শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫৬, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা

ফাইজুস সালেহীন
অনলাইন ভার্সন
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা

বাংলাদেশে এই সময়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত রাজনৈতিক ইস্যু কোনটি? আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। মাঠে দলটি না থাকলেও আলোচনায় আছে সবখানে। টেলিভিশন ও সামাজিক মাধ্যমের টক শো এবং স্ট্যাটাসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে বিস্তর। আওয়ামী লীগকে নিয়ে পলিটিক্স জমেছে বেশ। যে বিএনপি অতীতে বহুবার বলেছে যে তারা নির্বাহী আদেশে কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষপাতী নয়। সেই দলটিই পার্লামেন্টে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে আইন পাস করেছে। পক্ষান্তরে যে জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগকে ব্যান করার দাবিতে সোচ্চার ছিল, তারা এখন বলছে যে তারা চায় সব দল দেশে রাজনীতি করুক। বর্তমানে আওয়ামী লীগ প্রশ্নে বিএনপির যে অবস্থান, জামায়াতে ইসলামী তার পক্ষে নয়। সরকারি ও বিরোধী-উভয় পক্ষের কাছে আওয়ামী লীগ যেন ইস্কাপনের টেক্কা। শেষ পর্যন্ত কে কার ওপর টেক্কা মারে সেটাই দেখার বিষয়।

আওয়ামী লীগ প্রশ্নে বিএনপির মনের কথা কী, আর জামায়াতই বা আওয়ামী লীগ ইস্যুটিকে কীভাবে কাজে লাগাতে চায় সে-ও এক চিন্তার বিষয়। ৫ আগস্টের আগে পর্যন্ত বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল আওয়ামী লীগের সঙ্গে। জামায়াতে ইসলামী ছিল বিএনপির কৌশলগত সহযাত্রী। এখন বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বিতা জামায়াতের সঙ্গে। আওয়ামী লীগ মাঠে নেই। কিন্তু এই দলটির হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক আছেন। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলই আওয়ামী লীগ ঘরানার ভোট নিজেদের বাক্সে টানার কৌশল করেছিল। নানাভাবে আওয়ামী লীগমনাদের কাছে টানার চেষ্টা করেছে। বাস্তবে বিএনপি আওয়ামী লীগের ভোট বেশি টানতে পেরেছে। এ ক্ষেত্রে বিএনপির নিজস্ব কৌশলের চেয়ে আওয়ামী লীগ ঘরানার ভোটারদের স্বপ্রণোদিত আদর্শিক নৈকট্যবোধ বেশি কাজ করেছে। তারা মনে করেছে, বিএনপি আর যা-ই হোক স্বাধীনতাবিরোধী দল নয়, বাহাত্তরের সংবিধানের প্রতিও বিদ্বিষ্ট নয়, ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি পুরোপুরি উপেক্ষা করে না, মৌলবাদী চিন্তার ধারকও নয়-ইত্যাদি বিবেচনায় আওয়ামী লীগের ভোটাররা মন্দের ভালো হিসেবে বিএনপিকে বেছে নিয়েছে। তার সর্বোৎকৃষ্ট প্রমাণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জসহ বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়। বৃহত্তর এই অঞ্চলের মানুষ স্বাভাবিক কারণেই আওয়ামী মনোভাবাপন্ন। সেই জনগণ এবার বিএনপিতে আস্থা রেখে নৈকট্যবোধের পরিচয় দিয়েছেন। সমীকরণটি বিএনপির নীতিনির্ধারকদের না বোঝার কোনো কারণ নেই। তাহলে বুঝেশুনেও দলটি আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এনডোর্স করল কেন! প্রশ্নটি জটিল, উত্তর সম্ভবত আরও বেশি জটিল। এখানে এ-ও মনে রাখা দরকার যে দল হিসেবে আওয়ামী লীগ কিন্তু নিষিদ্ধ নয়। তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ, তা-ও বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত। কার বিচার? আওয়ামী লীগের? যতদূর জানি এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নামে কোনো মামলা হয়নি।

সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিনকে গ্রেপ্তার এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়ায় জনমনে সম্ভব-অসম্ভব নানারকম চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে। অনুমান বাতাসে ভাসে। এর ভিত্তি থাকতেই হবে এমন কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নেই। ইচ্ছামতো অনুমান তো করাই যায়। প্রকৃতপক্ষে কী ঘটবে, সময় হলে তা স্পষ্ট বোঝা যাবে।

রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধকরণ, দমনপীড়ন-এগুলো দেশ ও বিদেশের ইতিহাসে নতুন নয়। কখনো কখনো গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত রাখতে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় রাজনৈতিক দলবিশেষের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ জরুরি হয়ে পড়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে জার্মানির নাৎসি পার্র্টি নিষিদ্ধ করার কোনো বিকল্প ছিল না। নাৎসি মতাদর্শের ওপর নিষেধাজ্ঞা জার্মানির গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাজনীতিতে উল্লেখ করার মতো কোনো নেতিবাচক অভিঘাত সৃষ্টি করেনি। তা না করলেও দুনিয়ার বহু দেশে কালের বিচারে দল বা মতাদর্শ অবদমনের পন্থা সুফল দেয়নি। উল্টো গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। যে শাসক দল গণতন্ত্রের কথা বলে কিংবা নিজের শ্রেণি বা বর্ণের স্বার্থে রাজনৈতিক মতাদর্শ বর্জিতকরণের নীতি গ্রহণ করেছে আখেরে তাদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এবং চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে। কোনো দল বা দলের অনুসৃত মতাদর্শ চিরকাল মাটিচাপা দিয়ে রাখা যায় না। বাংলাদেশের ইতিহাসেও তার নজির রয়েছে। যখন কোনো দল বা মতাদর্শ নিষেধাজ্ঞা ও দমনপীড়নের শিকার হয়, রাজনৈতিক রসায়নে তখন এমন কিছু বিক্রিয়া ঘটে, যা নিয়ন্ত্রণ করা শাসন-প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। নিষিদ্ধ পার্টি পরিস্থিতির চাপে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যেতে পারে। আর যখন কোনো পার্টি প্রকাশ্য রাজনীতির পথ পরিহার করে গোপন তৎপরতায় লিপ্ত হয়, তখন সে কী ধরনের রণকৌশল গ্রহণ করে তার কোনো ঠিক নেই। গুপ্তপন্থার রাজনীতি সামাজিক সুস্থিতি ও গণতন্ত্রের পথকে কণ্টকিত করতে পারে। কখনো কখনো তারা শাসক দলের ভিতরেও ছদ্মবেশে অবস্থান নিতে পারে। যেসব বুর্জোয়া দলের মিছিলে গেলেই সেই দলের সঙ্গে মিশে যাওয়া যায়, সেসব দলে অনুপ্রবেশ করা মোটেও কোনো কঠিন কাজ নয়। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ভিতরে নিষিদ্ধ বা অত্যাচারিত দলের বহু অ্যাকটিভিস্ট ছদ্মবেশে আশ্রয় নিয়েছিল। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তারা তাদের প্রকৃত চেহারা দেখিয়েছে সগৌরবে। এনসিপির অনেক নেতা ছাত্রলীগের ভিতরে থেকেই পরিপুষ্ট হয়েছেন। এসব চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর প্রয়োজন পড়ে না। স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক দল জাসদকে কঠোর হস্তে দমন করার পন্থা শেখ মুজিব সরকারের জন্য গলার কাঁটা হয়ে উঠেছিল। জাসদের জন্য প্রকাশ্য রাজনীতি কঠিন হয়ে পড়লে দলের ভিতরে উগ্রপন্থিরা শক্তিশালী হয়ে ওঠে। গণবাহিনীর মাধ্যমে দলটি সশস্ত্র পথে পা বাড়ায়। অনেকে মনে করেন ১৯৭৫ সালের পটভূমি তৈরিতে জাসদের অবদান নেহাত কম নয়। ১৯৭২ সালের সংবিধানে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হলেও ধর্মাশ্রিত রাজনীতি নিঃশেষিত হয়নি। পঁচাত্তরের পট পরিবর্তনের পর অনেক দিন পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী এ দেশে নিষিদ্ধই ছিল। জামায়াতের অনুপস্থিতিতে আইডিএলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল মাওলানা রহিমের নেতৃত্বে। আইডিএল জামায়াত ও অন্য ইসলামপন্থিদের একত্র করেছিল। এগুলো ইতিহাসের সত্য। পরে জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামিক দল নিজেদের নামে দল করার সুযোগ পেলে আইডিএলের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যায়।

