শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:২০, শুক্রবার, ০৮ মে, ২০২৬

পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা

ফারুক মেহেদী
অনলাইন ভার্সন
পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা

রাজধানী ঢাকার কোলাহল, বিশৃঙ্খলা, মাদক-সন্ত্রাসের মতো চিরায়ত অপরাধীচক্রের বলয় ভেদ করে গড়ে ওঠা নিরাপদ, অভিজাত আদর্শ আবাসন যেন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা। এর শিল্পিত কাঠামোর অবয়বকে মিথের মতো মনে হবে! নৈসর্গিক দৃশ্যের সঙ্গে অনেকটা শিল্পীর পরিকল্পিত নান্দনিক তুলিতে আঁকা ছবি যেন সবকিছু! অথচ এটি কোনো জাদুমন্ত্রে গড়া নয়, বরং এখানকার দক্ষ, কঠোর ও আপসহীন ব্যবস্থাপনার কাঙ্ক্ষিত ফসলই আজকের বসুন্ধরা আবাসিকের শান্তির নীড়। রাজধানীর অন্য যেকোনো আবাসিক এলাকার নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সমান্তরালে যেন একচিলতে প্রশান্তির আঙিনা। অথচ বছরের পর বছর ধরে বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এই সুন্দর গোছানো বসুন্ধরাকে এখন নিয়ন্ত্রণের নানা তৎপরতা চলছে।

সবকিছু যখন ছবির মতো করে সাজানো হয়েছে, তখন একে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।
অথচ রাজধানী ঢাকার দুই সিটির আওতায় যত  আবাসিক এলাকা রয়েছে, সেগুলোর কোনোটাই পরিপূর্ণভাবে বসবাস উপযোগী করে রাখতে পারেনি সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। নাগরিকদের নিরাপত্তা, সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ উপহার দিতে পারেনি। সড়ক বাতি, ফুটপাত কিংবা ড্রেনেজ ব্যবস্থা—কোনো সেবাই সন্তোষজনক নয়।

কিন্তু নাগরিকদের কাছ থেকে মাসের পর মাস সেবামাশুল ঠিকই নেওয়া হচ্ছে। বসুন্ধরার কাছাকাছি বেশ কিছু আবাসিক এলাকা, বিশেষ করে বাড্ডা, ভাটারা, খিলক্ষেত, কালাচাঁদপুর, জগন্নাথপুর কিংবা নিকুঞ্জ—কোনো এলাকাই বসুন্ধরার মতো পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনায় চলছে না। ওই সব এলাকায় প্রতিনিয়ত খুন, সন্ত্রাস, ছিনতাই, রাহাজানি নিত্যদিনের ঘটনা। এসব এলাকার পায়ে পায়ে অপরাধ।

সেখানকার দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার, ব্যানার আর স্লোগানসংবলিত নানা সাইনবোর্ড-ফেস্টুন। সৌন্দর্যের বালাই নেই! রাজধানীর এক মোহাম্মদপুর এলাকার তো বলতে গেলে কোনো মা-বাপই যেন নেই! প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসী আর কিশোর গ্যাংয়ের অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ঠ। সেবা না পেয়েও ওই সব এলাকার নাগরিকরা কিন্তু ঠিকই সিটি করপোরেশনকে সেবামাশুল দিয়ে যাচ্ছেন।

রাজধানীর এত সব আবাসিক এলাকার নাগরিকসেবা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা প্রায় তলানিতে। অথচ সিটি করপোরেশন এখন বসুন্ধরার মতো শান্তিপূর্ণ, সাজানো-গোছানো একটি আবাসিক এলাকাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বিশৃঙ্খল, অনিরাপদ ও নানা অপরাধের আরেকটি এভিনিউ বানানোর চেষ্টা করছে বলে বাসিন্দাদের মধ্যে সন্দেহ গড়ে উঠছে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা কেন মানুষ পছন্দ করে? বসবাসের জন্য কেন সবাই এখানে ছুটে আসে? আমার কাছে মনে হয়, এটি রাজধানীর অন্য সব এলাকা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটি সাধারণ কোনো আবাসিক এলাকা নয়, বরং এটি রাজধানীর ভেতরে আভিজাত্য আর আধুনিক জীবনাচারের একচিলতে অনিন্দ্য আভাসস্থল। সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি আর যেকোনো ধরনের অন্যায়-অবিচারমুক্ত সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ স্থান।

