শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:২৪, শুক্রবার, ০৮ মে, ২০২৬

বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি

ফাইজুস সালেহীন
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশের রাষ্ট্র-দর্শন ও রাজনীতি

বাংলাদেশ কি কোনো কল্যাণ রাষ্ট্র?

হ্যাঁ সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশ একটি কল্যাণ রাষ্ট্র, যদিও ‘কল্যাণ রাষ্ট্র’ পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়নি। শাসনতন্ত্রের ১৫ অনুচ্ছেদে জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে রাষ্ট্রের দায়িত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেই দায়িত্ব আমাদের রাষ্ট্র কতখানি পালন করছে বা করলেও সঠিকভাবে করছে কি না, এ প্রশ্ন সামনে আনা দরকার। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা ইত্যাদি দেশের সব নাগরিকের মৌলিক মানবিক অধিকার। কথাটি আবার বলি, এগুলো অধিকার। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অনুগ্রহ নয়। ১৯৭২ সালের সংবিধানে নাগরিক সাধারণের এ অধিকারগুলো নিশ্চিত করার সংকল্প ব্যক্ত করা হয়। বস্তুত সাংবিধানিকভাবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের যে ডিজাইন উপস্থাপন করা হয়, তা ছিল একটি গণতান্ত্রিক ওয়েলফেয়ার স্টেটের বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশ একটি কল্যাণ রাষ্ট্র হয়ে উঠবে, সেটাই ছিল অভিলক্ষ্য। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেটা হয়নি বা হতে দেওয়া হয়নি। কেন হয়নি, কোথায় কীভাবে সেই লক্ষ্যচ্যুতি ঘটেছে তার বিচার-বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন রয়েছে। তার আগে আমাদের বুঝতে হবে কল্যাণ রাষ্ট্র কাকে বলে! এটা কেবলই একটি কেতাবি ধারণা নাকি বাস্তবেও সম্ভব! গণতন্ত্রের সঙ্গে এর কোনো বিরোধ আছে কী নেই! যারা সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় বিশ্বাস করেন তারা মনে করেন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের সর্বজনীন কল্যাণ হতে পারে না। কিন্তু বাস্তব দুনিয়ায় যে কয়টি কল্যাণ রাষ্ট্র রয়েছে তার বেশির ভাগই গণতান্ত্রিক দেশ, যদিও সমাজতান্ত্রিক চিন্তা থেকে কিছু কিছু উপাদান তারা নিয়েছেন। নরওয়ে তার তেল সম্পদের আয় দিয়ে নাগরিক সাধারণের মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করেছে। সুইডেন জনগণের কাছ থেকে উচ্চহারে ট্যাক্স নিয়ে ততোধিক উচ্চমাত্রায় সেবা নিশ্চিত করে। সমাজতান্ত্রিক কিউবাও একটি কল্যাণ রাষ্ট্র। উৎপাদনব্যবস্থা রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত। অর্থনীতি সমাজতান্ত্রিক। কিউবায় চিকিৎসা ও শিক্ষার মতো মৌলিক সুবিধাগুলো জনগণ ভোগ করেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা-কোনো পর্যায়েই নাগরিকদের কোনো খরচ করতে হয় না। এগুলো তারা ভোগ করেন অধিকার হিসেবে। কিন্তু মতপ্রকাশের অধিকার নেই বললেই চলে। সবকিছুই রাষ্ট্র কর্তৃক কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। কিন্তু গণতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় কোনো বাধা নেই। অর্থনীতি মিশ্র। বেসরকারি খাত যথারীতি অর্থনীতিতে অবদান রাখতে সক্ষম। বাধা নেই।

