শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:০০, রবিবার, ০৩ মে, ২০২৬

জামায়াত ও বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
জামায়াত ও বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল

বাংলাদেশের জনগণ এবং বিশেষ করে রাজনৈতিক মহল জামায়াতে ইসলামীকে কমিউনিস্ট পার্টির মতো একটি ক্যাডারভিত্তিক সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করে। তারা দলীয় আদর্শে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নীতিবাদী কর্মী বাহিনী দ্বারা সজ্জিত ও সমৃদ্ধ। দলীয় আদর্শ তাদের প্রাত্যহিক জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে। তারা তাদের আদর্শগত শৃঙ্খলার ওপর যতটা নির্ভর করে, দলকে গণসংগঠনে পরিণত করার কথা ততটা ভাবে না। তারা জনগণের সম্মিলিত শক্তির ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে দেশে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক পরিবর্তনের জন্য দলীয় আদর্শে উজ্জীবিত কর্মী বাহিনীর ওপর অধিক নির্ভর করে। দলের জন্য তারা বাঁচে, দলের জন্য জীবন দেয় এবং বিশ্বাস করে যে তারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে। তারা অন্য রাজনৈতিক দলের চাল বুঝতে পারে না। প্রতিপক্ষ দল কাছে টানলে তারা খুশিতে বাগ বাগ হয়ে ওঠে, হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে তারা তাদের তুষ্ট করার প্রতিযোগিতায় ন্যায়-অন্যায় বোধ হারিয়ে ফেলে; যেমনটি তারা হারিয়ে ফেলেছিল ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপির সঙ্গে সরকারে গিয়ে। মন্ত্রিপরিষদে গৃহীত অন্যায় সিদ্ধান্তে সায় দিতে তারা দ্বিধা করেছে, এমন শোনা যায়নি। এমনকি পরবর্তী নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটকে পুনরায় ক্ষমতায় আনার আশায় কেয়ারটেকার সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পদে প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানকে অধিষ্ঠান নিশ্চিত করতে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের কার্যকালের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছরে উন্নীত করার জন্য অন্যায়ভাবে সংবিধান সংশোধন করার সিদ্ধান্তের সঙ্গেও জামায়াতের দুজন মন্ত্রী ছিলেন, যাঁদের বিরুদ্ধে ‘এক টাকার’ দুর্নীতি করার অভিযোগ পর্যন্ত ওঠেনি বলে জামায়াত মহল আত্মতুষ্টি লাভ করে। দুর্নীতি বলতে কি কেবল টাকাপয়সার নয়ছয় করাকেই বোঝায়? ক্ষমতায় যাওয়ার আশায় বিচারপতিদের বয়স বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে আপত্তি না জানানো বড় ধরনের নৈতিক ও আদর্শিক স্খলন বলা হলে কি অন্যায় হবে?

