শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:২৪, শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

আস্থা থাকা না-থাকা

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
আস্থা থাকা না-থাকা

মানুষ বিশ্বাস ছাড়া বাঁচে না। এমনকি অবিশ্বাসও তো বিশ্বাসই এক প্রকারের। তবে এটাও সাধারণত দেখা যায় যে ইহজাগতিক ব্যবস্থায় মানুষের আস্থা যতই কমে, পারলৌকিকতা ও প্রতারণায় বিশ্বাস ততই বাড়ে। আস্থা হারিয়ে কেউ চলে যায় ধর্মের দিকে, কেউ বা প্রতারণা-অভিমুখে। প্রতারকদের একাংশ যে ধার্মিক সাজে না, এমনও নয়। বৃদ্ধি পায় আলস্য এবং নেশাগ্রস্ততা। নেশা অবশ্য নানা প্রকারের হয়, হয়ে থাকে।

ছেলেবেলার একটি দৃশ্য আমি কখনো ভুলব না। ঢাকা শহরে ব্যবসাবাণিজ্যের তখনকার প্রধান কেন্দ্র চকবাজারের পাশেই আমাদের বাসা ছিল, বেগমবাজারে। যেতে-আসতে প্রায় রোজই আমার অনিষ্পলক চোখ দুটি পড়ত গিয়ে শর্ষের তেলের একজন আড়তদারের ওপর। তাঁর শরীর-স্বাস্থ্য, বসবার ভঙ্গি, চোখমুখের নিস্পৃহতা সবকিছুর ভিতর থেকেই একটা অলৌকিক আভা ছিল। যেন তিনি এ-জগতের নন, ভিন্নালোকের। অথচ খুবই ইহজাগতিক ছিলেন তিনি। নেতা ছিলেন ঢাকা শহর মুসলিম লীগের। বড় রকমেরই। তার চেয়েও বড় সত্য এই যে সেকালেই শর্ষের তেলের সঙ্গে তিনি মবিল মেশাতেন। জানত সবাই। কিন্তু বড়ই নির্বিকার ছিলেন, দেখেছি আমি। আমার বাবার প্রধান বিনোদন ছিল বাজার করা। বাজার থেকে শর্ষের তেল আনতেন যখন, আমার মনে জিজ্ঞাসা জাগত বিষ কিনে আনেননি তো, যে বিষ ওই আপাত ধার্মিক ভদ্রলোক বেশ করে মিশিয়ে দিয়েছেন তেলের সঙ্গে। এখন বুঝতে পারি ভদ্রলোক নির্ভেজালরূপে বিশ্বাসী ছিলেন। বিশ্বাস ছিল পুলিশ তাঁকে ধরবে না, তাঁর টাকা আছে। তদুপরি তিনি মুসলিম লীগের লোক। বিশ্বাস ছিল পুলিশে ধরলেও আদালত তাঁকে ছেড়ে দেবে, ওই একই কারণে। সেই বয়সে আমি আমার নিত্য দেখা ওই লোকটিকে খুবই ঘৃণা করতাম-ভয় করতাম বোধ করি আরও অধিক। ওই বিশ্বাসীকে আমি এখনো দেখতে পাই। মানসচক্ষে। কিন্তু পরে বুঝেছি-তিনি একা ছিলেন না, অনন্য নন, অনেকের একজন। এরা আস্থাহীন ইহজাগতিক ব্যবস্থায়। এরা বিশ্বাসী প্রতারণায় এবং আবরণ নেয় ধর্মের। সেকাল গেছে চলে, একালে অনেক কিছু বদলেছে, উন্নতি ঘটেছে বহু ক্ষেত্রে, কিন্তু আস্থা জিনিসটা মোটেই বাড়েনি, বরঞ্চ কমেছে। আস্থার বড়ই দুর্দশা এই স্বাধীন বাংলাদেশে। ওই যে বিশেষ দুটি ক্ষেত্রে যাদের ওপর নাগরিকদের জীবনমরণ, উন্নতি অবনতি অনেকাংশে নির্ভর করে; সেই পুলিশ এবং আদালতের ওপর নির্ভরশীলতা ভিতর থেকেই ক্ষয় হয়ে এসেছে।

