শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:৩৩, মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬ আপডেট: ২০:৪২, মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়

ইউরোপীয় ইউনিয়ন-ইইউর সাথে ভারতের বাণিজ্য চুক্তিতে চরম দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশের পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা। প্রতিযোগিতা নয়, টিকে থাকাই কঠিন হয়ে উঠবে বলে শঙ্কা তাদের। এ চুক্তির গোমড় বুঝতেও ৩-৪ মাস কেটে গেছে দেশের কারো কারো। প্রায় এক দশককাল আলোচনা শেষে জানুয়ারিতে সই হওয়া এফটিএ চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা আগামী বছর থেকে। বিনিয়োগ সুরক্ষা থেকে শুরু করে ভৌগোলিক স্বত্ব-জিআই সব মিলিয়ে এই চুক্তি ভারতের জন্য এক বিশাল জানালা খুলে দিল। একদিকে যখন মার্কিন শুল্কের খাঁড়া ঝুলছে, তখন এই চুক্তির হাত ধরে ইউরোপের ১৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল বাজার ভারতের সামনে উন্মুক্ত হবে। ভারতের অর্থনীতির এটি একটি ‘গেম চেঞ্জার’। শুল্ক কাঠামোর এ উদারীকরণের যাবতীয় সুযোগ এখন তাদের কব্জায়।

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির অন্যতম শক্তিশালী আরেক দিক হলো পরিষেবার বাণিজ্য। ভারত ইইউ-এর মোট ১৪৪টি উপ-খাতে সরাসরি প্রবেশাধিকার পেয়েছে, যার মধ্যে আইটি, শিক্ষা, আর্থিক পরিষেবা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো অন্তর্ভুক্ত। এই চুক্তির অধীনে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য ইইউ-এর দেশগুলোতে ‘আনক্যাপড মোবিলিটি’ (সীমাহীন যাতায়াত) ও পড়াশোনার সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এর ফলে ভারতীয় মেধাবী শিক্ষার্থীরা ইউরোপের ২৭টি সদস্য দেশে কোনো নির্দিষ্ট কোটা ছাড়াই উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পাবে। তাই পেশাদার কর্মীদের ক্ষেত্রেও এই চুক্তি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। ভারতীয় আইটি বিশেষজ্ঞ ও দক্ষ পেশাদাররা এখন থেকে ইইউ দেশগুলোতে কাজ করার জন্য দ্রুত ও সহজতর অনুমতি পাবেন। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো ‘সামাজিক সুরক্ষা চুক্তি’ সম্পন্ন করার নির্দিষ্ট কাঠামো। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই কাঠামো চূড়ান্ত হলে ভারতীয় পেশাদাররা দ্বৈত করের বা ডুয়াল ট্যাক্সেশনের (একই আয়ের ওপর ভারত এবং ইউরোপ-উভয় দেশেই কর দেওয়ার বোঝা) হাত থেকে মুক্তি পাবেন, যা তাঁদের সঞ্চয় ও পেশাদার জীবনকে আরও সুরক্ষিত করবে। একই সাথে এটি ভূ-রাজনীতি ও ভারতের কৌশলগত বর্মও। ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি এমন এক সময়ে সই হয়েছে, যখন বিশ্ব বাণিজ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সংরক্ষণবাদী নীতির চাপে টালমাটাল। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন ভারতের ওপর যে শুল্ক আরোপ করেছে, তার বিপরীতে এই চুক্তিটি ভারতের জন্য একটি শক্তিশালী কৌশলগত রক্ষাকবচ।

