শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:৪০, বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা

বাংলাদেশে কৃষক কার্ডের ধারণাটাই নতুন। আর নতুন বছরের প্রথম দিনই এর যাত্রা। প্রাথমিকভাবে টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, বোদা, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেসারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এবং কক্সবাজারের টেকনাফ-এই ১১ উপজেলায় ফার্মার্স কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে এটি সারা দেশের সকল কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

কৃষকরা সচ্ছল থাকলে গোটা বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে বলে বিশ্বাসের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কৃষক পরিচয়পত্র হিসেবে কার্ডটি ডিজাইন করা হলেও, ভিসার প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি একটি নিরাপদ ও সহজ নগদহীন (ক্যাশলেস) লেনদেন ব্যবস্থাও নিশ্চিত করবে। কৃষকদের জন্য আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির নতুন দিগন্তের সূচনা হলো এ কার্ডের মাধ্যমে।

দিনটিতে সারা দেশে ১১টি উপজেলায় মোট ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক, মৎস্যচাষি, খামারি ও লবণচাষিদের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হয়। প্রাথমিকভাবে প্রত্যেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পেয়েছেন, যা তারা খরচ করবেন বীজ, সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ কিনতে। তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা পাঠানো হয়েছে।

বাংলা নববর্ষের দিন চালু হওয়া এই উদ্যোগটির মাধ্যমে কৃষি খাতে সরকারের আধুনিকায়ন, তথা জাতীয় উন্নয়নে অঙ্গীকারের প্রকাশ ঘটিয়েছে। কৃষক কার্ডে কৃষকরা মোট ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন। যার মধ্যে রয়েছে-ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্প খরচে কৃষিযন্ত্র ব্যবহার, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইলের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, রোগ ও পোকামাকড় দমনের পরামর্শ, কৃষি বীমা সুবিধা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ।

ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য কেনাবেচা এবং ট্র্যাকিংয়ের জন্য সাফল্যের সাথে ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশটিতে এ কার্ডের মাধ্যমে বিশেষ করে নাটমেগ (জায়ফল) চাষিদের জন্য এই কার্ড চালু রয়েছে, যা উৎপাদনকারী থেকে ডিলার পর্যন্ত পণ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। বাংলাদেশে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের দুই মাসের মাথায় চালু হলো ‘কৃষক কার্ড’।

এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে বীজ, সার, কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ ক্রয়, ফসল বিক্রি, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, বিমাসহ আরও বেশকিছু সুবিধা পাবেন। দরিদ্র কৃষকদের এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

সরকারি তথ্যমতে, বর্তমানে বাংলাদেশে কৃষক পরিবারের সংখ্যা এক কোটি ৬৫ লাখ। তাদেরকে ‘ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বড় কৃষক’- এই পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করার কাজ চলছে। যদ্দুর জানা গেছে, যাদের পাঁচ শতকের কম জমি রয়েছে যাদের, তাদের ফেলা হচ্ছে ভূমিহীন ক্যাটাগরিতে। পাঁচ থেকে ৪৯ শতক জমির মালিক যেসব কৃষক, তারা পড়ছেন প্রান্তিক শ্রেণিতে। এর বাইরে কৃষকদের মধ্যে যারা ৫০ থেকে ২৪৯ শতক জমির মালিক, তারা ক্ষুদ্র এবং যারা ২৫০ থেকে ৭৪৯ শতকের মালিক, তারা মাঝারি কৃষকের শ্রেণিতে পড়ছেন। অন্যদিকে, যাদের জমির পরিমাণ ৭৫০ শতকের বেশি, তাদের বড় কৃষক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পয়লা বৈশাখে দেয়া কার্ডের মধ্যে বেশিরভাগই ভূমিচাষী। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, তাদের মধ্যে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকের সংখ্যা ২১ হাজার ১৪১ জন। তবে সংখ্যায় অংল্প হলেও কার্ডধারীদের তালিকায় মৎস্যজীবী, প্রাণিসম্পদ খাতে নিয়োজিত খামারি এবং লবণচাষীও রয়েছে।

