শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৪৪, রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

আগামী ১২ মে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন। ইতোমধ্যে সংরক্ষিত আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে এবং আগ্রহী প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশন থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত ৩৭৫টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। নারী আসনে নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

এ নিবন্ধ প্রকাশিত হওয়ার আগেই ২১ এপ্রিলের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দান ও ২৩ এপ্রিলের মধ্যে বাছাইপর্ব শেষ করে পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে ধাপে ধাপে সংরক্ষিত নারী আসনসংখ্যা বৃদ্ধি করা হলেও নারীরা দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক হওয়া সত্ত্বে প্রতিনিধিত্বমূলক যেকোনো প্রতিষ্ঠানে নারী প্রতিনিধি এখনো ন্যূনতম পর্যায়ে অথবা আদৌ নেই। এমনকি বড় রাজনৈতিক দলগুলোও সরাসরি নির্বাচনে শীর্ষ পর্যায়ের নারী নেত্রী ছাড়া জেলা পর্যায়ের জনপ্রিয় নারী নেত্রীকেও এই আশঙ্কায় দলীয় মনোনয়ন দেয় না যে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ২ হাজার ৩৪ জনের মধ্যে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিলেন মাত্র ৮৬ জন। অর্থাৎ ৪ দশমিক ২৩ শতাংশ। বিএনপি ১৩টি আসনে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল। প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী একজন নারী প্রার্থীকেও মনোনয়ন দেয়নি। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও বিএনপি ১৩টি করে আসনে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল, এর অধিকাংশই ছিলেন দলের শীর্ষ নেতানেত্রীর সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্কে জড়িত।

নারী উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলেন না অথবা অতীতে বলেননি, দেশে এমন একজন নেতানেত্রীও খুঁজে পাওয়া যাবে না। সংবিধান প্রণেতারা বর্তমান সময়ের নেতানেত্রীদের চেয়ে নারীর ক্ষমতায়ন ও  বিকাশের ব্যাপারে বেশি আশাবাদী ছিলেন। কারণ তারা যে কল্পনার সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন, সেই লক্ষ্যে প্রণীত ১৯৭২ সালের সংবিধানে জাতীয় সংসদে ৩০০ আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত নারী আসন রেখেছিলেন মাত্র ১৫টি অর্থাৎ মাত্র ৫ শতাংশ এবং তা-ও মাত্র ১০ বছর বা দুটি জাতীয় সংসদের মেয়াদকাল পর্যন্ত। তারা আশা করেছিলেন, এই সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশের নারীরা সব দিক থেকে পুরুষের সমান সক্ষমতা অর্জন করবে এবং সংসদে তাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের প্রয়োজন পড়বে না। বরং তারা সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন।

তারা যদি আরেকটু সুদূরপ্রসারী চিন্তা করে ১৯৭২-এর মূল সংবিধানেই নারী আসনসংখ্যা ও মেয়াদ বৃদ্ধি করতেন, তাহলে পরবর্তী সংসদগুলোকে অন্তত নারী আসন নিয়ে বারবার সংবিধান সংশোধনের মতো জটিল কাজ করতে হতো না। কিন্তু তা হয়নি। তারা সামান্য দূরে ফেলে আসা ইতিহাসও বিস্মৃত হয়েছিলেন। পাকিস্তান আমলে নারীশিক্ষার হার থেকে শুরু করে সব খাতে নারীর অংশগ্রহণের সূচক এত নিচু ছিল, যে অবস্থা থেকে স্বাধীনতা লাভ করে মাত্র ১০ বছরেই নারীর সক্ষমতা বাড়িয়ে পুরুষের সমান করা যাবে-এটা সংবিধান প্রণেতা এবং ওই সময়ের ক্ষমতাসীন নেতা ও নীতিনির্ধারকদের অলীক ধারণা ছিল। পাকিস্তান আমলে জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানকে ৭টি সংরক্ষিত নারী আসন এবং পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে ৫টি সংরক্ষিত নারী আসন দিয়ে তুষ্ট রাখা হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীন দেশের সংবিধান প্রণেতারা সেই সীমাবদ্ধতার আবর্ত থেকে বের হয়ে আসতে পারেননি।

এমনকি ১৯৯১ থেকে ২০২৪-এর মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ৩৩ বছরের বেশি সময় পর্যন্ত দুজন নারী প্রধানমন্ত্রীর অধীনে বাংলাদেশ পরিচালিত হলেও কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে কোথাও লিঙ্গ-বৈষম্য দূর হয়নি। জনসংখ্যাভিত্তিক নারীর আনুপাতিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন হয়নি। তারা নারীর ক্ষমতায়নে যে কোনো ভূমিকা ও অবদান রাখেননি তা বলা সঠিক হবে না। নারী উন্নয়নে বেশ অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু প্রকৃত অর্থে নারীর ক্ষমতায়ন হয়নি এবং কর্ম ও আচরণের ক্ষেত্রে লিঙ্গ-বৈষম্য দূর হয়নি। বাংলাদেশি সমাজ ও পরিবার এখনো বহুলাংশে পুরুষশাসিতই রয়ে গেছে। জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য বললে অত্যুক্তি হবে না।