মার্কিন শুল্ক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ভারত এখন ইউরোপের বিশাল বাজারে অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকার পাবে, যা মার্কিন বাজারের ওপর ভারতের অতিনির্ভরতা কমিয়ে বিশ্ববাজারে নিজের ‘মার্কেট শেয়ার’ রক্ষা করতে সাহায্য করবে। আঞ্চলিক ও বিশ্বায়নের কূটনীতিতে এটি ভারতের জন্য বিশাল প্রাপ্তি। এসব নিয়ে বাংলাদেশকে একটা সময় পর্যন্ত ভাবতে হয়নি। বরং এতদিন সুবিধাজনক পজিশনেই ছিল বাংলাদেশ। জিএসপি-জেনারেল সিস্টেম অব প্রেফারেন্স সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের কারণেই ইউরোপের বিশাল বাজারে আধিপত্য তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশের। ইইউতে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা পেলেও ভারতকে নির্দিষ্ট হারে শুল্ক দিয়ে পোশাক রপ্তানি করতে হতো। কিন্তু এ চুক্তির ফলে ভারতের দুয়ার খুলে গেল ভারতের। তাদের আর শুল্ক গুণতে হবে না। তারওপর ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের হিস্যায় ভারত বড় ধরনের থাবা দেবে বলে শঙ্কা ঘুরছে এ খাত সংশ্লিষ্টদের মাঝে। ভিয়েতনামের সাথেও তারা এ চুক্তি করেছে। ২০২৯ সালে স্বল্পোন্নত দেশ-এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এই শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা আর থাকবে না। এমন একটি ক্রান্তিকর সময়েই ইইউর সাথে ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি-এফটিএ সই। ঘোষিত চুক্তিটি ইউরোপিয়ান কাউন্সিল, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট এবং ভারতের পার্লামেন্টের অনুমোদন সাপেক্ষে ২০২৭ সালে কার্যকর হওয়ার কথা।

চুক্তিটি কার্যকর হলে ইউরোপের বাজারে ভারতীয় পোশাকের ওপর বিদ্যমান ১২ শতাংশ শুল্ক উঠে গিয়ে তা শূন্যে নেমে আসবে। এর ফলে বাংলাদেশের পোশাক খাত এতদিন যে সুবিধা পেয়ে আসছিল, তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। এই চুক্তির আওতায় ইইউ ২০৩২ সালের মধ্যে ভারতে তাদের রপ্তানি দ্বিগুণ করতে চায়। বিনিময়ে ইইউ সাত বছরের মধ্যে ভারত থেকে আমদানিকৃত ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ পণ্যের ওপর শুল্ক প্রত্যাহার করবে। এতে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর অনুকূলে প্রায় ৪০০ কোটি ইউরোর শুল্ক সাশ্রয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই চুক্তির ফলে দুই দেশ ও অঞ্চলের ৯৯ শতাংশেরও বেশি পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক তুলে নেওয়া হবে। এর আওতায় ভারত ইইউর ৯১ শতাংশ পণ্য এবং ইইউ ভারতের প্রায় ৯৬.৬ শতাংশ পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করবে। এতে দুই অঞ্চলের বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে বিশাল আয়তনে। ভারতের তৈরি পোশাকই নয়, চামড়া ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের রপ্তানিও ব্যাপকভাবে বাড়বে। সমান্তরালে ইউরোপীয় গাড়ি, ওয়াইন এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম কমে আসবে ভারতে। দেশটির শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার খবরে ইউরোপের বায়াররা এরই মধ্যে ড্রেস রিহার্সালের মতো নড়াচড়া শুরু করেছে। দীর্ঘমেয়াদে নিজেদের ব্যবসার নিরাপত্তা ও শুল্কমুক্ত সুবিধার আশায় তাদের যাতায়াত চলছে ভারতে। দেশের বিজনেস কমিউনিটির কাছে এ সংক্রান্ত পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এইচঅ্যান্ডএম তাদের অর্ডারগুলো বাংলাদেশ থেকে শিফট করা গোপন বিষয় নয়। আগামী এক বছরের মধ্যে আরও অনেক অর্ডার সেখানে চলে যেতে পারে। গত বছরের আগ পর্যন্ত এইচঅ্যান্ডএম বাংলাদেশে প্রতি বছরই অর্ডার প্লেসিং বাড়িয়েছিল। এই বছরই একমাত্র তারা অর্ডার বাড়ায়নি, বরং কমিয়েছে। এর মূল কারণ তারা ভারতের দিকে পা বাড়িয়েছে। অনেক বছর ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজার বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই (জুলাই-মার্চ) বাংলাদেশ ১৪ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক ইইউতে রপ্তানি করেছে, যা দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৪৯ শতাংশ। একই সময়ে বিশ্বে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি ছিল ২৮.৫৮ বিলিয়ন ডলার। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে পোশাক রপ্তানির দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থানকে বিশ্বে দ্বিতীয় ধরা হয়। ভারতের অবস্থান চতুর্থ। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নে যথাক্রমে ১৮.৩১ ও ১৯.৪১ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ভারত রপ্তানি করেছে যথাক্রমে ৪.১৮ ও ৪.৫২ বিলিয়ন ডলারের পোশাক।