এর মধ্যে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন এবং দুগ্ধ খামারির সংখ্যা প্রায় ৮৫৫ জন। কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন হবে তিনটি ধাপে। এর মধ্যে এখন চলছে প্রি-পাইলটিং বা প্রাক-পরীক্ষামূলক ধাপ। এ ধাপের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আগস্টের মধ্যে শুরু হবে পাইলট বা পরীক্ষামূলক কার্যক্রম। পাইলটিংয়ের অভিজ্ঞতার আলোকে (তৃতীয় ধাপে) আগামী চার বছরে সারা দেশে এই কার্ড বিতরণ ও ডাটাবেজ তৈরির কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

কাজের ধরন ও আওতা বিচারে এটি বিশাল এক কর্মযজ্ঞ। যেনতেন কাজ নয়। সারা দেশের কৃষকদের ডাটাবেজ তৈরি, কার্ডের আওতায় আনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচ প্রদানের সুবিধা, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করার দুঃসাহসী এ কাজে সফল হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী কৃষিমন্ত্রী। দেশের একজন ব্যতিক্রমী বেসরকারি উদ্যোক্তা হিসেবে তার সেই অভিজ্ঞতা আছে বলে মনে করা হয়। মাথায় কিছু একটা নিলে সেটার সফল সমাপ্তি টানার রেকর্ড আছে তার। আবার প্রধানমন্ত্রীর চিন্তা-চেতনা এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত ভিশনারি। বহুমুখীও। কার্ডের মাধ্যমে কৃষককে বছরে অন্তত আড়াই হাজার নগদ টাকা দেয়ার পরিকল্পণা রয়েছে সরকারের। চাষি ও খামারিদের সুবিধার কথা ভেবে সরকারের এ উদ্যোগ কৃষকদের ভরসা জাগিয়েছে। ভরসা বা প্রত্যাশা জাগার পর তা বাস্তবায়ন সরকারের দায়বদ্ধতাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। সেইক্ষেত্রে সাবধানতা-সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের প্রণোদনার ব্যাপারে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বড় তিক্ত। তাই এর বাস্তব প্রতিফলনে সরকারকে সর্বোচ্চ মাত্রায় কঠোর হতে হবে। এ ব্যাপারে ন্যূনতম শৈথিল্যও বড় বদনাম তথা বিপর্যয় ডাকতে পারে।

বাংলাদেশে এর আগেও বিভিন্ন সময় কৃষক ও মৎস্যজীবীদের জন্য বিশেষ কার্ড চালু করার উদ্যোগ নিতে দেখা গেছে। এর মধ্যে ২০০৭ সালে কৃষকদের জন্য ‘কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড’ চালু করেছিল তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে দশ টাকার কৃষকদের ব্যাংক হিসাব খোলা এবং জেলেদের জন্য আলাদা কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু এগুলোর কোনোটাই পরবর্তীতে সেভাবে কাজে আসতে দেখা যায়নি। এর বড় কারণ ছিল অনিয়ম-দুর্নীতি। প্রযোজ্য ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে অনেকক্ষেত্রে ‘রাজনৈতিক বিবেচনায়’ অন্য ব্যক্তিদের তালিকায় রেখে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আর যেন সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা দেখতে না হয়। সরকারের দিক থেকে এবার তেমনটি ঘটবে না বলে আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদের দাবি-‘এই কৃষক কার্ড শতভাগ রাজনৈতিক মুক্ত। অতীতে যা হয়েছে, তা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে চাই’। তার এ ওয়াদা রক্ষা ও কাজ বাস্তবায়নের বাকিটা মানুষ দেখতে চায় বাস্তবে, মুখের কথায় নয়। 

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শিশু কিশোরদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া
শিশু কিশোরদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া
সর্বশেষ খবর
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির দু’দিনব্যাপী ভোট শুরু
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির দু’দিনব্যাপী ভোট শুরু

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মাছ ধরার নৌকায় কুয়েতে ঢুকে পড়ে আইআরজিসির ৪ সদস্য
মাছ ধরার নৌকায় কুয়েতে ঢুকে পড়ে আইআরজিসির ৪ সদস্য

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে লাহোর, ঢাকার অবস্থান কত?
বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে লাহোর, ঢাকার অবস্থান কত?