আইন প্রণয়ন করার উদ্দেশ্যে যারা জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হন এবং যারা আইন প্রণয়নে তাদের পরামর্শ প্রদান করেন, তারা এতটাই স্বল্পদর্শী যে কেবল সংরক্ষিত নারী আসন বৃদ্ধি, মেয়াদ সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজেই চারবার সংবিধান সংশোধন করেছেন। ১৯৭৯ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনসংখ্যা ১৫টি থেকে ৩০টিতে উন্নীত করে এর মেয়াদ ১৫ বছরের জন্য সম্প্রসারিত করা হয়। সংরক্ষিত নারী আসনের সম্প্রসারিত মেয়াদ ১৯৮৮ সালে শেষ হয়ে যাওয়ায় চতুর্থ জাতীয় সংসদ সংরক্ষিত নারী প্রতিনিধিশূন্য ছিল।

১৯৯০ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করার পর দশম সংশোধনীতে সংরক্ষিত নারী আসনের বিধান নতুন করে যুক্ত হয় এবং আসনসংখ্যা ৩০ রেখেই মেয়াদ আরও ১০ বছর বৃদ্ধি করা হয়। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি ২০০১ সালে পুনরায় সরকার গঠন করলে ২০০৪ সালে চতুর্দশ সংশোধনীতে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫টিতে উন্নীত এবং মেয়াদ নবায়ন করা হয় আরও ১০ বছরের জন্য, যা কার্যকর হয় ২০০৯ সালে গঠিত নবম জাতীয় সংসদে এবং যার পুরো সুবিধা ভোগ করে আওয়ামী লীগ সরকার। আওয়ামী লীগ যেহেতু সবকিছুর কৃতিত্ব নেওয়ার একটি দল, তারা নারী আসনের ক্ষেত্রে কৃতিত্ব গ্রহণের জন্য ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীতে নারী আসনসংখ্যা ৫টি বাড়িয়ে ৫০-এ উন্নীত করে। এই সংশোধনীতে নারী আসনগুলোর সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়নি।

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন মোট আসনসংখ্যার ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ। এবং সরাসরি নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছেন আরও ৭ জন নারী সদস্য। নির্বাচন আইন ২০০৪-এর বিধান অনুযায়ী প্রতি ছয়টি প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত নারী আসন হবে একটি। সে হিসাবে বিএনপি ও তাদের জোটভুক্তরা পাবে ৩৬টি নারী আসন এবং জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটভুক্তরা পাবে ১৩টি সংরক্ষিত আসন। সংরক্ষিত আসনে স্থান পাওয়ার আশায় বিএনপির সম্ভাব্য নারী প্রার্থীরা সাত শতাধিক মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এখন দলীয় মনোনয়ন লাভ এবং ইসির নিয়মমাফিক যাচাইবাছাই ও মনোনয়ন প্রত্যাহারপর্ব শেষে যারা টিকে থাকবেন, সরাসরি নির্বাচিত সদস্যরা ভোট দিয়ে তাদের মধ্য থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য সদস্য নির্বাচিত করবেন। কারা নির্বাচিত হন, তা দেখার জন্য ১২ মে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিতদের নিয়ে অতীতে অনেক কথা হয়েছে। স্বজনপ্রীতি, পক্ষপাতেরও অভিযোগ উঠেছে। রাজনীতির সঙ্গে কখনো সংশ্লিষ্ট ছিলেন না, এমন নারীকেও সংসদের শোভাবর্ধন করতে দেখা গেছে। ১৯৮৬ সালের সংসদে অর্থাৎ তৃতীয় জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী সদস্যদের নিয়ে সাপ্তাহিক ‘যায়যায়দিন’-এ ‘৩০ সেট অলংকার’ শীর্ষক কভার স্টোরি করার কারণে ম্যাগাজিনটির প্রকাশনা নিষিদ্ধ করেছিল এরশাদ সরকার। সম্পাদক শফিক রেহমান গ্রেপ্তার এড়াতে দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছিলেন। বর্তমান সংসদের সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যরা সংসদে তাদের যথাযথ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করি।

আরও একটি বিষয়ের প্রতি সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি, সেটি হলো আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর পার্লামেন্টে সংরক্ষিত নারী আসনের অনুপাতের দিকে লক্ষ্য রেখে বারবার সংবিধান সংশোধন করে নারী আসনের সংখ্যা বৃদ্ধির পরিবর্তে সুদূরপ্রসারী চিন্তা করে নারী আসন সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। পাকিস্তান জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত আসনসংখ্যা ২৬৬, সংরক্ষিত নারী আসন ৬০টি এবং সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন ১০টি।