এভাবেই জামায়াতে ইসলামী ইতিহাসের নানা পর্বে দলীয় আদর্শ ভুলে অন্য দলের রাজনৈতিক চালের কাছে ধরা দিয়েছে। অতীতে জামায়াতে ইসলামী বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মিষ্টিকথায় ভুলে তাদের জোটে যোগ দিয়ে অথবা পরোক্ষ সমর্থন দিয়ে কিছু পরিমাণে হলেও রাজনৈতিক প্রেমের টক-ঝাল-মিষ্টির আস্বাদ গ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু প্রেমে ভাটা পড়ায় উভয় দলের হাতে নির্মূলের মুখেও পড়েছিল। ২০০৯ সালের পর থেকে ২০২৪-এর জুলাই পূর্ববর্তী দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর জামায়াতে ইসলামীর অস্তিত্বের কঠিন সময়ে বিএনপি তার রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতের পাশে ছিল না। জুলাই বিপ্লবকে কেন্দ্র করে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের পুরোনো প্রেমে পুনরায় জোয়ার দেখা দিলেও তাতে ভাটা পড়েছে অতীতের চেয়ে দ্রুততার সঙ্গে। এখন বিএনপি নেতাদের মুখে আওয়ামী লীগের নেতাদের মতোই জামায়াতকে ‘বাংলার মাটি থেকে চিরতরে নির্মূল’ করার কথা খইয়ের মতো ফুটছে। জামায়াত তার মিত্রদের নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ইস্যুতে সংসদে ও সংসদের বাইরে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অবতীর্ণ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বিএনপি-জামায়াত হানিমুন পিরিয়ড শেষ হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীর আচরণ যে নিতান্তই বালখিল্য বা শিশুসুলভ, তা আমি দীর্ঘদিন থেকে বলে আসছি। অন্যরাও একই কথা বলছে। কিন্তু জামায়াত অন্যের পরামর্শ গ্রহণ ও সমালোচনা সহ্য করার দল নয়। তাদের পরামর্শ ও সিদ্ধান্তের উৎস দলের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা। সমালোচনাকে তারা নিজেদের ভুলত্রুটি শুধরে নেওয়ার উপায় বা ভবিষ্যতে সতর্কতার সঙ্গে কর্মপন্থা নির্ধারণের জন্য সহায়ক বলে ভাবে না। দলের ভিতর থেকে সমালোচনাকে মনে করে দলীয় শৃঙ্খলা ও আনুগত্যের খেলাপ এবং বাইরের কেউ সমালোচনা করলে তাকে শত্রু বিবেচনা করে। সন্দেহ নেই, জামায়াতের লোকজন খোদাভীরু এবং ‘হিকমত’ বা কৌশলের পাবন্দ ও আল্লাহর ‘রেজামন্দি’ বা সন্তুষ্টি অর্জনই তাদের মূল লক্ষ্য।

কিন্তু জন্মাবধি তারা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পুরোপুরি ‘নাদান’ বা বোকা। এই নাদানির কারণে তারা পদে পদে ভুল করে এবং এক একটা ভুলের খেসারত দেওয়ার দায়ভার বর্তায় দলটির এক প্রজন্মের নেতা-কর্মী থেকে আরেক প্রজন্মের নেতা-কর্মীদের ওপর। জামায়াতকে ঘায়েল করার জন্য স্বয়ং জামায়াতই যেন প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর হাতে মোক্ষম হাতিয়ার তুলে দিয়েছে। সেই হাতিয়ার ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ জামায়াতকে নির্মূল করার শপথ নিয়ে মাঠে নেমেছিল এবং তারা প্রহসনের বিচারে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বকে বিনাশ করেছে।

জামায়াত যেহেতু সুসংগঠিত একটি রাজনৈতিক দল, অতএব জামায়াত নির্মূল হয়নি। প্রায় নেতৃত্বহীন জামায়াত অকল্পনীয়ভাবে শুধু টিকেই থাকেনি, জাতীয় সংসদে নজিরবিহীন বিজয় লাভ করে শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। কিন্তু জামায়াতবিরোধী ছোট-বড় সব দল সুযোগ পেলেই জামায়াতের একাত্তর সালের ভূমিকার কথা টানে। জামায়াত দলীয় অবস্থান থেকে এ ব্যাপারে যত যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রদান করুক না কেন, সে ব্যাখ্যা কেউ গ্রহণ না করার জন্য মুখিয়ে থাকে। জামায়াত এক কথা বললে অন্যরা জামায়াতকে দশ কথা শুনিয়ে দেয়। এমনটাই চলে আসছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ৫৫ বছর ধরে। এর কোনো শেষ আছে বলে আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় না।

বাংলাদেশে পাকিস্তানি সৈন্যদের সব অপকর্মের দায়ভার জামায়াতের ওপর চাপানো নীতিকথার গ্রিক লেখক ঈশপের কাহিনিতে ভাটিতে থাকা মেষশাবকের ওপর পানি ঘোলা করার দোষ চাপানোর মতো। একাত্তরে জামায়াতের যতটুকু ভূমিকা ছিল তার চেয়ে বেশি যখন চাপানোর চেষ্টা যত না বাস্তব, তার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক। এসব কাহিনি ইতিহাসে ঠাঁই পেয়েছে, আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, শিশুরা তাদের পাঠ্যবইয়ে পড়েছে। দুটি প্রজন্ম এসব জেনেই বেড়ে উঠেছে। জামায়াত চেষ্টা করলে বা ব্যাখ্যা দিলেই এ অপবাদ সহজে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।