সমাজতান্ত্রিক হোক আর গণতান্ত্রিক হোক উভয় ক্ষেত্রেই নাগরিকের অধিকার সর্বজনীন। সবার জন্যই সমান। এমন নয় যে গরিব নাগরিকই কেবল বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন, ধনীরা নয়। শিক্ষার ক্ষেত্রেও একই কথা। প্রবীণ ব্যক্তি-ধনী বা দরিদ্র যাই হোন না কেন-রাষ্ট্র তার প্রাপ্য সুবিধা সমানভাবে প্রদান করে। ওয়েলফেয়ার স্টেটে মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণের নামে সরকার দয়া-দাক্ষিণ্য বণ্টন করে না। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে সাধারণত গরিব মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য তথাকথিত সেফটিনেট বা সামাজিক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে দরিদ্র শ্রেণির মধ্যে অনুকম্পা বিতরণ করা হয়ে থাকে। এই দয়া বা অনুকম্পা বণ্টন করা হয় যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে সেই দলের বিবেচনা অনুযায়ী বাছাই করা কিছু লোকের মধ্যে। অভাবের সময় বিনামূল্যে চাল দেওয়া, ভর্তুকি মূল্যে ভোগ্যপণ্য দেওয়া, বাছাই করে কিছুসংখ্যক বৃদ্ধ বা বিধবাকে যৎসামান্য ভাতা দেওয়া-এ ধরনের কিছু কাজ করে সরকার তৃপ্তির ঢেকুর তোলে। এভাবে যখন দয়া বণ্টন করা হয়, তখন তা সর্বজনীন হয় না, হতে পারে না। কিন্তু প্রকৃত কল্যাণ রাষ্ট্রে সব শ্রেণির নাগরিক খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থানের মতো মৌলিক সুবিধাগুলো সমানভাবে পাওয়ার হকদার। রাষ্ট্রের জনগণের এই হক আদায়ে সরকার যখন সচেষ্ট হয়, তখনই কেবল একটি কল্যাণ রাষ্ট্রের ধারণা বাস্তব রূপ লাভ করতে পারে। আমাদের কেতাবে কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি থাকলেও কোনো সরকারই সে পথে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেনি। তার পরিবর্তে সস্তা জনপ্রিয়তা লাভের জন্য দয়া বণ্টনের নানান কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। সমস্যাগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করা হয়নি। আমাদের দেশের রাজনীতিও জনকল্যাণমুখী নয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই স্লোগানপ্রধান।

দেশে সমস্যা অনেক। সব সমস্যার সমাধান রাতারাতি সম্ভবও নয়। একটি ছোট লেখায় বিদ্যমান সমস্যার সবগুলোর আলোচনাও সম্ভব নয়। আজ আমরা আলোচনা করব চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে। স্বাধীনতার পরের সাড়ে পাঁচ দশকে চিকিৎসা খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন কম হয়নি। রাজধানী ঢাকায় সাধারণ ও বিশেষায়িত মিলিয়ে কমবেশি অর্ধশত সরকারি হাসপাতাল হয়েছে। সারা দেশে ৩৭টি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল রয়েছে। উপজেলা পর্যায়েও হাসপাতাল আছে। কিন্তু মানসম্মত চিকিৎসা নেই। কোথাও প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক নেই। উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোয় পোস্টেড চিকিৎসক থাকলেও কর্মক্ষেত্রে প্রায়ই অনুপস্থিত। প্রতিকার নেই।

হাসপাতালগুলোতে রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতি থাকলেও টেকনেশিয়ান নেই। অথবা মেশিন বিকল। সরকারি খাতে বিপুলসংখ্যক চিকিৎসকের পদ শূন্য। ফলে অনেক হাসপাতালে জনবলের অভাব। অথচ দেশে নিবন্ধিত চিকিৎসক রয়েছেন কমপক্ষে ১ লাখ ৩৪ হাজার। এর মধ্যে মাত্র ৩০ হাজার সরকারি পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত। এ পরিসংখ্যান বলে দেয় যে, বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে পদে পদে অব্যবস্থাপনা; বিশৃঙ্খলা।

ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া একজন অভিযোগ করেন, গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে অ্যান্ডোস্কোপির সিরিয়াল পেতে কমপক্ষে ২০ দিন অপেক্ষা করতে হয়। এই ২০ দিনে একজন লিভারের রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে ওঠা বিচিত্র নয়। হাসপাতালে অ্যান্ডোস্কোপি করতে যেখানে খরচ ৫০০ টাকা সেখানে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খরচ কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১০ গুণ বেশি। অনেক সরকারি হাসপাতালে বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আনতে বলা হয়। যে হাসপাতালে অ্যান্ডোস্কোপি করতে ২০ দিন অপেক্ষা করতে হয়, সেখানে হয়তো লোকবলের অভাব রয়েছে। অথবা প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্লট নেই। এ সমস্যার সমাধান কি খুবই অসম্ভব? একটির জায়গায় রোগী অনুপাতে স্লট স্থাপন করা অসম্ভব কোনো কাজ নয়। কিন্তু যারা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন তারা হয়তো প্রয়োজনবোধ করেন না।

বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে পদে পদে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, অব্যবস্থাপনার মূলে রয়েছে দুর্নীতি ও দুর্নীতিমনস্কতা। স্বাস্থ্য খাতে যে অবকাঠামো গড়ে উঠেছে তার পরিচালনা সুশৃঙ্খল হলে সরকারি হাসপাতালগুলোতে কম খরচে জনগণের জন্য সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা যেত এবং সেটা নিশ্চিত হলে বেসরকারি খাতে চিকিৎসা ও ডায়াগনোসিসের নামে স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ আপনাআপনিই সংকুচিত হয়ে আসত। বাংলাদেশে চিকিৎসা এখন মোটেও সহজলভ্য নয়। ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বাড়ছে। ক্রমেই তা সীমিত আয়ের সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে অনেক ক্ষেত্রে অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও উপকরণও বাইরে থেকে কিনে দিতে হয়। এ বাস্তবতায় বিনামূল্যে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা লাভের অধিকার নিশ্চিত করা তো দূরের কথা, কম খরচে ও সহজে মানসম্মত চিকিৎসাও দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কেবল চিকিৎসা খাত বলে কথা নয়, জনগণের কল্যাণ ও নাগরিক সেবার যতগুলো খাত আছে, সবখানেই অনিয়ম-অব্যস্থাপনা।

বাংলাদেশের মানুষের এক বৃহদাংশ নিয়মমাফিক আয়কর না দিলেও পরোক্ষ করের আওতামুক্ত কেউ নয়। এ দেশে একজন হতদরিদ্র মানুষও সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে থাকেন। দুই টাকা দামের একটা ম্যাচবাক্স কিনতেও ভ্যাট দিতে হয়। বিনিময়ে রাষ্ট্র তাকে যে সেবাগুলো দেওয়ার কথা তা দেয় না বা দিতে পারে না। জনগণ ও সরকারের মাঝখানে একটা অদৃশ্য দেয়াল রয়েছে। সেই দেয়ালের নাম দুর্নীতি। দুর্নীতির গর্ভ থেকে জন্ম নেয় হাজার রকমের সমস্যা, রচিত হয় জনগণের প্রতিকারহীন বঞ্চনার ইতিহাস। আমাদের রাজনীতির সেই দিকে খেয়াল খুব কম, যদিও মুখে অনেক বড় বড় কথা বলা হয়। গত কয়েক বছর ধরে সংস্কার, সংশোধন ও রাষ্ট্র মেরামতের অনেক রাজনৈতিক বাণী ও বক্তৃতা আমরা শুনছি। দেয়াল লিখন দেখেছি, ‘এই রাষ্ট্র মেরামত করতে হবে। বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে হবে।’ একদল দুষ্ট সুশীল ২০২৪ সালের গণ অভ্যুত্থানের পর বলতে শুরু করলেন, বাহাত্তরের সংবিধানই বড় সমস্যা। সেই সংবিধানের কোন ধারাটি রাষ্ট্রকে জনগণের কল্যাণের কাজে বাধা দিয়েছে, সেটা অবশ্য তারা বলেন না। রাজনীতির এক পক্ষ পড়ে আছে জুলাই সনদ নিয়ে। জুলাই সনদ পাস হয়ে গেলে যেন বা দুধের নহর বইতে শুরু করবে। জনগণের মৌলিক অধিকারগুলো যেন বা আপনাআপনি পূরণ হয়ে যাবে। দেশ ও সমাজের সমস্যাগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত না করে যারা রাষ্ট্র মেরামতের কথা বলেন তারা আসলে অন্ধকারে ঢিল ছুড়ছেন, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে চলেছেন। এ ধরনের অবিবেচক রাজনীতি কখনই জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারবে না।

মনে রাখা দরকার স্বাধীনতার জন্য বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যে সার্বভৌম দেশটি আমরা পেয়েছি সেই দেশের রাষ্ট্র-দর্শন হলো জনকল্যাণ। স্লোগান দিয়ে জনকল্যাণ হয় না। জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন সমস্যাগুলো ঠিকমতো শনাক্ত করা এবং সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