অ্যাডহক নয়, দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করতে হবে বাংলাদেশকে। এ কাজটির বিশেষ দায়িত্ব বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশেরও এফটিএ’র আলোচনা শুরু করা জরুরি। অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বাংলাদেশ যে হাই ভলিউমে মানসম্পন্ন পোশাক তৈরিতে  দীর্ঘ অভিজ্ঞ, তা প্রচারে রাখতে হবে। ইইউর সঙ্গে  মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিনামার আলোচনা জারি রাখতে হবে। বাংলাদেশও এফটিএ করার উদ্যোগ নিয়েছে, বায়ারদের কাছে এ বার্তা গেলেও তাদের মধ্যে একটি ভাবনা যোগ হবে। স্বস্তি আসবে। নিজস্ব কাঁচামালের উৎস নিশ্চিত করতে হবে। বন্দরসহ ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতেই হবে। ভারত এই চুক্তির আগে তা করেছে। চাইলেই কোনো দেশ এফটিএ করতে রাজি হবে না। এটি দ্বিপক্ষীয় বিষয়। অপর দেশকেও কিছু সুবিধা দেওয়ার সক্ষমতা থাকতে হয়। গ্যাস, বিদ্যুৎসহ জ্বালানির সরবরাহের বার্তা দিতে হবে। কাস্টমস বা আইন-কানুনসহ আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, ব্যাংকিং খাতের সংকটগুলো দূর করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি তো আনতেই হবে। দ্রুত প্রয়োজনীয় কাঁচামাল, শক্তিশালী ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার সাপোর্ট নিশ্চিতের বার্তা যেতে হবে বায়ারদের কাছে।

রপ্তানি বাণিজ্যে পণ্যের বৈচিত্র্য, গুণগত মান উন্নয়নও করতে হবে। আর তা শুধু কথায় হাতি ঘোড়া মেরে হবে না। গালগল্প দিয়ে নয় কাজ দিয়ে দেখাতে হবে। ১৯৭৫ সাল থেকে ইইউর দেওয়া বাণিজ্যিক সুবিধার ওপর ভর করে বাংলাদেশ চীনের পর ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। ডেনিম, ট্রাউজার্স ও টি-শার্টের মতো কিছু ক্ষেত্রে চীনকেও ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ। ইইউ বাংলাদেশি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। তার মধ্যে ২১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে ইইউর বাজারে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে ৮ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন, কানাডায় ১ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন, জাপানে ১ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

শিল্পমালিকদের তথ্য বলছে, ইউরোপে প্রতি তিনজনের একজন বাংলাদেশের তৈরি ডেনিম ট্রাউজার পরেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ৫০ শতাংশের বেশি গেছে ইইউ দেশগুলোতে, যার আর্থিক মূল্য ১৯ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা জিএসপি প্লাস সুবিধা নিশ্চিত করতে না পারলে ২০২৯ সালের পর ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে প্রায় সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্ক গুনতে হবে। অন্যদিকে ভারত ও ভিয়েতনাম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে শূন্য শুল্ক সুবিধা ভোগ করতে থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ট্যারিফ ও বাণিজ্যনীতির পরিবর্তনের পর এখন পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য প্রধান প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে ইউরোপ। ব্রোকারেজ ফার্ম ব্র্যাক ইপিএল এক গবেষণা নোটে বলেছে, ‘বাজারে হঠাৎ অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দরকষাকষির ক্ষমতা এখন ইইউর ক্রেতাদের হাতে। তারা সরবরাহকারীদের ওপর কঠিন শর্ত ও কম সময়ের মধ্যে পণ্য সরবরাহের চাপ দিচ্ছে। মনে রাখতে হবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন-জিডিপি যৌথভাবে ইইউ ও ভারতের দখলে। তাদের হাতেই আছে প্রায় ২০০ কোটি টাকার বড় এক বাজার। তাই দুই দেশের কাছে এটি ‘মাদার অব অল ডিলস’ (সব চুক্তির সেরা)। তা কথামালা দিয়ে হয়নি। আরো মনে রাখতে হবে, ভারত একবার শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পেলে ইইউ বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাবে। তখন চেষ্টায়ও কাজ দেবে না। তাই সতর্ক হওয়া এবং পদক্ষেপ নেয়ার এখনই সময়। প্রতিদ্বন্দ্বীদের এফটিএ বা জিএসপি প্লাস সুবিধা নিশ্চিতের সময় বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকলে আরো পেছনে পড়বে। 