অথচ রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা কিভাবে এত পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠল? এর নেপথ্যের গল্পই বা কী? অপরিকল্পিত ঢাকার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ এবং দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত নগরায়ণের বাস্তবতায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা আজ এক ব্যতিক্রমী নগর-দর্শনের উত্কৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। যেখানে রাজধানীর অধিকাংশ এলাকায় অবকাঠামোগত বিশৃঙ্খলা, যানজট, জলাবদ্ধতা ও অপর্যাপ্ত নাগরিক সুবিধা নিত্যদিনের বাস্তবতা; সেখানে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা পরিকল্পিত উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের অনন্য কেন্দ্র হিসেবে বিশেষ স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে গড়ে উঠছে। ১৯৮৭ সালে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের সুদূরপ্রসারী, সৃষ্টিশীল উদ্যোগে যে পরিকল্পিত নগরায়ণের যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ প্রায় দুই কোটিরও বেশি মানুষের এই ঢাকা মেগাসিটির ভেতরে শান্ত, নিরাপদ ও আধুনিক আবাসন মডেল হিসেবে বাস্তব রূপ নিয়েছে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অন্যতম প্রধান শক্তি হলো এর কঠোর নির্মাণ নীতিমালা এবং রাজউকের বিধি-বিধানের কার্যকর বাস্তবায়ন। ঢাকার বহু এলাকায় যেখানে একটি ভবন আরেকটির গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকে, আলো-বাতাসের চলাচল নেই, অনেকটা অন্ধকার প্রকোষ্ঠের মতো; সেখানে বসুন্ধরায় ভবনের চারপাশে নির্দিষ্ট পরিমাণ খোলা জায়গা রাখা বাধ্যতামূলক। ফলে প্রতিটি বাসায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো-বাতাস প্রবেশের সুযোগ থাকে, যা শুধু বসবাসকে আরামদায়কই করে না, বরং স্বাস্থ্যকর নগরজীবন নিশ্চিতও করে। নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা একটি আবাসিক এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; বসুন্ধরা সেই বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়েই গড়ে উঠেছে। ফলে যে কেউ বসুন্ধরায় এসে কান পাতলেই এখানে নাম না জানা কত পাখির কিচিরমিচির শুনতে পাবে। সবুজ নিসর্গের প্রশান্তিময় ছোয়া পাবে। এখানকার প্রতিটি ব্লকে সন্ধ্যার পর থেকেই স্নিগ্ধ এক আবহ তৈরি হয়। চারপাশে ঝিঁঝি পোকার ডাক যে কাউকেই মোহিত করবে। বিরক্তিকর নাগরিকতার বিষাক্ত বাস্তবতার আড়ালে এ যেন মন ভরে শ্বাস নেওয়ার একান্ত নিজের জায়গা!

অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এলাকাটি রাজধানীর অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেক বেশি সুসংগঠিত। প্রচলিত পিচঢালা রাস্তার পরিবর্তে এখানে ব্যবহার করা হয়েছে দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই কংক্রিট ব্লক প্রযুক্তি, যা বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে সহায়ক এবং জলাবদ্ধতা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ঢাকার বহু এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও বসুন্ধরার পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা সেই সমস্যা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি প্রশস্ত সড়ক, নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা, ফুটপাত এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নাগরিক জীবনকে আরো আরামদায়ক করে তুলেছে।

নাগরিক সুযোগ-সুবিধার বিচারে বসুন্ধরা আজ একটি প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ নগরে পরিণত হয়েছে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ইন্টারনেট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা অনেক বেশি সুশৃঙ্খল ও কার্যকর। এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর জন্যও পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও স্থান বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর ফলে বাসিন্দারা তুলনামূলক নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত পরিবেশে জীবন যাপন করতে পারেন। রাজধানীর অনেক এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব, দখলদারি, চাঁদাবাজি, পেশিশক্তি কিংবা অবৈধ ব্যবসা নিয়ে যে অস্থিরতা, বসুন্ধরার নিয়ন্ত্রিত ও নিয়মতান্ত্রিক পরিবেশে তার উপস্থিতি বলতে গেলে নেই-ই।

এলাকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর সামাজিক ও পরিবেশগত শৃঙ্খলা। এখানে হকার, ভাসমান বস্তি কিংবা অবৈধ স্থাপনা, দোকানপাট, টি-স্টল নেই বললেই চলে। ফলে শিশু-কিশোরদের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও তুলনামূলক নিরাপদ সামাজিক পরিবেশ গড়ে উঠেছে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য প্রতি ব্লকে একাধিক সুপরিকল্পিত মসজিদ, ভিন্নমতাবলম্বীদের জন্য উপযুক্ত প্রার্থনালয় এখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সমানভাবে বজায় রাখছে। অধিবাসীদের জন্য কমিউনিটি পার্ক, খেলার মাঠ বসবাসের পূর্ণতা দিয়েছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সচেতনতা একটি শক্তিশালী কমিউনিটির পরিচয় দিয়েছে। যখন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল, তখন এখানকার বাসিন্দারা ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের এলাকা নিরাপদ রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। একটি পরিকল্পিত আবাসিক এলাকার প্রকৃত শক্তি কেবল অবকাঠামোতে নয়, বরং তার বাসিন্দাদের সামাজিক সংহতি ও দায়িত্ববোধও এখানে অনন্য উদাহরণ হয়ে রয়েছে।

অর্থনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার বাসিন্দাদের মতে, সিটি করপোরেশনের লাল ফিতার দৌরাত্ম্য, উচ্চ হোল্ডিং ট্যাক্স কিংবা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে নিজস্ব ওয়েলফেয়ার সোসাইটির মাধ্যমে দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা বজায় রাখা অধিক ফলপ্রসূ ও সম্মানের। কারণ একটি পরিকল্পিত আবাসিক এলাকার সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা ধরে রাখতে নিয়মের কঠোর প্রয়োগ অপরিহার্য। একজন সাধারণ মানুষ, যিনি সারা জীবনের সঞ্চয় ব্যয় করে নিজের পরিবারের জন্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাস গড়ে তুলতে চান, তাঁর কাছে এই শৃঙ্খলাই সবচেয়ে বড় নিশ্চয়তা ও পুঁজি।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো—এখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় বহু শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবনঘনিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি। এখানে রয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন কয়েকটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়। আন্তর্জাতিকমানের স্কুল ও কলেজ। পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র, যা বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরো সহজ ও নিরাপদ করে তুলেছে।

বিনোদন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রেও বসুন্ধরা অনন্য। এখানে রয়েছে আধুনিক শপিং মল, আন্তর্জাতিকমানের রেস্টুরেন্ট, কফি শপ এবং লাইফস্টাইল আউটলেট, যা শহুরে জীবনের প্রয়োজন ও রুচির সৌন্দর্যকে উপস্থাপন করে। এ ছাড়া দেশসেরা স্পোর্টস সিটি, গল্ফ কোর্স, বিশ্বব্র্যান্ডের জিম ফ্রেঞ্চাইজি এবং উন্মুক্ত সবুজ এলাকা নাগরিকদের জন্য শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের এক ব্যতিক্রমী ভারসাম্য তৈরি করেছে।

বসুন্ধরার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশেষত্ব হলো এর পরিকল্পিত ও বহুস্তরীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা। হাজারো নিরাপত্তারক্ষীর নিয়ন্ত্রিত প্রবেশপথ, নিয়মিত টহল, হাজার হাজার সিসি ক্যামেরার চোখ এবং সার্বক্ষণিক স্থানীয় প্রশাসনিক নজরদারি সুরক্ষা বলয় তৈরি করেছে। এ কারণে বাসিন্দারা নিজেদের দৈনন্দিন জীবনকে তুলনামূলক নিশ্চিন্ত, ভাবনাহীন ও সহজ ভাবছেন।

এখানকার বাসিন্দাদের অনেকের সঙ্গে বিভিন্ন সময় আমার কথা হয়েছে। তাঁরা এর বিদ্যমান স্বকীয়তার টেকসই রূপ চান। তাঁরা মনে করেন, এটিকে নিরাপদ ও অপরাধপ্রবণতার বলয়মুক্ত রাখতে হলে একে ডিএনসিসির নিয়ন্ত্রণমুক্ত রাখতে হবে। কারণ ডিএনসিসি এখনো ওই দক্ষতা ও আস্থা তৈরি করতে পারেনি, যা এর সার্বিক নিরাপত্তা, আভিজাত্য বজায় রাখতে পারবে। কারণ ডিএনসিসি তার আওতাধীন বিদ্যমান এলাকার সব নাগরিকসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে—এটা সবাই জানে। বসুন্ধরাকে সিটির আওতায় নেওয়া হলে এখানের মানুষ আরো অনিরাপদ ও বিশৃঙ্খলাপূর্ণ একটি নাগরিকতায় প্রবেশ করবে। হাতে ধরে একটি গোছানো আবাসিক এলাকাকে বিনষ্ট করার বিষয়টি এখানের অধিবাসীরা কোনোভাবেই মানবেন না।

বসুন্ধরার অধিবাসীরা আরো জানান, সত্যিকার অর্থে তাঁরা শুধু একটি ফ্ল্যাট বা প্লট কেনেন না; বরং তাঁরা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় আস্থা রাখেন, আত্মমর্যাদার সুরক্ষা দেন। এ কারণেই রাজধানীর অনেক এলাকার তুলনায় তুলনামূলক বেশি মূল্যে হলেও মানুষ বসুন্ধরায় বসবাসের স্বপ্ন দেখেন। পরিকল্পিত নগরায়ণের অনন্য এ আবাসিক এলাকাটি বহু বছরের প্রচেষ্টায় যেভাবে গড়ে উঠেছে, তা এক লকমায় বিনষ্ট হলে, এর গৌরব ও সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা অনেক কঠিন হবে। তাই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নান্দনিকতা, পরিবেশগত ভারসাম্য, আধুনিকতা ও সুশৃঙ্খল চরিত্র অক্ষুণ্ন রাখা কেবল এর ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নয়, বরং এর স্বকীয় রূপ, আভিজাত্য ও মর্যাদার সুরক্ষা দেওয়া এখন প্রতিটি বাসিন্দার সম্মিলিত দায়িত্ব ও কর্তব্য হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও বার্তাপ্রধান, কালের কণ্ঠ

এই বিভাগের আরও খবর
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
সর্বশেষ খবর
ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব
ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব

২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যারারির অনেকটা ফাঁকা
বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যারারির অনেকটা ফাঁকা

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা
প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?
নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ
প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্টার্টআপ প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছে মাইলস্টোন স্কুল
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্টার্টআপ প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছে মাইলস্টোন স্কুল

৫৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শুরু, নিজেদের মাটিতে কি 'শনির দশা' কাটাতে পারবে কানাডা?
বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শুরু, নিজেদের মাটিতে কি 'শনির দশা' কাটাতে পারবে কানাডা?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ জয় ব্রাজিলের, আর্জেন্টিনা কত নম্বরে
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ জয় ব্রাজিলের, আর্জেন্টিনা কত নম্বরে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা
ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে ম্যাচের আগে মাঠের বাইরে ঝড় তুলছেন ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি
বিশ্বকাপে ম্যাচের আগে মাঠের বাইরে ঝড় তুলছেন ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানুষের জীবনমান উন্নয়নই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য : আমানউল্লাহ আমান
মানুষের জীবনমান উন্নয়নই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য : আমানউল্লাহ আমান

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুড়িগ্রামে প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল সমর্থক পুলিশ দলের জয়
কুড়িগ্রামে প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল সমর্থক পুলিশ দলের জয়

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নীলফামারীতে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি
নীলফামারীতে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা
আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবারের বাজেট কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
এবারের বাজেট কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসন কমাতে বড় সিদ্ধান্তের পথে সুইজারল্যান্ড, নজিরবিহীন গণভোটের আয়োজন
অভিবাসন কমাতে বড় সিদ্ধান্তের পথে সুইজারল্যান্ড, নজিরবিহীন গণভোটের আয়োজন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু
ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ব সংগীত দিবসে হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘প্রাণ বন্ধের সনে’
বিশ্ব সংগীত দিবসে হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘প্রাণ বন্ধের সনে’

৪ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে অনিশ্চিত নিকোলাস তাগলিয়াফিকো
আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে অনিশ্চিত নিকোলাস তাগলিয়াফিকো

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া আয়োজন জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া আয়োজন জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

শনিবার কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
শনিবার কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রশাসনে বড় রদবদল
প্রশাসনে বড় রদবদল

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ময়মনসিংহে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল
ময়মনসিংহে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

কুলাউড়ায় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
কুলাউড়ায় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২৬
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২৬

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিনেমায় নিজেকে ‘ফ্লপ অভিনেতা’ সম্বোধন, ভক্তদের ক্ষোভ নিয়ে মুখ খুললেন অক্ষয়
সিনেমায় নিজেকে ‘ফ্লপ অভিনেতা’ সম্বোধন, ভক্তদের ক্ষোভ নিয়ে মুখ খুললেন অক্ষয়

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
ব্যাংকে কত টাকা থাকলে কর দিতে হবে না
ব্যাংকে কত টাকা থাকলে কর দিতে হবে না

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে পরিবর্তন
শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে পরিবর্তন

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন লাল কার্ডের ম্যাচে মেক্সিকোর দুর্দান্ত জয়
তিন লাল কার্ডের ম্যাচে মেক্সিকোর দুর্দান্ত জয়

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাটকীয়তা শেষে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান
নাটকীয়তা শেষে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
বিশ্বকাপের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে এমবাপ্পেদের দাবি মেনে নিল ফ্রান্স
বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে এমবাপ্পেদের দাবি মেনে নিল ফ্রান্স

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন বছরের বেশি কোমায় থাকার পর থাই রাজকুমারী বজ্রকিতিয়াভার মৃত্যু
তিন বছরের বেশি কোমায় থাকার পর থাই রাজকুমারী বজ্রকিতিয়াভার মৃত্যু

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ কেন বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক-মেসেঞ্জার?
হঠাৎ কেন বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক-মেসেঞ্জার?

