শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৪৩, সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন

ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন

রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে সিটিজেনস ফোরাম বাংলাদেশ (সিএসবি) আয়োজিত ‘ফলস ন্যারেটিভস, প্রপাগান্ডা অ্যান্ড ডিসইউনিটি : থ্রেটস টু স্ট্যাবিলিটি, ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড ইউনিটি’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা অভিমত প্রকাশ করেন যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরস্পরবিরোধী ভিত্তিহীন বয়ান, প্রপাগান্ডা সমাজে অনৈক্য সৃষ্টি করছে। তাঁরা বলেন, ভুয়া ও ভিত্তিহীন সংবাদের ছড়াছড়ির কারণে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং সামাজিক ঐক্য বিনষ্ট হচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। পরাজিত মহল তাদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের কাজ করছে বলে সভায় অভিমত ব্যক্ত করা হয়। জাতিকে বিভাজিত করার এই অপচেষ্টা রোধের জন্য সুদৃঢ় জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়।


একই সঙ্গে নৈতিক শিক্ষা বিস্তারের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। সমাজের সর্বস্তরে নৈতিক শিক্ষা বিস্তারের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়। অনুষ্ঠানে আরো বলা হয়, ফলস ন্যারেটিভ বন্ধ করার জন্য শুধু আইন প্রণয়ন করলেই চলবে না, বরং ট্রু ন্যারেটিভ প্রয়োজন। অর্থাৎ সমাজে যদি সত্য প্রচারিত হয়, তাহলে মিথ্যা এমনিতেই দূরীভূত হবে।

সিএসবি আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত সহয়োপযোগী এবং গুরুত্বপূর্ণ। চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। আর সে কারণেই দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসনের জাঁতাকল থেকে জাতি মুক্তি পেয়েছে। বর্তমানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়েছে।

মানুষ তার বাকস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। বিগত রাজনৈতিক সরকারের আমলে দেশে নানাভাবে বাকস্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। গুম-খুনের ভয়ে সাংবাদিকরা ঠিকভাবে তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে পারতেন না। পত্রিকাগুলোতে এক ধরনের ‘সেলফ সেন্সরশিপ’ আরোপ করা হয়েছিল। পত্রিকাগুলো এখন স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশ করতে পারছে।

সাংবাদিকরা কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে পারছেন। কিন্তু সব ক্ষেত্রে স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষিত হচ্ছে না। স্বাধীনতা অর্থ স্বেচ্ছাচারিতা নয়। স্বাধীনতা অর্থ হচ্ছে স্ব-আরোপিত দায়িত্ববোধ। স্বাধীনতার নামে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ভুল সংবাদের কারণে ব্যক্তি হতে পারে ক্ষতিগ্রস্ত। জাতীয় স্বার্থ ও ঐক্য বিনষ্ট করতে পারে এমন কিছু করার নাম স্বাধীনতা নয়। কিন্তু আমরা অত্যন্ত বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করছি, এক শ্রেণির সংবাদপত্র সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই না করেই এমন সব সংবাদ প্রকাশ করছে, যা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী এবং জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করছে।

সংবাদপত্রকে একটি দেশের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। সংবাদপত্র হচ্ছে সমাজের দর্পণ। সম্মুখে দৃশ্যমান ছবি যেমন হুবহু আয়নায় প্রতিবিম্বিত হয়, তেমনি সংবাদপত্রের মাধ্যমে একটি দেশের প্রকৃত চিত্র ফুটে ওঠে। দায়িত্বশীল সংবাদপত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন ইস্যুতে সুদৃঢ় জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠতে পারে। আবার দায়িত্বহীন সংবাদপত্রের কারণে একটি দেশের স্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে। জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট হতে পারে। তাই সংবাদপত্রকে প্রতিকূল পরিবেশেও সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রেখে কর্তব্য সম্পাদন করতে হয়। একজন সাংবাদিক যে রাজনৈতিক মতাদর্শই ধারণ করুন না কেন, সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তার কোনো প্রতিফলন ঘটবে না, এটিই রীতি হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের দেশের এক শ্রেণির সাংবাদিক আছেন, যাঁরা সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তাঁদের রাজনৈতিক মতাদর্শকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। ফলে প্রকাশিত সংবাদের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হয়। সমাজে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং সামাজিক ঐক্য বিনষ্ট হয়। স্বীয় রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সত্যের সন্ধান করা এবং তা পাঠককে জানানোই হচ্ছে একজন সাংবাদিকের কাজ। তিনি কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি করতে পারেন না। কিন্তু এক শ্রেণির সংবাদিকের আচরণ দেখলে মনে হয়, তাঁরা সাংবাদিকতার আড়ালে আসলে রাজনীতিচর্চা করেন। আমাদের দেশের বেশির ভাগ পত্রিকা করপোরেট হাউসের মালিকানাধীন। ফলে একজন সাংবাদিক চাইলেও তাঁর নিজস্ব ইচ্ছামতো সঠিক সংবাদ প্রকাশ করতে পারেন না। তাঁদের মালিকের ইচ্ছায় চলতে হয়। সংবাদপত্র বা সাংবাদিকের স্বাধীনতা বলতে আমাদের দেশে মালিকের স্বাধীনতাকেই বোঝায়।