নির্বাচিত আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত নারী আসন ১৭ শতাংশ। ভারতীয় লোকসভায় বর্তমানে ৫৪৩টি সরাসরি নির্বাচিত আসনের বিপরীতে ৭৪ জন নারী সংরক্ষিত আসনে আছেন। ২০২৩ সালে ভারতীয় সংবিধানের ১০৬তম সংশোধনীতে বা ‘নারী আসন সংরক্ষণ’ বিধানে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভাগুলোর ৩৩ শতাংশ নারী আসন সংরক্ষণ করা হয়েছে। ২০২৭ সালের আদমশুমারি ও নতুন নির্বাচনি এলাকা নির্ধারণের পর লোকসভার আসন বর্তমান ৫৪৩-এর থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৮১৬টি বা আরও বেশি হবে এবং এর মধ্যে ২৭৩ থেকে ২৮৩টি আসন সংরক্ষিত থাকবে নারীদের জন্য। অর্থাৎ প্রতি তিনজন নির্বাচিত সদস্যের মধ্যে একজন হবেন নারী। রাজনীতিতে নারীদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখার সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ সংশোধনী পাস করা হয়েছে। এ সংরক্ষণের মেয়াদ হবে ১৫ বছর। এরপর লোকসভা স্থির করবে এ ব্যবস্থা বহাল থাকবে কি না, অথবা মেয়াদ সম্প্রসারণ করা হবে কিনা। এ দৃষ্টান্ত থেকে বাংলাদেশেরও উচিত জনসংখ্যার অর্ধেককে রাজনীতিতে তাদের যোগ্য ভূমিকা রাখার সুযোগ দিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শিশু কিশোরদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া
শিশু কিশোরদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া
জামায়াত ও বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল
জামায়াত ও বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল
সর্বশেষ খবর
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?
ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি
ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’
তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’

৫৭ মিনিট আগে | শোবিজ

ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী
তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি
ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী
প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর
যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু
বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ
৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং
১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ
জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু
মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?
বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ
বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা
কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবির সাবেক ভিসির পিএসসহ দু’জনকে শাস্তি
শাবির সাবেক ভিসির পিএসসহ দু’জনকে শাস্তি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শেরপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতির ছেলেসহ গ্রেফতার ৩
শেরপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতির ছেলেসহ গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিয়ালের মাংস বিক্রি, দুই কৃষককে জরিমানা
শিয়ালের মাংস বিক্রি, দুই কৃষককে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকার জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে : অর্থমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকার জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে : অর্থমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘রাজনৈতিক মেরুকরণ ও মিথ্যা তথ্য শান্তির পথে বড় বাধা’
‘রাজনৈতিক মেরুকরণ ও মিথ্যা তথ্য শান্তির পথে বড় বাধা’

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কর্ণফুলী নদীতে তেলবাহী জাহাজ থেকে ডিজেল পাচার, গ্রেফতার ৯
কর্ণফুলী নদীতে তেলবাহী জাহাজ থেকে ডিজেল পাচার, গ্রেফতার ৯

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের
চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?
‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী
উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের
ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান
মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত
বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং
নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য
ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার
ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন
কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?
শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!
ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল
মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা
বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ
ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ
শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদাবাজি-ছিনতাই-মাদক ঠেকাতে যাদের ফোন দিই তারাই গডফাদার : এডিসি জুয়েল
চাঁদাবাজি-ছিনতাই-মাদক ঠেকাতে যাদের ফোন দিই তারাই গডফাদার : এডিসি জুয়েল

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত চায় নবযাত্রা
ভারত চায় নবযাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ

সম্পাদকীয়

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা
ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা

প্রথম পৃষ্ঠা

১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ
১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি

নগর জীবন

কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান
কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান

নগর জীবন

সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!
সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!

প্রথম পৃষ্ঠা

জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়
জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন
ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ
কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ

মাঠে ময়দানে

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশগ্রাম

বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ
বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি

শোবিজ

আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা

শোবিজ

পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা
পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা

প্রথম পৃষ্ঠা

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত
অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না
বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না

প্রথম পৃষ্ঠা

এসডিএফের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন
এসডিএফের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন

নগর জীবন

রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন

শোবিজ

মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ

শোবিজ

এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ
এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ

মাঠে ময়দানে

অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি

শোবিজ

১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির

প্রথম পৃষ্ঠা

ভরসা এখন স্পিনাররাই
ভরসা এখন স্পিনাররাই

মাঠে ময়দানে

এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী
এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু
তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু

দেশগ্রাম