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

টেকনাফে মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার
টেকনাফে মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লেবাননের দক্ষিণে থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার অনুরোধ
লেবাননের দক্ষিণে থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার অনুরোধ

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

সৌদি পৌঁছেছেন ৫৩৪১০ বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদি পৌঁছেছেন ৫৩৪১০ বাংলাদেশি হজযাত্রী

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমি একটুও ভাবি না : ট্রাম্প
সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমি একটুও ভাবি না : ট্রাম্প

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারিনা কায়সারকে লিভার ডোনেট করবেন তার ভাই
কারিনা কায়সারকে লিভার ডোনেট করবেন তার ভাই

৩৬ মিনিট আগে | শোবিজ

সকালে কুসুম গরম পানিতে মধু খাওয়ার উপকারিতা
সকালে কুসুম গরম পানিতে মধু খাওয়ার উপকারিতা

৩৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

আংশিক মেঘলা থাকবে ঢাকার আকাশ
আংশিক মেঘলা থাকবে ঢাকার আকাশ

৫৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

রাষ্ট্রপতির হৃদযন্ত্রে সফলভাবে স্টেন্ট স্থাপন
রাষ্ট্রপতির হৃদযন্ত্রে সফলভাবে স্টেন্ট স্থাপন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই চীন সফরে ট্রাম্প
যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই চীন সফরে ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স
গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তেহরান
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তেহরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের আট জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
দেশের আট জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিরোপার অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো রোনালদোর
শিরোপার অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো রোনালদোর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্থানীয় নির্বাচনী বিধিতে সংশোধন নিয়ে ইসির বৈঠক আজ
স্থানীয় নির্বাচনী বিধিতে সংশোধন নিয়ে ইসির বৈঠক আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বার্সার ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বার্সার ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়
টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ মে ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঈদুল আজহা : ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
ঈদুল আজহা : ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাঁকজমকে শুরু কান চলচ্চিত্র উৎসব, ৭৯তম আসরে তারকার মেলা
জাঁকজমকে শুরু কান চলচ্চিত্র উৎসব, ৭৯তম আসরে তারকার মেলা

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে, রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় সোরিয়া
সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে, রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় সোরিয়া

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিল্প বাঁচাতে গভর্নরের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের
শিল্প বাঁচাতে গভর্নরের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাতিহীন সড়কে অপরাধীর দাপট
বাতিহীন সড়কে অপরাধীর দাপট

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউরোপেও পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা
ইউরোপেও পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা
‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৩ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৩ মে)

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই বছরেও উদঘাটন হয়নি এমপি আনার হত্যার রহস্য
দুই বছরেও উদঘাটন হয়নি এমপি আনার হত্যার রহস্য

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাকিতে পণ্য না পেয়ে দোকানে ভাঙচুর-গুলি, আহত ৫
বাকিতে পণ্য না পেয়ে দোকানে ভাঙচুর-গুলি, আহত ৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
দেশব্যাপী ডিলার নিয়োগে টিসিবি, আবেদন অনলাইনে
দেশব্যাপী ডিলার নিয়োগে টিসিবি, আবেদন অনলাইনে

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কখনো ভাবিনি বিদায় বলতে হবে’, নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারত ছাড়ছেন অভিনেত্রী
‘কখনো ভাবিনি বিদায় বলতে হবে’, নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারত ছাড়ছেন অভিনেত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চরম খাদ্য সংকটে ‘হাড্ডিসার’ ইউক্রেনের সম্মুখ সারির সেনারা: রিপোর্ট
চরম খাদ্য সংকটে ‘হাড্ডিসার’ ইউক্রেনের সম্মুখ সারির সেনারা: রিপোর্ট

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তামিলনাড়ুর ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ থালাপতি বিজয়ের
তামিলনাড়ুর ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ থালাপতি বিজয়ের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে বাধ্যতামূলক থাকতে হবে ‘কিউআর কোড’
ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে বাধ্যতামূলক থাকতে হবে ‘কিউআর কোড’

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা, সিসিভেদে বছরে কত?
মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা, সিসিভেদে বছরে কত?

