাকার কারণে বেশির ভাগ ব্যাংক এখন নতুন করে বিনিয়োগ করতে পারছে না। ব্যাংকিং সেক্টরে বিদ্যমান আইনগুলো ঋণখেলাপিদের অনুকূলে নিবেদিত। যাঁরা নিয়মিত ব্যাংকঋণের কিস্তি পরিশোধ করেন, তারা কার্যত ব্যাংক থেকে কোনো সুবিধা পান না। কিন্তু যাঁরা বছরের পর বছর ঋণের কিস্তি আটকে রাখেন, তাঁদের মাঝে মাঝেই সুবিধা দেওয়া হয়। ঋণখেলাপিদের মধ্যে সুস্পষ্ট দুটি শ্রেণি আছে। তাদের মধ্যে একটি শ্রেণি আছে, যারা নানা প্রতিকূলতার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাংকঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারে না। তারা প্রকৃত ঋণখেলাপি। আরেকটি শ্রেণি আছে, যারা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছা করেই ব্যাংকঋণের কিস্তি আটকে রাখে। আমাদের দেশে ঋণ গ্রহণ করতেও রাজনৈতিক এবং আর্থিক ক্ষমতা প্রয়োজন হয়। আবার ঋণখেলাপি হতেও একই রকম ক্ষমতার দরকার হয়। যাঁরা প্রকৃত ঋণখেলাপি অর্থাৎ ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সামর্থ্যের অভাবে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছেন না, তাঁদের নানাভাবে সহায়তা করে ঋণ পরিশোধে সক্ষম করে তোলা যেতে পারে। কিন্তু যাঁরা ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি এবং দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেন, তাঁরা কোনোভাবেই পার পেতে পারেন না। তাঁরা দেশ ও জাতির শত্রু। ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপ করাকে ক্রিমিনাল অফেন্স হিসেবে ঘোষণা করে এই দোষে দুষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা যেতে পারে। এখানে আরো একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, ব্যাংক কর্মকর্তারা যদি সততা এবং সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে খেলাপি ঋণ সৃষ্টির আশঙ্কা অনেকটাই কমে যাবে। এক শ্রেণির ব্যাংক কর্মকর্তা আছেন, যাঁরা ব্যক্তিগত লাভের আশায় অসৎ ঋণগ্রহীতাদের নানাভাবে সহায়তা করে থাকেন।

যাঁরা ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি এবং দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা যাঁদের জন্য বিপর্যস্ত হতে চলেছে, তাঁদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না। তাঁদের আইনানুগ শাস্তি বিধানের পাশাপাশি সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তাঁদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যাবে না। জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যেন কেউ তাঁদের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে না তোলেন। ঋণখেলাপিদের সন্তানদের বিদেশে পড়াশোনা অথবা চাকরির সুযোগ দেওয়া যাবে না। এমনকি তাদের শহরের কোনো ভালো স্কুলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ রহিত করতে হবে।

লেখক : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বর্তমানে প্রফেসর ইমেরিটাস এবং বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শিশু কিশোরদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া
শিশু কিশোরদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া
সর্বশেষ খবর
প্রতারণা এড়াতে নির্ধারিত অ্যাপ থেকে টিকিট কেনার পরামর্শ
প্রতারণা এড়াতে নির্ধারিত অ্যাপ থেকে টিকিট কেনার পরামর্শ

২৭ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

ভারতে মন্দিরের দেওয়াল ধসে ছয় জনের মৃত্যু
ভারতে মন্দিরের দেওয়াল ধসে ছয় জনের মৃত্যু

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেইমারকে নিয়ে কড়া বার্তা আনচেলত্তির
নেইমারকে নিয়ে কড়া বার্তা আনচেলত্তির

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের দু’দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শুরু
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের দু’দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শুরু

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মাছ ধরার নৌকায় কুয়েতে ঢুকে পড়ে আইআরজিসির ৪ সদস্য
মাছ ধরার নৌকায় কুয়েতে ঢুকে পড়ে আইআরজিসির ৪ সদস্য

৩৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে লাহোর, ঢাকার অবস্থান কত?
বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে লাহোর, ঢাকার অবস্থান কত?

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

টেকনাফে মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার
টেকনাফে মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লেবাননের দক্ষিণে থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার অনুরোধ
লেবাননের দক্ষিণে থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার অনুরোধ

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

সৌদি পৌঁছেছেন ৫৩৪১০ বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদি পৌঁছেছেন ৫৩৪১০ বাংলাদেশি হজযাত্রী

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমি একটুও ভাবি না : ট্রাম্প
সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমি একটুও ভাবি না : ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারিনা কায়সারকে লিভার ডোনেট করবেন তার ভাই
কারিনা কায়সারকে লিভার ডোনেট করবেন তার ভাই

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সকালে কুসুম গরম পানিতে মধু খাওয়ার উপকারিতা
সকালে কুসুম গরম পানিতে মধু খাওয়ার উপকারিতা