একজন সাংবাদিকের কাজ হচ্ছে নির্মোহভাবে সত্যের অনুসন্ধান করা এবং তা পত্রিকার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে অবহিত করা। সামান্য ভুল বা মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা হলে তা সংশ্লিষ্ট মহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। কয়েক বছরে একটি ইসলামী ধারার ব্যাংক থেকে এর উদ্যোক্তারা ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণের নামে বের করে নিয়ে বিদেশে পাচার করেছেন। সেই সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর দেশের এক শ্রেণির সংবাদপত্র অবিরাম সংবাদ প্রকাশ করতে থাকে যে দেশের ব্যাংকিং সেক্টর দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে। গ্রাহকরা আতঙ্কিত হয়ে তাঁদের আমানত তুলে নিতে থাকেন। ফলে বেশির ভাগ ব্যাংক বিনিয়োগযোগ্য তহবিল সংকটে পতিত হয়। অথচ সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক সংবাদটি প্রকাশের আগে যদি ভালোভাবে যাচাই করতেন, তাহলে বুঝতে পারতেন বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকের দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কা নেই। প্রথমত, সরকার কোনো ব্যাংক দেউলিয়া হতে দেবে না। প্রয়োজনে অর্থ সহায়তা দিয়ে ব্যাংক টিকিয়ে রাখবে। স্বাধীনতার পর থেকে বিগত ৫৫ বছরে কোনো ব্যাংক দেউলিয়া হয়নি। কয়েকটি ব্যাংক মার্জার করা হয়েছে মাত্র। বিশ্বে দুই ধরনের ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রত্যক্ষ করা যায়। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং এবং অন্যটি ইউনিট ব্যাংকিং। ইউনিট ব্যাংকিং ব্যবস্থায় দু-তিনটি শাখা নিয়ে একটি ব্যাংক স্থাপিত হয়। কোনো একটি বা দুটি শাখা ব্যাবসায়িকভাবে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকটি দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিট ব্যাংকিং চালু আছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো পৃথিবীর আর কোনো দেশে এত বেশিসংখ্যক ব্যাংক দেউলিয়া হয় না। ব্রিটেনে ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু আছে। সেখানে ব্যাংকের সংখ্যা খুব কম। তারা শত শত ব্রাঞ্চের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে। কিছু শাখা ব্যাবসায়িকভাবে খারাপ করলেও পুরো ব্যাংকের ওপর তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না। বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং সিস্টেম অনুসরণ করে থাকে। কাজেই আমাদের এখানে কোনো ব্যাংক দেউলিয়া হয় না।

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট ছেপেছে—এই মর্মে বিভিন্ন পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নোট প্রকাশ করে, এটি নজিরবিহীন ঘটনা নয়। মাঝে মাঝেই তারা নতুন নোট ছাপে। কিন্তু সংবাদটি এমনভাবে পরিবেশন করা হয়, যেন বর্তমান সরকার মারাত্মক আর্থিক সংকট মেটানোর জন্য নতুন নোট ছেপেছে। আসলে ঘটনাটি তা নয়। প্রিন্ট মিডিয়ায় এমন অনেক সংবাদ প্রকাশিত হয়, যা পাঠ করলে একজন পাঠক নিশ্চিতভাবেই বিভ্রান্ত হবেন।