পুলিশ এ দেশে কখনোই সাধারণ মানুষের বন্ধু ছিল না। এই বাহিনী সৃষ্টিই করা হয়েছিল মানুষকে রাজনৈতিকভাবে নিপীড়ন করার জন্য। সেই নিপীড়ন ব্রিটিশ আমলে ঘটেছে, পাকিস্তান আমলে অব্যাহত থেকেছে, বাংলাদেশ আমলেও বিশেষ কমেনি। ঘুষ নেওয়া তো আছেই, পুলিশ সন্ত্রাসীরূপেও আত্মপ্রকাশ করেছে। অপরাধের শিকার হলে মানুষ অনেক ক্ষেত্রে থানায় যায় না এই ভয়ে যে সেখানে গেলে দ্বিতীয়বার বিপদে পড়বে। মূলত দুর্ভাগ্যজনক বাস্তবতা হচ্ছে তারা চোর-ডাকাতকে যতটা না ভয় করে, পুলিশকে ভয় করে তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি। কারণ আছে।

আদালতে ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে না। এই ধারণাও পুরোনো। সেখানে টাউটদের রাজত্ব ছিল, টাউটদের দৌরাত্ম্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আইন ও বিচারে এভাবে আস্থা হারালে মানুষ যাবেটা কোথায়? কোথায় খুঁজবে আশ্রয়? খোঁজে ধর্মের কাছে। নিরাপত্তা হারানোর প্রাথমিক কারণটা অবশ্য রয়েছে অন্যত্র। রয়েছে অর্থনীতিতে। সেখানে দেখা যাচ্ছে অল্প কিছু মানুষ উপরে উঠছে অধিকাংশ মানুষকে দলিতমথিত বিধ্বস্ত করে। এই পীড়িত মানুষের জন্য কোনো ইহজাগতিক আশ্রয় নেই, তাই তারা আঁকড়ে ধরে অলৌকিক শক্তিকে, সাহায্য চায়, ক্ষতিপূরণ আশা করে। পরীক্ষায় নকল এ দেশে চিরকালই হতো, কিন্তু সাম্প্রতিককালে পরীক্ষায় যে হারে নকল হয়েছে, তেমনটি আগে এভাবে ঘটেনি। কারণ কী? মূল কারণ হচ্ছে আস্থার অভাব। নকলে কেবল যে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে তা নয়, অভিভাবকরাও নৈতিক ও বৈষয়িক সমর্থন জানাচ্ছে। না, এ-ব্যাপারে সবারই এক রাঁ-আমাদের ছেলেমেয়েদের অধিকার দিতে হবে। তাদের এই দাবির পেছনে যে মনোভাবটি কাজ করছে সেটা হলো দেশের সর্বত্র নকল হচ্ছে, আমাদের ছেলেমেয়েরা বঞ্চিত হবে কেন? আর অভিভাবকরা যখন পরীক্ষার্থীদের সহযোগী হয়, নকল সরবরাহ করে, পাহারা দেয়, নকল ধরলে ধাওয়া করে, তখন নকল থামাবে কে? থামানো যাচ্ছে না। আমাদের পরীক্ষাব্যবস্থায় সৃষ্টিশীলতাকে উৎসাহিত করার ব্যাপারটা কখনোই ছিল না। এখনো নেই। পরীক্ষায় মেধার পরীক্ষা হয় না, পরীক্ষা হয় মুখস্থ করার শক্তির। সৃষ্টি করবে না, ভাববে না, না-বুঝে মুখস্থ করবে, তারপর পরীক্ষার খাতায় যা তুমি সংগ্রহ করেছ কিন্তু ভুলেও হজম করনি তা উদ্গিরণ করে দেবে এবং এই কর্মকাণ্ডে কার কতটা দক্ষতা সেটার প্রমাণ দিয়ে নম্বর ও সার্টিফিকেট নিয়ে ঘরে চলে যাবে। এই ছিল ব্যবস্থা। বলা বাহুল্য ওই ব্যবস্থা বদলায়নি। বিদেশি পর্যবেক্ষকরা আমাদের এই স্মরণশক্তিকে বিস্ময়কর বলেছেন। এই দক্ষতাটাও তো আসলে নকলেরই। মনে রাখার নকলটা প্রচ্ছন্ন, কাগজ দেখে নকল করাটা প্রত্যক্ষ; এটাই পার্থক্য। প্রত্যক্ষটা নিন্দনীয় বলে গোপনটা যে প্রশংসনীয় তা নিশ্চয়ই নয়।