দল বা মতাদর্শ নিষিদ্ধ হলে বা দমনপীড়ন নেমে এলে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাওয়ার আশঙ্কা ছাড়াও বিবিধ সিনড্রোম দেখা দিতে পারে। বাহ্যিক রূপান্তর ঘটতে পারে। অভিন্ন মতাদর্শের নেতা-কর্মীরা ভিন্ন নামে সক্রিয় হতে পারেন। আইডিএল তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ। নিবর্তনের শিকার দলের প্রতি জনগণের মধ্যে সহানুভূতির মনোভাব তৈরি হতে পারে। যার ফলে ফিনিক্স পাখির মতো নিপীড়িত দলটির পক্ষে আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে আত্মপ্রকাশ করতে পারা বিচিত্র নয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় নেলসন ম্যান্ডেলার পার্টি ত্রিশ বছর নিষিদ্ধ ছিল। যখন দলটিকে শ্বেতাঙ্গ শাসক গোষ্ঠী নিষিদ্ধ করে তখন এএনসি খুব বেশি শক্তিশালী ছিল না। কিন্তু নব্বই সালে ফিরে আসে অনেক বেশি শক্তি নিয়ে। অবসান ঘটে বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ শাসনের। দীর্ঘ সাতাশ বছর কারান্তরিন থেকে নেলসন ম্যান্ডেলা তাঁর জনগণের কাছে ফিরে আসেন জাতির অবিসংবাদিত নেতা হয়ে। তুরস্কে মোস্তফা কামাল পাশা ধর্মভিত্তিক সব দল নিষিদ্ধ করেছিলেন। বছরের পর বছর সে দেশে ধর্মভিত্তিক কোনো রাজনৈতিক দল মাথা তুলতে পারেনি। কিন্তু ধর্মভিত্তিক রাজনীতির মৃত্যু ঘটেনি। বরং ইসলামিস্ট দলগুলোর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে জাস্টিস ডেভেলপমেন্ট পার্টি, যার নেতা রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। জাস্টিস পার্টিই এখন ক্ষমতায় এবং বলা চলে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের নিকট প্রতিবেশী নেপালে কমিউনিস্ট পার্টি বছরের পর বছর নিষিদ্ধ ছিল। দলটি সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে শেষ পর্যন্ত জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করতে পেরেছিল। পুষ্পকমল দহল প্রচণ্ড; কমিউনিস্ট নেতা নেপালের ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

বস্তুত দল নিষিদ্ধ করে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কোনো ভালো ফল পাওয়া যায়নি। মাঝখান থেকে দুর্বল হয়েছে গণতন্ত্রের ভিত। কার্যত অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। আর গণতন্ত্রই হচ্ছে সুশাসন ও সামাজিক সুস্থিরতার চাবিকাঠি। আমরা যখন বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা বলি, তখন কোনোমতেই রাজনৈতিক দলবিশেষকে আইন দ্বারা বর্জিতকরণের নীতি গ্রহণ করা উচিত নয়। শত ফুল ফুটতে দাও। রাজনৈতিক দল বা মতাদর্শকে গ্রহণ-বর্জনের দায়ভার সরকারের নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার চেয়ে জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কোনো রাজনৈতিক দলীয় সরকারের নিজের সঙ্গে নিজের বিরোধ করা উচিত নয়। স্ববিরোধিতা সব সময়ই বিপজ্জনক। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ দিনবদলের স্লোগান দিলেও নিজের মন বদলায়নি। গণতন্ত্রের কথা বলে কৌশলে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে ছিল। পরিণাম ভালো হয়নি। আব্রাহাম লিঙ্কনের সেই অবিস্মরণীয় বাণীটি সবারই মনে রাখা দরকার। তিনি বলেছিলেন, দেশের সব মানুষকে কিছুদিন ধোঁকা দেওয়া যায়, কিছু মানুষকে সব সময়ই বোকা বানিয়ে রাখা যায়। কিন্তু সব মানুষকে সব সময় বোকা বানিয়ে রাখা যায় না।

♦ লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শিশু কিশোরদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া
শিশু কিশোরদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া
সর্বশেষ খবর
টেকনাফে মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার
টেকনাফে মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

লেবাননের দক্ষিণে থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার অনুরোধ
লেবাননের দক্ষিণে থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার অনুরোধ

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সৌদি পৌঁছেছেন ৫৩৪১০ বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদি পৌঁছেছেন ৫৩৪১০ বাংলাদেশি হজযাত্রী

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমি একটুও ভাবি না : ট্রাম্প
সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমি একটুও ভাবি না : ট্রাম্প

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারিনা কায়সারকে লিভার ডোনেট করবেন তার ভাই
কারিনা কায়সারকে লিভার ডোনেট করবেন তার ভাই

২১ মিনিট আগে | শোবিজ

সকালে কুসুম গরম পানিতে মধু খাওয়ার উপকারিতা
সকালে কুসুম গরম পানিতে মধু খাওয়ার উপকারিতা

২৪ মিনিট আগে | জীবন ধারা

আংশিক মেঘলা থাকবে ঢাকার আকাশ
আংশিক মেঘলা থাকবে ঢাকার আকাশ

৩৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

রাষ্ট্রপতির হৃদযন্ত্রে সফলভাবে স্টেন্ট স্থাপন
রাষ্ট্রপতির হৃদযন্ত্রে সফলভাবে স্টেন্ট স্থাপন

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই চীন সফরে ট্রাম্প
যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই চীন সফরে ট্রাম্প

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স
গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তেহরান
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তেহরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের আট জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
দেশের আট জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিরোপার অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো রোনালদোর
শিরোপার অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো রোনালদোর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্থানীয় নির্বাচনী বিধিতে সংশোধন নিয়ে ইসির বৈঠক আজ
স্থানীয় নির্বাচনী বিধিতে সংশোধন নিয়ে ইসির বৈঠক আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বার্সার ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বার্সার ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়
টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ মে ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঈদুল আজহা : ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
ঈদুল আজহা : ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাঁকজমকে শুরু কান চলচ্চিত্র উৎসব, ৭৯তম আসরে তারকার মেলা
জাঁকজমকে শুরু কান চলচ্চিত্র উৎসব, ৭৯তম আসরে তারকার মেলা

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে, রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় সোরিয়া
সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে, রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় সোরিয়া

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিল্প বাঁচাতে গভর্নরের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের
শিল্প বাঁচাতে গভর্নরের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাতিহীন সড়কে অপরাধীর দাপট
বাতিহীন সড়কে অপরাধীর দাপট

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউরোপেও পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা
ইউরোপেও পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা
‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৩ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৩ মে)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই বছরেও উদঘাটন হয়নি এমপি আনার হত্যার রহস্য
দুই বছরেও উদঘাটন হয়নি এমপি আনার হত্যার রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাকিতে পণ্য না পেয়ে দোকানে ভাঙচুর-গুলি, আহত ৫
বাকিতে পণ্য না পেয়ে দোকানে ভাঙচুর-গুলি, আহত ৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রহস্যে ঘেরা রুশ জাহাজডুবি, সত্যিই কি পারমাণবিক গোপন মিশন
রহস্যে ঘেরা রুশ জাহাজডুবি, সত্যিই কি পারমাণবিক গোপন মিশন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় দিনদুপুরে অস্ত্র ঠেকিয়ে লাখ টাকা ছিনতাই
কুমিল্লায় দিনদুপুরে অস্ত্র ঠেকিয়ে লাখ টাকা ছিনতাই

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
দেশব্যাপী ডিলার নিয়োগে টিসিবি, আবেদন অনলাইনে
দেশব্যাপী ডিলার নিয়োগে টিসিবি, আবেদন অনলাইনে

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কখনো ভাবিনি বিদায় বলতে হবে’, নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারত ছাড়ছেন অভিনেত্রী
‘কখনো ভাবিনি বিদায় বলতে হবে’, নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারত ছাড়ছেন অভিনেত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চরম খাদ্য সংকটে ‘হাড্ডিসার’ ইউক্রেনের সম্মুখ সারির সেনারা: রিপোর্ট
চরম খাদ্য সংকটে ‘হাড্ডিসার’ ইউক্রেনের সম্মুখ সারির সেনারা: রিপোর্ট

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তামিলনাড়ুর ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ থালাপতি বিজয়ের
তামিলনাড়ুর ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ থালাপতি বিজয়ের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে বাধ্যতামূলক থাকতে হবে ‘কিউআর কোড’
ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে বাধ্যতামূলক থাকতে হবে ‘কিউআর কোড’

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা, সিসিভেদে বছরে কত?
মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা, সিসিভেদে বছরে কত?

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নাহিদের ৫ উইকেটে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
নাহিদের ৫ উইকেটে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আবার হামলা হলে পারমাণবিক বোমা তৈরির হুমকি ইরানের
আবার হামলা হলে পারমাণবিক বোমা তৈরির হুমকি ইরানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ পাড়ি দিতে ইরানের ‘নতুন নিয়ম’, অনুমতি ছাড়া চলবে না কোনো জাহাজ
হরমুজ পাড়ি দিতে ইরানের ‘নতুন নিয়ম’, অনুমতি ছাড়া চলবে না কোনো জাহাজ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

থালাপতির শপথের পর তৃষার রহস্যময় বার্তা, নতুন করে সম্পর্কের গুঞ্জন
থালাপতির শপথের পর তৃষার রহস্যময় বার্তা, নতুন করে সম্পর্কের গুঞ্জন

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিশ্বরেকর্ড গড়া হলো না শান্তের
বিশ্বরেকর্ড গড়া হলো না শান্তের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রহস্যে ঘেরা রুশ জাহাজডুবি, সত্যিই কি পারমাণবিক গোপন মিশন
রহস্যে ঘেরা রুশ জাহাজডুবি, সত্যিই কি পারমাণবিক গোপন মিশন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছিল আরব আমিরাত, দাবি রিপোর্টে
ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছিল আরব আমিরাত, দাবি রিপোর্টে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে অপদস্থ করতে চায় ইরান: বিশ্লেষক
ট্রাম্পকে অপদস্থ করতে চায় ইরান: বিশ্লেষক

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিক্ষিত বেকার কমাতে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষিত বেকার কমাতে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ঈদ উপলক্ষে শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
ঈদ উপলক্ষে শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো রাশিয়া
পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো রাশিয়া

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডকে টপকে ছয়ে বাংলাদেশ
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডকে টপকে ছয়ে বাংলাদেশ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গুরুতর অসুস্থ কারিনাকে চেন্নাইয়ে স্থানান্তর, যেতে পারেননি কায়সার হামিদ
গুরুতর অসুস্থ কারিনাকে চেন্নাইয়ে স্থানান্তর, যেতে পারেননি কায়সার হামিদ

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শ্রীলঙ্কা থেকে সাঁতরে ভারতে এলেন এক দম্পতি, নতুন ইতিহাস
শ্রীলঙ্কা থেকে সাঁতরে ভারতে এলেন এক দম্পতি, নতুন ইতিহাস

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের মাঠজরিপ শুরু পশ্চিমবঙ্গের
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের মাঠজরিপ শুরু পশ্চিমবঙ্গের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের কৌশলে চরম হতাশাগ্রস্ত ট্রাম্প, ফের বড় যুদ্ধের পরিকল্পনা
ইরানের কৌশলে চরম হতাশাগ্রস্ত ট্রাম্প, ফের বড় যুদ্ধের পরিকল্পনা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মাননীয়’ বলার প্রয়োজন নেই, ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী
‘মাননীয়’ বলার প্রয়োজন নেই, ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

যুদ্ধের জেরে আমেরিকায় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৮, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস
যুদ্ধের জেরে আমেরিকায় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৮, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা সুজিত বসু গ্রেফতার
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা সুজিত বসু গ্রেফতার

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স
গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের এজেন্ট হিসেবে কাজের অভিযোগ স্বীকার করলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মেয়র
চীনের এজেন্ট হিসেবে কাজের অভিযোগ স্বীকার করলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মেয়র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা
‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াডে জায়গা পেলেন নেইমার, তবে ছিটকে গেছেন এস্তেভাও
বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াডে জায়গা পেলেন নেইমার, তবে ছিটকে গেছেন এস্তেভাও

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দু
হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দু

সম্পাদকীয়

মেধাস্বত্ব শর্ত নতুন আমদানিনীতিতে
মেধাস্বত্ব শর্ত নতুন আমদানিনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

উত্তর ও দক্ষিণে যারা আলোচনায়
উত্তর ও দক্ষিণে যারা আলোচনায়

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদ লাইব্রেরি ব্যবহারে এগিয়ে বিরোধীদলীয় এমপিরা
সংসদ লাইব্রেরি ব্যবহারে এগিয়ে বিরোধীদলীয় এমপিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

জামিন আবেদন দ্রুত শুনানিতে  কার্যতালিকায় কারসাজি!
জামিন আবেদন দ্রুত শুনানিতে কার্যতালিকায় কারসাজি!

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশে তৈরি হবে হামের টিকা
দেশে তৈরি হবে হামের টিকা

প্রথম পৃষ্ঠা

ইতিবাচক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী ভারত
ইতিবাচক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী ভারত

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণের চাপে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
ঋণের চাপে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি
হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশ জিতবে
বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশ জিতবে

মাঠে ময়দানে

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালু হচ্ছে বাংলা কিউআর কোড
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালু হচ্ছে বাংলা কিউআর কোড

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত
ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো সময়ের দাবি : প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো সময়ের দাবি : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ফাইনালে মোহামেডানকে পেল কিংস
ফাইনালে মোহামেডানকে পেল কিংস

মাঠে ময়দানে

দুর্লভ ধূসর ডানাকালো দামা
দুর্লভ ধূসর ডানাকালো দামা

পেছনের পৃষ্ঠা

দখল-দূষণে মৃতপ্রায় বগডুমারি খাল
দখল-দূষণে মৃতপ্রায় বগডুমারি খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

চোখ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে
চোখ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

গাইবান্ধায় এক কুকুরের কামড়ে চারজনের মৃত্যু
গাইবান্ধায় এক কুকুরের কামড়ে চারজনের মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

হামে ৪ শতাধিক শিশুর মৃত্যু, ইউনূসের বিচার দাবি
হামে ৪ শতাধিক শিশুর মৃত্যু, ইউনূসের বিচার দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১০ দাবিতে জমিয়তের বিক্ষোভ শুক্রবার
১০ দাবিতে জমিয়তের বিক্ষোভ শুক্রবার

নগর জীবন

অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, শঙ্কা সেশন জটের
অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, শঙ্কা সেশন জটের

পেছনের পৃষ্ঠা

ইউক্রেন যুদ্ধে ময়মনসিংহের যুবক নিহত
ইউক্রেন যুদ্ধে ময়মনসিংহের যুবক নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

দিবালার স্বপ্নভঙ্গ নাকি করুণ সমাপ্তি
দিবালার স্বপ্নভঙ্গ নাকি করুণ সমাপ্তি

মাঠে ময়দানে

চমেক হাসপাতালে পিআইসিইউ সংকট
চমেক হাসপাতালে পিআইসিইউ সংকট

নগর জীবন

বরিশালে কোরবানির পশুর সংকট নেই
বরিশালে কোরবানির পশুর সংকট নেই

নগর জীবন

আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হান্টাভাইরাস
আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হান্টাভাইরাস

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজি বন্ধে চালু থাকবে হটলাইন
চাঁদাবাজি বন্ধে চালু থাকবে হটলাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

সরানো হলো মহাসড়কের পাশের আবর্জনা স্তূপ
সরানো হলো মহাসড়কের পাশের আবর্জনা স্তূপ

দেশগ্রাম

পানিতে দুর্গন্ধ, ভোগান্তি পৌরবাসীর
পানিতে দুর্গন্ধ, ভোগান্তি পৌরবাসীর

দেশগ্রাম