প্রথাগত সংবাদপত্রগুলো তবু কিছুটা হলেও নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করে। কিন্তু ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়ার দাপট প্রচণ্ডভাবে বেড়ে গেছে। তারা এমন সব সংবাদ প্রচার করে থাকে, যা কল্পনাকেও হার মানায়। অনেক সময় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ছবি দিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তারের সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের চরিত্র হননের জন্য এমন সব সংবাদ প্রচার করা হয়, যার কোনো ন্যূনতম ভিত্তি থাকে না। অনেক সময় পুরনো ছবি সংযুক্ত করে এমন সংবাদ প্রচার করা হয়, যাতে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়। মফস্বল এলাকায় এক শ্রেণির যুবক নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ক্যামেরা নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। তারা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করে থাকে। এমনকি রাজধানীতে অনেক রাইড শেয়ার চালক তাদের মোটরসাইকেলের সামনে ‘প্রেস’ লিখে চলাচল করে থাকে।

সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। সাংবাদিকরা জাতি গঠনে এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। আবার নৈতিকতা থেকে বিচ্যুত হলে একজন সাংবাদিক দেশ ও জাতির বড় ক্ষতি করে ফেলতে পারেন। চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছে, তা সফল করার জন্য এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হচ্ছে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখা। এরই মধ্যে জাতিকে বিভক্ত করার জন্য নানা তৎপরতা শুরু হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্তমানে সরকার ও দেশের বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি পরিকল্পিত ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমেরই অংশ। বর্তমানে দেশের সংবাদপত্রগুলো স্বাধীনতা ভোগ করছে। কিন্তু স্বাধীনতার অর্থ স্বেচ্ছাচারিতা নয়, এটি আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে।

কথায় বলে, United we stand, devided we fall. বাংলাদেশের মানুষ বারবার প্রমাণ করেছে ঐক্যবদ্ধ থাকলে তারা যেকোনো অসাধ্য সাধন করতে পারে। আর বিভক্ত হলে পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে। ১৯৫২ সালে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের মানুষ তাদের মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করেছিল। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর কাছ থেকে মাতৃভূমির স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারী এরশাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ছিনিয়ে এনেছিল। ২০২৪ সালে শত শত ছাত্র-জনতা জীবন দিয়ে দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছিল। কিন্তু একটি বিষয় অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করা গেছে, প্রতিটি সফল আন্দোলনের পর আন্দোলনের চেতনা ধরে রাখতে আমরা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছি। ফলে আন্দোলনের মাধ্যমে গণ-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল, তা আমরা হারিয়েছি। ফলে দেশ যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। একই ধরনের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য আমাদের বারবার আন্দোলন করতে হয়েছে, জীবন দিতে হয়েছে। 

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণ তাদের কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করলেও পরবর্তী সময়ে অনৈক্যের কারণে তারা চূড়ান্তভাবে সফলতা লাভ করতে পারেনি। প্রতিবারই আন্দোলনের মাধ্যমে যে গণ-আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়, তা ব্যর্থতার ধুলায় লুটিয়ে পড়ে। চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে, তা বিনষ্ট করার জন্য একটি মহল নানাভাবে চেষ্টা করছে। এবার যদি আমরা সৃষ্ট ঐক্য ধরে রাখতে ব্যর্থ হই, তাহলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। আমাদের মনে রাখতে হবে, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। কাজেই ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে এমন কিছু করা ঠিক হবে না, যা দেশের মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। 

প্রথাগত সংবাদপত্রগুলো যাতে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে, তা নিশ্চিত করতে হবে। আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাতে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশিত না হয়, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় যাতে কোনো হার্ড নিউজ প্রচারিত না হয়, তা আইন করে নিষিদ্ধ করতে হবে। তবে আইনের পাশাপাশি জনগণকে সচেতন হতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত বিভ্রান্তিকর সংবাদ দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়া চলবে না। যাঁরা সোশ্যাল মিডিয়া পরিচালনা করেন, তাঁদের মনে রাখতে হবে, সামান্য ভিউ বাড়ানোর আশায় তাঁদের পরিবেশিত মিথ্যা সংবাদ সমাজে মারাত্মক বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি দাঙ্গা-হাঙ্গামার সৃষ্টি হতে পারে। তাঁরাও বাংলাদেশের নাগরিক। তাঁরা সমাজের বাইরের কেউ নন। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি তাঁদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাঁদের পরিবেশিত সংবাদ বা সংবাদ ভাষ্য সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তার দায়ভার তাঁদেরই নিতে হবে।

আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ার কার্যক্রম সীমিতকরণ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা যেতে পারে। কারো কাজে যদি সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, তাহলে তা সর্বাবস্থায় পরিত্যাজ্য। বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা এবং তা ধরে রাখা একান্ত প্রয়োজন।

লেখক : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত

এই বিভাগের আরও খবর
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
সর্বশেষ খবর
সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শরীফ হোসেন আটক
সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শরীফ হোসেন আটক

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

রাজধানীর বিজয় সরণিতে গাড়ির ধাক্কায় একজন নিহত
রাজধানীর বিজয় সরণিতে গাড়ির ধাক্কায় একজন নিহত

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

মেসি, ম্যারাডোনা নাকি পেলে, সেরা ১০ বিশ্বকাপ কিংবদন্তির তালিকা প্রকাশ
মেসি, ম্যারাডোনা নাকি পেলে, সেরা ১০ বিশ্বকাপ কিংবদন্তির তালিকা প্রকাশ

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে ভর্তুকি কমছে, বাড়ছে প্রণোদনা
বাজেটে ভর্তুকি কমছে, বাড়ছে প্রণোদনা

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

বসুন্ধরা কিংসকে ফিফা সভাপতির অভিনন্দন
বসুন্ধরা কিংসকে ফিফা সভাপতির অভিনন্দন

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ শুরুর আগে কোচদের নিয়ে ভিন্নধর্মী মূল্যায়ন
বিশ্বকাপ শুরুর আগে কোচদের নিয়ে ভিন্নধর্মী মূল্যায়ন

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে থাকছে যেসব সুখবর
বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে থাকছে যেসব সুখবর

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

গরমে আম খেলে মিলবে অনেক উপকার
গরমে আম খেলে মিলবে অনেক উপকার

৩২ মিনিট আগে | জীবন ধারা

বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব
বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপ প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপ প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে ব্রাজিল

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন
মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন
বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

বিমানবন্দর এলাকায় গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত
বিমানবন্দর এলাকায় গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত

৫৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেলেন নিষিদ্ধ সেই রেফারি
দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেলেন নিষিদ্ধ সেই রেফারি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৩ কোটি টাকার বেশি আয়ে ৩৫ শতাংশ করের প্রস্তাব
৩ কোটি টাকার বেশি আয়ে ৩৫ শতাংশ করের প্রস্তাব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গরমে শরীর ঠিক রাখতে দরকার যেসব অভ্যাস
গরমে শরীর ঠিক রাখতে দরকার যেসব অভ্যাস

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

২৫ রানেই অস্ট্রেলিয়ার নেই ৪ উইকেট, মুস্তাফিজের আগুনে স্পেল
২৫ রানেই অস্ট্রেলিয়ার নেই ৪ উইকেট, মুস্তাফিজের আগুনে স্পেল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামেকে পৌঁছেছে ২৮ কোটি টাকার বিদেশি ওষুধ, বিনামূল্যে পাবেন রোগীরা
রামেকে পৌঁছেছে ২৮ কোটি টাকার বিদেশি ওষুধ, বিনামূল্যে পাবেন রোগীরা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

করমুক্ত থাকছে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়, থাকছে না ভ্যাটও
করমুক্ত থাকছে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়, থাকছে না ভ্যাটও

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘আমরা পৃথিবীর রাজা নই’, ভিসা বিতর্কে ফিফা সভাপতি
‘আমরা পৃথিবীর রাজা নই’, ভিসা বিতর্কে ফিফা সভাপতি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই থেকেই কেন শুরু হয় অর্থবছর?
জুলাই থেকেই কেন শুরু হয় অর্থবছর?

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শূন্য রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লজ্জার শুরু
শূন্য রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লজ্জার শুরু

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেভাবে এসেছিল বিগত ৫৪ বাজেট
যেভাবে এসেছিল বিগত ৫৪ বাজেট

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত
কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টস জিতে ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া, দুই দলেই পরিবর্তন
টস জিতে ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া, দুই দলেই পরিবর্তন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা
বাজেটে ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবারও উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো, এবার কি বদলাবে পুরোনো ইতিহাস?
আবারও উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো, এবার কি বদলাবে পুরোনো ইতিহাস?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করতে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়াচ্ছে বাজেট
স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করতে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়াচ্ছে বাজেট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব
রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ধানি জমিতে রঙিন আম চাষে বাজিমাত
ধানি জমিতে রঙিন আম চাষে বাজিমাত