এ প্রসঙ্গে প্রাচীন ইরানের একটি কাহিনি উল্লেখ করার ইচ্ছা দমন করতে পারছি না। বায়ু ত্যাগ সম্পর্কে আর্য সভ্যতার ধারক ইরানিদের মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি অনমনীয়। এক ইরানি তরুণ অসতর্কতাবশত ভরা মজলিশে সশব্দে বায়ু ত্যাগ করে ফেলেন। ঘটনার পর তার মনে এত অনুশোচনা জাগে এবং তিনি শহর ত্যাগ করে চলে যান। বহু বছর আত্মনির্বাসিত থাকার পর তিনি এই আশায় নিজ শহরে ফিরে আসেন যে তার বহুবর্ষ আগের তুচ্ছ অভদ্রতাকে ইতোমধ্যে লোকজন নিশ্চয়ই বিস্মৃত হয়েছে। সময়ের ব্যবধানে শহরের পরিবর্তন ঘটেছে। নিজ বাড়ির পথ খুঁজে না পেয়ে তিনি এক জায়গায় খেলাধুলারত কিছু শিশুকে নিজের নাম বলে তার বাড়িটি দেখিয়ে দিতে অনুরোধ করেন। শিশুরা আগ্রহে সাড়া দেয়, ‘তার মানে আপনি অমুক বায়ু ত্যাগকারীর বাড়ি খুঁজছেন?’ মনের দুঃখে হতভাগ্য লোকটি আবার নির্বাসনে চলে যান।

অতএব, জামায়াতের পক্ষে একাত্তরের অপবাদ কাটিয়ে ওঠা প্রায় অসম্ভব। আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকলে তাদের কাছে জামায়াত নির্দোষ, একইভাবে বিএনপির সঙ্গে থাকলে তাদের কাছে জামায়াত নির্দোষ। যেহেতু দীর্ঘদিন দুই প্রধান দল তাদের যেভাবে নাচিয়েছে, তারা সেভাবে নেচেছেন, অতএব তাদের পক্ষে ‘পুতুলের কী দোষ?’ বলার সুযোগ কম। রাজনৈতিক বিচারবুদ্ধিতে পরিপক্ব হলে জামায়াত শুরু থেকে এই দ্বিচারিতা পরিহার করতে পারত।

জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির দূরত্ব সৃষ্টি জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার নিয়ে। জামায়াতকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে বিএনপি সরকার আড়াই মাস কাটিয়ে দিয়েছে। তারা যে সংস্কার করতে সম্মত হয়েছিল, জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিল এবং গণভোট মেনে নিয়েছিল, তা যে কেবল সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করানোর কৌশল ছিল তা তারা প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার পক্ষে দায়িত্বশীল মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছেন। এ কৌশলকে তারা মিথ্যাচার বা প্রতারণামূলক আচরণ বলে মনে করে না। কারণ ক্ষমতা অনেকটা মদের নেশার মতো। একটি প্রাচীন ল্যাটিন প্রবাদ আছে : ‘ইন ভিনো ভেরিতাস’ (In Vino Veritas), যার অর্থ ‘মদের মাঝে সত্য আছে’। মদ পান করে কেউ যখন মাতাল হয়, তখন প্রায়ই গোপন কথা ফাঁস করে দেয়। গোপন কথা কাউকে না বলার জন্য কসম কাটানো হলে নেশার ঘোরে অপকটে সব বলে ফেলে। এজন্য মদকে ‘ট্রুথ সিরাম’ বলা হয়। ‘সিরাম’ যেমন রক্তকে জমাটবদ্ধ হতে দেয় না, মাতালের মাঝে মদের প্রভাব সত্যকে আটকে রাখতে দেয় না। মিথ্যা বলার জন্য কসম কাটানোর প্রভাব কেটে যায়, অহংবোধ বৃদ্ধি পায় এবং অবদমিত সত্যগুলো সুড়সুড় করে বের হয়ে আসতে থাকে। বিএনপি ক্ষমতার সেই নেশার মধ্যে রয়েছে। এখন তারা সত্য উগরে দিচ্ছে।