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন 

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
শহীদ জিয়া: অগ্রসরমান বাংলাদেশের রূপকার
শহীদ জিয়া: অগ্রসরমান বাংলাদেশের রূপকার
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রচিন্তার জনক
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রচিন্তার জনক
নিম্নমধ্যবিত্তের যে গল্প কেউ জানে না!
নিম্নমধ্যবিত্তের যে গল্প কেউ জানে না!
সর্বশেষ খবর
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়‌কে যানজট
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়‌কে যানজট

৩৬ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

উত্তরবঙ্গকে কৃষি হাব গড়তে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে: গভর্নর
উত্তরবঙ্গকে কৃষি হাব গড়তে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে: গভর্নর

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নওগাঁ সীমান্তে পুশইন ব্যর্থ, বিএসএফ ফেরত নিয়েছে দাবি বিজিবির
নওগাঁ সীমান্তে পুশইন ব্যর্থ, বিএসএফ ফেরত নিয়েছে দাবি বিজিবির

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ করলো বসুন্ধরা শুভসংঘ
প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ করলো বসুন্ধরা শুভসংঘ

১৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

গাংনীতে তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফুটবল বিতরণ
গাংনীতে তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফুটবল বিতরণ

২১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে যৌথ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-তুরস্কের
প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে যৌথ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-তুরস্কের

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু
কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে কুয়েতি টিভি উপস্থাপিকার কারাদণ্ড
ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে কুয়েতি টিভি উপস্থাপিকার কারাদণ্ড

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদমদীঘিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা রোপণ
আদমদীঘিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা রোপণ

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাংনী সিমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি-গ্রামবাসী
গাংনী সিমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি-গ্রামবাসী

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লালমাইয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
লালমাইয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

৩৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২
কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার
নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

৪০ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাদারীপুরে সচেতনতামূলক র‌্যালি
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাদারীপুরে সচেতনতামূলক র‌্যালি

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতা হচ্ছে না আর্জেন্টিনার? কোয়ার্টারে মুখোমুখি মেসি-রোনালদো!
টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতা হচ্ছে না আর্জেন্টিনার? কোয়ার্টারে মুখোমুখি মেসি-রোনালদো!

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় জিসিসি অঞ্চলের বিমান চলাচলে বড় বিপর্যয়
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় জিসিসি অঞ্চলের বিমান চলাচলে বড় বিপর্যয়

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জীবননগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের চারা বিতরণ
জীবননগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের চারা বিতরণ

৪৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আমিরাতে দোয়া মাহফিল
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আমিরাতে দোয়া মাহফিল

৫১ মিনিট আগে | পরবাস

মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম
মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে লোকজন সরিয়ে নিল বিএসএফ
পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে লোকজন সরিয়ে নিল বিএসএফ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি
মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ​জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ​জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা
ঠাকুরগাঁও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নানাবিধ হুমকির মুখে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য
নানাবিধ হুমকির মুখে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য

১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

সর্বাধিক পঠিত
তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে
বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে
বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে

১৯ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সাবেক মেয়র মনজুর ও সাবেক এমপি সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সাবেক মেয়র মনজুর ও সাবেক এমপি সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

১৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির
ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উঠে দাঁড়িয়েছে দাবি করা সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন
উঠে দাঁড়িয়েছে দাবি করা সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ায় এক লাখ তেলাপোকা জব্দ, মূল্য দেড় লাখ ডলার
অস্ট্রেলিয়ায় এক লাখ তেলাপোকা জব্দ, মূল্য দেড় লাখ ডলার

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘ঝিমুনি’: ‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’ বলে ডেমোক্র্যাটদের উপহাস
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘ঝিমুনি’: ‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’ বলে ডেমোক্র্যাটদের উপহাস

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩
বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র
ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক
মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা
ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেভারিটদের তালিকায় থেকেও কেন মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স?!
ফেভারিটদের তালিকায় থেকেও কেন মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স?!