♦ লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
সর্বশেষ খবর
লারিনের গোলে সমতায় ফিরল কানাডা
লারিনের গোলে সমতায় ফিরল কানাডা

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব
ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব

২৩ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা
বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা
প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা

৫৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?
নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ
প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্টার্টআপ প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছে মাইলস্টোন স্কুল
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্টার্টআপ প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছে মাইলস্টোন স্কুল

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শুরু, নিজেদের মাটিতে কি 'শনির দশা' কাটাতে পারবে কানাডা?
বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শুরু, নিজেদের মাটিতে কি 'শনির দশা' কাটাতে পারবে কানাডা?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ জয় ব্রাজিলের, আর্জেন্টিনা কত নম্বরে
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ জয় ব্রাজিলের, আর্জেন্টিনা কত নম্বরে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা
ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে ম্যাচের আগে মাঠের বাইরে ঝড় তুলছেন ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি
বিশ্বকাপে ম্যাচের আগে মাঠের বাইরে ঝড় তুলছেন ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানুষের জীবনমান উন্নয়নই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য : আমানউল্লাহ আমান
মানুষের জীবনমান উন্নয়নই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য : আমানউল্লাহ আমান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুড়িগ্রামে প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল সমর্থক পুলিশ দলের জয়
কুড়িগ্রামে প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল সমর্থক পুলিশ দলের জয়

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নীলফামারীতে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি
নীলফামারীতে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা
আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবারের বাজেট কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
এবারের বাজেট কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসন কমাতে বড় সিদ্ধান্তের পথে সুইজারল্যান্ড, নজিরবিহীন গণভোটের আয়োজন
অভিবাসন কমাতে বড় সিদ্ধান্তের পথে সুইজারল্যান্ড, নজিরবিহীন গণভোটের আয়োজন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু
ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ব সংগীত দিবসে হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘প্রাণ বন্ধের সনে’
বিশ্ব সংগীত দিবসে হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘প্রাণ বন্ধের সনে’

৪ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে অনিশ্চিত নিকোলাস তাগলিয়াফিকো
আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে অনিশ্চিত নিকোলাস তাগলিয়াফিকো

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া আয়োজন জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া আয়োজন জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

শনিবার কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
শনিবার কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রশাসনে বড় রদবদল
প্রশাসনে বড় রদবদল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ময়মনসিংহে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল
ময়মনসিংহে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

কুলাউড়ায় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
কুলাউড়ায় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
ব্যাংকে কত টাকা থাকলে কর দিতে হবে না
ব্যাংকে কত টাকা থাকলে কর দিতে হবে না

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে পরিবর্তন
শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে পরিবর্তন

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন লাল কার্ডের ম্যাচে মেক্সিকোর দুর্দান্ত জয়
তিন লাল কার্ডের ম্যাচে মেক্সিকোর দুর্দান্ত জয়

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাটকীয়তা শেষে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান
নাটকীয়তা শেষে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
বিশ্বকাপের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে এমবাপ্পেদের দাবি মেনে নিল ফ্রান্স
বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে এমবাপ্পেদের দাবি মেনে নিল ফ্রান্স

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন বছরের বেশি কোমায় থাকার পর থাই রাজকুমারী বজ্রকিতিয়াভার মৃত্যু
তিন বছরের বেশি কোমায় থাকার পর থাই রাজকুমারী বজ্রকিতিয়াভার মৃত্যু

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ কেন বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক-মেসেঞ্জার?
হঠাৎ কেন বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক-মেসেঞ্জার?