আসলে কৌশল অবলম্বনের কোনো প্রয়োজন ছিল না বিএনপির। সাবেক প্রধান উপদেষ্টা লন্ডন সফরে গিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকেই সংসদ নির্বাচন পূর্বঘোষিত ২০২৬ সালের জুন মাস থেকে ফেব্রুয়ারিতে এগিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। নির্বাচন যথসময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে, সদস্যদের শপথ গ্রহণের দিন বিএনপি সদস্যরা গণভোট বাস্তবায়নসংক্রান্ত শপথ গ্রহণ না করার মধ্য দিয়েই বুঝিয়ে দিয়েছে যে বিএনপি জুলাই সনদে আস্থা রাখে না। জামায়াত নেতারা যে বিএনপির আশপাশে থেকে, তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেও বিএনপির রাজনৈতিক চাল বুঝতে পারেননি, এটাই তাঁদের বরাবরের অদূরদর্শিতার বৈশিষ্ট্য।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসে বিএনপি সরকার কি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে? রাজনৈতিক বিচারে করেনি। কারণ মিথ্যাচার রাজনীতির স্বীকৃত কলা। ইয়াহিয়া খানের ঘোষিত ‘আইনগত কাঠামো আদেশ’ বা ‘এলএফও’র শর্তাবলি মেনে ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ দল আওয়ামী লীগ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্রী পাকিস্তান’-এর জন্য ‘ইসলামের শাশ্বত সত্যের’ ভিত্তিতে সংবিধান প্রণয়ন করার উদ্দেশ্যে। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ যা বিশ্বাস করে না, নির্বাচনের স্বার্থে তা করতে সম্মত হয়েছিল। 

প্রাচীন রাজনৈতিক ব্যবস্থায় মিথ্যাচার কেবল কোনো রাজনীতিবিদের ব্যক্তিগত ত্রুটি ছিল না, বরং একটি স্বীকৃত এবং অনেক সময় শাসন, প্রভাব বিস্তার ও সামাজিক সমন্বয়ের আবশ্যকীয় উপাদান ছিল। বর্তমান সময়ের রাজনীতিতেও মিথ্যাচার এবং রাজনীতি সমার্থক। রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক দার্শনিকরা রাজনৈতিক মিথ্যাচারের দার্শনিক যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেছেন। প্লেটো তাঁর গ্রন্থ ‘রিপাবলিক’-এ সতর্কতার সঙ্গে সামাজিক সংহতি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মিথ্যার আশ্রয় নিতে বলেছেন।

তিনি বিশ্বাস করতেন যে ‘রাষ্ট্রের উৎস সম্পর্কিত সত্য প্রকাশ করা হলে জনগণ শাসকের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সমাজের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার কারণ সৃষ্টি করতে পারে। এতে প্রতিফলিত হয় যে বৃহত্তর কল্যাণের স্বার্থে কিছু সত্য প্রকাশ না করাই উত্তম। প্রাচীন এথেন্সের গণতান্ত্রিক জীবনের কেন্দ্রে ছিল প্রতারণা ও বাগাড়ম্বর। বক্তা, নাট্যকার এবং রাজনীতিবিদরা প্রায়ই জনগণের মতামতকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে অতিরঞ্জিত কথা বলতেন এবং সরাসরি মিথ্যাচার করতেন।

তবে এ কথাও সত্য যে রাজনীতিতে মিথ্যাচার কোনো না-কোনো পর্যায়ে বিপর্যয় ডেকে আনে। প্রাচীন গ্রিসের নগর রাষ্ট্র ধ্বংস হয়েছে।  বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের রাজনীতিও টেকেনি। ইংলিশ কবি ডি এইচ লরেন্স তাঁর ‘সার্চ ফর ট্রুথ’ কবিতায় বলেছেন : ‘সত্য ছাড়া আর কোনো কিছু বেশি সন্ধান কর না/স্থির ও দৃঢ় হয়ে সত্য ধারণের চেষ্টা কর/নিজেকে প্রথম যে প্রশ্নটি করবে, তা হলো :/“আমি কত বড় মিথ্যাবাদী”!’

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
সর্বশেষ খবর
প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা
প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?
নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ
প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্টার্টআপ প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছে মাইলস্টোন স্কুল
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্টার্টআপ প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছে মাইলস্টোন স্কুল

২৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

৩৫ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

৩৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শুরু, নিজেদের মাটিতে কি 'শনির দশা' কাটাতে পারবে কানাডা?
বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শুরু, নিজেদের মাটিতে কি 'শনির দশা' কাটাতে পারবে কানাডা?