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা
৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে প্রথমবার ইতিহাস গড়তে আসছে ৫ নতুন দেশ
বিশ্বকাপে প্রথমবার ইতিহাস গড়তে আসছে ৫ নতুন দেশ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ
শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত
টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক
শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শত্রু শিবিরে খেলা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে একাট্টা ইরানি ফুটবলাররা
শত্রু শিবিরে খেলা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে একাট্টা ইরানি ফুটবলাররা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে
১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে
বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনসিপি'র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর
এনসিপি'র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি
ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হ্যাটট্রিক শিরোপার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না মারিয়া
হ্যাটট্রিক শিরোপার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না মারিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সীমান্তে বিজিবি জনগণ সতর্ক
সীমান্তে বিজিবি জনগণ সতর্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপিতে এক নেতা এক পদ
বিএনপিতে এক নেতা এক পদ

প্রথম পৃষ্ঠা

তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর
তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিটেনে অলিখিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশ
ব্রিটেনে অলিখিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্রান্সের সামনে ‘মৃত্যুকূপ’
ফ্রান্সের সামনে ‘মৃত্যুকূপ’

মাঠে ময়দানে

ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন
ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বরিশালের বাজারে ইলিশের হাহাকার
বরিশালের বাজারে ইলিশের হাহাকার

পেছনের পৃষ্ঠা

মারিয়াদের হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি
মারিয়াদের হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি

মাঠে ময়দানে

সরকারের দখলে নেই সরকারি সম্পত্তি
সরকারের দখলে নেই সরকারি সম্পত্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

জার্সি পতাকা উন্মাদনায় দেশ
জার্সি পতাকা উন্মাদনায় দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অভিনব মোটরসাইকেল
অভিনব মোটরসাইকেল

শনিবারের সকাল

অযত্নে ম্লান ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন
অযত্নে ম্লান ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন

শনিবারের সকাল

ভাইরাল সেই বাসের লাইসেন্স বাতিল
ভাইরাল সেই বাসের লাইসেন্স বাতিল

পেছনের পৃষ্ঠা

আলোচিত হত্যা মামলার রায় কাল
আলোচিত হত্যা মামলার রায় কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

কঠিন শাস্তির মুখে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
কঠিন শাস্তির মুখে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ ছাড়লেন কলকাতার মেয়র
পদ ছাড়লেন কলকাতার মেয়র

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজির দাম অল্প কমলেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে
সবজির দাম অল্প কমলেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিব খানের উদ্বেগ
শাকিব খানের উদ্বেগ

শোবিজ

যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

আইভরি কোস্টে হোঁচট ফ্রান্সের
আইভরি কোস্টে হোঁচট ফ্রান্সের

মাঠে ময়দানে

কৃষিপণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার আজারবাইজান
কৃষিপণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার আজারবাইজান

পেছনের পৃষ্ঠা

তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত
তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেরি থেকে আবার পদ্মায় বাস
ফেরি থেকে আবার পদ্মায় বাস

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়ে যাচ্ছে গুইংগারহাট খাল
হারিয়ে যাচ্ছে গুইংগারহাট খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

ডলার প্রতারণা করতেন তারা
ডলার প্রতারণা করতেন তারা

দেশগ্রাম

আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?

প্রথম পৃষ্ঠা

দিল্লির হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার সোহাগ
দিল্লির হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার সোহাগ

পেছনের পৃষ্ঠা

শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার
শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার

সম্পাদকীয়

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফেরত যাচ্ছে জাহাজ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফেরত যাচ্ছে জাহাজ

পেছনের পৃষ্ঠা