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নাহিদের ৫ উইকেটে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
নাহিদের ৫ উইকেটে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আবার হামলা হলে পারমাণবিক বোমা তৈরির হুমকি ইরানের
আবার হামলা হলে পারমাণবিক বোমা তৈরির হুমকি ইরানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ পাড়ি দিতে ইরানের ‘নতুন নিয়ম’, অনুমতি ছাড়া চলবে না কোনো জাহাজ
হরমুজ পাড়ি দিতে ইরানের ‘নতুন নিয়ম’, অনুমতি ছাড়া চলবে না কোনো জাহাজ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

থালাপতির শপথের পর তৃষার রহস্যময় বার্তা, নতুন করে সম্পর্কের গুঞ্জন
থালাপতির শপথের পর তৃষার রহস্যময় বার্তা, নতুন করে সম্পর্কের গুঞ্জন

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রহস্যে ঘেরা রুশ জাহাজডুবি, সত্যিই কি পারমাণবিক গোপন মিশন
রহস্যে ঘেরা রুশ জাহাজডুবি, সত্যিই কি পারমাণবিক গোপন মিশন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স
গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বরেকর্ড গড়া হলো না শান্তের
বিশ্বরেকর্ড গড়া হলো না শান্তের

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পকে অপদস্থ করতে চায় ইরান: বিশ্লেষক
ট্রাম্পকে অপদস্থ করতে চায় ইরান: বিশ্লেষক

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছিল আরব আমিরাত, দাবি রিপোর্টে
ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছিল আরব আমিরাত, দাবি রিপোর্টে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

শিক্ষিত বেকার কমাতে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষিত বেকার কমাতে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো রাশিয়া
পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো রাশিয়া

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ উপলক্ষে শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
ঈদ উপলক্ষে শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডকে টপকে ছয়ে বাংলাদেশ
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডকে টপকে ছয়ে বাংলাদেশ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গুরুতর অসুস্থ কারিনাকে চেন্নাইয়ে স্থানান্তর, যেতে পারেননি কায়সার হামিদ
গুরুতর অসুস্থ কারিনাকে চেন্নাইয়ে স্থানান্তর, যেতে পারেননি কায়সার হামিদ

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শ্রীলঙ্কা থেকে সাঁতরে ভারতে এলেন এক দম্পতি, নতুন ইতিহাস
শ্রীলঙ্কা থেকে সাঁতরে ভারতে এলেন এক দম্পতি, নতুন ইতিহাস

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের মাঠজরিপ শুরু পশ্চিমবঙ্গের
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের মাঠজরিপ শুরু পশ্চিমবঙ্গের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের জেরে আমেরিকায় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৮, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস
যুদ্ধের জেরে আমেরিকায় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৮, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কৌশলে চরম হতাশাগ্রস্ত ট্রাম্প, ফের বড় যুদ্ধের পরিকল্পনা
ইরানের কৌশলে চরম হতাশাগ্রস্ত ট্রাম্প, ফের বড় যুদ্ধের পরিকল্পনা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মাননীয়’ বলার প্রয়োজন নেই, ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী
‘মাননীয়’ বলার প্রয়োজন নেই, ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা সুজিত বসু গ্রেফতার
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা সুজিত বসু গ্রেফতার

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা
‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চীনের এজেন্ট হিসেবে কাজের অভিযোগ স্বীকার করলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মেয়র
চীনের এজেন্ট হিসেবে কাজের অভিযোগ স্বীকার করলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মেয়র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াডে জায়গা পেলেন নেইমার, তবে ছিটকে গেছেন এস্তেভাও
বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াডে জায়গা পেলেন নেইমার, তবে ছিটকে গেছেন এস্তেভাও