এ ক্ষেত্রে অনাস্থা যার ওপর প্রকাশ পাচ্ছে, সেটা হচ্ছে শ্রমশীলতা। আমাদের দেশে শ্রম অত্যন্ত অবহেলিত এবং অবমূল্যায়িত। শ্রমজীবী মানুষ বংশানুক্রমে, জন্মজন্মান্তরে পরিশ্রম করে। করতেই থাকে এবং দরিদ্র থাকে। তারা চাষা ও কুলি, তাদের মর্যাদা দেবে কে? শ্রমের সাহায্যে কেউ ওপরে ওঠে না। ওঠে প্রতারণা ও চাটুকারিতায়। যেজন্য শ্রমের ওপর কেউ আস্থা রাখে না। স্বাধীনতা এ ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনেনি, অবনতি ছাড়া। এবং এটাও স্বাভাবিক যে প্রতারক ও চাটুকাররা পরস্পরের প্রতি আস্থা রাখে না, বিশ্বাসও রাখে না। মানুষের অনেক গুণ, এমনকি অন্য প্রাণীর গুণাবলিও তার মধ্যে রয়েছে; যেমন কুকুরের গুণ। কুকুর বড়ই প্রভুভক্ত এবং পরস্পরের প্রতি হিংস্র। অন্য প্রাণীকে সহ্য করবে, কিন্তু নিজের প্রজাতির অন্য কাউকে দেখামাত্র শোরগোল শুরু করে দেবে। বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রভুভক্তি যেমন দেখা যায়, তেমনি দেখা যায় মারাত্মক রকমের কলহপ্রবণতা। প্রভুর প্রতি আস্থা রাখলেও প্রতিবেশীকে ঘৃণা করে।

ভেজাল বাড়ছে। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর বহু গুণ বেড়ে গেছে। কেউ ধরা পড়ছে না, ধরা পড়লেও শাস্তি হচ্ছে না, আস্থা বাড়ছে টাকার শক্তিতে। টাকায় সবকিছুই কেনা যায়। বড় বড়, এমনকি প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তিরাও টাকার ক্রয়সীমার বাইরে নন। ন্যায়বিচার না পেলেও নিজের পক্ষে বিচার কেনা যায়, চিকিৎসা তো প্রকাশ্যে ও পরিপূর্ণরূপেই পণ্যে পরিণত।

সবকিছু মিলিয়ে সত্য ওই একটাই, মানুষের বিশ্বাস নেই নিরাপত্তায় ও সুবিচারে। আস্থা নেই শ্রমে, শিক্ষা কিংবা চিকিৎসায়। কেউ তার নিজের দায়িত্ব পালন করেন না। বিপন্ন জীবনানন্দ দাশ আবহমান ভাঁড়কে দেখেছিলেন গাধার পিঠে-বসা; ভাঁড় এখন সর্বত্র, তবে প্রায় কেউই গাধার পিঠে নেই। তারা রয়েছে বিভিন্ন পদে, গুরুত্বপূর্ণ সব আসনে। আর এটা বললে মোটেই মিথ্যা বলা হবে না যে বেমানান ভাঁড় হোন কিংবা অতিসুচতুর দুর্বৃত্ত হোন, গুরুত্বপূর্ণ লোকদের মধ্যে এমন মানুষ খুব কমই রয়েছেন যারা বাংলাদেশের কোনো ভবিষ্যৎ রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন।

দুই. আস্থাহীনতার এই যে নটে গাছ, এ কেন মুড়ালো-তার তথ্যানুসন্ধান করলে দেখা যাবে যে মূল কারণ নেতৃত্বের ব্যর্থতা। জাতীয় জীবনে এমন কোনো স্তর নেই যেখানে নেতৃত্ব সফল হয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হলো রাজনৈতিক নেতৃত্বের। রাষ্ট্র হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। নিয়ন্ত্রণ তারই হাতে, আদর্শ সেই স্থাপন করে।