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মিরাজকে নিয়ে শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা করলো বাংলাদেশ
মিরাজকে নিয়ে শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা করলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জীবন দিয়ে সন্তানের লোভের মূল্য চুকালেন বৃদ্ধ পিতা
জীবন দিয়ে সন্তানের লোভের মূল্য চুকালেন বৃদ্ধ পিতা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এখন কেউ বলতে পারবে না, ধানক্ষেতের উইকেটে জিতেছি’
‘এখন কেউ বলতে পারবে না, ধানক্ষেতের উইকেটে জিতেছি’

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ২-১ গোলে চেক রিপাবলিককে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ২-১ গোলে চেক রিপাবলিককে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন লাল কার্ড থেকে রুদ্ধশ্বাস জয়, বিশ্বকাপের প্রথম দিনে যা যা ঘটল
তিন লাল কার্ড থেকে রুদ্ধশ্বাস জয়, বিশ্বকাপের প্রথম দিনে যা যা ঘটল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন
সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেমন হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি? মূল বিষয় তুলে ধরলেন কূটনীতিক
কেমন হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি? মূল বিষয় তুলে ধরলেন কূটনীতিক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কিছু ব্যাংক থেকে এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে : গভর্নর
কিছু ব্যাংক থেকে এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে : গভর্নর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ সেবা বিঘ্নিত
ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ সেবা বিঘ্নিত

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ব্রাজিল ম্যাচের আগে মরক্কোর দলে বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন দুই তারকা
ব্রাজিল ম্যাচের আগে মরক্কোর দলে বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন দুই তারকা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে সম্মান করি, তবে লড়াইটা কঠিন করতে চাই: রবার্টসন
ব্রাজিলকে সম্মান করি, তবে লড়াইটা কঠিন করতে চাই: রবার্টসন

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তি নয়, আলোচনার শুরু মাত্র: ট্রাম্পের দাবিতে পানি ঢাললেন বিশ্লেষকরা
চুক্তি নয়, আলোচনার শুরু মাত্র: ট্রাম্পের দাবিতে পানি ঢাললেন বিশ্লেষকরা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আড়াই বছর গোল পাননি, সেই তিনিই বনে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নায়ক
আড়াই বছর গোল পাননি, সেই তিনিই বনে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নায়ক

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্তে শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একমত বিজিবি-বিএসএফ
সীমান্তে শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একমত বিজিবি-বিএসএফ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সম্ভাব্য চুক্তির তথ্য ফাঁস, ইরানকে ‘অবিশ্বস্ত’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প
সম্ভাব্য চুক্তির তথ্য ফাঁস, ইরানকে ‘অবিশ্বস্ত’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রানীরহাট হয়ে গাবতলী পর্যন্ত মেট্রোরেলের আদলে ট্রেন চলাচল করবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
রানীরহাট হয়ে গাবতলী পর্যন্ত মেট্রোরেলের আদলে ট্রেন চলাচল করবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইট মেরে মোটরসাইকেল চালককে হত্যাচেষ্টা, ৩ আসামি কারাগারে
ইট মেরে মোটরসাইকেল চালককে হত্যাচেষ্টা, ৩ আসামি কারাগারে

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ মঞ্চে নতুন রহস্য: চেক প্রজাতন্ত্র যেভাবে রাতারাতি হয়ে উঠল ‘চেকিয়া’
বিশ্বকাপ মঞ্চে নতুন রহস্য: চেক প্রজাতন্ত্র যেভাবে রাতারাতি হয়ে উঠল ‘চেকিয়া’

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শান্তিচুক্তি অনুমোদন করেছেন খামেনি দাবি ট্রাম্পের, ইরান বলছে ভিন্ন কথা
শান্তিচুক্তি অনুমোদন করেছেন খামেনি দাবি ট্রাম্পের, ইরান বলছে ভিন্ন কথা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক
রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার
গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল

প্রথম পৃষ্ঠা

আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা
আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে
ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম
চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র
এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন
বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন

নগর জীবন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার

নগর জীবন

সুপারিতে কোটি টাকা আয়
সুপারিতে কোটি টাকা আয়

শনিবারের সকাল

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার
র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ
করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ

দেশগ্রাম

এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ

পেছনের পৃষ্ঠা

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা
আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা

নগর জীবন

ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা
ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা

দেশগ্রাম

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

সম্পাদকীয়

যত অভিযোগ আম ক্রেতা-বিক্রেতাদের
যত অভিযোগ আম ক্রেতা-বিক্রেতাদের

দেশগ্রাম

তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট
তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

দেশগ্রাম

জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন
জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী
অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের
প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের

নগর জীবন

পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর
পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

দেশগ্রাম