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দু
হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দু

সম্পাদকীয়

মেধাস্বত্ব শর্ত নতুন আমদানিনীতিতে
মেধাস্বত্ব শর্ত নতুন আমদানিনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

উত্তর ও দক্ষিণে যারা আলোচনায়
উত্তর ও দক্ষিণে যারা আলোচনায়

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদ লাইব্রেরি ব্যবহারে এগিয়ে বিরোধীদলীয় এমপিরা
সংসদ লাইব্রেরি ব্যবহারে এগিয়ে বিরোধীদলীয় এমপিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

জামিন আবেদন দ্রুত শুনানিতে  কার্যতালিকায় কারসাজি!
জামিন আবেদন দ্রুত শুনানিতে কার্যতালিকায় কারসাজি!

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশে তৈরি হবে হামের টিকা
দেশে তৈরি হবে হামের টিকা

প্রথম পৃষ্ঠা

ইতিবাচক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী ভারত
ইতিবাচক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী ভারত

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণের চাপে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
ঋণের চাপে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশ জিতবে
বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশ জিতবে

মাঠে ময়দানে

হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি
হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালু হচ্ছে বাংলা কিউআর কোড
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালু হচ্ছে বাংলা কিউআর কোড

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত
ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো সময়ের দাবি : প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো সময়ের দাবি : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ফাইনালে মোহামেডানকে পেল কিংস
ফাইনালে মোহামেডানকে পেল কিংস

মাঠে ময়দানে

দুর্লভ ধূসর ডানাকালো দামা
দুর্লভ ধূসর ডানাকালো দামা

পেছনের পৃষ্ঠা

চোখ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে
চোখ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

দখল-দূষণে মৃতপ্রায় বগডুমারি খাল
দখল-দূষণে মৃতপ্রায় বগডুমারি খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

গাইবান্ধায় এক কুকুরের কামড়ে চারজনের মৃত্যু
গাইবান্ধায় এক কুকুরের কামড়ে চারজনের মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

হামে ৪ শতাধিক শিশুর মৃত্যু, ইউনূসের বিচার দাবি
হামে ৪ শতাধিক শিশুর মৃত্যু, ইউনূসের বিচার দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, শঙ্কা সেশন জটের
অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, শঙ্কা সেশন জটের

পেছনের পৃষ্ঠা

১০ দাবিতে জমিয়তের বিক্ষোভ শুক্রবার
১০ দাবিতে জমিয়তের বিক্ষোভ শুক্রবার

নগর জীবন

ইউক্রেন যুদ্ধে ময়মনসিংহের যুবক নিহত
ইউক্রেন যুদ্ধে ময়মনসিংহের যুবক নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

চমেক হাসপাতালে পিআইসিইউ সংকট
চমেক হাসপাতালে পিআইসিইউ সংকট

নগর জীবন

বরিশালে কোরবানির পশুর সংকট নেই
বরিশালে কোরবানির পশুর সংকট নেই

নগর জীবন

দিবালার স্বপ্নভঙ্গ নাকি করুণ সমাপ্তি
দিবালার স্বপ্নভঙ্গ নাকি করুণ সমাপ্তি

মাঠে ময়দানে

আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হান্টাভাইরাস
আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হান্টাভাইরাস

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজি বন্ধে চালু থাকবে হটলাইন
চাঁদাবাজি বন্ধে চালু থাকবে হটলাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

সরানো হলো মহাসড়কের পাশের আবর্জনা স্তূপ
সরানো হলো মহাসড়কের পাশের আবর্জনা স্তূপ

দেশগ্রাম

পানিতে দুর্গন্ধ, ভোগান্তি পৌরবাসীর
পানিতে দুর্গন্ধ, ভোগান্তি পৌরবাসীর

দেশগ্রাম