নির্বাচিত সরকার এসেছে বটে, কিন্তু প্রকৃত গণতন্ত্র আসেনি। গণতন্ত্রের জন্য নির্বাচন দরকার কিন্তু নির্বাচন থাকা মানেই গণতন্ত্র থাকা নয়। নির্বাচিত সরকারও স্বৈরাচারী হতে পারে বৈকি, যদি তার স্বচ্ছতা না থাকে, না থাকে জবাবদিহি এবং সর্বোপরি অভাব ঘটে দেশবাসীর স্বার্থ দেখার মনোভাব। অতীতে আমরা মাঝেমধ্যে নির্বাচিত সরকার পেয়েছি সত্যি, কিন্তু সত্যিকার গণতান্ত্রিক সরকার পাইনি। এবং যাকে গণতন্ত্র বলা হয়েছে তা আসলে দেখা গেছে টাকার থলির গণতন্ত্র। লোকেরা টাকার জোরে নির্বাচিত হয়েছে এবং নির্বাচিত হয়ে নিজেদের টাকার থলিকে আরও ভরপুর ও মোটা করেছে। টাকার জোর না থাকলে দলীয় মনোনয়ন পাওয়াই অসম্ভব, নির্বাচিত হওয়া তো অনেক দূরের কথা। যারা নির্বাচিত হন নির্বাচন কমিশনকে তাঁরা জানান যে খরচ করেছেন ৩ লাখ, আসলে খরচ করেন ৩ কোটি। ওই টাকা কোথা থেকে এলো তা জানা যায় না, জানতে কেউ চায়ও না। তবে এটা সর্বসাধারণের জানা থাকে অবশ্যই যে ৩ কোটি অচিরেই ৩০ কোটিতে পরিণত হবে। শ্রমের কারণে এই স্ফীতি ঘটবে না, ঘটবে লুণ্ঠনের কারণে। টাকা পাওয়া ও বৃদ্ধি করা সবটাই অলৌকিক, ঐন্দ্রজালিক। কেউ ধনী হয় চোরাচালান করে, কেউ ব্যাংক দখল করে, কেউ ঘুষ খেয়ে, কেউ বা রাজনীতি করে। কিন্তু রাজনীতিকদের কাজটাই সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক। কেননা তাঁরা হচ্ছেন নেতা, তাঁরাই আদর্শ, তাঁরা যে আদর্শ স্থাপন করেন, তারই অনুসরণ চলে, সর্বস্তরে। তাঁদের আশ্রয় ও সমর্থ না-পেলে অন্যরা অচল হতো, সাহসই করত না দুর্নীতির পথে পা বাড়াতে।

একটা নতুন নির্বাচিত সরকার দুই মাস হলো রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে। তারা দীর্ঘ তিক্ত অভিজ্ঞতার পথ পাড়ি দিয়ে এসেছে। ফলে তাদের কাছ থেকে অতীতের সরকারগুলোর বিচ্যুতি, ব্যর্থতা, দুর্নীতি-দুঃশাসনের পুনরাবৃত্তি কেউ প্রত্যাশা করে না। আশা করে-দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, মানবিক মর্যাদা এবং প্রকৃত গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করার মহান ব্রত গ্রহণ করবে নতুন সরকার। জনগণ সেটাই বিশ্বাসও করে। কারণ বিশ্বাস ছাড়া বাঁচে না মানুষ।

♦ লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
সর্বশেষ খবর
বেনাপোলে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত
বেনাপোলে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মিরপুরে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আটক ১
মিরপুরে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আটক ১

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রাইভেট কারে এসে মাদ্রাসার দানবাক্স লুট
প্রাইভেট কারে এসে মাদ্রাসার দানবাক্স লুট

৪ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গারো ও খাসিয়া সম্প্রদায়ের নারীদের নিয়ে শাবি শিক্ষকদের স্বাস্থ্য গবেষণা সেমিনার
গারো ও খাসিয়া সম্প্রদায়ের নারীদের নিয়ে শাবি শিক্ষকদের স্বাস্থ্য গবেষণা সেমিনার

৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

‘মার্কিন আগ্রাসন’ আতঙ্কে যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু কিউবার
‘মার্কিন আগ্রাসন’ আতঙ্কে যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু কিউবার

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে পৌঁছেছেন প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ১৬
সৌদিতে পৌঁছেছেন প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ১৬

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

বিড়াল রহস্য: সাত বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী, ব্রিটেনে কি শাসন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে
বিড়াল রহস্য: সাত বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী, ব্রিটেনে কি শাসন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের খারাপ সময় আসছে: চীন থেকে ফিরে হুঙ্কার ট্রাম্পের
ইরানের খারাপ সময় আসছে: চীন থেকে ফিরে হুঙ্কার ট্রাম্পের

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ

৩৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর
ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