২২ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাসির-তামিমার খালাস, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন বাদী রাকিব
নাসির-তামিমার খালাস, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন বাদী রাকিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেন ঝুঁকির পথ বেছে নিচ্ছেন ইরানের নতুন নেতৃত্ব: সিএনএনের বিশ্লেষণ
কেন ঝুঁকির পথ বেছে নিচ্ছেন ইরানের নতুন নেতৃত্ব: সিএনএনের বিশ্লেষণ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৬,৫৯১ টাকা
স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৬,৫৯১ টাকা

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আমরা আবারও ইরানে কঠোর হামলা করতে যাচ্ছি: ট্রাম্প
আমরা আবারও ইরানে কঠোর হামলা করতে যাচ্ছি: ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাড়তি ৭৫০ ডলারে দ্রুত মার্কিন ভিসা ইন্টারভিউয়ের সুযোগ
বাড়তি ৭৫০ ডলারে দ্রুত মার্কিন ভিসা ইন্টারভিউয়ের সুযোগ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র লাশ
৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র লাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ক্যারিয়ারসেরা র‍্যাঙ্কিংয়ে নাহিদ রানা
অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ক্যারিয়ারসেরা র‍্যাঙ্কিংয়ে নাহিদ রানা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পানি অবকাঠামোয় মার্কিন হামলা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
ইরানের পানি অবকাঠামোয় মার্কিন হামলা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে বিতর্কের মামলায় জিতে তামিমা লিখলেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’
বিয়ে বিতর্কের মামলায় জিতে তামিমা লিখলেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ওপর হামলা ‘সম্পন্ন’, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের ওপর হামলা ‘সম্পন্ন’, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা শুরু, হরমুজ বন্ধ ঘোষণা
ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা শুরু, হরমুজ বন্ধ ঘোষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪৮ দলের বিশ্বকাপ: কোন গ্রুপে সবচেয়ে কঠিন লড়াই?
৪৮ দলের বিশ্বকাপ: কোন গ্রুপে সবচেয়ে কঠিন লড়াই?

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ : আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তি, স্কালোনির পরিকল্পনায় নতুন সমীকরণ
বিশ্বকাপ : আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তি, স্কালোনির পরিকল্পনায় নতুন সমীকরণ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হারসহ এক ম্যাচে ৮ লাল কার্ড হজম করল ব্রাজিল
হারসহ এক ম্যাচে ৮ লাল কার্ড হজম করল ব্রাজিল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কখন, থাকছে যেসব চমক
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কখন, থাকছে যেসব চমক

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা বিশ্লেষকের
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা বিশ্লেষকের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কি এই মার্কিন সি ড্রোন?
কি এই মার্কিন সি ড্রোন?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সময়ক্ষেপণের জন্য ইরানকে এখন মূল্য দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
সময়ক্ষেপণের জন্য ইরানকে এখন মূল্য দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নীতিতে বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ, তবুও দেশে নায়ক সোমালি রেফারি
ট্রাম্পের নীতিতে বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ, তবুও দেশে নায়ক সোমালি রেফারি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনুমতি ছাড়া হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা, দুটি জাহাজে হামলা চালাল ইরান
অনুমতি ছাড়া হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা, দুটি জাহাজে হামলা চালাল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাহিদ রানাকে শাস্তি দিল আইসিসি
নাহিদ রানাকে শাস্তি দিল আইসিসি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গভীর রাতে আকস্মিক অভিযানে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী, মহাখালী-কাকলীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন
গভীর রাতে আকস্মিক অভিযানে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী, মহাখালী-কাকলীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হরমুজের বিকল্পে ঐতিহাসিক হেজাজ রেলওয়ে সচলে তুরস্ক-সৌদি উদ্যোগ
হরমুজের বিকল্পে ঐতিহাসিক হেজাজ রেলওয়ে সচলে তুরস্ক-সৌদি উদ্যোগ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কথা বলতে পারছেন না অমি, প্রয়োজন হতে পারে অস্ত্রোপচারের
কথা বলতে পারছেন না অমি, প্রয়োজন হতে পারে অস্ত্রোপচারের

