শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৪৭, রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক

রাজনীতিতে সত্যনিষ্ঠা এবং মিথ্যাচারের পাশাপাশি অবস্থান এক জটিল ও দীর্ঘ আচরিত বিষয়, যা ইতিহাসজুড়ে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এবং এখনো আছে। রাষ্ট্র পরিচালনায়, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর শাসন পরিচালনায় সত্যের চেয়ে মিথ্যাচারের আবশ্যকতা ও পরিণতি সম্পর্কে প্রশ্ন তুললেও ক্ষমতার রাজনীতির স্বাদ যাঁরা পান, তাঁরা ব্যক্তিগত ও দলীয়ভাবে বিশ্বাস করেন যে মিথ্যাচারের মধ্য দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থ রক্ষা পায় এবং কেবল তাঁদের দ্বারাই জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করা সম্ভব।

কিন্তু সত্যনিষ্ঠ রাজনীতিবিদরা মনে করেন, ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থে এবং বিশেষ করে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য জনগণকে আকৃষ্ট করতে যাঁরা প্রলুব্ধকর মিথ্যাচার করেন, তাঁরা বাস্তবে গণতান্ত্রিক সততার ক্ষতি করেন এবং দেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন এবং ব্যাপক অর্থে মিথ্যাচারকে সর্বজনীন করে তোলেন। শৈশবে আমরা সবাই মুখস্থ করি, ‘সদা সত্য কথা বলিবে, মিথ্য বলা মহাপাপ!’

কিন্তু বেড়ে ওঠার পর আমাদের বড় অংশই তা মানি না। আমরা মিথ্যাচারকে সাফল্যের চাবিকাঠি বিবেচনা করি। সম্ভবত সবচেয়ে বেশি মিথ্যাচার করেন রাজনীতিবিদরা। কারণ তাদের বিশ্লেষণবহুল প্রাঞ্জল ও মধুর বাকপটুতায় মিথ্যাচারকে এমন এক কলার পর্যায়ে উন্নীত করতে সক্ষম হন যে তাঁদের কথাগুলো যত পরস্পরবিরোধী হোক না কেন, তাঁদের আগে-পরের কথার মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য না থাকুক, তাঁদের সমর্থকদের কাছে নেতার প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসে কোনো ভাঙন ধরে না। অতএব কোনো রাজনৈতিক দল যত বড়, দলটির নেতারা তত বেশি মিথ্যাচার করতে অভ্যস্ত। 

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির নিরিখে এ কথা বললে বোধ হয় বাড়িয়ে বলা হবে না যে ‘মিথ্যাই সাফল্যের চাবিকাঠি’। কিন্তু এ সাফল্য সব সময় স্থায়ী হয় না, চিরস্থায়ী হওয়া তো দূরের কথা। শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর সমগ্র রাজনৈতিক জীবনে সংসদীয় গণতন্ত্রের গুণগান করেছেন, সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য পাকিস্তানের সামরিক শাসকদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমে জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন।

কিন্তু যেই মাত্র শেখ মুজিব স্বয়ং একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রশাসনের সুযোগ লাভ করলেন, সঙ্গে সঙ্গে নিজের ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশ করার লক্ষ্যে তিনি তাঁর মুখে লক্ষ-কোটিবার উচ্চারিত সংসদীয় গণতন্ত্রকে হত্যা করে হৃদয়ে লালিত একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার মধ্যে কোনো অন্যায় দেখতে পাননি।

তাঁর সমর্থকরাও তাঁদের মহান নেতার সিদ্ধান্তের মাঝে কোনো অন্যায় দেখেননি। যেহেতু তিনি তাঁর কথামালায় জনগণকে প্রলুব্ধ করতে পারঙ্গম ছিলেন, তাঁর কথায়  সমর্থকরা নিজেদের জীবন দিতেও প্রস্তুত ছিল, অতএব তাঁর বাগাড়ম্বরের জাদুতে মোহাবিষ্ট সমর্থকরা এতটাই বুঁদ হয়ে গিয়েছিল যে তারা ‘সংসদীয় গণতন্ত্র’ এবং ‘ব্যক্তি ও দলীয় একনায়কতন্ত্রের’ মধ্যে কোনো পার্থক্য দেখতে পায়নি। যারা পার্থক্যটা বুঝত তারা কেউ মুখ খোলার সাহস পর্যন্ত পায়নি।

যারা ভিতরে ভিতরে ক্ষুব্ধ ও ক্রুদ্ধ হয়েছিল, তারা গোপন পরিকল্পনায় তাঁকে হত্যা করার পর যখন অসংখ্য মানুষ উচ্ছ্বসিত হয়ে রাস্তায় নেমে আসে, তখন বোঝা যায়, তাঁর হঠকারী সিদ্ধান্তে জনগণের বিরাট একটি অংশ সন্তুষ্ট ছিল না। তাঁর মতো জনপ্রিয় নেতার ভ্রান্ত সিদ্ধান্ত ও এর পরিণতি হিসেবে তাঁর হত্যাকাণ্ডে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, ‘কথা ও কাজে মিল না থাকলে’ জনপ্রিয়তাও স্থায়ী হয় না। যা তিনি বিশ্বাস করতেন না, তা সত্যের মতো বলে যা কিছু অর্জন করেছিলেন, তা তাঁর জীবদ্দশাতেই আর বিশ্বাসযোগ্য ছিল না।

তা সত্ত্বেও এই ‘মহান’ নেতার জীবন ও কর্মের গুণগান করার জন্য একটি সমর্থক শ্রেণি দেশে আছে, যারা তাঁর মহত্ত্ব প্রচার করে, তাঁর মূর্তি স্থাপন করে, তাঁর গৌরবগাথায় ঠাসা থাকে পাঠ্যপুস্তক। তিনি যা ছিলেন না তাঁকে তা প্রমাণ করার এই স্তাবকতা টিকে ছিল সাড়ে পনেরো বছর। রাষ্ট্র পরিচালনায় মুখ্য নেতাদের বাগাড়ম্বর, মিথ্যাচার ও প্রতারণা কোনো না-কোনো পর্যায়ে জনগণের বিশ্বাস ও আস্থাভঙ্গের কারণ ঘটায়, যা তাদের অর্জিত সাফল্যগুলোকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয় এবং তাদের জীবন পর্যন্ত বিপন্ন করে তোলে, যার সর্বশেষ দৃষ্টান্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসব দৃষ্টান্ত থাকা সত্ত্বেও আমাদের রাজনৈতিক নেতারা সততার শিক্ষা গ্রহণ করেন না কেন? মিথ্যাকেই কেন তাঁরা বারবার লক্ষ্যে পৌঁছার কৌশলগত হাতিয়ার বিবেচনা করেন। তাঁরা কি হাল জমানার রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বা রাজনৈতিক দার্শনিক হয়ে গেছেন, না কি কেবল প্রাচীন রাজনৈতিক দার্শনিকদের কথামালা অনুসরণ করে ক্ষমতায় টিকে থাকার আশায় মিথ্যার ওপর ভর দিয়ে তাঁদের কল্পনার মহল গড়ার চেষ্টা করেন? দেখা যাক, এ সম্পর্কে বিশ্বে অনুসরণীয় রাজনৈতিক দার্শনিকরা কী বলেছেন।

প্লেটো একটি আদর্শ নগর রাষ্ট্রে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য মিথ্যাচারকে ‘মহৎ মিথ্যা’ বলেছেন, যা রাষ্ট্র পরিচালনাকারীদের প্রতি ‘নাগরিকদের আনুগত্য, নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা এবং সামাজিক ভূমিকা পালন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করার অন্যতম উপায়’ বলে তিনি তাঁর গ্রন্থ ‘রিপাবলিক’-এ উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, ‘এ ধরনের মিথ্যাচার ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং প্রতারণা না করে সমগ্র সমাজের কল্যাণ সাধনের জন্য। অবশ্য তিনি মিথ্যাচার ও প্রতারণা করার দক্ষতাকে পরিস্থিতির প্রয়োজনে প্রয়োগের পরামর্শ দিলেও এগুলোকে মানুষের নৈতিক গুণ বলেননি।