উখিয়ায় দুই লাখ নব্বই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
উখিয়ায় দুই লাখ নব্বই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হটস্পট ৩০ উপজেলায় হাম সংক্রমণ কমেছে
হটস্পট ৩০ উপজেলায় হাম সংক্রমণ কমেছে

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ফেনীতে জোড়াতালির বাঁধে বাড়ছে শঙ্কা, বর্ষা ঘিরে আতঙ্কে লাখো মানুষ
ফেনীতে জোড়াতালির বাঁধে বাড়ছে শঙ্কা, বর্ষা ঘিরে আতঙ্কে লাখো মানুষ

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইবোলা ভাইরাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
ইবোলা ভাইরাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাসকিনের জোড়া আঘাত, দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পাকিস্তান
তাসকিনের জোড়া আঘাত, দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পাকিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ তিন নারী গ্রেফতার
কক্সবাজারে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ তিন নারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুরু আজ
ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুরু আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির
ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের প্লে-অফ: কোন দলের কী সমীকরণ?
আইপিএলের প্লে-অফ: কোন দলের কী সমীকরণ?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীতে ভোর থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি, থাকতে পারে দুপুর পর্যন্ত
রাজধানীতে ভোর থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি, থাকতে পারে দুপুর পর্যন্ত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা ডেকেছে সোমবার
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা ডেকেছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

স্ত্রী-কন্যাসহ হামাসের সামরিক শাখার প্রধান নিহত, নিশ্চিত করলো সংগঠনটি
স্ত্রী-কন্যাসহ হামাসের সামরিক শাখার প্রধান নিহত, নিশ্চিত করলো সংগঠনটি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কলম্বিয়ায় নির্বাচনের আগে হামলা, ডানপন্থী প্রার্থীর দুই প্রচারকর্মী নিহত
কলম্বিয়ায় নির্বাচনের আগে হামলা, ডানপন্থী প্রার্থীর দুই প্রচারকর্মী নিহত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়
বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’
ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!
২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আদা চায়ের উপকারিতা জেনে নিন
আদা চায়ের উপকারিতা জেনে নিন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৭ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৭ মে)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’
স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা
আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!
২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা
যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা
এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে
পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’
ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন
বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত
হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার

২২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান
আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর
আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?
বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার
অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনুমতির আশায় ইরানের দুয়ারে ইউরোপীয় দেশগুলো?
অনুমতির আশায় ইরানের দুয়ারে ইউরোপীয় দেশগুলো?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট
বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস
জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডস থেকে ভারতে ফিরল চোল সাম্রাজ্যের ১০০০ বছরের পুরোনো তাম্রলিপি
নেদারল্যান্ডস থেকে ভারতে ফিরল চোল সাম্রাজ্যের ১০০০ বছরের পুরোনো তাম্রলিপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!
নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

২১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সৌদিকে ছেড়ে ইসরায়েলি আশ্রয়ে আমিরাত, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দৃশ্যপট?
সৌদিকে ছেড়ে ইসরায়েলি আশ্রয়ে আমিরাত, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দৃশ্যপট?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ধাক্কায় শেষ হচ্ছে মার্কিন এমকিউ-নাইন রিপার ড্রোনের যুগ?
ইরানের ধাক্কায় শেষ হচ্ছে মার্কিন এমকিউ-নাইন রিপার ড্রোনের যুগ?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের

পেছনের পৃষ্ঠা

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ
উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত
জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত

পেছনের পৃষ্ঠা

মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট

প্রথম পৃষ্ঠা

চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে
প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক
এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক

মাঠে ময়দানে

ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার
ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’
প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’

মাঠে ময়দানে

ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা
ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা

শোবিজ

পায়েলের যত অভিযোগ
পায়েলের যত অভিযোগ

শোবিজ

এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের
এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের

মাঠে ময়দানে

শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি
শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

মাঠে ময়দানে

কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি

নগর জীবন

মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

মাঠে ময়দানে

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিবের বিশেষ বার্তা
শাকিবের বিশেষ বার্তা

শোবিজ

সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি
সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

তাদের ‘না বলা গল্প’
তাদের ‘না বলা গল্প’

শোবিজ

তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা
তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা

শোবিজ

ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প

প্রথম পৃষ্ঠা

টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল
টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল

মাঠে ময়দানে

ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার
হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তরায় হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
উত্তরায় হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন