শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:১০, রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রয়োজন

নিরঞ্জন রায়
অনলাইন ভার্সন
চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রয়োজন

আগামী অর্থবছরের জন্য বাজেট ঘোষণার সময় একেবারেই সন্নিকটে। অর্থ মন্ত্রণালয়ে বাজেট প্রস্তুতির কাজ নিশ্চয়ই বেশ জোরেশোরে এগিয়ে চলেছে।

প্রাক-বাজেট আলোচনাও প্রায় শেষের দিকে, যদিও এখনো বাজেট নিয়ে আলোচনা এবং লেখালেখি অব্যাহত আছে। এবারের বাজেটে কিছু বিশেষত্ব আছে।

প্রথমত, দীর্ঘ দুই বছর পর আবার মহান জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ হবে, আলোচনা হবে এবং সেই বাজেট পাসও হবে। আগের অর্থবছরের বাজেটে এই স্বাভাবিক পদ্ধতি অনুপস্থিত ছিল এবং অন্তর্বর্তী সরকার যেভাবে মনে করেছে, সেভাবেই বাজেট তৈরি করেছে। দ্বিতীয়ত, নির্বাচিত বর্তমান সরকারের জন্য এটি হবে প্রথম বাজেট। তা ছাড়া এবার হবে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জের বাজেট।

কেননা দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যে অর্থনৈতিক সংকট ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, সেটি বিবেচনায় নিয়ে বাজেট প্রস্তুত করা নিঃসন্দেহে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রথম চ্যালেঞ্জটি আসবে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের শাসনামলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খল অবস্থা থেকে। এই সময়ে দেশের অর্থনীতি একেবারে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। দেশের জিডিপি ৬ শতাংশের ওপর থেকে ৩ শতাংশের কাছে চলে এসেছে।

জিডিপির এমন ধস এর আগে কখনো হয়েছে কি না আমার জানা নেই। এই জিডিপি টেনে তোলা মোটেই সহজ কাজ নয়। বিগত দেড় বছরে সরকারি খাত যেমন বাধাগ্রস্ত হয়েছে, বেসরকারি খাতও তেমনি মারাত্মভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই দুই খাতে গতি সঞ্চার করার জন্য যে মাত্রার ফিসক্যাল পলিসি সহায়তা প্রয়োজন, তা এই বাজেটে নিশ্চিত করা একেবারেই দুরূহ কাজ। আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে গেলে কর বাড়াতে হবে, যা জনগণ এবং দেশের ব্যবসায়ীদের আরো বেশি আর্থিক সংকটে ফেলে দেবে।

এমনিতেই দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা। তাই তাদের ওপর করের বোঝা বৃদ্ধি করার সুযোগ নেই। ব্যবসায়ীদের অবস্থা আরো বেশি সংকটাপন্ন। প্রথমত, বেশির ভাগ ব্যবসায়ীর ক্রয়-বিক্রয় যথেষ্ট হ্রাস পেয়েছে এবং এর প্রভাবে মুনাফাও হ্রাস পেয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সরকারের কর আদায়ের পরিমাণও কমে গেছে। আগে যে ব্যবসায়ীর বার্ষিক মুনাফা ছিল দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা, তিনি সরকারকে কর প্রদান করতেন এক কোটি টাকা। এখন সেই ব্যবসায়ীর মুনাফা যদি হ্রাস পেয়ে দুই কোটিতে নেমে আসে, তাহলে তিনি সরকারকে কর পরিশোধ করবেন ৮০ লাখ টাকা। একইভাবে আমদানির পরিমাণ কমে যাওয়ায় আমদানি শুল্ক আদায়ের পরিমাণও অনেকটা হ্রাস পেয়েছে। এককথায় সরকারের রাজস্ব আদায়ের যতগুলো পথ খোলা আছে, সব ক্ষেত্রেই নিম্নগামী অবস্থা। ফলে সরকার কিভাবে রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করবে, সেটি এই মুহূর্তে বড় চ্যালেঞ্জ এবং সমস্যা। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, যার কারণে জ্বালানি সরবরাহে মারাত্মক বিঘ্ন এবং জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি। এই জ্বালানিসংকট এবং জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে অনেকেই বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার শঙ্কা করছেন।

অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এই যুদ্ধ শিগগিরই বন্ধ না হয়, তাহলে অর্থনৈতিক মন্দা অবশ্যম্ভাবী। আর যদি তেমনটি হয়, তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো চাপে পড়ে যাবে। যদি যুদ্ধ বন্ধ হয়ও, তাহলেও শিগগিরই যে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে, তেমনটি ভাবার কারণ নেই। যুদ্ধ বন্ধ হলে বিশ্বব্যাপী মন্দা হয়তো এড়ানো যাবে, কিন্তু বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি সংকটের মধ্য দিয়েই যাবে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সমস্যাটি বেশি জটিল হওয়ার আশঙ্কা আছে। কেননা অন্যান্য দেশের কিছুটা হলেও প্রস্তুতি আছে। আমাদের দেশের তো কোনো রকম প্রস্তুতি নেই, উল্টো অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের শাসনামলে সৃষ্ট ভয়াবহ সংকট বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা হয়ে আছে। এর বাইরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে আমেরিকায় প্রাইভেট ক্রেডিটকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিশৃঙ্খল অবস্থা ২০০৮ সালের সাবপ্রাইম মর্টগেজ কেলেঙ্কারির মতো এক আর্থিক সংকটের জন্ম দিতে পারে। বিষয়টি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সেভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে না পারলেও আমেরিকায় বিষয়টি নিয়ে বেশ জোরেশোরেই আলোচনা হচ্ছে। যদি প্রাইভেট ক্রেডিট সমস্যার সন্তোষজনক সমাধান না হয় এবং এ কারণে আমেরিকায় আর্থিক সংকট দেখা দেয়, তাহলে এর প্রভাব বিশ্বের অন্যান্য দেশেও পড়বে এবং বাদ যাবে না আমাদের দেশও। তাই বাজেট তৈরির সময় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যে সংকট আছে বা আরো সংকট দেখা দিতে পারে, সেই বিষয়গুলো সক্রিয় বিবেচনায় নিতে হবে।

 যা হোক, সমস্যার কথা বলে তো আর শেষ করা যাবে না। দেশের ভেতরে-বাইরে সর্বত্রই শুধু সমস্যা, যার সঠিক সমাধান খুব একটা খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন এই সমস্যার মধ্যে থেকেই চলতে হবে এবং এগিয়ে যেতে হবে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে আমাদের দেশে সব সময়ই বাজেট প্রণয়ন চ্যালেঞ্জের। কিন্তু এ বছর এই চ্যালেঞ্জের মাত্রা অনেক বেশি। আর চ্যালেঞ্জ সামনে রেখেই সরকারের বাজেট প্রণয়ন করতে হবে। ব্যয় সংকোচন করতে হবে এবং সেই সঙ্গে অপরিহার্য নয় এমন কিছু ব্যয় পরিহার বা স্থগিত করা যেতে পারে। কর বৃদ্ধির অবকাশ নেই বললেই চলে, উল্টো রাজস্ব হ্রাস পাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে। ফলে রাজস্ব ঘাটতি অবশ্যম্ভাবী।

আমাদের দেশে সাধারণত ঘাটতি বাজেটই প্রণীত হয়। অবশ্য ঘাটতি বাজেট কোনো সমস্যা নয়, যদি ঘাটতির অর্থ সঠিকভাবে সংগ্রহ করা যায়। তবে রাজস্ব বাজেটের ঘাটতি ভালো লক্ষণ নয়। অর্থনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সম্প্রসারণমূলক বাজেট প্রণয়ন করলে এ বছর রাজস্ব বাজেটেও ঘাটতি দেখা দিতে পারে, যা ব্যতিক্রম হিসেবে নিয়ে রাজস্ব বাজেটে অর্থায়নের জন্য সরকার ব্যাংকঋণের পরিবর্তে কর বা রাজস্ব বন্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। দু-এক বছর পর যখন স্বাভাবিক অবস্থা ফিরবে, তখন যে রাজস্ব আদায় হবে, তা দিয়ে এই বন্ডের অর্থ পরিশোধ করা যাবে। 

কিছু বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়ার প্রয়োজন আছে। সরকারের কাছে থাকতে হবে বৈদেশিক মুদ্রাসহ অর্থের প্রকৃত অবস্থান। কেননা বাজেটের সঙ্গে অর্থের জোগানের বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বৈদেশিক মুদ্রা এবং দেশীয় মুদ্রার তহবিলের বিষয়টি সেভাবে জানানো হয়নি। এই অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করে জিডিপি ও অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রকৃত অনুপাত বিবেচনায় নিয়ে সরকার ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে যথেষ্ট সম্প্রসারণমূলক বাজেটই প্রণয়ন করা সম্ভব। তবে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখতে হবে। আর দেশীয় মুদ্রায় যে ঘাটতি থাকবে, সেটি ব্যাংকঋণের পরিবর্তে সার্বভৌম বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারলে সবচেয়ে ভালো হবে। কেননা এতে দুটি লাভ হবে। প্রথমত, সরকার তুলনামূলক অল্প সুদে এই অর্থ সংগ্রহ করতে পারবে। দ্বিতীয়ত, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ সুবিধা সংকুচিত হবে না। দেশে সেকেন্ডারি বন্ড মার্কেট থাকলে কাজটি অনেক সহজ হতো। তাই এখন বিকল্প পদ্ধতিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই বন্ড বিক্রি করা যেতে পারে এবং এর পাশাপাশি দেশে সেকেন্ডারি বন্ড মার্কেট প্রতিষ্ঠার কাজে হাত দেওয়া প্রয়োজন।          