কিন্তু অষ্টাদশ শতাব্দীর জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট রাজনীতিবিদসহ সমাজের সবার সত্য বলার নৈতিক বাধ্যবাধকতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, ‘নৈতিকতার সর্বোচ্চ নীতিই যুক্তিনির্ভর নীতি, যা বস্তুনিষ্ঠ, যৌক্তিকভাবে অপরিহার্য ও শর্তহীন,’ অর্থাৎ সমাজে মিথ্যাচারের সুযোগ নেই।

এমনকি তিনি কৌশলগত কোনো কারণেও মিথ্যা বলে সামাজিক নৈতিকতাবোধের আবহকে বিনষ্ট না করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে কিছু দার্শনিক রাজনীতিবিদ বা রাষ্ট্র পরিচালকদের মিথ্যা বলা নিয়ে এমনভাবে আলোচনা করেছেন, তাতে অনেকের মনে বিশ্বাস জন্মাতে পারে যে মিথ্যাকথন রাজনীতিতে সফলতার অন্যতম উপাদান এবং প্রতারণাকে প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন করার শামিল। আমরা এমন এক দেশে, এমন এক সমাজে বাস করি, যেখানে সত্য ও মিথ্যা এবং প্রতারণাকে শনাক্ত করা কঠিন কোনো ব্যাপার নয়। কারণ আমাদের জনগণ বারবার মিথ্যার শিকার হয়েছে এবং বারবার প্রতারিত হয়েছে। রাজনীতিবিদদের তারা যত না বিশ্বাস করে, তার চেয়ে বেশি অবিশ্বাস করে। তবু তারা তাদের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে রাজনীতিবিদদেরই ভোট দেয়। ভোট না দিলে তাদের পিঠের চামড়া তুলে নেওয়ার হুমকি থাকে।

জনগণ জানে, নির্বাচনের আগে রাজনীতিবিদরা তাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, নির্বাচিত হয়ে সে প্রতিশ্রুতি তাঁরা রাখবেন না। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাঁদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব ‘আইন অনুযায়ী ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে পালন ও ব্যক্তিগত স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত না হওয়ার’ শপথ গ্রহণ করা সত্ত্বেও দায়িত্বভার গ্রহণ করে তাঁদের সিংহভাগ শপথ ভুলে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, রাষ্ট্রীয় সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হন। রাজনীতিবিদরা অবলীলায় মিথ্যা বলেন, কারণ মিথ্যাচারে তাঁদের উদ্দেশ্য হাসিল হয়। তাঁদের কাজে স্বচ্ছতা থাকে না এবং তাঁদের জবাবদিহির মুখে পড়তে হয় না। রাজনৈতিক অসততা তাই লাগামহীনভাবে চলে। কিন্তু জনগণের দ্বারা নির্বাচিত একজন প্রতিনিধির ব্যক্তিগত মিথ্যাচার ও প্রতারণার সঙ্গে সরকারের একজন মন্ত্রীর মিথ্যাচারের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে, বিশেষ করে তিনি যদি সরকারের নীতিনির্ধারণী বক্তব্য দেওয়ার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হয়ে থাকেন।

গত ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী দিবসে বক্তব্য দানকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘আমাদের একটা তাগাদা ছিল, সংস্কারের বাহানায় যেন নির্বাচন আটকে না যায়। সে কারণে আমরা অনেক বিষয়ে আপস করেছি, এমনকি জুলাই জাতীয় সনদেও স্বাক্ষর করেছি। নির্বাচনের স্বার্থে আমরা অনেক কথা বলি নাই।’ তাঁর কথায় স্পষ্ট হয়েছে, জুলাই গণ অভ্যুত্থানের প্রতি তাঁদের মৌখিক সমর্থন ছিল শুধু একটি রাজনৈতিক কৌশল।