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ জয় ব্রাজিলের, আর্জেন্টিনা কত নম্বরে
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ জয় ব্রাজিলের, আর্জেন্টিনা কত নম্বরে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা
ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে ম্যাচের আগে মাঠের বাইরে ঝড় তুলছেন ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি
বিশ্বকাপে ম্যাচের আগে মাঠের বাইরে ঝড় তুলছেন ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানুষের জীবনমান উন্নয়নই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য : আমানউল্লাহ আমান
মানুষের জীবনমান উন্নয়নই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য : আমানউল্লাহ আমান

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুড়িগ্রামে প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল সমর্থক পুলিশ দলের জয়
কুড়িগ্রামে প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল সমর্থক পুলিশ দলের জয়

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নীলফামারীতে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি
নীলফামারীতে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা
আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবারের বাজেট কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
এবারের বাজেট কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসন কমাতে বড় সিদ্ধান্তের পথে সুইজারল্যান্ড, নজিরবিহীন গণভোটের আয়োজন
অভিবাসন কমাতে বড় সিদ্ধান্তের পথে সুইজারল্যান্ড, নজিরবিহীন গণভোটের আয়োজন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু
ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ব সংগীত দিবসে হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘প্রাণ বন্ধের সনে’
বিশ্ব সংগীত দিবসে হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘প্রাণ বন্ধের সনে’

৩ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে অনিশ্চিত নিকোলাস তাগলিয়াফিকো
আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে অনিশ্চিত নিকোলাস তাগলিয়াফিকো

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া আয়োজন জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া আয়োজন জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

শনিবার কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
শনিবার কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রশাসনে বড় রদবদল
প্রশাসনে বড় রদবদল

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ময়মনসিংহে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল
ময়মনসিংহে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

কুলাউড়ায় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
কুলাউড়ায় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২৬
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২৬

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিনেমায় নিজেকে ‘ফ্লপ অভিনেতা’ সম্বোধন, ভক্তদের ক্ষোভ নিয়ে মুখ খুললেন অক্ষয়
সিনেমায় নিজেকে ‘ফ্লপ অভিনেতা’ সম্বোধন, ভক্তদের ক্ষোভ নিয়ে মুখ খুললেন অক্ষয়

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার নগদের
বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার নগদের

৪ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

ইতালিয়ানরা যে কারণে এবার ব্রাজিলকে সাপোর্ট করবে
ইতালিয়ানরা যে কারণে এবার ব্রাজিলকে সাপোর্ট করবে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ব্যাংকে কত টাকা থাকলে কর দিতে হবে না
ব্যাংকে কত টাকা থাকলে কর দিতে হবে না

১৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে পরিবর্তন
শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে পরিবর্তন

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন লাল কার্ডের ম্যাচে মেক্সিকোর দুর্দান্ত জয়
তিন লাল কার্ডের ম্যাচে মেক্সিকোর দুর্দান্ত জয়

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাটকীয়তা শেষে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান
নাটকীয়তা শেষে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
বিশ্বকাপের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে এমবাপ্পেদের দাবি মেনে নিল ফ্রান্স
বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে এমবাপ্পেদের দাবি মেনে নিল ফ্রান্স

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন বছরের বেশি কোমায় থাকার পর থাই রাজকুমারী বজ্রকিতিয়াভার মৃত্যু
তিন বছরের বেশি কোমায় থাকার পর থাই রাজকুমারী বজ্রকিতিয়াভার মৃত্যু

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ কেন বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক-মেসেঞ্জার?
হঠাৎ কেন বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক-মেসেঞ্জার?