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মিরাজকে নিয়ে শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা করলো বাংলাদেশ
মিরাজকে নিয়ে শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা করলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জীবন দিয়ে সন্তানের লোভের মূল্য চুকালেন বৃদ্ধ পিতা
জীবন দিয়ে সন্তানের লোভের মূল্য চুকালেন বৃদ্ধ পিতা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতা মেক্সিকোর কুইনোনেস
বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতা মেক্সিকোর কুইনোনেস

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘এখন কেউ বলতে পারবে না, ধানক্ষেতের উইকেটে জিতেছি’
‘এখন কেউ বলতে পারবে না, ধানক্ষেতের উইকেটে জিতেছি’

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ২-১ গোলে চেক রিপাবলিককে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ২-১ গোলে চেক রিপাবলিককে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন লাল কার্ড থেকে রুদ্ধশ্বাস জয়, বিশ্বকাপের প্রথম দিনে যা যা ঘটল
তিন লাল কার্ড থেকে রুদ্ধশ্বাস জয়, বিশ্বকাপের প্রথম দিনে যা যা ঘটল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন
সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেমন হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি? মূল বিষয় তুলে ধরলেন কূটনীতিক
কেমন হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি? মূল বিষয় তুলে ধরলেন কূটনীতিক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ সেবা বিঘ্নিত
ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ সেবা বিঘ্নিত

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

কিছু ব্যাংক থেকে এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে : গভর্নর
কিছু ব্যাংক থেকে এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে : গভর্নর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাজিল ম্যাচের আগে মরক্কোর দলে বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন দুই তারকা
ব্রাজিল ম্যাচের আগে মরক্কোর দলে বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন দুই তারকা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে সম্মান করি, তবে লড়াইটা কঠিন করতে চাই: রবার্টসন
ব্রাজিলকে সম্মান করি, তবে লড়াইটা কঠিন করতে চাই: রবার্টসন

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চুক্তি নয়, আলোচনার শুরু মাত্র: ট্রাম্পের দাবিতে পানি ঢাললেন বিশ্লেষকরা
চুক্তি নয়, আলোচনার শুরু মাত্র: ট্রাম্পের দাবিতে পানি ঢাললেন বিশ্লেষকরা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আড়াই বছর গোল পাননি, সেই তিনিই বনে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নায়ক
আড়াই বছর গোল পাননি, সেই তিনিই বনে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নায়ক

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্তে শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একমত বিজিবি-বিএসএফ
সীমান্তে শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একমত বিজিবি-বিএসএফ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সম্ভাব্য চুক্তির তথ্য ফাঁস, ইরানকে ‘অবিশ্বস্ত’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প
সম্ভাব্য চুক্তির তথ্য ফাঁস, ইরানকে ‘অবিশ্বস্ত’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রানীরহাট হয়ে গাবতলী পর্যন্ত মেট্রোরেলের আদলে ট্রেন চলাচল করবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
রানীরহাট হয়ে গাবতলী পর্যন্ত মেট্রোরেলের আদলে ট্রেন চলাচল করবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইট মেরে মোটরসাইকেল চালককে হত্যাচেষ্টা, ৩ আসামি কারাগারে
ইট মেরে মোটরসাইকেল চালককে হত্যাচেষ্টা, ৩ আসামি কারাগারে

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাফুফে সভাপতি
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাফুফে সভাপতি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক
রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার
গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল

প্রথম পৃষ্ঠা

আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা
আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে
ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম
চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন
বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন

নগর জীবন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার

নগর জীবন

এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র
এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না

প্রথম পৃষ্ঠা

করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ
করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ

দেশগ্রাম

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার
র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা
আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা

নগর জীবন

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

সম্পাদকীয়

সুপারিতে কোটি টাকা আয়
সুপারিতে কোটি টাকা আয়

শনিবারের সকাল

এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ

পেছনের পৃষ্ঠা

জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন
জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা
ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা

দেশগ্রাম

সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

যত অভিযোগ আম ক্রেতা-বিক্রেতাদের
যত অভিযোগ আম ক্রেতা-বিক্রেতাদের

দেশগ্রাম

তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা

পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর
পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

দেশগ্রাম

প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের
প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের

নগর জীবন

সৈকতে বালু তোলায় কারাদণ্ড
সৈকতে বালু তোলায় কারাদণ্ড

দেশগ্রাম

ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়
ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়

দেশগ্রাম