জুলাই আন্দোলনের প্রধান সুবিধাভোগী হওয়া সত্ত্বেও সনদ বাস্তবায়নে ক্ষমতাসীন বিএনপির আন্তরিকতা কতটুকু, তা ইতোমধ্যে দলটির নেতাদের বক্তব্যের ধরনেই বোঝা যায়। সামনের দিনগুলোতে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিরোধী দল সংসদের ভিতরে-বাইরে আন্দোলন করবে এবং সরকার মাঝে মাঝে সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বিরোধী দলকে শান্ত, তুষ্ট রাখার কৌশল প্রয়োগ করবে।

জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ৩০ এপ্রিলের বক্তব্য প্রমাণ করে, তিনি হৃদয়ে যা পোষণ করেন, মুখে তা বলেন কার্যসিদ্ধি হয়ে যাওয়ার পর। বাকচারিতায় সালাহউদ্দিন আহমদ বরাবর পটু। সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার পর বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (সালাহউদ্দিন আহমদ) সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকারভাবে পরিবেশন করতে পারেন (২ এপ্রিল ২০২৬, দৈনিক ইত্তেফাক)।’

বাংলাদেশে মিথ্যা ও প্রতারণার রাজনীতি যেহেতু ফুলে-ফলে বিকশিত, জনগণও খুব একটা মাথা ঘামায় না যে রাজনৈতিক নেতারা কখন কোথায় কী বলছেন। গণতন্ত্রের সত্যিকার চর্চা হলে এ সুযোগ থাকত না। জুলাই সনদে আপত্তি ছিল বলে গণভোটের রায়কে মুখের কথায় উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হতো না। আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত রাজনীতিতে যে ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করেছিল, বিএনপি সরকার সে পথেই হাঁটছে বলে মনে হচ্ছে, যার ফলাফল খুব শুভ হবে না।

গণতন্ত্রবিহীন রাজনীতিতে সত্যের পথে বাধা শুধু রাজনীতিবিদরাই নন, বরং এই বাধা আরও জটিল হয়ে ওঠে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার ভূমিকার কারণে, যাঁদের পথ খুঁজে নিতে হয় পক্ষপাত ও তথ্য প্রকাশের চাপের মধ্যে।  এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উত্থান বিভ্রান্তিকর তথ্য ও রাজনৈতিক ন্যারেটিভের ক্ষেত্রকে আরও সম্প্রসারিত করে রাজনৈতিক বাদানুবাদকে উন্মুক্ত করেছে। গণতন্ত্রকে যখন এসব সমস্যায় জড়িত, তখন রাজনীতিবিদদের মিথ্যাচার ও প্রতারণা নিয়ে জবাবদিহির কথা কেউ ভাবছে না। সত্য যে গণতন্ত্রের মৌলিক মূল্যবোধ, যা সচেতন সিদ্ধান্ত গ্রহণ, জবাবদিহি এবং গণতন্ত্রের টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য, তা নিয়ে মনে হয় কারও মাথাব্যথাও নেই।

লেখক: যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
সর্বশেষ খবর
বাজেটে ভর্তুকি কমছে, বাড়ছে প্রণোদনা
বাজেটে ভর্তুকি কমছে, বাড়ছে প্রণোদনা

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

বসুন্ধরা কিংসকে ফিফা সভাপতির অভিনন্দন
বসুন্ধরা কিংসকে ফিফা সভাপতির অভিনন্দন

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ শুরুর আগে কোচদের নিয়ে ভিন্নধর্মী মূল্যায়ন
বিশ্বকাপ শুরুর আগে কোচদের নিয়ে ভিন্নধর্মী মূল্যায়ন

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে থাকছে যেসব সুখবর
বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে থাকছে যেসব সুখবর

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

গরমে আম খেলে মিলবে অনেক উপকার
গরমে আম খেলে মিলবে অনেক উপকার

২২ মিনিট আগে | জীবন ধারা

বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব
বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপ প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপ প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে ব্রাজিল