সরকারি দল হিসেবে বিএনপি প্রায় দুই দশক পরে জাতীয় বাজেট পেশ করতে চলেছে। সর্বশেষ এই দল যখন বাজেট পেশ করেছিল, তখন দেশের অর্থনীতির আকার ছিল ৮০ থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের মতো। দুই দশক পরে এসে এই দল যখন আবার বাজেট পেশ করতে চলেছে, তখন দেশের অর্থনীতির আকার প্রায় অর্ধট্রিলিয়ন ডলারের মতো। শুধু তা-ই নয়, এখন সরকার যখন বাজেট পেশ করবে, তখন জাতির সামনে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছার সম্ভাবনা। সুতরাং নতুন সরকারকে যে বেশ ভেবেচিন্তে এবং পরিকল্পনা করে তাদের প্রথম বাজেট প্রস্তুত করতে হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে সঠিক কিছু পদক্ষেপ নিতে পারলে এই চ্যালেঞ্জ এবং সংকটের মধ্যেও অর্থনৈতিতে গতি সঞ্চার করার মতো সম্প্রসারণমূলক বাজেট প্রণয়ন করা অসম্ভব নয়। আমাদের ধারণা, সরকার হয়তো সে পথেই হাঁটবে।

লেখক : সার্টিফায়েড অ্যান্টি মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
মন্ত্রণালয় গঠন ও হাওরকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘোষণা সময়ের দাবি
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
আনুকূল্য পেলে জেগে উঠবে চেতনা
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
বিদ্যালয়, উপাসনালয় আর আপনালয়: শিক্ষার সমাজপট
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শাপলা চত্বরে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন
শিশু কিশোরদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া
শিশু কিশোরদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া
জামায়াত ও বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল
জামায়াত ও বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল
সর্বশেষ খবর
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?
ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি
ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’
তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী
তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি
ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী
প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর
যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু
বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ
৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং
১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ
জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু
মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?
বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ
বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা
কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবির সাবেক ভিসির পিএসসহ দু’জনকে শাস্তি
শাবির সাবেক ভিসির পিএসসহ দু’জনকে শাস্তি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শেরপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতির ছেলেসহ গ্রেফতার ৩
শেরপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতির ছেলেসহ গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিয়ালের মাংস বিক্রি, দুই কৃষককে জরিমানা
শিয়ালের মাংস বিক্রি, দুই কৃষককে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকার জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে : অর্থমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকার জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে : অর্থমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘রাজনৈতিক মেরুকরণ ও মিথ্যা তথ্য শান্তির পথে বড় বাধা’
‘রাজনৈতিক মেরুকরণ ও মিথ্যা তথ্য শান্তির পথে বড় বাধা’

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কর্ণফুলী নদীতে তেলবাহী জাহাজ থেকে ডিজেল পাচার, গ্রেফতার ৯
কর্ণফুলী নদীতে তেলবাহী জাহাজ থেকে ডিজেল পাচার, গ্রেফতার ৯

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের
চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?
‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী
উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের
ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান
মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত
বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য
ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং
নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার
ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন
কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!
ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?
শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা
বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল
মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ
ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ
শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

প্রিন্ট সর্বাধিক
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত চায় নবযাত্রা
ভারত চায় নবযাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ

সম্পাদকীয়

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা
ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা

প্রথম পৃষ্ঠা

১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ
১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি

নগর জীবন

কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান
কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান

নগর জীবন

সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!
সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!

প্রথম পৃষ্ঠা

জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়
জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন
ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ
কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ

মাঠে ময়দানে

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশগ্রাম

বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ
বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি

শোবিজ

আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা

শোবিজ

পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা
পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা

প্রথম পৃষ্ঠা

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত
অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না
বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না

প্রথম পৃষ্ঠা

এসডিএফের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন
এসডিএফের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন

নগর জীবন

রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন

শোবিজ

মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ

শোবিজ

এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ
এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ

মাঠে ময়দানে

অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি

শোবিজ

১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির

প্রথম পৃষ্ঠা

ভরসা এখন স্পিনাররাই
ভরসা এখন স্পিনাররাই

মাঠে ময়দানে

এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী
এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু
তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু

দেশগ্রাম