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন যে সমীকরণ গড়ছে ইরান
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন যে সমীকরণ গড়ছে ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত ইসরায়েলি বিমানঘাঁটির স্থাপনা
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত ইসরায়েলি বিমানঘাঁটির স্থাপনা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘অস্তিত্ব রক্ষায়’ কি কংগ্রেসে ফিরছেন মমতা?
‘অস্তিত্ব রক্ষায়’ কি কংগ্রেসে ফিরছেন মমতা?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংকট মোকাবিলার বাজেট আজ
সংকট মোকাবিলার বাজেট আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজটেকায় শুরু বিশ্বকাপ মহোৎসব
আজটেকায় শুরু বিশ্বকাপ মহোৎসব

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শঙ্কায় অন্তঃসত্ত্বা নারীরা
শঙ্কায় অন্তঃসত্ত্বা নারীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পেছনের পৃষ্ঠা

জার্মানির সাড়ে ৭ কিলোমিটার পতাকা বানালেন আমজাদ
জার্মানির সাড়ে ৭ কিলোমিটার পতাকা বানালেন আমজাদ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা
ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ইতিহাসের অপেক্ষায় মিরাজ বাহিনী
ইতিহাসের অপেক্ষায় মিরাজ বাহিনী

মাঠে ময়দানে

অদৃশ্য এক ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম
অদৃশ্য এক ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ হবে আরও আকর্ষণীয়
বিশ্বকাপ হবে আরও আকর্ষণীয়

মাঠে ময়দানে

লোকসংখ্যা বাড়ছে, মানুষ বাড়ছে না
লোকসংখ্যা বাড়ছে, মানুষ বাড়ছে না

সম্পাদকীয়

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির আন্দোলনের ফসল জুলাই বিপ্লব
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির আন্দোলনের ফসল জুলাই বিপ্লব

প্রথম পৃষ্ঠা

এস আলমের গাড়ি ব্যবহার নিয়ে ব্যাখ্যা
এস আলমের গাড়ি ব্যবহার নিয়ে ব্যাখ্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাবার পথ ধরেই হাঁটছেন তারেক রহমান
বাবার পথ ধরেই হাঁটছেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

সালমান শাহর দেহাবশেষ কবর থেকে তোলার অনুমতি
সালমান শাহর দেহাবশেষ কবর থেকে তোলার অনুমতি

প্রথম পৃষ্ঠা

৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত
৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে বিশ্বকাপের সূচনা
মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে বিশ্বকাপের সূচনা

মাঠে ময়দানে

রেফারিকে বের করে দিল যুক্তরাষ্ট্র
রেফারিকে বের করে দিল যুক্তরাষ্ট্র

মাঠে ময়দানে

দুই বছরের প্রকল্পে ১৩ বছর ভোগান্তি
দুই বছরের প্রকল্পে ১৩ বছর ভোগান্তি

নগর জীবন

গ্রামীণফোন ও বিকাশের চুক্তি
গ্রামীণফোন ও বিকাশের চুক্তি

নগর জীবন

দুই যুগেও সংস্কার নেই, দুর্ভোগে মানুষ
দুই যুগেও সংস্কার নেই, দুর্ভোগে মানুষ

নগর জীবন

জামায়াতের ছায়া সরকার ও বাজেট উদ্যোগের প্রশংসা
জামায়াতের ছায়া সরকার ও বাজেট উদ্যোগের প্রশংসা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিপদ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু
বিপদ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু

রকমারি নগর পরিক্রমা

দীর্ঘদিন ঝিলমিল প্রকল্পের আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি
দীর্ঘদিন ঝিলমিল প্রকল্পের আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি

নগর জীবন

প্রেমের টানে দক্ষিণ কোরিয়ার যুবক লালমনিরহাটে
প্রেমের টানে দক্ষিণ কোরিয়ার যুবক লালমনিরহাটে

নগর জীবন

বসুন্ধরা গ্রুপের সহযোগিতায় বিনামূল্যে আরও ১৯ রোগীর চোখের অপারেশন
বসুন্ধরা গ্রুপের সহযোগিতায় বিনামূল্যে আরও ১৯ রোগীর চোখের অপারেশন

নগর জীবন

চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী
চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

নগর জীবন

মহাসড়কে বেড়েছে প্রাণহানি
মহাসড়কে বেড়েছে প্রাণহানি

নগর জীবন

বাজেটের আগে কমল সোনার দাম
বাজেটের আগে কমল সোনার দাম

পেছনের পৃষ্ঠা

টয়লেটের গর্ত নিয়ে বিরোধ, ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ
টয়লেটের গর্ত নিয়ে বিরোধ, ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ

দেশগ্রাম