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির আভাস
ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির আভাস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাষ্ট্রপতির হৃদযন্ত্রে সফলভাবে স্টেন্ট স্থাপন
রাষ্ট্রপতির হৃদযন্ত্রে সফলভাবে স্টেন্ট স্থাপন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই চীন সফরে ট্রাম্প
যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই চীন সফরে ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স
গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তেহরান
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তেহরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের আট জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
দেশের আট জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিরোপার অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো রোনালদোর
শিরোপার অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো রোনালদোর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্থানীয় নির্বাচনী বিধিতে সংশোধন নিয়ে ইসির বৈঠক আজ
স্থানীয় নির্বাচনী বিধিতে সংশোধন নিয়ে ইসির বৈঠক আজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বার্সার ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বার্সার ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়
টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ মে ২০২৬

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঈদুল আজহা : ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
ঈদুল আজহা : ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাঁকজমকে শুরু কান চলচ্চিত্র উৎসব, ৭৯তম আসরে তারকার মেলা
জাঁকজমকে শুরু কান চলচ্চিত্র উৎসব, ৭৯তম আসরে তারকার মেলা

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে, রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় সোরিয়া
সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে, রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় সোরিয়া

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিল্প বাঁচাতে গভর্নরের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের
শিল্প বাঁচাতে গভর্নরের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাতিহীন সড়কে অপরাধীর দাপট
বাতিহীন সড়কে অপরাধীর দাপট

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউরোপেও পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা
ইউরোপেও পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা
‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
দেশব্যাপী ডিলার নিয়োগে টিসিবি, আবেদন অনলাইনে
দেশব্যাপী ডিলার নিয়োগে টিসিবি, আবেদন অনলাইনে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কখনো ভাবিনি বিদায় বলতে হবে’, নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারত ছাড়ছেন অভিনেত্রী
‘কখনো ভাবিনি বিদায় বলতে হবে’, নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারত ছাড়ছেন অভিনেত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চরম খাদ্য সংকটে ‘হাড্ডিসার’ ইউক্রেনের সম্মুখ সারির সেনারা: রিপোর্ট
চরম খাদ্য সংকটে ‘হাড্ডিসার’ ইউক্রেনের সম্মুখ সারির সেনারা: রিপোর্ট

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তামিলনাড়ুর ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ থালাপতি বিজয়ের
তামিলনাড়ুর ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ থালাপতি বিজয়ের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে বাধ্যতামূলক থাকতে হবে ‘কিউআর কোড’
ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে বাধ্যতামূলক থাকতে হবে ‘কিউআর কোড’

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা, সিসিভেদে বছরে কত?
মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা, সিসিভেদে বছরে কত?

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নাহিদের ৫ উইকেটে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
নাহিদের ৫ উইকেটে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আবার হামলা হলে পারমাণবিক বোমা তৈরির হুমকি ইরানের
আবার হামলা হলে পারমাণবিক বোমা তৈরির হুমকি ইরানের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স
গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রহস্যে ঘেরা রুশ জাহাজডুবি, সত্যিই কি পারমাণবিক গোপন মিশন
রহস্যে ঘেরা রুশ জাহাজডুবি, সত্যিই কি পারমাণবিক গোপন মিশন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ পাড়ি দিতে ইরানের ‘নতুন নিয়ম’, অনুমতি ছাড়া চলবে না কোনো জাহাজ
হরমুজ পাড়ি দিতে ইরানের ‘নতুন নিয়ম’, অনুমতি ছাড়া চলবে না কোনো জাহাজ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

থালাপতির শপথের পর তৃষার রহস্যময় বার্তা, নতুন করে সম্পর্কের গুঞ্জন
থালাপতির শপথের পর তৃষার রহস্যময় বার্তা, নতুন করে সম্পর্কের গুঞ্জন

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিশ্বরেকর্ড গড়া হলো না শান্তের
বিশ্বরেকর্ড গড়া হলো না শান্তের

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পকে অপদস্থ করতে চায় ইরান: বিশ্লেষক
ট্রাম্পকে অপদস্থ করতে চায় ইরান: বিশ্লেষক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছিল আরব আমিরাত, দাবি রিপোর্টে
ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছিল আরব আমিরাত, দাবি রিপোর্টে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো রাশিয়া
পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো রাশিয়া

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডকে টপকে ছয়ে বাংলাদেশ
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডকে টপকে ছয়ে বাংলাদেশ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

শিক্ষিত বেকার কমাতে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষিত বেকার কমাতে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদ উপলক্ষে শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
ঈদ উপলক্ষে শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গুরুতর অসুস্থ কারিনাকে চেন্নাইয়ে স্থানান্তর, যেতে পারেননি কায়সার হামিদ
গুরুতর অসুস্থ কারিনাকে চেন্নাইয়ে স্থানান্তর, যেতে পারেননি কায়সার হামিদ

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শ্রীলঙ্কা থেকে সাঁতরে ভারতে এলেন এক দম্পতি, নতুন ইতিহাস
শ্রীলঙ্কা থেকে সাঁতরে ভারতে এলেন এক দম্পতি, নতুন ইতিহাস