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মিরাজকে নিয়ে শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা করলো বাংলাদেশ
মিরাজকে নিয়ে শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা করলো বাংলাদেশ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জীবন দিয়ে সন্তানের লোভের মূল্য চুকালেন বৃদ্ধ পিতা
জীবন দিয়ে সন্তানের লোভের মূল্য চুকালেন বৃদ্ধ পিতা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতা মেক্সিকোর কুইনোনেস
বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতা মেক্সিকোর কুইনোনেস

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘এখন কেউ বলতে পারবে না, ধানক্ষেতের উইকেটে জিতেছি’
‘এখন কেউ বলতে পারবে না, ধানক্ষেতের উইকেটে জিতেছি’

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ২-১ গোলে চেক রিপাবলিককে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ২-১ গোলে চেক রিপাবলিককে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন লাল কার্ড থেকে রুদ্ধশ্বাস জয়, বিশ্বকাপের প্রথম দিনে যা যা ঘটল
তিন লাল কার্ড থেকে রুদ্ধশ্বাস জয়, বিশ্বকাপের প্রথম দিনে যা যা ঘটল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন
সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেমন হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি? মূল বিষয় তুলে ধরলেন কূটনীতিক
কেমন হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি? মূল বিষয় তুলে ধরলেন কূটনীতিক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ সেবা বিঘ্নিত
ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ সেবা বিঘ্নিত

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

কিছু ব্যাংক থেকে এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে : গভর্নর
কিছু ব্যাংক থেকে এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে : গভর্নর

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাজিল ম্যাচের আগে মরক্কোর দলে বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন দুই তারকা
ব্রাজিল ম্যাচের আগে মরক্কোর দলে বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন দুই তারকা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে সম্মান করি, তবে লড়াইটা কঠিন করতে চাই: রবার্টসন
ব্রাজিলকে সম্মান করি, তবে লড়াইটা কঠিন করতে চাই: রবার্টসন

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আড়াই বছর গোল পাননি, সেই তিনিই বনে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নায়ক
আড়াই বছর গোল পাননি, সেই তিনিই বনে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নায়ক

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তি নয়, আলোচনার শুরু মাত্র: ট্রাম্পের দাবিতে পানি ঢাললেন বিশ্লেষকরা
চুক্তি নয়, আলোচনার শুরু মাত্র: ট্রাম্পের দাবিতে পানি ঢাললেন বিশ্লেষকরা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমান্তে শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একমত বিজিবি-বিএসএফ
সীমান্তে শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একমত বিজিবি-বিএসএফ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সম্ভাব্য চুক্তির তথ্য ফাঁস, ইরানকে ‘অবিশ্বস্ত’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প
সম্ভাব্য চুক্তির তথ্য ফাঁস, ইরানকে ‘অবিশ্বস্ত’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রানীরহাট হয়ে গাবতলী পর্যন্ত মেট্রোরেলের আদলে ট্রেন চলাচল করবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
রানীরহাট হয়ে গাবতলী পর্যন্ত মেট্রোরেলের আদলে ট্রেন চলাচল করবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইট মেরে মোটরসাইকেল চালককে হত্যাচেষ্টা, ৩ আসামি কারাগারে
ইট মেরে মোটরসাইকেল চালককে হত্যাচেষ্টা, ৩ আসামি কারাগারে

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাফুফে সভাপতি
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাফুফে সভাপতি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক
রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার
গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল

প্রথম পৃষ্ঠা

আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা
আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন
বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন

নগর জীবন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার

নগর জীবন

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ
করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ

দেশগ্রাম

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার
র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

সম্পাদকীয়

আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা
আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা

নগর জীবন

জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন
জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন

প্রথম পৃষ্ঠা

চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম
চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা
ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা

দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না

প্রথম পৃষ্ঠা

এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র
এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

সুপারিতে কোটি টাকা আয়
সুপারিতে কোটি টাকা আয়

শনিবারের সকাল

এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ

পেছনের পৃষ্ঠা

তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা

যত অভিযোগ আম ক্রেতা-বিক্রেতাদের
যত অভিযোগ আম ক্রেতা-বিক্রেতাদের

দেশগ্রাম

পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর
পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

দেশগ্রাম

প্রযুক্তিনির্ভর পোলট্রি খামারে স্বপ্নপূরণ
প্রযুক্তিনির্ভর পোলট্রি খামারে স্বপ্নপূরণ

শনিবারের সকাল

সৈকতে বালু তোলায় কারাদণ্ড
সৈকতে বালু তোলায় কারাদণ্ড

দেশগ্রাম

সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

দেশগ্রাম

প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের
প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের

নগর জীবন

ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়
ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়

দেশগ্রাম