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন
মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন
বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

বিমানবন্দর এলাকায় গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত
বিমানবন্দর এলাকায় গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেলেন নিষিদ্ধ সেই রেফারি
দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেলেন নিষিদ্ধ সেই রেফারি

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

৩ কোটি টাকার বেশি আয়ে ৩৫ শতাংশ করের প্রস্তাব
৩ কোটি টাকার বেশি আয়ে ৩৫ শতাংশ করের প্রস্তাব

৫৮ মিনিট আগে | জাতীয়

গরমে শরীর ঠিক রাখতে দরকার যেসব অভ্যাস
গরমে শরীর ঠিক রাখতে দরকার যেসব অভ্যাস

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

২৫ রানেই অস্ট্রেলিয়ার নেই ৪ উইকেট, মুস্তাফিজের আগুনে স্পেল
২৫ রানেই অস্ট্রেলিয়ার নেই ৪ উইকেট, মুস্তাফিজের আগুনে স্পেল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামেকে পৌঁছেছে ২৮ কোটি টাকার বিদেশি ওষুধ, বিনামূল্যে পাবেন রোগীরা
রামেকে পৌঁছেছে ২৮ কোটি টাকার বিদেশি ওষুধ, বিনামূল্যে পাবেন রোগীরা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

করমুক্ত থাকছে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়, থাকছে না ভ্যাটও
করমুক্ত থাকছে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়, থাকছে না ভ্যাটও

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘আমরা পৃথিবীর রাজা নই’, ভিসা বিতর্কে ফিফা সভাপতি
‘আমরা পৃথিবীর রাজা নই’, ভিসা বিতর্কে ফিফা সভাপতি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই থেকেই কেন শুরু হয় অর্থবছর?
জুলাই থেকেই কেন শুরু হয় অর্থবছর?

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শূন্য রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লজ্জার শুরু
শূন্য রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লজ্জার শুরু

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেভাবে এসেছিল বিগত ৫৪ বাজেট
যেভাবে এসেছিল বিগত ৫৪ বাজেট

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত
কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টস জিতে ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া, দুই দলেই পরিবর্তন
টস জিতে ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া, দুই দলেই পরিবর্তন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা
বাজেটে ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবারও উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো, এবার কি বদলাবে পুরোনো ইতিহাস?
আবারও উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো, এবার কি বদলাবে পুরোনো ইতিহাস?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করতে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়াচ্ছে বাজেট
স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করতে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়াচ্ছে বাজেট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব
রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ শুরুর দিনেই টিকিট কেলেঙ্কারি, সমর্থকদের ঠকানোর অভিযোগে তদন্ত
বিশ্বকাপ শুরুর দিনেই টিকিট কেলেঙ্কারি, সমর্থকদের ঠকানোর অভিযোগে তদন্ত

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসলামের দৃষ্টিতে প্রচলিত জমি বন্ধক ব্যবস্থা
ইসলামের দৃষ্টিতে প্রচলিত জমি বন্ধক ব্যবস্থা

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

এক নজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট
এক নজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ধানি জমিতে রঙিন আম চাষে বাজিমাত
ধানি জমিতে রঙিন আম চাষে বাজিমাত

২২ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাসির-তামিমার খালাস, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন বাদী রাকিব
নাসির-তামিমার খালাস, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন বাদী রাকিব

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেন ঝুঁকির পথ বেছে নিচ্ছেন ইরানের নতুন নেতৃত্ব: সিএনএনের বিশ্লেষণ
কেন ঝুঁকির পথ বেছে নিচ্ছেন ইরানের নতুন নেতৃত্ব: সিএনএনের বিশ্লেষণ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৬,৫৯১ টাকা
স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৬,৫৯১ টাকা

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আমরা আবারও ইরানে কঠোর হামলা করতে যাচ্ছি: ট্রাম্প
আমরা আবারও ইরানে কঠোর হামলা করতে যাচ্ছি: ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাড়তি ৭৫০ ডলারে দ্রুত মার্কিন ভিসা ইন্টারভিউয়ের সুযোগ
বাড়তি ৭৫০ ডলারে দ্রুত মার্কিন ভিসা ইন্টারভিউয়ের সুযোগ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র লাশ
৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র লাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ক্যারিয়ারসেরা র‍্যাঙ্কিংয়ে নাহিদ রানা
অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ক্যারিয়ারসেরা র‍্যাঙ্কিংয়ে নাহিদ রানা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পানি অবকাঠামোয় মার্কিন হামলা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
ইরানের পানি অবকাঠামোয় মার্কিন হামলা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে বিতর্কের মামলায় জিতে তামিমা লিখলেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’
বিয়ে বিতর্কের মামলায় জিতে তামিমা লিখলেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা শুরু, হরমুজ বন্ধ ঘোষণা
ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা শুরু, হরমুজ বন্ধ ঘোষণা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর হামলা ‘সম্পন্ন’, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের ওপর হামলা ‘সম্পন্ন’, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪৮ দলের বিশ্বকাপ: কোন গ্রুপে সবচেয়ে কঠিন লড়াই?
৪৮ দলের বিশ্বকাপ: কোন গ্রুপে সবচেয়ে কঠিন লড়াই?

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ : আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তি, স্কালোনির পরিকল্পনায় নতুন সমীকরণ
বিশ্বকাপ : আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তি, স্কালোনির পরিকল্পনায় নতুন সমীকরণ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হারসহ এক ম্যাচে ৮ লাল কার্ড হজম করল ব্রাজিল
হারসহ এক ম্যাচে ৮ লাল কার্ড হজম করল ব্রাজিল

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা বিশ্লেষকের
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা বিশ্লেষকের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কখন, থাকছে যেসব চমক
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কখন, থাকছে যেসব চমক

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কি এই মার্কিন সি ড্রোন?
কি এই মার্কিন সি ড্রোন?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সময়ক্ষেপণের জন্য ইরানকে এখন মূল্য দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
সময়ক্ষেপণের জন্য ইরানকে এখন মূল্য দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নীতিতে বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ, তবুও দেশে নায়ক সোমালি রেফারি
ট্রাম্পের নীতিতে বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ, তবুও দেশে নায়ক সোমালি রেফারি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাহিদ রানাকে শাস্তি দিল আইসিসি
নাহিদ রানাকে শাস্তি দিল আইসিসি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনুমতি ছাড়া হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা, দুটি জাহাজে হামলা চালাল ইরান
অনুমতি ছাড়া হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা, দুটি জাহাজে হামলা চালাল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কথা বলতে পারছেন না অমি, প্রয়োজন হতে পারে অস্ত্রোপচারের
কথা বলতে পারছেন না অমি, প্রয়োজন হতে পারে অস্ত্রোপচারের

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন যে সমীকরণ গড়ছে ইরান
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন যে সমীকরণ গড়ছে ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজের বিকল্পে ঐতিহাসিক হেজাজ রেলওয়ে সচলে তুরস্ক-সৌদি উদ্যোগ
হরমুজের বিকল্পে ঐতিহাসিক হেজাজ রেলওয়ে সচলে তুরস্ক-সৌদি উদ্যোগ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত ইসরায়েলি বিমানঘাঁটির স্থাপনা
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত ইসরায়েলি বিমানঘাঁটির স্থাপনা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গভীর রাতে আকস্মিক অভিযানে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী, মহাখালী-কাকলীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন
গভীর রাতে আকস্মিক অভিযানে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী, মহাখালী-কাকলীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওমান উপকূলে তেলবাহী জাহাজে অগ্নিকাণ্ড, দুই নাবিক নিখোঁজ
ওমান উপকূলে তেলবাহী জাহাজে অগ্নিকাণ্ড, দুই নাবিক নিখোঁজ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংকট মোকাবিলার বাজেট আজ
সংকট মোকাবিলার বাজেট আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজটেকায় শুরু বিশ্বকাপ মহোৎসব
আজটেকায় শুরু বিশ্বকাপ মহোৎসব