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের জেরে আমেরিকায় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৮, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস
যুদ্ধের জেরে আমেরিকায় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৮, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের মাঠজরিপ শুরু পশ্চিমবঙ্গের
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের মাঠজরিপ শুরু পশ্চিমবঙ্গের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা
‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের কৌশলে চরম হতাশাগ্রস্ত ট্রাম্প, ফের বড় যুদ্ধের পরিকল্পনা
ইরানের কৌশলে চরম হতাশাগ্রস্ত ট্রাম্প, ফের বড় যুদ্ধের পরিকল্পনা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মাননীয়’ বলার প্রয়োজন নেই, ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী
‘মাননীয়’ বলার প্রয়োজন নেই, ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা সুজিত বসু গ্রেফতার
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা সুজিত বসু গ্রেফতার

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের এজেন্ট হিসেবে কাজের অভিযোগ স্বীকার করলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মেয়র
চীনের এজেন্ট হিসেবে কাজের অভিযোগ স্বীকার করলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মেয়র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াডে জায়গা পেলেন নেইমার, তবে ছিটকে গেছেন এস্তেভাও
বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াডে জায়গা পেলেন নেইমার, তবে ছিটকে গেছেন এস্তেভাও

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দু
হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দু

সম্পাদকীয়

মেধাস্বত্ব শর্ত নতুন আমদানিনীতিতে
মেধাস্বত্ব শর্ত নতুন আমদানিনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

উত্তর ও দক্ষিণে যারা আলোচনায়
উত্তর ও দক্ষিণে যারা আলোচনায়

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদ লাইব্রেরি ব্যবহারে এগিয়ে বিরোধীদলীয় এমপিরা
সংসদ লাইব্রেরি ব্যবহারে এগিয়ে বিরোধীদলীয় এমপিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

জামিন আবেদন দ্রুত শুনানিতে  কার্যতালিকায় কারসাজি!
জামিন আবেদন দ্রুত শুনানিতে কার্যতালিকায় কারসাজি!

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশে তৈরি হবে হামের টিকা
দেশে তৈরি হবে হামের টিকা

প্রথম পৃষ্ঠা

ইতিবাচক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী ভারত
ইতিবাচক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী ভারত

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণের চাপে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
ঋণের চাপে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশ জিতবে
বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশ জিতবে

মাঠে ময়দানে

হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি
হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালু হচ্ছে বাংলা কিউআর কোড
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালু হচ্ছে বাংলা কিউআর কোড

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো সময়ের দাবি : প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো সময়ের দাবি : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত
ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্লভ ধূসর ডানাকালো দামা
দুর্লভ ধূসর ডানাকালো দামা

পেছনের পৃষ্ঠা

চোখ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে
চোখ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফাইনালে মোহামেডানকে পেল কিংস
ফাইনালে মোহামেডানকে পেল কিংস

মাঠে ময়দানে

হামে ৪ শতাধিক শিশুর মৃত্যু, ইউনূসের বিচার দাবি
হামে ৪ শতাধিক শিশুর মৃত্যু, ইউনূসের বিচার দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

দখল-দূষণে মৃতপ্রায় বগডুমারি খাল
দখল-দূষণে মৃতপ্রায় বগডুমারি খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

গাইবান্ধায় এক কুকুরের কামড়ে চারজনের মৃত্যু
গাইবান্ধায় এক কুকুরের কামড়ে চারজনের মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, শঙ্কা সেশন জটের
অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, শঙ্কা সেশন জটের

পেছনের পৃষ্ঠা

ইউক্রেন যুদ্ধে ময়মনসিংহের যুবক নিহত
ইউক্রেন যুদ্ধে ময়মনসিংহের যুবক নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

১০ দাবিতে জমিয়তের বিক্ষোভ শুক্রবার
১০ দাবিতে জমিয়তের বিক্ষোভ শুক্রবার

নগর জীবন

দিবালার স্বপ্নভঙ্গ নাকি করুণ সমাপ্তি
দিবালার স্বপ্নভঙ্গ নাকি করুণ সমাপ্তি

মাঠে ময়দানে

বরিশালে কোরবানির পশুর সংকট নেই
বরিশালে কোরবানির পশুর সংকট নেই

নগর জীবন

চমেক হাসপাতালে পিআইসিইউ সংকট
চমেক হাসপাতালে পিআইসিইউ সংকট

নগর জীবন

আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হান্টাভাইরাস
আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হান্টাভাইরাস

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজি বন্ধে চালু থাকবে হটলাইন
চাঁদাবাজি বন্ধে চালু থাকবে হটলাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

সরানো হলো মহাসড়কের পাশের আবর্জনা স্তূপ
সরানো হলো মহাসড়কের পাশের আবর্জনা স্তূপ

দেশগ্রাম

পানিতে দুর্গন্ধ, ভোগান্তি পৌরবাসীর
পানিতে দুর্গন্ধ, ভোগান্তি পৌরবাসীর

দেশগ্রাম