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শঙ্কায় অন্তঃসত্ত্বা নারীরা
শঙ্কায় অন্তঃসত্ত্বা নারীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পেছনের পৃষ্ঠা

জার্মানির সাড়ে ৭ কিলোমিটার পতাকা বানালেন আমজাদ
জার্মানির সাড়ে ৭ কিলোমিটার পতাকা বানালেন আমজাদ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা
ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ইতিহাসের অপেক্ষায় মিরাজ বাহিনী
ইতিহাসের অপেক্ষায় মিরাজ বাহিনী

মাঠে ময়দানে

অদৃশ্য এক ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম
অদৃশ্য এক ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ হবে আরও আকর্ষণীয়
বিশ্বকাপ হবে আরও আকর্ষণীয়

মাঠে ময়দানে

লোকসংখ্যা বাড়ছে, মানুষ বাড়ছে না
লোকসংখ্যা বাড়ছে, মানুষ বাড়ছে না

সম্পাদকীয়

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির আন্দোলনের ফসল জুলাই বিপ্লব
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির আন্দোলনের ফসল জুলাই বিপ্লব

প্রথম পৃষ্ঠা

এস আলমের গাড়ি ব্যবহার নিয়ে ব্যাখ্যা
এস আলমের গাড়ি ব্যবহার নিয়ে ব্যাখ্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাবার পথ ধরেই হাঁটছেন তারেক রহমান
বাবার পথ ধরেই হাঁটছেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

সালমান শাহর দেহাবশেষ কবর থেকে তোলার অনুমতি
সালমান শাহর দেহাবশেষ কবর থেকে তোলার অনুমতি

প্রথম পৃষ্ঠা

রেফারিকে বের করে দিল যুক্তরাষ্ট্র
রেফারিকে বের করে দিল যুক্তরাষ্ট্র

মাঠে ময়দানে

মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে বিশ্বকাপের সূচনা
মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে বিশ্বকাপের সূচনা

মাঠে ময়দানে

৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত
৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই বছরের প্রকল্পে ১৩ বছর ভোগান্তি
দুই বছরের প্রকল্পে ১৩ বছর ভোগান্তি

নগর জীবন

গ্রামীণফোন ও বিকাশের চুক্তি
গ্রামীণফোন ও বিকাশের চুক্তি

নগর জীবন

দুই যুগেও সংস্কার নেই, দুর্ভোগে মানুষ
দুই যুগেও সংস্কার নেই, দুর্ভোগে মানুষ

নগর জীবন

বিপদ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু
বিপদ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু

রকমারি নগর পরিক্রমা

জামায়াতের ছায়া সরকার ও বাজেট উদ্যোগের প্রশংসা
জামায়াতের ছায়া সরকার ও বাজেট উদ্যোগের প্রশংসা

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ঝিলমিল প্রকল্পের আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি
দীর্ঘদিন ঝিলমিল প্রকল্পের আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি

নগর জীবন

প্রেমের টানে দক্ষিণ কোরিয়ার যুবক লালমনিরহাটে
প্রেমের টানে দক্ষিণ কোরিয়ার যুবক লালমনিরহাটে

নগর জীবন

চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী
চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

নগর জীবন

বসুন্ধরা গ্রুপের সহযোগিতায় বিনামূল্যে আরও ১৯ রোগীর চোখের অপারেশন
বসুন্ধরা গ্রুপের সহযোগিতায় বিনামূল্যে আরও ১৯ রোগীর চোখের অপারেশন

নগর জীবন

মহাসড়কে বেড়েছে প্রাণহানি
মহাসড়কে বেড়েছে প্রাণহানি

নগর জীবন

বাজেটের আগে কমল সোনার দাম
বাজেটের আগে কমল সোনার দাম

পেছনের পৃষ্ঠা

টয়লেটের গর্ত নিয়ে বিরোধ, ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ
টয়লেটের গর্ত নিয়ে বিরোধ, ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ

দেশগ্রাম